Jump to content
Sign in to follow this  
FXBD

প্রতিদিনের শীর্ষ নিউজ

Recommended Posts

মেজর কারেন্সীগুলোর বিপরীতে ইয়েন দুর্বল হয়েছে!
images?q=tbn:ANd9GcRjt-iDR60ut3jHtkPa0Ns
জাপানি ইয়েন বৃহস্পতিবার  ইউরোপীয় সেশন এর প্রথম দিকে  মেজর কারেন্সীগুলোর  বিপরীতে  দরপতন হয়েছে। ইয়েন ২ মাসের মধ্যে সর্বনিন্ম দামে 148.59 পাউন্ডের নিচে নেমেছে, ৫ মাসের মধ্যে গ্রিনব্যাকের বিপরীতে 112.42তে কমেছে , ৪ মাসের মধ্যে ফ্রাঙ্কের বিপরীতে  112.97তে কমেছে এবং ২ মাসের মধ্যে ইউরোর বিপরীতে 131.3তে কমেছে। যথাক্রমে 147.79, 111.92, 112.35 এবং 130.67 এর প্রাথমিক সর্বোচ্চ থেকে দরপতন হয়েছে।

আরো ফরেক্স নিউজ দেখুন: https://goo.gl/unikR8
*মার্কেট এর নিউজ ট্রেডিং সম্পর্কে আপনার সচেতনতা বৃদ্ধি করবে, কিন্তু আপনাকে ট্রেডিং সম্পর্কিত নির্দেশ প্রদান করবে না।

Share this post


Link to post
Share on other sites


ডাচ রপ্তানি বৃদ্ধির হার মে মাসে কমেছে
4.jpg
সেন্ট্রাল ব্যুরো পরিসংখ্যান থেকে বৃহস্পতিবার প্রকাশিত তথ্য অনুয়ায়ী  ডাচ রপ্তানি বৃদ্ধির হার আগের মাসে বৃদ্ধি পাওয়ার পর মে মাসে কমেছে ।

মে মাসে রপ্তানি বেড়েছে 5.0 শতাংশ, এপ্রিল মাসে 6.9 শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল, যা পাঁচ মাসের সর্বোচ্চ বৃদ্ধি পেয়েছে।

মে মাসে, প্রধান গ্রুপগুলোর রপ্তানি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পেয়েছে তার হল রাসায়নিক এবং পরিবহন সরঞ্জাম।

এক বছর আগে বছরের তুলনায় আমদানি 1.8 শতাংশ বেড়েছে।


আরো ফরেক্স সংবাদঃ    

 

Share this post


Link to post
Share on other sites

টেকনিক্যাল আনাল্যসিসঃ  USD/JPY  এর জন্য  ইনট্রাডে লেভেল,  ১২ জুলাই ২০১৮
analytics5b46f2683dc06.jpg
এশিয়ায়, জাপান আজ কোন  অর্থনৈতিক ডাটা প্রকাশ করবে না। অন্যদিকে আমেরিকা আজ কিছু অর্থনৈতিক তথ্য প্রকাশ করবে যেমন  ফেডারেল বাজেট ব্যালেন্স, 30-y বন্ড নিলাম, প্রাকৃতিক গ্যাস মজুদ, বেকারত্ব দাবি, কোর সিপিআই  m/m, এবং সিপিআই  m/m। সুতরাং, প্রতিবেদনগুলো থেকে দেখা যায়, আজ USD/JPY এর ভোলাটিলিটি  মধ্যম থেকে উচ্চ মানের হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।       
আজকের দিনের টেকনিক্যাল লেভেলঃ    
রেসিস্টেন্স. 3: 112.80.
রেসিস্টেন্স. 2: 112.57.
রেসিস্টেন্স.1: 112.36
সাপোর্ট. 1: 112.08
সাপোর্ট.2: 111.86.
সাপোর্ট. 3: 111.64.
সতর্কতাঃ ফরেক্স ট্রেডিং (বৈদেশিক বিনিময়) এর ক্ষেত্রে মার্জিন উচ্চ ঝুঁকি বহন করে এবং সকল বিনিয়োগের জন্য উপযুক্ত নাও হতে পারে। অধিক লিভারেজ আপনার জন্য অধিক ঝুঁকি বহন করবে আবার অধিক লাভের উৎস হিসাবেও কাজ করবে। ফরেক্সে লেনদেন করার পূর্বে আপনি অবশ্যই আপনার বিনিয়োগের লক্ষ্য, অভিজ্ঞতার স্তর এবং ঝুঁকির প্রবন নির্ধারণ করবেন। এর ফলে লোকসান এবং প্রাথমিক বিনিয়োগ হারানোর সম্ভাবনা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারবেন এবং এমন জায়গায় বিনিয়োগ করবেন না যেখানে সম্পূর্ণ মূলধন হারানোর সম্ভাবনা রয়েছে। আপনি বিনিয়োগ সম্পর্কিত সকল ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন থাকবেন এবং আপনার যদি কোন সমস্যা হয় তাহলে একজন অর্থ বিষয়ক পরামর্শকের কাছে পরামর্শ চাইতে দ্বিধা করবেন না।
ফরেক্স বিশ্লেষকঃ Arief Makmur,
 

*মার্কেট বিশ্লেষণ ট্রেডিং সম্পর্কে আপনার সচেতনতা বৃদ্ধি করবে, কিন্তু আপনাকে ট্রেডিং সম্পর্কিত নির্দেশ প্রদান করবে না।


বিভিন্ন পেয়ারের ফরেক্স আনাল্যসিসগুলো পেতে এই লিঙ্কটি ভিজিট করুন

 

Share this post


Link to post
Share on other sites

মেজর কারেন্সীগুলোর বিপরীতে ডলার দুর্বল হয়েছে!
104755816-GettyImages-845932164.530x298.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডলার সোমবার ইউরোপীয় সেশন এর প্রথম দিকে মেজর কারেন্সীগুলোর  বিপরীতে দরপতন হয়েছে।    গ্রিনব্যাক  সুইস ফ্রাঙ্কের বিপরীতে  ৪ দিনের সর্বনিন্ম 1.0005 তে ছিল,এটি সর্বোচ্চ 1.1024 তে হিট করেছিল  7:10 ET সময়ে।  গ্রিনব্যাক কিভির বিপরীতে  0.6783  এর সর্বোচ্চ থেকে  0.6758 তে কমেছে।
এছাড়া  গ্রিনব্যাক ৫ দিনের সর্বনিন্ম  লেনদেনের হার ইউরোর  বিপরীতে 1.3251, পাউন্ডের বিপরীতে  1.1707,   অস্ট্রেলিয়া ডলারের বিপরীতে  0.7440 এবং লুনীয়ের বিপরীতে  এর সর্বোচ্চ  থেকে  যথাক্রমে   1.3137,  1.1676, 1.3225, 0.7409 এবং 1.3163।
আরো ফরেক্স নিউজ দেখুন: https://goo.gl/unikR8
*মার্কেট এর নিউজ ট্রেডিং সম্পর্কে আপনার সচেতনতা বৃদ্ধি করবে, কিন্তু আপনাকে ট্রেডিং সম্পর্কিত নির্দেশ প্রদান করবে না।

Share this post


Link to post
Share on other sites

মে মাসে ইউরোজোনের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত হ্রাস পেয়েছে
3.jpg
ইউরোস্ট্যাট থেকে পরিসংখ্যান সোমবার দেখিয়েছে,  আমদানি রপ্তানি থেকে দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় ইউরোজোনের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত মে মাসে আরও হ্রাস পেয়েছে ।

মরসুমে সমন্বয়কৃত বাণিজ্য উদ্বৃত্ত এপ্রিলে ১৮.০ বিলিয়ন ইউরো থেকে কমে মে মাসে ১৬.৯ বিলিয়ন ইউরোতে নেমে।

রপ্তানি এবং আমদানী উভয়ই আগের মাসের থেকে যথাক্রমে 0.২ শতাংশ এবং 0.৯ শতাংশ বেড়েছে।

অসমন্বয়ের  ভিত্তিতে, বাণিজ্য উদ্বৃত্ত ২০১৭ সালের একই মাসে ১৯.৩ বিলিয়ন ইউরোর থেকে মমে এই মে মাসে ১৬.৫ বিলিয়ন ইউরোতে নেমে এসেছে। রপ্তানি বছরের হিসাবে ০.৮ শতাংশ কমে এবং আমদানির পরিমাণ 0.৭ শতাংশ বেড়েছে।

আরো ফরেক্স সংবাদঃ

 

Share this post


Link to post
Share on other sites

ইতালির ইন্ডাস্ট্রিয়াল অর্ডারস মে মাসে ঘুরে দাড়িয়েছে!
6.jpg
পরিসংখ্যান অফিস থেকে গত  মঙ্গলবার  কিছু তথ্য দেখিয়েছেন যে, ইতালি ইন্ডাস্ট্রিয়াল অর্ডারস মে মাসে জোরালোভাবে   রিবাউন্ড হয়েছে, যদিও বিক্রয় দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে। মে মাসের  শিল্পবান্ধব অর্ডারগুলি এপ্রিল মাসের থেকে  3.6 শতাংশ মাসিক বৃদ্ধি হয়েছিল, যা গত এপ্রিল মাসে 0.6 শতাংশ কমে গিয়েছিল। অভ্যন্তরীণ চাহিদার  মাসিক  হিসাবে উপর 1.5 শতাংশ বেড়ে যখন রপ্তানি আদেশ 5.5 শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

আরো ফরেক্স নিউজ দেখুন: https://goo.gl/unikR8
*মার্কেট এর নিউজ ট্রেডিং সম্পর্কে আপনার সচেতনতা বৃদ্ধি করবে, কিন্তু আপনাকে ট্রেডিং সম্পর্কিত নির্দেশ প্রদান করবে না।

Share this post


Link to post
Share on other sites

চীনের বেশিরভাগ শহরে বাড়ির দাম বেড়েছে
3.jpg
চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর মঙ্গলবার প্রকাশিত পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায় যে, জুন মাসে  চীনের বেশিরভাগ শহরে বাড়ির মূল্য পেয়েছে।

সরকার কর্তৃক জরিপকৃত ৭০ টি শহরের মধ্যে ৬৩ টি শহরে বাড়ির মুল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। ৪ টি শহরে দাম কমেছে হয় এবং 3 টি শহরে আগের মত রয়েছে ।

হাইকৌ শহরে  বাড়ির দাম সর্বোচ্চ ৩.৯% বৃদ্ধি পেয়েছে,  এরপর জিনান এ ৩.৬% বৃদ্ধি পেয়েছে।

২০১৭ সালের একই মাসের তুলনায় জুন মাসে ৭০ টি শহরে ৬১ টি শহরে বাড়ির দাম বেড়েছে, আর ৯ টি শহরে দাম কমেছে ছিল।


আরো ফরেক্স সংবাদঃ 

Share this post


Link to post
Share on other sites

তেলের  অবিশ্বাস্য মজুদ বৃদ্ধির পর দাম হতাশাজনক কমেছে
548b5100ecad04b84e27d6fd-750-563.jpg
বুধবার মার্কিন পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউটের তথ্য জানার পর থেকে  তেলের দাম কমেছে, গত ১৩ই জুলাই  সপ্তাহ  শেষ যুক্তরাষ্ট্রের ক্রুড অয়েলের মজুদ অপ্রত্যাশিতভাবে সাপ্তাহিক বৃদ্ধির হার বেড়েছে, যার ফলে একটি বড় অংকের দরপতন আশা করা যাচ্ছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্রুড অয়েলের সাপ্তাহিক উৎপাদন  বেড়ে  629.000 ব্যারেল হয়েছে, যদিও গ্যাসোলিন এর স্টক 425.000 ব্যারেল বৃদ্ধি পেয়েছে।
আরো ফরেক্স নিউজ দেখুন:  https://goo.gl/JVMV4V
*মার্কেট এর নিউজ ট্রেডিং সম্পর্কে আপনার সচেতনতা বৃদ্ধি করবে, কিন্তু আপনাকে ট্রেডিং সম্পর্কিত নির্দেশ প্রদান করবে না।

Share this post


Link to post
Share on other sites

ইউরোজোন চূড়ান্ত সিপিআই প্রকাশের পরে ইউরোর আংশিক পরিবর্তন
2.jpg
আজ বুধবার ET সময় ভোর ৫ টায় ইউরোজোনের চূড়ান্ত সিপিআই এবং মে মাসের নির্মাণ আউটপুট এর ডাটা প্রকাশ করা হয়েছে। এই ডাটা প্রকাশের পরে, ইউরো তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী মুদ্রাগুলোর বিপরীতে আংশিক পরিবর্তিত হয়েছে।

ইউরো ইয়েনের বিপরীতে 131.30, ফ্রাঙ্কের বিপরীতে 0.8911, পাউন্ডের বিপরীতে 1.1617, এবং ডলারে বিপরীতে 1.1645 লেন্দেন হয়েছিল ছিল।

আরো ফরেক্স সংবাদঃ

 

Share this post


Link to post
Share on other sites

জাপানে জুন মাসের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত Y721.408 বিলিয়ন
5.jpg
জাপানের  অর্থ মন্ত্রণালয়  আজ  বৃহস্পতিবার  জানিয়েছে  যে জুন মাসে 721.408 বিলিয়ন ইয়েনের একটি পণ্যদ্রব্যের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত হয়েছে, যা বাৎসরিক হিসাবে 66.5 শতাংশ বেশি। মে মাসে 578.3 বিলিয়ন ইউয়ান বাণিজ্য ঘাটতির পর 531.2 বিলিয়ন ইয়েনের উদ্বৃত্ত প্রত্যাশা ছাড়িয়ে গেছে। এক্সপোর্ট এক্সচেঞ্জ েএর  বাৎসরিক হিসাবে 6.7 শতাংশ যা 7.052 ট্রিলিয়ন ইয়েন -  7.0 শতাংশ অনুমান করা হয়েছিল  এবং আগের মাসে 8.1 শতাংশ থেকে কম।
আরো ফরেক্স নিউজ দেখুন:  https://goo.gl/JVMV4V
*মার্কেট এর নিউজ ট্রেডিং সম্পর্কে আপনার সচেতনতা বৃদ্ধি করবে, কিন্তু আপনাকে ট্রেডিং সম্পর্কিত নির্দেশ প্রদান করবে না।

Share this post


Link to post
Share on other sites

যুক্তরাজ্যের খুচরা বিক্রয় প্রকাশের পর পাউন্ডের পতন
9.jpg
আজ বৃহস্পতিবার ET সময় ভোর ৪:৩০  জাতীয় পরিসংখ্যান কার্যালয়   জুন মাসের খুচরা বিক্রয় এর ডাটা প্রকাশ করা হয়েছে। এই ডাটা প্রকাশের পরে, পাউন্ড  তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী মুদ্রাগুলোর বিপরীতে আংশিক পরিবর্তিত হয়েছে।

ET সময় ভোর ৪:৩২ এ পাউন্ড  ইয়েনের বিপরীতে 146.78, ফ্রাঙ্কের বিপরীতে 1.3011, ইউরোর  বিপরীতে 0.8939 এবং ডলারে বিপরীতে 1.2993 তে ট্রেডিং হয়েছিল ছিল।

আরো ফরেক্স সংবাদঃ

Share this post


Link to post
Share on other sites

সিঙ্গাপুর মুদ্রাস্ফীতি জুন মাসে আশানুরূপ
8.jpg
আজ  সোমবার  সিঙ্গাপুরের আর্থিক কর্তৃপক্ষের  বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে তথ্য দেখিয়েছে যে, সিঙ্গাপুরের ভোক্তা মূল্য মুদ্রাস্ফীতি জুন মাসে আশানুরূপ রয়েছে। জুন মাসে ভোক্তা মূল্য 0.6 শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগের মাসের থেকে 0.4 শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থনীতিবিদরা এটাই আভাস দিয়েছিলো। সাধারনত খাদ্য ও সেবা সামগ্রীর উচ্চমূল্যের কারনে  মুদ্রাস্ফীতির বৃদ্ধি  পেয়েছিল।

আরো ফরেক্স নিউজ দেখুন:  https://goo.gl/WrU48p
*মার্কেট এর নিউজ ট্রেডিং সম্পর্কে আপনার সচেতনতা বৃদ্ধি করবে, কিন্তু আপনাকে ট্রেডিং সম্পর্কিত নির্দেশ প্রদান করবে না।

Share this post


Link to post
Share on other sites

জুন মাসে সুইস অর্থ সরবরাহ প্রবৃদ্ধির ধীরগতি

1.jpg
সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক সোমবার বলেছে যে, সুইজারল্যান্ড এর অর্থ সরবরাহ জুন মাসে ধীর গতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে।

 বৃহৎ আর্থিক সমষ্টি, M3, জুন মাসে বছরের হিসাবে ২.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মে মাসের ২.৮ এর তুলনায় ধীরগতিতে বেড়েছে।

অনুরূপভাবে, সংকীর্ণ পরিমাপ, M1 ৫.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা  মে মাসে ৫.৭ শতাংশ  বৃদ্ধি পেয়েছিল।

আরো ফরেক্স সংবাদঃ

 

Share this post


Link to post
Share on other sites

Create an account or sign in to comment

You need to be a member in order to leave a comment

Create an account

Sign up for a new account in our community. It's easy!

Register a new account

লগিন

Already have an account? Sign in here.

Sign In Now
Sign in to follow this  

  • Similar Content

    • By তানভীর™
      গত পর্বে আমরা আলোচনা করেছি প্রথম ২ ধরনের নিউজ ও ডাটা রিপোর্ট নিয়ে যেগুলো পাউন্ডকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে। পাউন্ডের ওপর মুদ্রাস্ফীতি (Inflation) এবং আর্থিক নীতিমালা (Monetary Policy) এর প্রভাব জানতে এখানে ক্লিক করে প্রথম পর্বটি পড়ুন। এছাড়াও পড়তে পারেন স্বপ্নিল ভাইয়ের ফরেক্স ট্রেড করতে হলে পাউন্ড সম্পর্কে যা যা আপনার জানতে হবে লেখাটি। এ পর্বে আলোচনা করা হচ্ছে বাকি ৩টি প্রধান অর্থনৈতিক ইন্ডিকেটর কনজিউমার কনফিডেন্স ও সেন্টিমেন্ট, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (GDP) এবং ব্যালেন্স অফ পেমেন্ট (BoP) নিয়ে।

      ৩. কনফিডেন্স এবং সেন্টিমেন্ট (Confidence and Sentiment)
      যে রিপোর্টগুলোকে বিবেচনায় রাখতে হবেঃ Gfk Consumer Confidence, Nationwide Consumer Confidence
      মার্কেট সেন্টিমেন্ট দিয়ে বোঝায় কোন একটি কারেন্সি, স্টক, কমোডিটি বা যেকোনো ট্রেড করা যায় এমন বিষয়ের ওপর ট্রেডার এবং জনসাধারণের বর্তমান দৃষ্টিভঙ্গি কি রকম। একটি মার্কেটে বিভিন্ন ঘটনা যেমন প্রাইস মুভমেন্ট বা কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সে মার্কেটের প্রতি ট্রেডারদের সেন্টিমেন্ট বোঝা যায়। যেমন প্রাইস বাড়লে বোঝা যায় ঐ ট্রেডিং ইন্সট্রুমেন্টের প্রতি ট্রেডারদের বুল্লিশ সেন্টিমেন্ট কাজ করছে। আবার প্রাইস কমা নির্দেশ করে বিয়ারিশ সেন্টিমেন্টের কথা।
      এমন অনেক জরিপ বা সার্ভে আছে, যেগুলো মার্কেট সেন্টিমেন্ট পর্যালোচনা করে। আর সে কারণেই ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস করে এমন ট্রেডারদের কাছে মার্কেট সেন্টিমেন্টের রিপোর্টগুলো বেশ গুরুত্ব পায়, কারণ ট্রেডাররা স্বভাবতই জানতে চায় মার্কেটের প্রতি সংখ্যাগরিষ্ঠদের মনোভাব কি, কারণ বেশিরভাগ সময় তারাই মার্কেটের দিক পরিবর্তন করতে প্রভাব ফেলে। ইউকের কনফিডেন্স এবং সেন্টিমেন্টের নিউজগুলো এ কারণেই ট্রেডারদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ কারণ সেগুলো নির্দেশ করে যে বেশিরভাগ মানুষ কি অর্থনীতির ব্যাপারে আশাবাদী নাকি নেতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করছে। তাই এই বিষয়গুলোর পরিবর্তন এবং কি পরিমান এই ইন্ডিকেটরগুলো পরিবর্তন হচ্ছে, তা দেশের অর্থনৈতিকভাবে পরিবর্তন, তথাপি পাউন্ডের শক্তিমত্তা নির্দেশ করতে ভুমিকা রাখে।
      ইউকের সেন্টিমেন্ট বোঝার জন্য মূলত ট্রেডাররা Gfk Consumer Confidence এবং Nationwide Consumer Confidence Index (NCCI) নিউজ দুটিকে বেশি গুরুত্ব দেয়। ২টি রিপোর্টই মূলত ৫টি প্রশ্নের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়। এই প্রশ্নগুলো সাধারন অর্থনৈতিক অবস্থা, কর্মসংস্থান এবং ভবিষ্যতের প্রতি জনসাধারনের প্রত্যাশা এ বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে তৈরি করা হয়। GfK এবং NCCI এই ২টি রিপোর্টের মূল পার্থক্য হল কি পরিমান সময়কাল বিবেচনা করে প্রশ্নের উত্তর বিবেচনা করা হয়। NCCI জরিপে, উত্তর প্রদানকারীর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তার মনোভাব এবং পরবর্তী ৬ মাস সম্পর্কে তার প্রত্যাশা জানতে চাওয়া হয়। কিন্তু GfK জরিপে, গত ১২ মাস সম্পর্কে উত্তর প্রদানকারীর মনোভাব এবং আগামী ১২ মাস সম্পর্কে তার প্রত্যাশা জানতে চাওয়া হয়। ২টি রিপোর্টের সাহায্যেই ইউকের অর্থনীতি সম্পর্কে জনসাধারণের সেন্টিমেন্ট বুঝতে পারা যায়।
      ৪. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (GDP)
      যে রিপোর্টগুলোকে বিবেচনায় রাখতে হবেঃ Manufacturing PMI, Services PMI, Retail Sales, GDP
      পুরো ইউকে জুড়ে যে অর্থনৈতিক কর্মকান্ড হয়, তা পাউন্ডের কারেন্সি ভ্যালু পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদক হিসেবে কাজ করে। অন্যান্য দেশের মতই ইউকের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সম্পর্কে প্রাথমিক ধারনা পাওয়া যায় Gross Domestic Product (GDP) বা জিডিপি রিপোর্ট থেকে। ৩ ধরনের জিডিপি রিপোর্ট সম্পর্কে ট্রেডারদের অবগত থাকা উচিত। এগুলো হলঃ Preliminary GDP, Revised GDP এবং Final GDP রিপোর্ট। সবার প্রথমে প্রকাশিত হয় Preliminary GDP রিপোর্টটি, আর তাই মার্কেটে এর প্রভাবও সবচেয়ে বেশি। এর কারণ হল Preliminary GDP রিপোর্টের মাধ্যমেই ট্রেডাররা দেশের চলতি অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারনা পায়। তবে প্রিলিমিনারী জিডিপি রিপোর্টে যে ডাটা থাকে, তাতে বেশ কিছু ভুল থাকে, যেগুলো রিভাইজড এবং ফাইনাল জিডিপি রিপোর্টে সংশোধন করা হয়। এ রিপোর্টটি Prelim GDP নামেও পরিচিত।
      যেহুতু প্রতি কোয়ার্টার বা ৩ মাসে জিডিপি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়, অনেক ট্রেডাররাই অর্থনৈতিক অবস্থা আরও ভালভাবে বোঝার জন্য জিডিপি রিপোর্টের পাশাপাশি আরও কিছু রিপোর্ট বিবেচনা করে। Retail Sales, Manufacturing PMI, Services PMI এ রিপোর্টগুলো প্রতি মাসে বের হয় যা ট্রেডারদেরকে ইউকের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে ধারনা প্রদান করে। যেহুতু, ভোক্তাদের যেকোনো দেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাই রিটেইল সেলস রিপোর্টটি বেশ গুরুত্বের সাথে বিবেচিত হয়।
      ৫. ব্যালেন্স অফ পেমেন্টস (Balance of Payments )
      যে রিপোর্টগুলোকে বিবেচনায় রাখতে হবেঃ Trade Balance, Current Account
      ব্যালেন্স অফ পেমেন্ট (BoP) রিপোর্টগুলো হল একটি দেশের সাথে সারা বিশ্বের অন্যান্য দেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের অ্যাকাউন্টিং রেকর্ড। BoP মূলত ৩টি অ্যাকাউন্টের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়। কিন্তু ফরেক্স ট্রেডারদের মূল বিবেচনায় থাকে Current Account রিপোর্টটি। এ রিপোর্টটির মাধ্যমে জানা যায় একটি দেশ কি পরিমাণ ইমপোর্ট এবং এক্সপোর্ট করছে, কি পরিমাণ অর্থ দেশে আসছে এবং দেশের বাইরে যাচ্ছে। সাধারনভাবে, Current Account রিপোর্টে যদি Surplus হয়, অর্থাৎ দেশে বেশি অর্থ আসে এবং এক্সপোর্ট বেশি হয়, তা অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক হিসেবে বিবেচিত হয়। এর বিপরীত হলে তা অর্থনীতির জন্য নেতিবাচক হিসেবে বিবেচিত হয়। পাউন্ডের প্রতি এ রিপোর্টটির ভালো প্রভাব রয়েছে।
      ট্রেড ব্যালেন্স রিপোর্টের ডাটাগুলো কারেন্ট অ্যাকাউন্ট রিপোর্টেও থাকে। ট্রেড ব্যালেন্স রিপোর্ট প্রতি মাসে প্রকাশিত হয়, আর কারেন্ট অ্যাকাউন্ট রিপোর্ট ত্রৈ-মাসিকভাবে প্রকাশিত হয়। তাই ট্রেডাররা যদি অ্যানালাইসিসের জন্য শুধু এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ডাটা বিবেচনা করতে চায়, তবে ট্রেড ব্যালেন্স রিপোর্ট বিবেচনা করলেই হবে।
      শেষ কথা
      পাউন্ডকে প্রভাবিত করে এমন অসংখ্য অর্থনৈতিক ইন্ডিকেটর রয়েছে। কোনগুলো বেশি প্রভাব ফেলে, বর্তমান মার্কেট পরিস্থিতিতে কোন রিপোর্টগুলো বেশি প্রভাব ফেলতে পারে এবং কোনগুলো ব্যবহার করা উচিত, সেটি নির্বাচন করা হল সঠিকভাবে ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস করার জন্য প্রথম ধাপ। এ রিপোর্টগুলোকে ভালভাবে বোঝা এবং একাধিক রিপোর্টকে সমন্বিত করে মার্কেটের পরবর্তী গতিবিধি বুঝে ট্রেডের সিদ্ধান্ত নেয়া হল প্রকৃত কঠিন কাজ। কোন ট্রেডার যদি ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস অনুসরণ করে পাউন্ডের পেয়ারগুলো ট্রেড করতে চান, তবে এ ৫ ধরনের নিউজ রিপোর্টগুলো গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে ট্রেড করা হবে প্রত্যেক ট্রেডারের জন্য প্রথম কাজ।
      পাউন্ডকে প্রভাবিত করে এমন ৫ ধরনের নিউজ রিপোর্টের ১ম পর্বটি না পড়ে থাকলে পড়ে নিতে পারেন এখান থেকে। আর ২ পর্বের পুরো সিরিজটি কেমন লাগলো শেয়ার করতে ভুলবেন না।
    • By তানভীর™
      নিয়মিত ট্রেড করে থাকলে পাউন্ড যে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় কারেন্সি, তা আর আপনার অজানা থাকার কথা না। নিয়মিত ট্রেড করতে গিয়ে কম-বেশি প্রত্যেক ট্রেডারই উপলব্ধি করেছেন যে, পাউন্ড সম্পর্কিত প্রায় সবগুলো কারেন্সিই বেশ ভোলাটাইল, অর্থাৎ হুটহাট মার্কেটে প্রচুর পরিমান প্রাইস পরিবর্তনে সক্ষম। ফরেক্স ট্রেড করতে গেলে পাউন্ড সম্পর্কে প্রতিটি ট্রেডারের কি কি জানা উচিত, তা নিয়ে বিডিপিপসে একটি বিস্তারিত লেখা রয়েছে। আজকে আমরা জানবো কোন ৫ ধরনের নিউজ রিপোর্ট পাউন্ডকে অর্থাৎ পাউন্ড সম্পর্কিত পেয়ারগুলোকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে।

      পাউন্ডের বিপুল জনপ্রিয়তার জন্য প্রায় প্রতিটি ফরেক্স ট্রেডারই ডলারের পাশাপাশি পাউন্ডের পেয়ারগুলো দিয়ে তাদের ফরেক্স ট্রেডিং শুরু করে। যেসব ট্রেডার ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস করে ট্রেড করে, অর্থাৎ ট্রেডিংয়ের সময় অর্থনৈতিক রিপোর্টসমূহ এবং ডাটা রিপোর্টগুলোকে বিবেচনায় রাখে, তারা কোন নিউজ রিপোর্টগুলো পাউন্ডকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে, তা জানতে পারলে তাদের ট্রেডিংয়ে উপকৃত হবে এবং সেসব বিষয়ে অতিরিক্ত নজর দিতে পারবে। এই লেখায় সেরকমই কিছু গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক রিপোর্ট সম্পর্কে আলোচনা করা হবে যা নতুন এবং পুরাতন ২ রকম ট্রেডারদেরই সাহায্য করবে পাউন্ড ট্রেডিংয়ে ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিসের বিষয়গুলোকে আরও ভালভাবে বুঝতে।
      ৫টি প্রধান অর্থনৈতিক ইন্ডিকেটর
      শুরু  করার আগে এটুকু জানা জরুরী যে, পৃথিবীর প্রায় সবগুলো দেশের কারেন্সিগুলোই মূলত সাধারণ কিছু বিষয় দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকে। একই  বিষয়গুলো কম-বেশি তাদের দুর্বল বা শক্তিশালী হতে সাহায্য করে। বিশেষ  করে ৫টি বিষয়ে এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি মিল পাওয়া যায় এবং এরাই সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে সেই কারেন্সিটিকে।  পাউন্ডও তার ব্যাতিক্রম নয়। আর্থিক নীতিমালা (Monetary Policy), মুদ্রাস্ফিতি (Inflation), কনজিউমার কনফিডেন্স ও সেন্টিমেন্ট, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (GDP), ব্যালেন্স অফ পেমেন্ট এই বিষয়গুলো সবচেয়ে বেশি প্রভাব রাখে। এই ৫ ধরণের রিপোর্ট বিবেচনায় রাখলেই আপনি বুঝতে পারবেন কোন রিপোর্টগুলো একক বা সম্মিলিতভাবে যেকোনো কারেন্সিকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করতে যাচ্ছে। চলুন জানা যাক এ বিষয়গুলো পাউন্ডকে কিভাবে প্রভাবিত করে।
      ১. মুদ্রাস্ফীতি (Inflation)
      যে রিপোর্টগুলোকে বিবেচনায় রাখতে হবেঃ CPI, PPI
      পাউন্ডের মুল্যায়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হল মুদ্রাস্ফীতি। সাধারণভাবে, যেসব দেশের মুদ্রাস্ফীতি বেশি, সেসব দেশের মুদ্রার মান অন্য দেশের মুদ্রার তুলনায় দুর্বল হয়ে যায়। মুদ্রাস্ফীতি বাড়লে বা কমলে সে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের  জন্য উদ্যোগ নিয়ে থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক  অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি এড়াতে সুদের হার বা ইন্টারেস্ট রেট পরিবর্তন করে থাকে।
      কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স (CPI) এই রিপোর্টটি কিন্তু ইউকের মুদ্রাস্ফীতির মাত্রা জানার অন্যতম একটি নির্ণায়ক হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই ট্রেডাররাই এই CPI রিপোর্টটির ওপর বেশ নজর রাখেন এবং গুরুত্বের সাথেই নিয়ে থাকেন। ব্রিটেনের অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিক্স এই রিপোর্টটি প্রকাশ করে। কোন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভোক্তা বা ক্রেতারা (consumer) কি পরিমান দামের পন্য বা সেবা কিনছে, তার পার্থক্য এই CPI রিপোর্টের মাধ্যমে নির্ণয় করা হয়। এ রিপোর্টটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড (BoE) এ রিপোর্টটি বিবেচনা করে মুদ্রাস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে থাকে। তাই CPI তে কোন নতুন পরিবর্তন এলে তা যদি ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের বর্তমান লক্ষ্যমাত্রার থেকে আলাদা হয়, তবে আশা করা যায় যে তা ভবিষ্যতে BoE এর আর্থিক নীতিমালায় পরিবর্তন আনবে, যা কিনা পাউন্ডকে তাৎপর্যপূর্ণভাবে প্রভাবিত করতে পারে।
      যদিও কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স মুদ্রাস্ফীতির মাত্রা নির্ধারণে ভুমিকা রাখে, পাশাপাশি প্রডিউসার প্রাইস ইনডেক্স (PPI) ও এক্ষেত্রে কিছু ভুমিকা রাখে। PPI কে অনেকেই মুদ্রাস্ফীতির নির্ণায়ক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ইন্ডিকেটর হিসেবে বিবেচনা করেন। একদম কাঁচামালের পর্যায় থেকেই মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত পরিবর্তনগুলো এ রিপোর্টে ধরা পরে, যা কিনা পরবর্তীতে CPI কে প্রভাবিত করে। আর যেহুতু PPI রিপোর্টটি CPI এর আগেই প্রকাশিত হয়, তাই মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত সম্পূর্ণ ধারনা পেতে CPI এবং PPI দুটিকেই বিবেচনায় রাখতে হবে।
      ২. আর্থিক নীতিমালা (Monetary Policy)
      যে রিপোর্টগুলোকে বিবেচনায় রাখতে হবেঃ  Bank Interest Rate, BoE Inflation Report
      পাউন্ডের ভবিষ্যৎ বিবেচনায় ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের মনেটারী পলিসি বা আর্থিক নীতিমালাগুলোকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা প্রয়োজন। ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের অন্যতম প্রধান আর্থিক লক্ষ্য হল মুদ্রাস্ফীতির মাত্রা কমের মধ্যে রাখা এবং পাউন্ডের কনফিডেন্স বজায় রাখা। তাই যখনই কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করে পাউন্ডের মুদ্রাস্ফীতি এমন পর্যায়ে চলে যাচ্ছে যা পাউন্ডের স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ, ঠিক তখনই BoE বিভিন্ন আর্থিক নীতিমালা আরোপ করে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রন করার চেষ্টা করে। ট্রেডাররা এসব আর্থিক নীতিমালা বা মনেটারী পলিসি, যেমন - ইন্টারেস্ট রেট কখন বা কি পরিমাণে পরিবর্তন হবে সেসব অনুমান করার চেষ্টা করে।
      এই আর্থিক নীতিমালাগুলো সম্পর্কে অবগত থাকতে ট্রেডাররা ব্যাংক রেটের যেকোনো পরিবর্তন অনুসরণ করে। ব্যাংক রেট হল যে ইন্টারেস্ট রেটে কেন্দ্রীয় ব্যাংক BoE অন্যান্য ব্যাংকগুলোকে চার্জ করে। এই রেট সম্পর্কে সিদ্ধান্ত হয় Monetary Policy Committee (MPC) এর একটি মাসিক মিটিংয়ে। আপনি নিয়মিত ফরেক্স ক্যালেন্ডার অনুসরণ করলেই মাঝে মাঝে MPC Meeting নামে বা এরকম কিছু ইভেন্ট দেখতে পারবেন। প্রতি মাসে অনুষ্ঠিত এ মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত এবং ব্যাংক রেট ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের ওয়েবসাইটে পাওয়া যায়। তবে যদি MPC আগের রেটই বজায় রাখে, তবে আর এ সংক্রান্ত কোন আলোচনা হয় না। কিন্তু যদি মনেটারি পলিসি কমিটি (MPC) ব্যাংক রেটে কোন পরিবর্তন আনে, তবে তারা এ সংক্রান্ত একটি স্টেটমেন্ট বা বিবরণী প্রকাশ করে। সাধারণত ট্রেডাররা এই স্টেট্মেন্টকে গুরুত্বের সাথে নিয়ে থাকে, কারণ বেশিরভাগ সময় এ বিবরণী থেকে ভবিষ্যতে পাউন্ড কোনদিকে যেতে পারে সে সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যায়।
      ১ম পর্বে আলচনাকরা হল মুদ্রাস্ফীতি (Inflation) এবং আর্থিক নীতিমালা (Monetary Policy) নিয়ে। ২য় পর্বে আলোচনা করা হবে বাকি ৩টি প্রধান অর্থনৈতিক ইন্ডিকেটর কনজিউমার কনফিডেন্স ও সেন্টিমেন্ট, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (GDP) এবং ব্যালেন্স অফ পেমেন্ট নিয়ে। ১ম পর্বটি কেমন লাগলো নিচে মন্তব্যে জানাতে জানাতে ভুলবেন না।
    • By Roman_Mehedi
      আসসালামু আলাইকুম,
      নিউজ ট্রেডিং এবং ফান্ডামেন্টাল এ্যানালাইসিস সংক্রান্ত কিছু আর্টিকেল (বাংলা ও ইংরেজি) সংগ্রহ করেছিলাম নিজের জন্য। বিডিপিপস সহ আরো অন্যান্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে বেশ কিছু আর্টিকেল সংগ্রহ করেছিলাম। সেগুলো থেকে বেছে কিছু আর্টিকেল MS-Word -এ কপি পেস্ট করেছিলাম প্রিন্ট আউট করার জন্য। 
      মনে হলো- আপনাদেরও কাজে লাগতে পারে, তাই ভাবলাম আপলোড করে রাখি।
       
      এখানে আপলোড করবো জানতাম না। তাই কপি পেস্ট করার সময় লেখকদের নামগুলো রাখিনি (তবে এটা নিশ্চিত এখানে আমার কোন লিখা নাই)। আশা করি, কেউ কিছু মনে করবেন না। সেবাই যাদের ব্রত, তারা কিছু মনে করার কথা না। 
       
      PDF এবং Doc - দুই ফরমেটেই দিলাম, যাতে প্রয়োজনে এডিট করতে পারেন নিজের মত। এখানে শুধু বাংলা ফাইলটা দেয়া হয়েছে, ইংরেজিটা এখনো তৈরি হয় নি। 
       
      বিডিপিপস সহ আরো বেশ কয়েকটি বাংলাভাষী ওয়েবসাইট -এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
      আর্টিকেল গুলার লেখকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
        
       
       
       
      মানুষ মৃত্যু থেকে বাঁচার চেষ্টা করে, জাহান্নাম থেকে নয়। অথচ, চেষ্টা করলে মানুষ জাহান্নাম থেকে বাঁচতে পারে, মৃত্যু থেকে নয়।
      Forex_News_Fundamental_doc.docx
      Forex_News_Fundamental_pdf.rar
    • By new_fbs
      আজ চ্যাট বক্সে যা দেখলাম তা সত্যিই কষ্টের। কারন আজ অনেকে ইউরো/ইউএসডি তে ট্রেড করে ধরা খায়ছেন। আসলে নিউজট্রেডে ভাল একটা ধারনা না নিয়ে ট্রেড না করায় ভাল, হয়তো এই কথা আমি এর আগেও বলেছি। কিন্তু আজ ঠিক এই কাজ করতে গিয়ে ইউরো/ইউএসডি পেয়ারকে খুব গালি গালাজ করেছে কেউ প্রকাশ্যে আর কেউ মনে মনে। কেউ একজন কমেন্ট করেছে যে " আজ কে কে ইন্তিকাল করেছেন?" আসলে নিজের ধারনা না থাকায় হয়তো অনেকে ভেবেছিল নিজের আগের ক্যান্ডেলটি যেহেতু অনেক নেমেছে তাই হয়তো নিউজে তা উপরের দিকে উঠবে (আমার এই ধারনা হয়তো কারো ক্ষেত্রে ভুল হতেও পারে)। কিন্তু নিজের সময় ক্যান্ডেল আবার নিচের দিকেই নামে যদিও পরের ঘন্টার ক্যান্ডেল উপরে উঠেছে। সেটা ভিন্ন বিষয়। কারন নিউজের সময় ক্যান্ডেল কি হয়ছে সেটাই মূল বিষয়। কে কেমন করে জানি না, তবে আমি নিউজের সময় আমি প্রথম ক্যান্ডেলকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকি। কারন পরবর্তি ক্যান্ডেলে নিউজের প্রভাব পড়তেও পারে না পড়তেও পারে। যেমন কোন কোন সময় ২/৩ দিন তার প্রভাব থাকতে পারে। সেটা ভিন্ন বিষয়। যাই হোক, নিউজ ট্রেড রিস্কি ট্রেড তাই না বুঝে কোন কিছু করাটাই বোকামি। তাই ভাল ধারনা না থাকলে এর থেকে দুরে থাকাই ভাল। সল্প সময়ের ব্যবধানে লাভ বা লস করার ট্রেড হলো নিউজ ট্রেড।

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×