Jump to content

BDPIPS - Forex Bangladesh

ইউরোজোন ডাটার অপেক্ষায় EURUSD

আজ এশিয়ান সেশনে EURUSD প্রাইস বৃদ্ধির চেষ্টা করছে।  যদিও গতকাল পেয়ারের প্রাইস কমেছিল।  গত সপ্তাহে পেয়ারটি কয়েক মাসের নিন্ম প্রাইসে এসেছিল। পরবর্তীতে পুনরায় বৃদ্ধি পেলেও চলতি সপ্তাহে  ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হচ্ছে। এদিকে মার্কিন ডলার মেজর ছয়টি কারেন্সির বিপরীতে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।  মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ৯২.০৩ প্রাইসে অবস্থান করছে।  বিনিয়োগকারীরা অত্যন্ত সংক্রামক ডেল্টা ভেরিয়েন্টের বিস্তার এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে এর প্রভাব সম্পর্কে হতাশ রয়েছেন। মার্কিন ফেডারেল রিজা

EURGBP প্রাইস অ্যানালাইসিস

গত পাঁচদিন EURGBP পেয়ার আপট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে।  পেয়ারটি ইউ টার্ন তৈরি করে গতকাল এক মাসের পুরনো রেজিস্ট্যান্স লেভেল স্পর্শ করেছিল। বর্তমানে আমরা চার ঘন্টার চার্টের ট্রেন্ড লাইন অতিক্রমের অপেক্ষায় রয়েছি।  প্রত্যাশা করা হচ্ছে, পেয়ারটি উল্লেখিত রেজিস্ট্যান্স অতিক্রমে সক্ষম হলে আপট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। বর্তমানে EURGBP ০.৮৫৯৪ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ০.৮৫৭০। পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ০.৮৫৩০।  অপরদিকে পেয়ার আপট্রেন্ড অব্যাহত রাখতে সক্ষম হলে ২০০ এস

সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাইসে USDCAD

গত সপ্তাহে USDCAD পেয়ারের প্রাইস কমলেও চলতি সপ্তাহের শুরু থেকে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে পেয়ারটি সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.২৩৮৫-তে অবস্থান করছে। কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস কমার পেছনে তেলের প্রাইস কাজ করছে।  ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের ব্যারেল ১.৬৫% হ্রাস পেয়ে প্রতি ব্যারেল ৭২.৩৫ ডলারের কাছাকাছি অবস্থান করছে।  যা কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস কমামে সহায়তা করছে। অপরদিকে মার্কিন ডলারের প্রাইস ০.২৩% বৃদ্ধি পেয়ে ২১.১০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  বিনিয়োগকারীদের বর্তমান নজর থাকবে মার্কিন হাউজ

 ০.৯২১৪ অতিক্রমের পরবর্তীতে ০.৯২৬৪ প্রাইসে যেতে পারে USDCHF – ক্রেডিট সুইস

দ্বিতীয় দিনের মতো USDCHF পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে।  ক্রেডিট সুইস অ্যানালাইসিস্টদের মতে, পেয়ারটি ০.৯২১৪ অতিক্রমের পরবর্তীতে ০.৯২৬৪ প্রাইসে আসতে পারে। পেয়ারের পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ০.৯২৬৪ এবং ০.৯৩০০।  আপট্রেন্ড শক্তিশালী হলে সেক্ষেত্রে ০.৯৪২৮ রেজিস্ট্যান্সে আসতে পারে। অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ০.৯১৪২।  পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ০.৯১০১। ২০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ০.৯০৭০ প্রাইসে আসতে পারে।

মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ৩ মাসের সর্বোচ্চে যাচ্ছে

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের ফলে অস্টেলিয়ান ডলার এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের প্রাইস কমছে।  তবে মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ৩ মাসের সর্বোচ্চের দিকে যাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া করোনাভাইরাসের সংক্রামণ বৃদ্ধির ফলে বেশ কয়েকটি শহরে লকডাউন দিয়েছে।  সুইসকোটের সিনিয়র বিশ্লেষক ইপেক ওজকারডেস্কায়া বলেছেন, চলতি সপ্তাহের শুরুতে করোনাভাইরাসের নতুন সংক্রামণ এবং লকডাউনকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু দেশের কারেন্সির প্রাইস কমতে পারে। বর্তমানে মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ৯২.০০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। সংক্রা

AUDUSD প্রাইস অ্যানালাইসিস

দ্বিতীয় দিনের মতো AUDUSD পেয়ারের প্রাইস কমতে শুরু করেছ।  বর্তমানে পেয়ারটি ০.৭৫৬০ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ০.৭৫৩৫।  যা ২৩ জুনের সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল। MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের পরবর্তী সাপোর্ট হতে পারে ০.৭৫০০।  AUDUSD পেয়ারের ক্ষেত্রে ১৮ জুনের সর্বনিন্ম প্রাইস ০.৭৪৭৭ শক্ত সাপোর্ট হতে পারে।  কারণ পেয়ারটি গতবার ০.৭৪৭৭ থেকে রিকভার করেছিল। সুতরাং ০.৭৪৭৭ শক্ত সাপোর্ট হিসেবে কাজ করতে পারে। অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স ২৪ জুনের সর্বোচ্চ

চতুর্থ দিনের মতো ব্রিটিশ পাউন্ডের বিপরীতে মার্কিন ডলারের প্রাইস বাড়ছে

GBPUSD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ১.৪০০১-তে আসলেও পরবর্তীতে চতুর্থ দিনের মতো কমে ১.৩৮৭০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ৯১.৯৫ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি প্রত্যাশার মধ্যে বিনিয়োগকারীরা সুদের হারের প্রতি ফেডের কৌতুকপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি শিথিল হয়েছে।  রিচমন্ডের ফেডারেল রিজার্ভের প্রেসিডেন্ট থমাস বারকিন বলেছে, ফেড মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির প্রতি লক্ষ রেখে কিছু প্রক্রিয়া নির্ধারণ করছেন।  যা মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কাজ করছে। অ

GBPJPY পেয়ারের প্রাইস কমতে পারে

আজ মঙ্গলবার এশিয়ান সেশনে তৃতীয় দিনের মতো GBPJPY পেয়ারের প্রাইস কমে সপ্তাহের সর্বনিন্ম প্রাইসের দিকে যাচ্ছে।  বর্তমানে পেয়ারটি ৫০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ (DMA) অনুযায়ী ১৫৩.৫২ প্রাইসে মুভমেন্ট করছে। MACD ইনডিকেটর অনুযায়ী পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে।  ১০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ (DMA) অনুযায়ী পেয়ারের পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ফেব্রুয়ারি মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১৫১.৬০। অপরদিকে পেয়ারটি ১৫২.০০ রেজিস্ট্যান্স অতিক্রমে সক্ষম হলে এপ্রিলের সর্বোচ্চ প্রাইস ১৫৪.০০-তে আসতে পারে।  পরবর্তী

২০০ HMA অনুযায়ী EURUSD ১.১৯০০ প্রাইসে যেতে পারে

আজ মঙ্গলবার এশিয়ান সেশনে EURUSD পেয়ারের প্রাইস কমে ১.১৯২৫-২০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  মেজর পেয়ারটি ২০০ ঘন্টার মুভিং অ্যাভারেজ (HMA) অনুযায়ী প্রাইস কমে ১.১৯০০-তে আসতে পারে। পেয়ারটি ২০০ HMA এর নিচে আসলে ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে।  RSI ইনডিকেটর অনুযায়ী প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। EURUSD ১.১৯০০ প্রাইস অতিক্রমে সক্ষম হলে মাসের নিন্ম প্রাইস ১.১৮৪৫ আসতে পারে।  অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স ১.১৯৩০। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১.১৯৭০। EURUSD এক ঘন্টার চার্ট

এপ্রিলের সর্বোচ্চ প্রাইসে যাচ্ছে USDCHF – কমার্জব্যাংক

গত কয়েকদিন USDCHF পেয়ারের প্রাইস কমলেও আজ বৃদ্ধি পেয়ে ০.৯২০০- এর উপরে অবস্থান করছে।  যদিও পেয়ারটি ০.৯১৭৫ প্রাইসে ওপেন হয়েছিল। কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট অ্যাক্সেল রুডলফের মতে, পেয়ারটি এপ্রিলের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৯৪৭২-তে আসতে পারে।  ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৬১.৮% অনুযায়ী পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ০.৯২৬৪। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১২ মার্চের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৯৩২৫ এবং এপ্রিলের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৯৪৭২।  অপরদিকে পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট গত সপ্তাহের নিন্ম প্রাইস ০.৯১৪৩।

EURUSD পেয়ারের সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স- ক্রেডিট সুইস

কয়েকদিন  EURUSD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেলেও বড় ধরণের মুভমেন্ট তৈরিতে সক্ষম হচ্ছে না। বর্তমানে পেয়ারটি ১.১৯৩৫ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। ক্রেডিট সুইস অ্যানালাইসিস্টদের মতে,  ২০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী পেয়ারটি ১.১৯৯৮ প্রাইস অতিক্রমে সক্ষম হলে আপট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে।  অপরদিকে ১.১৮৪৭ প্রাইসের নিচে আসলে ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। পেয়ারটি ১.১৯৯৮ প্রাইস অতিক্রমে সক্ষম হলে ১.২০৭৪ প্রাইসে আসতে পারে এবং ১.১৮৪৭ অতিক্রমে সক্ষম হলে ১.১৮২৪ আসতে পারে। সবচেয়ে কম

অস্টেলিয়ান মহামারীর প্রভাব ৪০ বছর থাকতে পারে

সাম্প্রতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, অস্টেলিয়ান সরকারের বাজেটে কোভি-১৯ এর প্রভাব পরবর্তী ৪০ বছর ধরে চলতে পারে। ভবিষ্যদ্বাণীগুলো বলছে অস্টেলিয়ান জন্মের হার আগামী চার দশকে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। অভিবাসন- বান্ধব ব্যবস্থা যদি ফিরে না আসে তবে সমস্যা আরও হতে পারে।  জন্মহারের এই হ্রাসের ফলে, জনসংখ্যা পূর্ব অনুমানের তুলনায় প্রায় ১.২ মিলিয়ন কম হতে পারে। পূর্বে ধারণা করা হয়েছিল ২০৫৪ – ২৫৫৫ সালে জনসংখ্যা  প্রায় ৪০ কোটিতে উন্নীত হবে, যদিও এখন মহামারীর প্রভাবের কারণে এটি ৩৮.৮ মিলিয়নে পৌ

রিভিউ এবং সল্যুশন নিয়ে বাংলায় ফ্রি ওয়েবিনার আজ রাত ০৯:০০ টায়

এই ওয়েবিনার বিগত ২টি ওয়েবিনার পিভট পয়েন্ট কি ট্রেডিংয়ে কাজ করে এবং কারেন্সি কো-রিলেশন  এর সারাংশ নিয়ে আলোচনা করা হবে। তার সাথে কারো যদি কোন সমস্যা বা কোন প্রশ্ন থাকে তার উত্তর দেয়া হবে উদাহরণ সহ যাতে আপনাদের শেখাটা ভাল ভাবে হয়। যেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবেঃ পিভট পয়েন্ট কি ট্রেডিংয়ে কাজ করে? কারেন্সি কো-রিলেশন  যা যা শিখবেনঃ অংশগ্রহণকারীগণ সাম্প্রতিক ওয়েবিনার সংক্রান্ত তাদের সব প্রশ্নের উত্তর পাবেন অংশগ্রহণকারীগণ একটি স্পষ্ট ধারণা অর্জন করবেন সাম্প্রতিক

১.৩৭৯৬ সাপোর্টে যেতে পারে GBPUSD – কমার্জব্যাংক

কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট অ্যাক্সেল রুডলফের মতে,  পেয়ারটি ১.৩৯০০ রেজিস্ট্যান্সের উপরে অবস্থান করছে।  তবে ১.৩৯০০ প্রাইসের নিচে আসলে ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। সেক্ষেত্রে  ১.৩৭৯৬ সাপোর্টে যেতে পারে। অপরদিকে GBPUSD আপট্রেন্ড অব্যাহত রাখতে সক্ষম হলে ৫৫ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী এপ্রিলে মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.৩৯৭৭-তে যেতে পারে।  পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১.৪০৮২।

মার্কিন জব ডাটাকে কেন্দ্র করে ডলারের মুভমেন্ট তৈরি হতে পারে

আজ সোমবার বিনিয়োগকারীদের ফোকাস মার্কিন লেবার মার্কেটের দিকে।  ফেডারেল রিজার্ভ তার আর্থিক উদ্দীপনার বিষয়ে উদ্বেগ প্রশমিত করার কারণে ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ৯১.৮৪ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  প্রত্যাশা করা হচ্ছে, জুনে ননফার্ম পেরোলস ৫ লক্ষ ৫৯ হাজার থেকে বেড়ে ৬ লক্ষ ৭৫ হাজার আসতে পারে।  যা ডলারের উপর পজিটিভ প্রভাব ফেলতে পারে। এছাড়াও রিপোর্টে সর্বশেষ বেসরকারী বেতনভিত্তিক প্রতিবেদন শ্রমবাজার পুরোপুরি পুনরুদ্ধারে কতটা সময় নেবে তা সম্পর্কে কিছুটা

GOLD নির্দিষ্ট রেঞ্জে মুভমেন্ট করছে

গোল্ড ১৭৮০ প্রাইসের উপরে রিকভারের চেষ্টা করছে।  এক্ষেত্রে পেয়ারটি পুনরায় ১৭৭০ সাপোর্টেও আসতে পারে।  ডেল্টা কোভিডের ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের প্রতিক্রিয়া সত্ত্বেও মার্কিন ডলারের প্রাইস বৃদ্ধি পাচ্ছে। বেশ কিছুদিন গোল্ড ১৭৯৬-১৭৬০ রেঞ্জে মুভমেন্ট করছে।  প্রত্যাশা করা হচ্ছে, গোল্ড উল্লেখিত প্রাইস অতিক্রম ব্যতীত আপ-ডাউনট্রেন্ড সম্পর্কে সন্দেহ থেকে যাচ্ছে। আর্টিকেল লেখার সময় গোল্ড ১৭৮০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। গোল্ডের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স ১৭৯৬ এবং সাপোর্ট ১৭৬০।  মার্কিন ডলার বর্তমা

ব্রেক্সিট সমস্যায় বৃদ্ধি পেতে পারে EURGBP পেয়ারের প্রাইস

EURGBP পেয়ার গত দুসপ্তাহের মতো চলতি সপ্তাহের শুরুতেও প্রাইস বৃদ্ধির চেষ্টা করছে।  এর ফলে পেয়ারটি তৃতীয় দিনের মতো আপট্রেন্ডে রয়েছে।  আজ সোমবার পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ০.৮৫৯৪ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। যুক্তরাজ্যের ব্রেক্সিট সমস্যার ভয় ব্রিটিশ পাউন্ডের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।  ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এবং যুক্তরাজ্য স্যাসেজ যুদ্ধকে কাটিয়ে উঠতে রাজি হওয়া সত্ত্বেও ব্রেক্সিট আলোচনা সামনে আসতে পারে। বিবিসির সর্বশেষ সংবাদ অনুযায়ী আইরিশ প্রধানমন্ত্রীর ইউনিয়ানবাদী পদক্ষেপগুলোর নিয়ন্ত্রণ প্রচেষ্ট

১.২৩০০ প্রাইসের নিচে USDCAD পেয়ারের ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে

USDCAD পেয়ারটি ১.২৪৯০ প্রাইস থেকে নিচে নামতে শুরু করেছিল।  বর্তমানে পেয়ারের প্রাইস কমে ১.২৩০০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। RSI ইনডিকেটরের ট্রেন্ড লাইন ৫০ লেভেলে সামান্য উপরে অবস্থান করছে।  যা পেয়ারের সাইডওয়ে নির্দেশ করছে।  MACD ইনডিকেটরে পেয়ারটি জিরো পয়েন্টের উপরে অবস্থান করছে।  এটাও পেয়ারের প্রাইস কমার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে ২০ এবং ৪০ দিনের সিম্পল মুভিং অ্যাভারেজ পেয়ারের বুলিশ অবস্থানের ইঙ্গিত দিচ্ছে।  পেয়ারটি গত কয়েকদিন ১.২৩০০ প্রাইসকে কেন্দ্র করে মুভমেন্ট করছে।  সেক্ষেত্রে USDCAD ১.২

মার্কিন ডাটার পূর্বে রিকভারের চেষ্টায় GBPUSD

গতকাল ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের মনেটারী পলিসি ডিসিশনের মাধ্যমে GBPUSD পেয়ারের প্রাইস কমতে থাকে।  আজও পেয়ারের প্রাইস কমছে।  বর্তমানে পেয়ারটি ১.৩৯০০ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি ডাটাকে কেন্দ্র করে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ব্রিটিশ পাউন্ড শক্তিশালী হওয়ার চেষ্টা করছে।  শেষ পর্যন্ত কি হয় সেটা দেখার বিষয়। বিনিয়োগকারীরা মুদ্রাস্ফীতি সম্পর্কে ফেডের অবস্থানের মূল্যায়ন করেছেন কারণ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শীর্ষ অগ্রাধিকার হল অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এবং শ্রমবাজারের উন্নতি।  মার্কিন ফে

২০০ HMA এর উপরে AUDUSD

আজ শুক্রবার ইউরোপিয়ান সেশনে AUDUSD পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়ে ০.৭৫৯৫ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  পেয়ারটি ২০০ HMA লেভেল ব্রেক করতে সক্ষম হয়েছে।  যা বায়ারদের জন্য সুযোগ তৈরি করেছে। ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট ৫০% অনুযায়ী পেয়ারের বর্তমান রেজিস্ট্যান্স ০.৭৬০০।  পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১৭ জুনের সর্বোচ্চ প্রাইস ০.৭৬৫০।  আপসাইড স্থায়ী হলে ০.৭৬৭৫-৮০ প্রাইসে যেতে পারে। অপরদিকে AUDUSD  পেয়ারের বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ২০০ HMA ০.৭৫৮৪।  পেয়ারটি উক্ত সাপোর্ট অতিক্রমে সক্ষম হলে ০.৭৫৬৫-৬০ সাপোর্টে আসত

USDJPY পেয়ারের প্রাইস কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে

আজ শুক্রবার USDJPY পেয়ারের প্রাইস কমে ১১০.৮৭ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।  গতকাল পেয়ারটি Bearish spinning top তৈরি করেছে।  যা প্রাইস কমার নির্দেশনা দিচ্ছে। গতকাল USDJPY লসে ক্লোজ হওয়ার পূর্বে ২০২০ সালের মার্চের সর্বোচ্চ প্রাইসে উঠেছিল। পেয়ারটি ট্রেন্ড চ্যানেলের নিচে Bearish spinning top তৈরি করেছে।  যা আজকের সেশনে সেলারদের পক্ষে থাকতে পারে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, USDJPY ১১০.৭০ প্রাইসে আসতে পারে।  চলতি মাসের শুরুর দিকের ১১০.৩০ প্রাইসে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।  পেয়ারের পরবর্তী সাপোর্টগুলো হতে প

ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের ডোভিশ সুরে EURGBP প্রাইস বাড়ছে

ব্যাংক অব ইংল্যান্ড (DOE) দেশটির অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং মুদ্রাস্ফীতির মাত্রাকে বহুলাংশে ক্ষণস্থায়ী হিসাবে দেখে আশ্চর্যজনকভাবে ডভিশ সুরে আঘাতের পর EURGBP পেয়ারের প্রাইস বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে পেয়ারটি ০.৮৫৭০ প্রাইসের কাছাকাছি মুভমেন্ট করছে। ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের মনেটারী পলিসি কমিটি (MPC) এর মতে, মুদ্রাস্ফীতি অস্থায়ী সময়ের জন্য সমস্যা হতে পারে।  বর্তমানে এটা বৃদ্ধি পেলেও পরবর্তীতে পিছিয়ে পড়বে। এদিকে ইংল্যান্ডে ক্রমবর্ধমান কোভিড-১৯ সংক্রামণ মিশ্র অবস্থানে রয়েছে।  যা গতকাল ৪০% বৃদ্ধি পে

দক্ষ মাছ শিকারীদের কাছ থেকে ফরেক্স ট্রেডাররা যা শিখতে পারেন

ছোটবেলায় বড়শি দিয়ে মাছ ধরতে কে না পছন্দ করেন। গ্রামে গেলে এখনও মাছ ধরার জন্য বড়শি আর কেঁচো নিয়ে ছুটে যাই। সম্প্রতি আমি নায়াল ফুলারের একটি লেখা পড়লাম যে দক্ষ মাছ শিকারীদের কাছ থেকে ফরেক্স ট্রেডারদের শেখার কি কি রয়েছে। পড়ে আমার কাছে মনে হল একজন প্রফেশনাল ট্রেডার আর দক্ষ মাছ শিকারির মধ্যে অনেক মিল রয়েছে। ২ পেশার মানুষকেই একই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করতে হয়। যেহুতু বিডিপিপস থেকেই আমার ফরেক্স শেখা, তাই সবার সাথে লেখাটির মূল ধারনাটি শেয়ার করার ইচ্ছে হল। অনেক বিষয়ই আমি বোঝার সুবিধার্তে বেশ পরিবর্তন


বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

বিডিপিপস চ্যাট রুম

বিডিপিপস চ্যাট রুম

    চ্যাট করতে লগিন বা রেজিস্ট্রেশন করুন।
    ×
    ×
    • Create New...