Jump to content

BDPIPS - Forex Bangladesh

২০০ DMA অতিক্রমের পরবর্তীতে ১৩২.০০ প্রাইসে যেতে পারে EURJPY

EURJPY তৃতীয় দিনের মতো বৃদ্ধি পেয়ে ১২৮.৮৮ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে।  পেয়ার ডাউনট্রেন্ড চ্যানের মধ্যে মুভমেন্ট করছে। বর্তমানে পেয়ারটি ২০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ১২৯.১০ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে।  পেয়ারটি উল্লেখিত প্রাইস অতিক্রমে সক্ষম হলে আপট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। সেক্ষেত্রে ১৩২.০০ প্রাইসে যেতে পারে। EURJPY ১৩২.০০ প্রাইসে যাওয়ার পূর্বে ১৩০.০০ প্রাইসে বাধা পেতে পারে।  ১০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১৩ জুলাইয়ের সর্বোচ্চ প্রাইস ১৩১.

AUDUSD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ২৩ – ২৭ আগস্ট, ২০২১)

AUDUSD পেয়ার তিন মাসের মতো ধারাবহিক ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে।  গত সপ্তাহে পেয়ারের প্রাইস কমে মাসের সর্বনিন্ম ০.৭১০৫-তে এসেছিল। এর ফলে পেয়ার ২০২১ সালের সর্বনিন্ম প্রাইস নতুনভাবে তৈরিতে সক্ষম হয়েছে। জুলাই মাসে চীনের ইন্ডাস্ট্রীয়াল প্রডাকশন এবং রিটেইল সেলস প্রত্যাশার তুলনায় দুর্বল এসেছে।  যা ইকোনমির ক্ষেত্রে দুর্বল সংকেত দিচ্ছে। যেহেতু অস্টেলিয়া চীনের সবথেকে বড় ইকোনমিক পার্টনার সেহেতু চীনের দুর্বলতা অস্টেলিয়ার ইকোনমিকে প্রভাবিত করছে।  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১২০ বিলিয়ন ডলারের বন্ড ক্রয় ডলারক

USDCAD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ২৩ – ২৭ আগস্ট, ২০২১)

অন্যান্য কারেন্সিগুলোর মতো গত সপ্তাহে মার্কিন ডলারের বিপরীতে কানাডিয়ান ডলার দুর্বল অবস্থানে ছিল। গত সপ্তাহে USDCAD ১০০ পিপসের মতো বৃদ্ধি পেয়েছিল।  বিদেশী রাজনৈতিক ঘটনা এবং ধীর ইকোনমিক উন্নয়নের উদ্বিগ্নতা USDCAD পেয়ারকে ৮ মাসের সর্বোচ্চে নিয়ে এসেছে। ডেল্টা ভেরিয়েন্ট এবং আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক উদ্বিগ্নতা নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে ডলারের চাহিদা বাড়িয়ে দিচ্ছে।  এর ফলে গত সপ্তাহে USDCAD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে আট মাসের সর্বোচ্চে এসেছে এবং সপ্তাহিক হিসেবে ২.৪% বৃদ্ধি পেয়েছে। WTI তেলের প

GBPUSD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ২৩ – ২৭ আগস্ট, ২০২১)

মহামারী ব্রিটিশ পাউন্ডকে প্রভাবিত করছে, এছাড়াও মার্কিন ডলারের শক্তিশালী অবস্থান GBPUSD পেয়ারকে গত সপ্তাহে বিয়ারিশে রেখেছিল। গত সপ্তাহে মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধির কারণে  GBPUSD এক্সচেঞ্জ রেট সেলিং প্রেসারে থেকে ২০০ পিপসের মতো কমেছিল। ফেডারেল রিজার্ভের টেপারিং বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে GBPUSD বড় ধরণের সেলিং প্রেসারে রয়েছে। সপ্তাহের শেষের দিন পূর্বের দিনের তুলনায় ডাউনট্রেন্ড কিছুটা সীমিত ছিল। সর্বোপরি পেয়ার গত পাঁচ দিনের মধ্যে চারদিন ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছিল। যুক্তরাজ্যে

EURUSD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ২৩ – ২৭ আগস্ট, ২০২১)

সপ্তাহজুড়ে EURUSD পেয়ারের প্রাইস কমলেও শেষের দিন বৃদ্ধি পেয়েছিল।  আজ সোমবার সপ্তাহের প্রথমদিন পেয়ার আপট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে।  গত সপ্তাহে EURUSD পেয়ারের প্রাইস কমে ২০২০ সালের নভেম্বরের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.১৬৬০-তে গিয়েছিল। ফেড টেপারিং আলোচনা মার্কিন ডলার টেপারিং বৃদ্ধির সম্ভাবনা এবং করোনাভাইরাসের ডেল্টা ভেরিয়েন্টের প্রভাবে প্রভাবিত হচ্ছে।  এদিকে ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী FOMC মিটিং মিনিটে টেপারিং বিষয়ে আলোচনা হবে। ফেড টেপারিং বৃদ্ধি করবে নাকি কমাবে সেটা মিটিংয়ের আলোচনায় ইঙ্গিত পাওয়া যাবে

মাসের নিন্ম প্রাইসে GBPJPY

GBPJPY সাত দিনের মতো ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে।  এর ফলে পেয়ার মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস ১৪৯.১৭ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। আর্টিকেল লেখার সময় পেয়ার ১৪৯.২৭ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। আজকের সেশনে জাপানী ইয়েনের বিপরীতে ব্রিটিশ পাউন্ড দুর্বল হওয়ার অন্যতম কারণ রিটেইল সেলস রিপোর্ট। জুলাই মাসে ব্রিটিশ রিটেইল সেলস ০.৪% থেকে কমে -২.৫% এসেছে।  বাৎসরিক ব্যবধানে ৬% বৃদ্ধি প্রত্যাশা করা হলেও কমে ২.৪% এসেছে।  আজকের সেশনে ব্রিটিশ ইভেন্টগুলো পাউন্ডের বিপরীতে ছিল। XM সকলে জিতবে প্রমোশনে $5-$400

৯-১/২ মাসের সর্বোচ্চে মার্কিন ডলার

মেজর কারেন্সিগুলোর বিপরীতে ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ৯-১/২ মাসের সর্বোচ্চে অবস্থান করছে।  ডেল্টা ভেরিয়েন্ট বৃদ্ধির ফলে বিশ্ব ইকোনমিক রিকভারে বিলম্ব হতে পারে।  যা মার্কিন ডলারের প্রাইস বাড়িয়ে দিচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড ডলারের প্রাইস দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে।  মার্কিন ডলারের প্রাইস বেড়ে ৯৩.৬০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে।  নভেম্বরের পরবর্তীতে প্রথমবারের মতো পেয়ার ৯৩.৫৯ প্রাইসে উঠেছে। ফেডের মনোভাব নেতিবাচক হওয়ার পরও ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে।  মনে হচ্ছে বিনিয়োগকারীদের নিকট

ব্রিটিশ রিটেইল সেলস রিপোর্টের পূর্বে ১.৩৬০০ প্রাইসের কাছাকাছি GBPUSD

আজ শুক্রবার এশিয়ান সেশনে GBPUSD ১.৩৭৬০ থেকে কমে  ১.৩৬৩০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে।   ছয়টি প্রধান কারেন্সির বিপরীতে ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ৯৩.৫৫ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  সর্বশেষ এফওএমসি সভায় ফেড কর্মকর্তারা এই বছরের শেষের দিকে উদ্দীপনা কমিয়ে আনতে পারে, লেবার মার্কেটের অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে এমন প্রত্যাশা করেছেন। ডেল্টা ভেরিয়েন্টের দ্রুত বিস্তার বৈশ্বিক ইকোনমিক রিকভারের পথে বাধা হচ্ছে, এর ফলে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে মার্কিন ডলারের দিকে ছুটে যাচ্ছে।

USDCAD প্রাইস অ্যানালাইসিস

USDCAD পেয়ার ১.২৮৬০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে।  পেয়ার পঞ্চম দিনের মতো আপট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে। গত ১৪ মাসের মধ্যে গতকাল দৈনিক চার্টে প্রথমবারের মতো একদিনে পেয়ারের প্রাইস এতো বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।  RSI ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ার ওভারবটে রয়েছে।  সেক্ষেত্রে প্রাইস কমে ১.২৮২০ আসতে পারে। ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৬১.৮% অনুযায়ী পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১.২৮৮০।  আপট্রেন্ড শক্তিশালী হলে ১.৩০০০ রেজিস্ট্যান্স হতে পারে। অপরদিকে পেয়ার ১.২৮২০ সাপোর্ট অতিক্রমের পরবর্তীতে জুলাই মা

১.১৭০০ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে EURUSD

আজ শুক্রবার এশিয়ান সেশনে বছরের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.১৬৬৫ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১.১৬৮০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে EURUSD। চার ঘন্টার চার্টে বিয়ারিশ মুভমেন্ট তৈরির চেষ্টা করছে।  RSI ইনডিকেটর অনুযায়ী EURUSD ওভার সোল্ডে অবস্থান করছে।  সেক্ষেত্রে প্রাইস বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। পেয়ারের ক্ষেত্রে ১.১৭০৫ হরিজোনটাল রেজিস্ট্যান্স হিসেবে কাজ করছে। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে জুলাইয়ের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.১৭৩০ এবং ১.১৭৫০। আপট্রেন্ড পুনরায় শক্তিশালী হলে মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.১৭৫০ এবং ২০০ SMA অনুযা

জুলাইয়ের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.২৮০৭ যেতে পারে USDCAD – ক্রেডিট সুইস

USDCAD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১.২৭৫১ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  ক্রেডিট সুইস অ্যানালাইসিস্ট টিমের মতে পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে জুলাই মাসের সর্বোচ্চ ১.২৮০৭ যেতে পারে। পেয়ার জুলাইয়ের সর্বোচ্চ প্রাইস অতিক্রমে সক্ষম হলে ১.২৮৭০ যেতে পারে।  ফিকোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৩৮.২% অনুযায়ী ২০২০/২১ এর সর্বোচ্চ প্রাইস ১.৩০৪ যেতে পারে। অপরদিকে পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হওয়ার ক্ষেত্রে ১.২৬০৮ অতিক্রম হওয়া প্রয়োজন।  পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ১.২৫৯৯। XM সকলে জিতবে প্রমোশনে $5-$400 নিশ্চিত

GOLD এর ক্ষেত্রে ১৮০০ রেজিস্ট্যান্স কাজ করছে

মার্কেটের ঝুঁকিপূর্ণ  প্রোফাইল আবারও গোল্ডের প্রাইস বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে, কারণ গোল্ড দ্রুত ১৮০০ প্রাইসে পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টা করছে।  পুনরায় করোনাভাইরাসের উত্থান মার্কেটে ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। গোল্ড ১৭৭৫ থেকে রিকভার করে ১৭৮৮ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। ফেড মিটিংয়ের পরবর্তীতে গোল্ডের প্রাইস কমলেও বর্তমানে বৃদ্ধি পাচ্ছে। একদিনের চার্টে ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ২৩.৬% অনুযায়ী ১৭৯০ প্রাইসে গোল্ড বাধা পেতে পারে। মাসিক চার্টে ৬১.৮% ফিবোনাসি অনুযায়ী ১৭৯৩ বাধা হতে পারে। চার ঘন্টার চ

১.১৫৭৫- ১.১৪৫৩ প্রাইসে যেতে পারে EURUSD – কমার্জব্যাংক

কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট টিমের প্রধান কারেন জনসনের মতে, EURUSD পেয়ার ১.১৫৭৫ প্রাইসের নিচে আসলে ১.১৪৫৩ প্রাইসে যেতে পারে। EURUSD মার্চ মাসের নিন্ম প্রাইস ১.১৭০৪ থেকে নিচে নেমে ১.১৬৮০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে।  ২০০ সপ্তাহের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী পেয়ারের প্রাইস কমে ২০২০ সালের নভেম্বরের নিন্ম প্রাইস ১.১৬০২ যেতে পারে। EURUSD পেয়ার পুনরায় আপট্রেন্ডে আসার জন্য সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.১৮০৪ অতিক্রম করা প্রয়োজন।  পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১.১৮১২। XM সকলে জিতবে প্

১০০ SMA এর উপরে অবস্থান করছে EURGBP

আজ বৃহস্পতিবার ইউরোপিয়ান সেশনের শুরুর দিকে ০.৮৫১০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে EURGBP। গতকাল পেয়ার বিয়ারিশ অবস্থানে থাকলেও ১০০ SMA অতিক্রমে সক্ষম হয়নি। আজকের সেশনে বুলিশ অবস্থানে দেখা যাচ্ছে। EURGBP ১০০ SMA অতিক্রমের ক্ষেত্রে ০.৮৫০০ ব্রেক করা প্রয়োজন।  পেয়ার উক্ত প্রাইস অতিক্রমে সক্ষম হলে সেলারদের টার্গেট হবে ২ সপ্তাহের পুরাতন সাপোর্ট লেভেল ০.৮৪৯০।  পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ০.৮৪৫০।  পেয়ার ০.৮৪০০ প্রাইসে গেলে তা ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির নিন্ম প্রাইস হবে। অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান রেজিস

মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.৩৭০০ এর দিকে যাচ্ছে GBPUSD

আজ বৃহস্পতিবার এশিয়ান সেশনে দিনের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.৩৭০০ এর দিকে যাচ্ছে GBPUSD।  পেয়ার সর্বনিন্ম ১.৩৭১০ প্রাইসে এসেছিল। আর্টিকেল লেখার সময় পেয়ার ১.৩৭১৫ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে।  মার্কিন ডলার মেজর ছয়টি কারেন্সির বিপরীতে আপট্রেন্ড অব্যাহত রেখে ৯৩.৪৫ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। ডেল্টা ভাইরাসের দ্রুত বিস্তার এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের প্রভাবের পরিপ্রেক্ষিতে বিনিয়োগকারীদের নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাউন্ড দুর্বল হওয়ার অন্যতম কারণ ব্রিটিশ

৯ মাসের  নিন্ম প্রাইসে  হিট করেছে EURUSD

আজ ইউরোপিয়ান সেশনে EURUSD পেয়ারের প্রাইস কমে ১.১৬৭০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  এর ফলে পেয়ার ২০২১ সালের নিন্ম প্রাইস অতিক্রম করে নতুন নিন্ম প্রাইস তৈরিতে সক্ষম হয়েছে। মার্কিন ডলারের প্রাইস বেড়ে ২০২০ সালের নভেম্বরের সর্বোচ্চ প্রাইস  ৯৩.৫০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  ডলারের প্রাইস বৃদ্ধির কারণে EURUSD পেয়ারের প্রাইস কমে ২০২০ সালের নভেম্বরের নিন্ম প্রাইস ১.১৬১১ এর দিকে যাচ্ছে। মার্কেটের ঝুঁকিপূর্ণ মেজাজ এবং ফেডের টেপারিং সিগন্যালগুলো ডলারের প্রাইস বৃদ্ধির ক্ষেত্রে দায়ী হতে পারে।  সর্বশেষ আ

৪-১/২ মাসের সর্বোচ্চে স্থায়ী হচ্ছে মার্কিন ডলার

বিশ্বব্যাপী ইকোনমিক উদ্বেগে নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে মার্কিন ডলারের প্রাইস বেড়ে ৪-১/২ মাসের সর্বোচ্চে অবস্থান করছে।  জুলাই মাসের ফেডারেল রিজার্ভ মিটিংয়ের পূর্বে নিরাদ কারেন্সি হিসেবে মার্কিন ডলার অতিরিক্ত সুবিধা পেতে পারে।  তবে ফেড থেকে নেতিবাচক আলোচনা যে কোন সময় পেয়ারকে প্রভাবিত করতে পারে। অস্টেলিয়ান কানাডিয়ান ডলারের মতো মেজর কারেন্সিগুলো  মার্কিন ডলারের বিপরীতে দুর্বল অবস্থানে রয়েছে।  মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ৯৩.০৯ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  যা এপ্রিলের শেষ সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাই

GBPUSD পেয়ারের সম্ভাব্য সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স

GBPUSD মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.৩৭২৬ থেকে বেড়ে ১.৩৭৫০ এর উপরে অবস্থান করছে।  বর্তমানে পেয়ার ১.৩৭৫৬ প্রাইসে রয়েছে। ডেইলি চার্টে RSI ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ার মিড লাইনের নিচে অবস্থান করছে।  যা সেলারদের উৎসাহিত করছে। ২০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ১.৩৭৬৮ রেজিস্ট্যান্স হতে পারে।  অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট মাসের নিন্ম প্রাইস ১.৩৭২৬ এবং পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ১.৩৭০০। ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হলে জুলাইয়ের নিন্ম প্রাইস ১.৩৬৭০ যেতে পারে।  GBPUSD ডেইলি চার্ট XM সকলে জিতবে

প্রাইস বৃদ্ধির চেষ্টায় GBPJPY

GBPJPY পেয়ারের প্রাইস কমে মাসের সর্বনিন্মে গেলেও বর্তমানে বৃদ্ধির চেষ্টা করছে। পেয়ারটি ১৫০.৭০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। GBPJPY পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১৫০.৮৪-তে যেতে পারে।  পেয়ারের আপট্রেন্ড শক্তিশালী হলে সেক্ষেত্রে ১৯ জুলাইয়ের সর্বোচ্চ প্রাইস ১৫১.৩০-৩৫ হরিজোনটাল রেজিস্ট্যান্স হিসেবে কাজ করতে পারে। অপরদিকে ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৬১.৮% অনুযায়ী ১৫০.৩৭ সাপোর্ট হতে পারে। পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ১৫০.০০।  পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হলে সেক্ষেত্রে  জুলাইয়ের নিন্ম প্রাইস ১৪৮.৪৫ য

EURJPY সেল অব্যাহত, পরবর্তী বিরতি হতে পারে ১২৭.৫০- কমার্জব্যাংক

EURJPY পেয়ারের প্রাইস কমে মার্চ মাসের সর্বনিন্ম ১২৮.৩০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট কারেন জনসের মতে, পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড বৃদ্ধি পেয়ে ১২৭.৫০ প্রাইসে যেতে পারে। পেয়ার মার্চ মাসের নিন্ম প্রাইস অতিক্রমের পরবর্তীতে ৫৫ সপ্তাহের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ১২৭.৮৫ প্রাইসে যেতে পারে।  পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারির সর্বোচ্চ প্রাইস ১২৭.৫০।  প্রত্যাশা করা হচ্ছে, EURJPY ১২৭.৫০ থেকে রিকভার করতে পারে। পেয়ার উক্ত সাপোর্ট অতিক্রমে সক্ষম হলে বড় ধরণের ডাউনট্

USDCAD প্রাইস অ্যানালাইসিস

USDCAD পেয়ারের আপট্রেন্ড অব্যাহত রাখার জন্য গতকালের সর্বোচ্চ প্রাইস অতিক্রম করা প্রয়োজন।  MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী সেলাররা আশাবাদী হতে পারে। আজ বুধবার ইউরোপিয়ান সেশনে USDCAD পেয়ার ১.২৬১৫ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে।  গতকাল USDCAD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ২১ জুলাইয়ের সর্বোচ্চ প্রাইসে গিয়েছিল। USDCAD গতকাল সর্বোচ্চ ১.২৬৫০ প্রাইসে ওঠেছিল। চার ঘন্টার চার্টে দেখা যাচ্ছে, পেয়ার Gravestone Doji তৈরির পরবর্তীতে একটি ক্যান্ডেল আপে থাকলেও পরবর্তীতে বিয়ারিশে আসতে শুরু করেছে। MACD

সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাইসে যাচ্ছে EURGBP

EURGBP পঞ্চম দিনের মতো আপট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে।  প্রত্যাশা করা হচ্ছে, পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে সপ্তাহের সর্বোচ্চে যেতে পারে। বর্তমানে পেয়ারটি ০.৮৫২০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে।EURGBP ০.৮৫২৪ অতিক্রমের পরবর্তীতে সপ্তাহের সবোর্চ্চ প্রাইস ০.৮৫৩৫ যেতে পারে। পেয়ার ০.৮৫৬০ অতিক্রমের পরবর্তীতে ৫০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ০.৮৫৪৮ যেতে পারে। ১০০ ও ২০০ দিনে মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ০.৮৫৮৮ এবং ০.৮৭১৫ প্রাইসে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।  অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট হতে পারে ০.৮৫০০।  পরবর্ত

ব্রিটিশ CPI যেভাবে প্রভাবিত করতে পারে GBPUSD

আজ বুধবার দুপুর ১২:০০ টার দিকে জুলাই মাসের ব্রিটিশ CPI ডাটা রিলিজ করা হবে। ব্রিটিশ পাউন্ডের জন্য আজকের ইভেন্টটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। ইকোনমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী জুলাই মাসে CPI ০.৫% থেকে কমে ০.৩% আসতে পারে। কোর CPI ২.৩% থেকে কমে ২.২% আসার সম্ভাবনা রয়েছে। বাৎসরিক ব্যবধানে CPI ২.৫% থেকে কমে ২.২% আসার সম্ভাবনা রয়েছে।  ব্রিটিশ CPI প্রত্যাশার নিচে আসলে GBPUSD পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে।  বর্তমানে পেয়ার ১৩৭.৫০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। পেয়ারের পরবর্তী সাপোর্ট হতে প


বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

বিডিপিপস চ্যাট রুম

বিডিপিপস চ্যাট রুম

    চ্যাট করতে লগিন বা রেজিস্ট্রেশন করুন।
    ×
    ×
    • Create New...