Jump to content
Sign in to follow this  
ফরেক্স প্রতিদিন

চলতি সপ্তাহের USD/CAD ফরেক্স মার্কেট আপডেট (২৭ থেকে ৩১ মে)

Recommended Posts

দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো মার্কিন ডলার/কানাডিঢান ডলারের প্রাইস রয়েছেু। এ সপ্তাহের মূল ইভেন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যাংক অব কানাডার রেট ডিসিশন এবং জিডিপি। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট  আউটলুক এবং কানাডিয়ান ডলার/মার্কিন ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো।

কানাডিয়ান ইকোমিক ডাটা প্রত্যাশার তুলনায় বেশ শক্তিশালী অবস্থানে ছিল, যার ফলে গত সপ্তাহে মার্কিন ডলারের বিপরীতে কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস বেড়েছিল। মার্চ মাসে রিটেইলস সেলস এবং কোর রিটেইলস সেলস উভয় রিপোর্ট ভাল এসেছে। কানাডার রিটেইলস সেলস শতকরা ১.১ পার্সেন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে এবং কোর রিটেইলস সেলস শতকরা ১.৭ পার্সেন্ট বেড়েছে। তবে প্রত্যাশা করা হয়েছিল, এ সেক্টর থেকে শতকরা ০.৮ পার্সেন্ট বাড়বে। এবারের রিপোর্ট এ প্রত্যাশাকে খুব সহজেই অতিক্রম করেছে। কানাডার হোলস সেলস শতকরা ১.৪ পার্সেন্ট বেড়েছে এবং এটা গত ৮ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে।

canadian-dollar-2.jpg.1a9f8bb3f8813070c6ef8fb9e3aee953.jpg

আমরা আশা করেছিলাম চীন এবং যুক্তরাষ্ট্র বানিজ্য নিয়ে যে কোনো একটি মীমাংসায় পৌঁছাবে। কিন্তু তা হলো না। যুক্তরাষ্ট্র চীনা পণ্যের উপর শল্ক আরোপ করেছেন এবং চীন যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের উপর শুল্ক আরোপ করেছেন। এ নিয়ে এক ধরণের উত্তেজনাকর পরিবেশ ‍সৃষ্টি হয়েছিল। এ উত্তেজনায় আবারও আরেকটি নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। গত সপ্তাহে, ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষনা করেছেন, চীনা টেলিকম প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে-এর উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবেন। এর ফলে ‍চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে আরেকটি ফাটল সৃষ্টি হলো। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক ডিপার্টমেন্টগুলো বলেছেন, তাদের কোম্পানিগুলোতে হুয়াওয়ের পণ্য বিক্রির জন্য ৩ মাস সময় দেওয়া হবে এবং এ তিন মাসের মধ্যে এর কার্যক্রম শেষ করতে হবে।

এদিকে ফেডারেল রিজার্ভ একটি সহনশীল অবস্থানে রয়েছে। ফেড মিনিট মিটিংয়ের সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমি সম্পর্কে বেশ হতাশা প্রকাশ করেছেন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারেস্ট রেট যে হারে রয়েছে, তারা এবারও একই লেভেলে রাখতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি তেমন ভাল অবস্থানে নেই। এছাড়াও চীনা পণ্যের উপর ট্রাম্পের শুল্ক আরোপকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের বানিজ্য ক্ষেত্রে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ফেড মিনিট মিনিং থেকে ইঙ্গি দিয়েছেন পরবর্তী বছর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারেস্ট রেট অপরিবর্তনীয় অবস্থানে থাকবে। সুতরাং অ্যানালাইসিস্টরা ধারণা করছেন এ বছর ইন্টারেস্ট রেট বাড়ানো হবে না। সুতরাং বিনিয়োগকারীদের মার্কিন ডলারের প্রতি গুরুত্ব কিছুটা কমতে পারে।

মার্কিন ডলার/কানাডিয়ান ডলারের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইগুলো দেওয়া হলো:

download.thumb.png.27d585a1f4e57ad1d41144f12873c2a6.png

১.BOC Rate Decision

বুধবার রাত ০৮:০০। এপ্রিল মাসে ব্যাক অব কানাডা ইন্টারেস্ট রেট শতকরা ১.৭৫ পার্সেন্ট নির্ধারণ করেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, মার্চ মাসের মিটিংয়ে  ইন্টারেস্ট রেট সাইডলাইন অবস্থানে থাকতে পারে। আর এটা Dovish অবস্থান হিসেবে বিবেচিত হবে। যার ফলে কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস কমতে পারে।   

২.Current Account

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ০৬:৩০। ২০১৯ সালের প্রথম প্রান্তীকে কানাডার কারেন্ট অ্যাকাউন্টে ১৫.৫ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি দেখা যায়। ২০১৮ সালের চতুর্থ প্রান্ততীকে এ ঘাটতির পরিমাণ ছিল ১০.৩ বিলিয়ন ডলার। এ সেক্টরটি কিছুটা খারাপ অবস্থানে রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এ বারের রিপোর্টে ১৩.৪ বিলিয়ন ডলার ঘাটতি হতে পারে।

৩.GDP

শুক্রবার ১২:৩০। কানাডা প্রতি মাসে তাদের জিডিপি রিপোর্ট প্রকাশ করেন। ফেব্রুয়ারী মাসে কানাডিয়ান জিডিপি শতকরা ০.১ পার্সেন্ট কমেছে। এটা চার মাসে তৃতীয়বারের মতো কমেছে। তবে মার্চ মাসের রিলিজে কি হবে সেটা দেখার বিষয়।  

৪.RMPI

শুক্রবার সন্ধ্যা ০৬:৩০। রো মেটারিয়ালস প্রাইস ইনডেক্স মার্চ মাসে শতকরা ২.৮ পার্সেন্ট এসেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ২.৮ পার্সেন্ট অনুযায়ী হয়েছে। এটা গত চার মাসের মধ্যে মোটামুটি কিছুটা ভালো এসেছে।

কানাডিয়ান ডলার/মার্কিন ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে ১.৩৯১৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লাইন।

২০১৭ সালের মে মাসে ১.৩৭৫৭ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লাইন ছিল।

ডিসেম্বরে কানাডিন ডলার/মার্কিন ডলার পেয়ারটির সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল ১.৩৬৬০।

২০১৭ সালের জুন মাসে ১.৩৫৪৭ একটি গুরুত্বপূর্ণ  প্রাইস ছিল। গত সপ্তাহে ১.৩৪৪৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস হিসেবে কাজ করেছিল।

পরবর্তী লেভেল ছিল ১.৩৩৮৫ এবং ১.৩৩৫০ লেভেলে ক্লোজ হয়েছিল। নভেম্বরের মাঝামাঝিতে ১.৩২৬৫ একটি সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। মার্চ মাসের শুরুর দিকে ১.৩২৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। নভেম্বরের শেষের দিকে ১.৩১৭৫ সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল।

বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.৩১২৫।

শেষ কথা

আমরা ধারণা করছি মার্কিন ডলার/কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস বাড়তে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে চলেছে। গত সপ্তাহে তেলের প্রাইস শতকরা ৬.০ পার্সেন্ট কমেছে। এটা কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস কমাম ক্ষেত্রে সহায়তা করতে পারে।

Share this post


Link to post
Share on other sites

Create an account or sign in to comment

You need to be a member in order to leave a comment

Create an account

Sign up for a new account in our community. It's easy!

Register a new account

লগিন

Already have an account? Sign in here.

Sign In Now
Sign in to follow this  

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×