Jump to content
Sign in to follow this  
মার্কেট আপডেট

করোনাভাইরাসের দ্বারা যেভাবে প্রভাবিত হচ্ছে ইউরো/ডলার

Recommended Posts

করোনাভাইরাসের ফলে ইউরোজোনের ইকোনমিতে মন্দাভাব দেখা গিয়েছিল। এর ফলে ইউরো বেশ দুর্বল হয়েছিল। অপরদিকে মার্কিন ডলার শক্তিশালী হয়েছিল। যার ফলে ইউরো/ডলার পেয়ারটির প্রাইস কমে গত কয়েক বছরের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.০৭৭৭-তে  এসেছিল। বর্তমানে নতুন করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাস আঘাত হানার ফলে ডলারের প্রাইস কমতে শুরু করেছে। আর দুর্বল ডলারের উপর ভর দিয়ে ইউরোর প্রাইস বাড়ছে। ফলশ্রুতিতে ইউরো/ডলার পেয়ারটি ১.০৭৭৭ প্রাইস থেকে বেড়ে ১.১১৪০ প্রাইসের উপরে অবস্থান করছে।

এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য ক্যালিফোর্নিয়ায়  করোনাভাইরাসের আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে । মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ৬ জন করোনাভাইরাসে মারা গিয়েছে। সুতরাং করোনাভাইরাসের ফলে মার্কিন ইকোনমি কিছুটা স্থবিরতার মধ্যে রয়েছে। আর এ সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে পেয়ারটির প্রাইস আরও বাড়তে পারে। তবে ইউরো/ডলার পেয়ারটির প্রাইস কতদূর বাড়বে সেটো এখনও নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। কারণ ইউরোজোনের ইকোনমিও তেমন ভাল অবস্থানে নেই।

আজকের সেশনে পেয়ারটিকে প্রভাবিত করার মতো ইভেন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বেকারত্বের হার এবং ফ্যাক্টরি অর্ডার। বেকারত্বের হার রিপার্টটি সন্ধ্যা ০৭:৩০ মিনিটে এবং ফ্যাক্টরি অর্ডার রিপোর্টটি ০৯:০০ দিকে প্রকাশ করা হবে। তবে ইভেন্ট দু’টি মার্কেটে ব্যাপক মুভমেন্ট সৃষ্টি করতে না পারলেও কিছুটা সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রে ২ লক্ষ ১৯ হাজার বেকার ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ফেব্রুয়ারিতে কিছুটা কমে ২ লক্ষ ১৫ হাজার আসতে পারে। এ রিপোর্টটি মার্কিন ডলারের জন্য পজিটিভ হলেও পরেরটি নেগেটিভ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্যাক্টরি অর্ডার ১.৮% বাড়লেও ধারণা করা হচ্ছে, জানুয়ারিতে ০.২% কমতে পারে। এখানে পেয়ারটির কিছু সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লেভেল দেওয়া হলো।

5e60ef538ca56_http___com_ft.imagepublish.upp-prod-us_s3.amazonaws(1).jpg.d050ac7cca13ec5cf3b4ac172242b48b.jpg

ইউরো/ডলার বর্তমানে ১.১১৭০ প্রাইসে অবস্থান করছে। ১.১১৭৫ শক্ত রেজিস্ট্যান্স হিসেবে কাজ করতে পারে। পেয়ারটি ১.১১৭৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেল অতিক্রমের পরবর্তীতে ১.১২০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে আসতে পারে।  পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১.১২৪০ থেকে ৫০।

অপরদিকে পেয়ারটির প্রাইস কমতে শুরু হলে ১০০ দিনের এসএমএ অনুযায়ী ১.১১০০ সাপোর্ট লেভেলে আসতে পারে। পেয়ারটির পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল হতে পারে ১.১০৫০। পেয়ারটির ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হলে পরবর্তী সাপোর্ট লেভেলগুলো যথাক্রমে ১.১০০০,১.০৯১০ এবং ১.০৮৮০ হতে পারে।

Share this post


Link to post
Share on other sites

Join the conversation

You can post now and register later. If you have an account, sign in now to post with your account.

Guest
Reply to this topic...

×   Pasted as rich text.   Paste as plain text instead

  Only 75 emoji are allowed.

×   Your link has been automatically embedded.   Display as a link instead

×   Your previous content has been restored.   Clear editor

×   You cannot paste images directly. Upload or insert images from URL.

Loading...
Sign in to follow this  

×
×
  • Create New...