Jump to content

Search the Community

Showing results for tags 'forex bangladesh'.

  • Search By Tags

    Type tags separated by commas.
  • Search By Author

Content Type


Categories

  • ইন্ডিকেটর
  • এক্সপার্ট এডভাইসর
    • বিডিপিপস EA ল্যাব
  • স্ক্রিপ্ট
  • ট্রেডিং স্ট্রাটেজী
  • ট্রেডিং প্লাটফর্ম
  • ফরেক্স ই-বুক
    • বাংলা ই-বুক
  • চার্ট টেমপ্লেট

Forex Bangladesh - বিডিপিপস

  • বিডিপিপস
    • ফরেক্স স্টাডি
    • ফরেক্স নিউজ
    • সাধারণ ট্রেডিং আলোচনা
    • প্রশ্ন এবং উত্তর
    • ফরেক্স ব্রোকার ও পেমেন্ট মাধ্যম
    • ইন্ডিকেটর, রোবট ও মেটাট্রেডার
    • ট্রেডিং আইডিয়া
    • ট্রেডিং স্ট্রাটেজি
    • ফোরাম সাপোর্ট
    • অপ্রাসঙ্গিক
    • ফরেক্স হিউমার
  • ফরেক্স ট্রেডিং আলোচনা
  • ট্রেডিং সফটওয়্যার
  • ফরেক্স ব্রোকার
  • বিডিপিপস ফোরাম সাপোর্ট

BDPIPS - Forex Bangladesh

  • সাধারণ ফরেক্স আলোচনা
  • ফরেক্স নিউজ

Calendars

  • XM বাংলা ওয়েবিনার

Find results in...

Find results that contain...


Date Created

  • Start

    End


Last Updated

  • Start

    End


Filter by number of...

Joined

  • Start

    End


Group


AIM


MSN


Website URL


ICQ


Yahoo


Jabber


Skype


লোকেশন


Interests


ব্রোকার


মোবাইল নং

Found 4 results

  1. একথা নতুন করে বলার কিছু নাই যে, ফরেক্স মার্কেট বিশ্বের সবচেয়ে বড় লিকুইডিটি মার্কেট। যেখানে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার লেনদেন হয় প্রতিদিন। এই মার্কেটে আমার আপনার মত যারা ট্রেড করি তারা শুরুতেই একটা কথা শুনে আসি যে, এই মার্কেটে ৯৫% লুজার!! কিন্ত কেন এতো বড় অংশ লুজার তা কি কেউ জানি?? => আজ এই লেখায় আপনি অনেক নতুন বিষয় জানতে চলেছেন, তা হয়তো আপনি আগে ভাবেননি কখনো। অথবা ভেবেছেন, কিন্ত সিরিয়াস হিসেবে নেন নি কখনো অথবা জেনেও থাকতে পারেন, কিন্ত ততোটা গুরুত্ব দেননি। আজ থেকে সেসব গুরুত্ব দিতে শিখবেন আশা করছি। হাতে সময় আছে তো? একটু সময় নিয়ে লেখাটা পড়ুন। বোঝার চেষ্ঠা করুন। দরকার হলে আরেকবার পড়ুন। নয়তো বুকমার্কে সেইভ করে রাখুন, আপনার ফেসবুক ওয়ালেও শেয়ার করে রাখুন যাতে সবাই জানতে পারে ফরেক্স মার্কেটের এই নিগুঢ় রহস্যের ব্যাপারে। সবার প্রথমে আপনাকে জানতে হবে এই ফরেক্স মার্কেটে ব্যবসা করে দুই শ্রেনীর ব্যবসায়ী। এক রাঘব বোয়ালেরা, আর দুই চুনোপুঁটিরা। এখানে রাঘব বোয়াল কারা? এখানে রাঘব বোয়াল হিসেবে কাজ করে বিশ্বের বড় বড় ব্যাংক, বড় বড় ফিন্যান্সিয়াল করপোরেশানগুলো। তবে তারা কিন্ত বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেটের মত এই মার্কেটকে ম্যানিপুলেট করার কোন ক্ষমতাই রাখে না। মার্কেট মার্কেটের মতোই চলে। এবার আসি চুনোপুঁটিদের কথায়। এই চুনোপুঁটিই হচ্ছে আমার আপনার মত ট্রেডারেরা। বলা হয় এই মার্কেটে ৯৫% লুজার। এই লুজার কারা? ঐ সব রাঘব বোয়ালেরা? কখনোই না! তারা কিন্ত এই ৯৫% লুজারের মাঝে পড়েনা। কেন? কারন তারা এখানেই তাদের অর্থ যথাযথ ব্যবহার করে। বিভিন্ন ব্রোকারেরা তাদের কাছ থেকে কমিশনের ভিত্তিতে স্বত্ব কিনে নিয়ে আমাদের মত ট্রেডারদের ট্রেড করার সুযোগ করে দেয়। আর লুজারদের তালিকায় আমাদের মত ট্রেডারেরা থাকে। এই যে আপনি ৯৫% লুজারের কথা শুনছেন, তারা কিন্ত আমার আপনার মতোই ট্রেডারেরা। নয়তো সেই সব রাঘব বোয়ালেরা লস করলে ফরেক্স মার্কেটে লিকুইডিটি সংকট দেখা দিত। এই ট্রিলিয়ন ডলারের লেনদেনও কমে আসত যদি এখানে সেই রাঘব বোয়ালদেরও ৯৫% লুজার হতো। কিন্ত বাস্তবে সেই মার্কেট আরও বড় হচ্ছে। এতেই বোঝা যাচ্ছে বাস্তবতা। এই বিশাল মার্কেটে বড় বড় বিজনেসম্যানদের সঙে আপনিও যখন নিজেকে শামিল করছেন, তখন আপনার চিন্তাধারাও তাদের চিন্তাধারার সাথে মেলাতে হবে। যদি তা না করতে পারেন, তবেই আপনি লুজার হবেন নিশ্চিত। আর লুজারদের পার্সেন্টেজ দেখে বোঝাই যায় যে শতকরা ৯৫ জন ট্রেডারেরাই নিজেদের সেই সব বিজনেসম্যানদের চিন্তাধারার সাথে নিজেদের মেলাতে পারেনি। ফলাফল এমন বিশাল লুজারের সংখ্যাবৃদ্ধি। এবার আসি বড় বড় ব্যাবসায়ীদের সাথে আমাদের মত ট্রেডারদের স্ট্র্যাটেজিক্যাল পার্থক্যের বিষয়েঃ আপনি সাড়ে পাঁচ’ফুট বা ছ’ফুট উচ্চতার মানুষ। আপনি হাটার সময় এক ধাপেই প্রায় দুই ফুট পার হয়ে যেতে পারেন। এই দু ফুট রাস্তায় হালকা কাদা পানি, খানা খন্দ যাই থাকুক না কেন। আপনার কিন্ত সেসব না দেখলেও চলে। কিন্ত এই পথ যদি একটা পিপড়া অতিক্রম করতে চায়? তাহলে কি হবে? তাকে প্রতি ইঞ্চি ইঞ্চি হিসেব করে এগতে হবে, নয়তো কাদায় আটকে যেতে পারে, খানাখন্দের ভিতর পানি থাকলে সেখানেও প্রান সংশয় দেখা যেতে পারে। তাই তাকে হিসেব করে করে এগোতে হয়। চারদিকে দেখেশুনে নিয়ে এগোতে হয়। ঠিকঠাক ভাবে এগোতে পারলে সেই পথ পারি দিয়ে পারে। অথবা কোন ভুল করলে প্রানটাও হারাতে পারে। এই উদাহরনের সাথে ফরেক্স এর কি সম্পর্ক?? জ্বি, সম্পর্ক আছে। এটাই আসল সম্পর্ক। যারা যারা রাঘব বোয়াল, তারা মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের ব্যালান্স নিয়ে একবারে মাসের পর মাস ট্রেড ওপেন করে বসে থাকে, টাইমফ্রেমের দিক দিয়ে তারা এক লাফে দুই-আড়াই ফুট যাবার মত এগিয়ে থাকে, এই সময়ের মাঝে আমাদের মত ছোট ছোট ট্রেডারদের কেউ এক মিনিট, কেউ ৫ মিনিট, কেউ ৩০ মিনিট, কেউ ১ ঘন্টা, কেউ ৪ ঘন্টা আবার কেউ এক দিনের টাইমফ্রেম নিয়ে সেই পিপড়ার মত হিসেব করে করে সামনে এগোতে চায়। ফলাফল আমাদের মত ট্রেডারদের রিস্ক কয়েক হাজার গুন বৃদ্ধি পায়। এই ঝুঁকিপুর্ণ পথ পার হতে হতেই বেশিরভাগ ট্রেডার ঝড়ে পড়ে অনায়াসে। কারন তারা হয় ঝুঁকি সম্পর্কে তেমন সচেতন থাকেন না। নয়তো তারা ঝুঁকিটাকে ঠিকমত ম্যানেজ করতে শেখেন না। ফলাফল একের পর এক একাউন্ট ডাম্প হয়ে যাওয়া।আর লুজারদের পার্সেন্টেজ বাড়তে থাকা। এতোক্ষন তো আলোচনা করা হল কেন এতো লুজার হয়। এবার আসেন আমরা একটু জেনে নেই কিভাবে এই ঝুকিপুর্ন পথ নিরাপদে পর হতে পারবেন। আমি পয়েন্ট আকারে বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করি। তাতে হয়তো বুঝতে সুবিধা হবে। ১) সেহেতু ফরেক্স এর পথ সমতল নয়, উঁচুনিচু আর খানা-খন্দে ভরা, সেহেতু আপনাকে সর্বপ্রথম এই পথ পাড়ি দেবার মত একটা স্ট্র্যাটেজী ঠিক করতে হবে। ২) স্ট্র্যাটেজীটা যেমনই হোক না কেন, আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে নুন্যতম প্রফিট রেশিও যেন রিস্ক রেশিওর থেকে তিনগুন হয়। অর্থ্যাত আপনার স্টপ লস ১০ পিপ্স হলে যেন টেক প্রফিট ৩০ পিপ্স হয় কমপক্ষে। ৩) এমন স্ট্র্যাটেজীর সুফল আপনি এভাবে পাবেন যে, আপনার একটা ট্রেড প্রফিটে গেলে সেই প্রফিট আপনার পরবর্তী তিনটা ট্রেড লসে গেলেও আপনার মুল ব্যালান্স অক্ষুন্ন থাকবে। ৪) যে স্ট্র্যাটেজীই ব্যবহার করেন না কেন, সবসময় ট্রেন্ডের পক্ষে ট্রেড নেবেন। সাগরে ঢেউ বেশি হলে মাঝি নৌকার পাল কিন্ত যেদিকে বাতাস বইতে থাকে ঠিক সেদিকে তুলে ধরে, কারন বাতাসের উল্টোদিকে যেতে চাইলে প্রানটা হারাতে হতে পারে। ফরেক্স মার্কেটে ট্রেন্ডটাও ঠিক তেমনি। আপনি ট্রেন্ডের পক্ষে থাকলে নিজেকে বেশ নিরাপদে রাখতে পারবেন। কিন্ত ট্রিলিয়ন ডলারের সমুদ্রে নিজের কয়েকশত বা কয়েকহাজার ডলারের মুলধন নিয়ে ট্রেন্ডের বিপক্ষে যাবার সাহস করলে ফলাফল কি হতে পারে তা নিশ্চয় আপনি নিজেই আঁচ করতে পারছেন। ৫) কখনোই বিশ্বাস করবেন না যদি কেউ বলে যে, সে এই মার্কেটে কেউ ৮০% বা ৯০% টানা প্রফিট করে চলছে। তার মানে আপনিও তেমনটি করতে পারবেন। সুতরাং আপনি তার কথা শুনেই ছুটে চললেন তার কাছে, তার তালীম নেবার আশায়, কিন্ত ফলাফল দেখলেন নেগেটিভ। অর্থ্যাত আপনি আবারও লস করেছেন। বিখ্যাত এক ট্রেডারের এক বানী জেনে রাখুনঃ “In this business if you’re good, you’re right six times out of ten. You’re never going to be right nine times out of ten.” -Peter Lynch ৬) মনে রাখবেন ১০ টা ট্রেডের ৮-৯ টা ট্রেডে আপনি ১০ পিপ্স করে প্রফিট নিলেন এভারেজে, কিন্ত বাকি ১-২ টা ট্রেডেই আপনি লস করেছেন ৫০-১০০ পিপ্স করে টোটাল ১০০-২০০ পিপ্স। এখানে আপনার ট্রেডগুলোর প্রফিট রেশিও ৮০%-৯০% হলেও আল্টিমেটলি কিন্ত আপনি বেশ ভালোই লসের স্বীকার হয়ে চলেছেন। এখন কি বুঝতে পারছেন সমস্যাটা কোথায় ?? ৭) আমি ১:৩ রেশিওতে ট্রেড করতে বলেছি, তার কারন আপনি যদি ৫০% উইনও করেন , তবুও আপনি ভাল রকমের প্রফিটে থাকবেন। ১০টা ট্রেডের ৫টা ১০ পিপ্স করে লস করলেন, তার মানে ৫০ পিপ্স লস হলো, আর বাকি ৫টা তিনগুন করে প্রফিট করলেন।তার মানে ১৫০ পিপ্স প্রফিট হলো। লাভ লস মিলে কিন্ত আরও ১০০ পিপ্স প্রফিট করলেন আপনি। এখানেই প্রকৃতপক্ষে লাভ লসের হিসেব লুকিয়ে থাকে। ৮) নিজের ব্যালান্স নিয়ে সবসময় যত্নবান হবেন। কখনোও নেগেটিভ হলে হাল ছেড়ে দেবেন না। ঠান্ডা মাথায় ভেবে এর কারন বের করুন। ইমোশনালি কোন ট্রেড চালু করবেন না। ফরেক্স মার্কেট কারও ইমোশনকে পাত্তা দেয় না। জেনে রাখুন এই সফল ট্রেডার কি বলেছেনঃ “Don’t focus on making money; focus on protecting what you have.” – Paul Tudor Jones ৯) এরপর কারেন্সী পেয়ার বাছাই করতে সচেতন হোন। মনে রাখবেন আলাদা দেশ, আলাদা কারেন্সি মুভমেন্ট। সুতরাং একই ব্যবসা পদ্ধতি দিয়ে আলাদা দেশের কারেন্সি মুভমেন্টকে নিজের কন্ট্রোলে নিয়ে আসা অনেক কষ্টের। কারন মাছের ব্যবসা পদ্ধতি দিয়ে আপনি আলুর ব্যবসা করতে গেলে লস খাবেনই। সুতরাং পারতপক্ষে একটি কারেন্সী পেয়ার বাছাই করুন যা আপনার স্ট্র্যাটেজীর সাথে মানানসই হয়। নয়তো কোন একটা কারেন্সী বাছাই করুন, এরপর সেই কারেন্সীর যতগুলো পেয়ার আছে, সেগুলোতে ট্রেড করুন। ১০) যতগুলো পেয়ারই বাছাই করেন না কেন। এখানে মানি ম্যানেজমেন্ট আপনাকে ফলো করতেই হবে। এই বিষয়টা অনেকেই জানে না। আজ পরিস্কার হয়ে জেনে নিন। মানি ম্যানেজমেন্ট হচ্ছে, আপনার মুলধনকে নিরাপদ রাখা। ধরুন আপনার ব্যালান্স ১০০ ডলার। আপনি ৫% রিস্ক নিবেন। তাহলে কি করবেন? এখানে, আপনি যতগুলো ট্রেডই নেন না কেন, আপনার সকল স্টপ লসের হিসেব মিলিয়ে যেন ৫ ডলারের বেশি না লস হয়। কারন একবার সবগুলো লস হয়ে গেলেও আপনি আরও ১৯ বার একই ভাবে ট্রেড করার সুযোগ পাবেন। আগের লস রিকভারি করে আবারও প্রফিটে নিয়ে আসার সুযোগ পাবেন। এ বিষয়ে আরেকজন সফল ট্রেডারের বানী শুনুনঃ “Frankly, I don’t see markets; I see risks, rewards, and money.” – Larry Hite ১১) বাংলা একটা প্রবাদ আছে, “ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না” এটা এখানে প্রযোজ্য হবে। সুতরাং ট্রেড ওপেন করার আগে ট্রেন্ড, আপনার স্ট্র্যাটেজী, সব দিক বিবেচনা করে পারফেক্ত হলে তবেই ট্রেড ওপেন করুন। টেক প্রফিট লেভেল, স্টপ লস লেভেল সেট করুন। এরপর বার বার চার্ট দেখতে যাবেন না। তাতে অস্থিরতা বাড়ে শুধু। আর অস্থির মনই আপনাকে ভুল ডিরেকশান দিয়ে ভুল কিছু সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে। সুতরাং ট্রেড ওপেন করুন এবং তার কথা ভুলে যান। পরের এন্ট্রি খোঁজ করুন। সমসময় মনে রাখবেন এই সফল ট্রেডারের কথাঃ The goal of a successful trader is to make the best trades. Money is secondary.” – Alexander Elder সবশেষে বলতে পারি যে, ট্রেড বাই ট্রেড হিসেব না করে মাসে কয়টা ট্রেড নিলেন, তার টোটাল হিসেব করুন। কত পিপ্স প্রফিট পেলেন, কত পিপ্স লস করলেন তার হিসেব বের করুন। একই ভাবে ব্যাকটেস্ট করুন। মাসে কেমন প্রফিট এর সুযোগ ছিল সেসব মাসে তা বের করুন। একটা পরিস্কার ধারনা পাবেন। এভাবে টানা ২-৩ মাস করে যান, এতে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন একসময়। আর একবার অভ্যস্ত হয়ে গেলে আপনি নিজেকে সেই ৫% প্রফিটেবল ট্রেডারদের মাঝে দেখতে পাবেন আমি নিশ্চিত। পরিশেষে, সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন যেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাকে সুস্থ রাখেন। আর ফরেক্স মার্কেটের কল্যানে আরও বেশি বেশি মানুষের মেহনত করতে পারি। অনেকেই ভালভাবে ফরেক্স জানতে ও শিখতে আগ্রহ দেখিয়েছেন, অনেকে আবার ট্রেডিং সিগনাল ফলো করার আগ্রহের কথাও জানিয়েছেন, তারা আমাকে মেসেজ দিতে পারেন অথবা আমার ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে ইনবক্সে একটা মেসেজ দিয়ে রাখবেন। আপনাদের সকল প্রশ্নের উত্তর দেবার চেষ্ঠা করা হবে ইনশাল্লাহ। অত্যন্ত স্বল্প ফী’র মাধ্যমে যে কেউ এখানে সিগনাল পেতে পারেন নিজেদের ফরেক্স শেখার পাশাপাশি বাড়তি কিছু প্রফিট পাবার আশায়। আমার ফেসবুক পেইজ লিংকঃ https://www.facebook.com/bmfxanalystbd/ আমার স্কাইপ আইডীঃ live:bmfxanalyst পরিশেষেঃ ব্যবসা নিজে ভালভাবে শিখে নিয়ে নিজের বুদ্ধি ব্যবহার করে করাই সবচেয়ে ভাল। এতে ব্যবসায় আন্তরিকতা বজায় থাকে। আর আন্তরিকতার উপর নির্ভর করে সৃষ্টিকর্তা ব্যবসায় বরকত দিয়ে থাকেন। কারন আল্লাহ তায়ালা ব্যবসাকে হালাল করেছেন। আর মহানবী (স) বলেছেন, “তোমরা ব্যবসা করো, ব্যবসায়ে ১০ ভাগের ৯ ভাগ রিজিকের ব্যবস্থা আছে।” সৃষ্টিকর্তা আমাদের কবুল করুন। আমীন।
  2. আজ NFP. প্রত্যেক মাসের প্রথম শুক্রবার মার্কিন ডলারের জন্য বিশেষ একটি দিন। কারন এই দিনে বরাবরই ঘোষণা হয়ে থাকে মার্কিন অর্থনীতির বিশেষ কিছু ইভেন্টস যা মুদ্রাটির সম্ভাব্য ট্রেন্ড কোন পথে তা নির্ধারণ করে দেয়। তারই ধারাবাহিকতায় আজ ঘোষণা হতে যাচ্ছে বিশেষ কিছু কী-ইভেন্টস যথাঃ Average Hourly Earnings (MoM):-Previous 0.3% . Consensus 0.2% Unemployment Rate:------------- -Previous 4.3%. Consensus 4.3% Nonfarm Payrolls:------------------ Previous 209k. Consensus 180k ISM Manufacturing PMI:-----------Previous 56.3 Consensus 56.5 এছাড়াও চলতি সাপ্তাহে মার্কিন ডলারের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি ইভেন্টস ঘোষিত হয়েছে যথাঃ ADP Employment Change, Gross Domestic Product Annualized ও Initial Jobless Claims. গত বুধবার ADP এবং GDP উক্ত দুটি ইভেন্টসে অর্জিত সাফল্যের ফলে ডলার কিছুটা প্রাণ ফিরে ফেয়ে ছিল। বিশেষ করে GDP-র পরিবর্তনটি আকস্মিক ছিল কারন গত দুই বছরের মধ্যে GDP-র হার এত দ্রুত পরিবর্তন হতে দেখা যায়নি যা পূর্বে ছিল ২.৬% এবং প্রত্যাশা ছিল ২.৭% কিন্তু ফলাফল এসেছে ৩.০% এক কথায় প্রত্যাশা কে ছাপিয়ে যাওয়া। ফলে বুধবারের মার্কেটে আমরা ডলার কে সকল মুদ্রার বিপরীতে শক্তিশালী হতে দেখেছি কিন্তু বৃহস্পতিবারে Initial Jobless Claims ইভেন্টস যদি প্রত্যাশা কে ছাপিয়ে যেত বা প্রত্যাশিত ফলাফল 237K ও অর্জিত হতো তাহলে মার্কেট ট্রেন্ড বুধবারের কন্ডিশন কে স্পষ্টতই অনুসরণ করতো। - বৃহস্পতিবারের মার্কেটে বিশেষ ভাবে EUR/USD উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন না হলেও GBP ডলারের বিপরীতে এগিয়ে গেছে কারন BoE পরবর্তি মিটিংয়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির আভাস দিয়েছেন। আপর দিকে কানাডিয়ান ডলারের বিপরীতে USD-র পতন হয়েছে ঠিক অনুরূপ মূল্যায়নে। কারন BoC আগামী সাপ্তাহে দ্বিতীয় দফায় ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধি করতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে এবং এ সম্ভাবনা জুড়ালো। - ডলারের ভবিষ্যৎ কোন পথে ? দীর্ঘদিন যাবত ডলার পতনশীল অবস্থায় রয়েছে। চলতি সাপ্তাহে USD INDEX ৯১ এর ঘরে নেমে এসেছিল যা মূলত ২০১৫ অর্থ বছরের একটি সাপোর্ট লেভেল ।আর এই পতনধারা ইউরো কে পৌছে দিয়েছে ১.২ এর ঘরে।ফলে মুদ্রাটিকে এখন Safe Haven হিসাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে ।মার্কিন রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নর্থ কোরিয়া ইস্যু ডলার কে যে বেকায়দায় ফেলেছে তা ইউরো লুফে নিতে ভুল করেনি। সুতরাং ডলার কে ঘুরে দাঁড়াতে হলে অবশ্যই আজ Unemployment Rate কে ঠিক রেখে বিশেষ দুটি ইভেন্টসে ডলার কে প্রত্যাশা ছাড়িয়ে যেতে হবে । প্রথমত Average Hourly Earnings যা 0.3% পর্যন্ত পৌছতে হবে। দ্বিতীয়ত Nonfarm Payrolls কে 195K পর্যন্ত পৌছাতে হবে যা বর্তমানে প্রত্যাশা করা হচ্ছে 180K পর্যন্ত। যদি এমনটিই মার্কেটে প্রতিফলিত হয় অথবা উল্লেখযোগ্য তেমন কোন সাফল্যই তারা দেখাতে না পারে তবে ডলারের পতনরোধ করা কঠিন হয়ে যাবে। কারন ডলারের জন্য পরবর্তি ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির পূর্ব পর্যন্ত এটাই শেষ NFP. সুতরাং ডলার কে শক্তিশালী কামবেক করতে হবে অন্যথায় চলমান ক্রাইসিসে ডলার ঘুরে দঁড়ানোর সম্ভাবনা ক্ষীন। অতএব সার্বিক বিবেচনায় আজ এন এফ পি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। যদি ডলার আজ ঘুরে দাঁড়াতে পারে তবে Technical Based ট্রেডারদের জন্য এটি একটি প্রত্যাশার দিন।বিপরীতে আমাদের কে ইউরো ১.২৫ পাউন্ড ১.৩২ কানাডিয়ান ডলার ১.২০ জাপানিস ইয়ান ১০৬.৫০ কে টার্গেট করে ট্রেডিং প্লান ঠিক করতে হবে। ------------------------------------------------------------------ বিঃদ্রঃ মুদ্রাবাজার সর্বদা পরিবর্তনশীল। বিভিন্ন কারনে একটি কন্টিনিউ ট্রেন্ড পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে। সুতরাং আমার ব্যাক্তিগত মার্কেট মূল্যায়ন আপনাকে শতভাগ প্রফিটের নিশ্চয়তা নাও দিতে পারে। Md Mohabbat E Elahi Admin: Forex online Training academy.
  3. আজ যথারিতি নির্ধারিত সময়ে ফেডারেল রিজার্ভের ব্যাংক সুদের হার ঘোষণা হতে যাচ্ছে। ২০১৭ অর্থ বছরে কয়েক দফায় ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গত জুন মাসে ফেড দ্বিতীয় দফায় ব্যাংক সুদের হার ১.০% থেকে ১.২৫%-এ বৃদ্ধি করেছিল এবং ২০১৭ অর্থ বছরের পরবর্তী মাসগুলোতেও আরো এক দফায় তা বৃদ্ধি পেয়ে ১.৫০% পর্যন্ত পৌছতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে চলতি ইভেন্টসে তারা ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধি করবে কিনা বা ফেডের অবস্থান কি হতে পারে ? উত্তরঃ যদিও এটি একটি সম্ভাব্য বিষয়। তবে জুন মাসে ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির প্রেক্ষাপট মূল্যায়ন করলে এটা পরিস্কার যে তৃতীয় দফায় ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধি করার মত তেমন কোন সাফল্য তারা পায়নি।বরং কী-ইভেন্টসগুলোতে সার্বিক ভাবে পিছিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক অস্থিরতায় পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষ করে US presidential election- 2016-তে রাশিয়ার সাথে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠজনদের আঁতাত ইস্যুটি এখন মার্কিন রাজনীতির প্রধান খবর। এছাড়াও পররাষ্ট্রনীতি সহ বিভিন্ন ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসনের দ্বিধাবিভক্তি চরমে পৌছেছে।তাই সার্বিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করলে এটা অনেকাংশে পরিষ্কার যে চলতি ইভেন্টসে ফেড ব্যাংক সুদের হার অপরিবর্তিত রাখবে। Fed's Monetary Policy বোর্ড থেকে সন্তোষজনক একটি ব্রিফিং ছাড়া তেমন কিছুই প্রত্যাশা করা যাচ্ছেনা। কারেন্সি মার্কেটে এর সম্ভাব্য প্রভাব কি হতে পারে ? আমরা জানি USD INDEX বিগত ১৩ মাসের সর্বনিম্ন ৯৩.৩৭ এ অবস্থান করছে যা একটি শক্তিশালী কী লেভেল বা স্ট্রং ডিমান্ড জোন।লেভেলটি টেস্ট হওয়ার পর ইতোমধ্যেই গতকাল মার্কিন ডলার ৫০ পয়েন্ট গেইন করেছে যদিও এটি তার শক্তিশালী কামব্যাক কে নির্দেশ করেনা।তবে টেকনিক্যাল ফরমেট থেকে কিছুটা পরিবর্তন প্রত্যাশিত।কারন ইনডেক্স পতনে ডলার মেজর মুদ্রারগুলোর বিপরীতে অনেকটাই পিছিয়েছে।সূতরাং আজকের অপরিবর্তিত ইভেন্টসে মার্কেট সার্বিক ভাবে লং মুডে থাকতে পারে। কারন চলতি ট্রেডিং মাসের কারেন্সি জার্নাল থেকে আমরা এ বিষয়ে কিছুটা ধারনা পেতে পারে। যেমনঃ 1) Health of the Consumer: USD Bullish (High) Retails sales MoM -0.3% < - 0.2% Latest (High) Core Retails Sales MoM: -0.3% <-0.1% Latest 2) Labor Market: USD Bullish (High) Non-Farm Payrolls: 138K < 222K Latest (High) Avg Hourly Earnings: 0.1% < 0.2% Latest 3) (High) GDP QoQ: 1.2 < 1.4 USD Bullish 4) Inflation: USD Neutral (High) Consumer Price: -0.1% < 0.0% (High) Producer Price : 0.0% < 0.1% --- উপরোক্ত ইভেন্টগুলো ছাড়াও Housing Market, Manufacturing & services, Market Indicators গুলোতেও ডলার বুলিশ পজিশনে রয়েছে।প্রত্যাশা করা যাচ্ছে ডলারের ছোট পরিসরের এই কামব্যাক মুদ্রাটি কে বুলিশে এগিয়ে দিবে। আর ট্রেডার হিসাবে এটিই চলতি ইভেন্টসে প্রত্যাশা। আজ ডলারের বুলিশ/বেয়ারিশ প্রভাব মেজর কয়েকটি মুদ্রাজোড়ে কেমন হতে পারে ? 1) EUR/USD = 1.1528 বিপরীতে 1.1953 2) GBP/USD = 1.2990 বিপরীতে 1.3120 3) USD/CHF= 0.9697 বিপরীতে 0.9500 4) AUD/USD = 0.7783, NZD/USD = 0.7370, USD/JPY = 112.68 (বিঃদ্রঃ আমার ব্যাক্তিগত মার্কেট মূল্যায়ন কারেন্সি মার্কেটে শত ভাগ প্রফিটের নিশ্চয়তা প্রদান করেনা ) ----------------------------------- Md Mohabbat E ELahi Admin: Forex online training academy
  4. আমি অনেক দিন ধরে বিডি পিপ্স এ লিখতে পারি নি । আসলে আমার এই দুই বছরে মা বাবা দুজনকেই হারিয়েছি। তাছাড়া ফেব্রুয়ারী এর ১৪ তারিখ আমার বিয়ে হল। সব কিছূর মধ্যে অনেক ব্যস্ত সময় কেটে গেল। তবে খুশীর খবর আমার বউ টাও ফরেক্স ট্রেডার এবং ভালো ট্রেডিং করে। আমাকে অনেক হেল্প করে সাহস দেয় আর টেকনিকাল এনালাইসিস ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস পছন্দ করে। সে একটা ফরেক্স ট্রেনিং সেন্টার ও চালায় ফরেক্স এর উপর. সে কিছু টিউটোরিয়াল তৈরী করেছে এবং টেকটিউনস এ অনেক ভিউ পেয়েছে । ফেসবুক এ লাইক পেয়েছে। তাই ভাবলাম তার টিউটোরিয়াল টা এখানে শেয়ার করি ।। আমাদের জন্য দোয়া করবেন। class="post-title" style="font-weight: normal; color: rgb(12, 56, 110); font-size: 1.4em; margin: 0px 0px 16px; padding: 0px; font-family: SolaimanLipi, Arial, Vrinda; line-height: 24px;"> ফরেক্স ট্রেডিং যারা নতুন তাদের জন্য রেগুলার টিপস এন্ড টিউটোরিয়াল ! Bangla Forex Tutorial part 4 Bangla Forex Tutorial part 3 Bangla Forex Tutorial part 2 Bangla Forex Tutorial part 1

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

বিডিপিপস চ্যাট রুম

বিডিপিপস চ্যাট রুম

    চ্যাট করতে লগিন বা রেজিস্ট্রেশন করুন।
    ×
    ×
    • Create New...