Jump to content

ফরেক্স নিউজ

  • entries
    348
  • comments
    9
  • views
    2,010

Contributors to this blog

  • মার্কেট আপডেট 348

About this blog

ফরেক্স ট্রেডিং সংক্রান্ত সব নিউজ, অ্যানালাইসিস এবং মার্কেট আপডেট পাবেন এখানেই।

Entries in this blog

জুলাইয়ের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.২৮০৭ যেতে পারে USDCAD – ক্রেডিট সুইস

USDCAD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১.২৭৫১ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  ক্রেডিট সুইস অ্যানালাইসিস্ট টিমের মতে পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে জুলাই মাসের সর্বোচ্চ ১.২৮০৭ যেতে পারে। পেয়ার জুলাইয়ের সর্বোচ্চ প্রাইস অতিক্রমে সক্ষম হলে ১.২৮৭০ যেতে পারে।  ফিকোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৩৮.২% অনুযায়ী ২০২০/২১ এর সর্বোচ্চ প্রাইস ১.৩০৪ যেতে পারে। অপরদিকে পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হওয়ার ক্ষেত্রে ১.২৬০৮ অতিক্রম হওয়া প্রয়োজন।  পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ১.২৫৯৯। XM সকলে জিতবে প্রমোশনে $5-$400 নিশ্চিত

GOLD এর ক্ষেত্রে ১৮০০ রেজিস্ট্যান্স কাজ করছে

মার্কেটের ঝুঁকিপূর্ণ  প্রোফাইল আবারও গোল্ডের প্রাইস বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে, কারণ গোল্ড দ্রুত ১৮০০ প্রাইসে পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টা করছে।  পুনরায় করোনাভাইরাসের উত্থান মার্কেটে ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। গোল্ড ১৭৭৫ থেকে রিকভার করে ১৭৮৮ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। ফেড মিটিংয়ের পরবর্তীতে গোল্ডের প্রাইস কমলেও বর্তমানে বৃদ্ধি পাচ্ছে। একদিনের চার্টে ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ২৩.৬% অনুযায়ী ১৭৯০ প্রাইসে গোল্ড বাধা পেতে পারে। মাসিক চার্টে ৬১.৮% ফিবোনাসি অনুযায়ী ১৭৯৩ বাধা হতে পারে। চার ঘন্টার চ

১.১৫৭৫- ১.১৪৫৩ প্রাইসে যেতে পারে EURUSD – কমার্জব্যাংক

কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট টিমের প্রধান কারেন জনসনের মতে, EURUSD পেয়ার ১.১৫৭৫ প্রাইসের নিচে আসলে ১.১৪৫৩ প্রাইসে যেতে পারে। EURUSD মার্চ মাসের নিন্ম প্রাইস ১.১৭০৪ থেকে নিচে নেমে ১.১৬৮০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে।  ২০০ সপ্তাহের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী পেয়ারের প্রাইস কমে ২০২০ সালের নভেম্বরের নিন্ম প্রাইস ১.১৬০২ যেতে পারে। EURUSD পেয়ার পুনরায় আপট্রেন্ডে আসার জন্য সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.১৮০৪ অতিক্রম করা প্রয়োজন।  পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১.১৮১২। XM সকলে জিতবে প্

১০০ SMA এর উপরে অবস্থান করছে EURGBP

আজ বৃহস্পতিবার ইউরোপিয়ান সেশনের শুরুর দিকে ০.৮৫১০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে EURGBP। গতকাল পেয়ার বিয়ারিশ অবস্থানে থাকলেও ১০০ SMA অতিক্রমে সক্ষম হয়নি। আজকের সেশনে বুলিশ অবস্থানে দেখা যাচ্ছে। EURGBP ১০০ SMA অতিক্রমের ক্ষেত্রে ০.৮৫০০ ব্রেক করা প্রয়োজন।  পেয়ার উক্ত প্রাইস অতিক্রমে সক্ষম হলে সেলারদের টার্গেট হবে ২ সপ্তাহের পুরাতন সাপোর্ট লেভেল ০.৮৪৯০।  পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ০.৮৪৫০।  পেয়ার ০.৮৪০০ প্রাইসে গেলে তা ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির নিন্ম প্রাইস হবে। অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান রেজিস

মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.৩৭০০ এর দিকে যাচ্ছে GBPUSD

আজ বৃহস্পতিবার এশিয়ান সেশনে দিনের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.৩৭০০ এর দিকে যাচ্ছে GBPUSD।  পেয়ার সর্বনিন্ম ১.৩৭১০ প্রাইসে এসেছিল। আর্টিকেল লেখার সময় পেয়ার ১.৩৭১৫ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে।  মার্কিন ডলার মেজর ছয়টি কারেন্সির বিপরীতে আপট্রেন্ড অব্যাহত রেখে ৯৩.৪৫ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। ডেল্টা ভাইরাসের দ্রুত বিস্তার এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের প্রভাবের পরিপ্রেক্ষিতে বিনিয়োগকারীদের নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাউন্ড দুর্বল হওয়ার অন্যতম কারণ ব্রিটিশ

৯ মাসের  নিন্ম প্রাইসে  হিট করেছে EURUSD

আজ ইউরোপিয়ান সেশনে EURUSD পেয়ারের প্রাইস কমে ১.১৬৭০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  এর ফলে পেয়ার ২০২১ সালের নিন্ম প্রাইস অতিক্রম করে নতুন নিন্ম প্রাইস তৈরিতে সক্ষম হয়েছে। মার্কিন ডলারের প্রাইস বেড়ে ২০২০ সালের নভেম্বরের সর্বোচ্চ প্রাইস  ৯৩.৫০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  ডলারের প্রাইস বৃদ্ধির কারণে EURUSD পেয়ারের প্রাইস কমে ২০২০ সালের নভেম্বরের নিন্ম প্রাইস ১.১৬১১ এর দিকে যাচ্ছে। মার্কেটের ঝুঁকিপূর্ণ মেজাজ এবং ফেডের টেপারিং সিগন্যালগুলো ডলারের প্রাইস বৃদ্ধির ক্ষেত্রে দায়ী হতে পারে।  সর্বশেষ আ

৪-১/২ মাসের সর্বোচ্চে স্থায়ী হচ্ছে মার্কিন ডলার

বিশ্বব্যাপী ইকোনমিক উদ্বেগে নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে মার্কিন ডলারের প্রাইস বেড়ে ৪-১/২ মাসের সর্বোচ্চে অবস্থান করছে।  জুলাই মাসের ফেডারেল রিজার্ভ মিটিংয়ের পূর্বে নিরাদ কারেন্সি হিসেবে মার্কিন ডলার অতিরিক্ত সুবিধা পেতে পারে।  তবে ফেড থেকে নেতিবাচক আলোচনা যে কোন সময় পেয়ারকে প্রভাবিত করতে পারে। অস্টেলিয়ান কানাডিয়ান ডলারের মতো মেজর কারেন্সিগুলো  মার্কিন ডলারের বিপরীতে দুর্বল অবস্থানে রয়েছে।  মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ৯৩.০৯ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  যা এপ্রিলের শেষ সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাই

GBPUSD পেয়ারের সম্ভাব্য সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স

GBPUSD মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.৩৭২৬ থেকে বেড়ে ১.৩৭৫০ এর উপরে অবস্থান করছে।  বর্তমানে পেয়ার ১.৩৭৫৬ প্রাইসে রয়েছে। ডেইলি চার্টে RSI ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ার মিড লাইনের নিচে অবস্থান করছে।  যা সেলারদের উৎসাহিত করছে। ২০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ১.৩৭৬৮ রেজিস্ট্যান্স হতে পারে।  অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট মাসের নিন্ম প্রাইস ১.৩৭২৬ এবং পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ১.৩৭০০। ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হলে জুলাইয়ের নিন্ম প্রাইস ১.৩৬৭০ যেতে পারে।  GBPUSD ডেইলি চার্ট XM সকলে জিতবে

প্রাইস বৃদ্ধির চেষ্টায় GBPJPY

GBPJPY পেয়ারের প্রাইস কমে মাসের সর্বনিন্মে গেলেও বর্তমানে বৃদ্ধির চেষ্টা করছে। পেয়ারটি ১৫০.৭০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। GBPJPY পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১৫০.৮৪-তে যেতে পারে।  পেয়ারের আপট্রেন্ড শক্তিশালী হলে সেক্ষেত্রে ১৯ জুলাইয়ের সর্বোচ্চ প্রাইস ১৫১.৩০-৩৫ হরিজোনটাল রেজিস্ট্যান্স হিসেবে কাজ করতে পারে। অপরদিকে ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৬১.৮% অনুযায়ী ১৫০.৩৭ সাপোর্ট হতে পারে। পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ১৫০.০০।  পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হলে সেক্ষেত্রে  জুলাইয়ের নিন্ম প্রাইস ১৪৮.৪৫ য

EURJPY সেল অব্যাহত, পরবর্তী বিরতি হতে পারে ১২৭.৫০- কমার্জব্যাংক

EURJPY পেয়ারের প্রাইস কমে মার্চ মাসের সর্বনিন্ম ১২৮.৩০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট কারেন জনসের মতে, পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড বৃদ্ধি পেয়ে ১২৭.৫০ প্রাইসে যেতে পারে। পেয়ার মার্চ মাসের নিন্ম প্রাইস অতিক্রমের পরবর্তীতে ৫৫ সপ্তাহের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ১২৭.৮৫ প্রাইসে যেতে পারে।  পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারির সর্বোচ্চ প্রাইস ১২৭.৫০।  প্রত্যাশা করা হচ্ছে, EURJPY ১২৭.৫০ থেকে রিকভার করতে পারে। পেয়ার উক্ত সাপোর্ট অতিক্রমে সক্ষম হলে বড় ধরণের ডাউনট্

USDCAD প্রাইস অ্যানালাইসিস

USDCAD পেয়ারের আপট্রেন্ড অব্যাহত রাখার জন্য গতকালের সর্বোচ্চ প্রাইস অতিক্রম করা প্রয়োজন।  MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী সেলাররা আশাবাদী হতে পারে। আজ বুধবার ইউরোপিয়ান সেশনে USDCAD পেয়ার ১.২৬১৫ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে।  গতকাল USDCAD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ২১ জুলাইয়ের সর্বোচ্চ প্রাইসে গিয়েছিল। USDCAD গতকাল সর্বোচ্চ ১.২৬৫০ প্রাইসে ওঠেছিল। চার ঘন্টার চার্টে দেখা যাচ্ছে, পেয়ার Gravestone Doji তৈরির পরবর্তীতে একটি ক্যান্ডেল আপে থাকলেও পরবর্তীতে বিয়ারিশে আসতে শুরু করেছে। MACD

সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাইসে যাচ্ছে EURGBP

EURGBP পঞ্চম দিনের মতো আপট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে।  প্রত্যাশা করা হচ্ছে, পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে সপ্তাহের সর্বোচ্চে যেতে পারে। বর্তমানে পেয়ারটি ০.৮৫২০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে।EURGBP ০.৮৫২৪ অতিক্রমের পরবর্তীতে সপ্তাহের সবোর্চ্চ প্রাইস ০.৮৫৩৫ যেতে পারে। পেয়ার ০.৮৫৬০ অতিক্রমের পরবর্তীতে ৫০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ০.৮৫৪৮ যেতে পারে। ১০০ ও ২০০ দিনে মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ০.৮৫৮৮ এবং ০.৮৭১৫ প্রাইসে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।  অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট হতে পারে ০.৮৫০০।  পরবর্ত

ব্রিটিশ CPI যেভাবে প্রভাবিত করতে পারে GBPUSD

আজ বুধবার দুপুর ১২:০০ টার দিকে জুলাই মাসের ব্রিটিশ CPI ডাটা রিলিজ করা হবে। ব্রিটিশ পাউন্ডের জন্য আজকের ইভেন্টটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। ইকোনমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী জুলাই মাসে CPI ০.৫% থেকে কমে ০.৩% আসতে পারে। কোর CPI ২.৩% থেকে কমে ২.২% আসার সম্ভাবনা রয়েছে। বাৎসরিক ব্যবধানে CPI ২.৫% থেকে কমে ২.২% আসার সম্ভাবনা রয়েছে।  ব্রিটিশ CPI প্রত্যাশার নিচে আসলে GBPUSD পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে।  বর্তমানে পেয়ার ১৩৭.৫০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। পেয়ারের পরবর্তী সাপোর্ট হতে প

EURJPY পেয়ারের ক্ষেত্রে ১২৮.৩০ সাপোর্ট কাজ করছে

EURJPY পেয়ার টানা চতুর্থ দিনের মতো ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে।  আজকের সেশনে পেয়ারটি সর্বনিন্ম ১২৮.৩৫ প্রাইসে আসলেও বর্তমানে প্রাইস বৃদ্ধি চেষ্টা করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পেয়ারের প্রাইস পুনরায় কমতে পারে। তারা পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট হিসেবে ১২৮.৩০ উল্লেখ করেছেন।  মার্চ মাসের ২৪ তারিখ পেয়ার ১২৮.৩০ এসে পুনরায় আপট্রেন্ড শুর হয়েছিল। EURJPY সেলারদের ১২৮.৩০ অতিক্রম অপেক্ষা করা উচিত। যা মার্চ মাসের নিন্ম প্রাইস ছিল।  পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে জানুয়ারি থেকে জুন মাসের নিন্ম প্রাইস ১২৭.০০। EU

রিটেইল সেলস ও পাওয়েলের আলোচনার পূর্বে ১,৮০০ প্রাইসের কাছাকাছি GOLD

গোল্ডের প্রাইস কমে মার্চ মাসের সর্বনিন্মে গেলেও আজ মঙ্গলবার টানা পঞ্চম অধিবেশনে বৃদ্ধি পাচ্ছে।  বর্তমানে গোল্ড ১৮০০ প্রাইসের নিচে অবস্থান করছে। আজকের সেশনে মার্কিন ইভেন্টগুলোর  মধ্যে অন্যতম জুলাই মাসের রিটেইল সেলস রিপোর্ট এবং ফেড চেয়ারম্যানের আলোচনা।  জুনে রিটেইল সেলস ০.৬% বৃদ্ধি পেলেও জুলাই মাসে -০.২% কমতে পারে।  যা মার্কিন ডলারকে দুর্বল করতে পারে। তবে ফেড চেয়ারম্যান জেরেমি পাওয়েলের আলোচনা মার্কেটের গতি-বিধি যে কোন দিকে প্রভাবিত করতে পারে।  সুতরাং ইভেন্টটি বিনিয়োগকারীদের অন্যত

লকডাউন সংবাদে নিউজিল্যান্ড ডলারের বিপরীতে মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে

ফেব্রুয়ারির পরবর্তীতে প্রথম বারের মতো নিউজিল্যান্ডে কোভিড-১৯ কেস শনাক্ত হওয়ার পর নিউজিল্যান্ড ডলারের প্রাইস কমে ১৮ দিনের সর্বনিন্মে অবস্থান করছে।  যা সরকারকে নতুন স্বল্পমেয়াদী লকডাউন ব্যস্থায় নিয়ে যেতে পারে। এশিয়ান সেশনে ডলারের প্রাইস সবথেকে বেশি কমেছে যখন প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আর্ডেন বলেছেন অকল্যান্ড যেখানে কেসটি রিপোর্ট করা হয়েছিল সেখানে সাত দিনের জন্য লকডাউনে যাবে এবং সামগ্রিক নিউজিল্যান্ডে কঠিনভাবে তিন দিনের লকডাউন থাকবে। NZDUSD পেয়ারের প্রাইস কমে ১.৬৯২০ এর কাছাকাছি অবস্থান

নভেম্বরের নিন্ম প্রাইস ১.০৬২৯-তে যেতে পারে EURCHF – কমার্জব্যাংক

EURCHF পেয়ার বেশ কিছুদিন ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত রেখে ১.০৭২০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে।  কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট টিমের প্রধান কারেন জনস বলেন পেয়ারের প্রাইস কমে ১.০৬৪৩/১.০৬২৯-তে যেতে পারে। যা নভেম্বরের নিন্ম প্রাইস ছিল। পেয়ারটি নভেম্বরের নিন্ম প্রাইসে যেতে সক্ষম হলে জুলাই মাসের নিন্ম প্রাইস ১.০৬০৭ অতিক্রমের পরবর্তীতে মে মাসের নিন্ম প্রাইস ১.০৫০৫-তে যেতে পারে। পেয়ারের কাছাকাছি রেজিস্ট্যান্স হতে পারে জুন মাসের নিন্ম প্রাইস ১.০৮৭২ এবং ২০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ১.০৮৯৯ রে

USDCAD প্রাইস অ্যানালাইসিস

দ্বিতীয় দিনের মতো USDCAD আপট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে।  USDCAD ০.২৫৯০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে।  পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১.২৬০০।  যা ২৮ জুলাইয়ের সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। USDCAD ২০০ DMA ব্রেকআউট করতে সক্ষম হয়েছে এবং MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে সেক্ষেত্রে ১.২৬১০ রেজিস্ট্যান্স হিসেবে কাজ করতে পারে। পেয়ারের পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১.২৬৭৫ এবং পেয়ারের আপট্রেন্ড শক্তিশালী হলে সেক্ষেত্রে গত মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.২৮১০-তে যেতে পারে। অপর

ব্রিটিশ ডাটা যেভাবে প্রভাবিত করতে পারে GBPUSD

যুক্তরাজ্যের জাতীয় পরিসংখ্যান অফিস (ONS) জুলাই মাসের জব রিপোর্টের সাথে বেকারত্ব রিপোর্ট প্রকাশ করবেন। ব্রিটিশ সরকারের আনলক বা লকডাউন তুলে নেয়ার ডিসিশনে প্রশংসা করে, ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে বিভাজন দেখা যাচ্ছে।  যুক্তরাজ্যের লেবার মার্কেটের পরিসংখ্যানে আশা করা যাচ্ছে যে মে থেকে তিন মাসের বোনাস সহ গড় সাপ্তাহিক আয় আগের ৭.৩% থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৮.৭% আসতে পারে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, জুন মাসে বেকারত্বের হার ৪.৮% অপরিবর্তনীয় থাকতে পারে।  আজকের সেশনে এখন পর্যন্ত GBPUSD প

GOLD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ১৬ – ২০ আগস্ট, ২০২১)

সপ্তাহের শুরুর দিকে গোল্ডের প্রাইস কমলেও শেষের দিকে বৃদ্ধি পেয়েছিল।  এর ফলে সাপ্তাহিক চার্টে গোল্ড আপট্রেন্ডে ছিল।  চলতি সপ্তাহে মার্কিন ডলারের পারফর্মমেন্সকে কেন্দ্র করে গোল্ডের প্রাইস কোন দিকে যাবে সেটা দেখার বিষয়। ৬ আগস্ট শুক্রবার মার্কিন জব প্রত্যাশার উপরে আসার ফলে গোল্ডের প্রাইস কমে মার্চ মাসের সর্বনিন্মে গিয়েছিল।  মার্কিন ডলারের দুর্বলতাকে কেন্দ্র করে গত সপ্তাহে গোল্ড ইতিবাচক অঞ্চলে ক্লোজ হয়েছে। চলতি মাসের শুরুর দিকে মার্কিন জব রিপোর্টের পাশাপাশি গোল্ডের প্রাইস ফেডারেল রি

USDJPY সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ১৬ – ২০ আগস্ট, ২০২১)

সপ্তাহের শেষের দিকে মার্কিন ডলারের প্রাইস কমার ফলে USDJPY পেয়ার বিয়ারিশ অবস্থানে ক্লোজ হয়েছিল।  পেয়ার দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো বিয়ারিশে ক্লোজ হয়েছে। বুধবার মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি রিপোর্ট কেন্দ্র করে USDJPY পেয়ার ১১০.৮০ প্রাইসে উঠেছিল। পরবর্তীতে পেয়ার ১১১.০০ প্রাইসে উঠতে অক্ষম হয়ে সপ্তাহের শেষদিন পর্যন্ত বিয়ারিশে ছিল।  বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রডিউসার প্রাইস ইনডেক্স (PP) বাৎসরিক বৃদ্ধির হার ৭.৮% বৃদ্ধি পেয়েছে।  এর ফলে ঐ দিন প্রাইস বেড়ে সর্বোচ্চ ১১০.৫৫ –তে উঠেছিল। ফেডারেল রিজার্ভ কোন নীতি গ

AUDUSD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ১৬ – ২০ আগস্ট, ২০২১)

মার্কিন ডলারের দুর্বলতাকে কেন্দ্র করে গত সপ্তাহে AUDUSD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়েছিল।  চলতি সপ্তাহে পেয়ারের প্রাইস পুনরায় কমার সম্ভাবনা রয়েছে যেহেতু অস্টেলিয়ান ডলারকে প্রভাবিত করার মতো এ সপ্তাহে তেমন কোন ইভেন্ট নেই। অস্টেলিয়ান ডলারের প্রাইস কমার অন্যতম কারণ করোনা মহামারী।  এছাড়াও দেশটি অন্যান্য উন্নত দেশগুলোর তুলনায় ভ্যাকসিন দৌড়াত্বে পিছিয়ে রয়েছে।  দেশটির জনসংখ্যার প্রায় ২০% -কে সম্পূর্ণরূপে টিকা দেয়া হয়েছে।  যা অস্টেলিয়ান ডলারকে ঝুঁকির মধ্যে রেখেছে। এ সপ্তাহের মার্কিন ইভেন্ট

GBPUSD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ১৬ – ২০ আগস্ট, ২০২১)

সাপ্তাহিক ক্যান্ডেলের তাকালে দেখা যাচ্ছে গত সপ্তাহে GBPUSD পেয়ার  বিয়ারিশ ক্যান্ডেল তৈরির সম্ভাবনা থাকলেও  সপ্তাহের শেষের দিন ডলারের প্রাইস কমার ফলে ডজি ক্যান্ডেল তৈরি করেছিল। জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে GBPUSD পেয়ার ১.৩৭৫০ থেকে ১.৪০০০ প্রাইসের মধ্যে মুভমেন্ট করেছিল।  তবে পেয়ারটি ১.৩৭৫০ ও ১.৪০০০ প্রাইস অতিক্রমে সক্ষম হয়নি। সুতরাং চলতি সপ্তাহে ১.৩৭৫০ ও ১.৪০০০ গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট-রেজিস্ট্যান্স হতে পারে। মহামারীর পুনরাবৃত্তি এবং যুক্তরাজ্যের ইকোনমিক পুনরুদ্ধারের দীর্ঘ বিলম্ভবনার সম

EURUSD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ১৬ – ২০ আগস্ট, ২০২১)

গত সপ্তাহে EURUSD পেয়ারের প্রাইস কমে বছরের নিন্ম প্রাইস ১.১৭০৫-তে গেলেও সপ্তাহের শেষের দিন ডলারের দুর্বলতাকে কেন্দ্র করে পুনরায় বৃদ্ধি পেয়ে ১.১৭৯৩ এসেছিল। বুধবার প্রকাশিত মার্কিন CPI ডাটা দুর্বল ছিল।  জুলাই মাসে CPI ০.৯% থেকে কমে ০.৫% এবং Core CPI প্রত্যাশিত ০.৪% থেকে কমে ০.৩% এসেছে। জার্মান ইকোনমিক সেন্টিমেন্ট আগস্টে ৪২.৭ থেকে কমে ৪০.৪ পয়েন্ট এসেছিল।  যা প্রত্যাশার থেকে খারাপ ছিল। বাৎসরিক ব্যবধানে CPI ৩.৮% অপরিবর্তনীয় থাকলেও হোলসেল প্রাইস মাসিক ব্যবধানে ১.১% বৃদ্ধি পেয়েছে।

USDCAD পেয়ারের ক্ষেত্রে ১.২৫৩০ রেজিস্ট্যান্স কাজ করছে

মঙ্গল ও বুধবার USDCAD পেয়ারের প্রাইস কমলেও গতকাল পুনরায় বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছিল।  আজকের সেশনে পেয়ারটি সর্বোচ্চ ১.২৫৩০ প্রাইসে উঠলেও অতিক্রমে সক্ষম হয়নি। মার্কিন ট্রেজারি সেক্টর দুর্বল আসার ফলে আজকের সেশনে ডলারের মুভমেন্ট সীমিত মনে হচ্ছে। USDCAD পেয়ারের ক্ষেত্রে ১.২৫০০ সাপোর্ট হিসেবে কাজ করছে।  এছাড়াও WTI তেলের প্রাইস কমার ফলে USDCAD বুলিশে সহায়তা পাচ্ছে। টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস অনুযায়ী পেয়ারের ক্ষেত্রে ১.২৫৩০ রেজিস্ট্যান্স হিসেবে কাজ করছে।  ডেইলি চার্টে RSI ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

বিডিপিপস চ্যাট রুম

বিডিপিপস চ্যাট রুম

    চ্যাট করতে লগিন বা রেজিস্ট্রেশন করুন।
    ×
    ×
    • Create New...