Jump to content
Sign in to follow this  
ফরেক্স প্রতিদিন

এ সপ্তাহের EUR/USD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস ( ২৭ থেকে ৩১ মে)

Recommended Posts

ইউরো/ডলারের প্রাইস গত সপ্তাহের প্রথমদিন এবং শেষের দিকে বেড়েছিল। মাঝখানের দুইদিন পেয়ারটির প্রাইস কিছুটা কমেছিল। গত সপ্তাহের ট্রেডিং অ্যানালাইস জানার মাধ্যমে আমরা এ সপ্তাহের ট্রেডিং সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাবো। তাহলে আমরা গত সপ্তাহের প্রথমদিনের ট্রেডিংয়ের দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পাচ্ছি।

সোমবার ইউরো/ডলার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.১১৫৯ প্রাইসে এবং পেয়ারটি ক্লোজ হয়েছিল ১.১১৬৪ প্রাইসে। ঐ দিন পেয়ারটির সর্বোচ্চ প্রাইস এসেছিল ১.১১৫০ এবং সর্বনিন্ম প্রাইস এসেছিল ১.১১৫০। ঐ দিন পেয়ারটি ৫ পিপসের মতো বেড়েছিল।

মঙ্গলবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.১১৬৪ প্রাইস এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.১১৫৯ প্রাইসে। মঙ্গলবার ইউরো/ডলারের সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল ১.১১৬৪ এবং সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ১.১১৪১। মঙ্গলবার পেয়ারটির প্রাইস পুনরায় ৫ পিপসের মতো কমেছে। ঐ দিন পেয়ারটি ১.১১৬৪ প্রাইসে ওপেন হয়েছিল। আর এটাই ঐ দিনের সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল।

বুধবার ইউরো/ডলার ওপেন হয়েছিল ১.১১৫৫ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.১১৪৯ প্রাইসে। বুধবার পেয়ারটি সর্বোচ্চ প্রাইস এসেছিল ১.১১৮০ প্রাইসে এবং সর্বনিন্ম প্রাইস এসেছিল ১.১১৪৮। ঐ দিন পেয়ারটির ৬ পিপসের মতো কমেছে। মঙ্গলবার এবং বুধবার এই দুই দিনে ইউরো/ডলার পেয়ারটির প্রাইস ১১ পিপসের মতো কমেছে।

1.png.b89476f9c37fcd891863779f6501a965.png

তবে বৃহস্পতিবারের ট্রেডিং সেশন আলাদা। বৃহস্পতিবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.১১৪৯ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.১১৮০ প্রাইসে।বৃহস্পতিবার ইউরো/ডলারের সর্বোচ্চ প্রাইস এসেছিল ১.১১৮৭ এবং সর্বনিন্ম প্রাইস এসেছিল ১.১১০৬। বৃহস্পতিবার পেয়ারটি ৪৯ থেকে ৮০ প্রাইসে উঠেছে। সুতরাং ঐ দিন পেয়ারটি ৩১ পিপসের মতো বেড়েছিল।

গত সপ্তাহের শেষের দিন অর্থাৎ শুক্রবার ইউরো/ডলার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.১১৮০ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.১২০৪ প্রাইসে। শুক্রবার পেয়ারটির সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল ১.১২১১ এবং সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ১.১১৭১। শুক্রবার পেয়ারটি ২৪ পিপসের মতো কমেছিল।

গত সপ্তাহের ট্রেডিং পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে, বৃহস্পতিবার পেয়ারটি থেকে বেশি বেড়েছিল এবং সোমবার পেয়ারটি সব থেকে বেশি কমেছে।

ইউরোপে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বেশ অস্থিরতা বিরাজ করছে। তবে এ নির্বাচনকে ঘিরে ইউরো/ডলারের কমতে পারে। অনেক অ্যানালাইস্টিগণ মনে করছে, এর ফলে ইউরো/ডলার পেয়ারটি বেশ কমতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে ইকোমিও তেমন  ভাল অবস্থানে নেই। যার ফলে ডলারের প্রাইস যে কোন সময়ে কমতে পারে। তাই আমরা এ সপ্তাহে পেয়ারটির ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ অবস্থানে রয়েছি। পরবর্তী আর্টিকেলের মাধ্যমে পেয়ারটির পরবর্তী অবস্থান আরও স্পষ্টভাবে জানতে পারবো।  

Share this post


Link to post
Share on other sites

Create an account or sign in to comment

You need to be a member in order to leave a comment

Create an account

Sign up for a new account in our community. It's easy!

Register a new account

লগিন

Already have an account? Sign in here.

Sign In Now
Sign in to follow this  

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×