Jump to content

ফরেক্স নিউজ

  • entries
    1,092
  • comments
    16
  • views
    9,147

Contributors to this blog

  • মার্কেট আপডেট 1092

About this blog

ফরেক্স ট্রেডিং সংক্রান্ত সব নিউজ, অ্যানালাইসিস এবং মার্কেট আপডেট পাবেন এখানেই।

Entries in this blog

প্রাইস অ্যানালাইসিস USDCHF

পঞ্চম দিনের মতো USDCHF পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে।  আজকের সেশনে পেয়ারটি বুলিশ অবস্থানে থাকলেও ন্যারো রেঞ্জে মুভমেন্ট করছে। আর্টিকেল লেখার সময় পেয়ারটি ০.৯২৬০ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে।  USDCHF পেয়ারের পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স গতকালের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৬৯৭০।  পেয়ারের পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে  ১৯ এপ্রিলের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৯২৮১। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে এপ্রিলের শুরুর দিকের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৯৩০০।  আপট্রেন্ড আরও শক্তিশালী হলে ৭ এপ্রিলের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৯৩২০ আসতে পারে।

NFP রিপোর্টের পূর্বে ১.১৮০০ প্রাইসে যেতে পারে EURUSD

আজ শুক্রবার EURUSD বেশ কয়েকদিনের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.১৮৪৫ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  বিনিয়োগকারীদের বর্তমান নজর জুন মাসের মার্কিন ননফার্ম পেরোলস রিপোর্টের দিকে।  প্রত্যাশিত মার্কিন ডাটা এবং ফেডের হাকিশ মন্তব্য EURUSD সেলারদের আশাবাদী করতে পারে। এদিকে গতকাল প্রকাশিত মার্কিন মেনুফেকচারিং এবং বেকারত্ব রিপোর্ট মিশ্র সংকেত দিয়েছে।  জুনে বেকারত্ব প্রত্যাশার থেকে ভাল আসলেও ISM মেনুফেকচারিং পিএমআই প্রত্যাশার নিচে ৬০.৬ পয়েন্ট এসেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ননফার্ম পেরোলস (NFP) ৫ লক্ষ ৫৯ হাজা

যেসব কারণে GBPUSD পেয়ারের প্রাইস আরও কমতে পারে

গতকাল প্রকাশিত ব্রিটিশ জিডিপি প্রত্যাশার অনেক নিচে এসেছিল এবং আজ প্রকাশিত ব্রিটিশ মেনুফেকচারিং পিএমআই প্রত্যাশাকে মিস করেছে। যা ব্রিটিশ পাউন্ডকে আরও দুর্বল করেছে। আজকের সেশনে GBPUSD পেয়ারের প্রাইস কমে ১১ সপ্তাহের নিচে ১.৩৭৬৪-তে এসেছিল। এদিকে মার্কিন ডলার ডেটা রিলিজকে কেন্দ্র করে আমাগী দু’দিন পজিটিভ মুডে থাকতে পারে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, মার্কিন বেকারত্ব হ্রাস অব্যাহত থাকবে।  এদিকে,যুক্তরাষ্ট্রের ISM মেনুফেকচারিং ৬০ পয়েন্টের উপরে থাকবে বলে প্রত্যাশা করা হয়েছে।  এর ফলে আমেরিকান ফ্

১১২.৫০ প্রাইসে যেতে পারে USDJPY- ওয়েস্টপ্যাক

ওয়েস্টপ্যাকের অর্থনীতিবিদদের মতে, USDJPY পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১১২.৫০-তে আসতে পারে।  কয়েক সপ্তাহ USDJPY ১১১.০০ প্রাইস অতিক্রমে অক্ষম হলেও পরবর্তীতে গত সপ্তাহে ১১১.০০ অতিক্রমে সক্ষম হয়। বর্তমানে পেয়ারটি ১১১.৫০ প্রাইসে অবস্থান করছে। যা ২০২১ সালের সর্বোচ্চ প্রাইস। ওয়েস্টপ্যাক অ্যানালাইসিস্টদের মতে, পরবর্তী সপ্তাহগুলোতে  USDJPY আপট্রেন্ড অব্যাহত থেকে ১১২.৫০-তে আসতে পারে। শুক্রবারের মার্কিন ননফার্ম পেরোলস রিপোর্ট পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে।  ফেড চেয়ারম্যান পাওয়েল সং

জুনের সর্বনিন্ম প্রাইস অতিক্রমের পরবর্তীতে ১.১৭০৪ প্রাইসে যেতে পারে EURUSD – কমার্জব্যাংক

EURUSD পেয়ারের প্রাইস কমে ১.১৮৫০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট কারেন জনসের মতে, পেয়ারটি  জুন মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.১৮৪৭ অতিক্রমের পরবর্তীতে ১.১৭০৪ প্রাইসে আসতে পারে। ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৭৮.৬% অনুযায়ী  EURUSD মাসের নিন্ম প্রাইস অতিক্রমের পরবর্তীতে ১৮৩৫ প্রাইসে কিছুটা বাধা-প্রাপ্ত হতে পারে।  যা এপ্রিলের সর্বনিন্ম প্রাইস হতে পারে। পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে মার্চ মাসের নিন্ম প্রাইস ১.২০০০। অপরদিকে ২০০ দিনের মুভিং অ্যাভাজের অনুযায়ী ১.২০৫০ রেজিস্ট্যান্স অতি

৩ মাসের সর্বোচ্চ প্রাইসে USDCHF

সুইস ফ্রাঙ্কের বিপরীতে মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে USDCHF পেয়ারকে ৩ মাসের সর্বোচ্চ ০.৯২৫৫-তে নিয়ে আসে। USDCHF পেয়ারের ডেইলি চার্টে দেখা যাচ্ছে পেয়ারটি টানা চতুর্থ দিনের মতো আপট্রেন্ডে রয়েছে।  যেখানে বিয়ারিশের লক্ষণ দেখা যায়নি। সুতরাং USDCHF পেয়ারের আপট্রেন্ড শক্তিশালী মনে হচ্ছে। পেয়ারটি ০.৯২৬০ অতিক্রমে সক্ষম হলে ১৯ এপ্রিলের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৯২৮০-তে আসতে পারে।  পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ০.৯৩২০। অপরদিকে পেয়ার রিভার্স হতে শুরু হলে ০.৯২৩০ সাপোর্টে আসতে পারে। পরবর্তী সাপো

সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাইসে USDCAD

আজ বৃহস্পতিবার ইউরোপিয়ান সেশনে USDCAD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১.২৪০০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  পেয়ারের পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১.২৪৩০। চার ঘন্টার চার্টে MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেতে পারে।  USDCAD হলুদ কালারের ট্রেন্ড লাইনটি অতিক্রমে সক্ষম হলে আপট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে।  অপরদিকে সবুজ কালারের ট্রেন্ড লাইন ৫০ EMA অতিক্রমে সক্ষম হলে ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। পেয়ারের পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে জুন মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.২৪৯০।  পেয়ারটি ১.২৪৯০ অতি

মার্কিন ডাটার পূর্বে গোল্ডের প্রাইস বাড়ছে

গোল্ডের প্রাইস কমে দুমাসের নিন্ম ১৭৫০-তে আসলেও গত দুদিন বৃদ্ধির চেষ্টা করছে।  বর্তমানে গোল্ডের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১৭৭০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধির ফলে গোল্ডের বুলিশে কিছুটা অভাব রয়েছে। এছাড়াও ডেল্টা কোভিড স্ট্রেনের দ্রুত বিস্তারকে কেন্দ্র করে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ গোল্ডের প্রাইস কমার অন্যতম কারণ। তবে মার্কিন ননফার্ম পেরোলস রিপোর্ট প্রত্যাশার উপরে গোল্ডের ডাউনট্রেন্ড পুনরায় শক্তিশালী হতে পারে।  গোল্ডের পরবর্তী ডিরেকশন, মার্কিন ননফার্ম পেরোলস এবং মেনুফেকচারিং রিপোর্

১৩১.৯০ প্রাইসে যাবে EURJPY?

গত কয়েকদিন EURJPY পেয়ারের প্রাইস কমলেও গতকাল বৃদ্ধি পেয়েছিল।  বর্তমানে পুনরায় কমতে শুরু করেছে। EURJPY ১৩১.৬০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে।  চার ঘন্টার চার্টে MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী শর্ট টার্মে পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১৩১.৯০-তে আসতে পারে। অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট হতে পারে সপ্তাহের নিন্ম প্রাইস ১৩১.২৫ এবং পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ১৩১.০০।  পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হলে সেক্ষেত্রে এপ্রিলের নিন্ম প্রাইস ১৩০.০০-তে যেতে পারে।  পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ১২৯.৬০। অপরদিকে পে

প্রাইস অ্যানালাইসিস EURUSD

EURUSD পেয়ারের প্রাইস কমে বর্তমানে ১.১৮৮০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  প্রত্যাশা করা হচ্ছে, পেয়ারটি চলতি মাসের নিন্ম প্রাইস ১.১৮৫০ পুনরায় রিটেস্ট করতে পারে। RSI এবং MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে।  অপরদিকে ২০০ দিনের সিম্পল মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী পেয়ারটি ১.১৯৯৫ প্রাইসের উপরে আসলে আপট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। EURUSD ডেইলি চার্ট

মার্কিন জব রিপোর্টে বৃদ্ধি পাচ্ছে ডলারের প্রাইস

ডেল্টা করোনাভাইরাসের উদ্বেগ এবং মার্কিন জব ডাটার পূর্বে মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে মার্চ মাসের পরবর্তীতে সর্বোচ্চে অবস্থান করছে। চলতি মাসে মার্কিন ডলার ২.৫% বৃদ্ধি পেয়েছে।  ডলারের প্রাইস বৃদ্ধির পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের ইন্টারেস্ট রেট সম্পর্কে ইতিবাচক আউটলুক কাজ করছে। বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন মার্কিন জব ডাটা বৃদ্ধি পেলে নীতি নির্ধারকদের রেট বৃদ্ধির ক্লু হিসেবে কাজ করতে পারে।  যা ডলারের প্রাইসকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।  প্রত্যাশা করা হচ্ছে শুক

মাসিক মার্কেট রিভিউ নিয়ে বাংলায় ফ্রি অনলাইন ওয়েবিনার আজ রাত ০৯:০০ টায়

এই ওয়েবিনারটি একটি বিশেষ ওয়েবিনার। এটা প্রতি মাসে এক বার হবে এবং তা মাসের শেষ দিকে হবে। এই ওয়েবিনারে আমরা মার্কেটের প্রধান কারেন্সি পেয়ার গুলো নিয়ে আলোচনা করবো এবং কারো যদি কোন সমস্যা বা কোন প্রশ্ন থাকে তার সমাধান দেয়া হবে যাতে আপনাদের শেখাটা আরো ভাল ভাবে হয় । যেসব বিষয়ে আলোচনা করা হবেঃ পিভট পয়েন্ট কি ট্রেডিংয়ে কাজ করে? কারেন্সি কো-রিলেশন ট্রেন্ড শনাক্ত করার ৫টি সর্বোত্তম টুলস কি? যা যা শিখবেনঃ মার্কেটের প্রধান কারেন্সি পেয়ার গুলো পর্যালোচনা করা হবে

পঞ্চম দিনের মতো ডাউনট্রেন্ডে GBPJPY

২৪ জুন GBPJPY পেয়ারকে ১৫৫.১৪ প্রাইসে দেখা গিয়েছিল। পরবর্তীতে পঞ্চম দিনের মতো প্রাইস কমে ১৫২.৭০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। GBPJPY পেয়ারের ডেইলি চার্টে লক্ষ করে দেখা যাচ্ছে, পেয়ারের প্রাইস গত মাসের শুরু থেকেই কমতে শুর করেছে।  প্রত্যাশা করা হচ্ছে, পেয়ারের প্রাইস কমে ১৫১.৫০ আসতে পারে। GBPJPY জুন মাসের ১৮ তারিখ এবং পূর্ববর্তী মাসে ১৫১.৯০ প্রাইসে এসে পুনরায় আপট্রেন্ডে এসেছিল। পবর্তীতে ১৫৪.৫০ প্রাইসে বেশ কিছুদিন বাধা প্রাপ্ত হয়ে লেভেলটি ব্রেক করতে সক্ষম হয়েছিল।  সুতরাং GBPJPY ১৫৪.৫০ অতি

১১১.১৩ অতিক্রমের পরবর্তীতে ১১২.৫০ প্রাইসে যেতে পারে USDJPY- কমার্জব্যাংক

গত কয়েকদিন USDJPY পেয়ারের প্রাইস কমলেও আজ কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে ১১০.৫০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট কারেন জনসের মতে, পেয়ারের আপট্রেন্ড শক্তিশালী হলে সেক্ষেত্রে ১১১.১৩ প্রাইসে আসতে পারে।  পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১১২.২৩। অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১১০.০০।  পেয়ারের পবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ১০৯.৫০। সবচেয়ে কম স্প্রেডে  USDJPY পেয়ার ট্রেড করতে XM Ultra Low অ্যাকাউন্ট খুলুন এখান থেকে।

ইউরোজোন ডাটার অপেক্ষায় EURUSD

আজ এশিয়ান সেশনে EURUSD প্রাইস বৃদ্ধির চেষ্টা করছে।  যদিও গতকাল পেয়ারের প্রাইস কমেছিল।  গত সপ্তাহে পেয়ারটি কয়েক মাসের নিন্ম প্রাইসে এসেছিল। পরবর্তীতে পুনরায় বৃদ্ধি পেলেও চলতি সপ্তাহে  ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হচ্ছে। এদিকে মার্কিন ডলার মেজর ছয়টি কারেন্সির বিপরীতে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।  মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ৯২.০৩ প্রাইসে অবস্থান করছে।  বিনিয়োগকারীরা অত্যন্ত সংক্রামক ডেল্টা ভেরিয়েন্টের বিস্তার এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে এর প্রভাব সম্পর্কে হতাশ রয়েছেন। মার্কিন ফেডারেল রিজা

EURGBP প্রাইস অ্যানালাইসিস

গত পাঁচদিন EURGBP পেয়ার আপট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে।  পেয়ারটি ইউ টার্ন তৈরি করে গতকাল এক মাসের পুরনো রেজিস্ট্যান্স লেভেল স্পর্শ করেছিল। বর্তমানে আমরা চার ঘন্টার চার্টের ট্রেন্ড লাইন অতিক্রমের অপেক্ষায় রয়েছি।  প্রত্যাশা করা হচ্ছে, পেয়ারটি উল্লেখিত রেজিস্ট্যান্স অতিক্রমে সক্ষম হলে আপট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। বর্তমানে EURGBP ০.৮৫৯৪ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ০.৮৫৭০। পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ০.৮৫৩০।  অপরদিকে পেয়ার আপট্রেন্ড অব্যাহত রাখতে সক্ষম হলে ২০০ এস

সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাইসে USDCAD

গত সপ্তাহে USDCAD পেয়ারের প্রাইস কমলেও চলতি সপ্তাহের শুরু থেকে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে পেয়ারটি সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.২৩৮৫-তে অবস্থান করছে। কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস কমার পেছনে তেলের প্রাইস কাজ করছে।  ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের ব্যারেল ১.৬৫% হ্রাস পেয়ে প্রতি ব্যারেল ৭২.৩৫ ডলারের কাছাকাছি অবস্থান করছে।  যা কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস কমামে সহায়তা করছে। অপরদিকে মার্কিন ডলারের প্রাইস ০.২৩% বৃদ্ধি পেয়ে ২১.১০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  বিনিয়োগকারীদের বর্তমান নজর থাকবে মার্কিন হাউজ

 ০.৯২১৪ অতিক্রমের পরবর্তীতে ০.৯২৬৪ প্রাইসে যেতে পারে USDCHF – ক্রেডিট সুইস

দ্বিতীয় দিনের মতো USDCHF পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে।  ক্রেডিট সুইস অ্যানালাইসিস্টদের মতে, পেয়ারটি ০.৯২১৪ অতিক্রমের পরবর্তীতে ০.৯২৬৪ প্রাইসে আসতে পারে। পেয়ারের পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ০.৯২৬৪ এবং ০.৯৩০০।  আপট্রেন্ড শক্তিশালী হলে সেক্ষেত্রে ০.৯৪২৮ রেজিস্ট্যান্সে আসতে পারে। অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ০.৯১৪২।  পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ০.৯১০১। ২০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ০.৯০৭০ প্রাইসে আসতে পারে।

মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ৩ মাসের সর্বোচ্চে যাচ্ছে

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের ফলে অস্টেলিয়ান ডলার এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের প্রাইস কমছে।  তবে মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ৩ মাসের সর্বোচ্চের দিকে যাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া করোনাভাইরাসের সংক্রামণ বৃদ্ধির ফলে বেশ কয়েকটি শহরে লকডাউন দিয়েছে।  সুইসকোটের সিনিয়র বিশ্লেষক ইপেক ওজকারডেস্কায়া বলেছেন, চলতি সপ্তাহের শুরুতে করোনাভাইরাসের নতুন সংক্রামণ এবং লকডাউনকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু দেশের কারেন্সির প্রাইস কমতে পারে। বর্তমানে মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ৯২.০০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। সংক্রা

AUDUSD প্রাইস অ্যানালাইসিস

দ্বিতীয় দিনের মতো AUDUSD পেয়ারের প্রাইস কমতে শুরু করেছ।  বর্তমানে পেয়ারটি ০.৭৫৬০ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ০.৭৫৩৫।  যা ২৩ জুনের সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল। MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ০.৭৫০০।  AUDUSD পেয়ারের ক্ষেত্রে ১৮ জুনের সর্বনিন্ম প্রাইস ০.৭৪৭৭ শক্ত সাপোর্ট হতে পারে।  কারণ পেয়ারটি গতবার ০.৭৪৭৭ থেকে রিকভার করেছিল। সুতরাং ০.৭৪৭৭ শক্ত সাপোর্ট হিসেবে কাজ করতে পারে। অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স ২৪ জুনের সর্বোচ্চ

চতুর্থ দিনের মতো ব্রিটিশ পাউন্ডের বিপরীতে মার্কিন ডলারের প্রাইস বাড়ছে

GBPUSD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১.৪০০১-তে আসলেও পরবর্তীতে চতুর্থ দিনের মতো কমে ১.৩৮৭০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ৯১.৯৫ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি প্রত্যাশার মধ্যে বিনিয়োগকারীরা সুদের হারের প্রতি ফেডের কৌতুকপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি শিথিল হয়েছে।  রিচমন্ডের ফেডারেল রিজার্ভের প্রেসিডেন্ট থমাস বারকিন বলেছে, ফেড মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির প্রতি লক্ষ রেখে কিছু প্রক্রিয়া নির্ধারণ করছেন।  যা মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কাজ করছে। অ

GBPJPY পেয়ারের প্রাইস কমতে পারে

আজ মঙ্গলবার এশিয়ান সেশনে তৃতীয় দিনের মতো GBPJPY পেয়ারের প্রাইস কমে সপ্তাহের সর্বনিন্ম প্রাইসের দিকে যাচ্ছে।  বর্তমানে পেয়ারটি ৫০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ (DMA) অনুযায়ী ১৫৩.৫২ প্রাইসে মুভমেন্ট করছে। MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে।  ১০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ (DMA) অনুযায়ী পেয়ারের পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ফেব্রুয়ারি মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১৫১.৬০। অপরদিকে পেয়ারটি ১৫২.০০ রেজিস্ট্যান্স অতিক্রমে সক্ষম হলে এপ্রিলের সর্বোচ্চ প্রাইস ১৫৪.০০-তে আসতে পারে।  পরবর্তী

২০০ HMA অনুযায়ী EURUSD ১.১৯০০ প্রাইসে যেতে পারে

আজ মঙ্গলবার এশিয়ান সেশনে EURUSD পেয়ারের প্রাইস কমে ১.১৯২৫-২০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  মেজর পেয়ারটি ২০০ ঘন্টার মুভিং অ্যাভারেজ (HMA) অনুযায়ী প্রাইস কমে ১.১৯০০-তে আসতে পারে। পেয়ারটি ২০০ HMA এর নিচে আসলে ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে।  RSI ইনডিকেটর অনুযায়ী প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। EURUSD ১.১৯০০ প্রাইস অতিক্রমে সক্ষম হলে মাসের নিন্ম প্রাইস ১.১৮৪৫ আসতে পারে।  অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স ১.১৯৩০। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১.১৯৭০। EURUSD এক ঘন্টার চার্ট

এপ্রিলের সর্বোচ্চ প্রাইসে যাচ্ছে USDCHF – কমার্জব্যাংক

গত কয়েকদিন USDCHF পেয়ারের প্রাইস কমলেও আজ বৃদ্ধি পেয়ে ০.৯২০০- এর উপরে অবস্থান করছে।  যদিও পেয়ারটি ০.৯১৭৫ প্রাইসে ওপেন হয়েছিল। কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট অ্যাক্সেল রুডলফের মতে, পেয়ারটি এপ্রিলের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৯৪৭২-তে আসতে পারে।  ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৬১.৮% অনুযায়ী পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ০.৯২৬৪। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১২ মার্চের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৯৩২৫ এবং এপ্রিলের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৯৪৭২।  অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট গত সপ্তাহের নিন্ম প্রাইস ০.৯১৪৩।

EURUSD পেয়ারের সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স- ক্রেডিট সুইস

কয়েকদিন  EURUSD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেলেও বড় ধরণের মুভমেন্ট তৈরিতে সক্ষম হচ্ছে না। বর্তমানে পেয়ারটি ১.১৯৩৫ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। ক্রেডিট সুইস অ্যানালাইসিস্টদের মতে,  ২০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী পেয়ারটি ১.১৯৯৮ প্রাইস অতিক্রমে সক্ষম হলে আপট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে।  অপরদিকে ১.১৮৪৭ প্রাইসের নিচে আসলে ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। পেয়ারটি ১.১৯৯৮ প্রাইস অতিক্রমে সক্ষম হলে ১.২০৭৪ প্রাইসে আসতে পারে এবং ১.১৮৪৭ অতিক্রমে সক্ষম হলে ১.১৮২৪ আসতে পারে। সবচেয়ে কম

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

বিডিপিপস চ্যাট রুম

বিডিপিপস চ্যাট রুম

    চ্যাট করতে লগিন বা রেজিস্ট্রেশন করুন।
    ×
    ×
    • Create New...