Jump to content
Sign in to follow this  
লানজু

ট্রেন্ড ফলো করে ডে ট্রেডিং...

Recommended Posts

ফরেক্সের শুরু থেকে লস করছি সামনেও করব। কারন লস সহজভাবে না মেনে নিতে পারলে প্রফিটের মুখ কখনোই দেখতে পারবেন না।

২০১০ সাল থেকে ট্রেড করার দীর্ঘ পথচলায় কত ট্রেডিং সিস্টেম যে উলটপালট করেছি তার কোন শেষ নেই। ট্রেডিং স্ট্রেটেজির আসলে শেষ নেই। তবে শুরু থেকে ট্রেন্ড এর পক্ষে ট্রেড করতাম এই সিস্টেমটার প্রতি একটা মতব্বত ছিল তাই যত সিস্টেম পেয়েছি যেগুলো ট্রেন্ডের বিপক্ষে যায় একটু বেশি রিস্ক সেগুলো এড়িয়ে চলতাম। তারপর দেখা যায় বিভিন্ন সময় ট্রেড এন্ট্রি নিতাম তারপর দেখা যেত এক্সিট পয়েন্ট নিয়ে ঝামেলায় পড়তাম। সুন্দর একটা এন্ট্রি যদি সঠিক সময়ে এক্সিট বা ক্লোজ না করতে পারেন তাহলে সে ট্রেডটি আর সফল সুন্দর থাকে না। অনেকগুলো ট্রেডিং সিস্টেম এর মধ্যে যেটি আমার সবথেকে বেশি পছন্দের সেটিই আজকে শেয়ার করব। নিয়মিত প্রফিট না করতে পারলেও এভারেজ প্রফিটে থাকতে পারবেন এই সিস্টেমটিতে।

 

 

Hjhn6Sx.png


হয়ত অনেকে অনেক জল্পনা কল্পনা করে ফেলেছেন।
যে আজকে পাইছি একখান সিস্টেম সব খায়ালবাম

কিন্তু এই মার্কেটে খায়ালবাম কাইট্টায়ালবাম ইত্যাদি করতে গেলে নিজেই শহীদ হয়ে যাবেন। আর আমি এই সিস্টেমে প্রফিট করি বলে আপনিও পারবেন সেটা কিন্তু বলা যাবে না। কারন ওইযে কিছু সাইকোলজিক্যাল ব্যাপার আছে। আমি যেখানে চোখ বন্ধ করে ৫০-৭০ পিপস লস নিলেও গায়ে লাগে না সেখানে দেখা যাবে আপনি ২০ পিপস লস দেখলেই স্টপস উঠিয়ে দিয়ে বড় ধরনের বাশ খাবেন। আবার দেখা যাবে ৫-১০ পিপস প্রফিটে ট্রেড ক্লোজ করে দিবেন যেখানে আমি হয়ত টার্গেট করেছি ৮০-১০০ পিপস। এটাই হলো মূলকথা। ট্রেডিং সিস্টেম সব সময় সহজ রাখার চেষ্টা করবেন। তাহলে দেখবেন প্রেসার আসবে কম। আর একটা কথা কথা লট ঠিকঠাক মত নিবেন। সেটা কিভাবে? এমন লট সাইজ দিবেন যাতে করে ট্রেড অপেন করে মুভি / ঘুমিয়ে যেতে পারবেন শান্তিতে। আশা করি বুঝতে পারছেন।

ট্রেডিং সিস্টেমটি ছোট টাইমফ্রেম উপযোগী। তবে এটি বড় টাইমফ্রেমেও ব্যবহার করতে পারেন।

প্রথমে নিচের ইন্ডিকেটর গুলো ডাউনলোড করে আপনার MT4 এ সেটআপ করে নিন। পাশাপাশি টেমপ্লেট দেয়া আছে সেগুলোও এপ্লাই করে নিন। একটা টেমপ্লেট আছে ১মিনিট চার্টের জন্য আরেকটা রয়েছে ৩০মিনিট চার্টের জন্য।

http://tinyurl.com/hhjgqnt
 
Trading Tools.zip

আশা করছি সবাই সফলভাবে ইন্ডিকেটর আর টেম্পলেটটি ইন্সস্টল করতে পেরেছেন। এখন নিচের চিত্রগুলো লক্ষ্য করুন:
 
1.png?psid=1
 
3.png?psid=1
 
2.png?psid=1
 
 
এখন লক্ষ্য করুন। আমাদের কয়েকটি ধাপ অনুসরন করে এন্ট্রি নিতে হবে।

যখন মার্কেট পিভট পয়েন্টের উপরে:
ধাপ ১ : Two Band ইন্ডিকেটরের লোয়ার ব্যান্ড টাচ করে যখন হাইকেন এশি নীল হবে তখন বাই এন্ট্রি নিবেন। প্রথম নীল হাইকেনে না নিয়ে দ্বিতীয় হাইকেন এশিতে এন্ট্রি নিবেন।
ধাপ ২ : এক্সিট করবেন যখন হায়ার ব্যান্ড টাচ করে হাইকেন এশি লাল হবে তখন। এক্ষেত্রেও প্রথম লাল হাইকেনে না নিয়ে দ্বিতীয় হাইকেন এশিতে এক্সিট করবেন।

যখন মার্কেট পিভট পয়েন্টের নীচে:
ধাপ ১ : Two Band ইন্ডিকেটরের হায়ার ব্যান্ড টাচ করে যখন হাইকেন এশি লাল হবে তখন সেল এন্ট্রি নিবেন। প্রথম লাল হাইকেনে না নিয়ে দ্বিতীয় হাইকেন এশিতে এন্ট্রি নিবেন।
ধাপ ২ : এক্সিট করবেন যখন লোয়ার ব্যান্ড টাচ করে হাইকেন এশি নীল হবে তখন। এক্ষেত্রেও প্রথম নীল হাইকেনে না নিয়ে দ্বিতীয় হাইকেন এশিতে এক্সিট করবেন।

চলুন আজকের চার্টে দেখা যাক। আমি মূলত GBPJPY পেয়ারে ট্রেড করি এই সিস্টেমে এবং সপ্তাহ শেষে এভারেজ প্রফিটে থাকা যায়। মাঝে মাঝে লস হলেও সেটা খুব বেশি না।

৩০ মিনিটের চার্টে দেখা যাচ্ছে আজ সারাদিন মার্কেট পিভট পয়েন্টের উপরে ছিল।
d5c23a58ee714bcd8912a140345ba894.png
 
তারমানে আমরা ১মিনিটের চার্টের শুধু বাই এন্ট্রিগুলো নেব আর সেল এন্ট্রি পেলে বাই এক্সিট করে বসে থাকব পরের বাই এন্ট্রির জন্য। চলুন দেখি কোথায় কোথায় ছিল আজকের এন্ট্রিগুলো:
ee5bcbd2562d49c180ac7b5b7c11e3f4.png
 
আরো কিছু এন্ট্রি:
41941e84647244aeafeb531b7ea20ce4.png
 
বুঝতে পারছেন কিছু.... আচ্ছা আরো দুটো এন্ট্রি দেখুন আর কখন এন্ট্রি ভেলিড না সেটাও দেখে নিন।
80977363dfee48abb73a9bcf2ee1eaea.png

  • সবগুলো এন্ট্রি ধরতে হবে এমন বলছি না। 
  • আবার সবগুলো যখন যখন এন্ট্রি দেখিয়েছে ঠিক তখন এন্ট্রি নেওয়াও সমস্যা হতে পারে এজন্য Two Band এর এলার্ট অপশন True করে রাখতে পারেন।
  • এতে করে পপআপ মেজেসের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন ঠিক কখন লোয়ার অথবা আপার ব্যান্ড টাচ করেছে। নিচের চিত্রটি লক্ষ্য করুন:

49e019b0d2484946911d224542a0c0c8.png
অনেক সময় নিয়ে নিলাম। সময়ের মূল্য অনেক। তাই বলব ইন্টারনেটে বেহুদা টাইম নস্ট না করে একটু চোখকান খোলা রেখে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ঘুরাঘুরি করুন। চারপাশে নানা করটেন্ট। আপনার গ্রীন পিপসময় ট্রেডিং লাইফ কামনায় বিদায়। আর একটা কথা লস মেনে নিতে শিখুন। একবার লস করা শিখে গেলে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না। লাভ হবেই হবে। শুধু মানি ম্যানেজমেন্ট টা ঠিক রেখে সামনে এগিয়ে যান।

ধন্যবাদ।

  • Love 8

Share this post


Link to post
Share on other sites

ধন্যবাদ ভাই এত কষ্ট করে  এত সুন্দর করে আপ্পনার strategy টা সবার সাথে শেয়ার করার জন্য।

Share this post


Link to post
Share on other sites

ধন্যবাদ ভাই এত কষ্ট করে  এত সুন্দর করে আপ্পনার strategy টা সবার সাথে শেয়ার করার জন্য।

মন্তব্য করার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ

Share this post


Link to post
Share on other sites

আপনার জন্য দোয়া করি। কথা বলে ধন্যবাদ দিতে চাই।

অাপনার মোবাইল নাম্বার এই মেইল [email protected] এ দিবেন ভাই......

Share this post


Link to post
Share on other sites

আপনার জন্য দোয়া করি। কথা বলে ধন্যবাদ দিতে চাই।

অাপনার মোবাইল নাম্বার এই মেইল [email protected] এ দিবেন ভাই......

Add me at skype: nazmul1235

Share this post


Link to post
Share on other sites

আমার strategy টা খুব ভাল লাগল। খুব সুন্দর ও কাজের মনে হল। ধন্যবাদ আপনাকে এত ‍সুন্দর একটা  strategy শেয়ার করার জন্য। আপনার সাথে কথা বলে আরও শিখতে Cahi । ‍

Share this post


Link to post
Share on other sites

Join the conversation

You can post now and register later. If you have an account, sign in now to post with your account.

Guest
Reply to this topic...

×   Pasted as rich text.   Paste as plain text instead

  Only 75 emoji are allowed.

×   Your link has been automatically embedded.   Display as a link instead

×   Your previous content has been restored.   Clear editor

×   You cannot paste images directly. Upload or insert images from URL.

Loading...
Sign in to follow this  

  • Similar Content

    • By m..Hasan
      There will be some random post  with chart , feel free to share any of activities of trading , wish everyone Green pips , trade safe ,, 
       
      @GU   ,. some quick shorts scalping has been closed
       
       

    • By masteroffx2018
      USA এর ট্রাম্প সরকার নানা দিক দিয়ে ইরানের উপরে আরও অবরোধ বাড়াতে চায়। মধ্যপ্রাচ্যে তাদের একমাত্র হুমকী ইরান বলেই মনে করে তারা।   এদিকে এমন পরিস্থিতির মুখেই ইরাক সরাসরি ঘোষনা দিয়েছে তারা ইরানের উপর আমেরিকার কোন অন্যায়কে প্রশ্রয় দেবে না। রাশিয়াও গত পরশু কাস্পিয়ান সাগর ব্যবহার করে তাদের বানিজ্য প্রসারে ইরানের সাহায্য নেবে মর্মে চুক্তিও করে ফেলেছে। এটিও ট্রাম্প সরকারের উপরে চাপ ফেলেছে প্রচুর পরিমানে। এদিকে ইরান তাদের বানিজ্যিক চুক্তি বাড়িয়ে পাকিস্তানের সাথেও গতকাল বৈঠক করে ফেলেছে। উভয় দেশ সকল বৈরিতা মোকাবেলায় একে অপরের পাশে থাকবে বলে সম্মতিও হয়েছে!!   অন্যদিকে ট্রাম্প সরকার তার দেশে চায়নিজ পন্যের শুল্ক কয়েকগুন বৃদ্ধি করার মৌন প্রতিশোধ হিসেবে চিনও ঘোষনা দিয়েছে, তারা ইরানের উপর আর কোন অবরোধ দেখতে চায় না।   আমেরিকার বন্ধুরাষ্ট জার্মানির এঞ্জেলা মার্কেলও ঘোষনা দিয়েছে তারা ইরানের উপরে আমেরিকার অবরোধ আরোপের চিন্তাকে সমর্থন করেনা।তারা আলোচনা করে সমস্যা সমাধানের পক্ষে।   এতোসব ঘটনার মাঝে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা, আয়াতুল্লাহ খোমেনী প্রকাশ্যে ঘোষনা দিয়েছে, আমেরিকার সাথে এবার যদি তাদের নুন্যতম কোন যুদ্ধাবস্থা সৃষ্টি হয়,তবে তারা কোন আলোচনার চিন্তাও করবেনা। সরাসরি আক্রমন করা শুরু করে দেবে।আর তার উপরে একটি ক্ষেপনাস্ত্রের জবাব তারা ১০ টি ক্ষেপনাস্ত্র দিয়ে দেবে।   এতসবের প্রেক্ষিতে ট্রাম্প সরকার বর্তমানে বুদ্ধিবৃত্তিমুলক সমস্যায় ভুগছেন। তার কোন সিদ্ধান্তই সঠিকভাবে কাজ করছে না। পায়ের নিচে থাকা ইরাকও আজ মুখের উপর কথা বলছে, আফগান সিরিয়ায় চরম বিপর্যয়ের পর বর্তমানে সারা বিশ্ব থেকে এমন চোখ রাঙ্গানী, সব কিছু মিলিয়ে USD এর মুল্যমান চরম অস্থিতিশীল অবস্থায় সময় পার করছে।   আর তাই ইউএস ডলারের দুর্বল হবার আশংকাই অনেক বেশি হয়ে দেখিয়েছে।যা ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে কিছু কিছু কারেন্সী পেয়ারে। তবে ট্রাম্প সরকার গুরুত্বপুর্ন কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারলেই কেবল এমন সংকটময় অবস্থা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এখন দেখার পালা, কেমন পদক্ষেপ নেয় ট্রাম্প সরকার নিজেদের অবস্থান শক্তপোক্ত করতে।   সবাইকে আন্তর্জাতিক নিউজ সম্পর্কে ধারনা রাখার জন্য অনুরোধ করা হল, কারন এসব নিউজের ইফেক্ট আপনাকে নিমিষেই আপনার সকল টেকনিক্যাল এনালাইসিসকে বোকা বানিয়ে আপনাকে লুজার বানিয়ে দিতে পারে, আবার যদি ভালভাবে নিউজ ধরে ধরে ট্রেড করতে পারেন, তবে নিয়মিত ও ভালভাবে প্রফিটও করে যেতে পারেন অনায়াসে।   সকলের জন্য শুভকামনা রইল <3 <3 <3   Trade with real ECN broker: 
    • By bmfxanalyst
      একথা নতুন করে বলার কিছু নাই যে, ফরেক্স মার্কেট বিশ্বের সবচেয়ে বড় লিকুইডিটি মার্কেট। যেখানে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার লেনদেন হয় প্রতিদিন। এই মার্কেটে আমার আপনার মত যারা ট্রেড করি তারা শুরুতেই একটা কথা শুনে আসি যে, এই মার্কেটে ৯৫% লুজার!! কিন্ত কেন এতো বড় অংশ লুজার তা কি কেউ জানি??
       
      => আজ এই লেখায় আপনি অনেক নতুন বিষয় জানতে চলেছেন, তা হয়তো আপনি আগে ভাবেননি কখনো। অথবা ভেবেছেন, কিন্ত সিরিয়াস হিসেবে নেন নি কখনো অথবা জেনেও থাকতে পারেন, কিন্ত ততোটা গুরুত্ব দেননি। আজ থেকে সেসব গুরুত্ব দিতে শিখবেন আশা করছি।
      হাতে সময় আছে তো? একটু সময় নিয়ে লেখাটা পড়ুন। বোঝার চেষ্ঠা করুন। দরকার হলে আরেকবার পড়ুন। নয়তো বুকমার্কে সেইভ করে রাখুন, আপনার ফেসবুক ওয়ালেও শেয়ার করে রাখুন যাতে সবাই জানতে পারে ফরেক্স মার্কেটের এই নিগুঢ় রহস্যের ব্যাপারে।
       
                                                                                                
       
      সবার প্রথমে আপনাকে জানতে হবে এই ফরেক্স মার্কেটে ব্যবসা করে দুই শ্রেনীর ব্যবসায়ী। এক রাঘব বোয়ালেরা, আর দুই চুনোপুঁটিরা।
      এখানে রাঘব বোয়াল কারা?
      এখানে রাঘব বোয়াল হিসেবে কাজ করে বিশ্বের বড় বড় ব্যাংক, বড় বড় ফিন্যান্সিয়াল করপোরেশানগুলো। তবে তারা কিন্ত বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেটের মত এই মার্কেটকে ম্যানিপুলেট করার কোন ক্ষমতাই রাখে না। মার্কেট মার্কেটের মতোই চলে।
      এবার আসি চুনোপুঁটিদের কথায়। এই চুনোপুঁটিই হচ্ছে আমার আপনার মত ট্রেডারেরা। বলা হয় এই মার্কেটে ৯৫% লুজার। এই লুজার কারা? ঐ সব রাঘব বোয়ালেরা?
      কখনোই না! তারা কিন্ত এই ৯৫% লুজারের মাঝে পড়েনা। কেন?
      কারন তারা এখানেই তাদের অর্থ যথাযথ ব্যবহার করে। বিভিন্ন ব্রোকারেরা তাদের কাছ থেকে কমিশনের ভিত্তিতে স্বত্ব কিনে নিয়ে আমাদের মত ট্রেডারদের ট্রেড করার সুযোগ করে দেয়।
      আর লুজারদের তালিকায় আমাদের মত ট্রেডারেরা থাকে। এই যে আপনি ৯৫% লুজারের কথা শুনছেন, তারা কিন্ত আমার আপনার মতোই ট্রেডারেরা। নয়তো সেই সব রাঘব বোয়ালেরা লস করলে ফরেক্স মার্কেটে লিকুইডিটি সংকট দেখা দিত। এই ট্রিলিয়ন ডলারের লেনদেনও কমে আসত যদি এখানে সেই রাঘব বোয়ালদেরও ৯৫% লুজার হতো। কিন্ত বাস্তবে সেই মার্কেট আরও বড় হচ্ছে। এতেই বোঝা যাচ্ছে বাস্তবতা।
      এই বিশাল মার্কেটে বড় বড় বিজনেসম্যানদের সঙে আপনিও যখন নিজেকে শামিল করছেন, তখন আপনার চিন্তাধারাও তাদের চিন্তাধারার সাথে মেলাতে হবে। যদি তা না করতে পারেন, তবেই আপনি লুজার হবেন নিশ্চিত। আর লুজারদের পার্সেন্টেজ দেখে বোঝাই যায় যে শতকরা ৯৫ জন ট্রেডারেরাই নিজেদের সেই সব বিজনেসম্যানদের চিন্তাধারার সাথে নিজেদের মেলাতে পারেনি। ফলাফল এমন বিশাল লুজারের সংখ্যাবৃদ্ধি।
      এবার আসি বড় বড় ব্যাবসায়ীদের সাথে আমাদের মত ট্রেডারদের স্ট্র্যাটেজিক্যাল পার্থক্যের বিষয়েঃ
      আপনি সাড়ে পাঁচ’ফুট বা ছ’ফুট উচ্চতার মানুষ। আপনি হাটার সময় এক ধাপেই প্রায় দুই ফুট পার হয়ে যেতে পারেন। এই দু ফুট রাস্তায় হালকা কাদা পানি, খানা খন্দ যাই থাকুক না কেন। আপনার কিন্ত সেসব না দেখলেও চলে। কিন্ত এই পথ যদি একটা পিপড়া অতিক্রম করতে চায়? তাহলে কি হবে?
      তাকে প্রতি ইঞ্চি ইঞ্চি হিসেব করে এগতে হবে, নয়তো কাদায় আটকে যেতে পারে, খানাখন্দের ভিতর পানি থাকলে সেখানেও প্রান সংশয় দেখা যেতে পারে। তাই তাকে হিসেব করে করে এগোতে হয়। চারদিকে দেখেশুনে নিয়ে এগোতে হয়। ঠিকঠাক ভাবে এগোতে পারলে সেই পথ পারি দিয়ে পারে। অথবা কোন ভুল করলে প্রানটাও হারাতে পারে।
      এই উদাহরনের সাথে ফরেক্স এর কি সম্পর্ক??
      জ্বি, সম্পর্ক আছে। এটাই আসল সম্পর্ক। যারা যারা রাঘব বোয়াল, তারা মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের ব্যালান্স নিয়ে একবারে মাসের পর মাস ট্রেড ওপেন করে বসে থাকে, টাইমফ্রেমের দিক দিয়ে তারা এক লাফে দুই-আড়াই ফুট যাবার মত এগিয়ে থাকে, এই সময়ের মাঝে আমাদের মত ছোট ছোট ট্রেডারদের কেউ এক মিনিট, কেউ ৫ মিনিট, কেউ ৩০ মিনিট, কেউ ১ ঘন্টা, কেউ ৪ ঘন্টা আবার কেউ এক দিনের টাইমফ্রেম নিয়ে সেই পিপড়ার মত হিসেব করে করে সামনে এগোতে চায়। ফলাফল আমাদের মত ট্রেডারদের রিস্ক কয়েক হাজার গুন বৃদ্ধি পায়।
      এই ঝুঁকিপুর্ণ পথ পার হতে হতেই বেশিরভাগ ট্রেডার ঝড়ে পড়ে অনায়াসে। কারন তারা হয় ঝুঁকি সম্পর্কে তেমন সচেতন থাকেন না। নয়তো তারা ঝুঁকিটাকে ঠিকমত ম্যানেজ করতে শেখেন না। ফলাফল একের পর এক একাউন্ট ডাম্প হয়ে যাওয়া।আর লুজারদের পার্সেন্টেজ বাড়তে থাকা।
      এতোক্ষন তো আলোচনা করা হল কেন এতো লুজার হয়। এবার আসেন আমরা একটু জেনে নেই কিভাবে এই ঝুকিপুর্ন পথ নিরাপদে পর হতে পারবেন।
      আমি পয়েন্ট আকারে বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করি। তাতে হয়তো বুঝতে সুবিধা হবে।
      ১) সেহেতু ফরেক্স এর পথ সমতল নয়, উঁচুনিচু আর খানা-খন্দে ভরা, সেহেতু আপনাকে সর্বপ্রথম এই পথ পাড়ি দেবার মত একটা স্ট্র্যাটেজী ঠিক করতে হবে।
      ২) স্ট্র্যাটেজীটা যেমনই হোক না কেন, আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে নুন্যতম প্রফিট রেশিও যেন রিস্ক রেশিওর থেকে তিনগুন হয়। অর্থ্যাত আপনার স্টপ লস ১০ পিপ্স হলে যেন টেক প্রফিট ৩০ পিপ্স হয় কমপক্ষে।
      ৩) এমন স্ট্র্যাটেজীর সুফল আপনি এভাবে পাবেন যে, আপনার একটা ট্রেড প্রফিটে গেলে সেই প্রফিট আপনার পরবর্তী তিনটা ট্রেড লসে গেলেও আপনার মুল ব্যালান্স অক্ষুন্ন থাকবে।
      ৪) যে স্ট্র্যাটেজীই ব্যবহার করেন না কেন, সবসময় ট্রেন্ডের পক্ষে ট্রেড নেবেন। সাগরে ঢেউ বেশি হলে মাঝি নৌকার পাল কিন্ত যেদিকে বাতাস বইতে থাকে ঠিক সেদিকে তুলে ধরে, কারন বাতাসের উল্টোদিকে যেতে চাইলে প্রানটা হারাতে হতে পারে।
      ফরেক্স মার্কেটে ট্রেন্ডটাও ঠিক তেমনি। আপনি ট্রেন্ডের পক্ষে থাকলে নিজেকে বেশ নিরাপদে রাখতে পারবেন। কিন্ত ট্রিলিয়ন ডলারের সমুদ্রে নিজের কয়েকশত বা কয়েকহাজার ডলারের মুলধন নিয়ে ট্রেন্ডের বিপক্ষে যাবার সাহস করলে ফলাফল কি হতে পারে তা নিশ্চয় আপনি নিজেই আঁচ করতে পারছেন।
      ৫) কখনোই বিশ্বাস করবেন না যদি কেউ বলে যে, সে এই মার্কেটে কেউ ৮০% বা ৯০% টানা প্রফিট করে চলছে। তার মানে আপনিও তেমনটি করতে পারবেন। সুতরাং আপনি তার কথা শুনেই ছুটে চললেন তার কাছে, তার তালীম নেবার আশায়, কিন্ত ফলাফল দেখলেন নেগেটিভ। অর্থ্যাত আপনি আবারও লস করেছেন।
      বিখ্যাত এক ট্রেডারের এক বানী জেনে রাখুনঃ
      “In this business if you’re good, you’re right six times out of ten. You’re never going to be right nine times out of ten.” -Peter Lynch
      ৬) মনে রাখবেন ১০ টা ট্রেডের ৮-৯ টা ট্রেডে আপনি ১০ পিপ্স করে প্রফিট নিলেন এভারেজে, কিন্ত বাকি ১-২ টা ট্রেডেই আপনি লস করেছেন ৫০-১০০ পিপ্স করে টোটাল ১০০-২০০ পিপ্স। এখানে আপনার ট্রেডগুলোর প্রফিট রেশিও ৮০%-৯০% হলেও আল্টিমেটলি কিন্ত আপনি বেশ ভালোই লসের স্বীকার হয়ে চলেছেন। এখন কি বুঝতে পারছেন সমস্যাটা কোথায় ??
      ৭) আমি ১:৩ রেশিওতে ট্রেড করতে বলেছি, তার কারন আপনি যদি ৫০% উইনও করেন , তবুও আপনি ভাল রকমের প্রফিটে থাকবেন।
      ১০টা ট্রেডের ৫টা ১০ পিপ্স করে লস করলেন, তার মানে ৫০ পিপ্স লস হলো, আর বাকি ৫টা তিনগুন করে প্রফিট করলেন।তার মানে ১৫০ পিপ্স প্রফিট হলো। লাভ লস মিলে কিন্ত আরও ১০০ পিপ্স প্রফিট করলেন আপনি। এখানেই প্রকৃতপক্ষে লাভ লসের হিসেব লুকিয়ে থাকে।
      ৮) নিজের ব্যালান্স নিয়ে সবসময় যত্নবান হবেন। কখনোও নেগেটিভ হলে হাল ছেড়ে দেবেন না। ঠান্ডা মাথায় ভেবে এর কারন বের করুন। ইমোশনালি কোন ট্রেড চালু করবেন না। ফরেক্স মার্কেট কারও ইমোশনকে পাত্তা দেয় না।
      জেনে রাখুন এই সফল ট্রেডার কি বলেছেনঃ
       “Don’t focus on making money; focus on protecting what you have.” – Paul Tudor Jones
      ৯) এরপর কারেন্সী পেয়ার বাছাই করতে সচেতন হোন। মনে রাখবেন আলাদা দেশ, আলাদা কারেন্সি মুভমেন্ট। সুতরাং একই ব্যবসা পদ্ধতি দিয়ে আলাদা দেশের কারেন্সি মুভমেন্টকে নিজের কন্ট্রোলে নিয়ে আসা অনেক কষ্টের। কারন মাছের ব্যবসা পদ্ধতি দিয়ে আপনি আলুর ব্যবসা করতে গেলে লস খাবেনই। সুতরাং পারতপক্ষে একটি কারেন্সী পেয়ার বাছাই করুন যা আপনার স্ট্র্যাটেজীর সাথে মানানসই হয়।
      নয়তো কোন একটা কারেন্সী বাছাই করুন, এরপর সেই কারেন্সীর যতগুলো পেয়ার আছে, সেগুলোতে ট্রেড করুন।
      ১০) যতগুলো পেয়ারই বাছাই করেন না কেন। এখানে মানি ম্যানেজমেন্ট আপনাকে ফলো করতেই হবে। এই বিষয়টা অনেকেই জানে না। আজ পরিস্কার হয়ে জেনে নিন।
      মানি ম্যানেজমেন্ট হচ্ছে, আপনার মুলধনকে নিরাপদ রাখা।
      ধরুন আপনার ব্যালান্স ১০০ ডলার। আপনি ৫% রিস্ক নিবেন। তাহলে কি করবেন?
      এখানে, আপনি যতগুলো ট্রেডই নেন না কেন, আপনার সকল স্টপ লসের হিসেব মিলিয়ে যেন ৫ ডলারের বেশি না লস হয়। কারন একবার সবগুলো লস হয়ে গেলেও আপনি আরও ১৯ বার একই ভাবে ট্রেড করার সুযোগ পাবেন। আগের লস রিকভারি করে আবারও প্রফিটে নিয়ে আসার সুযোগ পাবেন।
      এ বিষয়ে আরেকজন সফল ট্রেডারের বানী শুনুনঃ
      “Frankly, I don’t see markets; I see risks, rewards, and money.” – Larry Hite
      ১১) বাংলা একটা প্রবাদ আছে, “ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না”
      এটা এখানে প্রযোজ্য হবে। সুতরাং ট্রেড ওপেন করার আগে ট্রেন্ড, আপনার স্ট্র্যাটেজী, সব দিক বিবেচনা করে পারফেক্ত হলে তবেই ট্রেড ওপেন করুন। টেক প্রফিট লেভেল, স্টপ লস লেভেল সেট করুন। এরপর বার বার চার্ট দেখতে যাবেন না। তাতে অস্থিরতা বাড়ে শুধু। আর অস্থির মনই আপনাকে ভুল ডিরেকশান দিয়ে ভুল কিছু সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে।
      সুতরাং ট্রেড ওপেন করুন এবং তার কথা ভুলে যান। পরের এন্ট্রি খোঁজ করুন।
      সমসময় মনে রাখবেন এই সফল ট্রেডারের কথাঃ
      The goal of a successful trader is to make the best trades. Money is secondary.” – Alexander Elder
      সবশেষে বলতে পারি যে, ট্রেড বাই ট্রেড হিসেব না করে মাসে কয়টা ট্রেড নিলেন, তার টোটাল হিসেব করুন। কত পিপ্স প্রফিট পেলেন, কত পিপ্স লস করলেন তার হিসেব বের করুন।
      একই ভাবে ব্যাকটেস্ট করুন। মাসে কেমন প্রফিট এর সুযোগ ছিল সেসব মাসে তা বের করুন। একটা পরিস্কার ধারনা পাবেন। এভাবে টানা ২-৩ মাস করে যান, এতে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন একসময়। আর একবার অভ্যস্ত হয়ে গেলে আপনি নিজেকে সেই ৫% প্রফিটেবল ট্রেডারদের মাঝে দেখতে পাবেন আমি নিশ্চিত।
      পরিশেষে, সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন যেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাকে সুস্থ রাখেন। আর ফরেক্স মার্কেটের কল্যানে আরও বেশি বেশি মানুষের মেহনত করতে পারি।
      অনেকেই ভালভাবে ফরেক্স জানতে ও শিখতে আগ্রহ দেখিয়েছেন, অনেকে আবার ট্রেডিং সিগনাল ফলো করার আগ্রহের কথাও জানিয়েছেন, তারা আমাকে মেসেজ দিতে পারেন অথবা আমার ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে ইনবক্সে একটা মেসেজ দিয়ে রাখবেন। আপনাদের সকল প্রশ্নের উত্তর দেবার চেষ্ঠা করা হবে ইনশাল্লাহ। অত্যন্ত স্বল্প ফী’র মাধ্যমে যে কেউ এখানে সিগনাল পেতে পারেন নিজেদের ফরেক্স শেখার পাশাপাশি বাড়তি কিছু প্রফিট পাবার আশায়।
      আমার ফেসবুক পেইজ লিংকঃ https://www.facebook.com/bmfxanalystbd/
      আমার স্কাইপ আইডীঃ live:bmfxanalyst
      পরিশেষেঃ ব্যবসা নিজে ভালভাবে শিখে নিয়ে নিজের বুদ্ধি ব্যবহার করে করাই সবচেয়ে ভাল। এতে ব্যবসায় আন্তরিকতা বজায় থাকে। আর আন্তরিকতার উপর নির্ভর করে সৃষ্টিকর্তা ব্যবসায় বরকত দিয়ে থাকেন। কারন আল্লাহ তায়ালা ব্যবসাকে হালাল করেছেন। আর মহানবী (স) বলেছেন, “তোমরা ব্যবসা করো, ব্যবসায়ে ১০ ভাগের ৯ ভাগ রিজিকের ব্যবস্থা আছে।”
      সৃষ্টিকর্তা আমাদের কবুল করুন। আমীন।

    • By bmfxanalyst
      আজ আমরা AUDNZD কারেন্সী পেয়ার নিয়ে কথা বলব। ডেইলী চার্টে দেখতে পাচ্ছি যে, পরিস্কার আপট্রেন্ডের পথে রয়েছে মার্কেট।  একই সাথে চার ঘন্টার চার্টে দেখতে পাছি, ডাউন ট্রেন্ড ক্রস করে উপরে যাবার ট্রাই করছে। সুতরাং উপরে যাবার সম্ভাবনা অনেক বেশি। এবার আপনার নিজের এনালাইসিস কি বলছে? একই বলছে তো? একই বলে থাকলে দেরী কেন? সেট আপ নিয়ে নিন। 
      আপনার শুভকামনা। চার্ট টি দেখুনঃ 

    • By bmfxanalyst
      আজ ডলারের নিম্নমুখী এক নাগাড়ে পতন শুরু হয়েছে যেন। কিন্ত কেন? এভাবে নিচের দিকে পড়ার মত কিছু কি ঘটেছে আমেরিকার বিশ্বে? মনে হয় না। 
      আল কায়দা বিমান হামলাও করেনি, আইএস এর প্রধানকে আমেরিকার বন্ধু বলেও প্রমান করা যায়নি এখনও। সৌদী আরবও বলেনি যে আমেরিকার সাথে সকল লেনদেন বন্ধ!!
      রাশিয়াও ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালায়নি এমনকি ইরানও পরমাণুর বোমা তাক করেনি!! ওদিকে উত্তর কোরিয়াও যথেষ্ট চুপ চাপ। তাহলে?
      এসবের কোন কিছুই না হওয়া সত্ত্বেও কেন ডলার এই অধোঃপতন?? 
      এবার আসি মুল বিষয়ে। ফরেক্স এর চার্ট বা বিভিন্ন ব্যাংকের রিপোর্টের বাইরে বিশ্বের অর্থবাজারের মুভমেন্টের জন্য আরেকটি বিশাল জায়গা রয়েছে, যার উপর ভিত্তি করে এমন বড় বড় মুল্যের উঠানামা হয়ে থাকে।
      তার নাম রিউমার। বাংলায় যাকে বলব গুজব। 
      হুজুগে শুধু বাঙালিই নয়। হুজুগে শব্দটার সাথে সারা বিশ্বের সকল জায়গার মানুষ জড়িত। সবাই গুজবে মাতে, সবাই চিলে কান নিয়েছে শুনে চিলের পিছনেই দোউড়ায়। কান কানের জায়গায় ঠিকঠাক আছে কিনা তা দেখারও প্রয়োজন পড়েনা। আর এই রিউমারের প্রভাব অর্থবাজারে বেশ জোড়েশোরেই পড়ে।
      আজ ইউএস ডলারের উপর এমনই শনির দশা পড়েছে।
      কারন, আজ সিরিয়ায় হামলা ইস্যুতে রাশিয়া ও আমেরিকা বেশ ভালভাবেই তর্কাতর্কি করেছে, আর বোঝাই যাচ্ছে তাতে রাশিয়ার যৌক্তিকতাই বেশি ছিল কারন সিরিয়ার আসাদ কিন্ত সিরিয়ান জনগনের গণভোটে নির্বাচিত ছিলেন। তাহলে নির্বাচিত এক সরকার প্রধানকে উতখাত করতে আমেরিকার এতো মাথাব্যাথা কেন?? এর আগে ইরাকে মিথ্যা রাসায়নিক অস্ত্রের অযুহাতে সাদ্দামকে ফাসী দিয়ে বেশ বড় ভুল করেছিল আমেরিকা, সেই উদাহরন টেনে এনে আমেরিকাকে তর্কাতর্কির সময় এক পর্যায়ে চুপ করিয়ে দিয়েছিলেন রাশিয়ান প্রতিনিধি। যদিও ইতোপুর্বে যুক্তরাজ্যে গুপচরকে নার্ভ গ্যাস প্রয়োগে হত্যার অভিযোগের ইস্যুতে রাশিয়া ও আমেরিকা যার যার দেশের ৫০ জনেরও বেশি জন করে কুটনৈতিককে দেশে পাঠিয়ে দেবার বিষয় তো ছিলই এখানে!! এতেই আমেরিকার আগ্রাসী ভুমিকায় যে বেশ বড় ধাক্কা লেগেছে তা বলাই যায়। 

      এই আলোচিত ঘটনাকে ছাপিয়ে এবার রমরমে একটা বিষয় সামনে এসে দাড়িয়েছে আজ। তা হচ্ছে, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর চারিত্রিক সনদ নিয়ে কারও কোন মাথা ব্যাথা যদিও নেই, তবুও আজ এফবিআই এর বেশ কিছু সদস্য ট্রাম্প এর ব্যক্তিগত আইনজীবীর অফিসে ব্যাপক তল্লাসী চালিয়েছে। তারা নির্বাচন কালীন কোন এক পর্ন অভিনেত্রীর সাথে ইটিশ-পিটিশ করার কথা ধামাচাপা দিতে যে বেশ বড় অংকের টাকা দিয়েছিলেন, সেই সংক্রান্ত নথিপত্রও নাকি খুজে পেয়েছেন!!
      অর্থাৎ ট্রাম্প সাহেব বেশ বড় ধরনের ঝামেলাতেই পড়তে যাচ্ছেন বলাই যায়। আর কোন দেশের প্রেসিডেন্ট এর এমন নারী কোলেংকারী জনিত ঝামেলায় পড়া মানে সেই দেশের অর্থবাজারে বেশ বড় রকমেই ধ্বস নেমে আসা। এখন দেখার বিষয় আমেরিকার সিনেট বোর্ড কিভাবে বিষয়টা সামাল দেন।
      আজ ডলারের বিপক্ষে বেইজ কারেন্সী হয়ে থাকা সকল পেয়ার শুধু উড়েই চলেছে যেন। একটু ব্যতিক্রম ছিল জাপানী ইয়েন। ভাব দেখে মনে হচ্ছিল যে ইয়েনের দশা ডলার থেকেও খারাপ তাই এই চরম সংকটের মুহুর্তেও ডলার একমাত্র ইয়েনের বিপক্ষে একটু হলেও মাথা তুলে রাখতে পেরেছে। 
      আজকের অফ টপিকের এনালাইসিস কি আপনাদের একটু হলেও বোধগম্য হয়েছে? তাহলে আমিও একটু মাথা তুলে দাড়াতে পারতাম 
       

বিডিপিপস চ্যাট রুম

বিডিপিপস চ্যাট রুম

    চ্যাট করতে লগিন বা রেজিস্ট্রেশন করুন।
    ×
    ×
    • Create New...