Jump to content
মার্কেট আপডেট

চলতি সপ্তাহের EURUSD ফরেক্স মার্কেট আপডেট (১৬ থেকে ২০ মার্চ)

Recommended Posts

গত সপ্তাহে ইউরো/ডলার পেয়ারটি ১.১৫০০ প্রাইসে উঠলেও পরবর্তীতে ১.১১ প্রাইসের নিচে এসেছিল। পেয়ারটিকে প্রভাবিত করার মতো এ সপ্তাহে চারটি ইভেন্ট রয়েছে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং EURUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো।

ইউরোপিয়ান কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ECB) ফেডারেল রিজার্ভের নীতি অনুসরণ না করে ইন্টারেস্ট রেট অপরিবর্তনীয় রেখেছে। ব্যাংক গ্রাহকদের একটি আর্থিক প্যাকেজের সুবিধা দিয়েছে। এর ফলে ছোট এবং মাঝারি আকারের ব্যবসায়ীরা খুব সহজেই লোন নিতে পারবেন।

এছাড়াও গত সপ্তাহে জার্মান ডাটাগুলো শক্তিশালী অবস্থানে ছিল। নভেম্বরে ইন্ডাস্ট্রীয়াল প্রডাকশন ৩.৫% কমলেও ডিসেম্বরে ৩.০% বেড়েছে। সেক্টরটি প্রত্যাশিত ১.৭%-কে খুব সহজেই অতিক্রম করেছে। যার ফলে গত সপ্তাহে ইউরোর প্রাইস বেড়েছিল। এদিকে জার্মান CPI রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, জানুয়ারিতে ০.৬% কমেলেও ফেব্রুয়ারিতে ০.৪% বেড়েছে।

EURUSD.jpg

করোনাভাইরাস মার্কিন ইকোনমির উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল ট্রাম্প যুক্তরাজ্য ব্যতীত ইউরোপের সকল দেশে ৩০ দিনের জন্য ভ্রমণ স্থগিত করেছে। যার ফলে মার্কিন ডলার কিছুটা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে ফেব্রুয়ারি মাসের মুদ্রাস্ফীতি (CPI) ০.১% এবং Core CPI ০.২% এসেছে। ফেব্রুয়ারিতে কনজিউমার কনফিডেন্স ১০০.৯ থেকে কমে ৯৫.৯ পয়েন্ট এসেছে।

১.German ZEW Economic Sentiment

মঙ্গলবার,বিকাল ০৪:০০। ফেব্রুয়ারিতে জার্মান ইকোনমিক সেন্টিমেন্ট ২৬.৭ থেকে কমে ৮.৭ পয়েন্ট এসেছে। করোনাভাইরাসের ফলে ইউরোজোন ইকোমিতে স্থবিরতা বিরাজ করছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, মার্চ মাসের রিপোর্টে কমে -০.২৫ পয়েন্ট আসতে পারে।

২.Eurozone Final CPI

বুধবার,বিকাল ০৪:০০। ইউরোজোন ফাইনাল CPI এবং Core CPI প্রত্যাশিত লেভেল অনুযায়ী ১.২% এসেছে। রিপোর্টটি ইউরোর জন্য খুবই ভাল ছিল।

৩.German PPI

শুক্রবার,দুপুর ০২:০০। জানুয়ারিতে সেক্টরটি ০.১% থেকে বেড়ে ০.৮% এসেছিল। ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারির পরবর্তীতে রিপোর্টটি  সব থেকে শক্তিশালী ছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, জানুয়ারিতে ০.২% আসতে পারে।

৪.Eurozone Current Account

শুক্রবার,বিকাল ০৩:০০। ইউরোজোন কারেন্ট ব্যালেন্স নভেম্বরে ৩৩.৯ বিলিয়ন ঘাটতি থাকলেও ডিসেম্বরে ৩২.৬ বিলিয়ন এসেছে। রিপোর্টটি প্রত্যাশিত ৩৪.৫ বিলিয়নের নিচে এসেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, জানুয়ারিতেও সেক্টরটির ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত রেখে ৩০.৩ বিলিয়ন আসতে পারে।

EURUSD প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো

EUR_USD-Forecast-March16-20_2020.png.b8c592690d2160e7249d9fa6b2ad9506.png

EURUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস

গত সপ্তাহে ইউরো/ডলার পেয়ারটি ১.১৪৩৫ প্রাইসে টেস্ট করেছিল। পরবর্তী ১.১২৯০ প্রাইসে এসেছিল। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১.১২১৫।

গত সপ্তাহে ১.১০২৫ শক্তিশালী একটি সাপোর্ট লেভেল ছিল। পেয়ারটির পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল ছিল ১.০৯২৫।

২০১৭ সালের এপ্রিলে ১.০৮২৯ গুরুত্বপূর্ণ একটি সাপোর্ট লেভেল ছিল। পেয়ারটির সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেল ১.০৬৯০।

শেষ কথা

ফরেক্স বিশেজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে EURUSD পেয়ারটির প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

করোনাভাইরাস ক্রমাগত ইউরোজোনে আঘাত হানছে। ইউরোজোন এবং ইউরোজোনের আশ-পাশের দেশগুলোতে ভাইরাস ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। এর ফলে ইকোনমিও নড়বড়ে অবস্থানে রয়েছে। ইতিমধ্যে এর প্রভাব ইউরোর উপর পড়তে শুরু করেছে। সুতরাং ধারণা করা হচ্ছে, এ সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে।

Share this post


Link to post
Share on other sites

Join the conversation

You can post now and register later. If you have an account, sign in now to post with your account.

Guest
Reply to this topic...

×   Pasted as rich text.   Paste as plain text instead

  Only 75 emoji are allowed.

×   Your link has been automatically embedded.   Display as a link instead

×   Your previous content has been restored.   Clear editor

×   You cannot paste images directly. Upload or insert images from URL.

Loading...

×
×
  • Create New...