Jump to content

BDPIPS - Forex Bangladesh

মার্চ মাসের সর্বনিন্ম প্রাইসে যেতে পারে EURUSD- কমার্জব্যাংক

কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট কারেন জনসের মতে, EURUSD পেয়ারের প্রাইস কমে মার্চ মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.১৭০৪-তে যেতে পারে। বর্তমানে পেয়ারটি ১.১৮২২ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে।  পরবর্তীতে ডাউনট্রেন্ডে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।  পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স ১.১৮৩৬। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১.১৯০০ এবং ১.১৯৬০। অপরদিকে EURUSD পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.১৭১৩ এবং পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে মার্চ মাসের নিন্ম প্রাইস ১.১৭০৪। XM ব্রোকারে জুলাই মাসে ডিপোজিটে ৫০% বোনাস

ফান্ডামেন্টাল  ও টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিসে কমতে পারে EURUSD পেয়ারের প্রাইস

বুধবার শুরুর দিকে EURUSD শান্তভাবে মুভমেন্ট করলেও গতকাল ডলারের প্রাইস বৃদ্ধির কারণে EURUSD পেয়ারের প্রাইস কমে ১.১৮০০ প্রাইসের কাছাকাছি এসেছিল।  মূলত ফেড মিটিং মিনিটসকে কেন্দ্র করে পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হয়েছে। ফেডের মিটিং থেকে বুঝা যাচ্ছে, ফেড মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে তেমন উদ্বিগ্ন নয় এবং প্রত্যাশা করছেন খুব তাড়াতাড়ি মার্কিন লেবার মার্কেটের উন্নতি হবে। কোভিড যেভাবে EURUSD-কে প্রভাবিত করছে ইউরোজোন এবং যুক্তরাজ্যে নতুন ভাইরাস স্ট্রেনের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে।  যা উক্ত দেশ

ডজি ক্যান্ডেলের পরবর্তীতে GBPUSD

আজ বৃহস্পতিবার এশিয়ান সেশনে GBPUSD পেয়ারের প্রাইস কমে ১.৩৭৮০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  যদিও গতকাল পেয়ারের জন্য অস্থির একটি দিন ছিল। শেষ পর্যন্ত পেয়ারটি ডজি ক্যান্ডেল তৈরিতে সক্ষম হয়েছিল।  ডজি ক্যান্ডেলের পরবর্তীতে প্রত্যাশা করা হয়েছিল পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেতে পারে।  তবে মার্কিন এফওএমসি মিটিংকে কেন্দ্র করে ডলারের প্রাইস বৃদ্ধির কারণে পুনরায় পেয়ারের প্রাইস কমতে থাকে। পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.৩৭৩০ এবং পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ১.৩৭০০।  পেয়ারের বিয়ারিশ অবস্থান শক্তিশালী হলে

FOMC মিটিংয়ের পরবর্তীতে মার্কিন ডলারের প্রাইস বেড়ে ৩ মাসের সর্বোচ্চে উঠেছে

বিশ্বের সবথেকে বড় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ জুন মাসের পলিসি মিটিংয়ে এ বিষটি নিশ্চিত করেছেন যে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তারা এ বছরে সম্পদ ক্রয়ের দিকে যাচ্ছেন। এ দিকে মার্কিন ডলার অন্যান্য প্রধান কারেন্সিগুলোর বিপরীতে  বেড়ে ৩ মাসের সর্বোচ্চে অবস্থান করছে। এখন পর্যন্ত মার্কিন ডলার সর্বোচ্চ ৯২.৮৪ প্রাইসে উঠেছে।  ৫ এপ্রিলের পরবর্তীতে ডলার প্রথমবারের মতো ৯২.৮৪ প্রাইসে এসেছে। এছাড়াও FOMC মিটিংয়ে ফেড কর্ককর্তারা বলেছেন, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের বিষয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে আরও অগ্রগতি প্রয়োজন। 

FOMC মিটিংয়ের পূর্বে মার্কিন ডলারের মুভমেন্ট সীমিত

ইউরোপিয়ান সেশনের শুরুর দিকে ডলারের প্রাইস কিছুটা কমেছে।  আজকের সেশনে ডলার ৯২.৫৩ প্রাইসে ওপেন হলেও বর্তমানে কিছুটা কমে ৯২.৫১ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। আর্টিকেল লেখা পর্যন্ত ডলার সর্বোচ্চ ৯২.৪৫ থেকে ৯২.৫৯ প্রাইসের মধ্যে মুভমেন্ট করেছে।  বিনিয়োগকারীরা FOMC মিটিংয়ের মাধ্যমে ইকোনমিক দিকনির্দেশনা এবং ইন্টারেস্ট রেট সম্পর্কে বার্তার অপেক্ষা করছে। গতকাল তেলের প্রাইস বৃদ্ধি, চীনা প্রযুক্তি সেক্টরের দমন কেন্দ্র করে ডলার আপট্রেন্ডে ছিল এবং তবে ISM মেনুফেকচারিং খারাপ আসার ফলে ডলার ক

সীমিত মুভমেন্টে GBPUSD

গত কয়েকদিন পেয়ারের মুভমেন্ট বৃদ্ধি পেলেও ফেড মিটিংয়ের পূর্বে সীমিত মনে হচ্ছে।  বিনিয়োগকারীদের নজর এফওএমসি মিটিংয়ের দিকে। গতকাল পেয়ারের প্রাইস কমে ১.৩৭৭২-তে আসলেও পরবর্তীতে রিকভার করে ১০০ ঘন্টার মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ১.৩৮১৪ এসেছিল। বর্তমানে ১.৩৭৯০ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট  করছে।  সেক্ষেত্রে পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১.২৮১৪।  পেয়ারটি উক্ত রেজিস্ট্যান্স অতিক্রমে সক্ষম হলে ১.৩৪৪০ প্রাইসে যেতে পারে। অপরদিকে পেয়ারটি ১.৩৭৫০ প্রাইসের নিচে আসলে ডাউনট্রেন্ড শক্তিশা

AUDUSD প্রাইস অ্যানালাইসিস

AUDUSD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ০.৭৫০০ এর উপরে অবস্থান করছে।  এক ঘন্টার চার্টে MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। পেয়ারটি ০.৭৫১০ প্রাইস ভেঙ্গে উপরে উঠতে সক্ষম হলে আপট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। সেক্ষেত্রে ২০০ ঘন্টার মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ০.৭৫৩০ প্রাইসে যেতে পারে।  আপট্রেন্ড শক্তিশালী হলে মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৭৬০০ যেতে পারে। অপরদিকে পেয়ারের প্রাইস পুনরায় কমতে শুরু হলে ০.৭৪৮০ সাপোর্ট লেভেলে যেতে পারে। পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে বছরের নিন্ম প্রাইস ০.৭৪৪৫। ২০২০ সালের সে

FOMC মিটিংয়ের পূর্বে ১.১৮০০ প্রাইসের উপরে EURUSD

গতকাল EURUSD পেয়ারের প্রাইস কমলেও আজ বৃদ্ধির চেষ্টা করছে।  বর্তমানে পেয়ারটি ১.১৮৩০ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। মুলত মার্কিন ডলারের দুর্বলতাকে কেন্দ্র করে পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে। গতকাল প্রকাশিত জুন মাসের মার্কিন ISM সার্ভিস পিএমআই প্রত্যাশিত ৬৩.৫ পয়েন্ট থেকে কমে ৬০.১ পয়েন্ট এসেছে।  যদিও মে মাসে সেক্টর থেকে ৬৪.০ পয়েন্ট এসেছিল। এদিকে গতকাল ইউরোজোন রিটেইল সেলস প্রত্যাশিত ৮.৩% থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৯.০% এসেছে।  এছাড়াও জার্মান ZEW সার্ভারি ডাটার উন্নতি হয়েছে।  তবে জার্মান ফ্যাক্টরি ডা

০.৮৬০০ প্রাইসে যাওয়ার চেষ্টায় EURGBP

আজ বুধবার ইউরোপিয়ান সেশনের পূর্বে ০.৮৫৭০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে EURGBP।  গতকাল পেয়ারের প্রাইস কমে দুসপ্তাহের নিচে আসলেও আজ রিকভারের চেষ্টা করছে।  RSI ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।  সেক্ষেত্রে পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স ০.৮৬০০ এবং পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ০.৮৬৭০।  আপট্রেন্ড শক্তিশালী হলে সেক্ষেত্রে ০.৮৭০০ প্রাইসে যেতে পারে। অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ০.৮৫৪০।  পরবর্তী সাপোর্ট হতে বছরের নিন্ম প্রাইস ০.৮৪৭০। EURGBP ডেইলি চার্ট

মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্টেলিয়ান ও নিউজিল্যান্ড ডলার শক্তিশালী হচ্ছে

আজ মঙ্গলবার গ্রিনব্যাক অর্থাৎ মার্কিন ডলারের দুর্বলতাকে কেন্দ্র করে অ্যান্টিপোডিয়ান ( অস্টেলিয়ান ও নিউজিল্যান্ড) কারেন্সিগুলোর প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে। মিশ্র মার্কিন লেবার রিপোর্টের পরবর্তীতে আসন্ন ফেডারেল রিজার্ভ মিটিংয়ে উদ্দীপনা ট্রেপারিংয়ের বিষয়ে আলোচনা উঠতে পারে।  বিনিয়োগকারীরা এ ধরণের ক্লুর অপেক্ষা করছে। এদিকে ২য় প্রান্তিকে নিউজিল্যান্ড বিজনেস কনফিডেন্স বৃদ্ধি এবং নভেম্বরের শুরুর দিকে নিউজিল্যান্ড ইন্টারেস্ট রেট বৃদ্ধি করতে পারে, এমন সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে নিউজিল্যান্ড ডলারের

১.১৯৪৫ প্রাইসে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে EURUSD পেয়ারের- ক্রেডিট সুইস

ক্রেডিট সুইস অ্যানালাইসিস্ট, EURUSD  পেয়ারের ১৩ দিনের মুভমেন্ট পর্যালোচনা করে বলেন EURUSD ১.১৯১১-১৭ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে আসতে পারে। পেয়ারের পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১.১৯৪৫। মূলত শুক্রবার মার্কিন ননফার্ম পেরোলস রিপোর্ট প্রকাশের পরবর্তীতে পেয়ারের প্রাইস রিকভার হতে থাকে।  যদিও আজকের সেশনে পেয়ারের প্রাইস পুনরায় কমছে। তবে পরবর্তীতে বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। পেয়ারটি বর্তমানে ১.১৮৪৫ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। তবে EURUSD ১.১৮৮৫ প্রাইসে কিছুটা বাধা প্রাপ্ত হতে পারে। পেয়ারের আপট্রেন্ড

চার দিনের নিন্ম প্রাইসে USDJPY

USDJPY পেয়ারের প্রাইস চতুর্থ দিনের মতো কমছে।  বর্তমানে পেয়ারের প্রাইস কমে ১১০.৭৫ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। মার্কিন NFP রিপোর্ট প্রত্যাশার উপরে আসলেও বেকারত্বের হার বৃদ্ধি পেয়েছে।  এর ফলে USDJPY পেয়ারের প্রাইস তৃতীয় দিনের মতো কমছে।  এছাড়াও ডেল্টা করোনাভাইরাস ভেরিয়েন্ট উদ্বেগ বিনিয়োগকারীদের সেন্টিমেন্টে প্রভাব ফেলছে। ফেড প্রথম মহামারী পরবর্তী ইন্টারেস্ট রেট বৃদ্ধির আলোচনা সামনে এনেছে।  আগামীকালের এফওএমসি মিটিংয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে জানা যাবে।  যা USDJPY

০.৭৬৪৫-৭০ প্রাইসে যেতে পারে AUDUSD- কমার্জব্যাংক

মার্কিন ডলারের দুর্বলতাকে কেন্দ্র করে AUDUSD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ০.৭৬ এর দিকে যাচ্ছে। কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট কারেন জনসের মতে, পেয়ারের পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ০.৭৬৭০। জুন মাসের ৩ তারিখে পেয়ারকে ০.৭৬৪৫-৭০ প্রাইসে এসেছিল।  পেয়ারটি উক্ত রেজিস্ট্যান্স অতিক্রমে সক্ষম হলে ২৫ জুনের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৭৬১৬ আসতে পারে।  ২০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ০.৭৫৮৬। অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট শুক্রবারের সর্বনিন্ম প্রাইস ০.৭৪৪৩।  পরবর্তী  সাপ

USDCAD সেলারদের টার্গেট ১.২৩০০

USDCAD পেয়ারের প্রাইস কমে ১.২৩২০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  প্রত্যাশা করা হচ্ছে, পেয়ারটি ১০০ SMA এর নিচে আসলে ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। চার ঘন্টার চার্টে MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হচ্ছে। পেয়ারটি ১.২৩০০ অতিক্রমের পরবর্তীতে জুন মাসের নিন্ম প্রাইস ১.২২৫০-তে আসতে পারে। পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ১.২২২০। অপরদিকে পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১.২৩২৫ রেজিস্ট্যান্সে আসতে পারে।  USDCAD ১.২৩৫৫ অতিক্রমের পরবর্তীতে তিন সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.২৩৪৫-তে আসতে পারে।

রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্টেলিয়ার রেট ডিসিশনের পরবর্তীতে সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাইসে AUDUSD

রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্টেলিয়া ইন্টারেস্ট রেট ০.১০% এ অপরিবর্তনীয় রেখেছে।  যদিও ইন্টারেস্ট ০.১০% প্রত্যাশিত ছিল। এর ফলে ইভেন্টটি অস্টেলিয়ান ডলারকে তেমনভাবে প্রভাবিত করতে সক্ষম হয়নি। তবে মার্কিন ডলারের দুর্বলতাকে কেন্দ্র করে AUDUSD তৃতীয় দিনের মতো আপট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে।  অস্টেলিয়ায় করোনাভাইরাস সংক্রামণের কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি-নির্ধারকরা বর্তমান ডিসিশন নিয়েছেন। ABC নিউজ অনুসারে ৬ জুলাই দেশটিতে করোনা সংক্রামণ ৪৪ থেকে কমে ২৯ এসেছে।  তবে সিডনি, কুইন্সল্যান্ড এবং নিউ

পঞ্চম দিনের মতো গোল্ডের প্রাইস বাড়ছে

গোল্ডের প্রাইস পঞ্চম দিনের মতো বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে গোল্ড ৩ সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাইস ১৮০০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  প্রত্যাশা করা হচ্ছে, মার্কিন FOMC মিটিংয়ের পূর্ব পর্যন্ত গোল্ডের আপট্রেন্ড অব্যাহত থাকতে পারে। আজকের সেশনে বিনিয়োগকারীদের নজর থাকবে জুন মাসের ISM সার্ভিস পিএমআই রিপোর্টের দিকে।  ধারণা করা হচ্ছে, জুন মাসে সার্ভিস পিএমআই ৬৪ থেকে কমে ৬৩.৫ পয়েন্ট আসতে পারে।  যা গোল্ডের অব্যাহত রাখতে সহায়তা করতে পারে। গোল্ডের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স ১৮০০ এবং পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে প

০.৮৬০০ প্রাইসের নিচে মুভমেন্ট করছে EURGBP

EURGBP গত সপ্তাহের শেষের দিন থেকে তৃতীয় দিনের মতো ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে।  আজ মঙ্গলবার এশিয়ান সেশনে পেয়ারটি ০.৮৫৬০ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। ডেইলি চার্টে MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের প্রাইস কমার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।  সেক্ষেত্রে পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট সপ্তাহের সর্বনিন্ম প্রাইস ০.৮৫৪৫।  তবে এপ্রিলের শুরুর দিকে ০.৮৫৪০ গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট ছিল। ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হলে গত মাসের নিন্ম প্রাইস ০.৮৫৩০-তে আসতে পারে।  পেয়ার যদি ০.৮৫৩০ অতিক্রমে সক্ষম হয় তাহলে ০.৮৫০০ প্রাইসে যেতে প

AUDUSD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ০৫ – ০৯ জুলাই, ২০২১)

গত সপ্তাহে AUDUSD বিয়ারিশে ছিল। যা পেয়ারকে ২১ ডিসেম্বরের সর্বনিন্ম প্রাইস ০.৭৪৪৫-তে নিয়ে এসেছিল। গত সপ্তাহে পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড শুরু হয়েছিল ফেড চেয়ারম্যানে জেরেমি পাওয়েলের মন্তব্য থেকে যা মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছিল।  তবে সপ্তাহের শেষের দিন মার্কিন NFP ডাটাকে কেন্দ্র করে পেয়ারের প্রাইস কমলে পরবর্তীতে বৃদ্ধি পেয়েছিল। যেভাবে AUDUSD –কে প্রভাবিত করেছিল NFP জুন মাসে মার্কিন ইকোনমিতে  ৮ লক্ষ ৫০ হাজারের মতো জব সৃষ্টি হয়েছে।  যা ২০২০ সালের আগস্টের পরবর্তীতে সর্বোচ্চ ছিল

EURUSD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট (০৫ -০৯ জুলাই, ২০২১)

২০২১ সালের প্রথমার্ধ শেষ হলো গত সপ্তাহের মাধ্যমে।  প্রথমার্ধটি মার্কিন ডলারের আধিপত্য এবং ইউরোর দুর্বলতার মাধ্যমে শেষ হয়েছে। এ সপ্তাহটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ইউরোজোন ডাটা এবং নতুন ভাইরাস ভেরিয়েন্টের উদ্বেগের মধ্যে থাকতে পারে। EURUSD এবং NFP প্রতিক্রিয়া গত সপ্তাহে প্রকাশিত জুন মাসের মার্কিন NFP ডাটা ডলারের পক্ষে কাজ করেছিল।  দেশটির ইকোনমিতে ৮ লক্ষ ৫০ হাজারের মতো জব যোগ হয়েছে।  যা প্রত্যাশার উপরে ছিল। যাইহোক মার্কিন ননফার্ম পেরোলস ডাটা প্রত্যাশার উপরে আসলেও ডলারের প্রাইস বৃদ্ধির ক্ষেত্রে পর্

GBPUSD সাপ্তাহিক ফরেকাস্ট ( ০৫-০৯ জুলাই, ২০২১)

ফেডারেল রিজার্ভের হাকিশ মনোভাব ডলারের প্রাইস বৃদ্ধিতে কাজ করছে। যা পেয়ারকে গত সপ্তাহে ডাউনট্রেন্ডে রেখেছিল। এর ফলে GBPUSD এপ্রিলের মাঝামাঝির নিন্ম প্রাইস ১.৩৭৩০-এর কাছাকাছি ছিল। ফেডের হাকিশ মনোভাব ফেডের গর্ভনর ক্রিস্টোফার ওয়ালার  প্রত্যাশার চেয়ে বেশি বন্ড-বাই কমানোর বিষয়ে জোরদার করার সাথে সাথে ফেডের মনোভাব হাকিশ হয়ে উঠেছে।  এর আগে রবার্ট কাপলান বন্ড-বাই কমানোকে সমর্থন করেছিলেন। মার্কিন ডাটা মার্কিন ISM মেনুফেকচারিং পার্সিং ম্যানেজার ডাটা প্রত্যাশার নিচে এসেছিল।  তবে সা

NFP প্রত্যাশার নিচে আসলে ১.১৯৭৬/২০০০ প্রাইসে যেতে পারে EURUSD- ক্রেডিট সুইস

মার্কিন NFP বা ননফার্ম পেরোলস রিপোর্টের পূর্বে EURUSD পেয়ারের প্রাইস কমে গত বছরের মার্চ মাসের নিন্ম প্রাইস ১.১৮৬২ এর নিচে অবস্থান করছে।  পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড আরও বৃদ্ধি পেলে পেয়ারটি ২০২০ সালের পরবর্তীতে সর্বোচ্চ পতন হতে পারে। EURUSD ১.১৮৩৫ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে।  পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট ১.১৮২৪ এবং পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ১.১৭৬৭। ক্রেডিট সুইস অ্যানালাইসিস্টদের মতে, মার্কিন NFP রিপোর্ট প্রত্যাশার নিচে আসলে EURUSD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১.১৯৭৬/২০০০-তে যেতে পারে।  প্রত্যাশ

গোল্ডের পরবর্তী মুভমেন্ট মার্কিন NFP ডাটার সাথে জড়িত

তৃতীয় দিনের মতো গোল্ডের প্রাইস বাড়ছে।  বিনিয়োগকারীদের বর্তমান নজর মার্কিন ননফার্ম পেরোলস বা জব রিপোর্টের দিকে।  মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি সত্ত্বেও গোল্ডের প্রাইস বাড়ছে। ফেডের মুদ্রানীতি স্বাভাবিকরণ নীতি ডলারের পেছনের মূল চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করছে।  ডেল্টা কোভিড উদ্বেগ বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে বাধা হচ্ছে।  যা নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি করছে। গোল্ডের পরবর্তী মুভমেন্ট মার্কিন NFP ডাটার সাথে জড়িত, কারণ মার্কিন জব রিপোর্ট ফেডের পরবর্

২-১/২ মাসের নিন্ম প্রাইসে GBPUSD, অপেক্ষা NFP রিপোর্টের

সাম্প্রতি GBPUSD পেয়ারের প্রাইস বেশ ভালভাবেই কমছে। এর ফলে পেয়ারটি আড়াই মাসের নিন্ম প্রাইসে অবস্থান করছে। এপ্রিলের মাঝামাঝিতে পেয়ারকে বর্তমান অবস্থানে দেখা গিয়েছিল।  এদিকে মার্কিন  কেন্দ্রীয় ব্যাঙক ফেডারের রিজার্ভের মনেটারী পলিসি দ্বারা ডলার সমর্থিত হয়ে তিন মাসের সর্বোচ্চে অবস্থান করছে।  বুধবার মার্কিন ISM মেনুফেকচারিং প্রাইস পেইড প্রত্যাশিত ৮৭ পয়েন্ট থেকে বেড়ে ৯২.১ পয়েন্ট এসেছিল।  যা মার্কিন ডলারকে আরও শক্তিশালী করেছিল। অপরদিকে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের গর্ভনর অ্যান্ড্রু বেইলির ডোভ


বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

বিডিপিপস চ্যাট রুম

বিডিপিপস চ্যাট রুম

    চ্যাট করতে লগিন বা রেজিস্ট্রেশন করুন।
    ×
    ×
    • Create New...