Jump to content
Sign in to follow this  
ফরেক্স প্রতিদিন

চলতি সপ্তাহের EUR/USD ফরেক্স মার্কেট আপডেট ( ২৯ এপ্রিল থেকে ৩ মে)

Recommended Posts

ইউরো/ডলারের প্রাইস গত সপ্তাহে বেশ কমেছিল। এ সপ্তাহের মূল ইভেন্টগুলো হলো জার্মান ও ইউরোজোনের মুদ্রাস্ফীতি (Inflation) এবং মেনুফেকচারিং পিএমআই। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং ইউরো/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো।

জার্মান বিজনেস ক্লাইমেন্ট থেকে ৯৯.২ পয়েন্ট এসেছে, তবে ধারণা করা হয়েছিল ৯৯.৯ পয়েন্ট আসবে। ইউরোজোনের কনজিউমার কনফিডেন্স নেগেটিভ অঞ্চলে রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমি পজিটিভ অঞ্চলের দিকে রয়েছে। টেকসই পণ্যের ( Duradle goods ) অর্ডার শতকরা ২.৭ পার্সেন্ট বেড়েছে। এটা প্রত্যাশিত ০.৭% এর উপরে এসেছে। কোর টেকসই পণ্যের ( Core Duradle goods ) অর্ডার শতকরা ০.৪% বেড়েছে, এটা গত ৯ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। প্রথম প্রান্তীকে জিডিপি ( GDP) শতকরা ৩.১ পার্সেন্ট বেড়েছিল, এটা তাদের প্রত্যাশার উপরে এসেছিল। চতুর্থ প্রান্তীকে এর থেকেও ভাল ফলাফল এসেছে, এ প্রান্তীক থেকে শতকরা ২.২ পার্সেন্ট বেড়েছে।

ইউরো/মার্কিন ডলারের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো:

download.thumb.png.044e008193935190883e02046fc5e04e.png

১.Spanish Parliamentary Election

রবিবার। নতুন সরকার নির্বাচনের জন্য স্পেনে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। বিজয়ী দলের বক্তব্যের দিকে বিনিয়োগকারীরা নজর রাখবেন, কারণ তাদের এ বক্তব্য ইউরোর উপর প্রভাব ফেলবে।

২.Monetary Data

মঙ্গলবার দুপুর ০৩:০০। ফেব্রুয়ারীতে ইউরো সাপ্লাই শতকরা ৪.৩% বেড়েছে এবং মার্চ মাসে শতকরা ৪.২ পার্সেন্ট আসতে পারে। আশা করা হচ্ছে, প্রাইভেট লোন শতকরা ৩.৩ পার্সেন্ট থাকবে।

৩.French Flash GDP

মঙ্গলবার দুপুর ১১:৩০। ২০১৮ সালের চতুর্থ প্রান্তীকে, ইউরোজোনের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক দেশ ফ্রান্সে জিডিপি শতকরা ০.৩ পার্সেন্ট বেড়েছিল। এটা প্রত্যাশিত ০.২ পার্সেন্টের উপরে ছিল। আশা করা হচ্ছে, ২০১৯ সালের প্রথম প্রান্তীকেও এর কোন পরিবর্তন হবে না।

৪.German GFK Consumer Climate

মঙ্গলবার দুপুর ১২:০০। মার্চ মাসে কনজিউমার কনফিডেন্স থেকে ১০.৪ পয়েন্ট এসেছে। তবে ধারণা করা হয়েছিল এ সেক্টর থেকে ১০.৮ পয়েন্ট আসবে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এপ্রিল মাসে ১০.৩ পয়েন্ট আসতে পারে।  

৫.French Consumer Spending

মঙ্গলবার দুপুর ১২:৪৫। কনজিউমার স্পেনডিং বা ভোক্তাদের ব্যয় গত তিন মাসের মধ্যে দ্বিতীয় বারের মতো পতন হয়। মার্চ মাসে এ সেক্টর থেকে মাত্র ০.৪% এসেছে।  তবে এপ্রিল মাসে ০.৪% এর থেকে কিছুটা ভাল আসতে পারে।

৬.Spanish Flash GDP

মঙ্গলবার দুপুর ০১:০০। স্প্যানিশ ইকোনমি চতুর্থ প্রান্তীকে শতকরা ০.৭ পার্সেন্ট বেড়েছে। এটা প্রত্যাশিত ০.৬% এর উপরে এসেছে। ২০১৯ সালের প্রথম প্রান্তীকেও ০.৬% প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

৭.German Preliminary CPI

মঙ্গলবার। মার্চ মাসে জার্মান মুদ্রাস্ফীতি (Inflation ) শতকরা ০.৪ পার্সেন্ট এসেছে। এটা প্রত্যাশিত ০.৬% এর কম এসেছে। আশা করা হচ্ছে, এপ্রিল মাসে ০.৫% আসতে পারে।

৮.German Unemployment Change

মঙ্গলবার দুপুর ০১:৫৫। জার্মানে বেকারত্বের হার ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। মার্চ মাসে ৭ হাজার রয়েছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এপ্রিল মাসে ৬ হাজার আসতে পারে।

৯.Eurozone Flash GDP

মঙ্গলবার দুপুর ০৩:০০। ইউরোজোনের ইকোনমি ক্রমাগত দুর্বল হচ্ছে,গত দুই বারের রিপোর্টে ০.২ পার্সেন্ট এসেছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এ বারের রিপোর্টে ০.৩% আসতে পারে।

১০.German Retails Sales

বৃহস্পতিবার। জার্মানের রিটেইলস সেলস তেমন ভাল অবস্থানে নেই । তবে পরবর্তীতে আরও খারাপ আসতে পারে।

১১.Manufacturing PMIs

সোমবার স্পেন দুপুর ০১:৪৫, ইতালি ০১:৪৫ , জার্মান ০১:৫৫,ফ্রান্স ০১:৫০ এবং ইউরোজোন দুপুর ০২:০০ প্রকাশিত হয়। মার্চ মাসে স্প্যানিশ মেনুফেকচারিং ৫০.৯ পয়েন্ট এসেছে। তবে প্রত্যাশা করা হয়েছিল ৫১.০৯ পয়েন্ট আসবে। ইতালিয়ান মেনুফেকচারিং পিএমআই ৪৭.৮ পয়েন্ট এসেছে। ফ্রান্সে ৮৯.৭ পয়েন্ট এবং জার্মান ও ইরোজোনে যথাক্রমে ৪৪.৫ এবং ৪৭.৮ পয়েন্ট এসেছে।

১২.Inflation

মঙ্গলবার দুপুর ০৩:০০। মার্চ মাসে সিপিআই (CPI) শতকরা ১.৪ পার্সেন্ট এসেছে। তবে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এপ্রিলে ১.৬% আসতে পারে। মার্চ মাসে কোর সিপিআই (CPI) ০.৮ পার্সেন্ট এসেছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, এপ্রিলে ১.০ পার্সেন্টে রিবাউন্ড করতে পারে।

ইউরো/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস

টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো :

জানুয়ারীর শেষের দিকে ১.১৫১৫ সর্বোচ্চ পয়েন্ট ছিল। ফেব্রুয়ারীর শুরুর দিকে ১.১৪৩৫ সর্বনিন্ম পয়েন্ট ছিল।

জানুয়ারির শেষের দিকে ১.১৩৯০ একটি শক্তিশালী লেভেল ছিল এবং ১.১৩৪৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল।

পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১.১২৭০। ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে ১.১২৭০ ডাবল বটোম ছিল।

পরবর্তী ডাবল বটোম ছিল ১.১২১৫। সপ্তাহের শেষের দিকে ১.১১১৯ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। ( গত সপ্তাহে উল্লেখিত )

২০১৭ সালের মে মাসে ১.১০২৫  একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল।

বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.০৯৫০।

২০১৭ সালের ডিসেম্বরে ১.০৮৭০ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল।

বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.০৮২০।

শেষ কথা

আমরা ধারণা করছি ইউরো/ডলার পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমি ইউরোজোনের তুলনায় বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। ইউরোজোনের ইকোনমি ক্রমাগত স্থবির অবস্থার দিকে ধাবিত হচ্ছে। তাছাড়া ২০১৯ সালে ইসিবির ইন্টারেস্ট রেট বাড়ানোর কোন পরিকল্পনা নেই। অতএব, এর ফলে আমরা বলতে পারি পেয়ারটির প্রাইস আরও কমতে পারে।

Share this post


Link to post
Share on other sites

Create an account or sign in to comment

You need to be a member in order to leave a comment

Create an account

Sign up for a new account in our community. It's easy!

Register a new account

লগিন

Already have an account? Sign in here.

Sign In Now
Sign in to follow this  

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×