Jump to content
Sign in to follow this  
ফরেক্স প্রতিদিন

চলতি সপ্তাহের AUD/USD ফরেক্স মার্কেট আপডেট ( ১ থেকে ৫ জুলাই)

Recommended Posts

অস্টেলিয়ান ডলার/মার্কিন ডলারের প্রাইস গত সপ্তাহের বেশ ভাল ভাবেই বেড়েছিল। এ সপ্তাহে পেয়ারটির জন্য ১০ টি ইভেন্ট রয়েছে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং অস্টেলিয়ান ডলার/মার্কিট ডলারের টেকনিক্যার অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো।

গত সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস বেড়েছিল। শনিবারের জি২০ মিটিং এ সপ্তাহে পেয়ারটির উপর প্রভাব ফেলতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে চলমান বানিজ্য যুদ্ধে কিছুটা শীতলতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। এটা অস্টেলিয়ান ইকোনমিতে প্রভাব ফেলবে। তবে যে কোন ধরণের ইভেন্ট অস্টেলিয়ান ডলারের প্রাইস বাড়ার ক্ষেত্রে সহায়তা করবে।

assorted-aud-notes-696x398.jpg.d5cac6ed20afbcbf8eadcbc5030ec181.jpg

এ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমি মিশ্র অবস্থানে রয়েছে। এদিকে জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্রের কনজিউমার কনফিডেন্স ১২১.৫ তে নেমে এসেছে। মে মাসে এ সেক্টরে ছিল ১৩১.৩। ২০১৭ সালের পর থেকে প্রথমবারের মত এ সেক্টরটি এত কম এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপি প্রথম-কোয়াটারের মত দ্বিতীয় কোয়াটারেও বেশ ভাল অবস্থানে রয়েছে। জিডিপি শতকরা ৩.১% বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু গত চার মাসে তৃতীয় বারের মত টেকসই পণ্য ( Durable goods ) বেশ খারাপ অবস্থানে রয়েছে, এবার এ সেক্টর থেকে শতকরা ১.৩% কমেছে। এদিকে পারিবারিক ব্যয় সেক্টরেও তেমন কোন উন্নতি নেই।

অস্টেলিয়ান ডলার/মার্কিন ডলারের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো:

5d18a0f3c3f8b_download(1).thumb.png.b09245fb05092f9228cb5a8c76a80a80.png
১.Chinese Manufacturing PMI

রবিবার,সকাল ০৭:০০। চীনের ইকোনমিতে মন্দাভাব থাকার কারণে অস্টেলিয়ার ইকোনমিও কিছুটা খারাপ অবস্থানে ছিল। যেহেতু অস্টেলিয়া চীনের সবথেকে বড় ট্রেডিং পার্টনার। জুন মাসে মেনুফেকচারিং পিএমআই ৪৯.৪ পয়েন্ট এসেছে। এটা তেমন ভাল পয়েন্ট নয়।

২.AIG Manufacturing Index

রবিবার,ভোর ০৪:০০। এ সেক্টরটি ২০১৯ সালের পর থেকে বেশ ভাল অবস্থানে রয়েছে। গত কয়েক বারের রিপোর্টে এ সেক্টরে ৫০ পয়েন্টের উপরে এসেছে। মে মাসে এ সেক্টর থেকে ৫২.৭ পয়েন্ট এসেছিল। তবে জুন মাসের রিপোর্টে আমরা কি আরেকটি রিবাউন্ড দেখতে পারবো?

৩.MI Inflation Gauge

সোমবার, সকাল ০৭:০০। মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি অপরিবর্তনীয় অবস্থায় রয়েছিল। তবে রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্টেলিয়ার টার্গেটকৃত লেভেল মুদ্রাস্ফীতি শত করা ২% এর কম হতে পারে। এ নিয়ে একটি উদ্ধিগ্নতা বিরাজ করছে।

৪.Chinese Caixin Manufacturing PMI

সোমবার, সকাল ০৭:৪৫। মে মাসে মেনুফেকাচারিং পিএমআই বেশ ভাল এসেছে। মে মাসে এ সেক্টর থেকে ৫০.২ পয়েন্ট এসেছে। তবে আশা করা হচ্ছে, জুন মাসে এ সেক্টর থেকে ৫০.১ পয়েন্ট আসতে পারে।

৫.RBA Rate Decision

মঙ্গলবার, সকাল ১০:৩০। জুন মাসের মিটিংয়ে রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্টেলিয়া  ইন্টারেস্ট রেট শতকরা ১.২৫ নির্ধারণ করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, এ সপ্তাহে ব্যাংক আরেক বার ইন্টারেস্ট রেট কমাতে পারে। রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্টেলিয়া যদি আরেকবার ইন্টারেস্ট রেট কমায়,  তাহলে অস্টেলিয়ান ডলারের প্রাইস কমবে।

৬.AIG Services Index

মঙ্গলবার, ভোর ০৪:৩০। গত চার বার সেক্টরটি খারাপ অবস্থানে থাকার পর মে মাসে ৫০ পয়েন্টের উপরে এসেছে। এ সেক্টরটির জন্য এটা তেমন ভাল অবস্থান নয়।

৭.Building Approvals

বুধবার, সকাল ০৭:৩০। গত দুইবার এ সেক্টরটি বেশ খারপা অবস্থানে রয়েছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, মে মাসে সেক্টরটি অপরিবর্তনীয় অবস্থানে থাকবে।

৮.Trade Balance

বুধবার, সকাল ০৭:৩। এপ্রিল মাসে অস্টেলিয়ায় ৪.৮৭ বিলিয়ন ডলার ঘাটতি ছিল। তবে ধারণা করা হয়েছিল, ৫.০৫ বিলিয়ন ডলার হবে। তবে আশা করা হচ্ছে, মাস মাসে রিবাউন্ড করবে এবং এটা আনুমানিক ৫.২৫ বিলিয়ন ডলার হতে পারে।

৯.Retail Sales

বৃহস্পতিবার, সকাল ০৭:৩০। এ সেক্টরটি খারাপ অবস্থানে রয়েছে। এপ্রিল মাসে এ সেক্টরে শতকরা ০.১% কমেছে। তবে এটা ধারণাকৃত লেভেলের কম এসেছিল। আশা করা হচ্ছে, মে মাসে শতকরা ০.২% আসতে পারে।

১০.AIG Construction Index

বৃহস্পতিবার, রাত ০২:৩০। গত বারের রিপোর্টে এ সেক্টর থেকে ৫০ পয়েন্টের কম এসেছিল। জুন মাসে আরেকটি এ ধরণের রিপোর্ট দেখা যেতে পারে।

অস্টেলিয়ান ডলার/মার্কিন ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস

টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো:
ডিসেম্বরের শুরুর দিকে ০.৭৪ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। নভেম্বরের শেষের দিকে ০.৭৩৪০ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল।

সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ০.৭৩ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল।

অক্টোবর এবখং সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি ০.৭২৪০ একটি আলাদা রেঞ্জ লেভেল ছিল।

এপ্রিলের শুরুর দিকে ০.৭১৬৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল।

সেপ্টেম্বরে ০.৭০৮৫ সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল।

গত সপ্তাহে অস্টেলিয়ান ডলার/মার্কিন ডলারের সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল ০.৭০২২।

০.৬৯৮৮ একটি শক্তিশালী সাপোর্ট লেভেল ছিল। এটা এপ্রিল মাসের সর্বনিন্ম লেভেল ছিল।

মে মাসের মর্বনিন্ম লেভেল ছিল ০.৬৮৬৪।

জানুয়ারি মাসের সর্বনিন্ম লেভেল ছিল ০.৬৭৪৪।

২০০০ সালের পূর্বে ০.৬৬৮৬ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল।

২০০৮ সালের ডিসেম্বরে ০.৬৫৪৭ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল।

শেষ কথা

আমরা ধারণা করছি অস্টেলিয়ান ডলার/ মার্কিন ডলার পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে।

এ সপ্তাহের মূল ফোকাস হলো রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্টেলিয়ার দিকে। এ সপ্তাহে ব্যাংক দ্বিতীয় বারের মত ইন্টারেস্ট রেট কমাতে পারে। ব্যাংক যদি ইন্টারেস্ট রেট কমায় তাহলে অস্টেলিয়ান ডলারের প্রাইস খুব দ্রুত কমতে শুরু করবে। সুতরাং যে কোন ধরণের Dovish অবস্থান পেয়ারটির উপর প্রভাব ফেলবে।

Share this post


Link to post
Share on other sites

Create an account or sign in to comment

You need to be a member in order to leave a comment

Create an account

Sign up for a new account in our community. It's easy!

Register a new account

লগিন

Already have an account? Sign in here.

Sign In Now
Sign in to follow this  

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×