Jump to content

GBPUSD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ১২-১৬ জুলাই, ২০২১)


গত সপ্তাহের শুরর দিকে GBPUSD পেয়ারের প্রাইস কমলেও সপ্তাহের শেষের দিন বৃদ্ধি পেয়েছিল।  যুক্তরাজ্যের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর পাশাপাশি করোনাভাইরাসের প্রকোপ পেয়ারকে প্রভাবিত করছে।  দেশটিকে ক্রমাগত করোনা সংক্রামণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, এর ফলে ইউরোজোনের মধ্যে সংক্রামণের দিক থেকে প্রথম স্থানে যু্ক্তরাজ্য।  যা GBPUSD বিনিয়োগকারীদের ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

ব্রিটিশ ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলো পেয়ারকে তেমন উৎসাহ দিতে পারছে না।  মে মাসে দেশটির জিডিপি মাত্র ০.৮% বৃদ্ধি পেয়েছে। যা গত দুবারের তুলনায় কম।  এছাড়াও ব্রিটেনে ইন্ডাস্ট্রীয়াল প্রডাকশন মে মাসে মাত্র ০.৮% বৃদ্ধি পেয়েছে। যা প্রত্যাশার তুলনায় কমছিল।

gbpusd.jpg

ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের গর্ভনর অ্যান্ড্রু বেইলি তার বক্তৃতাকালে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বলেননি।  সুতরাং ব্যক্তিগতভাবে আমি বিশ্বাস করি যে যুক্তরাজ্য আবারও অর্থনৈতিক ও মহামারী সমস্যায় রয়েছে, ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড এবং সরকারের প্রতিনিধিরা যাই বলুক না কেন।

দেশটির জিডিপি ক্রমাগত কমে আসছে এবং দেশটিতে ভাইরাসের চতুর্থ ঢেউ বিরাজ করছে।  তদুপরি, অনেক এক্সপার্টদের মতে,  বেক্সিটের দীর্ঘসূত্রিতা অর্থনীতিতে নেতিবাচজ প্রভাব ফেলবে।  মনে হচ্ছে, যুক্তরাজ্যের ইভেন্টগুলো পাউন্ডের বিপক্ষে কাজ করছে।

এ সপ্তাহে যা হতে পারে

চলতি সপ্তাহে পেয়ারকে প্রভাবিত করার মতো কয়েকটি ইভেন্ট রয়েছে।  এখানে বিষয়গুলো সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো।

১. UK CPI and PPI

ব্রিটিশ সিপিআই এবং পিপিআই ডাটা বুধবার রিলিজ হবে। যদিও ডাটাগুলোর প্রভাব মার্কেটে কম মনে হচ্ছে। তবে এটি বাজারের মুড পরিবর্তন করতে পারে।

UK CPI and PPI.png

২. US Core inflation

মার্কিন কোর মুদ্রাস্ফীতি ফিগার মঙ্গলবার দুপুরের দিকে রিলিজ হবে। মুদ্রাস্ফীতি পরিসংখ্যান মার্কিন ডলারের উপর কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে আপাতদৃষ্টিত মনে হচ্ছে, মার্কেট ইতিমধ্যে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে।

US infaltion.png

৩. US PPI

US PPI বুধবার দুপুরের দিকে রিলিজ হবে। এটা EURUSD পেয়ারের মুভমেন্টের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারে। আমরা প্রত্যাশা করছি রিলিজটি পজিটিভ হতে পারে।

US PPI.png

৪. US Retail Sales

ইভেন্টটি শুক্রবার রিলিজ হতে পারে।  ধারণা করছি, মার্কিন রিটেইল সেলস পজিটি আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

US Retail sales.png

GBPUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস

গত সপ্তাহে পেয়ারটি ১.৩৯০০ প্রাইসের কাছাকাছি ক্লোজ হয়েছিল।  মনে হচ্ছে, পেয়ারটি পুনরায় ১.৩৭০০ প্রাইসের দিকে যেতে পারে।  চার ঘন্টার চার্টে দেখা যাচ্ছে, পেয়ারের আপট্রেন্ড সংকুচিত হয়ে আসছে।  এর ফলে পেয়ারের আপট্রেন্ড ধীরগতি হচ্ছে এবং ডাউনট্রেন্ডে আসার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাচ্ছে।  ২০ SMA অনুযাযী পেয়ারের আপট্রেন্ড শক্তি হওয়ার ক্ষেত্রে ১.৩৮২০ প্রাইসে যেতে পারে।  পরবর্তী টার্গেট হতে পারে ১.৩৯৪০।  ফরেক্স টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস অনুযায়ী, পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড স্পষ্ট না হলেও কিছু বিশেষজ্ঞদের মতে, পেয়ারটি ডাউনট্রেন্ডে আসতে পারে।

GBPUSD চার ঘন্টার চার্ট

GBPUSD.png

XM ব্রোকারে জুলাই মাসে ডিপোজিটে ৫০% বোনাস

 Share

0 Comments


Recommended Comments

There are no comments to display.

Guest
Add a comment...

×   Pasted as rich text.   Paste as plain text instead

  Only 75 emoji are allowed.

×   Your link has been automatically embedded.   Display as a link instead

×   Your previous content has been restored.   Clear editor

×   You cannot paste images directly. Upload or insert images from URL.

Loading...

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

বিডিপিপস চ্যাট রুম

বিডিপিপস চ্যাট রুম

    চ্যাট করতে লগিন বা রেজিস্ট্রেশন করুন।
    ×
    ×
    • Create New...