Jump to content

BDPIPS - Forex Bangladesh

২০২১ সালের নিন্ম প্রাইসে পুনরায় যেতে পারে EURJPY

চতুর্থ দিনের মতো EURJPY পেয়ারের প্রাইস কমে ১২৮.১০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। ২০২১ সালের সর্বনিন্ম প্রাইসে যেতে পারে EURJPY। সোমবার  EURJPY পেয়ারের প্রাইস কমে ৯ মাসের সর্বনিন্ম ১২৭.০০-তে এসেছিল।  পেয়ারটি ১২৮.০০ অতিক্রমের পরবর্তীতে ১২৭.৪৮ প্রাইস অতিক্রমের পরবর্তীতে ২০২১ সালের জানুয়ারির সর্বনিন্ম প্রাইস ১২৫.০০-তে যেতে পারে। ২০২১ সালে জানুয়ারিতে পেয়ারকে সর্বনিন্ম ১২৫.০০ প্রাইসে দেখা গিয়েছিল। অপরদিকে পেয়ার ২০০ দিনের SMA অনুযায়ী ১৩০.৫৪ অতিক্রমে সক্ষম হলে আপট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। E

করোনা ভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রোন ডলারকে প্রভাবিত করছে

গতকাল মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পেলেও আজকের সেশনে কমতে শুরু করেছে। করোনাভাইরাসের নতুন ভেরিয়েন্ট ওমিক্রোন কারেন্সি মার্কেটে প্রভাব ফেলছে। রবিবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছেন, ওমিক্রোন ভেরিয়েন্ট অন্যান্য ভেরিয়েন্টের তুলনায় বেশ বিপজ্জনক কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। কিছু বিশেষজ্ঞদের মতে, ভাইরাসের সংক্রামণ ক্রমাগত বৃদ্ধি পেলে বিশ্ব ইকোনমিতে প্রভাব ফেলতে পারে। আজকের সেশনে গোল্ডের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে সর্বোচ্চ ৯৬.২২ উঠলেও বর্তমানে ৯৬.২১ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কে

সুইস ফ্রাঙ্কের বিপরীতে ইউরো শক্তিশালী হচ্ছে – কমার্জব্যাংক

সপ্তাহের শেষের দিন EURCHF পেয়ারের প্রাইস কমলেও চলতি সপ্তাহের শুরুর দিন প্রাইস বৃদ্ধির চেষ্টা করছে। কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট অ্যাক্সেল রুডলফের মতে, EURCHF পেয়ারের প্রাইস কমে ২০১৫ সালের এপ্রিলের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.০২৫৫-তে যেতে পারে। বর্তমানে পেয়ারটি ১.০৪৪৩ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। ডেইলি চার্টে RSI ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। এক্ষেত্রে পেয়ারটি ১.০৪২৪ অতিক্রমের পরবর্তীতে ১.০৪০০ প্রাইসে যেতে পারে। অপরদিকে পেয়ার আপট্রেন্ড অব্যাহত রাখতে সক্ষম হলে সেক

১২৭.৯৪ সাপোর্ট অতিক্রমের পরবর্তীতে ১২৫.৬৭ প্রাইসে যেতে পারে EURJPY- কমার্জব্যাংক

চতুর্থদিনের মতো EURJPY পেয়ারের প্রাইস কমছে। আজকের সেশনে পেয়ারটি ১২৭.৯৪ অতিক্রমের পরবর্তীতে ১২৭.৭০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট কারেন জনসের মতে, পেয়ারটি ১২৭.৯৪ অতিক্রমের পরবর্তীতে ১২৫.৬৭ প্রাইসে যেতে পারে। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পেয়ারকে সর্বোচ্চ ১২৭.৯৪ প্রাইসে দেখা গিয়েছিল। ২০০ সপ্তাহের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী পেয়ারের পরবর্তীতে সাপোর্ট হতে পারে ১২৫.৬৭। অপরদিকে পেয়ারের রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ২৩ নভেম্বরের সর্বোচ্চ প্রাইস ১২৯.৬০। পেয়ারের আপট্রেন্ড অব্যাহ

গোল্ড সাপোর্ট-রেজিস্ট্যান্স – Confluence Detector

দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনা ভাইরাসের নতুন ধরণ ওমিক্রন ক্রমাগত প্রভাব বিস্তার করছে। যা গোল্ড এবং মার্কিন ডলারের মুভমেন্টে প্রভাব ফেলছে। তবে নতুন করোনা ভাইরাসের উদ্বিগ্নতা নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে মার্কিন ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ২৩.৬% অনুযায়ী গোল্ডের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১৮০০।  সাপ্তাহিক চার্টে ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৩৮.২% অনুযায়ী ১৮০৭ প্রাইসে গোল্ড বাধা-প্রাপ্ত হতে পারে। চার ঘন্টার চার্টে ২০০ SMA অনুযায়ী পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১৮০৯। আপট্রেন্ড

১.২৮১০ প্রাইস অতিক্রমে শক্তিশালী হতে পারে USDCAD

গত সপ্তাহে বেশ কয়েকদিন USDCAD পেয়ারের প্রাইস কমলেও সপ্তাহের শেষেরদিন বৃদ্ধি পেয়ে সর্বোচ্চ ১.২৭৯৮ প্রাইসে উঠেছিল। পরবর্তীতে পেয়ার ১.২৭৮৫-তে ক্লোজ হয়েছিল। নতুন সপ্তাহের প্রথমদিন অর্থাৎ আজ পেয়ারটি ১.২৭৪০ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৭৮.৬% অনুযায়ী পেয়ার জুলাই মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.২৮১০-তে যেতে পারে। ডেইলি চার্টে RSI ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ার ওভারবটে রয়েছে। সেক্ষেত্রে পেয়ারের প্রাইস কমার সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে। পেয়ার ১.২৬৬০ সাপোর্ট অতিক্রমের পরবর্তীতে ফিবোনাসি রিট্র

GOLD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ২৯ নভেম্বর - ০৩ ডিসেম্বর, ২০২১)

নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধির কারণে দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো গোল্ডের প্রাইস কমছে। গোল্ডের প্রাইস কমে নভেম্বরের সর্বনিন্ম প্রাইস ১৭৫৮-তে যেতে পারে। চলতি সপ্তাহে গোল্ডের প্রাইস কমে সর্বনিন্ম ১৭৭৮-তে এসেছিল। গোল্ডের বর্তমান লক্ষ্যমাত্রা হবে ১৮০০ অতিক্রম করা। মার্কিন ইভেন্টগুলো প্রত্যাশার থেকে ভাল এসেছে। এছাড়াও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন্ট পুনরায় ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান হিসেবে জেরেমি পাওয়েলকে নিয়োগ দিয়েছেন। এর ফলে ২০২২ সালের জুনের শুরুর দিকে ফেডের রেট বৃদ্ধির সম্ভাবন

GBPUSD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ২৯ নভেম্বর – ০৩ ডিসেম্বর, ২০২১)

GBPUSD পেয়ারের প্রাইস গত সপ্তাহের শুরুর দিকের চারদিন কমলেও সপ্তাহের শেষের দিন বেড়েছিল। তবে সাপ্তাহিক চার্টে পেয়ারটি বিয়ারিশ অবস্থানে রয়েছে। কোভিড-১৯ এর নতুন ধরন ওমিক্রনের উদ্বিগ্নতায় পাউন্ডের বিপরীতে ডলার শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। গত সপ্তাহে পেয়ারটি রিকভার করে ১.৩৫০০ প্রাইসের কাছাকাছি উঠলেও আপট্রেন্ড ধরে রাখতে সক্ষম হয়নি। পরবর্তীতে পেয়ারটি ১.৩৩৩৪ প্রাইসে ক্লোজ হয়েছিল। গত সপ্তাহে প্রকাশিত ব্রিটিশ মেনুফেকচারিং ও সার্ভিস সেক্টেরের উন্নতি হলেও ডলারের বিপরীতে ভাল করতে পারেনি। মার্কি

বছরের সর্বনিন্ম প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে GBPUSD

GBPUSD পঞ্চম দিনের মতো ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত রেখে বছরের সর্বনিন্ম প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। গত সপ্তাহের শেষের দিন থেকে পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড শুরু হয়েছিল। চার ঘন্টার চার্টে MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, পেয়ারের প্রাইস আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে RSI অনুযায়ী পেয়াররের কারেকশনের সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে পেয়ারটি ১.৩৩০০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। পেয়ারের কারেকশন শুরু হলে এক্ষেত্রে ১.৩৩৪০ রেজিস্ট্যান্স হতে পারে। ৫০ দিনের SMA অনুযায়ী ১.৩৪১৫ প্রাইসে রেজিস্ট্যান্স দেখা যাচ্ছে। প্রত

GBPUSD প্রাইস অ্যানালাইসিস

GBPUSD পেয়ারের প্রাইস চতুর্থ দিনের মতো কমলেও আজকের সেশনের শুরুর দিকে বৃদ্ধি পেয়েছিল।  বর্তমানে পেয়ারের আপট্রেন্ড সংকুচিত হয়ে আসছে। পেয়ারটি ১.৩৩২০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। আজকের সেশনে ব্রিটিশ পাউন্ড বিনিয়োগকারীদের নজর ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের গর্ভনর অ্যান্ড্রে বেইলির আলোচনার দিকে। ধারণা করা হচ্ছে, তার কাছ থেকে মিটিংয়ে ব্যাংকের রেট বৃদ্ধি সম্পর্কে কোন ইঙ্গিত আসতে পারে। যা কারেন্সি মার্কেটে প্রভাব ফেলতে  পারে। ৫০ এবং ২১ ঘন্টার মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী পেয়ারের পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হত

গোল্ডের গুরুত্বপূর্ণ কিছু সাপোর্ট- রেজিস্ট্যান্স

চতুর্থ দিনের মতো গোল্ডের প্রাইস কমছে। চতুর্থ দিনের মতো গোল্ডের প্রাইস কমলেও গতকাল পেয়ারটি ডজি ক্যান্ডেল তৈরি করেছে। এর ফলে আজকের সেশনে গোল্ডেল প্রাইস বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। গোল্ডের ডেইলি চার্টে লক্ষ করে দেখা যাচ্ছে আজকের সেশনে গোল্ডের প্রাইস বৃদ্ধি পেলেও আপট্রেন্ড নমনীয় অবস্থানে রয়েছে এবং বর্তমানে ১৭৯১ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। গোল্ডের প্রাইস কমতে শুরু হলে ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৩৮.২% অনুযায়ী পেয়ারটি ১৭৮৫ প্রাইসে যেতে পারে। ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ২৩.৬% এবং এক ঘন্টার চার্টে

পঞ্চম দিনের মতো NZDUSD পেয়ারের প্রাইস কমছে

রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউজিল্যান্ডের ডোভিশ আলোচনায় NZDUSD পেয়ার পঞ্চমদিনের মতো ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে। বর্তমানে পেয়ারটি ০.৬৮৫৩ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। গতকাল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউজিল্যান্ড ইন্টারেস্ট রেট অপরিবর্তনীয় রেখেছে। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের হকিশ আলোচনা মার্কিন ডলারকে ক্রমাগত শক্তিশালী করছে। ফেড আগামী বছরের জুনের দিকে ইন্টারেস্ট রেট বৃদ্ধি করতে পারে। এমন সম্ভাবনা নিউজিল্যান্ড ডলারের বিপরীতে মার্কিন ডলার শক্তিশালী করেছে। পেয়ারের পরবর্তী স

১১৯.৪১ প্রাইসে যেতে পারে USDJPY

২০১৭ সালের মার্চ মাসে পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে সর্বোচ্চ ১১৫.৫১-তে উঠেছিল। চতুর্থদিনের মতো পেয়ার আপট্রেন্ড অব্যাহত রেখে বর্তমান ১১৫.৩৬ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট কারেন জনসের মতে, থ্যাঙ্কস গিভিং ডে এর ফলে USDJPY পেয়ারের মুভমেন্ট সামান্য থাকলেও পরবর্তীতে বৃদ্ধি পেয়ে ১১৯.৪১ প্রাইসে যেতে পারে। ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৬০.৬১% অনুযায়ী পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১১৫.৬০। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১১৭.৫৬। পেয়ারের আপট্রেন্ড লং টার্মে চলতে থাকলে সেক্ষেত

মার্কিন ডলারের বিপরীতে তৃতীয় দিনের মতো কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস কমছে

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের প্রাইস কমার কারণে কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস কমতে শুরু করেছে। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের ইন্টারেস্ট রেট বৃদ্ধির ইঙ্গিত ডলারের প্রাইস বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। এর ফলে USDCAD পেয়ারের প্রাইস তৃতীয় দিনের মতো কমছে। বর্তমানে পেয়ারটি ১.২৬৪৬ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট হতে পারে ১.২৬২৬। যা ২২ নভেম্বরের সর্বনিন্ম প্রাইস  ছিল। পেয়ারের পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ১.২৬০০। ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত থাকলে সেক্ষেত্রে ১.২৫০০ প্রাইসে

ফেডারেল রিজার্ভের হকিশ আলোচনায় বেড়ে চলেছে ডলারের প্রাইস

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের হকিশ আলোচনার কারণে ইউরোর বিপরীতে ডলার এক বছরের সর্বোচ্চে এবং ইয়েনের বিপরীতে পাঁচ বছরের সর্বোচ্চে অবস্থান করছে। মূলত মার্কিন উদ্দীপনা হ্রাস ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ইন্টারেস্ট রেট বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে ডলারের প্রাইস ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। মার্কিন ডলার টানা পঞ্চম দিনের মতো আপট্রেন্ড অব্যাহত রেখে। আজকের সেশনে ৯৬.৭৩ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। ২০২০ সালের জুলাই মাসে ডলারের প্রাইস বেড়ে ৯৭.৬১-তে উঠেছিল। গতকাল ডলারের প্রাইস বেড়ে স

১.৩২৯০ থেকে ৭৫ সাপোর্ট জোনে যেতে পারে GBPUSD

GBPUSD পেয়ার চারদিনের মতো ধারাবাহিক ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত রেখে বছরের সর্বনিন্ম প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে।  আজ বৃহস্পতিবার এশিয়ান সেশনে পেয়ারটি ১.৩৩২০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। আজকের সেশনে পেয়ারটি ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.৩৪৮১ ব্রেকে ব্যর্থ হয়ে বর্তমানে ১.৩৩৪৪ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের বিয়ারিশ আরও শক্তিশালী হতে পারে। ১০০ সপ্তাহের SMA অনুযায়ী পেয়ারটি জুলাই মাসের শেষের দিকের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.৩২৯০ থেকে ৭৫ অঞ্চলে যেতে পারে। ২০০ সপ্তাহের SM

১.১২০০ রেজিস্ট্যান্স অতিক্রম করেছে EURUSD

EURUSD পেয়ারের প্রাইস গতকাল কমলেও আজকের সেশনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার পেয়ারটি গত কয়েক মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.১১৯০ গেলেও বর্তমানে বৃদ্ধি পেয়ে ১.১২১১ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। মেজর কারেন্সি পেয়ারটি ২০২০ সালের জুলাই মাসে সর্বনিন্ম ১.১১৮৬-তে এসেছিল।  ৩০ মিনিটের চার্টের পর্যালোচনায় MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।  এক্ষেত্রে পেয়ারের রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১.১২২০। ১০০ SMA অনুযায়ী পেয়ারের পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১.১২৩৫। EURUSD পেয়ারের আপট্রেন্ড অব্

রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউজিল্যান্ডের রেট ডিসিশনের পরবর্তীতে কমছে NZDUSD পেয়ারের প্রাইস

আজকের সেশনে নিউজিল্যান্ড ইভেন্টগুলোর মধ্যে অন্যতম রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউজিল্যান্ডের ইন্টারেস্ট রেট ডিসিশন। প্রত্যাশা অনুযায়ী ব্যাংক ইন্টারেস্ট রেট অপরিবর্তনীয় রেখেছে এবং ব্যাংক নীতিনির্ধরাকদের থেকে কোন ধরনের বুলিশ টোন না থাকায় পেয়ারটি গত তিন দিনের মতো ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে। MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে পেয়ারটি ০.৬৯০০ অতিক্রমের পরবর্তীতে ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৭৮.৬% অনুযায়ী ০.৬৮৯০ সাপোর্টে যেতে পারে। অপরদিকে পেয়ার ০.৬৯৩০ অতিক্রমের পরবর্তীতে ফ

মার্কিন ইভেন্টের পূর্বে ১১৫.০০ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে USDJPY

USDJPY পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে চার বছরের সর্বোচ্চ ১১৫.২৪ প্রাইসে আসলেও আজ বুধবার ইউরোপিয়ান সেশনের শুরুর দিকে পেয়ারটি ১১৫.০০ প্রাইস কেন্দ্র করে মুভমেন্ট করছে। কারেন্সি বিনিয়োগকারীদের নজর রয়েছে মার্কিন ডাটা এবং ফেডারেল রিজার্ভের মিটিংয়ের দিকে। ডেইলি চার্টে ১৪ দিনের (RSI) ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারটি ৫০ পয়েন্টের কাছাকাছি অবস্থান করছে। সেক্ষেত্রে পেয়ারের আপট্রেন্ড সীমিত হয়ে আসছে। অপরদিকে পেয়ারটি কয়েক বছরের সর্বোচ্চ প্রাইস ১১৫.২৪ অতিক্রমের পরবর্তীতে ১১৫.৫০-তে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সুইস ফ্রাঙ্কের বিপরীতে পুনরায় ডলার শক্তিশালী হচ্ছে

সুইস ফ্রাঙ্কের বিপরীতে গতকাল মার্কিন ডলারের প্রাইস কমলেও আজকের সেশনে পুনরায় বৃদ্ধির চেষ্টা করছে। যদিও সাপ্তাহিক চার্টে দেখা যাচ্ছে, পেয়ারটি তৃতীয় সপ্তাহের মতো আপট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে। MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের ‍প্রাইস আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে পেযারটি ০.৯৩৩০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। পেয়ারের পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ০.৯৩৭৫। আপট্রেন্ড অব্যাহত থাকলে সেক্ষেত্রে ০.৯৪০০ অতিক্রমের পরবর্তীতে ০.৯৪৭২ রেজিস্ট্যান্সে যেতে পারে। অপরদিকে পেয়ারের সাপোর্ট হতে পারে ১০ নভে

গোল্ডের গুরুত্বপূর্ণ কিছু সাপোর্ট-রেজিস্ট্যান্স

চতুর্থদিনের মতো গোল্ডের ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত থাকলেও আজ সেশনের শুরুর দিকে বৃদ্ধি পাচ্ছে।  বর্তমানে গোল্ড ১৭৯৩ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৩৮.২% এবং ডেইলি চার্টে ২৩.৬% অনুযায়ী গোল্ডের বর্তমান সাপোর্ট হতে পারে ১৭৮৮। গোল্ড ১৭৮২ সাপোর্ট অতিক্রমের পরবর্তীতে ১৭৭৮ সাপোর্টে যেতে পারে। অপরদিকে ১০০ দিনের SMA ও ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৩৮.২% অনুযায়ী গোল্ডের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১৭৯৪। মাসিক চার্টে ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ২৩.৬% অনুযায়ী ১৭৯৮ রেজিস্ট্যান্স হতে পারে

বুলিশ ফ্ল্যাগ অতিক্রমে শক্তিশালী হতে পারে GBPJPY

GBPJPY পেয়ারের ডেইলি চার্টে দেখা যাচ্ছে, পেয়ারটি বেশ কিছুদিন ডাউনট্রেন্ডে থাকলেও গত কয়েকদিন প্রাইস বৃদ্ধির চেষ্টা করছে। ডেইলি চার্টে বুলিশ ফ্ল্যাগ তৈরি করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, পেয়ারটি উক্ত অঞ্চল অতিক্রমে সক্ষম হলে আপট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। ফ্ল্যাগের আপ-রেঞ্জ লেভেলে ১৫৬.০০ প্রাইস দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে পেয়ারটি ১৫৩.৮২ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। GBPJPY পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১৫৪.৪৪। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ৪ নভেম্বরের সর্বোচ্চ প্রাইস ১৫৬.২৫। ৫০ দি

GBPUSD পেয়ারের রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১.৩৪০০

টানা তৃতীয় দিনের মতো GBPUSD পেয়ারের প্রাইস কমছে। গতকাল পেয়ারটি সর্বনিন্ম ১.৩৩৪১ প্রাইসে আসলেও দিন শেষে ১.৩৩৭১-তে ক্লোজ হয়েছিল। বর্তমানে পেয়ারটি ১.৩৩৭৫ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। GBPUSD গতকালের সর্বনিন্ম প্রাইস অতিক্রমে সক্ষম হলে ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। RSI ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ার ৫০ পয়েন্টের নিচে অবস্থান করছে। সেক্ষেত্রে আরও প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট হতে পারে ১.৩৩৩০ এবং পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ২০ জুলাইয়ের নিন্ম প্রাইস ১.৩২৮০। GBPUSD ডেইলি


বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

বিডিপিপস চ্যাট রুম

বিডিপিপস চ্যাট রুম

    চ্যাট করতে লগিন বা রেজিস্ট্রেশন করুন।
    ×
    ×
    • Create New...