Jump to content

ফরেক্স নিউজ

  • entries
    610
  • comments
    11
  • views
    3,980

Contributors to this blog

  • মার্কেট আপডেট 610

About this blog

ফরেক্স ট্রেডিং সংক্রান্ত সব নিউজ, অ্যানালাইসিস এবং মার্কেট আপডেট পাবেন এখানেই।

Entries in this blog

USDJPY সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ১৮ – ২২ অক্টোবর, ২০২১)

USDJPY পেয়ার সপ্তম সপ্তাহ আপট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে। জাপানী ইয়েনের দুর্বলতা এবং মার্কিন ডলারের শক্তিমত্তা পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে।  শুক্রবার পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে সর্বোচ্চ ১১৪.৪৫ প্রাইসে উঠেছিল। ২০১৮ সালের অক্টোবরের পরবর্তীতে পেয়ার সর্বোচ্চ এই প্রাইসে উঠেছে। ১৮ সালের অক্টোবরে USDJPY পেয়ারকে সর্বোচ্চ ১১৪.৫৪ প্রাইসে দেখা গিয়েছিল। ১ অক্টোবর জাপানের জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন হলে টোকিও থেকে আরেকটি বিশাল উদ্দীপনা প্যাকেজের প্রত্যাশায় ইয়েন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সেপ্টেম্বরে

GBPUSD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ১৮ – ২২ অক্টোবর, ২০২১)

ডলার বিনিয়োগকারীদের নিকট মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি একটি উদ্বেগের দিক। মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি বেশ কয়েক বছরের সর্বোচ্চে এসেছে। যদিও ফেড চেয়ারম্যান জেরেমি পাওয়েল মুদ্রাস্ফীতিকে অস্থায়ী হিসেবে ঘোষণা করেছে। যা ডলারের আপট্রেন্ড ধরে রাখতে সহায়তা করছে। এদিকে ব্রিটিশ মুদ্রাস্ফীতি বাৎসরিক ব্যবধানে ৩.২% বৃদ্ধি পেয়েছে। যা ব্যাংক নির্ধারিত ১-৩% রেঞ্জের উপরে রয়েছে। ব্যাংক নির্ধারিত সামান্য উপরে থাকলেও ব্রিটিশ পাউন্ড ভাল অবস্থানে রয়েছে। ইউরোপ এবং ব্রিটেনের জ্বালানি সংকট মার্কেট মুভমেন্টে বিশেষ ভূমিকা

GOLD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ১৮- ২২ অক্টোবর, ২০২১)

গত সপ্তাহে গোল্ড ১৮০০ ব্রেকে ব্যর্থ হয়েছে।  এদিকে মার্কিন  Yields বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা গোল্ডকে বিয়ারিশে নিয়ে আসতে পারে। তবে গোল্ড ১৮০০ প্রাইস অতিক্রম করা পর্যন্ত বিয়ারিশে থাকতে পারে। সপ্তাহের প্রথমদিন গোল্ড টাইট রেঞ্জে ১৭৫০ এর কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। যদিও গত সপ্তাহে গোল্ড Yields রিপোর্ট কেন্দ্র করে ২% বৃদ্ধি পেয়েছিল। এদিকে মার্কিন প্রডিউসার প্রাইস ইনডেক্স (PPI) সেপ্টেম্বরে ৮.৩% থেকে বেড়ে ৮.৬% এসেছে। মার্কিন রিটেইল সেলস বেড়ে ০.৭% ও কনজিউমার সেন্টিমেন্ট অক্টোবরে ৭২.৮ থেকে কমে ৭১.৪ প

EURUSD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ১৮ – ২২ অক্টোবর, ২০২১)

EURUSD পেয়ার যেহেতু ১.১৬০০ প্রাইস কেন্দ্র করে মুভমেন্ট করছে সেহেতু চলতি সপ্তাহে নিরপেক্ষ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।  ফেডারেল রিজার্ভের হাকিশ আলোচনা ইউরোকে প্রভাবিত করতে পারে। গত সপ্তাহে EURUSD ২০২১ সালের নিন্ম প্রাইস ১.১৫২৩-এ হিট করার পরবর্তীতে কিছুটা বেড়ে ১.১৬০০ প্রাইসে ক্লোজ হয়েছিল। মূলত গত সপ্তাহে মার্কিন ডলারের প্রাইস কমার ফলে EURUSD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়েছিল। এ বছরের নভেম্বরে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের বন্ড প্রোগ্রাম এবং ইন্টারেস্ট রেট প্রেসার ডলারের প্রাইস বৃদ্ধিতে সহায়তা কর

মার্কিন রিটেইল সেলস রিপোর্টের পূর্বে ১.১৬০০ প্রাইসের উপরে মুভমেন্ট করছে EURUSD

নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে পরিচিত মার্কিন ডলারের রিবাউন্ড কিছুটা কমার ফলে EURUSD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১.১৬০০ এর উপরে অবস্থান করছে। বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি অর্থনীতিবিদদের ভাবিয়ে তুলছে। এদিকে ইউরোপিয়ান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিয়ান লেগার্ডের সাম্প্রতিক মন্তব্যগুলো ইউরোর উত্থানে সহায়তা করে, বিশেষ করে যখন তিনি বলেছিলেন, ইউরোজোন অঞ্চলের অর্থনীতির পুর্নবাসন পর্যায় ক্রমবর্ধমান অগ্রসর হচ্ছে। এর ফলে মেজর কারেন্সি পেয়ার ১৫ মাসের নিন্ম প্রাইস ১.১৫

ইউরোর বিপরীতে সুইস ফ্রাঙ্ক শক্তিশালী হচ্ছে- কমার্জব্যাংক

দ্বিতীয় দিনের মতো EURCHF পেয়ার ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে। কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট টিম কারেন জনসের মতে, পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হয়ে ১.০৬২৩ প্রাইসে যেতে পারে। ২০২০ সালের নভেম্বরে পেয়ারের প্রাইস কমে সর্বনিন্ম ১.০৬২৩-তে গিয়েছিল। ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৭৮.৬% অনুাযায়ী EURCHF পেয়ারের পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ১.০৬৪৩। বর্তমানে EURCHF পেয়ার ১.০৬৮৭ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১.০৭০১। ৫৫ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী পরবর্তী রেজিস্ট্যান্

মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি ১৩ বছরের সর্বোচ্চে

মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি ১৩ বছরের সর্বোচ্চে অবস্থান করছে। সেপ্টেম্বরে দেশের ০.৪% মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়েছে। সেপ্টেম্বরে মুদ্রাস্ফীতির হার বৃদ্ধির পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি। এ মাসে পেট্রলের দাম বেড়েছে ১ দশমিক ২ শতাংশ ও জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ।  খাদ্যের দাম গত মাসের তুলনায় বেড়েছে ০.৯% ও বাসা ভাড়া বেড়েছে ০.৫%। ২০০৮ সালের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি হয়েছিল ৫.৪%। যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি যদি ২ শতাংশের মধ্যে রাখা যায়, তাহলে তা ভালো অর্থনৈতিক পরি

১.১৭৬২ রেজিস্ট্যান্সে যেতে পারে EURUSD

EURUSD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ১.১৬০০ এর কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট টিম কারেন জনসের মতে, পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১.১৬৩০। RSI ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে পেয়ারটি ১.৫২২ সাপোর্ট অতিক্রমের অপেক্ষায়। পেয়ারটি বছরের নিন্ম প্রাইস ১.১৫২২ অতিক্রমের পরবর্তীতে ২০২০ সালের মার্চ মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.১৪৯২ যেতে পারে। পেয়ারটি ১.১৬৩০ রেজিস্ট্যান্স অতিক্রমের পরবর্তীতে ১.১৭৬২ রেজিস্ট্যান্সে যাওয়ার সম্ভাবনা র

১৮ সালের রেজিস্ট্যান্সে যেতে পারে USDJPY

USDJPY পেয়ার ১১৩.৫২ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। পেয়ারটি চতুর্থ দিনের মতো আপট্রেন্ড অব্যাহত রাখলেও গতকাল প্রাইস কমেছিল। আজকের সেশনে পেয়ারের প্রাইস পুনরায় বৃদ্ধি পাচ্ছে। USDJPY প্রাইস কমতে শুরু হলে সেক্ষেত্রে ১১২.০৭ সাপোর্ট হতে পারে। পেয়ারের পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ১১১.৬৫। পেয়ারটি ১১৩.০০ প্রাইসের নিচে আসলে পুনরায় ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ১১২.০০ প্রাইস অতিক্রমের পরবর্তীতে ১১১.৪৭ ও ১১১.২০ সাপোর্টে যেতে পারে। লং টার্মে রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১১৪.০০ এবং

চার মাসের সর্বোচ্চ প্রাইসে GBPJPY

আজ বৃহস্পতিবার সকালে GBPJPY পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে। ষষ্ঠ দিনের মতো পেয়ার আপট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে। আর্টিকেল লেখার সময় পেয়ার ১৫৫.১৭ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। ডেইলি চার্টে দেখা যাচ্ছে, পেয়ার ১৫২.৯০ – ১৫৩.০০ জোন ব্রেকের পরবর্তীতে পেয়ারের বুলিশ ট্রেন্ড ক্রমাগত শক্তিশালী হয়েছে। পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স মে মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১৫৬.০৭। MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ার ওভারবটে অবস্থান করছে। পেয়ারের আপট্রেন্ড অব্যাহত থাকলে সেক্ষেত্রে ২০১৮ সালের সর্বোচ্চ প্রাইস ১৫৬.৬১ যেতে পা

EURUSD পেয়ারের বুলিশ দিন

৬ সপ্তাহের মতো EURUSD বিয়ারিশ চ্যানেলে টাইট রেঞ্জে থাকলেও গতকাল বুলিশ ক্যান্ডেল তৈরিতে সক্ষম হয়েছিল। ২৪ সেপ্টেম্বর পেয়ারের বিয়ারিশ অবস্থান শুরুর পরবর্তীতে প্রথম দিন EURUSD পেয়ারের আপট্রেন্ড এতো শক্তিশালী দেখা গিয়েছে। ডেইলি চার্টে পেয়ারকে ওভারসোল্ডে দেখা যাচ্ছে এবং প্রায় সকল গুরুত্বপূর্ণ নক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে। EURUSD যে কোন সময় ২০ আগস্টের নিন্ম প্রাইস অতিক্রমে সক্ষম হলে রিভার্সেল আপ হওয়ার চান্স রয়েছে।

GBPUSD প্রাইস অ্যানালাইসিস

GBPUSD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে সেশনের সর্বোচ্চে অবস্থান করছে। আজ ইউরোপিয়ান সেশনে পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১.৩৬৩৫- ৪০ অঞ্চলে মুভমেন্ট করছে। চলতি সপ্তাহে প্রথমদিনের মতো পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে পেয়ারটি ১.৩৬২৫ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স ১.৩৬৫০। আপট্রেন্ড অব্যাহত থাকলে পেয়ারটি ১.৩৭-২৫ রেঞ্জে যেতে পারে। অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট ১.৩৬০০। ২০০ ঘন্টার মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ১.৩৫৭৫। ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হলে

মার্কিন CPI ডাটার পূর্বে ১৩ মাসের সর্বোচ্চ থেকে কমতে শুরু করেছে ডলার

আজ বুধবার মুদ্রাস্ফীতি ডাটার পূর্বে ইউরোপিয়ান সেশনে ডলারের প্রাইস ১৩ মাসের সর্বোচ্চ থেকে কমছে। আজকের সেশনে ডলারের প্রাইস কমে ৯৪.৩৬ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। USDJPY পেয়ার আজকের সেশনে নিরপেক্ষ অবস্থানে ১১৩.৫৮ এর কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, সেপ্টেম্বরে CPI ৫.৩% এ অপরিবর্তনীয় এবং কোর CPI ৪.০% থাকতে পারে। ২২ সালে ইন্টারেস্ট রেট বৃদ্ধির সম্ভাবনা ডলারের প্রাইস বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। মার্কিন CPI ডাটা প্রত্যাশা অনুযায়ী আসলে মার্কিন ডলার পুনরায় আপট্রেন্ডে অব্যাহত রাখতে পা

২০১৭ সালের সর্বোচ্চ প্রাইসে যেতে পারে USDJPY- ক্রেডিট  সুইস

USDJPY পেয়ার ধারাবাহিক তৃতীয় মাস আপট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে। ক্রেডিট সুইস ইকোনমিস্টের প্রত্যাশা পেয়ারের প্রাইস বেড়ে ২০১৭ সালের সর্বোচ্চ প্রাইস ১১৮.৬২ যেতে পারে। ৩১ অক্টোবর জাপানে ৪৯তম নির্বাচন কেন্দ্র করে ইয়েনের প্রাইস দুর্বল হচ্ছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, USDJPY পেয়ার ২০১৭ সালের সর্বোচ্চ প্রাইস ১১৮.৬২-তে যেতে পারে।  

কমার্জব্যাংকের আলোচনায় EURUSD

EURUSD পেয়ার তৃতীয় দিনের মতো ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত রেখে ১.১৫৫০ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট টিম প্রধান কারেন জনসের মতে, EURUSD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১.১৬৪০-তে যেতে পারে। অপরদিকে পেয়ারটি ১৫ মাসের নিন্ম প্রাইস ১.১৫২২ অতিক্রমে ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে।  সেক্ষেত্রে পরবর্তী সাপোর্ট হতে ২০২০ সালের মার্চ মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.১৪৯০। ২০০৮ সালে পেয়ারটি ১.১৩৯৫ প্রাইসে গিয়েছিল।  কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট টিম প্রধাম কারেন জনসের মতে, পেয়ারটি ১.১৬৪

৬ মাসের পুরনো রেজিস্ট্যান্সে যাচ্ছে GBPJPY

কয়েকমাস GBPJPY পেয়ারের প্রাইস কমলেও অক্টোবরে বেশ ভালভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে পেয়ারটি ১৫৪.৫০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, খুব তাড়াতাড়ি পেয়ার ৬ মাসের পুরনো রেজিস্ট্যান্স ১৫৬.০৬-তে যেতে পারে। পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স ১৫৫.০০। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে  ১৫৫.৯০। MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ার ওভারবটে অবস্থান করছে। এর ফলে পেয়ারের প্রাইস কমার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। পেয়ারের প্রাইস পুনরায় কমতে শুরু হলে ১৫৩.৬৮ হরিজোনটাল সাপোর্টে যেতে পারে। পরবর্তী সা

Symmetrical Triangle তৈরি করেছে GBPUSD

বেশ কিছুদিন GBPUSD পেয়ার  Symmetrical Triangle এর মধ্যে মুভমেন্ট করছে। পেয়ারটি উক্ত রেঞ্জ অতিক্রমে আপ-ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। বর্তমানে পেয়ারটি বিয়ারিশে থেকে ন্যারো রেঞ্জে ট্রেড করছে। GBPUSD ১.৩৫৮০ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। ২১ দিনের সিম্পল মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ১.৩৬২৯ রেজিস্ট্যান্স হিসেবে কাজ করছে। MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ার ওভারসোল্ড জোনে অবস্থান করছে। যা পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধির  ইঙ্গিত দিচ্ছে।  পেয়ারটি ২১ SMA অতিক্রমে সক্ষম হলে পরবর্তীতে ১.৩৬৫০ হরিজোনটাল রেজিস্ট্যান

মার্কিন ডলার ডেইলি ক্যান্ডেলে বিয়ারিশে থাকলেও বছরের সর্বোচ্চ প্রাইসের কাছাকাছি

মেজর পেয়ারগুলোর বিপরীতে ডলার বছরের সর্বোচ্চ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। পরবর্তী মাসে ফেডারের রিজার্ভের টেপারিং ও ২২ সালে ইন্টারেস্ট রেট বৃদ্ধির সম্ভাবনা ডলারের প্রাইস বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। ক্লারিডার ভাইস চেয়ারম্যান রিচার্ডসহ ফেডারেল রিজার্ভের ৩ জন কর্মকর্তা বলেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সম্পদ ক্রয়-কর্মসূচি ফিরিয়ে আনার জন্য মার্কিন ইকোনমি যথেষ্ট সচল হয়েছে। গতকাল ডলার ৯৪.৫১ প্রাইসে ক্লোজ হলেও বর্তমানে কমে ৯৪.৩৪ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। অ্যানার্জি প্রাইস মুদ্রাস্ফীতি উদ্বেগ বাড়িয়ে

GBPUSD প্রাইস অ্যানালাইসিস

বেশ কিছুদিন  GBPUSD পেয়ার ১.৩৬৭২ থেকে ১.৩৫৪৩ প্রাইসের মধ্যে মুভমেন্ট করছে। গতকাল পেয়ারের প্রাইস কমলেও আজকের সেশনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ব্রিটিশ পাউন্ড একটি রেঞ্জের মধ্যে মুভমেন্ট করছে।  রেঞ্জটি অতিক্রমে পেয়ারের আপ-ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। GBPUSD পেয়ার বর্তমানে ১.৩৬২০ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। ১.৩৬৭২ রেঞ্জ অতিক্রমে সক্ষম হলে আপট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১.৩৭০০। আপট্রেন্ড অব্যাহত থাকলে সেক্ষেত্রে ১.৩৭২০ অতিক্রমের পরবর্তীতে ১.৩৭৫০ প্রাইসে যেতে পারে

বিয়ারিশ টেকনিক্যাল সেটাপে USDCAD পেয়ারের আপট্রেন্ড সীমিত মনে হচ্ছে

মার্কিন ডলার প্রধান কারেন্সিগুলোর বিপরীতে শক্তিশালী অবস্থানে থাকলেও কানাডিয়ান ডলারের বিপরীতে দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। অক্টোবরে USDCAD পেয়ারের প্রাইস কমে মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.২৪৬৪ এর কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের প্রাইস বৃদ্ধির ফলে কানাডিয়ান ডলার শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। চার ঘন্টার চার্টে দেখা যাচ্ছে, আজকের সেশনে পেয়ারটি ১.২৫০০ রেজিস্ট্যান্স অতিক্রমে ব্যর্থ হয়েছে।  সুতরাং পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে পেয়ারটি ১.২৪৪৬ অতিক্রমে সক্ষম

ব্রিটিশ জব রিপোর্টে যেভাবে প্রভাবিত হতে পারে GBPUSD

ব্রিটিশ জাতীয় পরিসংখ্যান (ONS) সেপ্টেম্বর মাসের জব রিপোর্ট কিছুক্ষণের মধ্যে রিলিজ করবে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, আগস্টে বেকারত্বের হার ৪.৬% থেকে কমে ৪.৫% আসতে পারে। ব্রিটিশ ইকোনমি যেহেতু রিকভার করছে সেহেতু প্রত্যাশা করা হচ্ছে, সেপ্টেম্বরে জব রিপোর্ট বৃদ্ধি পেতে পারে। যা পাউন্ডের বিয়ারিশ কিছুটা সংকুচিত করতে পারে। GBPUSD বর্তমানে ১.৩৬০০ প্রাইস কেন্দ্র করে মুভমেন্ট করছে। পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স ১.৩৬২০। চার ঘন্টার চার্ট অনুযায়ী ৫০ বার SMA অনুযায়ী ১.৩৫৬০ সাপোর্ট হতে পারে। GBPUSD ১.

ডলারের বিপরীতে ৩ বছরের নিন্ম প্রাইসে ইয়েন

আজ মঙ্গলবার এশিয়ান সেশনে মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে ডলারের বিপরীতে ইয়েনের প্রাইস কমে ৩ বছরের নিন্মে অবস্থান করছে। এনার্জি প্রাইসের ফলে জাপানী ইয়েনের প্রাইস ক্রমাগত কমছে। এছাড়াও মার্কিন ইন্টারেস্ট রেট বৃদ্ধির সম্ভাবনা ডলারের প্রাইস বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। ডলারের প্রাইস বেড়ে ৯৪.৪০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। এর ফলে USDJPY পেয়ারের প্রাইস বেড়ে পাঁচ মাসের সর্বোচ্চ ১১৩.৩৬-তে অবস্থান করছে। কারেন্সি মার্কেটে লক্ষ করে দেখা যাচ্ছে, নভেম্বরের মার্কিন টেপারিং ঘোষণা মার্কেটে প্রভাব ফ

GOLD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ১১ – ১৫ অক্টোবর, ২০২১)

গত সপ্তাহে মার্কিন জব রিপোর্ট প্রত্যাশার নিচে আসায় গোল্ড বুলিশে আসার সম্ভাবনা থাকলেও পরবর্তীতে বিয়ারিশে এসেছিল। ফেডারেল রিজার্ভের সেন্টিমেন্ট ও মার্কিন রাজনৈতিক উত্তেজনা গত সপ্তাহে মার্কিন ডলারের শক্তিশালী অবস্থান ধরে রাখতে সহায়তা করেছিল। ফেডারেল রিজার্ভের সেন্টিমেন্ট ও মার্কিন ট্রেজারি রিপোর্টকে কেন্দ্র করে গত সপ্তাহের প্রথমার্ধে গোল্ড বিয়ারিশে ছিল। এ সপ্তাহে যে বিষয়গুলো গোল্ডকে প্রভাবিত করতে পারে বিনিয়োগকারীদের বর্তমান নজর সেপ্টেম্বরের মেনুফেকচারিং PMI রিপোর্টের দিকে। প্রত

GBPUSD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ১১ – ১৫ অক্টোবর, ২০২১)

দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো GBPUSD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে। শুক্রবার প্রকাশিত মার্কিন জব প্রত্যাশার নিচে আসায় ডলারের বিপরীতে ব্রিটিশ পাউন্ডের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়েছিল। যা সাপ্তাহিক চার্টে GBPUSD পেয়ারকে বুলিশ অবস্থানে রেখেছে। এ সপ্তাহের প্রথমদিন GBPUSD পেয়ার প্রাইস বৃদ্ধির চেষ্টা করছে। গত কয়েক সপ্তাহ ব্রিটিশ অ্যানার্জি সংকট ব্রিটিশ পাউন্ডের নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। কিছু বিশেষজ্ঞদের ধারণা GBPUSD পেয়ারের পুলব্যাক অস্থায়ী হতে পারে এবং বিয়ারিশে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গত সপ্তাহে প্রকাশিত স

EURUSD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ১১ – ১৫ অক্টোবর, ২০২১)

‍তৃতীয় সপ্তাহ  EURUSD পেয়ারের প্রাইস কমছে। চলতি সপ্তাহেও প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে যেহেতু মার্কিন ডলারের প্রাইস ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সপ্তাহের শেষের দিন ৮ অক্টোবর EURUSD পেয়ারের বিয়ারিশ অবস্থান কিছুটা সংকুচিত হয়েছিল কারণ সেপ্টেম্বরে মার্কিন জব প্রত্যাশার নিচে এসেছিল।  পেয়ারের পুলব্যাক ছিল সামান্য সময়ের জন্য এবং EURUSD বিয়ারিশ অবস্থান অব্যাহত রেখেছিল। EURUSD পেয়ার গত সপ্তাহে ২০২১ সালের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.১৫২৮-তে এসেছিল।  বিশ্বব্যাপী ইকোনমিক রিকভারের বৈষম্যতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।  যা

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

বিডিপিপস চ্যাট রুম

বিডিপিপস চ্যাট রুম

    চ্যাট করতে লগিন বা রেজিস্ট্রেশন করুন।
    ×
    ×
    • Create New...