Jump to content
  • ×   Pasted as rich text.   Paste as plain text instead

      Only 75 emoticons maximum are allowed.

    ×   Your link has been automatically embedded.   Display as a link instead

    ×   Your previous content has been restored.   Clear editor

    ×   You cannot paste images directly. Upload or insert images from URL.

  • Similar Content

    • By fxhasibul
      What’s next? – USDJPY 23.03.18
      The dollar was trading 0.28 percent lower vs the Japanese yen at 105.75 as of 04:50 GMT on Thursday, with traders preparing for a fresh batch of economic data while digesting Fed’s move. The US central bank raised its benchmark rate by 25 basis points and reinforced the idea of further monetary policy adjustments for the near future.
      The Federal Reserve rose interest rates to a range between 1.50 and 1.75 percent. The move was widely anticipated and therefore little reaction was seen following the announcement.
      The US dollar index, which measures the greenback against six major currencies, was trading 0.24 percent lower at 89.16 by the time of this writing.
      Analysts had previously warned that this monetary meeting was likely turn into a buy-the-rumor-sell-the-fact event. Investors opted to take profits after the rate hike, pushing the American currency to the downside by the end of the session.
      This monetary policy meeting has been the first one with Jerome Powell as Chair of the Federal Reserve. Overall, he remained on a hawkish side, insisting that the economy won’t overheat.
      Among different topics mentioned during his remarks, the Fed chief recognized that "a number of participants in the [FOMC] did bring up the issue of [Donald Trump’s import] tariffs"
      Investment bank Wells Fargo said it forecasts for four interest rate hikes in 2018 remains in place, as they see inflation picking up in the next few months and strong labor conditions.
      “Financial market and geopolitical uncertainties could keep gold at relatively high levels despite the strong economic growth that should favor interest rate hikes,” Desjardins Group said.
      On the data front, existing home sales for February came in at a 5.54 million rate, displaying a better-than-expected increase of 3.0 percent against a forecasted 0.5 percent.
      Ahead in the day, traders will keep an eye on initial jobless claims at 12:30 GMT and preliminary readings on the manufacturing and services PMIs for March at 13:45 GMT.

      Source: https://www.fxdailyinfo.com/?p=forex-analysis
    • By MohabbatElahi



      আজ NFP. প্রত্যেক মাসের প্রথম শুক্রবার মার্কিন ডলারের জন্য বিশেষ একটি দিন। কারন এই দিনে বরাবরই ঘোষণা হয়ে থাকে মার্কিন অর্থনীতির বিশেষ কিছু ইভেন্টস যা মুদ্রাটির সম্ভাব্য ট্রেন্ড কোন পথে তা নির্ধারণ করে দেয়। তারই ধারাবাহিকতায় আজ ঘোষণা হতে যাচ্ছে বিশেষ কিছু কী-ইভেন্টস  যথাঃ

      Average Hourly Earnings (MoM):-Previous 0.3% . Consensus 0.2%
      Unemployment Rate:------------- -Previous 4.3%. Consensus 4.3%
      Nonfarm Payrolls:------------------ Previous 209k.  Consensus 180k
      ISM Manufacturing PMI:-----------Previous 56.3 Consensus 56.5

      এছাড়াও চলতি সাপ্তাহে মার্কিন ডলারের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি ইভেন্টস ঘোষিত হয়েছে যথাঃ ADP Employment Change, Gross Domestic Product Annualized ও  Initial Jobless Claims. গত বুধবার ADP এবং GDP উক্ত দুটি ইভেন্টসে অর্জিত সাফল্যের ফলে ডলার কিছুটা প্রাণ ফিরে ফেয়ে ছিল। বিশেষ করে GDP-র পরিবর্তনটি আকস্মিক ছিল কারন গত দুই বছরের মধ্যে GDP-র হার এত দ্রুত পরিবর্তন হতে দেখা যায়নি যা পূর্বে ছিল ২.৬% এবং প্রত্যাশা ছিল ২.৭% কিন্তু ফলাফল এসেছে ৩.০% এক কথায় প্রত্যাশা কে ছাপিয়ে যাওয়া। ফলে বুধবারের মার্কেটে আমরা ডলার কে সকল মুদ্রার বিপরীতে শক্তিশালী হতে দেখেছি কিন্তু বৃহস্পতিবারে  Initial Jobless Claims ইভেন্টস যদি প্রত্যাশা কে ছাপিয়ে যেত বা প্রত্যাশিত ফলাফল 237K ও অর্জিত হতো তাহলে মার্কেট ট্রেন্ড বুধবারের কন্ডিশন কে স্পষ্টতই অনুসরণ করতো।
      -
      বৃহস্পতিবারের মার্কেটে বিশেষ ভাবে EUR/USD উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন না হলেও GBP ডলারের বিপরীতে এগিয়ে গেছে কারন BoE পরবর্তি মিটিংয়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির আভাস দিয়েছেন। আপর দিকে কানাডিয়ান ডলারের বিপরীতে USD-র পতন হয়েছে ঠিক অনুরূপ মূল্যায়নে। কারন BoC আগামী সাপ্তাহে দ্বিতীয় দফায় ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধি করতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে এবং এ সম্ভাবনা জুড়ালো।
      -
      ডলারের ভবিষ্যৎ কোন পথে ?
      দীর্ঘদিন যাবত ডলার পতনশীল অবস্থায় রয়েছে। চলতি সাপ্তাহে USD INDEX ৯১ এর ঘরে নেমে এসেছিল যা মূলত ২০১৫ অর্থ বছরের একটি সাপোর্ট লেভেল ।আর এই পতনধারা ইউরো কে পৌছে দিয়েছে ১.২ এর ঘরে।ফলে মুদ্রাটিকে এখন Safe Haven হিসাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে ।মার্কিন রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নর্থ কোরিয়া ইস্যু ডলার কে যে বেকায়দায় ফেলেছে তা ইউরো লুফে নিতে ভুল করেনি।  
      সুতরাং ডলার কে ঘুরে দাঁড়াতে হলে অবশ্যই আজ Unemployment Rate কে ঠিক রেখে বিশেষ দুটি ইভেন্টসে ডলার কে প্রত্যাশা ছাড়িয়ে যেতে হবে । প্রথমত Average Hourly Earnings যা 0.3% পর্যন্ত পৌছতে হবে। দ্বিতীয়ত Nonfarm Payrolls কে 195K পর্যন্ত পৌছাতে হবে যা বর্তমানে প্রত্যাশা করা হচ্ছে 180K পর্যন্ত। যদি এমনটিই মার্কেটে প্রতিফলিত হয় অথবা উল্লেখযোগ্য তেমন কোন সাফল্যই তারা দেখাতে না পারে তবে ডলারের পতনরোধ করা কঠিন হয়ে যাবে। কারন ডলারের জন্য পরবর্তি ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির পূর্ব পর্যন্ত এটাই শেষ NFP. সুতরাং ডলার কে শক্তিশালী কামবেক করতে হবে অন্যথায় চলমান ক্রাইসিসে ডলার ঘুরে দঁড়ানোর সম্ভাবনা ক্ষীন।
      অতএব সার্বিক বিবেচনায় আজ এন এফ পি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। যদি ডলার আজ ঘুরে দাঁড়াতে পারে তবে Technical Based ট্রেডারদের জন্য এটি একটি প্রত্যাশার দিন।বিপরীতে আমাদের কে ইউরো ১.২৫ পাউন্ড ১.৩২ কানাডিয়ান ডলার ১.২০ জাপানিস ইয়ান ১০৬.৫০ কে টার্গেট করে ট্রেডিং প্লান ঠিক করতে হবে।

      ------------------------------------------------------------------
      বিঃদ্রঃ মুদ্রাবাজার সর্বদা পরিবর্তনশীল। বিভিন্ন কারনে একটি কন্টিনিউ ট্রেন্ড পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে। সুতরাং আমার ব্যাক্তিগত মার্কেট মূল্যায়ন আপনাকে শতভাগ প্রফিটের নিশ্চয়তা নাও দিতে পারে।
      Md Mohabbat E Elahi
      Admin: Forex online Training academy.
    • By MohabbatElahi

      Fed's Monetary Policy Statement & Nonfarm Payrolls
      বিগত দিনের মত বরাবরই আজকে প্রকাশিত হবে Fed's Monetary Policy Statement ও ব্যাংক সূদের হার। নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টের শাসনামলের প্রথম Fed's Monetary Policy Statement হিসেবে আমাদের জন্য ইভেন্টসটি অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ন। তবে ফেডের মনিটরি পলিসি সহ গুরুত্বপূর্ণ অন্য তিনটি ইভেন্টস রয়েছে চলতি ট্রেডিং সাপ্তাহে
      যথা
      01) BoJ Monetary Policy Meeting Minutes 02) BoE Interest Rate Decision 03) Nonfarm Payrolls -
      কিন্তু মুদ্রাবাজারে এর প্রভাব কেমন পড়তে পারে সেটাই আমাদের বিবেচনা করতে হবে। কোন মুদ্রাটি কতটুকু প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সে বিষয়ে ইকোনমি জার্নাল থেকে পরিসংখ্যান ভিত্তিক কয়েকটি Economical Events নিম্নে আলোচনা করছি।
      গত ১৬ ই ডিসেম্বর ২০১৫ সাল থেকে চলে আসা ব্যাংক সুদের হার ০.৫০% থেকে ফেড গত ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬-তে ০.৭৫% বৃদ্ধি করেছিল।পাশাপাশি ফেডের প্রধান ইয়েলেন তার প্রেস কনফারেন্সে পুনরায় ২০১৭ অর্থ বছরে তা পর্যায়ক্রমে আরো তিন ধাপে বৃদ্ধির বিষয়েও স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছিলেন। সে হিসেবে ২০১৭ অর্থবছরের প্রথমাংশে অর্থাৎ আজ তারা কি ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধি করবে ?
      -
      এ সম্ভাব্য বিষয়টি পর্যালোচনা করতে আমরা যদি তাদের বিগত দিনের Economical ইভেন্টসের দিকে তাকায় তবে এটা পরিষ্কার যে মার্কিন অর্থনীতিতে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে বিগত দিনের তুলনায়।
      যেমন:
      ADP Employment Change যা ৫ জানুয়ারি ২০১৭- তে 170K থেকে 153K তে নেমে এসেছে (bearish).
      অপরদিকে US manufacturing sector এর ISM ৫৩.৫ থেকে ৫৪.৭-এ উন্নীত হয়েছে (Bullish) । অর্থাৎ US manufacturing sector-এর বিভিন্ন সেক্টরে যেমন future production, new orders, inventories, employment এবং deliveries সংক্রান্ত ISM সূচকটি সার্বিক ভাবে সুবিধা জনক অবস্থানে রয়েছে। সূতরাং উপরোক্ত দুটি ইভেন্টস মূল্যায়নে অনেকটাই মার্কিন ডলার স্বাভাবিক থাকবে যতক্ষণ না দুটিতেই বড় ধরনের পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়।
      -
      পক্ষান্তরে যদি আমরা US labor department কর্তৃক প্রকাশিত Initial Jobless Claims এর দিকে তাকায় , তবে সে সেক্টরে তারা গত ২৬ জানুয়ারী ২০১৭ ভাল সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু NFP তে আবার ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে।কারন এ কী ইভেন্টসে তারা পছিয়েছে যদিও তাদের বেকারত্বের হার অপরিবর্তিত ছিল।যা একটি উর্ধমূখী ট্রেন্ড কে বাধা গ্রস্থ করে।এছাড়া তাদের সদ্য জিডিপিতেও তারা পিছিয়েছে। সূতরাং সার্বিক ইকোনমি মূল্যায়নে ফেড আজ কে ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির বিষয়টি এড়িয়েও যেতে পারে এবং আরো একমাস তারা সার্বিক অবস্থার উন্নতির প্রতি দৃষ্টি আরোপ করতে পারে।
      -
      সে দৃষ্টিকোণ থেকে প্রফেসর ইলেয়েনের কাছ থেকে আজ ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধি না করে বরং এর সম্ভব্যতা নিয়ে সাধারন একটি ব্রিফ করার চেয়ে বেশি কিছু প্রত্যাশা করা যাচ্ছেনা। এছাড়া নবনিযুক্ত মার্কিন প্রেসিডেন্টের নতুন সরকার গঠন ও নির্বাচনি ব্যস্ততার ফলে চলতি ইভেন্টসে ইকোনমিতে তেমন কোন পরিবর্তনের সম্ভাবনা কার্যত দেখা যাচ্ছে না। যদিও বিষয়টি সম্ভাব্য।
      -
      সূতরাং চলতি ইভেন্টস সমূহ মার্কেটে কেমন প্রভাব ফেলতে পারে ?
      -/-------------------------------------------------------------------/-
      অবশ্যই মার্কিন ডলার দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে যদি ফেড ভাল কোন অর্জন দেখাতে না পারে। তাছাড়া ট্রাম্পের বিভিন্ন রাষ্ট্রনীতি ও বক্তব্য কে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই মার্কিন ডলার অনেক চাপে রয়েছে যা আমরা স্পষ্টতই ট্রেডিং মার্কেটে দেখতে পাচ্ছি। তারই প্রমান হচ্ছে ট্রাম্প নির্বাচিত হওয়ার সময় মার্কেট যেখান থেকে পরিবর্তন হয়েছিল ক্ষমতা গ্রহনের পর আবার ধীরে-ধীরে মার্কেট সে অবস্থানেই চলে আসছে। অর্থাৎ ট্রাম্প নির্বাচিত হলে মার্কিন ডলার পতনের যে গ্লোবাল সেন্টিমেন্ট ছিল, ক্ষমতা গ্রহনের পর ঠিকই তা প্রতিফলিত হয়েছে। এছাড়া মার্কিন নির্বাচন পরবর্তিতে সমগ্র বিশ্বে ট্রাম্প বিরোধী যে প্রতিবাদ চলছে তা মার্কিন ডলার কে আরো বেশি দূর্বল করে দিতে সহায়তা করবে। কারন গ্লোবাল বিনিয়োগকারীরা ডলার রিজার্ভে ঝুঁকি নিতে চাইবেনা।
      -

      {BoJ Monetary Policy Meeting Minutes & BoE Interest Rate Decision }
      --/---------------------------------------------------------------------------------------/--
      চলতি সাপ্তাহে ব্যাংক অব জাপানের ব্যাংক সূদের হার ঘোষণা হওয়ার পাশাপাশি মনিটরি পলিসিও ছিল। তবে মনিটরি পলিসিতে তেমন কোন বিশেষত্ব পরিলক্ষিত হয়নি। সম্ভবত তারা মার্কিন ডলারের চাপে থাকাটি কি আরো কয়েক মাস পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তি সিদ্ধান্ত গ্রহন করবে। যদিও বর্তমানে জাপানিস মূদ্রা অনেকটাই রিকভার করতে সক্ষম হয়েছে।
      অপরদিকে পাউন্ড মার্কেটও অনেক সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। বিশেষ করে হার্ড-ব্রেক্সিট পরবর্তিতে পাউন্ড মার্কেট কিছুটা প্রাণ ফিরে পেয়েছে বলে মনে হচ্ছে। পাশাপাশি তাদের বিগত দিনের কিছু Economical ইভেন্টসসে ইউরো জোনের সাথে থাকা না থাকার মত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু সহ বিভিন্ন অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেও তারা সার্বিকভাবে মন্থর গতিতে এগিয়েছে। সে হিসাবে আগামীকাল পাউন্ডের ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির কিছুটা সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। যদিও প্রত্যাশাটি বেশি হয়ে যাবে।
      এছাড়াও থেরেসা মে উন্মুক্ত বাণিজ্য করনের লক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি করে চলেছে। তিনি প্রত্যাশা করছেন বৃটেন একটি বনিকের দেশ হিসেবে তাদের আগের পরিচিতি ফিরে আসুক যা অনেক চ্যালেঞ্জিং। তবে তার চোখে মুখে কিছুটা তৃপ্তির ভাব বা আত্মনির্ভর হওয়ার যে ছাপ পরিলক্ষিত হচ্ছে তা কিন্তু বৃটিশ অর্থনীতির জন্য অনেক বেশি পজিটিভ। যদিও এর জন্য অনেক পথ তাদের পাড়ি দিতে হবে।
      -
      চলতি ইভেন্টস সমূহ কে কেন্দ্র করে সার্বিক মূল্যায়নে আমি মার্কিন ডলারের বিপক্ষে থাকার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে। পাশাপাশি ভোলাটিলিটি বিবেচনায় নতুনদের জন্য চলতি সাপ্তাহের চেয়ে আগামী সাপ্তাহ কে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। সূতরাং মার্কেট বিশ্লেষনে যারা অনভিজ্ঞ তাদের জন্য আগামী সাপ্তাহে ট্রেড করাটি অনেক বেশি নিরাপদ । কারন চলতি ইভেন্টস সমূহে মার্কেট প্রেডিক্ট করা অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং যা কেবল প্রফেশনাল ট্রেডারদের পক্ষেই সম্ভব। সূতরং যারা মার্কেট চ্যালেঞ্জে বিজয় হতে চান, তাদের জন্য ডিফেন্সিভ ওয়ে-তে অগ্রসর হওয়া খুবই যুক্তিযুক্ত হবে বলে মনে করছি।
      ----------------------------------------------------
      Md Mohabbat E Elahi
      Analytical Expert: Global Forex Market
      Admin: Forex Training center in Bangladesh
    • By MohabbatElahi
      আগামী ২০ই জানুয়ারি শুক্রবার(12:00PM ET (17:00GMT) on Friday in Washington, D.C) মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করতে চলেছে নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।ট্রাম্পের হাতে ক্ষমতা অর্পণ করেই বিদায় নেবেন আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট বারাক হোসেন ওবামা।সমাপ্তি ঘটবে কৃষ্ণাঙ্গ এ প্রেসিডেন্টের দীর্ঘ আট বছরের রাজত্ব। হোয়াইটহাউস ইতোমধ্যে ওবামার শেষ ভাষণের প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেছে।কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কেমন হবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাষ্ট্র পরিচালনা….? তিনি কি সর্বক্ষেত্রে বিগত প্রেসিডেন্টদের পথেই হাঁটবেন, নাকি মার্কিনিদের জন্য নতুন কোন ইতিহাস সৃষ্টি করবেন?         ট্রাম্পের রাষ্ট্র পরিচালনা বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ও বর্তমানে উইলসন সেন্টারের সিনিয়র ফেলো উইলিয়াম বি মাইলাম বলেন।--“ইটস টু আর্লি টু কমেন্ট”। কেননা ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না। তবে ট্রাম্পের ক্ষমতাগ্রহনের পর পররাষ্ট্র বিভাগে কারা কাজ করছেন সেটা জানা গেলে অন্তত আমরা ডনাল্ড ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ে কিছুটা আঁচ করতে পারবো--- সূতরাং ট্রাম্পের ক্ষমতা গ্রহন, রাষ্ট্র পরিচালনা ও পরারাষ্ট্রনীতি বিষয়ে মার্কিনীদের সাথে সমগ্র বিশ্বও সম্পূর্ণ অন্ধকারেই থেকেগেছে।   এছাড়া সবচেয়ে আশ্চর্যজনক বিষয় হচ্ছে তার বহুরূপী আচরন। নির্বাচনের পূর্বে নবনির্বাচিত এ প্রেসিডেন্ট যেসব বক্তব্য দিয়ে হিলারি ক্লিন্টন কে বেকায়দায় ফেলার পাশাপাশি সমগ্র বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন, নির্বাচন পরবর্তিতে সেসব বক্তব্য থেকে তিনি সম্পূর্ণ সরে এসেছেন। উদাহরণস্বরূপ ফ্লোরিডার এক আলোচনা সভায় তিনি ওবামা ও হিলারি ক্লিনটনকে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জিহাদী সংগঠন আইএস এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে উল্লেখ করে সমগ্র বিশ্বে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন।ঠিক এমনই আরেকটি মন্তব্যছিল হিলারি ক্লিনটনকে নিয়ে। তিনি বলেন, “রাশিয়া, তোমরা কি শুনছ আমায় ? আশা , হিলারির যে ৩০ হাজার ইমেলের কোনো খোঁজ নেই, তার হদিস তোমরাই দিতে পারবে” যা পরবর্তিতে এফবিআই-এর তদন্তে মিথ্যা প্রমানিত হয়েছে। কিন্তু সমগ্র বিশ্বে হেডলাইন হওয়া এসব বক্তব্য বিষয়ে ট্রাম্প পরবর্তিতে সুর পাল্টিয়ে এক টুইটার বার্তায় বলেন, 'আমি তো এসব মজা করে বলেছিলাম। বিষয়টা নিয়ে মিডিয়াই বাড়াবাড়ি করছে। ওরা মজাই বোঝে না।'   তার এমন ডিগবাজি মূলক আচরন এখন মার্কিন নীতিনির্ধারকদের দারুন ভোগাচ্ছে। যার ফলে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি বোদ্ধারা ডনাল্ড ট্রাম্পের সম্পর্কে এরুপ মন্তব্য করেছেন যে“ আমরা এখন পর্যন্ত যা জানি তা ‘ভীতিকর’; আর এখনো যা জানি না হতে পারে তা আরো ভয়ঙ্কর” সূতরাং এটা পরিস্কার যে মার্কিন এ প্রেসিডেন্টর গতিবিধি সন্দেহ জনক।তার প্রকৃত চরিত্র এখনো অজনা?   বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য সংকট সহ সমগ্র বিশ্বে যে অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টি হতে চলছে তা কিভাবে দেখছেন নবনিবার্চিত এই প্রেসিডেন্ট তার সম্ভাব্য বিভিন্ন দিকে নিয়ে বিশ্লেষকগন অনেকটাই অভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন।তবে এক্ষেত্রে আমার ব্যাক্তিগত মূল্যায়ন হচ্ছে ট্রাম্পের গতিবিধি খুবই ভয়ংকর এবং সমগ্র বিশ্ব কে একটি কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি দাড় করাবে এতে কোন সন্দেহ নেই যা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দ্বার উন্মুক্ত করবে। আমি যে কয়টি বিষয় পয়েন্ট আউট করেছি তা হচ্ছে... সিরিয়া ইস্যুতে রাশিয়ার সঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন ট্রাম্প। তিনি সিরিয়া সংকট সমাধানে বাশার আল আসাদ কে নিরাপদ মনে করেন যা আরব গালফ মেনে নিবেনা।সূতরাং পরিস্থিতি আরো জটিল হবে। ট্রাম্প মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসির সাথে সম্পর্ক উন্নায়নে গুরুত্ব আরোপের ইঙ্গিত দিয়েছেন যা মিশরের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সমূলে ধংস করে দিবে। ইরান নীতিতে তিনি আঙ্কারা,কায়রো এবং রিয়াদ কে নিয়ে মার্কিন সমর্থিত “সুন্নি ট্রায়েঙ্গেল” তৈরি করতে তাদের বিশ্বস্ত মিত্র সৌদিকে প্রলুব্ধ করতে পারেন।যা ইরান ও রাশিয়া কখনো মেনে নিবেনা। অর্থাৎ সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করলে অনেকটা নিশ্চিত করে বলা যায় যে মধ্যপ্রাচ্য সংকট সমাধানের কোন সম্ভাবনায় নেই বরং তা আরো উস্কে দিতে পারেন নব নির্বাচিত এই প্রেসিডেন্ট। তবে তার বিগত দিনের বক্তব্যগুলোর মাঝে শুধু মাত্র দুটি বিষয় কেবল সন্তুষ্ট জনক বলে মনে করছি। আর তা হচ্ছে,ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন করে আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আভাস দিয়েছেন।যা দুই পরাশক্তির মধ্যে স্নায়ু যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে সহাবস্থানে বা সৃষ্ট দৃরুত্ব কমাতে সম্ভাবনা তৈরি করবে। আপর দিকে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির জন্য ভবিষ্যত চ্যালেঞ্জ ,অপ্রতিরোধ্য চীনের সাথেও তিনি কাজ করতে আগ্রহী বলে ঘোষনা দিয়েছে। তবে এক্ষেত্রে চীন থেকেও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন এবং তিনি একক চীন নীতি ঘোষনারও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।   অতএব একজন ফরক্স ট্রেডার হিসেবে আমাদের উচিত চিন্তা-ভাবনা শুধু মাত্র ট্রেডিং প্লাটফর্ম কেন্দ্রিক সীমাবদ্ধ না রেখে বিশ্বের প্রতিটি বৃহৎ ঘটনা প্রবাহ মূল্যায়নের প্রতি গুরুত্ব দেয়া। যেন উদ্ভূত যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করা আমাদের পক্ষে সহজ হয় এবং বৃহৎ আর্থিক ক্ষতি থেকে আমরা নিরাপদ থাকতে পারি। এটি হচ্ছে ব্যবসায়িক কৌশল।সূতরাং ট্রেডিং একাউন্টের নিরাপত্তার প্রতি গুরুত্ব আরোপের পাশাপাশি ফান্ডামেন্টাল গবেষণার পরিধিও বিস্তৃত করা এখন সময়ের দাবি।কারন ফরেক্স হচ্ছে গ্লোবাল গেইম। এটি সম্পূর্ন চ্যালেঞ্জিং ব্যবসা।
      --------------------------------------------------------------- Md Mohabbat E Elahi Admin: Forex online training academy Bangladesh    

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×