Jump to content
Sign in to follow this  
ফরেক্স প্রতিদিন

এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক (৫ থেকে ৯ আগস্ট )

Recommended Posts

গত সপ্তাহে ফেড ইভেন্টকে কেন্দ্র করে ডলারের প্রাইস কিছুটা কমলেও পরবর্তীতে বেড়েছিল। তবে এ সপ্তাহে পেয়ারটির অবস্থান কি   হতে পারে? এ সপ্তাহে পেয়ারটি জন্য যে ইভেন্টগুলো রয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অস্টেলিয়ার মেনুফেকচারিং পিএমআই (PMI), এছাড়াও অস্টেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের ইন্টারেস্ট রেট ডিসিশন ইভেন্ট।  আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট হলো যু্ক্তরাজ্যের জিডিপি ।

এ সপ্তাহের ইভেন্টগুলো নিচে দেওয়া হলো:

১.US ISM Non-Manufacturing PMI

সোমবার, রাত ০৮:০০।  গত কয়েক রিপোর্টে যুক্তরাষ্ট্রের মেনুফেকচারিং পিএমআই কিছুটা খারাপ অবস্থানে রয়েছে। জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সার্ভিস পিএমআই বেশ সন্তুষ্টজনক। জুন মাসে এ সেক্টর থেকে ৫৫.১ পয়েন্ট এসেছে। বর্তমানে এ সেক্টর কিছুটা ডাউন অবস্থানে থাকতে পারে।

২.NEW Zealand Jobs Report

সোমবার, ভোর ০৪:৪৫। ‍নিউজিল্যান্ড সাধারণত প্রতি কোয়াটারে জব রিপোর্ট রিলিজ করে রাখে। এটা তাদের অর্থনীতিতে বেশ প্রভাব বিস্তার করে থাকে, সে সাথে সাথে ফরেক্স মার্কেটেও বেশ গুরুত্ব বহন করে থাকে।  প্রথম কোয়াটারে জিউজিল্যান্ডে বেকারত্বের হার ছিল শতকরা ৪.২% এবং চাকরী কমেছিল শতকরা ০.২%।  এবার জব রিপোর্ট কেমন আসবে সেটা দেখার বিষয়।

Keyboard-7.thumb.jpg.732b6550c7ff7db827b3a88410561ab4.jpg

৩.Australian Rate Decision

বৃহস্পতিবার, সকাল ১০:৩০। রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্টেলিয়া গত দুইবার ইন্টারেস্ট রেট শতকরা ১% অপরিবর্তনীয় রেখেছিল। অস্টেলিয়ার ইকোনমির দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, অস্টেলিয়ায় বেকারত্বের হার কিছুটা কমেছে এবং মুদ্রাস্ফীতিও প্রত্যাশিত লেভেলের উপরে এসেছে।  যার ফলে রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্টেলিয়া এবার ইন্টারেস্ট রেট বাড়াতে পারে।

৪.New Zealand Rate Decision

বুধবার, ডিসিশন সকাল ৮:০০ এবং কনফারেন্স করা হবে  ১০:০০। রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউজিল্যান্ডের ইন্টারেস্ট রেট অনেকাংশে জব রিপোর্টের উপর নির্ভর করে।  এবার নিউজিল্যান্ডের জব রিপোর্ট কিছুটা খারাপ আসতে পারে।  সার্বিক ইকোনমিক দিকগুলো পর্যলোচনা করে রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউজিল্যান্ডের গর্ভনর এবং তার সহযোগীরা ইন্টারেস্ট রেট শতকরা ১.৭৫% থেকে ১.৫০% নিয়ে আসতে পারে।

৫.UK GDP (quarterly)

শুক্রবার, দুপুর ০২:৩০। ‍যুক্তরাজ্য দ্বিতীয় কোয়াটারের জিডিপি প্রকাশ করবেন, এটা মার্কেটের উপর প্রভাব ফেলবে। তবে মাসিক জিডিপি রিপোর্ট মার্কেটের ‍উপর বেশি প্রভাব ফেলে। ২০১৯ সালের প্রথম প্রান্তীকে জিডিপি শতকরা ০.৫% এসেছিল। তবে ব্রেক্সিটকে কেন্দ্র করে বর্তমানে জিডিপি কি অবস্থানে আসতে পারে সেটা এখনও স্পষ্ট নয়।  যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমি তেমন ভাল যাচ্ছে না, যার ফলে দ্বিতীয় কোয়াটারে জিডিপি কিছুটা কমতে পারে।  এটা পাউন্ডের ‍উপর বেশ প্রভাব ফেলতে পারে।

৬.Canadian Jobs Report

শুক্রবার, সন্ধ্যা ০৬:৩০। কানাডার জব ‍রিপোর্ট যদিও ভাল ছিল, তবে জুন মাসে ২ লক্ষ২০ হাজার জব কমেছে। বেকারত্বের হার শতকরা ৫.৫% বেড়েছে। যুক্তরাজ্যের বেতন রিপোর্টটি ইকোনমির উপর বেশ প্রভাব ফেলবে। যার ফলে রিপোর্টটির দিকে নজর রাখা জুরুরি।

Share this post


Link to post
Share on other sites

Create an account or sign in to comment

You need to be a member in order to leave a comment

Create an account

Sign up for a new account in our community. It's easy!

Register a new account

লগিন

Already have an account? Sign in here.

Sign In Now
Sign in to follow this  

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×