Jump to content
forexnews

আইফোন ১০ এর হাত ধরে ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি ত্রৈমাসিক লাভের রেকর্ড গড়ল অ্যাপল

Recommended Posts

অ্যাপলের ফোন বিক্রি কমে গেছে, তাতে কি! লাভ তো কমে যায়নি। বরং ১ শতাংশ ফোন বিক্রি কমে গেলেও বেশী দামের আইফোন ১০ বাজারে এনে আগের সব লাভের রেকর্ড ভেঙ্গে দিয়েছে অ্যাপল।

অ্যাপলের সম্প্রতি প্রকাশিত হওয়া ত্রৈমাসিক লাভের রিপোর্টে জানা গেছে ২০১৭ এর শেষ ৩ মাসে তারা ২০.১ বিলিয়ন ডলার (১৪ বিলিয়ন পাউন্ড) প্রফিট করেছে। এর মাধ্যমে অ্যাপল তাদের নিজেদের গত ২ বছর পূর্বের আয়ের সর্বোচ্চ সীমা অতিক্রম করে গেলো এবার।

apple.png

সেপ্টেম্বরে আইফোন ৮ এবং নভেম্বরে আইফোন ১০ রিলিজের পরই অ্যাপল এমন বিশাল লাভের মুখ দেখলো। আইফোন ১০ এর মাধ্যমে অ্যাপল সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সম্বলিত ফোনের বড় ধরনের আপডেট এনেছিল এবং ভোক্তারা দারুন ভাবেই অ্যাপলের এই নতুন পন্যটিকে লুফে নিয়েছে।

৩ মাসে অ্যাপল ৭৭ মিলিয়ন আইফোন বিক্রি করেছে। আগেরবারের থেকে কিছুটা কম বিক্রি হলেও এবার আইফোনের দাম বাড়ার কারণে লাভের পরিমাণ বেড়েছে।
অ্যাপলের সিইও টিম কুক বলেন, আইফোন ১০ আমাদের সব প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে গেছে। নভেম্বর থেকে এর বিক্রি শুরু হবার পর প্রত্যেক সপ্তাহেই এটি সেরা বিক্রিত আইফোন ছিল।

আইপ্যাডের বিক্রিও কিছুটা বেড়েছে, যেখানে অ্যাপল ম্যাকের বিক্রি কমে গেছে। অ্যাপল ওয়াচ, অ্যাপল টিভিসহ অন্যান্য পন্যের বিক্রি কিছুটা বেড়েছে।
পরবর্তী ত্রৈমাসিকের পরিকল্পনা ঘোষণার পর শেয়ারের দাম কিছুটা কমেছিল প্রথম ঘন্টার ট্রেডিংয়ে। বিনিয়োগকারীরা ঘোষণায় কিছুটা হতাশ হয়েছিল। কিন্তু এরপরই শেয়ারের দাম আবার বেড়েছে।

টিম কুক আরও বলেন, অ্যাপলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ত্রৈমাসিক আয় ঘোষণা করতে পেরে আমরা রোমাঞ্চিত, যেখানে কোন আইফোন থেকে সবচেয়ে বেশি লাভ এসেছে।

কুক আরও বলেন, অ্যাপলের অ্যাপ স্টোরেও রেকর্ড একটি বছরে গেছে গত বছর। অগমেন্টেড রিয়েলিটি বেজড অ্যাপগুলোর দারুন বিকাশ ঘটেছে। অ্যাপল ওয়াচ সিরিজ ৩ এর বিক্রিও সিরিজ ২ থেকে দুই গুন বেশি হয়েছে। সব মিলিয়ে আয়ের দিক থেকে দারুন একটি বছর পার করেছে অ্যাপল। স্টক ট্রেডারদের জন্য এটি দারুন একটি খবর।

আপনি কি জানেন আপনি আপনার ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট থেকেই অ্যাপলের শেয়ার (AAPL.OQ) ট্রেড করতে পারেন? ব্রোকারে অ্যাপলের স্টক ট্রেডিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

Share this post


Link to post
Share on other sites

Create an account or sign in to comment

You need to be a member in order to leave a comment

Create an account

Sign up for a new account in our community. It's easy!

Register a new account

লগিন

Already have an account? Sign in here.

Sign In Now

  • Similar Content

    • By NASA

      প্রতি বিটকয়েনের মূল্য এই মুহুর্তে ১১,০০৪ ডলার। অনেক বিশেষজ্ঞ বিটকয়েনের মূল্য ১ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে একসময়, এমন মতামত দিলেও, সাম্প্রতিক ধ্বসের কারনে তা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। 
      এমতাবস্থায় ওয়ালস্ট্রীট কি ভাবছে? সিএনবিসি এর মতে, ব্লিকলে এ্যাডভাইজারি গ্রুপের প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা পিটার বুকভার বিট কয়েনকে একটি সম্ভাবনাময় মুদ্রা হিসেবে দেখেন এবং তিনি মনে করন এর ফলাফল অনেক দীর্ঘ মেয়াদী। কিন্তু সাম্প্রতিক ধ্বসের পরে বুকভার মনে করেন যে, এই বছর বিট কয়েনের মূল্য ৭০ থেকে ৯০ শতাংশ কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

      তিনি বলেন, “পরবর্তী বছরগুলোতে বিটকয়েনের মূল্য যদি ১০০০ ডলার থেকে ৩০০০ ডলারে নেমে যায় তাহলেও আমি অবাক হবো না।“
      এই বিষয়ে বুকভারকে প্রশ্ন করা হয়, বিট কয়েনের মূল্য পড়ে যাওয়ার কারনে যদি শেয়ার বাজার ভেঙ্গে পড়ে? এর উত্তরে তিনি বলেন, যেকোন মূদ্রার পতন হলে সেটা হবে মূলত মনস্তাত্ত্বিক। কারণ বিট কয়েন মূলত ১৯ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির সাথে সম্পর্কিত নয়।

      তিনি আরও বলেন, দক্ষিন কোরিয়া, জাপান এবং আমেরিকায় মানুষ প্রতিনিয়ত ডেবিট কার্ড ঋণ নিচ্ছে ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলোতে বিনিয়োগ করার জন্য। এর কারনে শেয়ার বাজার আক্রান্ত হবে।
      সিএনবিসিকে বুকভার বলেন, ক্রিপ্টো মার্কেটের এই আকস্মিক বৃদ্ধি বা উন্নতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ইজি মানি পলিসিতে আরোপ করা যেতে পারে। এমনটি যদি করা হয় তবে বিনিয়োগকারীদের কাছে বিট কয়েনের মত ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলো আরও বেশী আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। যার কারনে তারা অবমূল্যায়ন এবং মুদ্রাস্ফীতি থেকে সীমাবদ্ধ এবং নিরাপদ থাকবে।


      একটি প্রশ্ন থেকেই যায় যে, বিট কয়েন কি তাহলে আরেকটি ইকোনমিক বাবল? ইয়েলের অর্থনীতিবীদ রবার্ট সিলার ইকোনমিক বাবলের উপর তার অবদানের জন্য ২০১৩ সালে নোবেল পুরষ্কার পান। তিনি ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে বাবলের একটি উদাহরণ হিসেবে বিট কয়েন ব্যাবহার করেন। পরবর্তিতে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে সিলার বলেন, তিনি জানতেন না যে বিট কয়েন দিয়ে কি করতে হবে। তিনি আরও বলেন , এটা জানতে আরও ১০০ বছর লেগে যেতে পারতো।

      বিটকয়েন ব্যবহারকারীদের হতাশ হওয়ার আরও কারন আছে। গতকাল দক্ষিন কোরিয়া বিট কয়েনের উপর ২৪% কর আরোপ করেছে। একই পথে হাটতে পারে অন্য দেশগুলোও। 
       

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×