Jump to content

BDPIPS - Forex Bangladesh

চার ঘন্টার চার্টে Symmetrical Triangle তৈরি করেছে USDCAD

আজ মঙ্গলবার ইউরোপিয়ান সেশনে USDCAD পেয়ার দিনের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.২৩৯৬ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। চার ঘন্টার চার্টে দেখা যাচ্ছে, USDCAD পেয়ার Symmetrical Triangle তৈরি করেছে। পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি  পেয়ে Triangle এর দিকে যাচ্ছে। পেয়ারটি উক্ত Triangle অতিক্রমে বুলিশ ট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। বর্তমানে USDCAD দিনের সর্বোচ্চ প্রাইসে অবস্থান করছে। USDCAD পেয়ার ১.২৪৩০ প্রাইসে Triangle অতিক্রমের অপেক্ষায়। অপদিরকে পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট হতে পারে ২০০ HMA অনুযায়ী ১.২৩৬৫। পরবর্তী সাপোর্ট

মাসের নিন্ম প্রাইসের কাছাকাছি EURUSD

বৃহস্পতিবার EURUSD পেয়ারের প্রাইস কমলেও সপ্তাহের শেষের দিন শুক্রবার বৃদ্ধি পেয়েছিল। চলতি সপ্তাহেও দ্বিতীয় দিনের মতো পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে। আজ মঙ্গলবার ইউরোপিয়ান সেশনের শুরুর দিকে পেয়ারটি ১.১৬০০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। RSI ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারটি ৫০ পয়েন্টের উপরে অবস্থান করছে। এর ফলে পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। ১০০ SMA অনুযায়ী পেয়ারের রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১.১৬১০ এবং ২০০ SMA অনুযায়ী ১.১৬৩৫ রেজিস্ট্যান্সে যেতে পারে।  আপট্রেন্ড অব্যাহত থাকলে সেক্ষেত্রে ১.১৬৯৫

বিয়ারিশ ট্রেন্ড শক্তিশালী হয়ে ১.৩৬০০ প্রাইসে যেতে পারে GBPUSD

GBPUSD পেয়ারের প্রাইস কমে ৩ সপ্তাহের নিন্ম প্রাইস ১.৩৬৪০ অতিক্রম করে ১.৩৬০০ প্রাইসে যেতে পারে। আজ মঙ্গলবার এশিয়ান সেশনে পেয়ারটি ১.৩৬৫০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। GBPUSD ১.৩৬০০ প্রাইস অতিক্রমের পরবর্তীতে ২০ জুলাইয়ের নিন্ম প্রাইস ১.৩৫৭৫-তে যেতে পারে। পেয়ারের পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ১.৩৫৭৫।  পেয়ার ক্রমাগত ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত রাখতে সক্ষম হলে সেক্ষেত্রে ১.৩৪১০ প্রাইসে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স হিসেবে দেখা হচ্ছে ৫০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ ১.৩৭১২। ফিবো

EURUSD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ০১ – ০৫ নভেম্বর, ২০২১)

গত সপ্তাহের শুরুর দিকে EURUSD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেলেও সপ্তাহের শেষের দিকে কমেছিল। যা সাপ্তাহিক চার্টে পেয়ারকে বিয়ারিশ ক্যান্ডেলে পরিনত করেছে। বৃহস্পতিবার EURUSD অক্টোবরের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.১৬৯১-তে উঠলেও পরবর্তীতে একই দিনে কমে ১.১৬০০ প্রাইসের নিচে  এসেছিল। এর ফলে পেয়ারটি বছরের সর্বনিন্ম প্রাইসের কাছাকাছি এসেছিল। বৃহস্পতিবার ইউরোপিয়ান মিশ্র ডাটা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মনেটারী পলিসি মিটিংয়ের দ্বারা ইউরো প্রভাবিত হয়েছিল। মিটিংয়ে ইউরোপিয়ান কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইন্টারেস্ট রেট অপরিবর্ত

০.৮৫৩০  ব্রেকে সক্ষম হলে EURGBP পেয়ারের ডাউনসাইড প্রেসার দুর্বল হতে পারে– কমার্জব্যাংক

গত দুদিন EURGBP পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেলেও আজকের সেশনে কমতে শুরু করেছে। কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট কারেন জনসের মতে, পেয়ার ০.৮৫৩০ এর নিচে থাকা পর্যন্ত ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট হচ্ছে ০.৮৫০০। ৫৫ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ০.৮৫৩০ প্রাইসে রেজিস্ট্যান্স দেখা যাচ্ছে। EURGBP ০.৮৫৩০ রেজিস্ট্যান্স অতিক্রমে সক্ষম হলে আপট্রেন্ড শক্তিশালী হয়ে ০.৮৬৬০ প্রাইসে যেতে পারে। অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট ০.৮৪০০ এবং পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ২০১৯ সালের সর্বনিন্ম

চার ঘন্টার চার্টে GBPJPY

চার ঘন্টার চার্টে দেখা যাচ্ছে GBPJPY পেয়ার তৃতীয় ক্যান্ডেল আপট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে। সপ্তাহের শেষের দিন ইউরোপিয়ান সেশনে পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে দিনের সর্বোচ্চ ১৫৬.৭৬ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। পেয়ারটি বুলিশ ফ্ল্যাগ অতিক্রমে সক্ষম হলে আপট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। ৫০ দিনের সিম্পল মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী সেক্ষেত্রে পেয়ারের রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১৫৭.০০।  পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১৫৭.৫৫। ১০০ দিনের সিম্পল মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ১৫৫.৭০ সাপোর্ট দেখা যাচ্ছে। পেয়ারের পরবর্তী সাপোর্ট

১.৩৮০০ প্রাইসে যাচ্ছে GBPUSD

গতকাল GBPUSD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১.৩৮০০-তে গেলেও আজকের সেশনে পুনরায় কমে ১.৩৭৮০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, পুনরায় পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১.৩৮০০ এর দিকে যেতে পারে। মার্কিন ডলারের সেলিং প্রেসার পাউন্ডের প্রাইস বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। গতকাল তৃতীয় প্রান্তিকে মার্কিন জিডিপি প্রত্যাশিত ২.৭% থেকে কমে ২.০% এসেছে। যা পূর্বের জিডিপি ৬.৭% এর তুলনায় খুবই খারাপ এসেছে। জিডিপি কমার ফলে ফেডের মনেটারি পলিসি নমনীয় করার ক্ষেত্রে বাধা হতে পারে। যা ডলারের প্রাইস কমার ক্ষেত

EURUSD প্রাইস অ্যানালাইসিস

গতকাল EURUSD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে মাসের সর্বোচ্চ প্রাইসে উঠেছিল। মে মাসের পরবর্তীতে EURUSD একদিনে সর্বোচ্চ বৃদ্ধি পেয়েছিল। আজ শুক্রবার এশিয়ান সেশনে পেয়ারের প্রাইস কিছুটা কমে ১৬৮০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। MACD ইনডিকেটর পেয়ারের বুলিশ সিগন্যাল দিচ্ছে এবং RSI ইনডিকেটর অনুযায়ী  পেয়ারে এখনো ওভারবট অঞ্চলে পৌঁছায়নি। সুতরাং পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। পেয়ারটি ১.১৬৯০ প্রাইস অতিক্রমের পরবর্তীতে ১.১৭০০ প্রাইসে যেতে পারে। ৫০% এবং ৬১.৮% ফিবোনাসি অনুযায়ী পরবর্তী রেজিস্ট্যন্সগুলো হ

ফরেক্স মার্কেটে প্রভাব বিস্তারকারী কিছু ইভেন্ট

আজকের ফরেক্স ট্রেডিং চার্টে দেখা যাচ্ছে, মার্কিন ডলারের বিপরীতে মেজর কারেন্সিগুলোর অধিকাংশের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রাইস বৃদ্ধির পেছনে দেখা যাচ্ছে তৃতীয় প্রান্তিকে মার্কিন জিডিপি প্রত্যাশিত ২.৭% থেকে কমে ২% এসেছে। যা ডলারের বিপরীতে অন্যান্য কারেন্সিগুলোকে শক্তিশালী করেছে। ইউরোজোন ইভেন্টগুলোতে দেখা যাচ্ছে, অক্টোবরে সার্ভিস সেন্টিমেন্ট প্রত্যাশিত ১৬.৫ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১৮.২ পয়েন্ট এসেছে।  ইন্ডাস্ট্রীয়াল কনফিডেন্সও অক্টোবরে প্রত্যাশার থেকে বেড়ে ১৪.২ পয়েন্ট এসেছে। ইউরোপিয়ান কেন্দ্র

ব্রিটিশ বাজেটের পূর্বে ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে

আজ সেশনের শুরুর দিকে মার্কিন ডলারের প্রাইস কমলেও ব্রিটিশ বাজেটের পূর্বে বৃদ্ধির পাচ্ছে। বর্তমানে ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ৯৩.৯৭ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। পরবর্তী সপ্তাহে ফেডারেল রিজার্ভের মিটিংয়ের পূর্বে মার্কিন ডলার ব্যাকআউট সময়ে থাকতে পারে। বিনিয়োগকারীদের ফোকাসে রয়েছে আগামী সপ্তাহের ফেডারেল রিজার্ভ মিটিং। মার্কিন ডলারকে প্রভাবিত করার মতো ইভেন্টগুলোর মধ্যে সেপ্টেম্বরের মার্কিন টেকসই পণ্যের অর্ডার, আগামীকালের তৃতীয় প্রান্তিকের জিডিপি রিপোর্ট গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। আজক

AUDUSD পেয়ারের রেজিস্ট্যান্স হিসেবে দেখা যাচ্ছে ০.৭৫৫০

গত সপ্তাহের শেষের দিন AUDUSD পেয়ার ডজি ক্যান্ডেল তৈরির পরবর্তীতে চলতি সপ্তাহের প্রথম ‍দুদিন পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেলেও আজকের সেশনে কমতে শুরু করেছে। বর্তমানে পেয়ারটি ০.৭৪৯০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। ডেইলি চার্টে ০.৭৫৫০ শক্ত রেজিস্ট্যান্স হিসেবে দেখা যাচ্ছে। পেয়ারটি উক্ত রেজিস্ট্যান্সে যাওয়ার পূর্বে ০.৭৫৬১ রেজিস্ট্যান্স হতে পারে।  MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারটি ওভারবট অঞ্চলে রয়েছে। সেক্ষেত্রে প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। অপরদিকে পেয়ার আপট্রেন্ড অব্যাহত রাখতে সক্ষম হলে ০.৭৬৫০

১.৩৭৫০ সাপোর্টের কাছাকাছি অবস্থান করছে GBPUSD

আজ বুধবার ইউরোপিয়ান সেশনে GBPUSD পেয়ার ১.৩৭৬৫ এর কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। পেয়ারটি ২৯ সেপ্টেম্বরের সর্বনিন্ম থেকে রিকভার হতে শুরু করেছে। পেয়ারটি ৫০ SMA অনুযায়ী ১.৩৭৭০ অতিক্রমে সক্ষম হলে আপট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। অপরদিকে ২০০ SMA অতিক্রমে ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট হিসেবে দেখা যাচ্ছে ১.৩৭৫০ এবং পরবর্তী সাপোর্ট হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে ১.৩৭৪০। GBPUSD ২০০ SMA অনুযায়ী ১.৩৬৮৫ অতিক্রমে সক্ষম হলে ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। অপরদিকে পেয়ার ৫০ SMA অনুযায়

মার্কিন ডলারের বিপরীতে সুইস ফ্রাঙ্ক শক্তিশালী হচ্ছে

আজ বুধবার ইউরোপিয়ান সেশনে USDCHF পেয়ারের প্রাইস কমে ০.৯২০০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হয়ে ২০০ DMA অতিক্রমে সক্ষম হলে বিয়ারিশ অবস্থান শক্তিশালী হতে পারে। অপরদিকে ৫০ DMA অতিক্রমে বুলিশে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ার বিয়ারিশে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট হিসেবে দেখা হচ্ছে ২০০ DMA অনুযায়ী ০.৯১৪৬। পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে আগস্টের মাঝামাঝির নিন্ম প্রাইস ০.৯১০০।  পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড ক্রমাগত শক্তিশালী হলে ০.৯০২০ প্রাইসে যাওয়ার সম্ভা

১১৪.০০ সাপোর্ট হিসেবে কাজ করছে USDJPY

আজ বুধবার ইউরোপিয়ান সেশনের শুরুর দিকে USDJPY পেয়ারের প্রাইস কমে ১১৪.০০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। ডেইলি চার্টে ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৫০% ও ৬১.৮% অনুযায়ী পেয়ার ২০-২২ অক্টোবরের প্রাইস ১১৪.০৫ থেকে ১১৪.২০ রেঞ্জের মধ্যে মুভমেন্ট করছে। পেয়ারের বর্তমান চ্যালেঞ্জ হবে ১১৪.৩০ রেজিস্ট্যান্স অতিক্রম করা। USDJPY ১১৪.৩০ অতিক্রমে সক্ষম হলে গত সপ্তাহের সর্বোচ্চ ১১৪.৭০-তে যেতে পারে। যা কয়েক বছরের সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। অপরদিকে ১০০ ঘন্টার মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ১১৪.০০ অতিক্রমের পরবর্তীতে ১১৩.৯০ সাপ

১৩২.৫০ প্রাইসের নিচে মুভমেন্ট করছে EURJPY

সপ্তাহের মাঝামাঝিতে EURJPY পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে।  যদিও গতকাল পেয়ার আপসাইড মোমেন্টামে ছিল, তবে আজকের সেশনে ন্যারো রেঞ্জে মুভমেন্ট করছে। আর্টিকেল লেখার সময় পেয়ারটি ১৩২.৪১ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। ডেইলি চার্টে দেখা যাচ্ছে, ১০ জুন পেয়ারের প্রাইস কমে সর্বনিন্ম ১২৮.৩৩ আসলেও ২০ অক্টোবর বৃদ্ধি পেয়ে চার মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১৩৩.৪৮ গিয়েছিল। যদিও সোমবার পেয়ার সর্বনিন্ম ১৩১.৮৫ প্রাইসে এসেছিল। পেয়ার আজকের সেশনের সর্বোচ্চ প্রাইস ১৩২.৫১ ব্রেকের পরবর্তীতে গতকালের সর্বোচ্চ প্রাইস ১৩২

বছরের নিন্ম থেকে রিকভারের চেষ্টায় EURGBP

EURGBP পেয়ারের প্রাইস কমে বছরের সর্বনিন্ম ০.৮৪০০-তে আসলেও আজ বুধবার বৃদ্ধির চেষ্টা করছে। পেয়ারটি ন্যারো রেঞ্জে মুভমেন্ট করছে এবং ০.৮৪২৪ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। ডেইলি চার্টে দেখা যাচ্ছে, ২৯ সেপ্টেম্বর EURGBP চার মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৮৬৫৮ থেকে কমতে শুরু করেছে। পরবর্তীতে ১৪ অক্টোবর ৫০ দিনের সিম্পল মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ০.৮৫৪৭ ব্রেকে সক্ষম হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, পেয়ার ০.৮৪০০ ব্রেক করে নিচে নামতে সক্ষম হলে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির নিন্ম প্রাইস ০.৮২৮২-তে যেতে পারে। অন্যদিকে মু

প্রত্যাশার উপরে CPI অস্টেলিয়ান ডলারের প্রাইস বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে

এশিয়ান সেশনে মার্কিন ডলার নমনীয় অবস্থানে দেখা যাচ্ছে। প্রত্যাশার উপরে কনজিউমার প্রাইস বৃদ্ধির কারণে অস্টেলিয়ান ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে মার্কিন ডলারের প্রাইস কমে ৯৩.৯২ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। অস্টেলিয়ান কোর কনজিউমার প্রাইস তৃতীয় প্রান্তিকে ১.৮% থেকে বেড়ে ২.১% এসেছে। অস্টেলিয়ান ব্যুরো অব স্ট্যাটিস্টিক্স  ও রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্টেলিয়ার নির্ধারিত টার্গেট অনুযায়ী ২-৩% এর মধ্যে ছিল। এর ফলে সিডনি সকালে অস্টেলিয়ান ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে। ব্লুমবার্গ রিপোর্ট অনুযায়ী ত

গোল্ডের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১৮১৩ এর দিকে যাচ্ছে- কমার্জব্যাংক

গত কয়েকদিন গোল্ডের প্রাইস বৃদ্ধি পেলেও আজকের সেশনে কমতে শুরু করেছে। বর্তমানে গোল্ড ১৮০৩ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। যদিও আজকের সেশনে গোল্ড সর্বোচ্চ ১৮০৮ প্রাইসে উঠেছিল। কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট টিম কারেন জনস বলেন, ৫৫ সপ্তাহের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী গোল্ড ১৮১৩ রেজিস্ট্যান্সে যেতে পারে।  গোল্ডের পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ২০২০ সালের সর্বোচ্চ প্রাইস ১৮৪২। গোল্ডের আপট্রেন্ড স্থায়ী হলে সেক্ষেত্রে ১৮১৩ অতিক্রমের পরবর্তীতে ১৯৭১ রেজিস্ট্যান্সে যেতে পারে। সবচেয়ে কম স্প

GBPUSD প্রাইস অ্যানালাইসিস

ডেইলি চার্টে দেখা যাচ্ছে, চতুর্থদিনের মতো  GBPUSD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১.৩৮০০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। GBPUSD ডেইলি চার্টে লক্ষ্য করে দেখা যাচ্ছে, পেয়ারের প্রাইস কমে ১.৩৭০০ এর দিকে যেতে পারে। পেয়ারের ক্ষেত্রে ১.৩৬৭০-৭৫ হরিজোনটাল জোন হিসেবে কাজ করতে পারে। MACD এবং RSI ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। অপরদিকে পেয়ার ১.৩৮০০ রেজিস্ট্যান্স অতিক্রমের পরবর্তীতে ১.৩৮৩০-৩৫ হরিজোনটাল রেজিস্ট্যান্স হতে পারে। পেয়ার ২০০ SMA অতিক্রমে সক্ষম হলে ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে

কমার্জব্যাংকের আলোচনায় EURUSD

চলতি সপ্তাহে EURUSD পেয়ার অস্বস্থির মধ্যে দেখা যাচ্ছে। কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট টিম প্রধান কারেন জনসের মতে, পেয়ারের নিন্মমূখী অবস্থান পুনরায় শক্তিশালী হতে পারে। চার ঘন্টার চার্ট অনুযায়ী পেয়ারের আপট্রেন্ড পুনরায় শক্তিশালী হলে সেক্ষেত্রে ১.১৭২১ প্রাইসে যেতে পারে। অপরদিকে ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৫০% অনুযায়ী পূর্বের সপ্তাহের নিন্ম প্রাইস ১.১৫২২ যেতে পারে। EURUSD সপ্তাহের নিন্ম প্রাইস ১.১৫২২-তে গেলেও তা ২০২০ সালের পরবর্তীতে সর্বনিন্ম প্রাইস হবে। পেয়ারের পরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হতে পার

০.৮৪৭১ রেজিস্ট্যান্স ব্যর্থ হয়ে ০.৮২৩৯ প্রাইসে যেতে পারে EURGBP- কমার্জব্যাংক

সপ্তাহের শুরুর দিকে EURGBP পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেলেও গত দুদিন বিয়ারিশে দেখা যাচ্ছে। কমার্জব্যাংক টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস্ট প্রধান কারেন জনসের মতে, পেয়ারটি যেহেতু ০.৮৪৭১ রেজিস্ট্যান্স অতিক্রমে ব্যর্থ হয়েছে সেহেতু ২০১৯ সালের সর্বনিন্ম প্রাইস ০.৮২৩৯ যেতে পারে। পেয়ারটি ০.৮২৩৯ প্রাইস অতিক্রমে সক্ষম হলে ২০০ মাসের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ০.৮১৫৯ সাপোর্টে যেতে পারে।  অপরদিকে পেয়ার পুনরায় ০.৮৪৭১ রেজিস্ট্যান্স অতিক্রমে সক্ষম হলে ৫৫ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ০.৮৫৩২ এবং পরবর্তী রেজিস্ট

১১৪.০০ প্রাইসে যাচ্ছে USDJPY

দ্বিতীয় দিনের মতো USDJPY পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইউরোপিয়ান ট্রেডিং সেশনে পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১১৩.৮৮ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। গত সপ্তাহে পেয়ারটি চার বছরের সর্বোচ্চ প্রাইস ১১৪.৬৯-তে উঠেছিল। অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট হতে পারে গত ৩ দিনের নিন্ম প্রাইস ১১৩.৪৫।  পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত থাকলে সেক্ষেত্রে ২২ সেপ্টেম্বরের নিন্ম প্রাইস ১০৯.১২-তে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। USDJPY পেয়ার ১১৪.০০ প্রাইস অতিক্রমে সক্ষম হলে ১১৪.৫০ হরিজোনটাল রেজিস্ট্যান্স হিসেবে কাজ করতে পারে।

প্যাটার্ন চার্ট অতিক্রমে USDCAD পেয়ারের আপ-ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে

সপ্তাহের প্রথমদিন পেয়ারটি ডজি ক্যান্ডেল তৈরি করলেও গতকাল কিছুটা প্রাইস বৃদ্ধি পেয়েছিল। বর্তমানে ওপেন প্রাইস ১.২৩৭৫ থেকে কমে ১.২৩৭২ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। লোনি কারেন্সি পেয়ার ২য় চার্ট প্যাটার্ন অতিক্রমে ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। অপরদিকে ১ম চার্ট প্যাটার্ন অতিক্রমে আপট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে।  পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট হতে পারে জুন মাসের নিন্ম প্রাইস ১.২২৫২। অপরদিকে পেয়ার ১.২৪০০ অতিক্রমে সক্ষম হলে ১৮ অক্টোবরের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.২৪১০ যেতে পারে। ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৬১.৮% অনুযা


বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

বিডিপিপস চ্যাট রুম

বিডিপিপস চ্যাট রুম

    চ্যাট করতে লগিন বা রেজিস্ট্রেশন করুন।
    ×
    ×
    • Create New...