Jump to content
  • Similar Content

    • By bmfxanalyst
      আজ আমরা GBPUSD পেয়ার নিয়ে একটু পর্যালোচনা করি।
      মাঝারি মানের টাইম ফ্রেম নিয়ে এই পেয়ারটির দিকে একটু দেখলেই আমরা ভাল একটা সম্ভাবনা দেখতে দেখতে পাই। নিচের চার্টের দিকে একটু লক্ষ্য রাখুনঃ

      আমরা দেখতে পাচ্ছি মার্কেট এই বছরের জানুয়ারী মাসের টপ থেকে শুরু হওয়া একটা ডাউনট্রেন্ডকে  টাচ করেছে একতি পিনবারের মাধ্যমে। 
      আবার দেখতে পাই, এ বছরেরই মার্চ মাসের বটম লাইন থেকে শুরু হওয়া একটা আপ ট্রেন্ডকে ব্রেক করে অনেকটা রিটেস্ট করেছে সেই পিনবারের মাধ্যমেই!
      খুব সহজেই আমরা তাহলে কি দেখতে পাচ্ছি? 
      বড় কোন সমস্যা না হলে মার্কেট এরপর ইনসাইড বা পিনবারকে আরও স্ট্রং করে দেয়, এমন কোন কনফার্মেশন দেখাতে পারলে অনেকটা নিশ্চয়তা পাওয়া যায় যে, মার্কেট নিচের দিকে নেমে যেতে পারে। এবং নিচে নেমে এ বছরের ফেব্রুয়ারী মাসের বটম লেভেল থেকে শুরু হওয়া আপট্রেন্ডের লাইনকে স্পর্শ করতে পারে। 
      সুতরাং, কনফার্মেশন পেয়ে গেছেন কি ইতোমধ্যে? তাহলে দেরী কেন? সেট আপটা নিয়ে নিন। 
      আর যদি এখনও কনফার্মেশন না পেয়ে থাকেন, তাহলে অপেক্ষা করুন, এরপর কনফার্মেশন সিগনাল পেলেই সেট আপ নিতে ভুলবেন না।
      সকলের সাফল্য কামনা করছি। ধন্যবাদ 
       
    • By bmfxanalyst
      আজ ডলারের নিম্নমুখী এক নাগাড়ে পতন শুরু হয়েছে যেন। কিন্ত কেন? এভাবে নিচের দিকে পড়ার মত কিছু কি ঘটেছে আমেরিকার বিশ্বে? মনে হয় না। 
      আল কায়দা বিমান হামলাও করেনি, আইএস এর প্রধানকে আমেরিকার বন্ধু বলেও প্রমান করা যায়নি এখনও। সৌদী আরবও বলেনি যে আমেরিকার সাথে সকল লেনদেন বন্ধ!!
      রাশিয়াও ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালায়নি এমনকি ইরানও পরমাণুর বোমা তাক করেনি!! ওদিকে উত্তর কোরিয়াও যথেষ্ট চুপ চাপ। তাহলে?
      এসবের কোন কিছুই না হওয়া সত্ত্বেও কেন ডলার এই অধোঃপতন?? 
      এবার আসি মুল বিষয়ে। ফরেক্স এর চার্ট বা বিভিন্ন ব্যাংকের রিপোর্টের বাইরে বিশ্বের অর্থবাজারের মুভমেন্টের জন্য আরেকটি বিশাল জায়গা রয়েছে, যার উপর ভিত্তি করে এমন বড় বড় মুল্যের উঠানামা হয়ে থাকে।
      তার নাম রিউমার। বাংলায় যাকে বলব গুজব। 
      হুজুগে শুধু বাঙালিই নয়। হুজুগে শব্দটার সাথে সারা বিশ্বের সকল জায়গার মানুষ জড়িত। সবাই গুজবে মাতে, সবাই চিলে কান নিয়েছে শুনে চিলের পিছনেই দোউড়ায়। কান কানের জায়গায় ঠিকঠাক আছে কিনা তা দেখারও প্রয়োজন পড়েনা। আর এই রিউমারের প্রভাব অর্থবাজারে বেশ জোড়েশোরেই পড়ে।
      আজ ইউএস ডলারের উপর এমনই শনির দশা পড়েছে।
      কারন, আজ সিরিয়ায় হামলা ইস্যুতে রাশিয়া ও আমেরিকা বেশ ভালভাবেই তর্কাতর্কি করেছে, আর বোঝাই যাচ্ছে তাতে রাশিয়ার যৌক্তিকতাই বেশি ছিল কারন সিরিয়ার আসাদ কিন্ত সিরিয়ান জনগনের গণভোটে নির্বাচিত ছিলেন। তাহলে নির্বাচিত এক সরকার প্রধানকে উতখাত করতে আমেরিকার এতো মাথাব্যাথা কেন?? এর আগে ইরাকে মিথ্যা রাসায়নিক অস্ত্রের অযুহাতে সাদ্দামকে ফাসী দিয়ে বেশ বড় ভুল করেছিল আমেরিকা, সেই উদাহরন টেনে এনে আমেরিকাকে তর্কাতর্কির সময় এক পর্যায়ে চুপ করিয়ে দিয়েছিলেন রাশিয়ান প্রতিনিধি। যদিও ইতোপুর্বে যুক্তরাজ্যে গুপচরকে নার্ভ গ্যাস প্রয়োগে হত্যার অভিযোগের ইস্যুতে রাশিয়া ও আমেরিকা যার যার দেশের ৫০ জনেরও বেশি জন করে কুটনৈতিককে দেশে পাঠিয়ে দেবার বিষয় তো ছিলই এখানে!! এতেই আমেরিকার আগ্রাসী ভুমিকায় যে বেশ বড় ধাক্কা লেগেছে তা বলাই যায়। 

      এই আলোচিত ঘটনাকে ছাপিয়ে এবার রমরমে একটা বিষয় সামনে এসে দাড়িয়েছে আজ। তা হচ্ছে, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর চারিত্রিক সনদ নিয়ে কারও কোন মাথা ব্যাথা যদিও নেই, তবুও আজ এফবিআই এর বেশ কিছু সদস্য ট্রাম্প এর ব্যক্তিগত আইনজীবীর অফিসে ব্যাপক তল্লাসী চালিয়েছে। তারা নির্বাচন কালীন কোন এক পর্ন অভিনেত্রীর সাথে ইটিশ-পিটিশ করার কথা ধামাচাপা দিতে যে বেশ বড় অংকের টাকা দিয়েছিলেন, সেই সংক্রান্ত নথিপত্রও নাকি খুজে পেয়েছেন!!
      অর্থাৎ ট্রাম্প সাহেব বেশ বড় ধরনের ঝামেলাতেই পড়তে যাচ্ছেন বলাই যায়। আর কোন দেশের প্রেসিডেন্ট এর এমন নারী কোলেংকারী জনিত ঝামেলায় পড়া মানে সেই দেশের অর্থবাজারে বেশ বড় রকমেই ধ্বস নেমে আসা। এখন দেখার বিষয় আমেরিকার সিনেট বোর্ড কিভাবে বিষয়টা সামাল দেন।
      আজ ডলারের বিপক্ষে বেইজ কারেন্সী হয়ে থাকা সকল পেয়ার শুধু উড়েই চলেছে যেন। একটু ব্যতিক্রম ছিল জাপানী ইয়েন। ভাব দেখে মনে হচ্ছিল যে ইয়েনের দশা ডলার থেকেও খারাপ তাই এই চরম সংকটের মুহুর্তেও ডলার একমাত্র ইয়েনের বিপক্ষে একটু হলেও মাথা তুলে রাখতে পেরেছে। 
      আজকের অফ টপিকের এনালাইসিস কি আপনাদের একটু হলেও বোধগম্য হয়েছে? তাহলে আমিও একটু মাথা তুলে দাড়াতে পারতাম 
       
    • By bmfxanalyst
      Pair: GBPJP, অনেকেই যাকে ড্রাগন পেয়ারও বলে থাকে। 
      আজকের রিভিউ তে এই ড্রাগন পেয়ারের সেট আপ নিয়ে কথা বলব। মার্কেট বর্তমানে সুন্দর একটা পজিশনে এসে দাড়িয়েছে। ২০১৬ সালের মার্চ মাসের সাপোর্ট লেভেলে এসে দাড়িয়েছে এই ড্রাগন পেয়ারের বর্তমান এক্সেঞ্জ মুল্য। এবং এই লেভেলে এখন রেসিস্ট্যান্স মুডে থাকার সম্ভাবনাই বেশি। চার্টটা দেখে আসি চলুনঃ 

       
      এবার আরেকটি চার্ট দেখব। এই চার্টও ডেইলি ক্যান্ডেল এর। তবে এখানে কিছুটা বড় করে দেখানো হয়েছে। এখানে দেখা যাচ্ছে যে ছোট খাট একটা ট্রেন্ডও ব্রেক করে রিটেস্ট করার মুডে আছে এই মুহুর্তে মার্কেট। এবং বর্তমানের সেই রিটেস্ট মুডে ও রেসিস্ট্যান্স লেভেলে একটা পিনবারও তৈরী করেছে। এই চার্টটাও দেখে আসি চলুনঃ

       সুতরাং আমরা ধারনা করতেই পারি যে মার্কেট বেয়ারিশ হবার সম্ভাবনাই বেশি। আমার এনালাইসিস তো দিলাম, এবার আপনার এনালাইসিসে কি বলছে?? একই বলছে কি?? নাকি ভিন্ন কিছু বলছে?? 
      আমি চেষ্ঠা করছি রেগুলার আমার ট্রেড এনালাইসিস আপনাদের সাথে শেয়ার করতে। এই লেখাটি আপনি আপনার ফেসবুক গ্রুপ, ফেসবুক ওয়ালে বা আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে দিন যাতে সকলেই সামান্য হলেও উপকৃত হতে পারে। সকলের সাফল্য কামনায়।
      আমার ফেসবুক পেজে লাইক দিয়েও আমার সঙে থাকতে পারেন। ফেসবুক পেজ লিঙ্কঃ  bmfxanalyst
    • By fxhasibul
      স্ট্যাস্টিকস নিউজিল্যান্ড ২৩শে ফেব্রুয়ারি এমটি সময় ১১:৪৫ মিনিটে তাদের দেশের রিটেইল সেলস ঘোষণা করবে। একই সংখ্যা অন্যান্য দেশের তুলনায় পরে প্রকাশনা করা সত্ত্বেও, এটা মার্কেটে প্রবল প্রভাব ফেলে।  ফোরকাস্টের চেয়ে যদি প্রকাশিত ফলাফল ভালো হয়, তাহলে NZD এর মূল্য অন্যান্য কারেন্সির তুলনায় বাড়বে।   

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×