Jump to content
Sign in to follow this  
ফরেক্স প্রতিদিন

চলতি সপ্তাহের GBP/USD ফরেক্স মার্কেট আপডেট (২৫ থেকে ২৯ মার্চ)

Recommended Posts

ব্রেক্সিট কাহিনীকে কেন্দ্র করে পাউন্ড/ডলারের প্রাইস গত সপ্তাহে কিছুটা কমেছিল। এ সপ্তাহের মূল ইভেন্টগুলো হলো: যুক্তরাজ্যের সিপিআই (CPI) রিলিজ এবং রিটেইলস সেলস, এছাড়াও রয়েছে ব্রেক্সিটকে কেন্দ্র করে পার্লামেন্টে আরেকটি ভোট। এগুলোর পাশাপাশি বিনিয়োগকারীরা নজর রাখবেন যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিওই (BOE) এবং ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের ইন্টারেস্ট রেটের দিকে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং পাউন্ড/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো।

ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ব্রেক্সিটের সময়সীমা ২৯ মার্চ পর্যন্ত বাড়াতে রাজি হয়েছে। তবে এ সময়ের মধ্যে ব্রেক্সিটের কার্যকলাপ শেষ হবে কিনা এ বিষয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে যাচ্ছে। পার্লামেন্টে তৃতীয় বারের মতো আরেকটি ভোটের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। আর এ ভোটের মাধ্যমে ব্রেক্সিটের পরবর্তী অবস্থান সম্পর্কে জানা যাবে।

যুক্তরাজ্যে ব্রেক্সিট নাটকীয় অবস্থা চলমান থাকার পাশাপাশি কনজিউমার ডাটা পাবলিশ করেছে। সিপিআই (CPI) গতবারের রিলিজ ১.৮% থেকে বর্তমানে ১.৯% এসেছে। রিটেইলস সেলস শতকরা ০.৪ পার্সেন্ট কমেছে, তবে আশা করা হচ্ছে খুব তাড়াতাড়ি এটা আগের অবস্থানে ফিরে আসবে। ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড (BoE) বেঞ্জমার্ক রেট শতকরা ০.৭৫ পার্সেন্ট রির্ধারণ করেছেন, আর এটা প্রত্যাশার তুলনায় বেশি, এছাড়াও ব্রেক্সিটকে কেন্দ্র করে একটি অস্থিতিকর অবস্থা রয়ে গিয়েছে।

এদিকে ফেডের Dovish অবস্থান মার্কেটের উপর প্রভাব ফেলেছে। তবে অধিকাংশ নীতিনির্ধারকেরা আশা করেছিলেন ২০১৯ সালের আগে ইন্টারেস্ট রেট বাড়ানো হবে না। যদিও এর আগে তারা অর্থনৈতিক ধীরতার কথা স্বীকার করেছিলেন।  ফেড আরও বলেছেন, ব্যালেন্স শীটের জন্য এক মাসে ৪ ট্রিলিয়ন ডলারের মধ্যে ৫০ বিলিয়ন ডলার কমানো হবে। ডিসেম্বরে জিডিপি ২.৩% থেকে কমে ২.১% এসেছে।

পাউন্ড/ডলারের প্রতিদিনের রেজিস্ট্যান্স এবং সাপোর্ট লাইনগুলো  দেওয়া হলো:

5c977ef3ad8fd_download(1).thumb.png.6b60f85c9684e9e997fa9dc7592edd0f.png

১.FPC Statement

সোমবার। যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের মনেটারী পলিসির উপর নির্ভর করে এবং এখানে দুইটি বিষয় সম্পর্কিত। আর অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব ইকোনমিক কনডিশনের উপর নির্ভর করে। এ বারের ত্রৈমাসিক রিপোর্টে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি প্রকাশ করা হয়েছে এবং এটা পাউন্ডকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

২.High Street Lending

মঙ্গলবার দুপুর ০৩:৩০। ইনডিকেটর অনুযায়ী জানুয়ারিতে ৪০ হাজারের উপরে মর্টাগেজ হয়েছিল। ফেব্রুয়ারিতে এটা ৩৯.৪ হাজার হতে পারে।

৩.CBI Realized Sales

বুধবার বিকাল ০৫:০০। রিটেইলস সেলস হঠাৎ করে কমার পরে, গত দুই মাস সমতল অবস্থারে রয়েছে। তবে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, মার্চ মাসে কিছুটা বৃদ্ধি হতে পারে। এটা আনুমানিক ৫ পয়েন্ট হতে পারে।

৪.Nationwide HPI

বৃহস্পতিবার দুপুর ১১:০০। হাউস মুদ্রাস্ফীতি (Inflation) দুর্বল অবস্থানে রয়েছে এবং ইনডিকেটর অনুযায়ী মুদ্রাস্ফীতি গত তিন মাসে দুইবার কমেছে। তবে মার্চ মাসে এটা সমতল পর্যায় ০.০% থাকতে পারে।

৫.GFK Consumer Confidence

শুক্রবার বিকাল ০৬:০১। পরিসংখ্যান অনুযায়ী কনজিউমার কনফিডেন্স ২,০০০ কাছাকাছি এসেছে। পর পর দুইবার ১৪ পয়েন্ট আসার পরে ফেব্রুয়ারীতে ১৩ পয়েন্ট এসেছিল। মার্চ মাসের রিলিজে আশা করা হচ্ছে ১৪ পয়েন্ট আসতে পারে।

৬.Current Account

শুক্রবার দুপুর ০৩:৩০। যুক্তরাজ্যের পূর্ববর্তী এবং বর্তমান ট্রেড ব্যালেন্সে ঘাটতি পরিলক্ষিত হচ্ছে। ৩য় প্রান্তীকে ২৬.৫ বিলিয়ন ঘাটতি হয়, আর এটা প্রত্যাশার তুলনায় অধিক ঘাটতি ছিল। আনুমানিক বলা হচ্ছে, ৪র্থ প্রান্তীকেও গত বারের তুলনায় কম ২২.৯ বিলিয়ন ঘাটতি হতে পারে।

৭.Final GDP

শুক্রবার দুপুর ০৩:৩০। ৪র্থ প্রান্তীকি জিডিপি শতকরা ০.২ পার্সেন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। এটা খুবই কমছিল। ফেব্রুয়ারীতে মাত্র ০.৫% এসেছিল। আশা করা হচ্ছে মার্চেও জিডিপি শতকরা ০.২% বৃদ্ধি পেতে পারে।

৮.Parliament Brexit Vote

ব্রেক্সিট নিয়ে বেশ নাটকীয় অবস্থা পরিলক্ষিত হচ্ছে। এ সপ্তাহে এ নিয়ে পার্লামেন্টে ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর মাধ্যমে পরবর্তী অবস্থা জানতে পারা যাবে।

GBP/USD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস

টেকিনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো

২০১৭ সালে পেয়ারটির জন্য ১.৩৬১৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল এবং ১.৩৫ রাউন্ড নাম্বার ছিল।

পরবর্তী রাউন্ড নাম্বার ছিল ১.৩৪।

জুন মাসের শেষের দিকে ১.৩৩১৫ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল।

জুলাই মাসে ১.৩৩৭৫ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল এবং ১.৩৩০০ রাউন্ড নাম্বার ছিল। বর্তমানে এটা একটি দুর্বল রেজিস্ট্যান্স লাইন।

জানুয়ারির শেষের দিকে ১.৩২১৭ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল।

নভেম্বরের শুরুতে ১.৩১৭০ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। নভেম্বরের মাঝামাঝি ১.৩০৭০ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। গত সপ্তাহে ১.৩০০০ সিম্বলিক নাম্বার ছিল ।

ফেব্রুয়ারীর মাঝামাঝিতে ১.২৯১০ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল।

শেষ মন্তব্য

আমরা ধারণা করছি পাউন্ড/ডলার নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকতে পারে।

বেক্সিটের নাটকীয় অবস্থা বর্তমানে চলমান রয়েছে, এটা পাউন্ডকে প্রভাবিত করবে। এ সপ্তাহে  পার্লামেন্টে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। আইনপ্রনেতারা যদি এতে সম্মতি পোষণ করে ভোট দেয়, তাহলে পাউন্ডের প্রাইস খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাবে। অন্যথায় পাউন্ডের প্রাইস কমবে।

Share this post


Link to post
Share on other sites

Create an account or sign in to comment

You need to be a member in order to leave a comment

Create an account

Sign up for a new account in our community. It's easy!

Register a new account

লগিন

Already have an account? Sign in here.

Sign In Now
Sign in to follow this  

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×