Jump to content

ফরেক্স নিউজ

  • entries
    382
  • comments
    9
  • views
    2,208

Contributors to this blog

  • মার্কেট আপডেট 383

About this blog

ফরেক্স ট্রেডিং সংক্রান্ত সব নিউজ, অ্যানালাইসিস এবং মার্কেট আপডেট পাবেন এখানেই।

Entries in this blog

মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্টেলিয়ান ও নিউজিল্যান্ড ডলার শক্তিশালী হচ্ছে

আজ মঙ্গলবার গ্রিনব্যাক অর্থাৎ মার্কিন ডলারের দুর্বলতাকে কেন্দ্র করে অ্যান্টিপোডিয়ান ( অস্টেলিয়ান ও নিউজিল্যান্ড) কারেন্সিগুলোর প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে। মিশ্র মার্কিন লেবার রিপোর্টের পরবর্তীতে আসন্ন ফেডারেল রিজার্ভ মিটিংয়ে উদ্দীপনা ট্রেপারিংয়ের বিষয়ে আলোচনা উঠতে পারে।  বিনিয়োগকারীরা এ ধরণের ক্লুর অপেক্ষা করছে। এদিকে ২য় প্রান্তিকে নিউজিল্যান্ড বিজনেস কনফিডেন্স বৃদ্ধি এবং নভেম্বরের শুরুর দিকে নিউজিল্যান্ড ইন্টারেস্ট রেট বৃদ্ধি করতে পারে, এমন সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে নিউজিল্যান্ড ডলারের

১.১৯৪৫ প্রাইসে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে EURUSD পেয়ারের- ক্রেডিট সুইস

ক্রেডিট সুইস অ্যানালাইসিস্ট, EURUSD  পেয়ারের ১৩ দিনের মুভমেন্ট পর্যালোচনা করে বলেন EURUSD ১.১৯১১-১৭ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে আসতে পারে। পেয়ারের পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১.১৯৪৫। মূলত শুক্রবার মার্কিন ননফার্ম পেরোলস রিপোর্ট প্রকাশের পরবর্তীতে পেয়ারের প্রাইস রিকভার হতে থাকে।  যদিও আজকের সেশনে পেয়ারের প্রাইস পুনরায় কমছে। তবে পরবর্তীতে বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। পেয়ারটি বর্তমানে ১.১৮৪৫ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। তবে EURUSD ১.১৮৮৫ প্রাইসে কিছুটা বাধা প্রাপ্ত হতে পারে। পেয়ারের আপট্রেন্ড

চার দিনের নিন্ম প্রাইসে USDJPY

USDJPY পেয়ারের প্রাইস চতুর্থ দিনের মতো কমছে।  বর্তমানে পেয়ারের প্রাইস কমে ১১০.৭৫ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। মার্কিন NFP রিপোর্ট প্রত্যাশার উপরে আসলেও বেকারত্বের হার বৃদ্ধি পেয়েছে।  এর ফলে USDJPY পেয়ারের প্রাইস তৃতীয় দিনের মতো কমছে।  এছাড়াও ডেল্টা করোনাভাইরাস ভেরিয়েন্ট উদ্বেগ বিনিয়োগকারীদের সেন্টিমেন্টে প্রভাব ফেলছে। ফেড প্রথম মহামারী পরবর্তী ইন্টারেস্ট রেট বৃদ্ধির আলোচনা সামনে এনেছে।  আগামীকালের এফওএমসি মিটিংয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে জানা যাবে।  যা USDJPY

০.৭৬৪৫-৭০ প্রাইসে যেতে পারে AUDUSD- কমার্জব্যাংক

মার্কিন ডলারের দুর্বলতাকে কেন্দ্র করে AUDUSD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ০.৭৬ এর দিকে যাচ্ছে। কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট কারেন জনসের মতে, পেয়ারের পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ০.৭৬৭০। জুন মাসের ৩ তারিখে পেয়ারকে ০.৭৬৪৫-৭০ প্রাইসে এসেছিল।  পেয়ারটি উক্ত রেজিস্ট্যান্স অতিক্রমে সক্ষম হলে ২৫ জুনের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৭৬১৬ আসতে পারে।  ২০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ০.৭৫৮৬। অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট শুক্রবারের সর্বনিন্ম প্রাইস ০.৭৪৪৩।  পরবর্তী  সাপ

USDCAD সেলারদের টার্গেট ১.২৩০০

USDCAD পেয়ারের প্রাইস কমে ১.২৩২০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  প্রত্যাশা করা হচ্ছে, পেয়ারটি ১০০ SMA এর নিচে আসলে ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। চার ঘন্টার চার্টে MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হচ্ছে। পেয়ারটি ১.২৩০০ অতিক্রমের পরবর্তীতে জুন মাসের নিন্ম প্রাইস ১.২২৫০-তে আসতে পারে। পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ১.২২২০। অপরদিকে পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১.২৩২৫ রেজিস্ট্যান্সে আসতে পারে।  USDCAD ১.২৩৫৫ অতিক্রমের পরবর্তীতে তিন সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.২৩৪৫-তে আসতে পারে।

রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্টেলিয়ার রেট ডিসিশনের পরবর্তীতে সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাইসে AUDUSD

রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্টেলিয়া ইন্টারেস্ট রেট ০.১০% এ অপরিবর্তনীয় রেখেছে।  যদিও ইন্টারেস্ট ০.১০% প্রত্যাশিত ছিল। এর ফলে ইভেন্টটি অস্টেলিয়ান ডলারকে তেমনভাবে প্রভাবিত করতে সক্ষম হয়নি। তবে মার্কিন ডলারের দুর্বলতাকে কেন্দ্র করে AUDUSD তৃতীয় দিনের মতো আপট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে।  অস্টেলিয়ায় করোনাভাইরাস সংক্রামণের কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি-নির্ধারকরা বর্তমান ডিসিশন নিয়েছেন। ABC নিউজ অনুসারে ৬ জুলাই দেশটিতে করোনা সংক্রামণ ৪৪ থেকে কমে ২৯ এসেছে।  তবে সিডনি, কুইন্সল্যান্ড এবং নিউ

পঞ্চম দিনের মতো গোল্ডের প্রাইস বাড়ছে

গোল্ডের প্রাইস পঞ্চম দিনের মতো বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে গোল্ড ৩ সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাইস ১৮০০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  প্রত্যাশা করা হচ্ছে, মার্কিন FOMC মিটিংয়ের পূর্ব পর্যন্ত গোল্ডের আপট্রেন্ড অব্যাহত থাকতে পারে। আজকের সেশনে বিনিয়োগকারীদের নজর থাকবে জুন মাসের ISM সার্ভিস পিএমআই রিপোর্টের দিকে।  ধারণা করা হচ্ছে, জুন মাসে সার্ভিস পিএমআই ৬৪ থেকে কমে ৬৩.৫ পয়েন্ট আসতে পারে।  যা গোল্ডের অব্যাহত রাখতে সহায়তা করতে পারে। গোল্ডের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স ১৮০০ এবং পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে প

০.৮৬০০ প্রাইসের নিচে মুভমেন্ট করছে EURGBP

EURGBP গত সপ্তাহের শেষের দিন থেকে তৃতীয় দিনের মতো ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে।  আজ মঙ্গলবার এশিয়ান সেশনে পেয়ারটি ০.৮৫৬০ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। ডেইলি চার্টে MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের প্রাইস কমার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।  সেক্ষেত্রে পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট সপ্তাহের সর্বনিন্ম প্রাইস ০.৮৫৪৫।  তবে এপ্রিলের শুরুর দিকে ০.৮৫৪০ গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট ছিল। ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হলে গত মাসের নিন্ম প্রাইস ০.৮৫৩০-তে আসতে পারে।  পেয়ার যদি ০.৮৫৩০ অতিক্রমে সক্ষম হয় তাহলে ০.৮৫০০ প্রাইসে যেতে প

AUDUSD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ০৫ – ০৯ জুলাই, ২০২১)

গত সপ্তাহে AUDUSD বিয়ারিশে ছিল। যা পেয়ারকে ২১ ডিসেম্বরের সর্বনিন্ম প্রাইস ০.৭৪৪৫-তে নিয়ে এসেছিল। গত সপ্তাহে পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড শুরু হয়েছিল ফেড চেয়ারম্যানে জেরেমি পাওয়েলের মন্তব্য থেকে যা মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছিল।  তবে সপ্তাহের শেষের দিন মার্কিন NFP ডাটাকে কেন্দ্র করে পেয়ারের প্রাইস কমলে পরবর্তীতে বৃদ্ধি পেয়েছিল। যেভাবে AUDUSD –কে প্রভাবিত করেছিল NFP জুন মাসে মার্কিন ইকোনমিতে  ৮ লক্ষ ৫০ হাজারের মতো জব সৃষ্টি হয়েছে।  যা ২০২০ সালের আগস্টের পরবর্তীতে সর্বোচ্চ ছিল

EURUSD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট (০৫ -০৯ জুলাই, ২০২১)

২০২১ সালের প্রথমার্ধ শেষ হলো গত সপ্তাহের মাধ্যমে।  প্রথমার্ধটি মার্কিন ডলারের আধিপত্য এবং ইউরোর দুর্বলতার মাধ্যমে শেষ হয়েছে। এ সপ্তাহটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ইউরোজোন ডাটা এবং নতুন ভাইরাস ভেরিয়েন্টের উদ্বেগের মধ্যে থাকতে পারে। EURUSD এবং NFP প্রতিক্রিয়া গত সপ্তাহে প্রকাশিত জুন মাসের মার্কিন NFP ডাটা ডলারের পক্ষে কাজ করেছিল।  দেশটির ইকোনমিতে ৮ লক্ষ ৫০ হাজারের মতো জব যোগ হয়েছে।  যা প্রত্যাশার উপরে ছিল। যাইহোক মার্কিন ননফার্ম পেরোলস ডাটা প্রত্যাশার উপরে আসলেও ডলারের প্রাইস বৃদ্ধির ক্ষেত্রে পর্

GBPUSD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ০৫-০৯ জুলাই, ২০২১)

ফেডারেল রিজার্ভের হাকিশ মনোভাব ডলারের প্রাইস বৃদ্ধিতে কাজ করছে। যা পেয়ারকে গত সপ্তাহে ডাউনট্রেন্ডে রেখেছিল। এর ফলে GBPUSD এপ্রিলের মাঝামাঝির নিন্ম প্রাইস ১.৩৭৩০-এর কাছাকাছি ছিল। ফেডের হাকিশ মনোভাব ফেডের গর্ভনর ক্রিস্টোফার ওয়ালার  প্রত্যাশার চেয়ে বেশি বন্ড-বাই কমানোর বিষয়ে জোরদার করার সাথে সাথে ফেডের মনোভাব হাকিশ হয়ে উঠেছে।  এর আগে রবার্ট কাপলান বন্ড-বাই কমানোকে সমর্থন করেছিলেন। মার্কিন ডাটা মার্কিন ISM মেনুফেকচারিং পার্সিং ম্যানেজার ডাটা প্রত্যাশার নিচে এসেছিল।  তবে সা

NFP প্রত্যাশার নিচে আসলে ১.১৯৭৬/২০০০ প্রাইসে যেতে পারে EURUSD- ক্রেডিট সুইস

মার্কিন NFP বা ননফার্ম পেরোলস রিপোর্টের পূর্বে EURUSD পেয়ারের প্রাইস কমে গত বছরের মার্চ মাসের নিন্ম প্রাইস ১.১৮৬২ এর নিচে অবস্থান করছে।  পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড আরও বৃদ্ধি পেলে পেয়ারটি ২০২০ সালের পরবর্তীতে সর্বোচ্চ পতন হতে পারে। EURUSD ১.১৮৩৫ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে।  পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট ১.১৮২৪ এবং পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ১.১৭৬৭। ক্রেডিট সুইস অ্যানালাইসিস্টদের মতে, মার্কিন NFP রিপোর্ট প্রত্যাশার নিচে আসলে EURUSD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১.১৯৭৬/২০০০-তে যেতে পারে।  প্রত্যাশ

গোল্ডের পরবর্তী মুভমেন্ট মার্কিন NFP ডাটার সাথে জড়িত

তৃতীয় দিনের মতো গোল্ডের প্রাইস বাড়ছে।  বিনিয়োগকারীদের বর্তমান নজর মার্কিন ননফার্ম পেরোলস বা জব রিপোর্টের দিকে।  মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি সত্ত্বেও গোল্ডের প্রাইস বাড়ছে। ফেডের মুদ্রানীতি স্বাভাবিকরণ নীতি ডলারের পেছনের মূল চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করছে।  ডেল্টা কোভিড উদ্বেগ বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে বাধা হচ্ছে।  যা নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি করছে। গোল্ডের পরবর্তী মুভমেন্ট মার্কিন NFP ডাটার সাথে জড়িত, কারণ মার্কিন জব রিপোর্ট ফেডের পরবর্

২-১/২ মাসের নিন্ম প্রাইসে GBPUSD, অপেক্ষা NFP রিপোর্টের

সাম্প্রতি GBPUSD পেয়ারের প্রাইস বেশ ভালভাবেই কমছে। এর ফলে পেয়ারটি আড়াই মাসের নিন্ম প্রাইসে অবস্থান করছে। এপ্রিলের মাঝামাঝিতে পেয়ারকে বর্তমান অবস্থানে দেখা গিয়েছিল।  এদিকে মার্কিন  কেন্দ্রীয় ব্যাঙক ফেডারের রিজার্ভের মনেটারী পলিসি দ্বারা ডলার সমর্থিত হয়ে তিন মাসের সর্বোচ্চে অবস্থান করছে।  বুধবার মার্কিন ISM মেনুফেকচারিং প্রাইস পেইড প্রত্যাশিত ৮৭ পয়েন্ট থেকে বেড়ে ৯২.১ পয়েন্ট এসেছিল।  যা মার্কিন ডলারকে আরও শক্তিশালী করেছিল। অপরদিকে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের গর্ভনর অ্যান্ড্রু বেইলির ডোভ

১.৩৭৫০ সাপোর্ট লেভেলে GBPUSD

GBPUSD ১.৩৮০০ প্রাইস ব্রেকের পরবর্তীতে ১.৩৭৫০ সাপোর্ট লেভেলের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। বর্তমানে পেয়ারটি ১.৩৭৭১ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। GBPUSD ২৩ জুনের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.৪০০১ অতিক্রমের পরবর্তীতে প্রাইস কমে ১.৩৮০০ এর নিচে এসেছে।  পেয়ারটি ১.৩৭৫০ সাপোর্ট অতিক্রমে সক্ষম হলে ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হয়ে ১.৩৭০০ প্রাইসে আসতে পারে। অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স ১.৩৮০০। পেয়ারটি উল্লেখিত রেজিস্ট্যান্স অতিক্রমে সক্ষম হলে ৩০ জুনের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.৩৮৭৩ আসতে পারে।  পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে

প্রাইস অ্যানালাইসিস USDCHF

পঞ্চম দিনের মতো USDCHF পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে।  আজকের সেশনে পেয়ারটি বুলিশ অবস্থানে থাকলেও ন্যারো রেঞ্জে মুভমেন্ট করছে। আর্টিকেল লেখার সময় পেয়ারটি ০.৯২৬০ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে।  USDCHF পেয়ারের পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স গতকালের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৬৯৭০।  পেয়ারের পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে  ১৯ এপ্রিলের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৯২৮১। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে এপ্রিলের শুরুর দিকের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৯৩০০।  আপট্রেন্ড আরও শক্তিশালী হলে ৭ এপ্রিলের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৯৩২০ আসতে পারে।

NFP রিপোর্টের পূর্বে ১.১৮০০ প্রাইসে যেতে পারে EURUSD

আজ শুক্রবার EURUSD বেশ কয়েকদিনের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.১৮৪৫ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  বিনিয়োগকারীদের বর্তমান নজর জুন মাসের মার্কিন ননফার্ম পেরোলস রিপোর্টের দিকে।  প্রত্যাশিত মার্কিন ডাটা এবং ফেডের হাকিশ মন্তব্য EURUSD সেলারদের আশাবাদী করতে পারে। এদিকে গতকাল প্রকাশিত মার্কিন মেনুফেকচারিং এবং বেকারত্ব রিপোর্ট মিশ্র সংকেত দিয়েছে।  জুনে বেকারত্ব প্রত্যাশার থেকে ভাল আসলেও ISM মেনুফেকচারিং পিএমআই প্রত্যাশার নিচে ৬০.৬ পয়েন্ট এসেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ননফার্ম পেরোলস (NFP) ৫ লক্ষ ৫৯ হাজা

যেসব কারণে GBPUSD পেয়ারের প্রাইস আরও কমতে পারে

গতকাল প্রকাশিত ব্রিটিশ জিডিপি প্রত্যাশার অনেক নিচে এসেছিল এবং আজ প্রকাশিত ব্রিটিশ মেনুফেকচারিং পিএমআই প্রত্যাশাকে মিস করেছে। যা ব্রিটিশ পাউন্ডকে আরও দুর্বল করেছে। আজকের সেশনে GBPUSD পেয়ারের প্রাইস কমে ১১ সপ্তাহের নিচে ১.৩৭৬৪-তে এসেছিল। এদিকে মার্কিন ডলার ডেটা রিলিজকে কেন্দ্র করে আমাগী দু’দিন পজিটিভ মুডে থাকতে পারে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, মার্কিন বেকারত্ব হ্রাস অব্যাহত থাকবে।  এদিকে,যুক্তরাষ্ট্রের ISM মেনুফেকচারিং ৬০ পয়েন্টের উপরে থাকবে বলে প্রত্যাশা করা হয়েছে।  এর ফলে আমেরিকান ফ্

১১২.৫০ প্রাইসে যেতে পারে USDJPY- ওয়েস্টপ্যাক

ওয়েস্টপ্যাকের অর্থনীতিবিদদের মতে, USDJPY পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১১২.৫০-তে আসতে পারে।  কয়েক সপ্তাহ USDJPY ১১১.০০ প্রাইস অতিক্রমে অক্ষম হলেও পরবর্তীতে গত সপ্তাহে ১১১.০০ অতিক্রমে সক্ষম হয়। বর্তমানে পেয়ারটি ১১১.৫০ প্রাইসে অবস্থান করছে। যা ২০২১ সালের সর্বোচ্চ প্রাইস। ওয়েস্টপ্যাক অ্যানালাইসিস্টদের মতে, পরবর্তী সপ্তাহগুলোতে  USDJPY আপট্রেন্ড অব্যাহত থেকে ১১২.৫০-তে আসতে পারে। শুক্রবারের মার্কিন ননফার্ম পেরোলস রিপোর্ট পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে।  ফেড চেয়ারম্যান পাওয়েল সং

জুনের সর্বনিন্ম প্রাইস অতিক্রমের পরবর্তীতে ১.১৭০৪ প্রাইসে যেতে পারে EURUSD – কমার্জব্যাংক

EURUSD পেয়ারের প্রাইস কমে ১.১৮৫০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট কারেন জনসের মতে, পেয়ারটি  জুন মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.১৮৪৭ অতিক্রমের পরবর্তীতে ১.১৭০৪ প্রাইসে আসতে পারে। ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৭৮.৬% অনুযায়ী  EURUSD মাসের নিন্ম প্রাইস অতিক্রমের পরবর্তীতে ১৮৩৫ প্রাইসে কিছুটা বাধা-প্রাপ্ত হতে পারে।  যা এপ্রিলের সর্বনিন্ম প্রাইস হতে পারে। পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে মার্চ মাসের নিন্ম প্রাইস ১.২০০০। অপরদিকে ২০০ দিনের মুভিং অ্যাভাজের অনুযায়ী ১.২০৫০ রেজিস্ট্যান্স অতি

৩ মাসের সর্বোচ্চ প্রাইসে USDCHF

সুইস ফ্রাঙ্কের বিপরীতে মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে USDCHF পেয়ারকে ৩ মাসের সর্বোচ্চ ০.৯২৫৫-তে নিয়ে আসে। USDCHF পেয়ারের ডেইলি চার্টে দেখা যাচ্ছে পেয়ারটি টানা চতুর্থ দিনের মতো আপট্রেন্ডে রয়েছে।  যেখানে বিয়ারিশের লক্ষণ দেখা যায়নি। সুতরাং USDCHF পেয়ারের আপট্রেন্ড শক্তিশালী মনে হচ্ছে। পেয়ারটি ০.৯২৬০ অতিক্রমে সক্ষম হলে ১৯ এপ্রিলের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৯২৮০-তে আসতে পারে।  পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ০.৯৩২০। অপরদিকে পেয়ার রিভার্স হতে শুরু হলে ০.৯২৩০ সাপোর্টে আসতে পারে। পরবর্তী সাপো

সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাইসে USDCAD

আজ বৃহস্পতিবার ইউরোপিয়ান সেশনে USDCAD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১.২৪০০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  পেয়ারের পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১.২৪৩০। চার ঘন্টার চার্টে MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেতে পারে।  USDCAD হলুদ কালারের ট্রেন্ড লাইনটি অতিক্রমে সক্ষম হলে আপট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে।  অপরদিকে সবুজ কালারের ট্রেন্ড লাইন ৫০ EMA অতিক্রমে সক্ষম হলে ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। পেয়ারের পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে জুন মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.২৪৯০।  পেয়ারটি ১.২৪৯০ অতি

মার্কিন ডাটার পূর্বে গোল্ডের প্রাইস বাড়ছে

গোল্ডের প্রাইস কমে দুমাসের নিন্ম ১৭৫০-তে আসলেও গত দুদিন বৃদ্ধির চেষ্টা করছে।  বর্তমানে গোল্ডের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১৭৭০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধির ফলে গোল্ডের বুলিশে কিছুটা অভাব রয়েছে। এছাড়াও ডেল্টা কোভিড স্ট্রেনের দ্রুত বিস্তারকে কেন্দ্র করে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ গোল্ডের প্রাইস কমার অন্যতম কারণ। তবে মার্কিন ননফার্ম পেরোলস রিপোর্ট প্রত্যাশার উপরে গোল্ডের ডাউনট্রেন্ড পুনরায় শক্তিশালী হতে পারে।  গোল্ডের পরবর্তী ডিরেকশন, মার্কিন ননফার্ম পেরোলস এবং মেনুফেকচারিং রিপোর্

১৩১.৯০ প্রাইসে যাবে EURJPY?

গত কয়েকদিন EURJPY পেয়ারের প্রাইস কমলেও গতকাল বৃদ্ধি পেয়েছিল।  বর্তমানে পুনরায় কমতে শুরু করেছে। EURJPY ১৩১.৬০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে।  চার ঘন্টার চার্টে MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী শর্ট টার্মে পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১৩১.৯০-তে আসতে পারে। অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট হতে পারে সপ্তাহের নিন্ম প্রাইস ১৩১.২৫ এবং পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ১৩১.০০।  পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হলে সেক্ষেত্রে এপ্রিলের নিন্ম প্রাইস ১৩০.০০-তে যেতে পারে।  পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ১২৯.৬০। অপরদিকে পে

প্রাইস অ্যানালাইসিস EURUSD

EURUSD পেয়ারের প্রাইস কমে বর্তমানে ১.১৮৮০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  প্রত্যাশা করা হচ্ছে, পেয়ারটি চলতি মাসের নিন্ম প্রাইস ১.১৮৫০ পুনরায় রিটেস্ট করতে পারে। RSI এবং MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে।  অপরদিকে ২০০ দিনের সিম্পল মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী পেয়ারটি ১.১৯৯৫ প্রাইসের উপরে আসলে আপট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। EURUSD ডেইলি চার্ট

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

বিডিপিপস চ্যাট রুম

বিডিপিপস চ্যাট রুম

    চ্যাট করতে লগিন বা রেজিস্ট্রেশন করুন।
    ×
    ×
    • Create New...