Jump to content
Sign in to follow this  
ফরেক্স প্রতিদিন

চলতি সপ্তাহের GBP/USD ফরেক্স মার্কেট আপডেট ( ২০ থেকে ২৪ মে )

Recommended Posts

পাউন্ড/ডলার পেয়ারটি দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো নিন্মগামী অব্যাহত রেখেছে। জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়েরে পর থেকে এটা সর্বনিন্ম লেভেলে রয়েছে। এ সপ্তাহের মূল ইভেন্টগুলো হলো মুদ্রাস্ফীতি (Inflation) এবং রিটেইলস সেলস। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং পাউন্ড/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো।

যুক্তরাজ্যের জিডিপি তেমন ভাল অবস্থানে নেই। মার্চ মাসে যুক্তরাজ্যের জিডিপি শতকরা ০.১% কমেছে। তবে ধারণা করা হয়েছিল এবারের জিডিপি ০.০% থাকবে। তবে কোয়াটারলি ইনডিকেটর অনুযায়ী, ১ম প্রান্তীকের প্রিলিমিনারি জিডিপি শতকরা ০.৫% এসেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল অনুযায়ী এসেছে। ৪র্থ প্রান্তীকে ফাইনাল জিডিপি শতকরা ০.২ পার্সেন্ট এসেছিল। মার্চ মাসে মেনুফেকচারিং প্রডাকশন শতকরা ০.৯% বেড়েছে। এটা ধারণকৃত লেভেল ০.১% এর অনেক উপরে। এদিকে ব্রেক্সিট নিয়ে উত্তেজনা বাড়ছে। প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে  পার্লামেন্টে উইড্রো চুক্তি পাশ করাতে ব্যর্থ হন। সুতরাং কোন চুক্তিতে পৌঁছানো যায়নি। যার ফলে ব্রিটিশ ইকোনমিতে খারাপ অবস্থা বিরাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে বিরোধী দলীয় নেতা জেরেমি কারবিনের সাথে মীমাংহীনভাবে আলোচনা করে যাচ্ছে। তবে ভাল কোন দিক পরিলক্ষিত হচ্ছে না। এদিকে ব্রিটিশ ইমপ্লোইমেন্ট ডাটা প্রত্যাশার তুলনায় কিছুটা খারাপ অবস্থানে রয়েছে। ওয়েজ এ মাসের শুরুর দিকে ৩.৪% বেড়েছিল। তবে বর্তমানে ৩.২% বেড়েছে। বেকারত্বের হার ২৪.৭ হাজার কমেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ২৪.৪ হাজারের বেশি এসেছে।

images.jpg.190e46798bbb39067b6ddef3c421305c.jpg

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে বানিজ্য উত্তেজনা বেড়েছে, তারপরেও মার্কিন ডলারকে নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে দেখা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন এক অপরের পণ্যের উপর শুল্ক আরোপ করেছেন। তবে উভয় দেশের মধ্যে কোন বানিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। যার ফলে পেয়ারটি কিছুটা ঝুঁকির দিকে থাকবে। তারপরেও বিনিয়োগকারীরা মার্কিন ডলার এবং জাপানী ইয়েনকে নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে বিবেচনা করছেন। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ২০০ বিলিয়ন পণ্যের উপর  ১০ % থেকে ২৫% শুল্ক আরোপ করেছেন। এদিকে চীনও ৬০ বিলিয়ন ডলার পণ্যের উপর শুল্ক আরোপ করেছেন। সুতরাং যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে বানিজ্য আলোচনা চলছে। পরবর্তীতে এ আলোচনা কতদূর যাবে সেটা দেখার বিষয়।

পাউন্ড/ডলারের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো:

5ce268061d3e8_download(1).thumb.png.976632742842959a32613b8a37792ad1.png

১.CB Leanding Index

সোমবার ভোর ০৫:৩০। কনফারেন্স বোর্ডের ইনডেক্স অনুযায়ী বলা হচ্ছে, ফেব্রুয়ারীতে এ সেক্টরে শতকরা ০.৪% কমেছে।

২.Inflation Report Hearings

মঙ্গলবার দুপুর ০২:৩০। ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের গভর্নর যুক্তরাজ্যের মুদ্রাস্ফীতি এবং ইকোনমিক আউটলুক নিয়ে কথা বলবেন। কার্নির মন্তব্যে যদি প্রত্যাশার তুলনায় হকিশ মন্তব্য আসে তাহলে পাউন্ডের প্রাইস খুব দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে।

৩.CBI Industrial Order Expectations

মঙ্গলবার বিকাল ০৪:০০। এপ্রিল মাসে মেনুফেকচারিং অর্ডার কমেছে, এ সেক্টর থেকে এপ্রিল মাসে ৫ পয়েন্ট এসেছে। প্রত্যাশা করা হয়েছিল ৩ পয়েন্ট কমবে। মে মাসের রিপোর্টেও আরেকটি দুর্বল ফলাফল প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এটা আনুমানিক ৬ পয়েন্ট আসতে পারে।

৪.Inflation Data

বুধবার বিকাল, ০৮:৩০। গত দুইবারের রিপোর্টে সিপিআই শতকরা ১.৯% বেড়েছে, তবে ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের টার্গেট ছিল ২.০% আসতে পারে। তবে এপ্রিল মাসের রিপোর্টে শতকরা ২.২% বাড়তে পারে।

৫.Retails Sales

শুক্রবার, বিকাল ০৪:০০। ফেব্রুয়ারী মাসে এ সেক্টর থেকে ০.৪% আসতে পারে এবং মার্চ মাসে এ সেক্টরে শতকরা ১.১% বেড়েছে। তবে এপ্রিলের রিপোর্টে কি হবে আমরা তার জন্য অপেক্ষা করছি।

৬.CBI Realized Sales

শুক্রবার বিকাল ০৪:০০। এপ্রিল মাসে সেলস ভলিউম ১৩ পয়েন্ট এসেছে। এটা নভেম্বরের পর থেকে সর্বোচ্চ লেভেল । তবে কি আমরা মে মাসে আরেকটি পজিটিভ দিক দেখতে পারবো?

 

পাউন্ড/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস

টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো:

নভেম্বরের শুরুর দিকে ১.৩১৭০ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল।

নভেম্বরের মাঝামাঝিতে ১.৩০৭০ সর্বোচ্চ পয়েন্ট ছিল।

১.৩০ একটি রাউন্ড নাম্বার ছিল । গত সপ্তাহে ১.২৯১০ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল।

নভেম্বরের শেষের দিকে ১.২৮৫০ একটি রিকভারি লেভেল ছিল।

জানুয়ারির প্রথমার্ধে ১.২৭২৮ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল।

পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল ১.২৬৬০।  ২০১৭ সালের সেপ্টম্বরে ১.২৫৯০ একটি সুইং লো লেভেল ছিল।

২০১৭ সালের শুরুর দিকে ১.২৫ গুরুত্বপূর্ণ রাউন্ড নাম্বার ছিল। পরবর্তী ডাউন লেভেল ছিল ১.২৪২০ এবং ১.২৩৩০।

শেষ কথা

আমরা ধারণা করছি পাউন্ড/ডলার পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে।

মে মাসে পাউন্ডের প্রাইস অনেক কমেছে এবং বিনিয়োগকারীরা বাই নেওয়ার জন্য ভাল কোন নিউজের আশা করছে। তবে ব্রেক্সিটকে নিয়ে বেশ অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হচ্ছে, তাই আমরা ধারণা করছি পাউন্ডের প্রাইস আরও কমতে পারে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমি বেশ ভাল অবস্থানে রয়েছ, যার ফরে বিনিয়োগকারীরা মার্কিন ডলারকে নিরাপদ হিসেবে মনে করছেন।

Share this post


Link to post
Share on other sites

Create an account or sign in to comment

You need to be a member in order to leave a comment

Create an account

Sign up for a new account in our community. It's easy!

Register a new account

লগিন

Already have an account? Sign in here.

Sign In Now
Sign in to follow this  

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×