Jump to content
Sign in to follow this  
jakariabd

একটা ট্রেড এন্ট্রি নেওয়ার আগে আপনার ট্রেডিং চেকলিস্টের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছেন তো?

Recommended Posts

অামরা সবসময় যে জিনিসগুলা খেয়াল করিনা সেটা হল আমরা কোন শুরু করার আগে সেটার বর্তমান /অতিত এবং ভবিষ্যৎ কি হতে পারে সেগুলা না জেনেই কাজটা শুরু করে দেয় অথচ এটা কি ঠিক । ধরে নেন আপনি একজন সাক্সেসফুল বিজনেজম্যান েএই ক্ষেত্রে আপনার কি করা উচিত ছিল আপনার প্রথমে যে জিনিসগুলার একটা ডিপলি এনালাইসেস করতে হতে পারে

নিচের সবগুলাই মূলত একটি কাজ শুরু করার  আগে কি চিন্তা বা ব্যবস্থা করা উচিত:-

  • আপনি যেটা শুরু করতে যাচ্ছেন সেটার পূর্ব রেসাল্ট কি
  • সেটা কে নিয়ে আগানোর জন্যে আপনার কি করতে হতে পারে
  • অাপনি কি কি প্রবলেম ফেস করবেন সেটা আগে থেকেই একটা সম্ভাব্য ধারনা রাখা
  • আপনি কি এটা সম্পর্কে ভালোভাবে জানেন অথবা না জানলে কি ভাবে জানতে পারেন বা এটাতে সাক্সেস হতে হলে আপনি কিভাবে এই প্রবলেম টা অভারকাম করবেন?
checklist.png
 
যাহোক আমি আজকে আপনাদের অন্যে কোন বিজনেস এর ব্যাপারে বলতে চাচ্ছিনা। আমার আজকের টপিক এ্ই নয় যে  আপনি ফরেক্স করতে হলে আপনার আগে থেকে যেসব জিনিস গুলা জানা উচিত বা ব্যবস্থা করা উচিত (সেটা উপরের চেকলিস্ট টার সাথে কিছুটা মিল পাবেন) আমি আজকে একটা নিউ চেকলিস্ট করছি সেটা তাদের জন্যে যারা ফার্স্ট টাইম ডিপোসিট করেছিলেন তারপর একাউন্ট জিরো করেছেন.তারপর আপনি চাচ্ছেন আবার শুরু করবেন তাহলে আপনি আবার কিভাবে শুরু করবেন। আপনার আগের ভুলগুলাকে শুধরিয়ে একটা নতুন সাক্সেস পাওয়ার জন্য আপনি কি কি করতে পারেন।
 
আমি নিচে কিছু সম্ভাব্য একটা তালিকা দিলাম এগুলার মধ্যে যেগুলা আপনার সমস্য বা লসের কারন ছিল সেগুলাকে আপনি আপনার ডায়রি তে লিখে ফেলুন আমি আবার ও বলছি ডায়রিতে লিখুন এখনি শুধু পড়ার উদ্দেশ্য পড়বেন না বা এই চিন্তা করবেন না যে আপনি তো এইগুলা জানেন আগে থেকেই। লিখার কারন টা আপনি নিজে বের করবেন একদিন কেন লিখবেন ডায়রিতে।এরপর এটাকে আপনার সিগন্যাল বা স্ট্রেইজি অনুযায়ী ট্রেড সেটাপ পেলে ডায়রিটা আপনার সামনে রাখুন আর এইভেবে ডায়রিটা ফলো করুন যেন মনে হয় আপনি একজন ওয়ার্কার আর আপনার বস আপনাকে বলছে ডায়রিতে যা যা আছে সেভাবেই যেন ট্রেড সেটাপ দিতে
 
আমার পূর্বে যেসব প্রবলেম ছিল সেগুলা হল:-
 ⇷ ⇸ ⇹ ⇺ ⇻ ⇼ ⇷ ⇸ ⇹ ⇺ ⇻ ⇼ ⇷ ⇸ ⇹ ⇺ ⇻ ⇼ ⇷ ⇸ ⇹ 
 
১.Stop loss দেয়নি
২.Stop loss চেন্জ করেছিলাম
৩.বারবার স্ট্রে্ইজি চেন্জ করেছিলাম
৪.অভার কনফিডেন্স হও্রয়ার কারনে স্ট্রে্ইজির বাহিরেও ট্রেড দিয়েছিলাম
৫.লট সাইজ চেন্জ করতাম
৬.অল্প প্রফিটে কেটে দিতাম ট্রেড
৭.ট্রেড দেওয়ার পর আবার  এই অলরেডি  এন্ট্রি নেওয়া  ট্রেডটা নিয়ে এনালাইসিস করতাম 
৮.বারবার টার্মিটাল দেখতাম আর ট্রেডের সিটুএশন দেখতাম
৯.যে কারেন্সি মন চায় সেই কারেন্সিতেই ট্রেড করতাম
১০.টাইমফ্রেমের তোয়াক্কা করতাম না
১১.ট্রেড সেটাপ দেখতাম এক টাইমফ্রেমের আর চেয়ে থাকতাম আরেক টাইমফ্রেমে
১২. উপরের সবগুলা বিষয় আবার চেক করব উপরের গুলা সম্পন্ন করেছি কিনা
 
ট্রেডিং কারেকশন
 ⇷ ⇸ ⇹ ⇺ ⇻ ⇼ ⇷ ⇸ ⇹
Stop loss দেয়নি
─ ━─ ━─ ━─ ━
ডায়রি অনুযায়ী দেখুন আপনার স্ট্রেইজি আপনার কত Stop Loss দেওয়ার কথা ছিল
 
Stop loss চেন্জ করেছিলাম
─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━
আর ভুলেও করবেন না।যখন প্রফেশনাল হবেন তখন অন্যে বিষয় কারন তখন আপনি ভালো করেই জানেন কেন চেন্জ করবেন কিন্ত শুরুতে আপনি চেন্জ করার মাএ একটাই কারন থাকে সেটা হল আপনার লস খাওয়ার ভয়।
 
বারবার স্ট্রাটেজি চেন্জ করেছিলাম
─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━
এটা আর নয় যা করেছেন তা এতদিন লস করতে করতেই করে ফেলেছেন। আর আশা করি দুনিয়ার যত স্ট্রেইজি আছে এতদিনে গ্যাসের চুলায় বেজে ফেলেছেন । এখন দয়া করে যে কোন একটা পরিক্ষিত মেথড নিয়ে এগুন আর এটাতে কোন প্রবলেম থাকলে এটাকে চেন্জ করবেন না প্লিজ পারলে আপগ্রেড করুন কেন লস হল আর এই মেথড টাতে কি আরো সংযোজন করলে লস থেকে বাচতে পারতেন এইভাবে প্রতিটা ট্রেড লস করার পর চিন্তা করুন।সো মনে রাখতে হবে “মেথড চেন্জ নয় আপগ্রেড করবেন”
 
অভার কনফিডেন্স হও্রয়ার কারনে স্ট্রে্ইজির বাহিরেও ট্রেড দিয়েছিলাম
─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━
মাঝে মাঝে আপনি আপনার অজান্তেই নেইল ফুলার বা আরো বড় এক্সপার্ট হয়ে যান যা আপনি নিজেও জানেন না ।ট্রেডটা লস খাওয়ার পর বুঝতে পারেন আপনি এই ট্রেডটা হঠাৎ নেইল ফুলার হওয়ার কারনে আপনি আপনার স্ট্রেইজির বাহিরেই ট্রেড দেওয়া শুরু করে দিয়েছেন।আর ফলাফল সিলেটি ভাষায় যাকে বলে “আন্ডা”পেয়েছেন।
 
লট সাইজ চেন্জ করতাম
─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━
আপনি যখন একটা টাইমে বেশি প্রফিট করা শুরু করে দেন আর আপনার মাঝে অভার কনফিডেন্স চলে আসে তখন ছোটবেলার গুনের নামতা এর মত লট সাইজ গুন করা শুরু করে দেন তারপর হিসাব  কষে যে রেজাল্ট বের হয় সেই অনুযায়ী একটা ফুটবলের আকারের একটা লট সাইজ নিয়ে ট্রেড নিয়ে থাকেন অথচ সাময়িকভাবে বিষয়টা আপনাকে সেটিসফাই করলেও একসময় জিরো হবার মূল কারন হয়ে ধারাই (যা আমার কপালে জুটেছিল। XM ব্রোকারে আমার ফার্স্ট ডিপোসিট লস খাওয়ার একমাত্র কারন)।
 
অল্প প্রফিটে কেটে দিতাম ট্রেড
─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━
লস থেয়ে ফেলেছেন ৫০ ডলার আর একটা ট্রেড কি করে যেন ভাগ্যের গুনে আপনার পক্ষে যাওয়া শুরু হল আর কোন ক্রমে যদি ৫ ডলার ছুই ছুই অবস্থা হয় তাহলে আর কি ৫ ডলার ছোয়ার আগেই আপনার মাউস ট্রেড ক্লোজ করার যে অপশন টা থাকে সেটা ছুয়ে ফেলে কি করে যেন..লঅঅঅল..।
 
ট্রেড দেওয়ার পর আবার  এই অলরেডি  এন্ট্রি নেওয়া  ট্রেডটা নিয়ে এনালাইসিস করতাম 
─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━
ট্রেড দিয়েছেন কিন্তু আপনার মত এনালাইসিস কি আর তার ট্রেড এনালাইসিস থামাতে পারে.ট্রেড দেওয়ার পরও আবার  এই অলরেডি  এন্ট্রি নেওয়া  ট্রেডটা নিয়ে এনালাইসিস শুরু করে দেন আর ফলাফল অল্প প্রফিটে কেটে দেন ট্রেড
 
বারবার টার্মিটাল দেখতাম আর ট্রেডের সিটুএশন দেখতাম
─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━
একটা ট্রেড দেওয়ার পর কথনো উচিত না এই ট্রেডটাকে বার বার দেখা ফলাফল আপনার মনে ভিতি তৈরি হতে পারে এইজন্যে বারবার ট্রেডটা দেখার দরকার নেই ।অন্যে কোন কাজ করুন বা নিজেকে বিজি রাখুন বা অন্যে কোন কাজ না থাকলে মুভি দেথুন।বিবাহিত হলে বউয়ের সাথে আড্ডা মারুন।
 
যে কারেন্সি মন চায় সেই কারেন্সিতেই ট্রেড করতাম
─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━
কারেন্সি সেটাপ টা সবসময় আপনার মাসের শুরুতেই করে রাখুন আর না হয় সপ্তাপ শুরু হওয়ার আগেই এনালাইসিস করে ফেলুন কোন কোন পিয়ার গুলা সামনের সপ্তাহের জন্যা ভালো হতে পারে।আমি সাজেস্ট করব কম ভলাটাইল কারেন্সি গুলা সিলেক্ট করে সেগুলাকে নিয়ে এনালাইসিস করুন।
 
টাইমফ্রেমের তোয়াক্কা করতাম না
─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ─ ━─ 

আর টাইমফ্রেম এটা আবার কি আর এমন । না ভাই এটাও আপনার মাইন্ড চেন্জ এবং আপনার এনালা্ইসিস কে উল্টোদিকে নিয়ে যেতে পারে । তাই সবসময় একই টাইমফ্রেম ইউজ করা শিখুন আর সেটাতেই আপনার এনালাসিস করার ট্রাই করেন।

ট্রেড সেটাপ দেখতাম এক টাইমফ্রেমের আর চেয়ে থাকতাম আরেক টাইমফ্রেমে

─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ 

সবসময় যে টাইমফ্রেমে এনালাইসিস করেছেন পরে সেটাতেই চোখ বুলান এতে করে আপনার এনালা্ইসিস ভিশন ক্লিয়ার এবং দক্ষতা ভালো হয়।

 

আমাকে ফেসবুকে | আমাকে লিন্কদিনে | আমাকে টুইটারে | আমাকে গুগল প্লাসে | আমার পাসোনাল ব্লগে

  • Love 4
  • Thanks 1

Share this post


Link to post
Share on other sites
Guest
You are commenting as a guest. If you have an account, please sign in.
Reply to this topic...

×   Pasted as rich text.   Paste as plain text instead

  Only 75 emoticons maximum are allowed.

×   Your link has been automatically embedded.   Display as a link instead

×   Your previous content has been restored.   Clear editor

×   You cannot paste images directly. Upload or insert images from URL.

Loading...
Sign in to follow this  

  • Similar Content

    • By fxhasibul
      $35 Free Bonus allows you to try your hand at real market conditions without risking your own funds.
      This $35 Free  Bonus is deposit-free and does not require the deposit of own funds to withdraw the bonus and the bonus profit.
       
      CONDITIONS OF THE WELCOME BONUS PROGRAM
      Welcome Bonus can be obtained by every new client who has passed the verification procedure in the Trader’s Room.
      The Welcome Bonus can be obtained only within 10 calendar days from the moment of registration on the company website.
      The bonus amount is 35 USD (3500 USD cents if your account is Cents account or the equivalent amount in Euros, depending on the currency of your account).
      The Welcome Bonus can be used only once, it can be obtained only by new customers for one trading account.
      The Welcome Bonus is not available on the Flex Newbie, Pro and S.T.A.R. accounts.
      Your relatives will not be able to get the bonus, if you have already received it.
      To withdraw the bonus and profit made with the help of bonus funds you have to meet the terms of the trading turnover on the account: 20 lots for USD or EUR accounts or 2000 micro lots for Cent accounts.
       
      More info for how to get and where to find  forex no deposit bonus .
    • By shopnil
      Crude Oil বা ক্রুড তেল বলতে যে অপরিশোধিত তেলকে বোঝায়, তা আমরা জানি। “তেল নিয়ে তেলসামাতি” পড়ে থাকলে আপনি এটাও জানেন যে বিশ্বে বিভিন্ন ধরনের অপরিশোধিত তেল রয়েছে এবং এগুলোর মধ্যে Brent Crude, WTI Crude এবং Opec Basket Crude সবচেয়ে বেশী জনপ্রিয়।
      এখন আপনি প্রশ্ন করতে পারেন যে, এই তেলগুলো কি জিনিস সেটা জেনে আমার কি লাভ? সত্যি বলতে তেমন কোন লাভ নেই, তাই এ নিয়ে বিস্তারিত কোন আলোচনায় যাবো না। কিন্তু, তেলের যে বিভিন্ন ধরন আছে, আর কোনটা কি, তা জানার দরকার আছে। না জানলে কি ঝামেলায় পড়বেন, তা নিচের উদাহরন দেখলেই বুঝতে পারবেনঃ
      বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় অপরিশোধিত তেল হচ্ছে Brent Crude (মোট ব্যবহৃত অপরিশোধিত তেলের দুই তৃতীয়াংশই হচ্ছে Brent Crude বা ব্রেন্ট ক্রূড)। আর XM এ Brent Crude Oil এর নাম হচ্ছে Brent, মানে mt4/mt5 এ Brent খুজে বের করলেই হবে। কিন্তু, আপনি যদি না জানেন যে Brent বলতে আসলে এক ধরনের অপরিশোধিত জ্বালানি তেলকে বোঝায়, তাহলে আপনি যেটা খুজে পাবেন, সেটা হচ্ছে Oil. XM এ শুধু OIL ট্রেডিং কোডটি দিয়ে West Texas Intermediate বা WTI ক্রুড তেলকে বোঝায়। OILMn নামে আরেকটি ট্রেডিং কোড আছে যেটি WTI ক্রুড এরই মিনি লটকে নির্দেশ করে, যেটিতে প্রতি পিপসের ভ্যালু মাত্র ১০ সেন্ট। তারমানে, Brent কি তা না জানলে আপনি সবচেয়ে জনপ্রিয় তেলটি ট্রেডের সুযোগ থেকেই বঞ্চিত হবেন। মোটামুটি সব ব্রোকারেই Brent Crude তেল শুধু Brent নামেই পরিচিত। তাই, নাম না জানলে বিপদ। আবার, Brent, OIL এবং OILMn, এই তিনটি দিয়ে যে যথাক্রমে Brent Crude, WTI Crude এবং WTI Crude এর মিনি লটকে বোঝাচ্ছে, সেটাও বুঝতে পারবেন না। আমি নতুনদের সবসময় পরামর্শ দিব OILMn ট্রেড করতে, কেননা এটাতে প্রতি পিপসের ভ্যালু সর্বনিম্ন ১০ সেন্ট, অন্যগুলোতে ১ ডলার করে। তেলের ক্ষেত্রে XM এ ১ লট বলতে ১০০ ব্যারেল তেল বোঝায় (১ ব্যারেল মানে ১৫০ লিটার)।

      আগেই বলেছি যে কোন তেল কি, সেটা জেনে আপনার তেমন কোন লাভ নেই, আপনার শুধু জানা দরকার কোন তেলগুলো বিশ্ববাজারে সবচেয়ে বেশী ট্রেড করা হয় এবং ব্রোকারগুলোতে সেগুলোর নাম কি। সেটা আপনি ইতিমধ্যেই জেনে আছেন। তারপরেও প্রধান তেলগুলো সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করছিঃ
      প্রধান অপরিশোধিত তেলগুলো
      আমার সবার প্রথমে মাথায় এটা প্রশ্ন জেগেছিল যে, অপরিশোধিত তেলের আবার আলাদা আলাদা ধরন কেন? নারিকেল তেল, সয়াবিন তেলের মতই কি এগুলো আলাদা আলাদা ধরনের জ্বালানী তেল নির্দেশ করে? এগুলো সবগুলোই কি একই কাজে ব্যবহৃত হয়, নাকি নারিকেল তেল, সয়াবিন তেলের মত আলাদা আলাদাভাবে ব্যবহৃত হয়?
      বিশ্বে ১৬০ ধরনের তেল ট্রেড করা হয়, আমরা এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশী যে তেলগুলো ট্রেড করা হয়, মানে Brent, WTI এবং Opec Basket, সেগুলোর মধ্যে তুলনা করব।
      জ্বালানী তেলের গুনগতমান কিভাবে নির্ধারন করা হয়? 
      জালানী তেলের ক্ষেত্রে গুনগতমান নির্ধারন করা হয়, এতে কতটুকু সালফার আছে এবং এটি কতটুকু ভারি তা দিয়ে। কোন তেলে সালফারের পরিমান শতকরা যত কম থাকবে, সেটিকে তত বেশী sweet বলা হবে। এখানে, sweet দিয়ে শুধুমাত্র সালফারের পরিমান কত কম, সেটাই নির্দেশ করছে, মিষ্টিজাতীয় কিছু না। আরেকটি বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে API Gravity, যেটা ওজন নির্দেশ করে। কোন তেলের API Gravity যত বেশী, সেটা ওজনে তত হালকা, একইভাবে API Gravity যত কম, ওজনে তত ভারী। যদি কোন তেলের API Gravity ১০ এর বেশী হয়, তাহলে সেটা পানিতে ডুবে যাবে, নাহলে পানির উপর ভেসে থাকবে। যেই তেলের API Gravity যত বেশী হবে, মানে যত হালকা হবে আর সালফারের শতকরা পরিমান যত কম হবে, মানে তেলটি যত sweet হবে, তার গুনগতমান তত বেশী হবে, বেশী পরিমানে উন্নতমানের গ্যাসোলিন উৎপন্ন করা যাবে।
      তাহলে, এবার দেখা যাক, ব্রেন্ট, WTI আর ওপেক  বাস্কেট, কোনটার গুনগত মান সবচেয়ে ভালো।
      WTI বা West Texas Intermediate
      তিন ধরনের তেলের মধ্যে সবচেয়ে ভালো তেল হচ্ছে এবং খুবই উন্নতমানের তেল হচ্ছে WTI বা West Texas Intermediate. এতে সালফার আছে শতকরা মাত্র ০.২৪ ভাগ আর API Gravity হচ্ছে ৩৯.৬ ডিগ্রি। নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে যে, এটি যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত হয়। খুবই হালকা এবং সালফারের পরিমান খুব কম বলে, এটি গ্যাসোলিন উৎপাদনের জন্য সর্বোত্তম। WTI তেলের ব্যবহার সবচেয়ে বেশী হয় আমেরিকা বা যুক্তরাষ্ট্রে।
      Brent Crude Oil
      এর পরেই আসবে Brent Crude Oil. এতে সালফারের পরিমান শতকরা ০.৩৭ ভাগ আর API Gravity হচ্ছে ৩৮.৩ ডিগ্রি। WTI এর মত এত ভালো না হলেও, এই তেলও হালকা এবং এতে সালফারের পরিমান খুব বেশী না। মূলত ডিজেল, গ্যাসোলিন পরিশোধনের জন্যেই Brent Crude Oil বেশী ব্যবহৃত হয়। মূলত উত্তর সাগরের চারটি ভিন্ন ভিন্ন জায়গা থেকে এই তেল আহরন করা হয়। Brent তেলের ব্যবহার সবচেয়ে বেশী হয় ইউরোপে এবং আফ্রিকাতে।
      Opec Basket
      সবশেষে আসবে ওপেক বাস্কেট। ওপেক নাম শুনেই বুঝতে পারছেন যে এই তেল কোথা থেকে আহরন করা হয়। ঠিক, মূলত ওপেকভুক্ত দেশগুলো থেকে, যেমনঃ সৌদি আরব, আলজেরিয়া, ভেনিজুয়েলা ইত্যাদি। এগুলোতে সালফারের পরিমান খুবই বেশী, আবার তুলনামুলকভাবে ভারী। তাই, WTI বা ব্রেন্টের সাথে তুলনা করলে ওপেক বাস্কেট তেল বেশ নিম্নমানের। কিন্তু, সুবিধা হল ওপেক দেশগুলোতে প্রচুর তেল মজুদ আছে এবং তারা চাইলেই যেভাবে উৎপাদন বাড়াতে পারে, সেইভাবে অন্য তেলগুলোর উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব না। তাই, বিশ্ববাজারে ওপেক বাস্কেট এর গুরুতবপূর্ন ভুমিকা আছে।
      কোন তেলের দাম সবচেয়ে বেশী?
      আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে দাম। ওপেক বাস্কেট তেলের দাম প্রধান তেলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সস্তা। Brent তেলের দাম সাধারনত ওপেক বাস্কেট থেকে ব্যারেলপ্রতি ৪ ডলার বেশী হয়। WTI এর দাম তো আরও বেশী। ওপেক বাস্কেট থেকে WTI ব্যারেলপ্রতি ৫-৭ ডলার বেশী দামে বিক্রি হয়, মানে Brent তেল থেকে WTI তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১-৩ ডলার বেশী।
    • By shopnil

      আপনি কি জানেন, ফেসবুকের শেয়ারের দাম এখন কত? ১৮১ ডলার মাত্র! আপনি কি জানেন, মাত্র ৫ বছর আগে ফেসবুকের শেয়ারের দাম কত ছিল? ৩১ ডলার মাত্র! অর্থাৎ, ৫ বছরে ফেসবুকের শেয়ারের দাম বেড়েছে ৬ গুনেরও বেশি। মাত্র ১ বছর আগেও ফেসবুকের শেয়ারের দাম ছিল ১৩১ ডলার। প্রতিবছর ফেসবুকের শেয়ারের দাম বাড়ছে ক্রমাগত কোন বড় উত্থান পতন ছাড়াই। আর ফেসবুকের সামনের কয়েক বছরে অন্তত আয় কমার কোন সম্ভাবনা নেই, বরং বাড়বে অনেক। তাই, ফেসবুকের শেয়ারের মূল্যও বাড়বে। তো, আপনি যখন জানেনই ফেসবুকের শেয়ারের দাম বাড়বে আর যদি দীর্ঘমেয়াদে আপনার ফেসবুকের শেয়ার কিনে রাখার ধৈর্য থাকে, তাহলে ফেসবুকের শেয়ার কিনবেন না কেন? যদি সে সুযোগ আপনার থেকেই থাকে! এক্ষেত্রে সম্ভাব্য সমস্যাগুলো কি কি?

      সহজ হচ্ছে অনলাইনে ট্রেড করা
      একটা সময় ছিল, যখন কোন কিছু ট্রেড করা কঠিন ছিল। স্টক ট্রেড করতে হলে আপনাকে যেতে হত কোন স্টক ব্রোকারের কাছে, খুলতে হত স্টক ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট। আবার, ফরেক্স ট্রেডিং করতে হলে, হতে হত ব্যাংকের সম্পদশালী গ্রাহক। শুধুমাত্র, তাহলেই ব্যাংক থেকে ফরেক্স ট্রেড করার সুবিধা মিলত। আবার, কমোডিটি, যেমন, তেল, চিনি, কফি ইত্যাদি কেনাবেচার জন্যে যেতো হতো কমোডিটি এক্সচেঞ্জে। আবার, স্টক ব্রোকারগুলো থেকে শুধুমাত্র স্থানীয় কোম্পানীগুলোর শেয়ারই কেনা যায়। যখন, স্টক মার্কেটে ধ্বস নামে, তখন বসে থাকা ছাড়া কিছু করার থাকে না। অথচ, উন্নত দেশগুলোতে মানুষ কিন্তু স্টক মার্কেট ক্রাশের সময় সেল ট্রেড থেকেও লাভ করতে পারে। সেই সুযোগ আমাদের এখানে নেই। 
      কিন্তু, প্রযুক্তির কল্যাণে সব বদলে যাচ্ছে। অনলাইনেই ফরেক্স ব্রোকাররা স্বল্প বিনিয়োগে যে কাউকে ট্রেড করার সুযোগ দিল। তবে সময়ের সাথে সাথে ফরেক্স ব্রোকাররা এখন আর শুধু নিজেদের ফরেক্স ব্রোকার বলতে রাজি না। ব্রোকারদের সাথে আপনি এখন শুধু কারেন্সি না, ট্রেড করতে পারেন বিদেশী অধিকাংশ বিখ্যাত কোম্পানির স্টকের, আর তেল বা স্বর্ণ কেনাবেচার সুযোগ তো অনেক আগে থেকেই রয়েছে। স্টক ট্রেডও যে একেবারে নতুন করা যাচ্ছে, তা নয়। কিন্তু, অনেক ট্রেডারই শুধুমাত্র না জানার কারনেই এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আর তার সাথে জানা দরকার কিছু গুরুত্বপূর্ন তথ্যও। অন্যথায় আপনাকে পড়তে হবে ক্ষতির মুখে। 
      স্থানীয় কোন স্টক ব্রোকার থেকে শেয়ার কেনা আর অনলাইনে স্টক কেনার মধ্যে কিন্তু পার্থক্য আছে
      শুরুতেই জেনে নিন যে, স্থানীয় কোন স্টক ব্রোকার থেকে স্টক কেনা আর অনলাইনে কোন ব্রোকার থেকে স্টক কেনার মধ্যে কিন্তু কিছু পার্থক্য আছে। আপনি অনলাইনে স্টক কিনতে গেলে কিছু সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন হবেন, যেগুলো প্রথমেই জেনে নেওয়া ভালো। যদিও অনেক আলাদা সুবিধাও আছে, তারপরেও বিডিপিপসে আমরা সীমাবদ্ধতাগুলোকেই আগে তুলে ধরি। এর উপর ভিত্তি করেই আপনি সিদ্ধান্ত নিবেন আপনি অনলাইনে স্টক ট্রেড করবেন কিনা। 
      অনলাইনে স্টক ট্রেডিং এর সীমাবদ্ধতা
      সর্বপ্রথম এবং সবচেয়ে বড় অসুবিধা হচ্ছে, আপনি সরাসরি স্টক কিনতে পারবেন না। আপনাকে কিনতে হবে স্টক সিএফডি (CFD)। অবাক হচ্ছেন তো? ভেঙ্গে বলছি। 
      CFD মানে হচ্ছে Contract For Difference. দুই পক্ষের মধ্যে এমন একটি চুক্তি হওয়া, যেখানে একটি পক্ষ ট্রেড করা যায় এমন কোন জিনিস কেনার জন্য মূল্য পরিশোধ করবে, কিন্তু সেই পণ্যের মালিক হবে না। যার থেকে সে কিনেছে, শুধু তার কাছেই বিক্রি করা যাবে। এখানে, কেনার সময় মার্কেট প্রাইসেই কিনতে হবে, আর বিক্রির সময় মার্কেট প্রাইসেই বিক্রি করা হবে। অপর পক্ষ বাধ্য, যেকোন সময় বিক্রি করার আদেশ দিলেই তা মেনে নিতে। বিক্রি করার সময়, ক্রেতা যে পরিমানে CFD কিনেছিল, বিক্রির সময় তার যে দাম, তার পুরোটা দিতে হবে। এখন, কেনার সময় থেকে বিক্রির সময় যদি মার্কেট প্রাইস বেশী থাকে, তাহলে ক্রেতার লাভ। আর যদি কম থাকে, তাহলে বিক্রেতার লাভ। কেননা, বিক্রেতা যে জিনিস বেশী দামে বিক্রি করেছিল, তা কম দামে কিনে নিয়েছে। সাধারন কেনাবেচার সাথে পার্থক্য হল, ক্রেতা চাইলেই বলতে পারবে না যে, আমার জিনিস আমাকে বুঝিয়ে দেও। আমি বিক্রি করতে চাই না। সে সুযোগ নেই। কিন্তু, বিক্রি করার সময় বিক্রেতা চাইলেই বলতে পারবে না, আমি আপনাকে এখন এই দাম দিব বা এখন আমি কিনব না। যদি আগে থেকে কোন নির্ধারিত তারিখ উল্লেখ করা না থাকে, তাহলে ক্রেতা যখন বিক্রি করতে চায়, ঠিক তখনই ক্রেতার থেকে মার্কেটে তখন যে দাম থাকবে, সেই দামে কিনে নিতে হবে। অনলাইনে এই প্রক্রিয়াটা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই হয়, ক্রেতা যখনই ট্রেড ক্লোজ বাটনে ক্লিক করে, তখনই আসলে সে মার্কেট প্রাইসে তার কাছে থাকা CFD ব্রোকারের কাছে বিক্রি করে দিচ্ছে। তারমানে, বোঝা গেল যে, আপনি স্টকের সত্যিকারের মালিকানা পাচ্ছেন না, ফেসবুকের কোন শেয়ার সরাসরি আপনার নামে ইস্যু হবেনা। কিন্তু, দাম বাড়লে কমলে ঠিকই আপনার লাভ অথবা লস হবে। তবে  আপনি যেই কোম্পানির স্টক CFD কিনছেন, তারা যখন বার্ষিক সাধারন সভাতে ডিভিডেন্ট দিবে, সেটা আপনি ঠিকই পাবেন।
      যদি এটা আপনার জন্য সমস্যা না হয়, তাহলে অন্য সীমাবদ্ধতাগুলো আসলে সুবিধার তুলনায় বেশ নগণ্য। 
      পরবর্তী সীমাবদ্ধতা হচ্ছে যে, আপনি যদি স্টকটি একদিনের চেয়ে বেশি সময় ধরে রাখেন, তাহলে আপনার Swap পে করতে হবে প্রতিদিনের জন্য। অধিকাংশ স্টক ট্রেডার লিভারেজ বা ঋন সুবিধা নিয়ে ট্রেড করে, তাই ব্যাংকগুলো এর উপর প্রতিদিন যে সুদ আরোপ করে, সেটাই হচ্ছে swap. তবে, XM সহ বর্তমানে অধিকাংশ ব্রোকারেরই swap free ইসলামিক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। তাই, এই সীমাবদ্ধতা অনেকের জন্য সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে না। প্রতিদিন যদি এভাবে swap পে করতেই হয়, তাহলে একটু একটু করে হলেও দীর্ঘদিন ট্রেড ওপেন রাখলে swap জমতে জমতে বেশ ভালোই বড় একটি অ্যামাউন্টে পরিনত হয়। এর ফলে ট্রেড ক্লোজ লাভ হলে লাভের পরিমান কম যায়, আর লস হলে তো লসের পরিমান আরো বেড়ে যায়। তাই, অনলাইনে স্টক ট্রেড করতে হলে অবশ্যই প্রথমে আপনাকে একটি swap free ইসলামিক অ্যাকাউন্ট ওপেন করে নিতে হবে। 
      আরেকটি সীমাবদ্ধতা হচ্ছে যে, ব্রোকারগুলোতে ডিপোজিট করা। যদিও বড় বড় অধিকাংশ ব্রোকারই এখন লোকাল কারেন্সিতে ডিপোজিট করতে সহায়তা করে। এক্ষেত্রে, আপনার ব্রোকারের কাস্টমার সাপোর্টের সাথে যোগাযোগ করুন।
      সুবিধা
      আগে সীমাবদ্ধতাগুলো ভালো করে পড়ুন। মনে রাখবেন, আপনার সামনে ট্রেড করার সুযোগ অবারিত। সেটা অনলাইনেই হোক অথবা দেশীয় স্টক মার্কেটেই হোক। যদি আপনি লোকাল স্টক মার্কেটে ভালো করতে থাকেন আর অনলাইনের এই সীমাবদ্ধতাগুলো আপনার ভালো না লাগে, তাহলে অনলাইনে ট্রেড করতেই হবে, এমন কোন কথা নেই। কিন্তু, এই সীমাবদ্ধতাগুলো যদি আপনার কাছে গুরুতবপূর্ন না হয়, তাহলে বেশ কিছু সুবিধা আছে, যেগুলো তুলে ধরছি।
      সর্বপ্রথম সুবিধা হচ্ছে বাই অথবা সেল, দুটো থেকেই প্রফিট করার সুবিধা, যেটা বাইরের দেশগুলোতে ইতিমধ্যে চলে আসলেও আমাদের এখানে এখনও আসেনি। আপনি জানেন যে, স্টক প্রথমে কিনতে হয় এবং পরে বিক্রি করতে হয়। এক্ষেত্রে, আপনার কেনা দাম থেকে মার্কেটে দাম কমে যেতে থাকলে আপনার হয় লসে বিক্রি করা অথবা চেয়ে দেখা ছাড়া কিছু করার থাকে না। কিন্তু, অনলাইনে ব্রোকারগুলোতে আপনি স্টক CFD একই সময়ে বাই অথবা সেল করার অর্ডার দিতে পারবেন, ঠিক কারেন্সি ট্রেডিং এর মতই। ফেসবুকের উদাহরনই দেই।  আপনি যদি ফেসবুকের স্টক CFD বাই অর্ডার দেন, তাহলে ফেসবুকের স্টকের দাম বাড়লে আপনার লাভ হবে, দাম কমলে লস হবে। আর যদি সেল অর্ডার দেন, তাহলে ওই স্টকের দাম কমলে আপনার লাভ হবে, আর দাম বাড়লে আপনার লস হবে। অর্থাৎ, মার্কেট আপট্রেন্ড হোক আর ডাউনট্রেন্ড হোক, যে অবস্থাতেই থাকুক না কেন, আপনার লাভ করার সুযোগ আছে, যেটা স্থানীয় স্টক ট্রেডের ক্ষেত্রে এখনও সম্ভব না এবং এটাই সবচেয়ে বড় সুবিধা।
      দ্বিতীয়ত, লোকাল স্টক মার্কেটে অনেক বেশী মার্কেট ম্যানিপুলেশন বা কারসাজী হয়। এমনটা আমেরিকার স্টক এক্সচেঞ্জে যে হয়না, তা না। কিন্তু, তুলনামুলকভাবে অনেক কম। 
      আবার, আন্তর্জাতিকভাবে বেশ কিছু ইভেন্টের আগে পরে বা কোন নিউজের ফলাফলের উপর ভিত্তি করে আন্তর্জাতিক স্টক মার্কেটে স্টকের দাম বাড়ে কমে, যেটা অনুমান করা বেশ সহজ। স্থানীয় স্টক মার্কেটে এটা অনুমান করা খুবই কঠিন যে, কোন ঘটনার কারনে দাম বাড়বে আর কোনটার কারনে দাম কমতে পড়ে। আর আন্তর্জাতিক ইভেন্টগুলোর প্রভাবও লোকাল স্টক মার্কেটে পড়েনা বললেই চলে।
      আরেকটি বড় সুবিধা হল, স্থানীয় কোন ব্যাংক তিন বছর পরে কেমন করবে, তার থেকে এটা অনুমান করা সহজ যে ফেসবুকের মত বড় কোম্পানি তিন বছর পর কেমন করবে। ফলে, ট্রেডিং করাটাও তুলনামুলক সহজ হয়ে যায়, বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদে ট্রেড করার ক্ষেত্রে।
      আর হ্যাঁ। লিভারেজ বা ঋণ সুবিধা বলে একটা ব্যাপার আছে। স্থানীয় মার্কেটে ট্রেড করার ক্ষেত্রে যেখানে মূলধনের সমপরিমাণ ঋণই সহজে পাওয়া যায় না, সেখানে ফরেক্স ব্রোকারগুলো ২৫ গুন থেকে শুরু করে ক্ষেত্রবিশেষে মুলধনের ১০০ গুন পর্যন্তও লোন দেয় ট্রেড করার জন্য। মানে, আপনার মূলধন মাত্র ১ লক্ষ টাকা হলেও, আপনি সেটা দিয়েই কোটি টাকার সমপরিমাণের ট্রেড করতে পারবেন। তবে, এই কারনে যদি আপনি অনলাইনে ট্রেড করতে চান, তাহলে আমি বলব আপনার অনলাইনে ট্রেড করার কোন দরকারই নেই। এত বেশী ঋন নিয়ে ট্রেড করলে আপনি ফতুর হয়ে যাওয়া ছাড়া আর কিছুই হবেন না। 
      অনলাইনে কোন কোন কোম্পানির স্টক ট্রেড করা যায়?
      এটা নির্ভর করবে আপনি কোন ব্রোকারের সাথে ট্রেড করছেন তার উপর। যেমন, XM এর মাধ্যমে ইউরোপ ও আমেরিকার সব বড় কোম্পানির স্টক কেনাবেচা করা যাবে। গুগুল, ফেসবুক, অ্যাপল, মাইক্রোসফট, আমাজন, ইনটেল, আইবিএম সহ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানী, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ডসহ মোট ১৪ টি প্রধান দেশের স্টক এক্সচেঞ্জগুলোতে তালিকাভুক্ত ৩০৯ টি কোম্পানির ষ্টক ট্রেড করতে পারবেন।
      অনলাইনে স্টক ট্রেড করার জন্য আপনার কি কি করতে হবে?
      প্রথমে একটি জনপ্রিয় ও বিশ্বস্ত ব্রোকারের সাথে অ্যাকাউন্ট ওপেন করে তাতে ডিপোজিট করতে হবে। তবে, সবচেয়ে ভালো হয় যদি আপনি প্রথমে একটি ফ্রী ডেমো অ্যাকাউন্ট ওপেন করেন কোন একটি ব্রোকারের সাথে। সেক্ষেত্রে, ব্রোকার আপনাকে ট্রেড করার জন্য ভার্চুয়াল ক্যাশ দিবে, যেটা দিয়ে আপনি ডিপোজিট করার পরে যেভাবে ট্রেড করতে পারতেন, ঠিক সেভাবে ট্রেড করতে পারবেন। তবে, পার্থক্য একটাই, লাভ বা লস যাই হোক, সবই ভার্চুয়াল। এটাকে ডেমো ট্রেডিং বলে। আপনি যদি অন্তত ৩ মাস ডেমো ট্রেড করার পর দেখেন যে আপনি ভালো করছেন, তখন আপনি একটি রিয়েল ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট খুলে তাতে ডিপোজিট করতে পারেন। ব্রোকারের ওয়েবসাইট থেকে ট্রেডিং সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে হবে।  ট্রেডিং সফটওয়্যারে আপনার অ্যাকাউন্ট ইনফরমেশন দিয়ে লগিন করতে হবে এবং আপনি এই সফটওয়ার ব্যবহার করে ট্রেড করতে পারবেন। আপনি যদি ব্রোকারে ডিপোজিট করে থাকেন Neteller/Skrill/Payza/Credit card অথবা অন্যান্য মাধ্যমে, তাহলে যে মাধ্যম দিয়ে ডিপোজিট করেছিলেন, সে মাধ্যমে আপনার ডিপোজিটের সম্পুর্ন অর্থ+ লাভ যেকোন সময় তুলে নিতে পারবেন ব্রোকারকে পেমেন্ট করার রিকোয়েস্ট করে। যদি লাভ হয়, তাহলে তো ডিপোজিট থেকে বেশী অর্থ ফেরত পাবেন, আর লস হলে ডিপোজিট থেকে সেই লসের পরিমান অর্থ কেটে রেখে বাকি টাকা ব্রোকার থেকে তোলা যাবে। পুরোটা একেবারে না তুলে শুধু লাভের পরিমান বা ডিপোজিটের যেকোন একটি অংশ তুলে নেয়া যাবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশটিই বাদ পড়ে গিয়েছে। উপরে যা যা বললাম, সেগুলো সবই করা সহজ, কিন্তু নিয়মিত লাভ করা সহজ না। অনেকে লাভ করলেও শুধুমাত্র ১ দিনের লোভে বিশাল বড় ট্রেড খুলে একদিনেই ফতুর হয়ে যায়। তাই, অনলাইনে স্টক ট্রেড করতে হলে আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে ট্রেডিং স্ট্রাটেজি এবং মানি ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে। এ সম্পর্কে জানতে ও শিখতে ভিজিট করুন, বিডিপিপস ফরেক্স স্কুল।  
       

    • By Ayan22691
       

       
       
      Technical parameters | (22nd – 26th ) January
       
      Possible entry point with critical support and resistance level.But when you trade this level make sure that you are using price action confirmation signal.We have prepared these key support and resistance level based on the Fibonacci retracement levels,100&200 SMA,  key swings point and chart patterns formed in the higher time frame. Focus on USDCAD technical analysis
       
       
      EURUSD
      Preparing for the bearish retracement.
      First critical Resistance: click here
      Second critical Resistance: 1.24864
      First critical Support: click here
      Second Critical Support: 1.18427
      Overall Sentiment: Slightly bearish
       
      For other pairs technical analysis visit www.forextradingforyou.com
       
      All the technical parameters are applicable from  22nd January to 26th January 2018..The overall sentiment indicates the prevailing trend of the market.We highly recommend you to trade in favor of the market sentiment (overall sentiment ) to reduce the risk exposure in trading.Trade the critical support and resistance level with price action confirmation signal.If you want to get the technical chart analysis along with logical explanations, feel free to contact us.
      We provide high-quality Forex trading signals, trading consultancy, and price action trading course.Please feel free to contact us for any query. A simple 5-minute conversation with our expert will change your trading career.
       
      We publish regular technical analysis on all the major pairs in every Monday. Please visit our site www.forextradingforyou.com to get details about our technical analysis. To get details about our video technical analysis along with live trade setup visit YouTube Channel. Please subscribe our channel to stay updated with every single technical analysis. 
       
      Source: www.forextradingforyou.com
    • By shopnil
      ফরেক্স মার্কেটে যদি আপনি দীর্ঘদিন ধরে ট্রেড করে থাকেন, তবে সম্ভবত আপনার সবচেয়ে লাভের এবং লসের ট্রেডটি পাউন্ডের কোন পেয়ারের। হ্যাঁ, পাউন্ড হল সবচেয়ে ভোলাটাইল কারেন্সিগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি। ঐতিহাসিক ভাবেও পাউড কারেন্সিটি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ অবস্থান দখল করে আছে। ফরেক্স ট্রেড করতে হলে শুধু প্রাইস কোনদিকে বাড়ছে বা কমছে তা জানাই শুধু গুরুত্বপূর্ণ নয়, সাথে সাথে আপনি যে দুটি কারেন্সি বা মুদ্রা নিয়ে ট্রেড করছেন, সেগুলো সম্পর্কে জানাও বেশ জরুরী। গত আর্টিকেলে আলোচনা করা হয়েছে ডলার আদ্যোপান্ত নিয়ে। আজকের লেখায় আমরা জানবো পাউন্ড কি, পাউন্ড সম্পর্কে বিস্তারিত এবং কি কি বিষয় পাউন্ডকে প্রভাবিত করে।
       


      পাউন্ড কি?

      পৃথিবীতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি মুদ্রা হচ্ছে ব্রিটিশ পাউন্ড। ব্রিটিশ পাউন্ডকে “পাউন্ড স্টারলিং” ও বলা হয়। পাউন্ড বিশ্বের চতূর্থ সর্বোচ্চ ট্রেড হওয়া মুদ্রা এবং তৃতীয় বৃহত্তম রিজার্ভ কারেন্সি। এর পূর্ণরুপ Great Britain Pound বা সংক্ষেপে GBP নামে পরিচিত। পাউন্ড সংশ্লিষ্ট কারেন্সি পেয়ারগুলোকে আমরা GBP/XXX অথবা XXX/GBP এভাবে দেখতে পাই।

      আসুন, পাউন্ড সম্পর্কে আরো জানি

      অর্থনীতির ইতিহাসে পাউন্ডের গুরুত্ব রয়েছে অনেক। একটা সময় ছিলো যখন পাউন্ডই ছিলো বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী মুদ্রা। কিন্তু বর্তমান মার্কেটের আন্তর্জাতিক ট্রেড এবং অ্যাকাউন্ট বিবেচনায় পাউন্ডের সেই অবস্থান দখল করেছে মার্কিন ডলার। দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ এবং ব্রিটিশ সম্রাজ্য ভেঙ্গে পড়ার ফলশ্রুতিতে ১৯৪০ সালে পাউন্ড তার শ্রেষ্ঠত্ব হারায়। এরপর ধাপে ধাপে পাউন্ড বিভিন্ন সময় অর্থনৈতিক দুরাবস্থায় পড়ে।

      হেজ ফান্ড এবং কারেন্সি এক্সচেঞ্জের ইতিহাসেও পাউন্ড গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে রেখেছে। ১৯৯০ সালে বৃটেন ইউরোপিয়ান এক্সচেঞ্জ রেট মেকানিজমে যোগ দেয় এই প্রত্যাশায় যে এটি এক্সচেঞ্জ রেটের সমস্ত অনিশ্চয়তা দূর করতে সক্ষম হবে এবং একটি মাত্র কারেন্সি ব্যবহারের পথ সুগম করবে। দুর্ভাগ্যবশত এই পদ্ধতির মাধ্যমে আশানুরূপ সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায়নি এবং পাউন্ড বিভিন্ন দিক থেকে চাপের মুখে পড়ে। এ সময়ে বিখ্যাত কারেন্সি বিশেষজ্ঞ জর্জ সরোস বলেন যে পাউন্ডের এই রেট টিকবে না এবং অনেকেই তখন বিপুলভাবে পাউন্ড শর্ট করেন। এবং পাউন্ডও ইতিমধ্যে এই সিস্টেম থেকে বেরিয়ে আসে যা Black Wednesday নামে পরিচিত। জর্জ সরোস একাই ১ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমান লাভ করেন সেই ঘটনার কারণে। সম্প্রতি ব্রেক্সিটের কারনেও পাউন্ড বিপুলভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে।

      ফরেক্স মার্কেটের সকল গুরুত্বপূর্ণ কারেন্সির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে তাদের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তেমনি পাউন্ড মূলত নিয়ন্ত্রিত হয় ইংল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক - ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের মাধ্যমে। মুদ্রাস্ফীতির হার নিয়ন্ত্রন সব কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর কাছেই খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়, এবং ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডও সর্বদা চেষ্টা করে যাচ্ছে মুদ্রাস্ফীতির হার ২% এ বজায় রাখতে।

      যে বিষয়গুলো পাউন্ডকে প্রভাবিত করে

      যেই সাধারন অর্থনৈতিক বিষয়গুলো ডলারকে প্রভাবিত করে, সেগুলোর বেশিরভাগই অন্যান্য কারেন্সিগুলোকেও প্রভাবিত করে। পাউন্ডও এর ব্যাতিক্রম নয়। ট্রেডিংয়ের জন্য ট্রেডাররা পাউন্ডের অর্থনৈতিক ডাটা বা রিপোর্টগুলকে খুব গুরুত্বের সাথে নেয়। সুদের হার বা ইন্টারেস্ট রেটের পরিবর্তন, জিডিপি, রিটেইল সেলস, ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রডাকশন, মুদ্রাস্ফিতি এবং ট্রেড ব্যালেন্স রিপোর্টগুলো এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বের সাথে বিবেচিত হয়। এছাড়া Employment রিপোর্টগুলো যেমন কি পরিমান নতুন চাকরী হচ্ছে, বেকারত্বের হার ইত্যাদি রিপোর্টগুলোও মার্কেটে প্রভাব ফেলে। এছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ মিটিং এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চেয়ারম্যান বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির বক্তব্য মার্কেটে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। পাউন্ড ট্রেডিং করার সময় এ সকল বিষয় বিবেচনায় রাখতে হবে।

      রিজার্ভ কারেন্সির দিক থেকে পাউন্ডের অবস্থান বিশ্বে তৃতীয়। বর্তমানেও বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী কারেন্সি হিসেবে পাউন্ড মাথা উচু করে দাড়িয়ে আছে। জনসংখ্যা এবং আকারের দিক থেকে খুব বড় না হলেও ব্রিটেন বিশ্বের প্রধান অর্থনীতিগুলোর একটি এবং বিশ্ব নেতৃত্বের দিক থেকেও অন্যতম। ভোলাটাইল কারেন্সি হিসেবে পরিচিত হলেও ডলারের শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে পাউন্ডের অবস্থান নিঃসন্দেহে সুদৃঢ়। পরবর্তীতে আমরা আলোচনা করবো কোন ৫ ধরনের নিউজ পাউন্ডকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে।

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×