Jump to content

BDPIPS - Forex Bangladesh

প্রত্যাশার তুলনায় বেড়েছে ইউরোজোন GDP

আজকের সেশনে ইউরোকে প্রভাবিত করার মতো ইভেন্টগুলোর মধ্যে অন্যতম ইউরোজোন  GDP। প্রত্যাশা করা হয়েছিল দ্বিতীয় প্রান্তিকে GDP ১.৫% বৃদ্ধি পেতে পারে। রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে ২% বৃদ্ধি পেয়েছে, যা  ইউরোকে শক্তিশালী করেছে।  বাৎসরিক ব্যবধানে জিডিপি প্রত্যাশিত ১৩.২% থেকে বেড়ে ১৩.৭% এসেছে। জুলাই মাসে ইউরোজোন CPI ১.৯% থেকে বেড়ে ২.২% এসেছে।  তবে কোর CPI প্রত্যাশিত ০.৮% থেকে কমে ০.৭% এসেছে।  আজ প্রকাশিত জুন মাসের বেকারত্ব রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, জুনে ইউরোজোনে বেকারত্ব ৭.৯% থেকে কমে ৭.৭% এসেছে।  যা

নিউজিল্যান্ড ডলারের বিপরীতে মার্কিন ডলার শক্তিশালী হচ্ছে

গতকাল NZDUSD পেয়ারের প্রাইস কমলেও আজকের সেশনে বৃদ্ধি পাচ্ছে।  আজ শক্রবার পেয়ারটি ০.৭০০০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারটি ০.৬৯২০ প্রাইস অতিক্রমে সক্ষম হলে ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে।  পরবর্তীতে ০.৬৮৮০ প্রাইসে যেতে পারে এবং পেয়ার ০.৬৮৮০ অতিক্রমে সক্ষম হলে ০.৬৮০০ প্রাইসে যেতে পারে। অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স ০.৭০২০।  ২০০ DMA অনুযায়ী ০.৭১০০ অতিক্রমের পরবর্তীতে ০.৭১১০ প্রাইসে যেতে পারে। NZDUSD ডেইলি চার্ট আজ শেষদিন XM ব্রোকারে জ

GOLD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস

বৃহস্পতিবার গোল্ডের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে দুসপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাইস ১৮৪০-তে গেলেও আজ শুক্রবার কমতে শুরু করেছে।  মার্কিন ডলার চতুর্থ দিন ডাউনট্রেন্ডে থাকলেও আজ বৃদ্ধির চেষ্টা করছে।  যা গোল্ডের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ডেইলি চার্টে MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।  অপরদিকে পেয়ারটি ২০০ DMA এর নিচে আসলে ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে।  গোল্ডের ক্ষেত্রে ১৮৪৫ শক্ত রেজিস্ট্যান্স হতে পারে। সেলারদের টার্গেট থাকবে ২০০ DMA অনুযায়ী ১৮২০।  গোল্ড ১৮২০ অতিক্রমে সক্ষ

১৫৩.০০ প্রাইসের নিচে অবস্থান করছে GBPJPY

গতকাল শুরুর দিকে GBPJPY পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেলেও পরবর্তীতে কমে ডজি ক্যান্ডেল তৈরি করেছিল।  আজ শুক্রবার এশিয়ান সেশনে পেয়ার সামান্য কমে ১৫২.৭০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। বেক্সিট আশাবাদ এবং দুর্বল ইয়েনের অনুকূলে বৃহস্পতিবার পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১৩ জুলাইয়ের সর্বোচ্চে গিয়েছে।  জাপানে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা প্রথমবারের মতো ১০ হাজার অতিক্রম করেছে।  যা নীতিনির্ধারকদের পুনরায় জরুরী অবস্থার কথা ভাবিয়ে তুলতে পারে। ৫০ DMA অনুযায়ী পেয়ারটি ১৫৩.৫৫ প্রাইসে যেত পারে।  অপরদিকে ১০০ DMA অন

০.৮৫২০ সাপোর্টের কাছাকাছি অবস্থান করছে EURGBP

আজকের সেশনে EURGBP ০.৮৫০০ প্রাইসে ওপেন হলেও বর্তমানে ০.৮৫২০ সাপোর্টের কাছাকাছি অবস্থান করছে।  পেয়ারটি ০.৮৫২০ সাপোর্ট অতিক্রমে সক্ষম হলে ০.৮৫০০ প্রাইসে যেতে পারে। পেয়ারের পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ৬ এপ্রিলের নিন্ম প্রাইস ০.৮৪৮৫।  MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ার ওভারসোল্ডে রয়েছে।  যা পেয়ারের আপট্রেন্ড নির্দেশ করছে।  পেয়ারের পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ৫ এপ্রিলের নিন্ম প্রাইস ০.৮৪৭০। অপরদিকে পেয়ারের ক্ষেত্রে ০.৮৫৩০ হরিজোনটাল রেজিস্ট্যান্স হিসেবে কাজ করতে পারে।  পরবর্তী আপসাইড প্রাইস হতে পারে ০.

গোল্ডের প্রাইস বেড়ে মাসের সর্বোচ্চে অবস্থান করছে

FOMC মনেটারী পলিসি মিটিংয়ের এনাউন্সমেন্টকে কেন্দ্র করে গত ২৪ ঘন্টায় গোল্ডের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে মাসের সর্বোচ্চ প্রাইসে অবস্থান করছে। গতকালের মিটিংয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রত্যাশা অনুযায়ী ইন্টারেস্ট রেট অপরিবর্তনীয় রেখেছে। রেট ডিসিশনের পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চেয়ারম্যান জেরেমি পাওয়েল আলোচনায় ইন্টারেস্ট রেট বাড়ানোর জন্য অপেক্ষা করতে বলেছেন।  যা মার্কিন ডলারের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।  এর ফলে মার্কিন ডলারের বিপরীতে গোল্ডের পাশাপাশি অন্যান্য কারেন্সিগুলোর প্রাইস শক্তিশালী হচ্ছে।

ফেডের মন্তব্যে মাসের সর্বনিন্ম প্রাইসে মার্কিন ডলার

মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ ইন্টারেস্ট রেট বাড়াবে না এমন আশ্বাস দেয়ার পরবর্তীতে আজ বৃহস্পতিবার ডলারের প্রাইস কমে মাসের সর্বনিন্মে অবস্থান করছে। মার্কিন ডলারের প্রাইস কমার ফলে ইয়েন, ইউরো, পাউন্ড এবং অস্টেলিয়ান কারেন্সিগুলোর প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে।  গতকাল ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরেমি পাওয়েল  ইন্টারেস্ট রেট বৃদ্ধি এখনও দূরে এমন মন্তব্য করার ফলে ডলার তার এক মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস থেকে কমতে শুরু করেছে। কারেন্সি বিশেষজ্ঞ পিটার কিনসেলা বলেছেন, আমরা রাতারাতি ডলারের দুর্বলতা দেখেছি এবং

USDJPY সেলারদের টার্গেট ১০৯.৫০

ইউরোপিয়ান ট্রেডিং সেশনের শুরু থেকে USDJPY পেয়ারের প্রাইস কমছে।  বর্তমানে পেয়ারটি ১০৯.৮০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। আজকের সেশনের পেয়ারের প্রাইস কমে সর্বনিন্ম ১০৯.৬৫-তে এসেছিল।  পেয়ারটি ১০৯.৫০ প্রাইস ব্রেকে সক্ষম হলে ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারটি নিরপেক্ষ অবস্থানে রয়েছে।  USDJPY ১০৯.৫০ ব্রেকে সক্ষম হলে ২০ জুলাইয়ের সর্বনিন্ম প্রাইস ১০৯.৩২-তে যেতে পারে।  পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ১০৯.০০। অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স লেভেল  ১১০.০০। পরবর্ত

০.৭২৩০ প্রাইসে যেতে পারে AUDUSD -  কমার্জব্যাংক

AUDUSD ০.৭৩৯০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে।  কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট কারেন জনসের মতে, পেয়ারের প্রাইস কমে ০.৭২৩০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। ২০০ সপ্তাহের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী পেয়ারটি ০.৭২৩২ অতিক্রমের পরবর্তীতে ০.৭০৫৪ প্রাইসে যেতে পারে। অপরদিকে ২০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ০.৭৪২৩ রেজিস্ট্যান্স হতে পারে।  পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে জুন ও জুলাই মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৭৫৯৯। আর মাত্র ১ দিন XM ব্রোকারে জুলাই মাসে ডিপোজিটে ৫০% বোনাস

মার্কিন ডলারের বিপরীতে ব্রিটিশ পাউন্ডের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে

ফেডের ডোভিশ আলোচনাকে কেন্দ্র করে GBPUSD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে।  চলতি সপ্তাহে চতুর্থ দিনের মতো GBPUSD আপট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে। যুক্তরাজ্যে ক্রমবর্ধমান করোনাভাইরাসের সংক্রামণ কিছুটা হ্রাস পেতে শুরু করেছে।  যা পাউন্ডের প্রাইস বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে।  দেশটিতে সংক্রামণের চতুর্থ ঢেউ চলছে, যা ধীর হয়ে এসেছে।  সম্প্রতি প্রতিদিন দেশটিতে  ২০ থেকে ২৫ হাজারের মতো আক্রান্ত হচ্ছে। যুক্তরাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা কমলেও ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলোতে বৃদ্ধি পাচ্ছে।  যা যুক্তরাজ্যে ভয়ের সাথে ব্র

০.৭৪০০ প্রাইস অতিক্রমের চেষ্টায় AUDUSD

AUDUSD দ্বিতীয় দিনের মতো আপট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে।  বর্তমানে পেয়ারের বুলিশ অবস্থান ন্যারো রেঞ্জে রয়েছে। বর্তমানে পেয়ারের প্রাইস সামান্য বেড়ে ০.৭৩৭৬ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী ০.৭৩৫০ হরিজোনটাল সাপোর্ট হিসেবে কাজ করতে পারে।  ২১ জুলাইয়ের সর্বনিন্ম প্রাইস  ০.৭২৮৮ সাপোর্ট হিসেবে কাজ করতে পারে।   অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স  ০.৭৪০০।  পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১৬ জুলাইয়ের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৭৪৪৪। AUDUSD ডেইলি চার্ট আর মাত্র ১ দিন XM ব্রোকা

১৫৩.০০ প্রাইসের নিচে অবস্থান করছে GBPJPY

আজ বৃহস্পতিবার এশিয়ান সেশনে GBPJPY পেয়ার দুসপ্তাহের মতো আপট্রেন্ড অব্যাহত রেখে ১৫২.৮০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। পেয়ার ১৫৩.০০ প্রাইস অতিক্রমে ব্যর্থ হলে ১০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ১৫২.৬০ প্রাইসে আসতে পারে।  পেয়ারের দুর্বলতা বৃদ্ধি পেলে ১৫২.০০ প্রাইস এবং পরবর্তীতে জুনের সর্বনিন্ম প্রাইস ১৫১.৩০ এবং জুলাইয়ের নিন্ম প্রাইস ১৫০.৬৫ যেতে পারে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, পেয়ারটি ১৫৩.০০ প্রাইস অতিক্রমে সক্ষম হবে পরবর্তীতে ১৫৪.০০ প্রাইসে যেতে পারে। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে জুনের সর্

ফেড মিটিংয়ের পূর্বে মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের মিটিংয়ের পূর্বে আজ বুধবার মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে।  যদিও শুরুর দিকে কিছুটা কমার চেষ্টা করেছিল। জুনের মিটিংয়ে ফেডের হাকিশ আলোচনাকে কেন্দ্র করে ডলার গত একমাস ব্যাপী বৃদ্ধি পাচ্ছে।  এ মাসেও ডলার একই ধারা অব্যাহত রাখতে চলেছে। বিনিয়োগকারীরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতি  বৃদ্ধির মধ্যে টেপারিংয়ের বিষয়ে ফেড থেকে পুনরায় কি আলোচনা আসে তার অপেক্ষা করছে। আজ রাত ০৮:৩০ মিনিটে ফেডের ইন্টারেস্ট রেট ডিসিশন, মনেটারী পলিসি এস্টেটম

GBPUSD প্রাইস অ্যানালাইসিস

GBPUSD তৃতীয় দিনের মতো বৃদ্ধি পেলেও ১.৩৯০০ প্রাইস অতিক্রমে সক্ষম হয়নি। যুক্তরাজ্যে মুক্ত চলাচল এবং ব্রেক্সিট উদ্বেগ নিরসনের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমন নীতি-নির্ধারকদের বিবেচনায় আসার সাথে সাথে ব্রিটিশ পাউন্ডের প্রাইস বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। এদিকে ফেড ইভেন্টের অপেক্ষায় ডলারের প্রাইস কিছুটা স্থিতিশীল থাকায় ব্রিটিশ পাউন্ড অতিরিক্ত সুবিধা পাচ্ছে।  GBPUSD ১.৩৯০০ প্রাইস অতিক্রমের অপেক্ষায় রয়েছে।   ১০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী পেয়ারের পরবর্তী পদক্ষেপ হতে পারে ১.৩৯২৪। ৫০ দিনের মুভিং

সিডনি লকডাউন অস্টেলিয়ান ডলারকে যেভাবে প্রভাবিত করছে

দ্বিতীয় প্রান্তিকে অস্টেলিয়ান মুদ্রাস্ফীতি প্রত্যাশার উপরে আসলেও মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্টেলিয়ান ডলার প্রায় অপরিবর্তনীয় রয়েছে। মুদ্রাস্ফীতি প্রত্যাশিত ০.৭% থেকে বেড়ে ০.৮% এসেছে। তবে বাৎসরিক ব্যবধানে অপরিবর্তনীয় রয়েছে।  অস্টেলিয়ায় ভাইরাসের নতুন ঢেউ লাগতে শুরু করেছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দেশটির অর্ধেকের বেশি মানুষ লকডাউনে রয়েছে। দেশটির বর্তমান অবস্থান রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্টেলিয়ার পলিসিকে সংকুচিত নাকি সম্প্রসারিত করবে, সেটা দেখার বিষয়। কোভিডের বর্তমান উচ্চ বিধি-নিষেধে দেশের ইকোনমি পুনর

৭২.২০ অতিক্রমে শক্তিশালী হতে পারে WTI বুলিশ ট্রেন্ড

গত দুদিন প্রাইস কমলেও আজ WTI ক্রুড তেলের প্রাইস বেড়ে ৭১.৮৮ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  ২০০ SMA অনুযায়ী WTI ৭২.২০ অতিক্রমে সক্ষম হলে আপট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। WTI ৭৫.০০ প্রাইস অতিক্রমে সক্ষম হলে মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ৭৬.৪০-তে যেতে পারে।  অপরদিকে পেয়ারে ৭০.৮০ সাপোর্ট অতিক্রমে সক্ষম হলে ৭০.০০ সাপোর্টে যেতে পারে।  পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ৭০.০০। WTI ক্রুড তেলের ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হলে সেক্ষেত্রে বৃহস্পতিবারের সর্বনিন্ম প্রাইস ৬৯.৭০ অতিক্রমে পরবর্তীতে মাসের নিন্ম প্রাইস ৬৫.০০ যেতে পা

GBPJPY প্রাইস অ্যানালাইসিস

আজ বুধবার এশিয়ান সেশনে GBPJPY পেয়ার ১৫২.৫০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে।  RSI অনুযায়ী পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। ২০০ DMA অনুযায়ী পেয়ারের পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১৫৩.০০। পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১৫৩.০০ উপরে উঠলে ওভারবটে যেতে পারে।  যা প্রাইস কমার সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।  পেয়ার সফলভাবে ১৫৩.০০ অতিক্রমে সক্ষম হলে মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১৫৪.১০-তে যেতে পারে। অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট ২৩ জুনের সর্বনিন্ম প্রাইস ১৫২.১০ এবং পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ১৫১.৮০।  পেয়ার জু

ফেড মিটিংয়ের পূর্বে বুলিশ অবস্থানে EURUSD

গতকাল EURUSD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে দুসপ্তাহের সর্বোচ্চে এসেছিল।  আজ বুধবার এশিয়ান সেশনে পেয়ারটি ১.১৮০০ প্রাইসের উপরে অবস্থান করছে।  ডেইলি চার্টের দেখা যাচ্ছে, চলতি সপ্তাহে পেয়ারটি তৃতীয় দিনের মতো আপট্রেন্ড অব্যাহত রাখতে চলেছে।  MACD histogram অনুযায়ী পেয়ারটি শক্তিশালী বুলিশ সিগন্যাল দিচ্ছে। EURUSD ১.১৮২০ অতিক্রমের পরবর্তীতে মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.১৯০০-তে যেতে পারে।  পেয়ারটি ১.১৯০০ অতিক্রমের পরবর্তীতে ৫০ এবং ১০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ১.১৯৭৫-৮০ প্রাইসে যেতে পারে।  যা জুন ম

১০০ DMA অতিক্রমে বৃদ্ধি পেতে পারে GBPJPY পেয়ারের প্রাইস

GBPJPY পেয়ার বর্তমানে ১৫২.৩০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে।  ১০০ DMA অনুযায়ী পেয়ার ১৫২.৫৫ প্রাইস অতিক্রমে সক্ষম হলে আপট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে।  যদিও বর্তমানে পেয়ারটি কাছাকাছি অবস্থান করছে। ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৬১.৮% অনুযায়ী পেয়ারটি ১৫৩.১৬ প্রাইসে যেতে পারে। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১৫৩.৫০ এবং ১৫৪.১০। অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট হতে পারে ১৫২.০০।  পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে গত মাসের সর্বনিন্মম প্রাইস ১৫০.৬৫। GBPJPY ডেইলি চার্ট XM ব্রো

US ডাটার পূর্বে ১.১৮০০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে EURUSD

আজ মঙ্গলবার ইউরোপিয়ান সেশন ওপেন হওয়ার পূর্বে ১.১৮০০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে EURUSD।  সপ্তাহের শুরুতে আশাবাদী ভাইরাস সম্পর্কিত সংবাদ এবং মূল ইভেন্টগুলোর পূর্বে পেয়ার বুলিশ অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। গত সপ্তাহের শেষের দিকে অস্ট্রেলিয়া এবং যুক্তরাজ্যে কোভিড সংখ্যা নমনীয় হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মনভাব কিছুটা পজিটিভ হয়েছে।  যুক্তরাজ্য-অস্ট্রেলিয়ায় করোনা প্রভাব কিছুটা স্থিতিশীল হলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপে নতুন ডেল্টা ভাইরাসের ভয় দেখা দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র-চীনের কূটনীতিক

USDJPY সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ২৬ – ৩০ জুলাই, ২০২১)

গত সপ্তাহে USDJPY পেয়ার আপট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছিল। বিশ্বব্যাপী ফরেক্স মার্কেটটি কোভিড-১৯ এর প্রভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, ভারত থেকে ছড়িয়ে পড়া ডেল্টা বিশ্বব্যাপী প্রভাব সৃষ্টির চেষ্টা করছে।  যদিও অনেক উন্নত দেশ বেশিরভাগ টিকা দেয়া হয়েছে, তবে স্ট্রেনটি অত্যন্ত সংক্রামক।  যা বিশেষজ্ঞদের কাছে স্পষ্ট নয়। করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রাথমিকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভ্যাকসিনযুক্ত অঞ্চলে দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।  তবে ফেডের নীতি ডলারকে প্রভাবিত করছে। এছাড়াও ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি এবং ব্যাংক বন্ড ক্রয়ের হস্ত

USDCAD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ২৬ – ৩০ জুলাই, ২০২১)

গত সপ্তাহের শুরুর দিকে কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস কমলেও সপ্তাহের শেষের দিকে বৃদ্ধি পেয়েছিল। বর্তমানে পেয়ারটি ১.২৫ প্রাইসের সামান্য উপরে অবস্থান করছে। সপ্তাহের শেষের দিন কানাডিয়ান রিটেইল সেলস রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়। রিপোর্টটি প্রত্যাশার থেকে বেশি এসেছিল।  তবে মে মাসের তুলনায় জুন মাসে রিটেইল সেলস বেড়েছে।  কানাডায় শাটডাউন এবং তৃতীয় তরঙ্গের ফলে এপ্রিল ও মে মাসে রিটেইল সেক্টরে প্রভাব পড়েছিল। এ সপ্তাহে যা হতে পারে চলতি সপ্তাহে পেয়ারকে প্রভাবিত করার মতো ইভেন্টগুলোর মধ্যে CB Consumer C

AUDUSD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট (২৬ – ৩০ জুলাই, ২০২১)

কয়েক সপ্তাহ মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্টেলিয়ান ডলার দুর্বল হচ্ছে। গত সপ্তাহে পেয়ারের প্রাইস কমে ০.৭২৮৮-তে আসলেও পরবর্তীতে কিছুটা রিকভার করে ০.৭৩৬০ প্রাইসে ক্লোজ হয়েছিল। পেয়ারের রিকভার মার্কিন ডলারের প্রাইস কমার কারণে হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ায় মহামারী বৃদ্ধির ফলে কয়েকটি এলায় লকডাউন বৃদ্ধি করা হয়েছে। Fed VS RBA রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়া তার সর্বশেষ মিটিংয়ে আর্থিক পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্য মুদ্রাস্ফীতি ও কর্মসংস্থান উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে পৌঁছানোর আগে ইন্টারেস্ট রেট নিন্মমূখী রাখার প্রত


বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×
×
  • Create New...