Jump to content
Sign in to follow this  
forexnews

ইউরোপিয়ান ব্যাংকে বিনিয়োগ করতে যাচ্ছেন জর্জ সোরোস

Recommended Posts

এক ট্রেডেই এক বিলিয়ন ডলার প্রফিট! জর্জ সোরোস কে যদি আপনি না চিনে থাকেন, সমস্যা নেই। কিন্তু, নতুন করে ইউরোপিয়ান ব্যাংকগুলোতে বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়ে আবার খবরের শিরোনাম হলেন ফরেক্স ট্রেডিং এর সবচেয়ে সফলতম ব্যক্তিত্ব এই মাল্টি বিলিয়নিয়ার। ফোর্বস রাঙ্কিং অনুসারে বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের মধ্যে ১৯ তম অবস্থানে রয়েছেন মার্কিন এই বিনিয়োগকারী।

 

6u2N116.png

 

 

একটু একটু করে যখন আর্থিক মন্দা কাটিয়ে প্রবিদ্ধির ধারায় ফিরছে, তখন তা আকর্ষণ করেছে সোরোসোর মত বড় বিনিয়োগকারিদেরও।

 

“আমি বিশ্বাস করি ইউরোতে” – বিখ্যাত জার্মান সাপ্তাহিক, স্পিগেল দেয়া সাক্ষাতকারে বেশ জোরগলাতেই বললেন সোরোস।

 

“শীঘ্রই আমার ইনভেস্টমেন্ট টিম ইউরোপে বড় ধরনের অর্থের প্রবেশ ঘটাতে যাচ্ছে। যেমন ধরুন, সে ব্যাংকগুলোতে যেগুলোর জরুরী ভিত্তিতে মূলধন দরকার।”

 

তার টিম গ্রিসেও বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে জানিয়ে তিনি স্পিগেলকে বলেন,

 

“দেশটির অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। তবে এখানে বিনিয়োগ টেকসই হবে কিনা, দেখার বিষয় সেটাই। যদি তা সম্ভব হয়, তবে আমরা সেখানে বিনিয়োগ করবো”

 

তবে, ইউরোপে বিনিয়োগের কথা জানালেও, ইউরোপের আর্থিক সংস্কার নিয়ে আবার জার্মানির সমালোচনা করেছেন সোরোস। বলেছেন, ইউরো নিয়ে জার্মানির প্রধানমন্ত্রী আঞ্জেলা মার্কেলের নীতি সংকট সমাধানের পরিবর্তে তা আরো ঘনীভূত করেছে। অভিযোগ আছে যে, নিজ স্বার্থেই ও ইউরোপে জার্মান আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে ইউরোপের অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধানের পরিবর্তে দেশগুলোকে সাহায্যের নামে তাদের উপর নিয়ন্ত্রন আরো জোরদার করতে চায় জার্মানি।

 

“ আমি ভয় পাচ্ছি যে ইউরো জোন দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক স্থবিরতার মধ্যে দিয়ে যেতে পারে, যেটার সম্মুখীন হয়েছে জাপান, বিগত ২৫ বছর ধরে।“

 

তবে আশঙ্কার কথা বললেও, বড় বিনিয়োগকারীরা ফিরতে শুরু করলে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে পারে ইউরো জোন, সাথে ইউরো “বুল” রাও! দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী EUR/USD এর জন্য যা খুবই আবশ্যক।

  • Love 5

Share this post


Link to post
Share on other sites

এক ট্রেডেই এক বিলিয়ন ডলার প্রফিট..........!!! ভাই ভদ্রলোকের ব্রোকার কোণটা.........? :shy:

  • Love 1

Share this post


Link to post
Share on other sites

Join the conversation

You can post now and register later. If you have an account, sign in now to post with your account.

Guest
Reply to this topic...

×   Pasted as rich text.   Paste as plain text instead

  Only 75 emoji are allowed.

×   Your link has been automatically embedded.   Display as a link instead

×   Your previous content has been restored.   Clear editor

×   You cannot paste images directly. Upload or insert images from URL.

Loading...
Sign in to follow this  

  • Similar Content

    • By masteroffx2018
      আসুন আজ আমরা জেনে এই এমন একজন কিংবদন্তী ফরেক্স ট্রেডারের সম্পর্কে, যাকে বলা হয়, “ দ্য ম্যান, যিনি ব্যাংক অব ইংল্যান্ডকে ভেঙ্গে দিয়েছেন!”
       

       
      শান্তির এই পৃথিবীতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে।চারিদিকে হামলা আর হামলা। ভেঙ্গে পড়েছে ইতালী ও জাপানের শাসন ব্যবস্থা। এদিকে হিটলার তার ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে শুরু করেছেন ইহুদী হত্যা। হাঙ্গেরি নামের একতি রাজ্য ছিল সেই সময় জার্মানির দখলে। আজ যা স্বাধীন হাঙ্গেরি দেশ নামে পরিচিত।
      সেসময়ের এই হাঙ্গেরী রাজ্য থেকে হিটলারের হামলার খবর পেয়ে প্রান বাচাতে নিজের দেশ ত্যাগ করলেন ছোট্ট এক বালক তার বাবাকে সাথে নিয়ে।তাদের ভয়, তারা ইহুদী। হিটলারের নাৎসি বাহিনী যদি তাদের খবর পেয়ে যায়, তবে তাদেরকেও মেরে ফেলবে!
      দীর্ঘদিন পালিয়ে বেরিয়ে, একবেলা খেয়ে না খেয়ে অবশেষে ইমিগ্রেশন নেন ইংল্যান্ডে।
      এদিকে ২য় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়ে যায়। হিটলারের শাসনেরও পতন হয়। এই বালক ও তার পরিবার আর নিজের দেশে ফিরে যান না। থেকে যান ইংল্যান্ডেই। শুরু করেন পড়াশোনা। গ্রাজুয়েশন ও পোস্ট গ্রাজুয়েশন করেন ইংল্যান্ড থেকেই ফিলসফি বিষয়ের উপরে।
      এরপর নেমে পড়েন কারেন্সী লেনদেনের ব্যবসায়।
       
      নানান চড়াই উতরাই পার হয়ে আসা এই মানুষটি আলোচনায় আসেন ১৯৯২ সালে। ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৯২ সালে UK Currency Crisis নিউজের উপর ফান্ডামেন্টালি এনালাইসিস করে তিনি GBP কারেন্সীর উপরের সেল ট্রেড নিয়েছিলেন এবং এই ট্রেডে তিনি ১ বিলিয়নেরও বেশি প্রফিট করে ফেলেন। যে দিনটিকে ফরেক্স এর ইতিহাসে Black Wednesday বলা হয়। আর এই মানুষটি হয়ে যান ফরেক্স এর ইতিহাসে এক অনন্য ব্যক্তিত্ব।
      মুলত তার এই ট্রেড ফরওয়ার্ড করা হয়েছিল খোদ The Bank of England এর ফান্ডে। অর্থাৎ এখানে লিকুইডিটি প্রোভাইডার হিসেবে ছিলেন এই ব্যাংকে। সুতরাং প্রফিতের পুর অর্থ এই ব্যাংককে দিতে হয়েছিল।
       
      এই ব্যক্তির নাম “জর্জ সরোস’। জর্জ সরোসের এই বিপুল পরিমানের প্রফিটের ফলে গোটা ব্যাংকিং সিস্টেম হতবাক ও থমকে গেছিল।
      এরপর থেকে জর্জ সরোসকে বলা হয়, “The Man, Who broke The bank of England”। স্বভাবতই তিনি তাইই করেছিলেন।
       
      জর্জ সরোস বর্তমানে ‘দ্য কোয়ান্টাম এন্ডোমেন্ট ফান্ড’ নামের ফান্ড ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানের কো-ফাউন্ডার ও ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আছেন। তার প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে ২৭ বিলিয়নেরও বেশি ফান্ড নিয়ে ট্রেড করে যাচ্ছে। তিনি ও তার প্রতিষ্ঠানটি ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিসের সাহায্য নিয়ে মুলত প্রাইস একশন ফলো করে ট্রেড করে থাকেন।
       
      আপনি যদি ফরেক্স ট্রেডার হয়ে থাকেন, তবে আপনার নিজের ট্রেডিং পেশার এসকল সফল ও কিংবদন্তী মানুষদের ব্যাপারে আপনার পরিস্কার ধারনা থাকা উচিত। তবেই আপনিও তাদের দেখানো পথ অনুসরন করতে শিখবেন। অন্যথায় পাল বিহীন ও মাঝিবিহীন নৌকা হয়ে মাঝ দরিয়ায় (ফরেক্স মার্কেট) হাবুডুবু খেয়েই যাবেন অনবরত। যতদিন না আপনার সর্ব শেষ শক্তিটুকুও (একাউন্ট ব্যালান্স) একেবারে শেষ না হচ্ছে!!
       
      সবার জন্য শুভকামনা রইল।
      অনেক অনেক ভাল থাকবেন সবাই <3 <3 <3
    • By MohabbatElahi
      চলতি সাপ্তাহের শেষ দুই দিন অর্থাৎ ১৬ এবং ১৭ ই জুন বিশ্বের বৃহত্তম Currency Market-এ বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে, চলতি সাপ্তাহের শেষ দুই দিনে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে US Dollar,British pound,Japanese Yen ও Swiss franc-এর গুরুত্বপূর্ন Economical Key Events Bank interest rate. যা পরিবর্তন করে দিতে পারে Major ও Cross Major অনেকগুলো মূদ্রার ভাগ্য৤

      কেমন প্রভাব পড়তে পারে মুদ্রা বাজারে ?
      মার্কিন ডলারের বিপরিতে বর্তমানে ‍British Pound অবস্থান করছে সর্ব নিম্ম মূল্যে যা বিগত ৬ বছরের সর্ব নিম্ম রেট, অর্থাৎ ১.৪১
      অপর দিকে মার্কিন ডলার পতনে আছে Japanese Yen-এর বিপরিতে যা বিগত তিন বছরের সর্ব নিম্ম রেট অর্থাৎ ১০৬.২৯
      কিন্তু তুলনামূলক সুবিধা জনক অবস্থানে রয়েছে অন্যসব মূদ্রাগুলো৤ যেমন Euro,Australian dollar ও Canadian dollar সমূহ৤
       
      কিন্তু যে সব মূদ্রা বর্তমানে মার্কিন ডলারের বিপরিত সুবধা জনক অবস্থানে রয়েছে আমরা সেসব মূদ্রাগুলোতে প্রবেশ না করে Market Monitoring করতে পারি এবং এটি সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহনে গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করবে৤ কারন এসব মুদ্রাগুলো বর্তমানে Resistance ও Support উভয় লেভের মাঝামাঝিতে অবস্থান করছে৤ সূতারং ভাল একটি Ratio পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম৤ যা সাধারনত পাউন্ড ও জাপানিস মুদ্রা তে পাওয়া যাচ্ছে৤
       
      তাই Trading মার্কেটে প্রবেশের ক্ষেত্রে সামগ্রীক ভাবে গুরুত্বপূর্ন এই Economical Events-এ আমরা Pound ও Japanese Yen সম্পর্কিত মূদ্রা গুলো কে সব চেয়ে বেশি প্রাধান্য দিতে পারি Technical অবস্থান থেকে ৤ যেমন GBP/USD,USD/JPY, GBP/JPY etc....
      তবে উল্লেখ্য যে যারা ফান্ডামেন্টাল ও টেকনিকেল দুই এনালাইসিসের সমন্নয় করতে অক্ষম তাদের ক্ষেত্রে উচিত হবে চলতি ইভেন্টেসে মার্কেট এড়িয়ে চলা৤
      ---------------------------------------------------
      Md Mohabbat E Elahi
      Analytical Expert: Forex & CFD Market.
      Writer: The Insider secret of global Forex Market.
      Phone: +880-1936236148
    • By forexnews
      ফেড প্রধান ইয়েলেনের বক্তব্যের পরপরই মূলত প্রধান সকল কারেন্সির বিপরীতে দুর্বল হতে শুরু করে ডলার। আগে থেকেই শক্তিশালী ছিল অস্ট্রেলিয়ান ডলার। আর ফেডের Dovish বক্তব্যের পর AUD/USD পৌঁছে যায় তিন মাসের সর্বোচ্চ প্রাইসে, ০.৭৬৯৮ এ। দুর্বল ডলার ছাড়াও তেল ও স্বর্ণের ঊর্ধ্বমূল্য অস্ট্রেলিয়ান ডলারকে শক্তিশালী করেছে। AUD/USD এর এই আপট্রেন্ড কতটা অব্যাহত থাকে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
       
       

       
       
      এদিকে আজ সন্ধ্যা ৬ টা ১৫ মিনিটে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ এডিপি ননফার্ম এমপ্লয়মেন্ট চেঞ্জ রিপোর্ট। গত মাসে চাকুরীরত মানুষের সংখ্যা ২ লক্ষ ১৪ হাজার (214K) বৃদ্ধি পেলেও এ মাসে প্রত্যাশা কিছুটা কম, ১ লক্ষ ৯৫ হাজার (195K)। নিউজের ফলাফল ও প্রত্যাশিত সংখ্যার মাঝে বড় ধরনের ব্যবধান থাকলে তা মার্কেটে ৫০-১০০ পিপস মুভমেন্ট তৈরি করবে।
    • By forexnews
      ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস উদযাপনের পরপরই রাতে প্রস্তুত থাকুন ১৭ই ডিসেম্বর এর জন্য। কেননা, ঘড়ির কাটা রাত ১২ টা পার করার এক ঘন্টা পরই, অর্থাৎ, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় মধ্যরাত ১ টাতেই যে সুদের হার বাড়াতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেড। আর তাই, ৩ ই ডিসেম্বরের  মত আরেকটি বড় মার্কেট মুভমেন্টের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন ট্রেডাররা। তবে, প্রশ্ন হচ্ছে আবার ৩ই ডিসেম্বরের মোট অপ্রত্যাশিত কিছু হবে কি? 

       
      সবচেয়ে ঘোর ইউরো সমর্থকও হয়ত আশা করেননি যে, ইসিবি সুদের হার কমানোর পরেও EUR/USD শক্তিশালী হবে এবং এতটা শক্তিশালী হবে। যদিও EUR/USD এতটা শক্তিশালী হওয়ার পড়ে অনেক বিশ্লেষকই ব্যাখ্যা দিচ্ছেন যে ট্রেডাররা সুদের হার আরও বেশি কমানো হবে বলে প্রত্যাশা করেছিল এবং তা না হওয়ায় EUR/USD দুর্বল হয়েছে। কিন্তু, এরকম যুক্তি নিউজের আগে না এসে পরে দেওয়ায় তা ধোপে টিকছে না। তবে মারিও দ্রাঘি নিজেই স্বীকার করে নিয়েছেন যে, মার্কেট তার বক্তব্য বুঝতে ভুল করেছে।
       
      ইসিবি সুদের হার কমানোর পরেও EUR/USD ৫০০ পিপসেরও বেশি শক্তিশালী হওয়ায় এবং সম্প্রতি ১.১০ ব্যারিয়ারও ভেঙ্গে ফেলায়, প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন ট্রেডাররা। ১৬ ডিসেম্বরও কি এরকম অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটতে পারে? আপাত দৃষ্টিতে সুদের হার বাড়ানোর ফলে EUR/USD র নিশ্চিত ১০০-৩০০ পিপস দুর্বল হওয়ার কথা থাকলেও  ৩ ডিসেম্বরের মোট অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কেননা সুদের হার বৃদ্ধি প্রত্যাশিত, অপ্রত্যাশিত নয়। 
       

       
      ১৭ই ডিসেম্বর কি ঘটতে যাচ্ছে?
       
      ১৬ই ডিসেম্বরই বৈঠকে বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারের রিজার্ভ ওপেন কমিটি বা FOMC । মূল এজেন্ডা হল যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক অর্থনীতি পর্যালোচনা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার ঘোষণা করা। দীর্ঘদিন ধরেই সুদের হার মাত্র ০.২৫ শতাংশে নামিয়ে রাখা হয়েছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এবার সুদের হার বাড়িয়ে ০.৫০ শতাংশ করা হবে।
       
      মজার ব্যাপার হচ্ছে, ঠিক আট বছর আগেই ফেড সুদের হার কমিয়ে ০.২৫ শতাংশে নিয়ে আসে। সেবারও কিন্তু প্রত্যাশা করা হচ্ছিল যে সুদের হার কমানো হবে। তবে, প্রত্যাশা ছিল সুদের হার শতকরা ১ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.৫০ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে। কিন্তু, সবাইকে চমকে দিয়ে একেবারেই ০.২৫ শতাংশে নামিয়ে আনে ফেড। যার ফলশ্রুতিতে ব্যাপকভাবে দুর্বল হয় ডলার ও শক্তিশালী হয় EUR/USD.
       
      যেহেতু, সুদের নতুন হার ০.৫০ শতাংশ প্রত্যাশিতই, তাই যদি ফেড সুদের হার বাড়িয়ে ০.৭৫ শতাংশে বা ১ শতাংশে নিয়ে আসে, তাহলে তা EUR/USD কে কমপক্ষে ২০০-৩০০ পিপস দুর্বল করবে। 
       
      আর যদি ফেড সুদের হার প্রত্যাশামতই বাড়িয়ে ০.৫% করে, তাহলে তা অর্থনীতির সাধারণ নীতি অনুসারে EUR/USD কে দুর্বল করার কথা থাকলেও EUR/USD দুর্বল বা শক্তিশালী, দুটোই হতে পারে। সেক্ষেত্রে, মার্কেটে বড় ধরনের স্পাইক হওয়ার ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। 
       
      আর যদি ফেড সুদের হার নাই বাড়ায় এবং FOMC স্টেটমেন্টেও অতি দ্রুতই সুদের হার না বাড়ানোর কোন জোরালো ইঙ্গিত না দেয়, তাহলে ডলার দুর্বল হয়ে EUR/USD আরও ২০০-৩০০ পিপস শক্তিশালী হতে পারে।
       
      তবে যাই ঘটুকনা কেন, মার্কেটে যে বড় মুভমেন্ট ঘটতে যাচ্ছে, তা একপ্রকার নিশ্চিত। 
       
      ১৭ই ডিসেম্বরের আরও আপডেটের জন্য বিডিপিপসের সাথেই থাকুন। 
    • By forexnews
      ট্রেন্ড ট্রেডাররা আবার প্রমান করলেন, Trend is your best friend। বড় কোন নিউজ না থাকলে, টেকনিক্যাল এনালাইসিসই তো ভরসা ট্রেডারদের। তবে, চার্ট হতাশ করেনি ট্রেডারদের। 
        আজ সকালেই ট্রেন্ডলাইন টেস্ট করেছিল EUR/USD। আমরা বলেছিলাম, ট্রেন্ড ট্রেডাররা এর সুযোগ নিবেন। ট্রেন্ডলাইনের উপর স্টপ লস রেখে সেল দিবেন তারা। সেক্ষেত্রে লস হলেও তা সম্ভাব্য লাভের তুলনায় বেশ কমই হবে।      ট্রেন্ড ট্রেডাররা এর সুফল ইতিমধ্যেই নিয়েছেন। সফলভাবে ট্রেন্ডলাইন ভাঙ্গতে ব্যর্থ হয়েছে EUR/USD। পড়ে গিয়েছে ১০০ পিপসের বেশি। ১.০৬ এর সাপোর্ট ভেঙ্গে আজ ট্রেড হয়েছে সর্বনিম্ন ১.০৫৬৫ এ। যদিও মার্কেট কিছুটা রিবাউন্ড করে এখন ১.০৬২৪ এ ট্রেড হচ্ছে।   ইসিবি বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে, যা আরো দুর্বল করতে পারে EUR/USD কে। ৩ই ডিসেম্বরকে ঘিরে এইসব সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আপডেট পাবেন শীঘ্রই।   

বিডিপিপস চ্যাট রুম

বিডিপিপস চ্যাট রুম

    চ্যাট করতে লগিন বা রেজিস্ট্রেশন করুন।
    ×
    ×
    • Create New...