Jump to content

BDPIPS - Forex Bangladesh

GOLD সাপোর্ট-রেজিস্ট্যান্স

বেশ কিছুদিন গোল্ড নির্দিষ্ট রেঞ্জের মধ্যে মুভমেন্ট করছে। চলতি সপ্তাহে তৃতীয় দিনের মতো গোল্ডের প্রাইস কমছে। বর্তমানে গোল্ড দিনের সর্বনিন্ম প্রাইস ১৭৪৫ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। সাপ্তাহিক চার্টে ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৬১.৮% অনুযায়ী পেয়ারের সাপোর্ট হতে পারে ১৭৩৮।  গোল্ডের বিয়ারিশ অবস্থান শক্তিশালী হলে সেক্ষেত্রে ১৭৩৩ সাপোর্ট হতে পারে। গোল্ডের আপট্রেন্ড শক্তিশালী হওয়ার ক্ষেত্রে ডেইলি চার্টে ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৬১.৮% অনুযায়ী ১৭৫৪ রেজিস্ট্যান্সে বাধা পেতে পারে। গোল্ডের পরবর্তী বাধা-

পঞ্চম সপ্তাহ মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধির চেষ্টা

অ্যানার্জি সংকট, ঊর্ধ্ব মুদ্রাস্ফীতির অস্থিরতা থাকা সত্ত্বেও ফেডারেল রিজার্ভের ইন্টারেস্ট রেট বৃদ্ধির সম্ভাবনা ডলারের প্রাইস বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। ট্রেডাররা মার্কিন জব ডাটা থেকে কোন ক্লু খুজছেন। যা ফেডারেল রিজার্ভের পলিসি মিটিংয়ে প্রভাব ফেলতে পারে। ব্যাংক অব নিউজিল্যান্ড ইন্টারেস্ট রেট বৃদ্ধি এবং হাকিশ সুরে থাকা সত্ত্বেও নিউজিল্যান্ড ডলারের বিপরীতে মার্কিন ট্রেজারি রিপোর্টকে কেন্দ্র করে মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে। NZDUSD পেয়ারের প্রাইস কমে বর্তমানে ০.৬৮৮০ এর কাছাকাছি অবস্থান

২০১৮ সালের অক্টোবরের সর্বোচ্চ প্রাইসে যেতে পারে USDJPY- কমার্জব্যাংক

সপ্তাহের শেষের দিকে USDJPY পেয়ারের প্রাইস কমলেও চলতি সপ্তাহের প্রথমদিন পেয়ারটি ডজি ক্যান্ডেল তৈরি করেছিল। পরবর্তীতে দ্বিতীয় দিনের মতো পেয়ারটি রিকভার করে ১১১.৬০ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। কমার্জব্যাংক টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস্ট টিমের প্রধান কারেন জনস বলেন, পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৮ সালের অক্টোবরের সর্বোচ্চ প্রাইস ১১৪.৫৫-তে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স চলতি মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১১২.০৭। যা ২০১৯ সালের পরবর্তীতে সর্বোচ্চ প্রাইস। পেয়ারের প্রাইস কমতে

GBPUSD পেয়ারের আপট্রেন্ড শক্তিশালী হওয়ার ক্ষেত্রে ১০০ SMA অতিক্রম করা প্রয়োজন

পঞ্চমদিনের মতো GBPUSD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেলেও আজ বুধবার এশিয়ান সেশনে পেয়ারটি ১.৩৬০০ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। চার ঘন্টার চার্ট অনুযায়ী পেয়ারটি ১০০-SMA অতিক্রমে আপট্রেন্ড শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অপরদিকে ৫০-SMA অতিক্রমে ১.৩৫৮২ ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। পেয়ারটি ১.৩৫২০ সাপোর্ট অতিক্রমের পরবর্তীতে সেপ্টেম্বরের নিন্ম প্রাইস ১.৩৪১৫ যেতে পারে। GBPUSD ১০০-SMA ১.৩৬৬৫ অতিক্রমের পরবর্তীতে সেপ্টেম্বরের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.৩৭৫০ যেতে পারে।  আপট্রেন্ড শক্তিশালী হলে সেক্ষেত্রে

বিয়ারিশ ফ্ল্যাগ তৈরি করেছে EURUSD

দ্বিতীয় দিনের মতো EURUSD ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত রেখে ১.১৬০০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। চার ঘন্টার চার্টে দেখা যাচ্ছে, পেয়ারটি বিয়ারিশ ফ্ল্যাগ তৈরি করেছে। যা পেয়ারের বিয়ারিশ শক্তিশালী হওয়ার নির্দেশ দিচ্ছে। চার ঘন্টার চার্টে MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পেয়ারের বিয়ারিশ ফ্ল্যাগ অতিক্রমে ডাউন বা আপট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে।   কিছু বিশেষজ্ঞদের মতে, পেয়ারটি ১২৫০ প্রাইসে যাওয়ার পূর্বে ১.১৫০০সাপোর্ট হিসেবে কাজ করতে পারে। অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্

নিউজিল্যান্ড ডলারের বিপরীতে শক্তিশালী হচ্ছে মার্কিন ডলার

আজ বুধবার এশিয়ান সেশনে মার্কিন ডলার ২০২১ সালের সর্বোচ্চ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। আজকের সেশনে বিনিয়োগকারীদের নজর ছিল ব্যাংক অব নিউজিল্যান্ডের ইন্টারেস্ট রেট বৃদ্ধির সম্ভাবনা এবং সপ্তাহ শেষে মার্কিন জব রিপোর্টের দিকে। কিছু অ্যানালাইসিস্টদের ধারণা ছিল নিউজিল্যান্ড ব্যাংক এবার ইন্টারেস্ট রেট বৃদ্ধি করবে। প্রত্যাশা অনুযায়ী ব্যাংক ইন্টারেস্ট রেট ০.২৫% থেকে বৃদ্ধি করে ০.৫০% উন্নীত করেছে। নিউজিল্যান্ড ইভেন্ট প্রত্যাশা অনুযায়ী আসলেও মার্কিন ডলারের বিপরীতে নিউজিল্যান্ড ডলার গতকালের মতো দুর্বল

GOLD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ০৪ – ০৮ অক্টোবর, ২০২১)

বেশ কিছু সপ্তাহ গোল্ডের প্রাইস কমলেও গত সপ্তাহে বৃদ্ধি পেয়েছিল। বিশ্বক্যাপী জ্বালানি সংকট চীনের মুদ্রা, ব্রিটিশ পাউন্ড ও ইউরোজোনের ইউরোকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করছে। নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে মার্কিন ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। যা গোল্ড মার্কেটে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। গত সপ্তাহের প্রথমদিকে গোল্ডের প্রাইস কমে সাত সপ্তাহের নিন্ম ১৭২২ প্রাইসে গেলেও সপ্তাহের শেষের দুদিন বৃদ্ধির চেষ্টা করেছিল। এর ফলে পেয়ারটি হাকিশ অবস্থানে ক্লোজ হয়েছিল। নভেম্বরে ফেড চেয়ারম্যান জেরেমি পাওয়েলের টেপারিং কমানোর

USDCAD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ০৪ – ০৮ অক্টোবর, ২০২১)

সাপ্তাহিক ক্যান্ডেলে দেখা যাচ্ছে, গত সপ্তাহে USDCAD ডজি ক্যান্ডেল তৈরি করেছে। মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরেমি পাওয়েলের আলোচনা ও ট্রেজারি সেক্টর ডলারের প্রাইস বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে।  তবে তেলের প্রাইস বৃদ্ধির কারণে সপ্তাহ শেষে পেয়ারটি ডজি ক্যান্ডেল তৈরিতে সক্ষম হয়েছে। সপ্তাহের প্রথমদিন অর্থাৎ সোমবার USDCAD ১.২৬৫২ প্রাইসে ওপেন হলেও বুধবার মার্কিন ট্রেজারি রিপোর্টকে কেন্দ্র করে সপ্তাহের সর্বোচ্চ ১.২৭৫২ প্রাইসে উঠেছিল। তবে সপ্তাহের শেষের দিন পেয়ারের প্রাইস কমে ১.২৬৪৬-তে ক্লোজ হয়েছিল

GBPUSD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ০৪ – ০৮ অক্টোবর, ২০২১)

ডেইলি ক্যান্ডেলে দেখা যাচ্ছে, তৃতীয় দিনের মতো GBPUSD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত সপ্তাহে ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরেমি পাওয়েলের আলোচনাকে কেন্দ্র করে মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পেলেও চলতি সপ্তাহে ননফার্ম পে-রোলস বিনিয়োগকারীদের নজরে  থাকবে। এ সপ্তাহে যা হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক নভেম্বরে বন্ড ক্রয় কমাতে পারে। যা মার্কেটে মুভমেন্ট সৃষ্টিতে প্রভাব ফেলতে পারে।  এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন পেট্রোল স্টেশনগুলোতে সেনাবাহিনী মোতায়েনে উদ্যোগ ন

EURUSD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ০৪ – ০৮ অক্টোবর, ২০২১)

সেপ্টেম্বরে EURUSD পেয়ার বছরের সর্বনিন্ম প্রাইস দ্বারা ক্লোজ হয়েছে।  সেপ্টেম্বরে পেয়ারের প্রাইস কমে ১.১৬০০ এর নিচে এসেছে। ২০২০ সালের জুলাই মাসে পেয়ারকে বর্তমান অবস্থানে দেখা গিয়েছিল। ফেড চেয়ারম্যান জেরেমি পাওয়েলের আলোচনায় সপ্তাহজুড়ে মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়েছিল। মার্কেটে অংশগ্রহণকারীদের নজর প্রবৃদ্ধি সম্পর্কিত শিরোনামের দিকে। যদিও বিশ্ব স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চায়, তবে যুক্তরাজ্যে জ্বালানি সংকট ইউরোজোনের জিডিপি সম্পর্কে ভাবিয়ে তুলছে। যুক্তরাজ্যে জ্বালানি সংকট চলতি সপ্তাহে ট্যাঙ্কার চ

USDJPY প্রাইস অ্যানালাইসিস

সপ্তাহের শেষের দিন USDJPY পেয়ার পূর্বের দিনের মতো ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত রাখতে চলেছে। আজকের সেশনে পেয়ারটি ১১১.৫০ প্রাইসে ওপেন হলেও বর্তমানে ১১১.০০ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে।  USDJPY পেয়ারের চার্টে লক্ষ করে দেখা যাচ্ছে, ২২ সেপ্টেম্বর পেয়ারটি বছরের সর্বোচ্চে ১১২.০৮ স্পর্শ করেছিল। গতকাল থেকে পেয়ারের বুল সংকুচিত হয়ে আসছে এবং পেয়ারটি ১১১.২০ সাপোর্ট অতিক্রম করে ১১১.০০ এর দিকে যাচ্ছে। USDJPY ডেইলি চার্ট পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে মঙ্গলবারের নিন্ম প্রাইস ১১০.৯৩। MACD ইনডিকেটর অনুযা

EURCHF ১.০৮১০ অতিক্রমে আপট্রেন্ড ও ১.০৬৪৩ অতিক্রমে ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে- কমার্জব্যাংক

তৃতীয় দিনের মতো ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে EURCHF। কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট কারেন জনসের মতে, ৫৫ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ১.০৮১০ অতিক্রমে আপট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। অপরদিকে পেয়ার ১.০৬৪৩ সাপোর্ট অতিক্রমে ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। পেয়ারটি ১.০৮১০ রেজিস্ট্যান্স অতিক্রমের পরবর্তীতে ১.০৯৪১ রেজিস্ট্যান্সে যেতে পারে। ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৭৮.৬% অনুযায়ী ১.০৬৪৩ সাপোর্টে যাওয়ার পূর্বে অক্টোবরের মাঝামাঝির নিন্ম প্রাইস ১.০৭০০ সাপোর্ট হিসেবে কাজ করতে পারে।

NZDUSD বায়াররা ০.৬৯০০ প্রাইসে আত্মরক্ষামূলক অবস্থানে

বেশ কিছুদিন NZDUSD পেয়ারের প্রাইস কমলেও গতকাল বৃদ্ধি পেয়েছিল। বর্তমানে পেয়ারটি ০.৬৮৮০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। ডেইলি চার্টে লক্ষ্য করে দেখা যাচ্ছে, পেয়ারটি ০.৬৮০৫ থেকে রিকভার করে ৩ সেপ্টেম্বর সর্বোচ্চ ০.৭১৭১ প্রাইসে উঠেছিল। পরবর্তীতে পেয়ারের আপসাইড আকর্ষণ কমতে থাকে এবং ডাউনট্রেন্ড তৈরি হতে থাকে। বায়ারদের অপেক্ষা গতকালের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৬৯০০ অতিক্রম করা। অপরদিকে পেয়ার গতকালের নিন্ম প্রাইস ০.৬৮৫৯ অতিক্রমে সক্ষম হলে পুনরায় ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। MACD ইনডিকেটর অনুযা

মার্কিন ডলারের রিবাউন্ডে বছরের নিন্ম প্রাইসে EURUSD

EURUSD পেয়ার ক্রমাগত ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে। আজ শুক্রবার এশিয়ান সেশনে পেয়ারের প্রাইস কমে বছরের সর্বনিন্ম ১.১৫৬০ -তে গিয়েছিল। এখন পর্যন্ত পেয়ারটি ওপেন প্রাইস থেকে ১০ পিপস কমে ন্যারো রেঞ্জে মুভমেন্ট করছে। আর্টিকেল লেখার সময় পেয়ারটি ১.১৫৭৬ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। অপরদিকে মার্কিন ডলার বছরের সর্বনিন্ম থেকে রিকভার করে ৯৪.৩০ প্রাইসে মুভমেন্ট করছে। নভেম্বরের শুরুর দিকে মার্কিন উদ্দীপনা টেপারিং এবং ২০২২ সালের শেষের দিকে ইন্টারেস্ট রেট বৃদ্ধির সম্ভাবনা ডলারের প্রাইস বৃদ্ধিতে সহায়তা

কয়েক মাসের সর্বোচ্চে USDCHF

সুইস ফ্রাঙ্কের বিপরীতে বেশ কয়েকদিন মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে।  আজকের সেশনে USDCHF পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ০.৯৩৬২ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি  পেয়ে গত ১ বছরের সর্বোচ্চে উঠেছে। বর্তমানে ডলার ৯৪.৪৭ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ টেপারিং করতে পারে এবং ২০২২ সালের শেষের দিকে ইন্টারেস্ট রেট বৃদ্ধির সম্ভাবনা ডলারের প্রাইস বাড়িয়ে দিচ্ছে। USDCHF পেয়ার গতকালের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৯৩৫৪ অতিক্রমে

১১২.২৩ রেজিস্ট্যান্সে যেতে পারে USDJPY- কমার্জব্যাংক

ষষ্ঠ দিনের মতো USDJPY পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে। কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট কারেন জনসের মতে, পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১১২.২৩ রেজিস্ট্যান্সে যেতে পারে। গতকাল পেয়ারটি ১১২.০৫ প্রাইসে উঠেছিল। যা ২ বছরের সর্বোচ্চ ছিল। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে পেয়ারকে ১১২.২৩ প্রাইসে দেখা গিয়েছিল। কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট টিম প্রধান কারেন জনসের মতে পেয়ার ১১২.২৩ অতিক্রমের পরবর্তীতে ১১৪.৫৫ প্রাইসে যেতে পারে। যা ২০১৮ সালের অক্টোবরের সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। অপরদিকে পেয়ারটি ১১১.৩৫ প্রাইসের নিচে আসলে ডা

EURUSD বিয়ারিশ ফ্ল্যাগ তৈরি করলেও ওভারসোল্ড সেলারদের সতর্ক করছে

চতুর্থদিনের মতো  EURUSD পেয়ার বিয়ারিশ অবস্থানে রয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ইউরোপিয়ান সেশনের শুরুর দিকে পেয়ারটি ১.১৬০০ প্রাইসে মুভমেন্ট করছে। চার ঘন্টার চার্টে দেখা যাচ্ছে, EURUSD বিয়ারিশ ফ্ল্যাগ তৈরি করেছে। তবে ১৪ দিনের RSI ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারটি ওভারসোল্ডে রয়েছে। যা সেলারদের সেল নেয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক করছে। আজকের সেশনে EURUSD বিনিয়োগকারীদের নজের থাকবে ফেড চেয়ারম্যান জেরেমি পাওয়েলের বিবৃতির পাশাপাশি দেশটির দ্বিতীয় প্রান্তিকের জিডিপি রিপোর্টের দিকে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, দ্বিতীয় প্রান্তিকে জ

২০০ DMA অতিক্রমে ব্যর্থ হয়ে ০.৮৬০০ প্রাইসে যাচ্ছে EURGBP

EURGBP পেয়ার গতকাল ২০০ DMA অতিক্রমে সক্ষম হলেও আজকের সেশনে প্রাইস কমে ০.৮৬৩০ এর কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ার ওভারবটে অবস্থান করছে। পেয়ারের পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ০.৮৬১৩।  EURGBP ০.৮৬০০ প্রাইসের নিচে আসলে পুনরায় ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। সেক্ষেত্রে পেয়ারের পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ০.৮৫৪০। অপরদিকে পেয়ার ২০০ DMA অনুযায়ী ০.৮৬৪৬ অতিক্রমে সক্ষম হলে ০.৮৬৭০ প্রাইসে যেতে পারে। যা জুলাইয়ের সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। পেয়ারের পরবর্তী রেজিস্ট্যান্সগুলো হতে পারে ০.৮৬৭০ ও ০

ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হয়ে ১২৯.০০ প্রাইসে যেতে পারে EURJPY

দ্বিতীয় দিনের মতো EURJPY পেয়ারের প্রাইস কমছে। আজ এশিয়ান সেশনে পেয়ারটি ১২৯.৮৭ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। গত দুদিন পেয়ারটি Tweezers- top candle pattern তৈরি করেছে। যা লোয়ার প্রাইসের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ২০০ দিনের মুভিং অ্যাভাজের (DMA) অনুযায়ী পেয়ারটি ২৯ সেপ্টেম্বরের নিন্ম প্রাইস ১২৯.৬৭ প্রাইসে যেতে পারে। ১২৯.৫০ প্রাইসের নিচে আসলে সেলারদের ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। সেক্ষেত্রে পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ২২ সেপ্টেম্বরের নিন্ম প্রাইস ১২৭.৯৩। পরবর্তীতে পেয়ার ১২৭.১৫ ব্রেকে সক্ষম হতে

মার্কিন GDP নজরে ১.১৬০০ প্রাইসের উপরে EURUSD

চলতি সপ্তাহে EURUSD পেয়ারের বিয়ারিশ অবস্থান স্থায়ী হবে কিনা সেটা দেখার বিষয়। ইতিমধ্যে পেয়ারের প্রাইস তৃতীয় দিনের মতো কমলেও আজকের সেশনে বৃদ্ধির চেষ্টা করছে। আর্টিকেল লেখার সময় পেয়ার ১.১৬০৬ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। মার্কিন ডলারের প্রাইস চতুর্থ দিনের মতো বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৯৪.৩০ প্রাইসে মুভমেন্ট করছে। মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধির কারণে চলতি মাসে পেয়ারের প্রাইস কমে ১.১৬০০ এর নিচে এসেছিল। কারেন্সি পেয়ারের এ ধারা অব্যাহত রাখলে ২০২০ সালের জুলাই মাসের নিন্ম প্রাইসে যাওয়ার সম্

গোল্ডের পরবর্তী সাপোর্ট-রেজিস্ট্যান্স

গতকাল গোল্ডের প্রাইস কমলেও আজকের সেশনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। গোল্ড বর্তমানে ১৭৪৪ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। সাপ্তাহিক চার্টে ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ২৩.৬% ও ৫ দিনের SMA অনুযায়ী ১৭৫০ রেজিস্ট্যান্স হিসেবে কাজ করতে পারে। সাপ্তাহিক চার্টে ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৩৮.২% এবং চার ঘন্টার চার্টে ৫০ বার SMA  অনুযায়ী গতকালের সর্বোচ্চ প্রাইস ১৭৫৫ রেজিস্ট্যান্স হতে পারে। ১০ দিনের SMA অনুযায়ী গোল্ডের পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১৭৬০। ডেইলি চার্টে ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৩৮.২% অনুযায়ী গোল্ডে

২ মাসের সর্বোচ্চে EURGBP

দ্বিতীয় দিনের মতো EURGBP পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে। আজকের সেশনে পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ২ মাসের সর্বোচ্চে অবস্থান করছে। বর্তমানে পেয়ারটি ০.৮৬২০ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। জ্বালানি সংকট ব্রিটিশ পাউন্ডের প্রাইস কমার অন্যতম কারণ। MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। ডেইলি চার্টে ১৪ দিনের RSI ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও পেয়ারটি ওভারবটের কাছাকাছি অবস্থান করছে। যা পেয়ারের প্রাইস আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দিচ্ছে।

১১২.২৩ ব্রেকে সক্ষম হলে ১১৪.৫৫ প্রাইসে যেতে পারে USDJPY- কমার্জব্যাংক

পঞ্চম দিনের মতো USDJPY আপট্রেন্ড অব্যাহত রেখে গতকাল সর্বোচ্চ ১১১.৬৩ প্রাইসে উঠেছিল। জুলাই মাসে পেয়ারটি সর্বোচ্চ ১১১.৬৬ প্রাইসে উঠলে বর্তমানে প্রাইস কমতে শুরু করেছে। কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট কারেন জনসের মতে, পেয়ারের বর্তমান চ্যালেঞ্জ হতে পারে ১১২.২৩। পেয়ারটি জুলাই মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১১১.৬৬ অতিক্রমে সক্ষম হলে ১১২.২৩ প্রাইসে যেতে পারে। যা ২০১৯ সালের সর্বোচ্চ প্রাইস হবে। কারেন জনসের মতে, পেয়ার ১১২.২৩ রেজিস্ট্যান্স অতিক্রমের পরবর্তীতে ২০১৮ সালের অক্টোবরের সর্বোচ্চ প্রাইস ১১৪.৫


বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

বিডিপিপস চ্যাট রুম

বিডিপিপস চ্যাট রুম

    চ্যাট করতে লগিন বা রেজিস্ট্রেশন করুন।
    ×
    ×
    • Create New...