Jump to content
Sign in to follow this  
ফরেক্স প্রতিদিন

এ সপ্তাহের ইউরো/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস

Recommended Posts

গত সপ্তাহের প্রথম দিকে যদিও পেয়ারটির প্রাইস কমে ছিল। তবে পরবর্তীতে প্রাইস বাড়তে শুরু করেছিল। আমরা দেখতে পাচ্ছি, সোমবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.১১৭২ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.১১৯৮ প্রাইসে। ঐ দিন পেয়ারটির সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল ১.১২০৮ এবং সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ১.১১৬৮। সুতরাং সোমবারের ট্রেডিং পর্যালোচনা করে আমরা দেখতে পাচ্ছি ঐ দিন পেয়ারটির প্রাইস কয়েক পিপস বেড়ে ছিল।

পরের দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.১১৯৫ প্রাইসে এবং পেয়ারটি ক্লোজ হয়েছিল ১.১১৯১ প্রাইসে। ঐ দিন পেয়ারটির সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল ১.১২১৭ এবং সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ১.১১৬৬। মঙ্গলবারের ট্রেডিং পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে, ঐ দিন পেয়ারটির প্রাইস ৪ পিপস কমেছিল। মঙ্গলবার পেয়ারটির প্রাইস সোমবারের থেকেও নিন্ম পর্যায়ে ছিল।

বুধবারের ট্রেডিং পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে, ঐ দিন পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.১১৮৯ প্র্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.১১৯০ প্রাইসে। ঐ দিন পেয়ারটির সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল ১.১২১৩ এবং সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ১.১১৮২। ঐ দিন ইউরো/ডলার পেয়ারটির প্রাইস ১ পিপস কমে ছিল। এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি, পেয়ারটির প্রাইস ক্রমাগত কমছে।

বৃহস্পতিবারে ইউরো/ডলার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.১১৮৯ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.১২১০ প্রাইসে। ঐ দিন পেয়ারটির সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল ১.১২৫০ এবং সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ১.১১৭৩০। তবে গত কয়েক দিনের তুলনায় মঙ্গলবার পেয়ারটির প্রাইস কিছুটা বেড়েছিল। ঐ দিন প্রায় ২১ পিপসের মত মুভমেন্ট করেছিল।

শুক্রবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.১২১১ এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.১২৩৩ প্রাইসে। ঐ দিন পেয়ারটির সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল ১.১২৫৩ এবং সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ১.১২১১। শুক্রবার পেয়ারটির সর্বোচ্চ প্রাইস বেড়েছিল। ঐ দিন প্রায় ২২ পিপস বেড়েছিল।

12.jpg.dc27f97235c3e169c79b0d4b62010047.jpg

সুতরাং দেখা যাচ্ছে, গত সপ্তাহের শুরু দিকে ইউরো/ডলারের প্রাইস যদিও কমেছিল। পরবর্তীতে বাড়তে শুরু করেছে। সোমবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.১১৭২ প্রাইসে এবং শুক্রবার পেয়ারটি ক্লোজ হয়েছিল ১.১২১০ প্রাইসে। গত সপ্তাহে পেয়ারটি ২৮ পিপসের মত ওঠানামা করেছিল।

এ সপ্তাহে পেয়ারটির বুলিশ অবস্থান স্থায়ী হবে কিনা, সেটা দেখার বিষয় কারণ গত সপ্তাহে ইউরো/ডলার পেয়ারটির প্রাইস যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের বানিজ্য উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে বেড়েছিল। এ সপ্তাহেও উত্তেজনা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ২০০ বিলিয়ন ডলারের চীনা পণ্যের উপর শল্ক আরোপ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র চীনা পণ্যের উপর ১০% থেকে ২৫% পর্যন্ত শুল্ক বর্ধিত করেছে। অপরদিকে চীনের অবস্থান এখনও স্পষ্ট নয়, চীনও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের উপর শুল্ক আরোপ করতে পারেন। এ দিক থেকে মনে হচ্ছে, এ সপ্তাহে ইউরো/ডলার পেয়ারটির প্রাইস আরও বাড়তে পারে।

Share this post


Link to post
Share on other sites

Create an account or sign in to comment

You need to be a member in order to leave a comment

Create an account

Sign up for a new account in our community. It's easy!

Register a new account

লগিন

Already have an account? Sign in here.

Sign In Now
Sign in to follow this  

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×