Jump to content
Sign in to follow this  
ahmed oniruddha

EUR/USD পেয়ার কী এবার আপট্রেন্ডে যাবে ???

Recommended Posts

Weekly chart এনালাইসিস করে দেখা যায়, প্রাইস 1.17413 লেভেল থেকে ধারাবাহিকভাবে বাড়তে বাড়তে 1.2540 লেভেলে পৌঁছায়, যা কিনা গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। একাধারে সাতটি ক্যান্ডেল বুলিশ অবস্থায় থাকার পর হঠাৎ করেই একটি বড় আকারের বিয়ারিস ক্যান্ডেল উপস্থিত হয়, যা কিনা মার্কেটকে একেবারে নামিয়ে দিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দেয়। :mask:

euptrend.png

চার ঘন্টার চার্ট এনালাইসিস করে দেখা যায়, মার্কেট গত ৭ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত 1.2200 থেকে 1.2298 এই লেভেলের একটি রেন্জের মধ্যে আছে। অর্থাৎ 1.2200 কে আমরা একটি শক্তিশালি সাপোর্ট হিসেবে ধরতে পারি। আর মুরব্বিরা ধারণা করছেন (মুরব্বিদের কথা বেশিরভাগ সময়ই ফলে যায়), মার্কেট আবার 1.2540 প্রাইস লেভেল টেস্ট করতে পারে। এই 1.2540 প্রাইস লেভেলটি একটি শক্তিশালি রেসিসটেন্ট হিসেবে গত কয়েক বছর ধরেই বিবেচ্য, কারন এটি বিগত বছরগুলোতে খুব কম সময়ই rejected হয়েছে। তার মানে মার্কেট ঘুরে দাড়াতে পারাতে আবার।

 

ICHI.png.b76fba6f42ee8159132a455272be5b20.png

আমার ব্যক্তিগত পছন্দের ইচিমুকো ইন্ডিকেটরের ডেইলি চার্টেও স্পষ্টভাবে আপট্রে্ন্ডের ইঙ্গিত দিচ্ছে। :upward:

 

এদিকে ফরেক্স জগতের অন্যতম মুরব্বি Fxstreet.com সাহেব তাদের অতি সাম্প্রতিক সময়ের টেকনিকেল এনালাইসিসে বলেছেন, “যদি বড় ধরনের কোন অপ্রত্যাশিত ঘটনা না ঘটে তাহলে EUR/USD পেয়ারে আরেকটি অপট্রেন্ড আসার সম্ভাবনা খুব প্রবল”।

আবার আরেক ‍মুরব্বি XM.COM সাহেবও ইনিয়ে বিনিয়ে এই কথাটিই বুঝাতে চেয়েছেন।

তবে, মুরব্বিদের কেউই আপনাদের কষ্টার্জিত টাকার লসের দায়িত্ব নিতে সরাসরি অস্বীকার করেছেন।:mairala:

  • Love 2

Share this post


Link to post
Share on other sites

বি:দ্র:  ফরেক্স মার্কেটে আমি নিতান্তই একজন নবিস। উপরিউক্ত লেখাটি বিভিন্ন  আলোচিত  ওয়েবসাইট থেকে আমার নিজের জন্যে করা কিছু অনুবাদের সারাংশ মাত্র; বড়জোর এক চামুচ পরিমাণ আমার মস্তিস্ক প্রসূত। 

অতএব, ইহা পড়িয়া অধমকে মনে মনে ইঁচড়ে-পাকা সাব্যস্ত না করিতে বাধিত করতে আজ্ঞা হয়। 

  • Love 1

Share this post


Link to post
Share on other sites

মার্কেট এনালাইসিসও যে এত সুুুুন্দর ও মজা করে করা যায়, সেটা দেখে ভালো লাগলো। এরকম এনালাইসিস নিয়মিত দিলে তো মানুষ এনালাইসিসগুলো একটু পড়ে দেখতো। চার্টকে অতিভক্তি (!) করতে গিয়ে সবাই পাশ কাটিয়ে চলে যায়!

  • Love 1
  • Thanks 1
  • Haha 1

Share this post


Link to post
Share on other sites
6 hours ago, shopnil said:

মার্কেট এনালাইসিসও যে এত সুুুুন্দর ও মজা করে করা যায়, সেটা দেখে ভালো লাগলো। এরকম এনালাইসিস নিয়মিত দিলে তো মানুষ এনালাইসিসগুলো একটু পড়ে দেখতো। চার্টকে অতিভক্তি (!) করতে গিয়ে সবাই পাশ কাটিয়ে চলে যায়!

ধন্যবাদ ভাই, সাহস পেলাম।

  • Thanks 1

Share this post


Link to post
Share on other sites

আপাতত কিছুটা মার্কেট নিচের দিকে গেলেও ইউরোর প্রাইস বাড়ার সম্ভাবনাই বেশি ধরা হচ্ছে। ১.২২ এবং ১.২৫ দুটিই শক্তিশালী সাপোর্ট এবং রেসিস্ট্যান্স এটা আমি আপনার সাথে একমত। তবে ১.২৫ একবার ভালভাবে ভাঙতে পারলে খবর আছে। এখন পর্যন্ত EURUSD কেনার পক্ষেই আছি।

  • Thanks 1

Share this post


Link to post
Share on other sites

আপনার এনালাইসিস কাজ করছে বলে মনে হচ্ছে।

  • Thanks 1

Share this post


Link to post
Share on other sites

Create an account or sign in to comment

You need to be a member in order to leave a comment

Create an account

Sign up for a new account in our community. It's easy!

Register a new account

লগিন

Already have an account? Sign in here.

Sign In Now
Sign in to follow this  

  • Similar Content

    • By forexnews
      EUR/USD পেয়ারটি এখন ১.২২ এর ঘরে ট্রেডিং হচ্ছে। বেশিরভাগ ট্রেডারেরই আশা ছিল পেয়ারটি ১.২৫ প্রাইস লেভেল অতিক্রম করায় ১.২৭ এর পথে অগ্রসর হবে। কিন্তু অনেক ট্রেডারদেরকে হতাশ করেই পেয়ারটি ১.২২ তে নেমে এসেছে।

      ১.২২৫০ প্রাইসকে কেন্দ্র করেই আজ EUR/USD ওঠানামা করছে। আজ ১.২২৮৬ তে উঠলেও তা আবার পরে ১.২২২৬ প্রাইসে নেমে আসে। বর্তমানে পেয়ারটি ১.২২৩৮ প্রাইসে অবস্থান করছে। গতকাল থেকেই ইউরো সাইডওয়ে ট্রেন্ডে রয়েছে। এ পর্যায় থেকে ইউরোডলারের পরবর্তী গন্তব্য কোথায় হতে পারে তাই ভাবছেন ট্রেডাররা।
      টেকনিক্যাল লেভেলঃ
      নিচের দিকে, ১.২২২৫ প্রাইসটি EUR/USD পেয়ারের জন্য নিকটবর্তী সাপোর্ট হিসেবে কাজ করবে (ফেব্রুয়ারী ৯ – সর্বনিম্ন) এবং ১.২২১০ (জানুয়ারি ২২ ও ফেব্রুয়ারী ৮ – সর্বনিম্ন) ও ১.২১৬০-৬৫ (জানুয়ারি ১৭ – সর্বনিম্ন)  প্রাইস লেভেলগুলোও পরবর্তী সাপোর্ট হিসেবে কাজ করবে। ওপরের দিকে, ১.২২৬০ (20H মুভিং এভারেজ), ১.২২৯৫ (বর্তমান রেঞ্জ লিমিট) এবং ১.২৩৩০ (জানুয়ারি ২৯ ও ৩০ – সর্বনিম্ন) প্রাইস লেভেলগুলো রেজিসট্যান্স হিসেবে কাজ করতে পারে।
      দ্রাঘিঃ ইউরোর এক্সচেঞ্জ রেটকে তীক্ষ্ণভাবে পর্যবেক্ষন করা হবে
      ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট মারিও দ্রাঘি ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টে তার বক্তব্যে বলেন, “ব্যাংক অনেক বেশী আত্নবিশ্বাসী যে অর্থনৈতীক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমেই মুদ্রাস্ফীতি বাড়বে। কিন্তু ইউরো নিয়ে সৃষ্ট সংশয় এই প্রবৃদ্ধির পথে সম্ভাব্য বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।“ স্ট্রাসবার্গে এক বক্তব্যে দ্রাঘি বলেন, “যদিও আমাদের আত্নবিশ্বাসের জায়গাটা হচ্ছে, আমাদের লক্ষ অনুযায়ী মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রিত হবে। তবে এমন পরিস্থিতিতে আমরা নিজেদেরকে সফল বলতে পারিনা।“ তিনি আরও বলেন, “সম্প্রতি এক্সচেঞ্জ রেটের ভোলাটিলিটির ফলে নতুন হেডউইন্ডস এর উদয় হয়েছে, যা কিনা মধ্য মেয়াদি মূল্যের স্থীতিশীলতার ইঙ্গিত দেয় যার কারণে এর তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষন দরকার।“
       
    • By shopnil
      একসময় জার্মানি, ফ্রান্সে, ইতালিরও নিজস্ব মুদ্রা ছিল। ফরেক্স ট্রেডারদের ট্রেড করার মত অনেক কারেন্সি পেয়ারও ছিল। তারপর ইউরো এল। দেশগুলোর নিজস্ব কারেন্সিগুলো বাতিল হল, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো চাইলেই ইচ্ছেমত কারেন্সি ছাপাবার ক্ষমতা হারাল। ইউরোপের বনেদি দেশগুলোর বনেদি কারেন্সি ইউরো খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জনপ্রিয় কারেন্সিতে পরিনত হল। EUR/USD হয়ে উঠল ফরেক্সের সবচেয়ে জনপ্রিয় কারেন্সি পেয়ার। আপনি সবসময় EUR/USD ট্রেড করেন। কিন্তু, ইউরো সম্পর্কে আপনি কতটুকু জানেন? জানেনকি, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত হওয়ার পরেও কেন ডেনমার্ক, পোল্যান্ড ইউরো ব্যবহার করে না? জানেনকি ইউরোর দরপতনের উত্থান পতনের পেছনে প্রধান কারনগুলো কি কি?

      ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ২৭ টি দেশের মধ্যে (ব্রেক্সিটের কারনে UK কে বাদ দিয়ে ধরে) ১৯ টি দেশের প্রধান কারেন্সি হচ্ছে ইউরো। এই ১৯ টি দেশের তালিকা একটু পরে দিচ্ছি, তবে কয়েকটি বাদে গুরুত্বপূর্ন সবগুলো দেশই ইউরো ব্যবহার করে। যেমন, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, নেদারল্যান্ড, স্পেন ইত্যাদি। এই সবগুলো দেশেরই আগে নিজস্ব কারেন্সি ছিল। তবে, ১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারী ইউরো প্রচলনের পরে ইউভুক্ত এই দেশগুলো ইউরো ব্যবহার করা শুরু করে। ইউভুক্ত যে দেশগুলো ইউরো ব্যবহার করে, তাদেরকে একত্রে ইউরোজোন বলে ডাকা হয়।
       
      যে ১৯ টি দেশ ইউরো ব্যবহার করে:
      অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, সাইপ্রাস, এস্টোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুইনিয়া, লুক্সেম্বার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ড, পর্তুগাল, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন


      যে ৮ টি দেশ ইউরো ব্যবহার করে নাঃ
      বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, চেক রিপাবলিক, ডেনমার্ক, হাঙ্গেরি, পোলান্ড, রোমেনিয়া ও সুইডেন
       
      এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, এই ৮ টি দেশ কেন ইউরো ব্যবহার করে না? UK কে ধরলে যা আগে ৯ ছিল। ১৯৯২ সালের Maastricht Treaty অনুযায়ী সকল ইউ সদস্যরাষ্ট্রগুলোর ইউরো ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু, সে সময়েই ডেনমার্ক ও ইউকে বিশেষ অব্যাহতি লাভ করে। আর বাকি ৭ টি দেশই এর পরে ইউতে যোগ দেয়। সাধারণত ইউতে যোগ দেয়ার পর প্রথম ২ বছর দেশগুলোর অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পর্যবেক্ষন করে ইউরো ব্যবহার চালু করার কথা। কিন্তু, ইউ এখন পর্যন্ত এই দেশগুলোকে ইউরো ব্যবহারে বাধ্য করার জন্য তেমন একটা চাপ দেয়নি।
       
      ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন বা ইউ গঠনের সময় বড় দেশগুলোর, বিশেষ করে জার্মানি ও ফ্রান্সের একটা গোপন উদ্দেশ্য ছিল। এই দুটো দেশ, বিশেষ করে জার্মানি বিশ্বের সবচেয়ে বড় রপ্তানিকারক দেশ ছিল। অর্থনীতি খুব শক্তিশালী হওয়ায় স্বভাবতই জার্মানির কারেন্সি ডয়েচে মার্ক ছিল অনেক শক্তিশালী, যেটা রপ্তানীকারক যেকোন দেশের জন্য সমস্যা। কেননা, তাতে পণ্যের মূল্য বেড়ে যায় কারেন্সির উচ্চ মূল্যের কারনে। আবার, একার পক্ষে জার্মানি বা ফ্রান্স কারো পক্ষেই সম্ভব না ডলার বা পাউন্ডের মত জনপ্রিয় করা নিজেদের কারেন্সিকে, যেটা বিশ্বে অর্থনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তার করার জন্য খুবই জরুরি। তাই, তাদের মাথায় এল যে, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সবগুলো দেশের জন্য যদি একটি কারেন্সি চালু করা যায়, তাহলে এক ঢিলে কয়েকটি পাখি মারা যাবে। প্রথমত, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে অনেক তুলনামুলক দুর্বল দেশও থাকবে। যেহেতু, সবগুলো দেশের একটাই কারেন্সি থাকবে, তারমানে হচ্ছে সবগুলো দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির উপর ইউরোর মূল্যমান নির্ভর করবে। সেক্ষেত্রে, জার্মানির অর্থনীতি খুব শক্তিশালী পর্যায়ে চলে গেলেও, ইউরো ততটা শক্তিশালী হবে না। ফলে, রপ্তানীতে জার্মানি একটা অদ্ভুত সুবিধা লাভ করবে, শক্তিশালী কারেন্সি কিন্তু দুর্বল অর্থনীতি। আবার, ইউরো জার্মানির কারেন্সি থেকে দুর্বল হলেও ইউভুক্ত দুর্বল বা মধ্যম সারির দেশগুলোর কারেন্সি থেকে শক্তিশালী হবে। একই কারেন্সিতে পুরো ইউরোপজুরে ব্যবসা হলে, স্বাভাবিকভাবেই দুর্বল বা মধ্যম সারির দেশগুলো জার্মান বা ফ্রান্সের কোম্পানিগুলোর সাথে প্রোডাক্টের গুনগতমানে পেরে উঠবে না, আবার চাইলেও নিজেদের কারেন্সিকে দুর্বল করে পন্যের মূল্য কমাতে পারবে না। ফলে, আস্তে আস্তে জার্মানি বা ফ্রান্স ইউ এর সামগ্রিক অর্থনীতি দখল করে নেবে।
       
      আরও সুবিধা আছে,, জার্মানি নিজে একা চাইলে অন্য কোন দেশ তার সাথে ডয়েচে মার্কে ট্রেড করবে না, কিন্তু, যদি ইউভুক্ত এতগুলো দেশ যদি বলে যে, আমার সাথে ব্যবসা বানিজ্য করতে হলে ইউরোতেই করতে হবে, ডলারে বা পাউন্ডে না, তখন তা করতে অন্য দেশগুলো বাধ্য। শুধু বুদ্ধি করে, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে হবে। তাহলেই, নিজেদের সুবিধামত ব্যবসা বানিজ্য করা যাবে।
       
      তাছাড়া, ইউ এর ছোট বড় সবগুলো দেশেরই একটা অভিন্ন সুবিধা ছিল যে, এর ফলে আর দেশগুলোর বার বার কারেন্সি এক্সচেঞ্জ করার ঝামেলা পোহাতে হবে না। ইউরোপের মধ্যে আগে থেকেই দেশগুলো নিজেদের মধ্যে অনেক বেশি ব্যবসা বানিজ্য করত। এক কারেন্সি ব্যবহার করলে ইউরোপের ভেতরে ব্যবসা বানিজ্য আরো দ্রুত, সহজতর ও নিরাপদ হবে। কেননা, ইউরোর দাম যতই বাড়ুক কমুক না কেন, ইউরোপের ভেতর তো তার প্রভাব তেমন পড়বে না। ইউরোপের ভেতরের কোন কোম্পানি তার পণ্যের উৎপাদনের জন্য কাচামাল ইউরোপের ভেতর থেকেই বেশি কিনবে। কেননা, বাইরে থেকে কিনলে কারেন্সি এক্সচেঞ্জের ব্যয় ও ঝামেলা যেমন আছে, তেমনি কারেন্সিগুলোর ক্রমাগত উত্থান পতনের জন্যে কাচামালের দামও ক্রমাগত উঠানামা করবে। যেটা ইউরোজোনের মধ্যে মোটামুটি সবসময় স্থিতিশীল থাকবে।
       
      বলা বাহুল্য, এই পরিকল্পনা পুরোপুরি কাজে দেয়। আর এজন্যেই জার্মানি, চীনের এই বিশাল উত্থানের পরেও আজও বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানীকারক দেশ এবং খুবই শক্তিশালী ও স্থিতিশীল অর্থনীতির অধিকারী।  ফ্রান্স তার পরিকল্পনামত সাফল্য না পেলেও, ইউরোর সুবিধামত ঠিকই ভোগ করছে ইউরোর দুর্বল মূল্যমানের কারনে। অপরদিকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ইতালি, গ্রীস। বিশেষ করে, গ্রীসের জনগণ ইউরোর উপর ত্যক্ত বিরক্ত ও নিজেদের অর্থনীতির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে চাইছে। অন্য সব কারেন্সির তুলনায় ইউরোর উত্থান পতনের পেছনে তাই শুধুমাত্র একটি দেশ নয়, ইউরোজোনের সবগুলো দেশেরই ভুমিকা আছে। আর তাই, ইউরো ট্রেড করতে হলে আপনাকে শুধু জার্মানি বা ফ্রান্স নয়, সবগুলো দেশের অর্থনীতির হালচালের উপরই কমবেশি খেয়াল রাখতে হবে। ইউরোজোনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইসিবির উপর নজর রাখতে হবে।
       
      তবে, অসুবিধা যেমন আছে, সুবিধাও আছে। অনেক ফরেক্স ট্রেডার ইউরো শুধু সেল করেন যখন ইউরো শক্তিশালী হয়, কখনো বাই করেন না। কেননা, ইউরো তখনই শক্তিশালী হয়, যখন ইউরোজোনের সামগ্রিক অর্থনীতি ভালো থাকে। আর দুর্বল হওয়ার জন্য শুধুমাত্র একটি সদস্যরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক বিপর্যস্ততাই যথেষ্ট। তাই, অভিজ্ঞ ফরেক্স ট্রেডার মাত্রই বুঝেন যে, ইউরো খুব শক্তিশালী হওয়া মানেই হচ্ছে ইউরো সেল করার আর প্রফিট করার সময় চলে এসেছে। আর এটাই ফরেক্স ট্রেডারদের মাঝে ইউরোর এত জনপ্রিয়তার প্রধান রহস্য, এর স্থিতিশীলতা। ইউরো গঠনের ইতিহাস থেকেই বুঝতে পারছেন যে, এর পেছনের প্রধান উদ্যোক্তা জার্মানি বা ফ্রান্স কখনোই চাবেনা ইউরো খুব শক্তিশালী হোক। আর এটাও চাবেনা যে খুব বেশি দুর্বলও হয়ে পড়ুক। তাই, পাউন্ড বা ইয়েনের মত অস্বাভাবিক উত্থান পতন ইউরোর কমই হয়।
       
      এতগুলো দেশের অর্থনীতির খবর রাখার ঝামেলা, নাকি ইউরোর এই অদ্ভুত স্থিতিশীলতা, কোনটি আপনার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ন? আপনার সুবিধা অনুসারে এখন আপনি নিজেই ঠিক করে নিতে পারবেন, আপনি ইউরো ট্রেড করবেন কি না! কোন কোন ঘটনা বা ইভেন্টের কারনে ইউরো বা এর সবচেয়ে জনপ্রিয় কারেন্সি পেয়ার EUR/USD সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়, তা নিয়ে আলোচনা করব আরেকদিন।
       
      আপনি নিয়মিত ইউরো ট্রেড করে থাকলে আরো পড়ুনঃ
      ECB – ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংক কি? ফরেক্স মার্কেটে ইসিবির প্রভাবই বা কি?
    • By forexnews
      ১২ বছরের সর্বনিম্ন রেকর্ডটি এ বছরেই ভেঙ্গেছিল EUR/USD। এ বছরের মার্চ মাসেই EUR/USD নেমে যায় ১.০৪৬২ তে, যা বিগত ১২ বছরের সর্বনিম্ন প্রাইস। আশংকা জেগেছিল, ১.০০ এরও নিচেও চলে যাবে কিনা। তবে, সে শঙ্কাকে মিথ্যা পরিনত করে কিছুটা ঘুরে দাড়ায় EUR/USD, পৌছে যায় ১.১৭১২ তেও। কিন্তু, মাত্র তিন মাসের মাথাতেই আবার ১.০৭ এ নেমে এসেছে EUR/USD, হুমকি দিচ্ছে ১২ বছরের সর্বনিম্ন নতুন রেকর্ড ১.০৪৬২ কেও। যেহেতু, এখনো ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত আছে, ডাউন ট্রেন্ড লাইনের নীচেই ট্রেড হচ্ছে EUR/USD এবং আগামী মাসেই বাড়তে পারে ফেডের সুদের হার, নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হতেই পারে বেচারা সাপোর্ট ১.০৪৬২। 
       
       


       
       
      তবে, ১.০৪৬২ তে পৌছবার আগে EUR/USD কে পার করতে হবে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। ভাঙ্গতে হবে এ সপ্তাহেরই সাপোর্ট ১.০৬১৬ কে, আর তার পর ভাঙ্গতে হবে ১৩ এপ্রিলের সাপোর্ট ১.০৫২০ কে। যারা ভুলে গিয়েছেন, কেন এই সাপোর্টটি গুরুত্বপূর্ণ, তাদের জন্য চার্টে সাপোর্টটি দেখানো হলঃ
       
      (১.০৫২০ সাপোর্টটি এই কারণে গুরুত্বপূর্ণ, কেননা ৬ এপ্রিল শুরু হওয়া ডাউনট্রেন্ড (১.১০ প্রাইস থেকে), প্রায় ৫০০ পিপস পতনের পর সাপোর্ট খুজে পায় ১.০৫২০ তে, যা সাময়িকভাবে ডাউনট্রেন্ডকে থামিয়ে দেয়।)
       

       
      EUR/USD বর্তমান ডাউনট্রেন্ডের ফলেই সাপোর্ট ব্রেক করবে কিনা নাকি প্রাইস আবার বাউন্স করে বাড়তে পারে, তার জন্য আমরা লক্ষ্য রাখব বর্তমান ট্রেন্ড লাইনের দিকেঃ 
       

       
      দেখতেই  পাচ্ছেন, ডেইলি চার্টে এখনো ট্রেন্ড লাইনের নীচেই ট্রেড হচ্ছে EUR/USD। যতক্ষণ পর্যন্তনা এই ট্রেন্ডলাইন প্ভালোভাবে ব্রেক হচ্ছে, ডাউনট্রেন্ডেই থাকবে EUR/USD। যেহেতু, প্রাইস ট্রেন্ডলাইনের কাছাকাছি পৌছে গেছে, তাই আগ্রহী সেলাররা ট্রেন্ড লাইনের কিছুটা উপরে স্টপ লস সেট করে সেল দিতে পারেন। তবে, আজ মার্কেটে গুরুত্বপূর্ন নিউজ কম থাকায় বড় ধরনের মার্কেট মুভমেন্টের সম্ভাবনা কম।
       
       
      আজকের গুরুত্বপূর্ণ নিউজ: 
       
      দুপুর ২ টায় ECB (ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংক) প্রধান মারিও দ্রাঘি ফ্র্যাংকফুটে বক্তব্য রাখবেন। তিনি ডিসেম্বরের সম্ভাব্য Quantitative Easing সম্পর্কে কথা বলতে পারেন।
       
      সন্ধ্যা ৭:৩০ এ প্রকাশিত হবে কানাডার Core CPI এবং Core Retail Sales রিপোর্ট ২টি।
       
      এছাড়া আজ শুক্রবার আর তেমন কোন গুরুত্বপূর্ণ নিউজ নেই।
    • By forexnews
      ইনবক্সে ধন্যবাদ জানিয়ে বেশ কয়েকজন মেসেজ দিয়েছেন, প্রেডিকশন অনুযায়ী মার্কেট মুভ করায়। আপনাদের সবাইকে শুভেচ্ছা। প্রেডিকশন হচ্ছে আগে থেকেই অনুমান করা করা, মার্কেটে কি হবে সামনে। তবে, আমরা কিন্তু কোন প্রেডিকশন দেই না। বরং জানিয়ে দেই, কি নিউজ এলে মার্কেটে তার ইমপ্যাক্ট কি হবে, কিভাবে ট্রেড করতে হবে এবং ফরেক্স মার্কেট বেশ কিছুদিন ধরেই একদম প্রত্যাশিতভাবে মুভ করছে। আর তাই আপনার মনে হচ্ছে প্রেডিকশন অনুসারেই ফরেক্স মার্কেট মুভ করছে।
        গতকালই বলা হয়েছিল,      আর এজন্য নিউজদুটির ফলাফল প্রত্যাশামত আশাই যথেষ্ট ছিল।  US ADP employment প্রত্যাশামতই এসেছে এবং   ISM non-manufacturing (প্রত্যাশিত ৫৬.৬ এর বিপরীতে ৫৯.১)  নিউজের ফলাফল এসেছে প্রত্যাশা থেকেও ভালো। এমনিতেই ডাউনট্রেন্ডে রয়েছে  EUR/USD এবং এই নিউজগুলো ভালো আসায়, আর সাথে দ্রাঘির Dovish বক্তব্যের কারনে   প্রত্যাশা অনুযায়ীই ত্বরানিত হয় EUR/USD এর পতন।     
      মার্কেট ইতিমধ্যেই ১.০৮৯৬ ভেঙ্গে ফেলেছে কিন্তু ১.০৮৪৭ কিন্তু ঠিকই সাপোর্ট হিসেবে কাজ করছে। তাই, EUR/USD কমে ১.০৮৪ এ নেমে আসলেও, ১.০৮৪৭ সাপোর্ট ভাঙ্গতে পারেনি এখনও। বিগত তিন ঘন্টা ধরেই প্রাইস বার বার ১.০৮৪ এ গিয়ে সেখান থেকে আবার ফেরত আসছে। কিন্তু, এই সাপোর্ট বেশিক্ষণ টিকবে কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়।  আজ US Unemployment Claims রিপোর্ট প্রত্যাশার চেয়ে ভালো আসলে আরো দুর্বল হবে  EUR/USD. সেক্ষেত্রে, পরবর্তী গন্তব্য হতে পারে ১.০৮০৮ (জুলাই মাসের সাপোর্ট)। 
       
       

       
       
      আজ বৃহস্পতিবারের আরও গুরুত্বপূর্ণ নিউজঃ   বিকেল ৫:৪৫ এ ECB (ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংক) প্রধান মারিও দ্রাঘি মিলানে বক্তব্য রাখবেন। বুধবারে ফ্র্যাঙ্কফুটে তার বক্তব্যের পর এই বক্তব্যেও ইউরোর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যেতে পারে তার কাছ থেকে। সাধারণত তার বক্তব্য মার্কেটে ভালো আলোড়ন সৃষ্টি করে।
       
      সন্ধ্যা ৬টায় প্রকাশিত হবে UK Rate Decision সংক্রান্ত রিপোর্টগুলো। ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড অক্টোবর মাসের মিটিংয়ে সুদের হার রেকর্ড নিম্ন ০.৫% এ নামিয়ে এনেছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে যে ইউকের শ্রমবাজার টার্গেট ২% মুদ্রাস্ফীতিতে পৌঁছানোর মত অবস্থায় নেই, তাই ২০১৬ এর বসন্ত পর্যন্ত মুদ্রাস্ফীতি ১% এর নিচেই থাকবে। সুদের হার নির্ধারণ ছাড়াও ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড ত্রি-মাসিক মুদ্রাস্ফীতি বা ইনফ্লাশন রিপোর্টও প্রকাশ করবে। এছাড়া সুদের হার সংক্রান্ত ভোটের ফলও একই সময়ে প্রকাশিত হবে যা পূর্বের ন্যায় ১-০-৮ থাকবে বলেই প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
       
      সন্ধ্যা ৬:৪৫ এ ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের গভর্নর মার্ক কার্নে বক্তব্য রাখবেন। তার বক্তব্যে নতুন রুপরেখা সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যেতে পারে। ফেডের হকিশ মনভাবের প্রেক্ষিতে মার্ক কার্নেও কি হকিশ মনভাব দেখাবেন এবং রেট বৃদ্ধি করবেন? পূর্বেও কার্নেকে লক্ষ্য করা গেছে ফেডের অ্যাকশনের জন্য অপেক্ষা করতে এবং তাদের পথ অনুসরন করতে। 
       
      সন্ধ্যা ৭:৩০ এ প্রকাশিত হবে US Unemployment Claims রিপোর্ট। গত সপ্তাহে কি পরিমাণ জনগণ বেকার ভাতার সুবিধা নিয়েছে তা প্রকাশিত হয় এই ডাটার মাধ্যমে। গত সপ্তাহে তা ১০০০ বাড়লেও টানা ৩৪ সপ্তাহ ধরে এই সংখ্যা ৩০০,০০০ এর নিচে রয়েছে যা বর্তমানে আমেরিকার শ্রমবাজার যে যথেষ্ট শক্তিশালী সে কথাই নির্দেশ করে। এ সপ্তাহে ২৬৪,০০০ ফলাফল আশা করা হচ্ছে। 
    • By forexnews
      এই সপ্তাহে হয়ত আপনি অন্য় সপ্তাহগুলোর মোটেই অবাক হননি এই ভেবে যে, তিন দিন হয়ে গেল কিন্তু তারপরেও মার্কেট মুভমেন্ট এত কম কেন? কারণ সপ্তাহের শুরুতেই আমরা বলেছিলাম, গুরুত্বপূর্ণ  নিউজ না থাকায়  বৃহস্পতিবারের আগ পর্যন্ত মার্কেট মুভমেন্ট  কম থাকার সম্ভাবনাই বেশি এবং এখন পর্যন্ত  এই সপ্তাহে তিন দিনে সবমিলিয়ে  EUR/USD মুভ করেছে মাত্র ৮১ পিপস, GBP/USD ৯৭ পিপস ও AUD/USD ১০৪ পিপস, অন্য সপ্তাহগুলোর তুলনায় যা অনেক কম।
       
      কিনতু , আজ মার্কেট মুভ করার কথা কারন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ  নিউজ রয়েছে আজকে, যদিও আগেই বলেছি আজকে ট্রেড করা কিন্তু সহজ হবে না, কারন বেশ কয়েকটি নিউজ একই সময়ে পাবলিশ হওয়ায় একটির প্রভাব আরেকটির উপর পড়বে  এবং মার্কেট মিশ্র  প্রতিক্রিয়া দেখাবে। তাই, আপনি যদি অনেক কনফিডেন্ট না হন, তাহলে আপনার উচিত হবে, নিউজগুলো ট্রেড না করে, নিউজ পরিবর্তী মার্কেটকে লক্ষ্য  করা. অপ্রত্যাশিত  কিছু আসলে মার্কেট অনেক মুভ করবে, সেই মুভমেন্ট আপনি ধরতে না পারলেও সমস্যা নেই. এর ফলে যে ট্রেন্ড  তৈরী  হবে, আপনি তা ট্রেড করতে পারেন। তাই তাড়াহুড়ার কিছু নেই, ঝুকিপূর্ন  ট্রেড করতে গিয়ে লস খাওয়ার চেয়ে ট্রেড না করা ভালো। 
       
      আজকের নিউজগুলো এক নজরে:
       
      বাংলাদেশ সময় দুপুর আড়াইটাঃ  UK Retail Sales m/m  এবারের প্রত্যাশা ০.৩%। Retails Sales রিপোর্ট ০.৩% এর কম আসলে GBP/USD দুর্বল হওয়ার কথা, আর বেশি আসলে শক্তিশালী হওয়ার কথা।   বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা : Canada Core Retail Sales m/m, ECB Press Conference, Unemployment Claims কানাডা, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র, তিনটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি নিউজ একই সময়ে পাবলিশ হবে।
      আরো পড়ুন :
       
      এই সপ্তাহের (১৯-২৩ জুলাই) গুরুত্বপূর্ণ নিউজসমুহ
      নিষ্প্রাণ মার্কেট : বৃহস্পতিবারের অপেক্ষা , কিছুটা শক্তিশালী ডলার
       

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×