Jump to content
Sign in to follow this  
ফরেক্স প্রতিদিন

চলতি সপ্তাহের AUD/USD ফরেক্স মার্কেট আপডেট ( ৬ থেকে ১০ মে )

Recommended Posts

অস্টেলিয়ান ডলার/ মার্কিন ডলার পেয়ারটির প্রাইস গত সপ্তাহের শেষের দিকে কিছুটা অপরিবর্তনীয় অবস্থায় ছিল। এ সপ্তাহের মূল ইভেন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে রিটেইলস সেলস রিপোর্ট এবং রিজার্ভ ব্যাংক অফ অস্টেলিয়ার রেট ডিসিশন।  এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং অস্টেলিয়ান ডলার/মার্কিন ডলারের টেকিনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো।

চীনে ইকোনমিক স্থবির অবস্থা বিরাজ করছে, এটাই অস্টেলিয়ার নিউজ কারণ চীন অস্টেলিয়ার সবথেকে বড় বানিজ্য পার্টনার। এপ্রিলে চীনের মেনুফেকচারিং পিএমআই তেমন ভাল আসেনি, এ সেক্টর থেকে এবারের রিপোর্টে ৫০.১ পয়েন্ট এসেছে। মার্চ মাসের শুরুর দিকে বিল্ডিং অনুমোধন শতকরা ১৯.১ পার্সেন্ট বাড়লেও, এ মাসের শেষের দিকে সবকিছু মিলিয়ে শতকরা ১৫.৫ পার্সেন্ট কমেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ সাইডলাইন অবস্থানে রয়েছে এবং বেঞ্জমার্ক রেটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ধরণের রেটের পিছনে প্রধান যে কারণ তা হলো নমনীয় মুদ্রাস্ফীতি । সুতরাং বিনিয়োগকারীরা এফওএমসি এর পরবর্তী রেট নির্ধারণের উপর নজর রাখবেন। ফেড চেয়ারম্যান জেরেমি পাওয়েল এ ব্যাপারে কনফারেন্স করেছেন। তিনি বলেন, আমরা ২০২০ সালের আগে ইন্টারেস্ট রেট বাড়ানোর আশা করছি না। কারণ মুদ্রাস্ফীতি ফেডের নির্ধারিত টার্গেট ২.০% এর নিচে রয়েছে।  

অস্টেলিয়ান ডলার/মার্কিন ডলারের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো:

2.thumb.png.83fd21ac7b2d79115fab663325c3d0be.png

১.MI Inflation Gauge

সোমবার সকাল ০৭:০০। সরকারীভাবে কোয়াটারলি সিপিআই রিপোর্ট রিলিজ হওয়ার পরে, ইনডিকেটর মাসিক মুদ্রাস্ফীতি ডাটা রিলিজ করেন। মার্চ মাসের ইনডিকেটর অনুযায়ী শতকরা ০.৪ পার্সেন্ট বাড়তে পারে। এটা গত তিন মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পয়েন্ট হতে পারে।

২.ANZ Job Advertisements

সোমবার সকাল ০৭:৩০। অস্টেলিয়ান এবং নিউজিল্যান্ডের ব্যাংকিং গ্রুপ ক্রমাগত খারাপ দিকে যাচ্ছে, মার্চ মাসে জব শতকরা ১.৭ পার্সেন্ট কমেছে।

৩.Chines Caixin Services PMI

সোমবার সকাল ০৭:৪৫। চীনের ইকোনমিক ডাটা অস্টেলিয়ার উপর ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেছে। কেননা চীনের সব থেকে বড় ট্রেডিং পার্টনার গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো অস্টেলিয়া। মার্চ মাসে এ সেক্টর থেকে পিএমআই ৫৪.৪ পয়েন্ট এসেছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এপ্রিল মাসে ৫৪.৩ পয়েন্ট আসতে পারে। এটা মোটামুটি ভাল অবস্থান হতে পারে।

৪.AIG Construction Index

সোমবার রাত ০২:৩০। অস্টেলিয়ান ইন্ডাস্টীয়াল গ্রুপের উপর পরিসংখ্যান করে দেখা যায়, এ সেক্টরটি বেশ কয়েকবার ৫০ পয়েন্টের নিচে এসেছে। এটা বেশ খারাপ অবস্থান। মার্চ মাসের রিপোর্টে এ সেক্টর থেকে ৪৫.৬ পয়েন্ট এসেছে। আর এটা অক্টোবর মাসের পর থেকে সর্বোচ্চ পয়েন্ট ছিল ।

৫.Retails Sales

মঙ্গলবার সকাল ০৭:৩০। ফেব্রুয়ারী মাসে রিটেইলস সেলস সেক্টর ০.৮ পার্সেন্ট বেড়েছে। তবে মার্চ মাসে কিছুটা খারাপ আসতে পারে। এটা আনুমারিক ০.২% হতে পারে।

৬Trade Balance

মঙ্গলবার সকাল ০৭:৩০। ফেব্রুয়ারী মাসে ট্রেড ঘাটতি দেখা যায়, ৪.৮০ বিলিয়ন। এটা খুব সহজেই ধারণাকৃত লেভেল ৩.৭১ বিলিয়ন ঘাটতিকে অতিক্রম করেছে। তবে মার্চ মাসে ধারণা করা হচ্ছে, ৪.৭১ বিলিয়ন ঘাটতি হতে পারে।

৭.Rate Decision

মঙ্গলবার দুপুর ১০:০০। রিজার্ভ ব্যাংক অফ অস্টেলিয়া ইন্টারেস্ট রেট শতকরা ০.২৫ পার্সেন্ট কমিয়েছে এবং বেঞ্জমার্ক রেট শতকরা ১.২৫ পার্সেন্ট কমিয়েছে। তিন বছরের জন্য ইন্টারেস্ট রেট শতকরা ১.৫০ পার্সেন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে। এটা অস্টেলিয়ান ডলারের প্রাইস কমাতে সহায়তা করবে। সুতরাং বিনিয়োগকারীদের নজর থাকবে রেট সেন্টিমেন্টের উপর।

AUD/USD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস

টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো:

 আমরা ০.৭৪৮০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। জুলাইয়ের মাঝামাঝিতে ০.৭৫ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল।

ডিসেম্বরে ০.৭৪ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। পরবর্তী লেভেল ছিল ০.৭৩৪০।

সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ০.৭৩১৫ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবরের প্রথম দিকে ০.৭২৪০ একটি রেঞ্জ নাম্বার ছিল। পরবর্তী লেভেল ছিল ০.৭১৯০। নভেম্বরের মাঝামাঝিতে ০.৭১৬৫ একটি রিকভারি লেভেল ছিল।  (গত সপ্তাহে উল্লেখিত )

সেপ্টেম্বরে ০.৭০৮৫ সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল।

এপ্রিলে ০.৬৯৮৮ সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল।

২০১৬ এবং ২০১৭ সালে ০.৬৮২৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল।

জানুয়ারি মাসে ০.৬৭৪৪ সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল।

২০০০ সালের জানুয়ারিতে ০.৬৬৮৬ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। বর্তমান সাপোর্ট লেভেলও এটাই।

শেষ কথা

আমরা ধারণা করছি অস্টেলিয়ান ডলার/মার্কিন ডলার পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে।

বানিজ্য যুদ্ধের প্রভাব অস্টেলিয়ার ইকোনমিতে বেশ প্রভাব ফেলেছে। যার ফলে রিজার্ভ ব্যাংক অফ অস্টেলিয়া ইন্টারেস্ট রেট কমাতে পারে। এছাড়াও রিটেইলস সেলস রিপোর্ট খারাপ হওয়ার কারণে অস্ট্রেলিয়ান ডলারের প্রাইস কমতে পারে।

Share this post


Link to post
Share on other sites

Create an account or sign in to comment

You need to be a member in order to leave a comment

Create an account

Sign up for a new account in our community. It's easy!

Register a new account

লগিন

Already have an account? Sign in here.

Sign In Now
Sign in to follow this  

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×