Jump to content
    বিডিপিপস চ্যাট

    Load More
    চ্যাট করলে লগিন বা রেজিস্ট্রেশন করুন।
  • Announcements

    • তানভীর™

      বিডিপিপসের নতুন ভার্সনে সবাইকে স্বাগতম   বৃহস্পতিবার 18 জানু 2018

      বিডিপিপসের নতুন ভার্সনে সবাইকে স্বাগতম। বিডিপিপসে বেশ কিছু নতুন পরিবর্তন আনা হয়েছে এবং নতুন করে আপডেট করা হয়েছে। ফোরাম ব্যবহার করতে গিয়ে কোন নতুন সমস্যায় পরলে মডারেটরদের অবহিত করুন। এবং এখন থেকে ফোরামে ডিসপ্লে নেম পদ্ধতি উঠে যাচ্ছে। যে ইউজারনেম দিয়ে লগিন করছেন, সেই ইউজারনেমই ফোরামে দেখানো হবে। তাই ইউজারনেম/ডিসপ্লে নেম আপনার অ্যাকাউন্ট সেটিংস থেকে আপডেট করে নিতে পারেন।
Sign in to follow this  
shopnil

FED: Federal Reserve System কি? এবং কেন?

Recommended Posts

(ফেড নিয়ে বিডিপিপসে প্রথম লিখেছিলাম আজ থেকে ৪ বছরেরও বেশি আগে, ২০১৩ সালে। আগের লেখাটিকেই নতুন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যোগ করে আপডেট করা হয়েছে।)

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকিং ব্যবস্থার নাম হচ্ছে The Federal Reserve System বা সংক্ষেপে Federal Reserve বা আরও সংক্ষেপে FED। বিশ্বে পুঁজিবাদী অর্থনীতির নেতা যে যুক্তরাষ্ট্র, সেটা তো আমরা সবাই জানি। পুঁজিবাদ দেশটিতে এমন জায়গায় পৌঁছিয়েছে যে, ফেডের শেয়ারের একটি অংশও এখন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর দখলে। সেই সুবাদে তারাও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কিছু বোর্ড মেম্বার নির্বাচনের সুযোগ পায়, যারা তাদের স্বার্থ রক্ষা করবে। এমনটা বিশ্বে আর কোথাও নেই। সে হিসেবে এই দিক দিয়ে বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ফেড অনন্য।

ফেড প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল আজ থেকে ১০০ বছরেরও আগে, ১৯১৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর। যুক্তরাষ্ট্রের সরকার ফেডের মনেটারী পলিসির জন্য তিনটি প্রধান লক্ষ্য ঠিক করেছে। এগুলো হচ্ছেঃ

  • সর্বোচ্চ কর্মসংস্থান
  • মূল্য স্থিতিশীল রাখা
  • দীর্ঘমেয়াদী সুদের হারকে সহনীয় পর্যায়ে রাখা।

সময়ের সাথে সাথে ফেডের দায়িত্বও বেড়েছে। যেমনঃ ব্যাংকগুলোকে তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রন করা, অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখা, যুক্তরাষ্ট্রের সরকার ও বৈদেশিক সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে অর্থনৈতিক সেবা প্রদান করা ইত্যাদি। এছাড়াও ফেড অর্থনীতি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের গবেষণা করে এবং ফেডের অনেক নিজস্ব গবেষণাপত্রও রয়েছে। এককথায়, বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ অর্থনীতিকে ঠিকঠাক রাখার জন্য যা যা করা দরকার, ফেড তার সব কিছুই করে।

তবে, ফেড প্রতিষ্ঠার ইতিহাস খুব একটা সুখকর নয়। ১৯০৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে ব্যাপক ভীতি সঞ্চার হয় এর আগে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের কারনে। তখনই আসলে প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয় একটা কেন্দ্রীয় ব্যাংকিং বাবস্থার, যাতে অর্থনীতিতে কোন ধরনের সংকট তৈরি হলে তা সামাল দেয়া যায়। সেই উদ্দেশ্যেই ফেড প্রতিষ্ঠা করা হয়। 

তার পর ১০০ বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেছে এবং ফেড অনেকগুলো ব্ড় আর্থিক মন্দা সামাল দিয়েছে। তবে, ফেড নিয়ে সমালোচনারও কোন অন্ত নেই। যেমন, ফেড প্রতিষ্ঠার আগের শতাব্দীতে যুক্তরাষ্ট্রের গড় মূল্যস্ফীতি ছিল মাত্র ০.৫ শতাংশ। আর তার এক শতাব্দী পরে গড় মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাড়িয়েছে ৩.৫ শতাংশে। সেই হিসাবে, এক শতাব্দীতে ডলার তার মূল্য হারিয়েছে ৯৫ শতাংশেরও বেশি। ফেড প্রতিষ্ঠার ২০ বছর পরেই যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি "গ্রেট ডিপ্রেশন" এ পতিত হয়। অনেকেই বিশ্বাস করেন যে, বিভিন্ন সময়ে ফেডের শীর্ষ কর্মকর্তাগন বড় বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে গোপন সমঝোতার ভিত্তিতে ফেডের মনেটারি পলিসির মাধ্যমে অর্থনীতিতে বাবল তৈরি করে, যার ফলশ্রুতিতে কিছু মানুষ বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ব্যাপকভাবে লাভবান হলেও এর ফলে অর্থনীতি মন্দায় পতিত হয়। 
 

bdpips_1498152898__53075_sticky_fed.png

 
তবে সমালোচনা যতই থাকুক, ফেডের মত প্রভাবশালী কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিশ্বে আর কোনটি নেই। কেননা, বিশ্বের অধিকাংশ দেশ রিজার্ভ কারেন্সি হিসেবে ডলার ব্যবহার করে। আর ফেডের মনেটারি পলিসির উপর নির্ভর করে ডলার শক্তিশালী হবে নাকি দুর্বল হবে, বাজারে এর সরবরাহ বাড়বে নাকি কমবে। তাই, ফরেক্স ট্রেডারদের কাছে ফেড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফেডের সুদের হার নির্ধারন অথবা ফেডের FOMC কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্ত ফরেক্স মার্কেটে বড় ধরনের মুভমেন্ট তৈরি করে, এমনকি অনেক ফরেক্স ট্রেডারকে ফতুরও করে। তাই ট্রেডাররা ফেডের বিভিন্ন বৈঠকের প্রতি গভীর লক্ষ্য রাখে।

আগেই বলা হয়েছে যে, ফেডে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর শেয়ার আছে। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ছাড়াও আরও অনেকে রয়েছে। যেমন রয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট কতৃক সরাসরি নিয়োগকৃত বোর্ড অফ গভর্নরস (ফেডারেল রিজার্ভ বোর্ড), প্রেসিডেন্ট কতৃক আংশিকভাবে নিয়োগকৃত ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটি (FOMC), দেশটির বড় শহরগুলোতে থাকা ১২ টি প্রাদেশিক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক এবং বিভিন্ন উপদেষ্টা পরিষদ। তবে,ফরেক্স মার্কেটে সবচেয়ে বেশি প্রভাব সৃষ্টি করায়, ট্রেডারদের কাছে সবচেয়ে বেশি পরিচিত হচ্ছে ফেডের বোর্ড অফ গভর্নর'স আর FOMC বা ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটি। 

বোর্ড অফ গভর্নর'স

ফেডের মূল পরিচালনা পর্ষদ হচ্ছে ফেডারের রিজার্ভ বোর্ড অফ গভর্নর'স। সাত সদস্য বিশিষ্ট এই বোর্ডের সবাই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট কতৃক নিয়োগপ্রাপ্ত। ফেডের প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট কে হবেন তাও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ঠিক করে দেন, যদিও এর জন্য সিনেটের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। প্রতিবার ২ বছর করে একজন সদস্য সর্বোচ্চ ১৪ বছর বোর্ড অফ গভর্নর'স এ থাকতে পারেন।

তবে প্রেসিডেন্ট কতৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হলেও ফেডের প্রেসিডেন্ট তার নেয়া সিদ্ধান্তের ব্যাপারে সম্পূর্ণ স্বাধীন।

বোর্ড অফ গভর্নর'স এর কাজ কি?

আগেই বলা হয়েছে যে, বোর্ড অফ গভর্নর'স হচ্ছে ফেডের মূল পরিচালনা পর্ষদ। তাই বিশাল দায়িত্ব তাদের উপর। সাধারণভাবে ফেডের সকল কার্যক্রম ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকিং সিস্টেম তদারকি ও নিয়ন্ত্রন করা এই বোর্ডের দায়িত্ব। এছাড়াও এই বোর্ডের সকল সদস্য FOMC কমিটিতে রয়েছেন এবং দেশের আর্থিক নীতি কি হবে, তা তারাই নির্ধারণ করে থাকেন।

বোর্ড অফ গভর্নর'স সম্পর্কে তো জানলেন। এর বাইরেও ফেডের একটি শক্তিশালী কমিটি হচ্ছে এফওএমসি (FOMC)।

FOMC

এফওএমসি (FOMC) বা ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটি হচ্ছে ফেডের আরেকটি শক্তিশালী কমিটি। মোট বার জন সদস্য নিয়ে এই কমিটি গঠিত। ফেডের বোর্ড অফ গভর্নর'স এর সাতজন সদস্যই রয়েছেন এই কমিটিতে। বাকি পাঁচজন সদস্য নির্বাচিত হন যুক্তরাষ্ট্রের ১২ টি ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের প্রেসিডেন্টদের মধ্যে থেকে। নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট সবসময়ই থাকেন এই কমিটিতে, বাকি ১১ টি ব্যাংকের প্রেসিডেন্টদের মধ্যে থেকে ৪ জন পর্যায়ক্রমে প্রতি বছর কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেন।

কমিটির কাজ

এফওএমসি কমিটি প্রতি বছর সাধারণত ৮ বার বৈঠকে বসে প্রতি ৫ থেকে ৮ সপ্তাহ অন্তর অন্তর। নানা বিধ কারনেই ফরেক্স ট্রেডারদের কাছে এফওএমসি মিটিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। FOMC নিয়ে আরো জানতে চাইলে এর উপরে বিডিপিপসে একটি আলাদা বিস্তারিত টপিক আছে, যেটা আপনি এখানে ক্লিক করে দেখতে পারেন।


ফেড সম্পর্কে কিছু মজার তথ্যঃ

১। FED এর সাথে অনেকে Federal Reserve Bank কে মিলিয়ে ফেলে। অনেকে আবার FED বলতে Federal Reserve Bank কেই বুঝে। FED আর Federal Reserve Bank কিন্তু এক না। FED মানে হচ্ছে Federal Reserve System, যেটি যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকিং ব্যবস্থা এবং যুক্তরাষ্ট্রে এটি একটিই আছে। অন্যদিকে Federal Reserve Bank হচ্ছে প্রাদেশিক ব্যাংক। যুক্তরাষ্ট্রে এমন ১২ টি প্রাদেশিক ব্যাংক আছে, যেগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রদেশে ছড়িয়ে রয়েছে বলে আগেই বলা হয়েছে। তবে, মিসৌরি হচ্ছে একমাত্র প্রদেশ, যার দুটি Federal Reserve Bank রয়েছে।
 
২। যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্বের হার সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখার জন্য সম্ভাব্য যা যা দরকার, তার সবকিছুই ফেড তার প্রদত্ত ক্ষমতার মধ্যে করতে পারবে। আইন করে ফেডকে এই ক্ষমতা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস। তাই এক্ষেত্রে ফেডের সিদ্ধান্ত কংগ্রেস থেকে অনুমোদনের কোন প্রয়োজন নেই।

৩। ডলার ছাপানোর দায়িত্বটা ইউএস ট্রেজারির হাতে থাকলেও ফেড তার মনেটারী পলিসির মাধ্যমে বাজারে ডলারের সরবরাহ নিয়ন্ত্রন করে।

৪। আমেরিকার ব্যাংকনোটগুলোতে "In God We Trust" কথাটি লেখা থাকে। ১৯৬০ সাল থেকে ফেড এই প্রথা চালু করে।

৫। ফেড নিজেই প্রকাশ করেছে ডলার নোটগুলোর আয়ুষ্কাল কিরকম। ১০০ ডলারের একটি নোটের গড় আয়ুষ্কাল ধরা হয় ১৫ বছর, ১০ ডলারের নোটের জন্য ৪.৫ বছর, আর ১ ডলারের নোটের জন্য ৫.৮ বছর। ১ ডলারের নোটের আয়ুষ্কাল, ১০ ডলারের নোট থেকে বেশি কেন সেটি একটি মজার প্রশ্ন হতে পারে। কেননা, দশ ডলারের নোট থেকে এক ডলারের নোটেরই তো বেশি হাতে ঘোরার কথা।

৬। ইমারজেন্সি ক্যাশ সরবরাহের মাধ্যমে বড় ধরনের সংকটের সময় ফেড ব্যাংকগুলোকে সচল রাখতে সহযোগিতা করে। যেমনটা করেছিল, ২০০১ সালের ৯/১১ এর সময়।

৭। এছাড়াও বড় কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান যদি বিপদে পড়ে, ফেড চাইলে সেসব প্রতিষ্ঠানকে অপেক্ষাকৃত কম সুদে অর্থ ধার দিয়ে সহযোগিতা করতে পারে। এজন্য অবশ্য ফেডের সমালোচনাও করা হয়। একটি সরকারি রিপোর্টের সুত্রে জানা যায় যে, সর্বশেষ আর্থিক মন্দার সময়ে ফেড গোপনে বড় ব্যাংকগুলোকে ১৬.১ ট্রিলিয়ন ডলার দিয়ে সহায়তা করেছিল। (১ ট্রিলিয়ন=১ লক্ষ কোটি)
 
এক নজরে ফেড
নামঃ The Federal Reserve System বা সংক্ষেপে FED (ফেড)
সদরদপ্তরঃ ওয়াশিংটন ডি.সি, যুক্তরাষ্ট্র 
প্রতিষ্ঠাকালঃ ২৩ ডিসেম্বর, ১৯১৩
বর্তমান প্রেসিডেন্টঃ জ্যানেট ইয়েলেন (ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার প্রাক্তন অধ্যাপক এবং ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অফ সান ফ্রান্সিসকোর প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট)
অন্যান্যঃ যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকিং ব্যবস্থা, তবে ডলার ছাপানোর কাজটা ইউএস ট্রেজারি করে থাকে।
ওয়েবসাইটঃ http://federalreserve.gov/

 

[আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সেন্ট্রাল ব্যাংক কি? এর কাজ কি?]

[আরও পড়ুনঃ ইসিবি কি? ফরেক্স মার্কেটে ইসিবির প্রভাবই বা কি?]

  • Love 2

Share this post


Link to post
Share on other sites

Create an account or sign in to comment

You need to be a member in order to leave a comment

Create an account

Sign up for a new account in our community. It's easy!

Register a new account

লগিন

Already have an account? Sign in here.

Sign In Now
Sign in to follow this  

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×