Jump to content
Sign in to follow this  
forexnews

এবার ৫ হাজারের ঘরে বিটকয়েন, বাজে অবস্থা অন্য ক্রিপ্টো-কারেন্সিগুলোরও

Recommended Posts

কিছুদিন আগে ২০ হাজার ডলার, গত পরশুও ছিল ৮ হাজার ডলার। কিন্তু, ২০ হাজার ডলার থেকে গতকাল বিটকয়েন নেমে এসেছে কয়েনপ্রতি ৬ হাজার ডলারেরও নীচে, যা গত নভেম্বরের পরের সর্বনিম্ন প্রাইস। এভাবে দরপতন হওয়ায় আতঙ্কিত বিটকয়েন বায়াররা। তবে আজ প্রাইস কিছুটা বেড়ে আবার ৭,৪০৩ এ অবস্থান করছে।

কিন্তু এখানেই শেষ নয়। বিটকয়েনের আরো বিশাল দরপতন হতে পারে। কারন, চীন বিটকয়েন ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। শুধু তাই নয়, চীনের নাগরিকগন যাতে বিটকয়েন কারেন্সি এক্সচেঞ্জ ব্রাউজ করতে না পারে, তারও ব্যবস্থা নিচ্ছে দেশটি। অর্থাৎ, বিটকয়েন ব্যানের জন্য যা যা করা দরকার, সব করবে দেশটি। 

btcrypto.png

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি চীন যদি নাগরিকদের বিটকয়েন ব্যবহার করতে না দেয়, তাহলে সম্ভাবনা আছে যে আরো অনেক দেশ একই পন্থা অনুসরন করবে। আর যেহেতু বিটকয়েন কোন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রনভুক্ত নয়, তাই অনেক দেশই চাইবে না বিকল্প আরেকটি অর্থ ব্যবস্থা তৈরি হোক। 

এক নজরে প্রধান ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলোর দরপতনঃ

বিটকয়েনঃ নভেম্বর ২০১৭ সালের সর্বোচ্চ ১৯ হাজার ডলার থেকে বর্তমানে ৭.৪০৩ ডলার
ইথেরিয়ামঃ জানুয়ারী ৯, ২০১৮ সালের সর্বোচ্চ ১২৫৫ ডলার থেকে বর্তমানে ৫৭৪ ডলার
বিটকয়েন ক্যাশঃ ২০ ডিসেম্বর ২০১৭ সালের সর্বোচ্চ ৪০৯১ ডলার থেকে বর্তমানে ৭৬৬ ডলার
লিটকয়েনঃ ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭ সালের সর্বোচ্চ ৩৬৬ ডলার থেকে বর্তমানে ১০৬ ডলার 

এদিকে ইউকে এবং ফ্রান্সের রেগুলেটররা বিনিয়োগকারীদের মানা করেছেন কোন কোম্পানির ইস্যুকৃত ডিজিটাল কারেন্সি না কেনার জন্য। তারা সাবধান করে বলেছেন যে, এর ফলে বিনিয়োগকারীরা তাদের সব অর্থ হারাতে পারে। 

  • Thanks 1
  • Sad 1

Share this post


Link to post
Share on other sites

বিটকয়েনের অবস্থা খুবই বাজে। কিন্তু অনেকেই বলছে যে এরকম মার্কেট শেয়ার থাকলে নাকি বিটকয়েন কয়েক বছর পর ১০০,০০০ এ চলে যাবে। এ কথা কতটুকু বাস্তবসম্মত?

  • Haha 1

Share this post


Link to post
Share on other sites
6 hours ago, KASEM said:

বিটকয়েনের অবস্থা খুবই বাজে। কিন্তু অনেকেই বলছে যে এরকম মার্কেট শেয়ার থাকলে নাকি বিটকয়েন কয়েক বছর পর ১০০,০০০ এ চলে যাবে। এ কথা কতটুকু বাস্তবসম্মত?

কোন কিছুই অসম্ভব না। কিন্তু, ৫ হাজারের ঘরে থেকে ১ লক্ষের উপর মন্তব্য করাটা অর্থহীন, কেননা রেগুলেটররা চাইলে বিটকয়েন ১ লক্ষ না, ১ ডলারেও নেমে আসতে পারে। আপাতত যেটা মনে হচ্ছে, তা হচ্ছে বিটকয়েন ৩ হাজারের ঘরে নেমে আসবে, কারন selling momentum অনেক বেশী।

Share this post


Link to post
Share on other sites

Join the conversation

You can post now and register later. If you have an account, sign in now to post with your account.

Guest
Reply to this topic...

×   Pasted as rich text.   Paste as plain text instead

  Only 75 emoji are allowed.

×   Your link has been automatically embedded.   Display as a link instead

×   Your previous content has been restored.   Clear editor

×   You cannot paste images directly. Upload or insert images from URL.

Loading...
Sign in to follow this  

  • Similar Content

    • By new_fbs
      সাধারনত লিখা-লিখি করা আমার দ্বারা হয়ই না। যার জন্য হয়তো আমাকে অনেকেই চিনতে পারবেন না।
      লিখা-লিখির অভ্যাস না থাকার কারনে কি দিয়ে শুরু করবো ভাবতে গিয়ে উপরের লাইন লিখে ফেল্লাম। যাই হোক মুল কথাই আসি।
      আমি ফরেক্স শুরু করার চিন্তা ভাবনা যখন শুরু করি তখন বিডিপিপস্‌ (বর্তমানে ফরেক্স ডট কম ডট বিডি) থেকেই শুরু। অর্থাৎ বাংলাই ফরেক্স সম্পর্কে জানার জন্য এই প্লাটফর্মই আমাকে যথেষ্ট সাহয্য করেছে।
      আমি প্রথম থেকেই শুধু কিছু জানার জন্য শেখার জন্য এখানে আসতাম। কিছু শেয়ার করার মত আমার ভিতরে কিছু ছিলোনা। যার কারণে দেখে থাকবেন আমার পোষ্ট নাই বললেই চলে। যাইহোক, ২০১৩ থেকে ফরেক্স সম্পর্কে জানতে শুরু করি। এর পর ধীরে ধীরে রিয়াল ট্রেডের দিকে আগাতে থাকি। এর মধ্যে প্রথম দিকে ভালই সমস্যাই পড়েছিলাম। যা সাধারনত সকলেরই হয়ে থাকে। অপর দিকে আমার প্রাথমিক ইনভেস্টও কম ছিলো। আমি ১০০ কি ১৫০ দিয়ে ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড শুরু করি। এটাই ছিলো আমার ইনভেস্ট এর পরে আর কোন ইনভেস্ট করি নাই।
      এই ইনভেস্ট দিয়ে শুরু করে যখন আমার ট্রেডিং অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে তখন, আমার এক ফ্রেন্ডের সাথে পরামর্শ করে ট্রেডিং ম্যথড চেন্জ করি। এই সম্পর্কে আমি ২০১৫ তে একটি পোষ্ট করে ছিলাম। চাইলে তা পড়তে পারেন। ২০১৫-এর পোষ্ট।
      এই ভাবে চলতে চলতে আমি ২০১৬ সাল থেকে ফরেক্স ট্রেডিং থেকে বের হতে চেষ্টা করি। তার কারণ, ফরেক্স মার্কেটে ব্যপক পরিবর্তন। এখন হয়তো অনেকেই ভাবতে পারেন কিসের পরিবর্তন।  যার পুরাতন ট্রেডার আছেন তারা হয়তো বিষয়টি খুব সহজেই বুঝতে পারছেন।
      আমি ২০১৭ প্রথম কোয়ার্টারে ফরেক্স মার্কেট থেকে পুরাপুরি কুয়িট করি। তবে তারপরও ছাড়া হয়নি। কিছুটা টান তো আছেই। আমার কিছু ট্রেডার আছে। যাদের জন্য আমিও কিছুটা লিংকেড।
      যাইহোক, ২০১৭ তে ফরেক্স থেকে ইনভেস্ট বের করে ক্রিপ্টোকারেন্সিতে ইনভেস্ট করি। যদিও এখানেও খুব অল্প পরিমান দিয়ে শুরু করি। আর এখানেও সেই একবারই ইনভেস্ট।
      ২০১৭ তে যারা ক্রিপ্টোকারেন্সিতে ইনভেস্ট  করেছিলেন তারা হয়তো এই মার্কেটে ঢুকে ঢুকেই এর মজা পাইছিলেন। যার মজা আমি নিজেও পাইছি। যদিও আমি সেই অবস্থাতে খুবই কম ক্যশ করেছিলাম।
      ২০১৮-১৯ খুব একটা ভাল সময় যায়নি। শুধূ ধর্য্য ধরা ছাড়া কিছুই করেনি।
      আশা করি ২০২০-২১ হবে বিটকয়েনের জন্য আরেকটি স্বরনীয় সময়।
      এখনা উল্লেক্ষ যে,  আমি আমার ইনভেস্ট থেকে যা প্রফিট করেছি, তার চেয়ে বাউন্টি আর কনটেস্ট করে বেশ ভাল একটা ক্যপিটাল জোগাড় করেছি। বাউন্টি কি তা জানতে Bounty থেকে আয় করার উপায়। পোষ্টটি পড়তে পারেন।
      বর্তমানে এখন এবং ভবিষতে ক্রিপ্টোকারেন্সিতেই থাকার আশা পোষন করি।
      অনেকেই ভাবতে পারেন ফরেক্স মার্কেটেও তো বিটকয়েন ট্রেড করা যায়। কিন্তু ফরেক্স ব্রোকারে বিটকয়েন ট্রেড আর ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেন্জে ট্রেড ভিন্ন রকম। ফরেক্স আর ক্রিপ্টোকারেন্সির পার্থক্য জানতে আপনি ফরেক্স vs. ক্রিপ্টোকারেন্সি ট্রেডিং টপিকটি পড়তে পারেন।
      আজ এই পর্যন্তই।
    • By forexnews
      ক্রিপ্টোকারেন্সি অনলাইনে ট্রেডের ব্যাপারে অনেকেই আগ্রহী এবং জনপ্রিয় ব্রোকার XM Global বর্তমানে ৫টি ক্রিপ্টোকারেন্সি ট্রেডের জন্য সাপোর্ট করছে। সেগুলো হলঃ Bitcoin (BTCUSD), Bitcoin Cash (BCHUSD), Litecoin (LTCUSD), Ethereum (ETHUSD) এবং Ripple (XRPUSD). তবে যারা সবসময় ফরেক্স ট্রেড করে অনেক বেশি লেভারেজ এবং খুব ক্ষুদ্র লট নিয়ে ট্রেড করে অভ্যস্ত, তাদের জেনে রাখা জরুরী যে ক্রিপ্টোকারেন্সি ট্রেডের জন্য খুব বেশী লেভারেজ প্রদান করা হয় না। এখানে সর্বোচ্চ লেভারেজ প্রদান করা হয় ৫:১ এবং আপনি যত বেশী লট সাইজ ট্রেড করবেন, আপনার লেভারেজ তত কমতে শুরু করবে। ক্রিপ্টোকারেন্সি মার্কেট অনেক বেশী আনপ্রেডিক্টেবল।
      সাধারন ফরেক্স পেয়ারগুলোর মত এখানে ০.০১ লট সাইজে ট্রেড ওপেন করা যাবে না। যেমনঃ BTCUSD তে সর্বনিম্ন ০.১ লট এবং সর্বোচ্চ ১৩ লটে ট্রেড করা যাবে। ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলোর সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ লট সাইজ নিচের চার্ট থেকে জানা যাবে।

       
      ডায়নামিক মার্জিন ও লেভারেজ
      প্রতিটি ইন্সট্রুমেন্টের ট্রেডের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে প্রতিটি ইন্সট্রুমেন্টের ডায়নামিক লেভারেজের মান অনুযায়ী মার্জিন শতাংশও বৃদ্ধি পাবে। এর মানে হল গিয়ে আপনি যত বেশী লট ট্রেড করবেন, আপনার মার্জিন রিকোয়ারমেন্ট তত বাড়বে এবং লেভারেজ কমবে। ডায়নামিক মার্জিন কিভাবে গণনা করা হয়, তা নিচে উল্লেখিত উদাহরণ থেকে সহজে বুঝা যাবে। জেনে রাখা ভাল যে, টেবিলে উল্লেখিত সমস্ত তথ্য শুধুমাত্র ধারনা দেয়ার লক্ষ্যে ব্যাবহার করা হয়েছে, কোন প্রকার ট্রেডিং গণনা করার জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়। উদাহরণস্বরূপঃ

      কোন ট্রেডার তার অ্যাকাউন্ট থেকে USD বেস কারেন্সিতে, ওপেনিং প্রাইস 6,700 USD এ BTCUSD ইন্সট্রুমেন্টে ০.১ লট ট্রেড করে, ০.১ লটে ডায়নামিক মার্জিন শতাংশ হবে ২০%। তাহলে প্রকৃত ব্যবহৃত মার্জিন হবে, Lots*ContractSize*OpenPrice*MarginPercentage = 0.1 * 1 * 6700 * 20% = 134 USD.
      আবার ট্রেডার যদি তার অ্যাকাউন্ট থেকে USD বেস কারেন্সিতে, ওপেনিং প্রাইস 6,700 USD এ BTCUSD ইন্সট্রুমেন্টে ৪ লট ট্রেড করে, ৪ লটে ডায়নামিক মার্জিন শতাংশ হবে ৩০%। তাহলে প্রকৃত ব্যবহৃত মার্জিন হবে, Lots*ContractSize*OpenPrice*MarginPercentage = 4 * 1 * 6700 * 30% = 8040 USD.
      এভাবেই ক্রিপ্টোকারেন্সিতে মার্জিন হিসেব করা হয়। বিস্তারিত জানতে এই পেইজটি দেখতে পারেন।
    • By নাইম০১৯
      হ্যালো ট্রেডার ভাইয়েরা, আশা করি আপনাদের সময়টা বেশ ভালোই কাটছে। আমি নিয়মিত না লিখলেও বিডিপিপসের সাথে সংযুক্ত আছি সবসময়েই। বিভিন্ন সময় ক্রিপ্টোকারেন্সীগুলোর উপরে নানারকম আলোচনা দেখে আগ্রহী হয়ে উঠি। কিন্তু mt4 terminal এ (বিশেষত demo account) এ সেটা খুজে পেলাম না। কিন্তু আগ্রহটা বজায় থাকায় এটা নিয়ে ঘাটতে থাকি এবং কিছু ব্রোকারে ডেমো তে টেস্ট করার চেষ্টা করি। শুরুতে ভলিউম সাইজ ১.০ দিয়ে ট্রেড ওপেন করতে গিয়ে দেখলাম একাউন্ট ভ্যানিশ!! মানে ট্রেড শুরুর সাথে সাথেই একাউন্ট শেষ। পরে আবার চেষ্টা করলাম ০.০১ ভলিউমে। কিন্তু এবারে দেখলাম যে, প্রতি পিপসে +/- হচ্ছে অল্পই, কিন্তু ফ্লোটিং মাইনাস বিশাল সাইজের। সেটা নাকি কমিশন। যেটা বুঝলাম এই পিপস ভ্যালুতে ট্রেড করে ইহজীবনে এই ফ্লোটিং মাইনাসকে প্লাস করতে পারা যাবে না। কিছু ইউটিউবেও ঘাটাঘাটি করলাম। কিন্তু তেমন লাভ হলো না। মূলত আমি বিটকয়েন তথা ক্রিপ্টোকারেন্সীতে ট্রেড করার বেসিকটাই ধরতে পারি নি। তাই অবশেষে বিডিপিপস মেম্বারদের শরনাপন্ন হলাম। উদ্দেশ্য এ বিষয়ে সম্যক জ্ঞানার্জন করা। একদম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল তথ্যই প্রয়োজন। আশা করি অভিজ্ঞ ট্রেডারদের সহযোগীতা পাব। পরিশেষে সবাইকে নববর্ষ ১৪২৫ এর শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
       
      শুভ নববর্ষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ!!!!
    • By NASA
      প্রতি বিটকয়েনের মূল্য এই মুহুর্তে ১১,০০৪ ডলার। অনেক বিশেষজ্ঞ বিটকয়েনের মূল্য ১ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে একসময়, এমন মতামত দিলেও, সাম্প্রতিক ধ্বসের কারনে তা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। 
      এমতাবস্থায় ওয়ালস্ট্রীট কি ভাবছে? সিএনবিসি এর মতে, ব্লিকলে এ্যাডভাইজারি গ্রুপের প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা পিটার বুকভার বিট কয়েনকে একটি সম্ভাবনাময় মুদ্রা হিসেবে দেখেন এবং তিনি মনে করন এর ফলাফল অনেক দীর্ঘ মেয়াদী। কিন্তু সাম্প্রতিক ধ্বসের পরে বুকভার মনে করেন যে, এই বছর বিট কয়েনের মূল্য ৭০ থেকে ৯০ শতাংশ কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

      তিনি বলেন, “পরবর্তী বছরগুলোতে বিটকয়েনের মূল্য যদি ১০০০ ডলার থেকে ৩০০০ ডলারে নেমে যায় তাহলেও আমি অবাক হবো না।“
      এই বিষয়ে বুকভারকে প্রশ্ন করা হয়, বিট কয়েনের মূল্য পড়ে যাওয়ার কারনে যদি শেয়ার বাজার ভেঙ্গে পড়ে? এর উত্তরে তিনি বলেন, যেকোন মূদ্রার পতন হলে সেটা হবে মূলত মনস্তাত্ত্বিক। কারণ বিট কয়েন মূলত ১৯ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির সাথে সম্পর্কিত নয়।

      তিনি আরও বলেন, দক্ষিন কোরিয়া, জাপান এবং আমেরিকায় মানুষ প্রতিনিয়ত ডেবিট কার্ড ঋণ নিচ্ছে ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলোতে বিনিয়োগ করার জন্য। এর কারনে শেয়ার বাজার আক্রান্ত হবে।
      সিএনবিসিকে বুকভার বলেন, ক্রিপ্টো মার্কেটের এই আকস্মিক বৃদ্ধি বা উন্নতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ইজি মানি পলিসিতে আরোপ করা যেতে পারে। এমনটি যদি করা হয় তবে বিনিয়োগকারীদের কাছে বিট কয়েনের মত ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলো আরও বেশী আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। যার কারনে তারা অবমূল্যায়ন এবং মুদ্রাস্ফীতি থেকে সীমাবদ্ধ এবং নিরাপদ থাকবে।


      একটি প্রশ্ন থেকেই যায় যে, বিট কয়েন কি তাহলে আরেকটি ইকোনমিক বাবল? ইয়েলের অর্থনীতিবীদ রবার্ট সিলার ইকোনমিক বাবলের উপর তার অবদানের জন্য ২০১৩ সালে নোবেল পুরষ্কার পান। তিনি ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে বাবলের একটি উদাহরণ হিসেবে বিট কয়েন ব্যাবহার করেন। পরবর্তিতে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে সিলার বলেন, তিনি জানতেন না যে বিট কয়েন দিয়ে কি করতে হবে। তিনি আরও বলেন , এটা জানতে আরও ১০০ বছর লেগে যেতে পারতো।

      বিটকয়েন ব্যবহারকারীদের হতাশ হওয়ার আরও কারন আছে। গতকাল দক্ষিন কোরিয়া বিট কয়েনের উপর ২৪% কর আরোপ করেছে। একই পথে হাটতে পারে অন্য দেশগুলোও। 
       
×
×
  • Create New...