Jump to content
  • বিডিপিপস চ্যাট

    Load More
    চ্যাট করতে লগিন বা রেজিস্ট্রেশন করুন।
  • নির্বাচিত

    • সাপ্তাহিক EURUSD ফরেক্স মার্কেট আপডেট (২৩-২৭মার্চ, ২০২০)
      গত সপ্তাহে ইউরো/ডলারের প্রাইস কমে ১.০৬৩৭-তে এসেছিল। যা গত কয়েক বছরের সর্বনিন্ম প্রাইস। এ সপ্তাহে পেয়ারটিকে প্রভাবিত করার মতো পাঁচটি ইভেন্ট রয়েছে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং  EURUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো।
    • সাপ্তাহিক GBPUSD ফরেক্স মার্কেট আপডেট (২৩-২৭ মার্চ, ২০২০)
      GBPUSD কয়েক সপ্তাহ ডাউনট্রেন্ডে থাকলেও গত দুই সপ্তাহে ডাউনট্রেন্ডের প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হয়েছে। যার ফলে পেয়ারটির প্রাইস কমে ১.১৪০০ –তে এসেছিল।এ সপ্তাহে ব্রিটিশ মুদ্রাস্ফীতি (CPI) , রিটেইল সেলস এবং ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের রেট ডিসিশন পেয়ারটিকে প্রভাবিত করতে পারে।নিচে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং GBPUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো।
    • সাপ্তাহিক AUDUSD ফরেক্স মার্কেট আপডেট (২৩ থেকে ২৭ মার্চ)
      গত সপ্তাহে AUDUSD পেয়ারটি ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছিল। এ সপ্তাহে পেয়ারটিকে প্রভাবিত করার মতো তিনটি ইভেন্ট রয়েছে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং AUDUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো।
Sign in to follow this  
মার্কেট আপডেট

চলতি সপ্তাহের GBPUSD ফরেক্স মার্কেট আপডেট (০৯ থেকে ১৩ মার্চ)

Recommended Posts

গত সপ্তাহে GBPUSD পেয়ারটি আপট্রেন্ডে ছিল। পেয়ারটিকে প্রভাবিত করার মতো এ সপ্তাহে ছয়টি ইভেন্ট রয়েছে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং GBPUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো।

ব্রিটিশ মেনুফেকচারিং পিএমআই ফেব্রুয়ারিতে ৫০ পয়েন্ট অতিক্রম করে ৫১.৭ পয়েন্ট এসেছে। ২০১৯ সালের এপ্রিলের পরবর্তীতে এটা সবথেকে ভাল রিপোর্ট ছিল। কন্সট্রাকশন পিএমআই ৪৮.৪ থেকে বেড়ে ৫২.৪ পয়েন্ট এসেছে। রিপোর্টটি প্রত্যাশিত ৪৯.০ পয়েন্টকে খুব সহজেই অতিক্রম করেছে। তবে সার্ভিস পিএমআই ৫৩.৯ থেকে কমে ৫৩.২ পয়েন্ট এসেছে।

GBP-USD.jpg.d539da657f3de8e8bdf745ad88968b93.jpg

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যাচ্ছে, গত সপ্তাহে ফেডারেল রিজার্ভ ইন্টারেস্ট রেট ১.৭৫% থেকে কমিয়ে ১.২৫% এ নিয়ে এসেছে। ২০০৮ সালের পরবর্তীতে ফেডারেল রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ইন্টারেস্ট রেট কমিয়েছে। কনফারেন্সে ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরেমি পাওয়েল করোনাভাইরাসের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমির স্থবিরতার কথা স্বীকার করেন। এর ফলে গত সপ্তাহে মার্কিন ডলার বেশ দুর্বল হয়েছিল। কানাডার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের এমপ্লোয়মেন্ট রিপোর্ট ভাল এসেছিল। এমপ্লোয়মেন্ট রিপোর্ট ১ লক্ষ ২৫ হাজার থেকে বেড়ে ২ লক্ষ ৭৫ হাজার এসেছে।  যেখানে অ্যানালাইসিস্টগণ ধারণা করে ছিলেন গত রিপোর্টের থেকে এবার কমে ১ লক্ষ ৭৫ হাজার আসতে পারে। যেহেতু যুক্তরাষ্ট্রের এমপ্লোয়মেন্ট রিপোর্ট প্রত্যাশিত লেভেল অতিক্রম করে বেশ উপরে এসেছে। এর ফলে মার্কিন ডলারের বিপরীতে কানাডিয়ান ডলার ভাল সুবিধা করতে পারেনি। যুক্তরাষ্ট্রে ওয়েজ(বেতন) ০.২% থেকে বেড়ে ০.৩% এসেছে এবং বেকারত্বের হার ৩.৬% থেকে কমে ৩.৫% এসেছে। রিপোর্টটি মার্কিন ডলারের ক্ষেত্রে পজিটিভ ছিল।

১.BRC Retail Sales Monitor

মঙ্গলবার,ভোর ০৫:০১। জানুয়ারিতে রিটেইল সেলস সেক্টেরটি বেশ খারাপ অবস্থানে ছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ফেব্রুয়ারিতে ০.২% আসতে পারে।

২.GDP

বুধবার,বিকার ০৩:৩০। নভেম্বরে জিডিপি শতকরা ০.৩% কমেছিল। তবে ডিসেম্বরে ০.৩% বেড়েছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে,  জানুয়ারিতে ০.২% বাড়তে পারে।

৩.Manufacturing Production

বুধবার,বিকার ০৩:৩০। নভেম্বরে মেনুফেকচারিং প্রডাকশন ১.৭% কমলেও ডিসেম্বরে ০.৩% বেড়েছিল। প্রতাশা করা হচ্ছে, জানুয়ারিতে ০.২% আসতে পারে।

৪.Annual Budget Release

বুধবার,বিকাল ০৫:৩০। রিপোর্টটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ, এর ফলে মার্কেটে মুভমেন্ট বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। সুতরাং রিপোর্টটি ট্রেডারদের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

৫.RICS House price Balance

বৃহস্পতিবার,ভোর ০৫:০১। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, রিপোর্টটি এবার ভাল আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে রিপোর্টে কি আসে সেটা দেখার বিষয়।

৬.CB Leading Index

শুক্রবার,সন্ধ্যা ০৭:৩০। ডিসেম্বরে সেক্টরটি অপরবর্তনীয় ছিল। তবে জানুয়ারিতে কি আসে সেটা দেখার বিষয়।

GBPUSD প্রতিদিনের রেজিস্ট্যান্স এবং সাপোর্ট লাইনগুলো দেওয়া হলো

EUR_USD-Forecast-March9-13_2020-1.png.ed65838f0822cc2b4c6d656c1266c959.png

GBPUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস

টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো

ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে ১.৩৩৭৫ গুরুত্বপূর্ণ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১.৩৩০০।

ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ১.৩১৭০ গুরুত্বপূর্ণ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পেয়ারটির বর্তমান রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.৩০৭৫।

গত সপ্তাহে ১.২৯৯০ গুরুত্বপূর্ণ একটি সাপোর্ট লেভেল ছিল। পেয়ারটির পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল হতে পারে ১.২৯২০ এবং ১.২৯০০।

পেয়ারটির সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেল হতে পারে  ১.২৮২০ এবং ১.২৭২৮।

শেষ কথা

এ সপ্তাহে GBPUSD পেয়ারটি নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকতে পারে।

গত সপ্তাহে পাউন্ড বেশ শক্তিশালী অবস্থানে ছিল। তবে এ সপ্তাহে আপট্রেন্ড অব্যাহত রাখতে পারবে কিনা সেটা দেখার বিষয়। বর্তমানে ব্রিটিশ ইকোনমি ভাল অবস্থানে রয়েছে। যার ফলে পেয়ারটির পরবর্তী অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট কিছু বলা যাচ্ছে না।

Share this post


Link to post
Share on other sites

Join the conversation

You can post now and register later. If you have an account, sign in now to post with your account.

Guest
Reply to this topic...

×   Pasted as rich text.   Paste as plain text instead

  Only 75 emoji are allowed.

×   Your link has been automatically embedded.   Display as a link instead

×   Your previous content has been restored.   Clear editor

×   You cannot paste images directly. Upload or insert images from URL.

Loading...
Sign in to follow this  

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×
×
  • Create New...