Jump to content
Sign in to follow this  
ফরেক্স প্রতিদিন

চলতি সপ্তাহের GBP/USD ফরেক্স মার্কেট আপডেট ( ১৩ থেকে ১৭ মে )

Recommended Posts

পাউন্ড/ডলারের প্রাইস গত সপ্তাহের শেষের ‍দিকে কমেছিল। পাউন্ডকে প্রভাবিত করার মত এ সপ্তাহের ইভেন্ট হলো ইমপ্লোইমেন্ট ডাটা। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং পাউন্ড/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো।

যুক্তরাজ্যের জিডিপি রিপোর্ট মিশ্র অবস্থায় রয়েছে। মার্চ মাসে জিডিপি কমে ০.১% এসেছে। তবে ধারণা করা হয়েছিল এ মাসে জিডিপি ০.০% আসবে অর্থাৎ বাড়বেও না এবং কমবেও না। এটা মোটামুটি ভাল অবস্থান। প্রথম প্রান্তীকি প্রিলিমিনারি জিডিপি ০.৫%  এসেছে। যা প্রত্যাশাকে পূরণ করেছে। এটা ২০১৮ সালের ৪র্থ প্রান্তীকের ০.২% এর উপরে এসেছে। মার্চ মাসে মেনুফেকচারিং প্রডাকশন ধীরগতিতে ০.৯% রয়েছে।

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান ফোকাস ছিল মুদ্রাস্ফীতি ( Inflation ) ডাটা। প্রডিউসার প্রাইস ইনডেক্সে দেখানো হয়, গত সপ্তাহে এ সেক্টর থেকে শতকরা ০.২ পার্সেন্ট বেড়েছে। এ মাসের শুরুর দিকে ০.৬ পার্সেন্ট বেড়ে ছিল। তুলনামূলকভাবে এ বারের রিপোর্ট গতবারের তুলনায় কিছুটা খারাপ এসেছে। কোর রিলিজও খারাপ অবস্থানে রয়েছে, এটা হতাশাজনকভাবে ০.৩% থেকে ০.১% তে নেমে এসেছে। কনজিউমার মুদ্রাস্ফীতি (Inflation ) রিপোর্টের দিকে তাকালে দেখা যায়, সিপিআই ( CPI ) ০.৪% থেকে কমে ০.৩%  নেমে এসেছে।  তবে ধারণা করা হয়েছিল, এবারও ০.৪% আসবে। কোর রিলিজেও তেমন ভাল পয়েন্ট আসেনি, এ সেক্টর থেকে ০.১% এসেছে, তবে ধারণা করা হয়ে ছিল ০.২% আসবে।

এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল ট্রাম্প চীনা পণ্যে উপর শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন এবং শুক্রবার ২০০ বিলিয়ন ডলারের চীনা পণ্যের উপর ১০% থেকে ২৫% এ শুল্ক বর্ধিত করেছেন।

পাউন্ড/ডলারের প্রতিদিনের রেজিস্ট্যান্স এবং সাপোর্ট লাইনগুলো দেওয়া হলো:

5cd91dfd7400a_download(1).thumb.png.a2b2661da6f6b365c397e7331dda5c0f.png

১.Employment Data

মঙ্গলবার দুপুর ০২:৩০। ফেব্রুয়ারী মাসে ওয়েজ বৃদ্ধি পেয়েছে ৩.৫%। ২০০৮ সালের জুলাই মাসের পর থেকে এটা সর্বোচ্চ লেভেল ছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, মার্চ মাসের রিপোর্ট থেকে ৩.৪% আসতে পারে। মার্চ মাসে  যুক্তরাজ্যে বেকার রয়েছে ২৮.৩ হাজার। এটা ধারণাকৃত লেভেল ১৭.৩ হাজারের উপরে রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, এপ্রিল মাসে বেকার ২৪.২ হাজার থাকতে পারে।

GBP/USD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস

টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো:

জুলাই মাসে ১.৩৩৭৫ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল এবং পরবর্তী রাউন্ড নাম্বার ছিল ১.৩৩০০।

জানুয়ারীর শেষের দিকে ১.৩২১৭ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল।

নভেম্বরের শুরুর দিকে ১.৩১৭০ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল।

নভেম্বরের মাঝামাঝিতে ১.৩০৭০ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল।

পরবর্তী রাউন্ড নাম্বার ছিল ১.৩০০০। এটা গত সপ্তাহের প্রাইস ছিল।

১.২৯১০ পরবর্তী প্রাইস ছিল। ( গত সপ্তাহে উল্লেখিত )

নভেম্বরের শেষের দিকে ১.২৮৫০ রিকভারি লেভেল ছিল।

জানুয়ারির প্রথমার্ধে ১.২৭২৮ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল।

সর্বশেষ এবং বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.২৬১৬।

শেষ কথা

আমরা ধারণা করছি পাউন্ড/ডলার পেয়ারটি নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকবে।

ব্রেক্সিটকে কেন্দ্র করে পাউন্ডের প্রাইস গত সপ্তাহে কিছুটা কমেছিল। বর্তমানে বিনিয়োগকারীরা যুক্তরাজ্যের ইকোনমিক ডাটার দিকে নজর রাখবেন। যদি ব্রিটিশ ওয়েজ রিপোর্ট ভাল আসে, তাহলে পাউন্ডের প্রাইস খুব দ্রুত বাড়বে।

Share this post


Link to post
Share on other sites

Create an account or sign in to comment

You need to be a member in order to leave a comment

Create an account

Sign up for a new account in our community. It's easy!

Register a new account

লগিন

Already have an account? Sign in here.

Sign In Now
Sign in to follow this  

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×