Jump to content
Sign in to follow this  
ফরেক্স প্রতিদিন

চলতি সপ্তাহের USD/JPY ফরেক্স মার্কেট আপডেট (১৯ থেকে ২৩ আগস্ট)

Recommended Posts

USD/JPY পেয়ারটির প্রাইস গত সপ্তাহে বেড়েছিল। বিনিয়োগকারীরা এ সপ্তাহে ফেডারেল রিজার্ভের দিকে নজর রাখবেন। জুলাই মাসের মিটিংয়ের বিস্তারিত এ সপ্তাহের মিটিংয়ের মাধ্যমে জানা যাবে।  নিচে USD/JPY ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস এবং টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো।

 USD/JPY ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস

যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের বানিজ্য যুদ্ধের কাহিনী ক্রমবর্ধমান। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চীনা পণ্যের উপর নতুন করে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছিল, এটা ১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। যদিও দুই দেশের মধ্যে বানিজ্য উত্তেজনা লাঘব হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়ে ছিল। কিন্তু পুনরায় এটার সূত্রপাত শুরু হয়েছে।

51O9Bjwq5EL._SX425_.jpg.dd736354829bac772570fe176f0e4957.jpg

জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের কনজিউমার মুদ্রাস্ফীতি এবং কনজিউমার ব্যয় প্রত্যাশিত লেভেল ০.৩% এসেছে। Core CPI যদিও ধীরগতিতে চলছিল,তারপরও প্রত্যাশিত লেভেল ০.২% এসেছে। Retail Sales শতকরা ০.৭% বেড়েছিল,এটা খুব সহজেই  প্রত্যাশিত লেভেল ০.৪% অতিক্রম করেছিল। Core retail sales শতকরা ১.০% বেড়েছিল। এটা মার্চ মাসের প্রত্যাশিত লেভেল অনুযায়ী এসেছে। মেনুফেকচারিং সেক্টরের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, Philly Fed Manufacturing Index ১৬.৮ দেখানো হয়েছিল, এটা প্রত্যাশিত লেভেল ১০.১ খুব সহজেই অতিক্রম করেছিল।

USD/JPY টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস

মে মাসের শেষের দিকে ১০৯.৭৩ গুরুত্বপূর্ণ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পরবর্তীতে পেয়ারটি ১৯.৩৫ প্রাইসে ক্লোজ হয়েছিল।

পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১০৮.৭০। মে মাসের শেষের দিকে ১০৮.১০ সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল।

আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে ১০৭.৩০ গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। পরবর্তী লেভেল ছিল ১০৬.৬১।

গত সপ্তাহে ১০৫.৫৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল ১০৪.৬৫।

২০০৮ সালের মে মাসে ১০৪ একটি গুরুত্বপূর্ণ রাউন্ড নাম্বার ছিল।

বর্তমান এবং সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেল ১০২.৫০।

USD/JPY প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইন

USD_JPY-Forecast-Aug19-23.._2019.thumb.png.e1addd41e11f2e85780fd9310967d495.png

শেষ কথা

বিশেষজ্ঞরা ধারণা করেছেন, এ সপ্তাহে USD/JPY পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের বানিজ্য যুদ্ধ জাপানের ইকোনমির উপর প্রভাব বিস্তার করবে। যার ফলে বিনিয়োগকারীরা জাপানী ইয়েনকে নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে দেখতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রের মন্দাভাবের কারণে স্টক মার্কেটেও ভোলাটিলিটি বৃদ্ধি পেতে পারে। সুতরাং জাপানী ইয়েন ঊর্ধ্বমূখী অবস্থানে থাকতে পারে।

Share this post


Link to post
Share on other sites

Create an account or sign in to comment

You need to be a member in order to leave a comment

Create an account

Sign up for a new account in our community. It's easy!

Register a new account

লগিন

Already have an account? Sign in here.

Sign In Now
Sign in to follow this  

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×