Jump to content
Sign in to follow this  
ফরেক্স প্রতিদিন

চলতি সপ্তাহের GBP/USD ফরেক্স মার্কেট আপডেট (১৮ থেকে ২২ মার্চ)

Recommended Posts

গত সপ্তাহে পাউন্ড/ডলারের প্রাইস খুব ভালভাবেই বেড়েছিল। পেয়ারটির জন্য সপ্তাহটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এ সপ্তাহের মূল ইভেন্টগুলো হলো যুক্তরাজ্যের সিপিআই রিলিজ, রিটেইলস সেলস এবং পার্লামেন্টে আরেকটি ব্রেক্সিট ভোট সম্ভবনা। এছাড়াও রয়েছে যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের রেটের উপর ফোকাস। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং পাউন্ড/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো।

গত সপ্তাহে পার্লামেন্টে ভোট অনুষ্ঠিত হয়, যার ফলে পাউন্ডের জন্য এ সপ্তাহটি বেশ ভাল ছিল। আইনপ্রনেতারা উইথড্র বিলকে প্রত্যাহার করেন এবং ইরোপিয়ান ইউনিয়নের সাথে ব্রেক্সিট বিলম্ব করার পক্ষে ভোট দেন। পাউন্ডের প্রাইস খুব দ্রুত বেড়েছিল কারণ ব্রেক্সিট সিনারি বিলম্বিত হওয়ার কারণে মার্কেট বেশ শান্ত ছিল। পার্লামেন্ট কয়েকটি ভাগে বিভক্ত রয়েছে, যার ফলে প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে একটি অস্বস্থিকর অবস্থার মধ্যে রয়েছে। ফলশ্রুতিতে একটি অস্পষ্টতা থেকে যাচ্ছে, পরবর্তীতে ব্রেক্সিট কোন দিকে যাবে।

যুক্তরাজ্যের ব্রেক্সিট নাটকীয় অবস্থাকে অতিক্রম করেও বেশ কয়েকটি রিলিজে ভাল ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। জানুয়ারি মাসে জিডিপি রিবাউন্ড করেছ এবং জিডিপি শতকরা ০.৫ পার্সেন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। মেনুফেকচারিং প্রডাকশন ধারাবাহিকভাবে তিনটি পতনের পরে, জানুয়ারিতে শতকরা ০.৮ পার্সেন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে।

পাউন্ড/ডলারের প্রতিদিনের রেজিস্ট্যান্স এবং সাপোর্ট লেভেল দেওয়া হলো:

download.thumb.png.afdfed4e92010bddab69e3971ab46417.png

 

১.Employment Report

সোমবার দুপুর ০৩:৩০। অ্যানালাইসিস্টরা ধারণা করছেন, জবের হার প্রত্যাশা অনুযায়ী ঠিক থাকবে। গত দুই মাসে ওয়েজ ধীরগতিতে শতকরা ৩.৪ পার্সেন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে আশা করা হচ্ছে, জানুয়ারীতে আরও ধীরগতি পরিলক্ষিত হতে পারে, এটা শতকরা ৩.২ পার্সেন্ট বৃদ্ধি হতে পারে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, বেকারত্বের হার ১৩.১ হাজার থাকতে পারে। এটা তুলনামূলকভাবে গত রিলিজ ১৪.২ হাজারের কম।

২.Inflation

বুধবার দুপুর ০৩:৩০। এ মাসে মুদ্রাস্ফীতি নমনীয় অবস্থায় রয়েছে। কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, জানুয়ারিতে মুদ্রাস্ফীতি শতকরা ১.৮% কমেছে। ফেব্রুয়ারীতেও একই অবস্থা আশা করা হচ্ছে। গত রিলিজে কোর সিপিআই ১.৯% ছিল এবং ফেব্রুয়ারীতেও একই ধরণের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। রিটেইলস প্রাইস ইনডেক্স জানুয়ারিতে শতকরা ২.৫% কমেছে এবং প্রত্যাশা করা হচ্ছে ফেব্রুয়ারীতেও কোন পরিবর্তন হবে না।

৩.CBI Industrial Order Expectations

বুধবার বিকাল ০৫:০০। জানুয়ারিতে সিবিআই ইন্ডাস্ট্রীয়াল অর্ডার কিছুটা কমার পরে, ফেব্রুয়ারীতে বেশ ভাল একটি রিবাউন্ড হয়েছে, এর পরিমান  ৬ পয়েন্ট। অনুমান করা হচ্ছে, মার্চে ৫ পয়েন্ট আসতে পারে।

৪.Retails Sales

বৃহস্পতিবার বিকাল ০৩:৩০। প্রত্যাশা অনুযায়ী জানুয়ারিতে রিটেইলস সেলস শতকরা ১.০% বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ফেব্রুয়ারীতে শতকরা ০.৪ পার্সেন্ট কমেছে।

৫.Public Dector Net Borrowing

বৃহস্পতিবার দুপুর ০৩:৩০। জানুয়ারিতে যুক্তরাজ্যের জিডিপি ১৫.৮ বৃদ্ধি পেয়েছে। মার্চে মাত্র ০.৩ বিলিয়ন জিডিপি বৃদ্ধি পেতে পারে।

৬.BOE Decision

বৃহস্পতিবার বিকাল ০৪:০০। ইংল্যান্ড ব্যাংক জানুয়ারিতে বেঞ্জমার্ক রেট শতকরা ০.৭৫ পার্সেন্ট করেছে এবং QE প্রোগ্রাম বাজায় রাখার জন্য ৪৩৫ পাউন্ড নির্ধারণ করেছেন। মনেটারী পলিসি কমিটি (MPC) এর সমাধান করার জন্য পূর্বে ভোট দিয়েছিলেন এবং এ ভোট গ্রহণের পদ্ধতি পুনরায় আবারও হতে পারে। যদি মনেটারী পলিসি মিটংয়ে Dovish সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে এটা পাউন্ডের জন্য বেশ খারাপ হতে পারে।

 

পাউন্ড/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস

টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো:

পাউন্ড/ডলার পেয়ারটি গত সপ্তাহে বেশ ভাল প্রাইসে ছিল, তাই আমরা উপর লেভেল থেকে শুরু করছি।

এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত ১.৩৭১০ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লাইন ছিল।

২০১৭ সালের শেষের দিকে ১.৩৬১৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস এবং ১.৩৫ রাউন্ড নাম্বার ছিল। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ রাউন্ড নাম্বার ছিল ১.৩৪।

জুনের শেষের দিকে ১.৩৩১৫ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল।

জুলাইয়ের শেষের দিকে ১.৩৩৭৫ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল এবং ১.৩৩০০ রাউন্ড নাম্বারকে অনসরণ করা হয়েছিল।( গত সপ্তাহে উল্লেখিত) এটা এ সপ্তাহের দুর্বল রেজিস্ট্যান্স লাইন।

জানুয়ারিতে পাউন্ডের সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল ১.৩২১৭।

নভেম্বরের শুরুর দিকে ১.৩১৭০ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল এবং নভেম্বরের মাঝামাঝি ১.৩০৭০ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ১.৩০০০ প্রাইস পেয়ারটির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল।

ফেব্রুয়ারীর মাঝামাঝিতে ১.২৯১০ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল।

 

উপসংহার

আমরা ধারণা করছি, পাউন্ড/ডলার পেয়ারটি নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকবে।

পাউন্ডের প্রাইস গত সপ্তাহে বেশ ভাল ছিল, তবে পরবর্তীতেও কি বৃদ্ধির গতি অব্যাহত থাকবে? বিনিয়োগকারীরা ব্রেক্সিটের দিকে বেশ ভালভাবে নজর রাখছেন, তবে লন্ডন এবং ব্রুসেলস উভয় একটি নিরপেক্ষ ব্রেক্সিট চাচ্ছে। আশা করা হচ্ছে উভয় কারেন্সি মার্কেটে একই ধরণের ধরণের প্রভাব বিস্তার করবে। ব্রেক্সিটের অনিশ্চয়তার কারণে ব্রিটিশ ইকনোমি বেশ নীরব ভূমিকা পালন করছে।

 

Share this post


Link to post
Share on other sites

Create an account or sign in to comment

You need to be a member in order to leave a comment

Create an account

Sign up for a new account in our community. It's easy!

Register a new account

লগিন

Already have an account? Sign in here.

Sign In Now
Sign in to follow this  

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×