Jump to content

ফরেক্স নিউজ

  • entries
    111
  • comments
    3
  • views
    536

Contributors to this blog

  • মার্কেট আপডেট 111

About this blog

ফরেক্স ট্রেডিং সংক্রান্ত সব নিউজ, অ্যানালাইসিস এবং মার্কেট আপডেট পাবেন এখানেই।

Entries in this blog

১.২৩০০ প্রাইসের নিচে USDCAD পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে

USDCAD পেয়ারটি ১.২৪৯০ প্রাইস থেকে নিচে নামতে শুরু করেছিল।  বর্তমানে পেয়ারের প্রাইস কমে ১.২৩০০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। RSI ইনডিকেটরের ট্রেন্ড লাইন ৫০ লেভেলে সামান্য উপরে অবস্থান করছে।  যা পেয়ারের সাইডওয়ে নির্দেশ করছে।  MACD ইনডিকেটরে পেয়ারটি জিরো পয়েন্টের উপরে অবস্থান করছে।  এটাও পেয়ারের প্রাইস কমার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে ২০ এবং ৪০ দিনের সিম্পল মুভিং অ্যাভারেজ পেয়ারের বুলিশ অবস্থানের ইঙ্গিত দিচ্ছে।  পেয়ারটি গত কয়েকদিন ১.২৩০০ প্রাইসকে কেন্দ্র করে মুভমেন্ট করছে।  সেক্ষেত্রে USDCAD ১.২

EURJPY প্রাইস অ্যানালাইসিস

তৃতীয় দিনের মতো EURJPY পেয়ার ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছিল।  তবে আজকের সেশনে  পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, পেয়ারটি ১২৯.৫০ প্রাইসের নিচে আসলে ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে।   পেয়ারটি ১২৯.৫০ অতিক্রমে সক্ষম হলে ১২৮.৫৪ প্রাইসে যেতে পারে।  ২০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ১২৮.৩০ সাপোর্ট হিসেবে কাজ করতে পারে। EURJPY ডেইলি চার্ট XM ব্রোকারে জুলাই মাসে ডিপোজিটে ৫০% বোনাস

USDJPY সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ১৯ – ২৩ জুলাই, ২০২১)

USDJPY পেয়ারের সাপ্তাহিক চার্টের তাকালে দেখা যাচ্ছে, গত সপ্তাহে পেয়ারটি ১১০.১০ প্রাইসে ওপেন হয়ে ১১০.০৬ প্রাইসে ক্লোজ হয়েছে।  সপ্তাহজুড়ে পেয়ারের মুভমেন্ট ব্যাপক থাকলেও শেষের দিকে সীমিত হয়ে পড়েছিল। পেয়ারটি তৃতীয় সপ্তাহের মতো ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে। ব্যাংক অব জাপান এবং ফেডারেল রিজার্ভ তাদের মিটিংয়ে কোন পরিবর্তন করেনি।  জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইন্টারেস্ট রেট ০.১০%-এ অপরিবর্তনীয় রেখেছিল।  দেশটির প্রস্তাবিত প্রবৃদ্ধি ২০২১ সালে ৪% থেকে কমিয়ে ১.৮% এনেছে।  এদিকে ফেডারেল রিজার্ভও একই ধাচে হাটছে

NFP প্রত্যাশার নিচে আসলে ১.১৯৭৬/২০০০ প্রাইসে যেতে পারে EURUSD- ক্রেডিট সুইস

মার্কিন NFP বা ননফার্ম পেরোলস রিপোর্টের পূর্বে EURUSD পেয়ারের প্রাইস কমে গত বছরের মার্চ মাসের নিন্ম প্রাইস ১.১৮৬২ এর নিচে অবস্থান করছে।  পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড আরও বৃদ্ধি পেলে পেয়ারটি ২০২০ সালের পরবর্তীতে সর্বোচ্চ পতন হতে পারে। EURUSD ১.১৮৩৫ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে।  পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট ১.১৮২৪ এবং পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ১.১৭৬৭। ক্রেডিট সুইস অ্যানালাইসিস্টদের মতে, মার্কিন NFP রিপোর্ট প্রত্যাশার নিচে আসলে EURUSD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১.১৯৭৬/২০০০-তে যেতে পারে।  প্রত্যাশ

১.১৮৮৭ প্রাইসের উপরে আপট্রেন্ড বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে EURUSD

EURUSD পেয়ার সর্বনিন্ম ১.১৭৮০ প্রাইসে গেলেও বর্তমানে পেয়ারের প্রাইস কিছুটা বৃদ্ধি পাচ্ছে।  ২০২০ সালের নভেম্বরেও ১.১৭৮০ সাপোর্ট হিসেবে কাজ করেছিল।  সেক্ষেত্রে ২০২০-২০২১ সালের সাপোর্ট হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে ১.১৭৮০। কিছু বিশেষজ্ঞদের মতে, পেয়ারটি ১.১৮৮৭ প্রাইসের উপরে আসলে আপট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে।  যদিও বর্তমানে পেয়ারটি ১.১৮৬০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। EURUSD ১.১৮৮৭ প্রাইস অতিক্রমে সক্ষম হলে ১.১৯৭০ প্রাইসে যেতে পারে।  ২০০ দিনের SMA অনুযায়ী ১.২০০০ রেজিস্ট্যান্স হিসেবে কাজ কর

প্রাইস অ্যানালাইসিস EURUSD

EURUSD পেয়ারের প্রাইস কমে বর্তমানে ১.১৮৮০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  প্রত্যাশা করা হচ্ছে, পেয়ারটি চলতি মাসের নিন্ম প্রাইস ১.১৮৫০ পুনরায় রিটেস্ট করতে পারে। RSI এবং MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে।  অপরদিকে ২০০ দিনের সিম্পল মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী পেয়ারটি ১.১৯৯৫ প্রাইসের উপরে আসলে আপট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। EURUSD ডেইলি চার্ট

সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাইসে USDCAD

গত সপ্তাহে USDCAD পেয়ারের প্রাইস কমলেও চলতি সপ্তাহের শুরু থেকে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে পেয়ারটি সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.২৩৮৫-তে অবস্থান করছে। কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস কমার পেছনে তেলের প্রাইস কাজ করছে।  ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের ব্যারেল ১.৬৫% হ্রাস পেয়ে প্রতি ব্যারেল ৭২.৩৫ ডলারের কাছাকাছি অবস্থান করছে।  যা কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস কমামে সহায়তা করছে। অপরদিকে মার্কিন ডলারের প্রাইস ০.২৩% বৃদ্ধি পেয়ে ২১.১০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  বিনিয়োগকারীদের বর্তমান নজর থাকবে মার্কিন হাউজ

৫৫ DMA অনুযায়ী ১০৯.৮২ প্রাইসের নিচে যেতে পারে USDJPY- ক্রেডিট সুইস

ক্রেডিট সুইস অ্যানালাইসিস্ট টিমের মতে, ৫৫ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী পেয়ারটি ১০৯.৮২ প্রাইসের নিচে ক্লোজ হতে পারে।  অপরদিকে পেয়ার ১১০.৭২ প্রাইসের ‍উপরে আসলে আপট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। USDJPY চলতি সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাইস ১১০.৭২ যেতে ব্যর্থ হয়ে ১১০.০০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে।  ক্রেডিট সুইস অ্যানালাইসিস্ট টিমের মতে আজকের সেশনে পেয়ারটি ১০৯.৮২ প্রাইসের নিচে ক্লোজ হতে পারে। পেয়ারের পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ১০৯.৫৩।  অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স ১১০.২০ এবং পেয়ারটি

মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্টেলিয়ান ও নিউজিল্যান্ড ডলার শক্তিশালী হচ্ছে

আজ মঙ্গলবার গ্রিনব্যাক অর্থাৎ মার্কিন ডলারের দুর্বলতাকে কেন্দ্র করে অ্যান্টিপোডিয়ান ( অস্টেলিয়ান ও নিউজিল্যান্ড) কারেন্সিগুলোর প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে। মিশ্র মার্কিন লেবার রিপোর্টের পরবর্তীতে আসন্ন ফেডারেল রিজার্ভ মিটিংয়ে উদ্দীপনা ট্রেপারিংয়ের বিষয়ে আলোচনা উঠতে পারে।  বিনিয়োগকারীরা এ ধরণের ক্লুর অপেক্ষা করছে। এদিকে ২য় প্রান্তিকে নিউজিল্যান্ড বিজনেস কনফিডেন্স বৃদ্ধি এবং নভেম্বরের শুরুর দিকে নিউজিল্যান্ড ইন্টারেস্ট রেট বৃদ্ধি করতে পারে, এমন সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে নিউজিল্যান্ড ডলারের

এপ্রিলের সর্বোচ্চ প্রাইসে যাচ্ছে USDCHF – কমার্জব্যাংক

গত কয়েকদিন USDCHF পেয়ারের প্রাইস কমলেও আজ বৃদ্ধি পেয়ে ০.৯২০০- এর উপরে অবস্থান করছে।  যদিও পেয়ারটি ০.৯১৭৫ প্রাইসে ওপেন হয়েছিল। কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট অ্যাক্সেল রুডলফের মতে, পেয়ারটি এপ্রিলের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৯৪৭২-তে আসতে পারে।  ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৬১.৮% অনুযায়ী পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ০.৯২৬৪। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১২ মার্চের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৯৩২৫ এবং এপ্রিলের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৯৪৭২।  অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট গত সপ্তাহের নিন্ম প্রাইস ০.৯১৪৩।

AUDUSD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ০৫ – ০৯ জুলাই, ২০২১)

গত সপ্তাহে AUDUSD বিয়ারিশে ছিল। যা পেয়ারকে ২১ ডিসেম্বরের সর্বনিন্ম প্রাইস ০.৭৪৪৫-তে নিয়ে এসেছিল। গত সপ্তাহে পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড শুরু হয়েছিল ফেড চেয়ারম্যানে জেরেমি পাওয়েলের মন্তব্য থেকে যা মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছিল।  তবে সপ্তাহের শেষের দিন মার্কিন NFP ডাটাকে কেন্দ্র করে পেয়ারের প্রাইস কমলে পরবর্তীতে বৃদ্ধি পেয়েছিল। যেভাবে AUDUSD –কে প্রভাবিত করেছিল NFP জুন মাসে মার্কিন ইকোনমিতে  ৮ লক্ষ ৫০ হাজারের মতো জব সৃষ্টি হয়েছে।  যা ২০২০ সালের আগস্টের পরবর্তীতে সর্বোচ্চ ছিল

১.৩১০০ প্রাইসের নিচে অবস্থান করছে EURJPY

চলতি সপ্তাহের প্রথমদিন অর্থাৎ গতকাল EURJPY পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেলেও আজকের সেশনে কমতে শুরু করেছে। আজ পেয়ারটি ১৩০.৮৮ প্রাইসে ওপেন হলেও বৃদ্ধি পেয়ে ১৩১.০০ প্রাইসে গিয়েছিল।  বর্তমানে প্রাইস কমে ১৩০.৫০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট হতে পারে ১৩০.০০ এবং পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে চলতি মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস ১২৯.৬১। অপরদিকে পেয়ারটি জুলাই মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১৩২.৪০ অতিক্রমে সক্ষম হলে আপট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে।  ৫০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী পরবর্তী রেজ

২০০ HMA এর উপরে AUDUSD

আজ শুক্রবার ইউরোপিয়ান সেশনে AUDUSD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ০.৭৫৯৫ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  পেয়ারটি ২০০ HMA লেভেল ব্রেক করতে সক্ষম হয়েছে।  যা বায়ারদের জন্য সুযোগ তৈরি করেছে। ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৫০% অনুযায়ী পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স ০.৭৬০০।  পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১৭ জুনের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৭৬৫০।  আপসাইড স্থায়ী হলে ০.৭৬৭৫-৮০ প্রাইসে যেতে পারে। অপরদিকে AUDUSD  পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ২০০ HMA ০.৭৫৮৪।  পেয়ারটি উক্ত সাপোর্ট অতিক্রমে সক্ষম হলে ০.৭৫৬৫-৬০ সাপোর্টে আসত

মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি রিপোর্টের পূর্বে কেমন হচ্ছে ডলারের মুভমেন্ট

আজ সোমবার ইউরোপিয়ান সেশনের শুরুর দিকে ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে।  বিনিয়োগকারীদের নজর আগমীকালের মুদ্রাস্ফীতি এবং বৃহস্পতিবার ফেডারেল রিজার্ভ চেয়ারম্যান জেরেমি পাওয়েলের আলোচনার দিকে। গত সপ্তাহের বেশিরভাগ সময় মার্কিন ডলার শক্তিশালী অবস্থানে ছিল।  কোভিড-১৯ ভাইরাসের দ্রুত বিস্তারকারী ডেল্টা বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।  এর ফলে বিনিয়োগকারীদের মাঝে উদ্বিগ্নতা বৃদ্ধি পেয়েছিল।  যা ডলারকে নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে প্রাইস বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছিল। বৃহস্পতি ও শুক্রবার

FOMC মিটিংয়ের পূর্বে মার্কিন ডলারের মুভমেন্ট সীমিত

ইউরোপিয়ান সেশনের শুরুর দিকে ডলারের প্রাইস কিছুটা কমেছে।  আজকের সেশনে ডলার ৯২.৫৩ প্রাইসে ওপেন হলেও বর্তমানে কিছুটা কমে ৯২.৫১ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। আর্টিকেল লেখা পর্যন্ত ডলার সর্বোচ্চ ৯২.৪৫ থেকে ৯২.৫৯ প্রাইসের মধ্যে মুভমেন্ট করেছে।  বিনিয়োগকারীরা FOMC মিটিংয়ের মাধ্যমে ইকোনমিক দিকনির্দেশনা এবং ইন্টারেস্ট রেট সম্পর্কে বার্তার অপেক্ষা করছে। গতকাল তেলের প্রাইস বৃদ্ধি, চীনা প্রযুক্তি সেক্টরের দমন কেন্দ্র করে ডলার আপট্রেন্ডে ছিল এবং তবে ISM মেনুফেকচারিং খারাপ আসার ফলে ডলার ক

মার্কিন ডাটার পূর্বে রিকভারের চেষ্টায় GBPUSD

গতকাল ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের মনেটারী পলিসি ডিসিশনের মাধ্যমে GBPUSD পেয়ারের প্রাইস কমতে থাকে।  আজও পেয়ারের প্রাইস কমছে।  বর্তমানে পেয়ারটি ১.৩৯০০ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি ডাটাকে কেন্দ্র করে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ব্রিটিশ পাউন্ড শক্তিশালী হওয়ার চেষ্টা করছে।  শেষ পর্যন্ত কি হয় সেটা দেখার বিষয়। বিনিয়োগকারীরা মুদ্রাস্ফীতি সম্পর্কে ফেডের অবস্থানের মূল্যায়ন করেছেন কারণ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শীর্ষ অগ্রাধিকার হল অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এবং শ্রমবাজারের উন্নতি।  মার্কিন ফে

যেসব কারণে GBPUSD পেয়ারের প্রাইস আরও কমতে পারে

গতকাল প্রকাশিত ব্রিটিশ জিডিপি প্রত্যাশার অনেক নিচে এসেছিল এবং আজ প্রকাশিত ব্রিটিশ মেনুফেকচারিং পিএমআই প্রত্যাশাকে মিস করেছে। যা ব্রিটিশ পাউন্ডকে আরও দুর্বল করেছে। আজকের সেশনে GBPUSD পেয়ারের প্রাইস কমে ১১ সপ্তাহের নিচে ১.৩৭৬৪-তে এসেছিল। এদিকে মার্কিন ডলার ডেটা রিলিজকে কেন্দ্র করে আমাগী দু’দিন পজিটিভ মুডে থাকতে পারে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, মার্কিন বেকারত্ব হ্রাস অব্যাহত থাকবে।  এদিকে,যুক্তরাষ্ট্রের ISM মেনুফেকচারিং ৬০ পয়েন্টের উপরে থাকবে বলে প্রত্যাশা করা হয়েছে।  এর ফলে আমেরিকান ফ্

গোল্ডের পরবর্তী মুভমেন্ট মার্কিন NFP ডাটার সাথে জড়িত

তৃতীয় দিনের মতো গোল্ডের প্রাইস বাড়ছে।  বিনিয়োগকারীদের বর্তমান নজর মার্কিন ননফার্ম পেরোলস বা জব রিপোর্টের দিকে।  মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি সত্ত্বেও গোল্ডের প্রাইস বাড়ছে। ফেডের মুদ্রানীতি স্বাভাবিকরণ নীতি ডলারের পেছনের মূল চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করছে।  ডেল্টা কোভিড উদ্বেগ বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে বাধা হচ্ছে।  যা নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি করছে। গোল্ডের পরবর্তী মুভমেন্ট মার্কিন NFP ডাটার সাথে জড়িত, কারণ মার্কিন জব রিপোর্ট ফেডের পরবর্

১.২৬৩৫ অতিক্রমে সক্ষম হলে ১.৩০২৪ প্রাইসে যেতে পারে USDCAD- ক্রেডিট সুইস

গত কয়েকদিনের তুলনায় আজকের সেশনে USDCAD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১.২৫৫৬ প্রাইসে অবস্থান করছে। ক্রেডিট সুইস অ্যানালাইসিস্ট টিমের মতে, ২০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ এবং ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ২৩.৬% অনুযায়ী পেয়ারটি ১.২৬৩৫ প্রাইস অতিক্রম করতে পারে।  পেয়ারের পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১.২৭৫০। USDCAD ১.২৮৮১ রেজিস্ট্যান্স অতিক্রমের পরবর্তীতে ১.৩০২৪ প্রাইসে যেতে পারে। অপরদিকে পেয়ারটি ১.২৪২২ প্রাইসের নিচে আসলে ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে।  সেক্ষেত্রে পেয়ারের পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ১

০.৭৪৫০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে AUDUSD

গত কয়েকদিন AUDUSD পেয়ারের প্রাইস কমলেও আজকের সেশনে বৃদ্ধি পাওয়ার চেষ্টা করছে। বর্তমানে পেয়ারটি ০.৭৪৫০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম বৃহত্তম শহর সিডনি করোনাভাইরাসের ক্রমবর্ধমান পরিস্থি নিয়ে উদ্বিগ্ন। শহরটিকে আরও দুই সপ্তাহের জন্য লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে ডিসিশন নেয়া হয়েছে।  লকডাউনের মেয়াদ ১৬ জুলাই সেশ হওয়ার কথা থাকলে বৃদ্ধি করে ৩০ জুলাই পর্যন্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরেমি পাওয়েলের আলোচন

মার্কিন ডাটার পূর্বে গোল্ডের প্রাইস বাড়ছে

গোল্ডের প্রাইস কমে দুমাসের নিন্ম ১৭৫০-তে আসলেও গত দুদিন বৃদ্ধির চেষ্টা করছে।  বর্তমানে গোল্ডের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১৭৭০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধির ফলে গোল্ডের বুলিশে কিছুটা অভাব রয়েছে। এছাড়াও ডেল্টা কোভিড স্ট্রেনের দ্রুত বিস্তারকে কেন্দ্র করে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ গোল্ডের প্রাইস কমার অন্যতম কারণ। তবে মার্কিন ননফার্ম পেরোলস রিপোর্ট প্রত্যাশার উপরে গোল্ডের ডাউনট্রেন্ড পুনরায় শক্তিশালী হতে পারে।  গোল্ডের পরবর্তী ডিরেকশন, মার্কিন ননফার্ম পেরোলস এবং মেনুফেকচারিং রিপোর্

EURUSD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট (০৫ -০৯ জুলাই, ২০২১)

২০২১ সালের প্রথমার্ধ শেষ হলো গত সপ্তাহের মাধ্যমে।  প্রথমার্ধটি মার্কিন ডলারের আধিপত্য এবং ইউরোর দুর্বলতার মাধ্যমে শেষ হয়েছে। এ সপ্তাহটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ইউরোজোন ডাটা এবং নতুন ভাইরাস ভেরিয়েন্টের উদ্বেগের মধ্যে থাকতে পারে। EURUSD এবং NFP প্রতিক্রিয়া গত সপ্তাহে প্রকাশিত জুন মাসের মার্কিন NFP ডাটা ডলারের পক্ষে কাজ করেছিল।  দেশটির ইকোনমিতে ৮ লক্ষ ৫০ হাজারের মতো জব যোগ হয়েছে।  যা প্রত্যাশার উপরে ছিল। যাইহোক মার্কিন ননফার্ম পেরোলস ডাটা প্রত্যাশার উপরে আসলেও ডলারের প্রাইস বৃদ্ধির ক্ষেত্রে পর্

AUDUSD প্রাইস অ্যানালাইসিস

দ্বিতীয় দিনের মতো AUDUSD পেয়ারের প্রাইস কমতে শুরু করেছ।  বর্তমানে পেয়ারটি ০.৭৫৬০ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ০.৭৫৩৫।  যা ২৩ জুনের সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল। MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ০.৭৫০০।  AUDUSD পেয়ারের ক্ষেত্রে ১৮ জুনের সর্বনিন্ম প্রাইস ০.৭৪৭৭ শক্ত সাপোর্ট হতে পারে।  কারণ পেয়ারটি গতবার ০.৭৪৭৭ থেকে রিকভার করেছিল। সুতরাং ০.৭৪৭৭ শক্ত সাপোর্ট হিসেবে কাজ করতে পারে। অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স ২৪ জুনের সর্বোচ্চ

১১১.১৩ অতিক্রমের পরবর্তীতে ১১২.৫০ প্রাইসে যেতে পারে USDJPY- কমার্জব্যাংক

গত কয়েকদিন USDJPY পেয়ারের প্রাইস কমলেও আজ কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে ১১০.৫০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট কারেন জনসের মতে, পেয়ারের আপট্রেন্ড শক্তিশালী হলে সেক্ষেত্রে ১১১.১৩ প্রাইসে আসতে পারে।  পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১১২.২৩। অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১১০.০০।  পেয়ারের পবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ১০৯.৫০। সবচেয়ে কম স্প্রেডে  USDJPY পেয়ার ট্রেড করতে XM Ultra Low অ্যাকাউন্ট খুলুন এখান থেকে।

মার্কিন ডলারের বিপরীতে নিউজিল্যান্ড ডলার শক্তিশালী হচ্ছে

NZDUSD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ০.৭০১৫ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  আজ রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউজিল্যান্ড ইন্টারেস্ট রেট ০.২৫% এ অপরিবর্তনীয় রেখেছে।  তবে ব্যাংক কর্মকর্তাদের হাকিশ আলোচনা পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের বুলিশ অবস্থান শক্তিশালী হচ্ছে।  ২০০ দিনের মুভিং অ্যাভাজের অনুযায়ী পেয়ারটি ০.৭০৭৫ প্রাইসে যেতে পারে। অপরদিকে পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হওয়ার জন্য ০.৭০০০ সাপোর্ট অতিক্রম করা প্রয়োজন।  পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ০.৬৯২০। XM ব্রো

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

বিডিপিপস চ্যাট রুম

বিডিপিপস চ্যাট রুম

    চ্যাট করতে লগিন বা রেজিস্ট্রেশন করুন।
    ×
    ×
    • Create New...