Jump to content
Sign in to follow this  
jakariabd

একটা ট্রেড এন্ট্রি নেওয়ার আগে আপনার ট্রেডিং চেকলিস্টের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছেন তো?

Recommended Posts

অামরা সবসময় যে জিনিসগুলা খেয়াল করিনা সেটা হল আমরা কোন শুরু করার আগে সেটার বর্তমান /অতিত এবং ভবিষ্যৎ কি হতে পারে সেগুলা না জেনেই কাজটা শুরু করে দেয় অথচ এটা কি ঠিক । ধরে নেন আপনি একজন সাক্সেসফুল বিজনেজম্যান েএই ক্ষেত্রে আপনার কি করা উচিত ছিল আপনার প্রথমে যে জিনিসগুলার একটা ডিপলি এনালাইসেস করতে হতে পারে

নিচের সবগুলাই মূলত একটি কাজ শুরু করার  আগে কি চিন্তা বা ব্যবস্থা করা উচিত:-

  • আপনি যেটা শুরু করতে যাচ্ছেন সেটার পূর্ব রেসাল্ট কি
  • সেটা কে নিয়ে আগানোর জন্যে আপনার কি করতে হতে পারে
  • অাপনি কি কি প্রবলেম ফেস করবেন সেটা আগে থেকেই একটা সম্ভাব্য ধারনা রাখা
  • আপনি কি এটা সম্পর্কে ভালোভাবে জানেন অথবা না জানলে কি ভাবে জানতে পারেন বা এটাতে সাক্সেস হতে হলে আপনি কিভাবে এই প্রবলেম টা অভারকাম করবেন?
checklist.png
 
যাহোক আমি আজকে আপনাদের অন্যে কোন বিজনেস এর ব্যাপারে বলতে চাচ্ছিনা। আমার আজকের টপিক এ্ই নয় যে  আপনি ফরেক্স করতে হলে আপনার আগে থেকে যেসব জিনিস গুলা জানা উচিত বা ব্যবস্থা করা উচিত (সেটা উপরের চেকলিস্ট টার সাথে কিছুটা মিল পাবেন) আমি আজকে একটা নিউ চেকলিস্ট করছি সেটা তাদের জন্যে যারা ফার্স্ট টাইম ডিপোসিট করেছিলেন তারপর একাউন্ট জিরো করেছেন.তারপর আপনি চাচ্ছেন আবার শুরু করবেন তাহলে আপনি আবার কিভাবে শুরু করবেন। আপনার আগের ভুলগুলাকে শুধরিয়ে একটা নতুন সাক্সেস পাওয়ার জন্য আপনি কি কি করতে পারেন।
 
আমি নিচে কিছু সম্ভাব্য একটা তালিকা দিলাম এগুলার মধ্যে যেগুলা আপনার সমস্য বা লসের কারন ছিল সেগুলাকে আপনি আপনার ডায়রি তে লিখে ফেলুন আমি আবার ও বলছি ডায়রিতে লিখুন এখনি শুধু পড়ার উদ্দেশ্য পড়বেন না বা এই চিন্তা করবেন না যে আপনি তো এইগুলা জানেন আগে থেকেই। লিখার কারন টা আপনি নিজে বের করবেন একদিন কেন লিখবেন ডায়রিতে।এরপর এটাকে আপনার সিগন্যাল বা স্ট্রেইজি অনুযায়ী ট্রেড সেটাপ পেলে ডায়রিটা আপনার সামনে রাখুন আর এইভেবে ডায়রিটা ফলো করুন যেন মনে হয় আপনি একজন ওয়ার্কার আর আপনার বস আপনাকে বলছে ডায়রিতে যা যা আছে সেভাবেই যেন ট্রেড সেটাপ দিতে
 
আমার পূর্বে যেসব প্রবলেম ছিল সেগুলা হল:-
 ⇷ ⇸ ⇹ ⇺ ⇻ ⇼ ⇷ ⇸ ⇹ ⇺ ⇻ ⇼ ⇷ ⇸ ⇹ ⇺ ⇻ ⇼ ⇷ ⇸ ⇹ 
 
১.Stop loss দেয়নি
২.Stop loss চেন্জ করেছিলাম
৩.বারবার স্ট্রে্ইজি চেন্জ করেছিলাম
৪.অভার কনফিডেন্স হও্রয়ার কারনে স্ট্রে্ইজির বাহিরেও ট্রেড দিয়েছিলাম
৫.লট সাইজ চেন্জ করতাম
৬.অল্প প্রফিটে কেটে দিতাম ট্রেড
৭.ট্রেড দেওয়ার পর আবার  এই অলরেডি  এন্ট্রি নেওয়া  ট্রেডটা নিয়ে এনালাইসিস করতাম 
৮.বারবার টার্মিটাল দেখতাম আর ট্রেডের সিটুএশন দেখতাম
৯.যে কারেন্সি মন চায় সেই কারেন্সিতেই ট্রেড করতাম
১০.টাইমফ্রেমের তোয়াক্কা করতাম না
১১.ট্রেড সেটাপ দেখতাম এক টাইমফ্রেমের আর চেয়ে থাকতাম আরেক টাইমফ্রেমে
১২. উপরের সবগুলা বিষয় আবার চেক করব উপরের গুলা সম্পন্ন করেছি কিনা
 
ট্রেডিং কারেকশন
 ⇷ ⇸ ⇹ ⇺ ⇻ ⇼ ⇷ ⇸ ⇹
Stop loss দেয়নি
─ ━─ ━─ ━─ ━
ডায়রি অনুযায়ী দেখুন আপনার স্ট্রেইজি আপনার কত Stop Loss দেওয়ার কথা ছিল
 
Stop loss চেন্জ করেছিলাম
─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━
আর ভুলেও করবেন না।যখন প্রফেশনাল হবেন তখন অন্যে বিষয় কারন তখন আপনি ভালো করেই জানেন কেন চেন্জ করবেন কিন্ত শুরুতে আপনি চেন্জ করার মাএ একটাই কারন থাকে সেটা হল আপনার লস খাওয়ার ভয়।
 
বারবার স্ট্রাটেজি চেন্জ করেছিলাম
─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━
এটা আর নয় যা করেছেন তা এতদিন লস করতে করতেই করে ফেলেছেন। আর আশা করি দুনিয়ার যত স্ট্রেইজি আছে এতদিনে গ্যাসের চুলায় বেজে ফেলেছেন । এখন দয়া করে যে কোন একটা পরিক্ষিত মেথড নিয়ে এগুন আর এটাতে কোন প্রবলেম থাকলে এটাকে চেন্জ করবেন না প্লিজ পারলে আপগ্রেড করুন কেন লস হল আর এই মেথড টাতে কি আরো সংযোজন করলে লস থেকে বাচতে পারতেন এইভাবে প্রতিটা ট্রেড লস করার পর চিন্তা করুন।সো মনে রাখতে হবে “মেথড চেন্জ নয় আপগ্রেড করবেন”
 
অভার কনফিডেন্স হও্রয়ার কারনে স্ট্রে্ইজির বাহিরেও ট্রেড দিয়েছিলাম
─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━
মাঝে মাঝে আপনি আপনার অজান্তেই নেইল ফুলার বা আরো বড় এক্সপার্ট হয়ে যান যা আপনি নিজেও জানেন না ।ট্রেডটা লস খাওয়ার পর বুঝতে পারেন আপনি এই ট্রেডটা হঠাৎ নেইল ফুলার হওয়ার কারনে আপনি আপনার স্ট্রেইজির বাহিরেই ট্রেড দেওয়া শুরু করে দিয়েছেন।আর ফলাফল সিলেটি ভাষায় যাকে বলে “আন্ডা”পেয়েছেন।
 
লট সাইজ চেন্জ করতাম
─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━
আপনি যখন একটা টাইমে বেশি প্রফিট করা শুরু করে দেন আর আপনার মাঝে অভার কনফিডেন্স চলে আসে তখন ছোটবেলার গুনের নামতা এর মত লট সাইজ গুন করা শুরু করে দেন তারপর হিসাব  কষে যে রেজাল্ট বের হয় সেই অনুযায়ী একটা ফুটবলের আকারের একটা লট সাইজ নিয়ে ট্রেড নিয়ে থাকেন অথচ সাময়িকভাবে বিষয়টা আপনাকে সেটিসফাই করলেও একসময় জিরো হবার মূল কারন হয়ে ধারাই (যা আমার কপালে জুটেছিল। XM ব্রোকারে আমার ফার্স্ট ডিপোসিট লস খাওয়ার একমাত্র কারন)।
 
অল্প প্রফিটে কেটে দিতাম ট্রেড
─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━
লস থেয়ে ফেলেছেন ৫০ ডলার আর একটা ট্রেড কি করে যেন ভাগ্যের গুনে আপনার পক্ষে যাওয়া শুরু হল আর কোন ক্রমে যদি ৫ ডলার ছুই ছুই অবস্থা হয় তাহলে আর কি ৫ ডলার ছোয়ার আগেই আপনার মাউস ট্রেড ক্লোজ করার যে অপশন টা থাকে সেটা ছুয়ে ফেলে কি করে যেন..লঅঅঅল..।
 
ট্রেড দেওয়ার পর আবার  এই অলরেডি  এন্ট্রি নেওয়া  ট্রেডটা নিয়ে এনালাইসিস করতাম 
─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━
ট্রেড দিয়েছেন কিন্তু আপনার মত এনালাইসিস কি আর তার ট্রেড এনালাইসিস থামাতে পারে.ট্রেড দেওয়ার পরও আবার  এই অলরেডি  এন্ট্রি নেওয়া  ট্রেডটা নিয়ে এনালাইসিস শুরু করে দেন আর ফলাফল অল্প প্রফিটে কেটে দেন ট্রেড
 
বারবার টার্মিটাল দেখতাম আর ট্রেডের সিটুএশন দেখতাম
─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━
একটা ট্রেড দেওয়ার পর কথনো উচিত না এই ট্রেডটাকে বার বার দেখা ফলাফল আপনার মনে ভিতি তৈরি হতে পারে এইজন্যে বারবার ট্রেডটা দেখার দরকার নেই ।অন্যে কোন কাজ করুন বা নিজেকে বিজি রাখুন বা অন্যে কোন কাজ না থাকলে মুভি দেথুন।বিবাহিত হলে বউয়ের সাথে আড্ডা মারুন।
 
যে কারেন্সি মন চায় সেই কারেন্সিতেই ট্রেড করতাম
─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━
কারেন্সি সেটাপ টা সবসময় আপনার মাসের শুরুতেই করে রাখুন আর না হয় সপ্তাপ শুরু হওয়ার আগেই এনালাইসিস করে ফেলুন কোন কোন পিয়ার গুলা সামনের সপ্তাহের জন্যা ভালো হতে পারে।আমি সাজেস্ট করব কম ভলাটাইল কারেন্সি গুলা সিলেক্ট করে সেগুলাকে নিয়ে এনালাইসিস করুন।
 
টাইমফ্রেমের তোয়াক্কা করতাম না
─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ─ ━─ 

আর টাইমফ্রেম এটা আবার কি আর এমন । না ভাই এটাও আপনার মাইন্ড চেন্জ এবং আপনার এনালা্ইসিস কে উল্টোদিকে নিয়ে যেতে পারে । তাই সবসময় একই টাইমফ্রেম ইউজ করা শিখুন আর সেটাতেই আপনার এনালাসিস করার ট্রাই করেন।

ট্রেড সেটাপ দেখতাম এক টাইমফ্রেমের আর চেয়ে থাকতাম আরেক টাইমফ্রেমে

─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ 

সবসময় যে টাইমফ্রেমে এনালাইসিস করেছেন পরে সেটাতেই চোখ বুলান এতে করে আপনার এনালা্ইসিস ভিশন ক্লিয়ার এবং দক্ষতা ভালো হয়।

 

আমাকে ফেসবুকে | আমাকে লিন্কদিনে | আমাকে টুইটারে | আমাকে গুগল প্লাসে | আমার পাসোনাল ব্লগে

  • Love 4
  • Thanks 1

Share this post


Link to post
Share on other sites
Guest
You are commenting as a guest. If you have an account, please sign in.
Reply to this topic...

×   Pasted as rich text.   Paste as plain text instead

  Only 75 emoticons maximum are allowed.

×   Your link has been automatically embedded.   Display as a link instead

×   Your previous content has been restored.   Clear editor

×   You cannot paste images directly. Upload or insert images from URL.

Loading...
Sign in to follow this  

  • Similar Content

    • By bmfxanalyst
       
      একথা নতুন করে বলার কিছু নাই যে, ফরেক্স মার্কেট বিশ্বের সবচেয়ে বড় লিকুইডিটি মার্কেট। যেখানে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার লেনদেন হয় প্রতিদিন। এই মার্কেটে আমার আপনার মত যারা ট্রেড করি তারা শুরুতেই একটা কথা শুনে আসি যে, এই মার্কেটে ৯৫% লুজার!! কিন্ত কেন এতো বড় অংশ লুজার তা কি কেউ জানি??
       
      => আজ এই লেখায় আপনি অনেক নতুন বিষয় জানতে চলেছেন, তা হয়তো আপনি আগে ভাবেননি কখনো। অথবা ভেবেছেন, কিন্ত সিরিয়াস হিসেবে নেন নি কখনো অথবা জেনেও থাকতে পারেন, কিন্ত ততোটা গুরুত্ব দেননি। আজ থেকে সেসব গুরুত্ব দিতে শিখবেন আশা করছি।
      হাতে সময় আছে তো? একটু সময় নিয়ে লেখাটা পড়ুন। বোঝার চেষ্ঠা করুন। দরকার হলে আরেকবার পড়ুন। নয়তো বুকমার্কে সেইভ করে রাখুন, আপনার ফেসবুক ওয়ালেও শেয়ার করে রাখুন যাতে সবাই জানতে পারে ফরেক্স মার্কেটের এই নিগুঢ় রহস্যের ব্যাপারে।
       
                                                                                                
       
      সবার প্রথমে আপনাকে জানতে হবে এই ফরেক্স মার্কেটে ব্যবসা করে দুই শ্রেনীর ব্যবসায়ী। এক রাঘব বোয়ালেরা, আর দুই চুনোপুঁটিরা।
      এখানে রাঘব বোয়াল কারা?
      এখানে রাঘব বোয়াল হিসেবে কাজ করে বিশ্বের বড় বড় ব্যাংক, বড় বড় ফিন্যান্সিয়াল করপোরেশানগুলো। তবে তারা কিন্ত বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেটের মত এই মার্কেটকে ম্যানিপুলেট করার কোন ক্ষমতাই রাখে না। মার্কেট মার্কেটের মতোই চলে।
      এবার আসি চুনোপুঁটিদের কথায়। এই চুনোপুঁটিই হচ্ছে আমার আপনার মত ট্রেডারেরা। বলা হয় এই মার্কেটে ৯৫% লুজার। এই লুজার কারা? ঐ সব রাঘব বোয়ালেরা?
      কখনোই না! তারা কিন্ত এই ৯৫% লুজারের মাঝে পড়েনা। কেন?
      কারন তারা এখানেই তাদের অর্থ যথাযথ ব্যবহার করে। বিভিন্ন ব্রোকারেরা তাদের কাছ থেকে কমিশনের ভিত্তিতে স্বত্ব কিনে নিয়ে আমাদের মত ট্রেডারদের ট্রেড করার সুযোগ করে দেয়।
      আর লুজারদের তালিকায় আমাদের মত ট্রেডারেরা থাকে। এই যে আপনি ৯৫% লুজারের কথা শুনছেন, তারা কিন্ত আমার আপনার মতোই ট্রেডারেরা। নয়তো সেই সব রাঘব বোয়ালেরা লস করলে ফরেক্স মার্কেটে লিকুইডিটি সংকট দেখা দিত। এই ট্রিলিয়ন ডলারের লেনদেনও কমে আসত যদি এখানে সেই রাঘব বোয়ালদেরও ৯৫% লুজার হতো। কিন্ত বাস্তবে সেই মার্কেট আরও বড় হচ্ছে। এতেই বোঝা যাচ্ছে বাস্তবতা।
      এই বিশাল মার্কেটে বড় বড় বিজনেসম্যানদের সঙে আপনিও যখন নিজেকে শামিল করছেন, তখন আপনার চিন্তাধারাও তাদের চিন্তাধারার সাথে মেলাতে হবে। যদি তা না করতে পারেন, তবেই আপনি লুজার হবেন নিশ্চিত। আর লুজারদের পার্সেন্টেজ দেখে বোঝাই যায় যে শতকরা ৯৫ জন ট্রেডারেরাই নিজেদের সেই সব বিজনেসম্যানদের চিন্তাধারার সাথে নিজেদের মেলাতে পারেনি। ফলাফল এমন বিশাল লুজারের সংখ্যাবৃদ্ধি।
      এবার আসি বড় বড় ব্যাবসায়ীদের সাথে আমাদের মত ট্রেডারদের স্ট্র্যাটেজিক্যাল পার্থক্যের বিষয়েঃ
      আপনি সাড়ে পাঁচ’ফুট বা ছ’ফুট উচ্চতার মানুষ। আপনি হাটার সময় এক ধাপেই প্রায় দুই ফুট পার হয়ে যেতে পারেন। এই দু ফুট রাস্তায় হালকা কাদা পানি, খানা খন্দ যাই থাকুক না কেন। আপনার কিন্ত সেসব না দেখলেও চলে। কিন্ত এই পথ যদি একটা পিপড়া অতিক্রম করতে চায়? তাহলে কি হবে?
      তাকে প্রতি ইঞ্চি ইঞ্চি হিসেব করে এগতে হবে, নয়তো কাদায় আটকে যেতে পারে, খানাখন্দের ভিতর পানি থাকলে সেখানেও প্রান সংশয় দেখা যেতে পারে। তাই তাকে হিসেব করে করে এগোতে হয়। চারদিকে দেখেশুনে নিয়ে এগোতে হয়। ঠিকঠাক ভাবে এগোতে পারলে সেই পথ পারি দিয়ে পারে। অথবা কোন ভুল করলে প্রানটাও হারাতে পারে।
      এই উদাহরনের সাথে ফরেক্স এর কি সম্পর্ক??
      জ্বি, সম্পর্ক আছে। এটাই আসল সম্পর্ক। যারা যারা রাঘব বোয়াল, তারা মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের ব্যালান্স নিয়ে একবারে মাসের পর মাস ট্রেড ওপেন করে বসে থাকে, টাইমফ্রেমের দিক দিয়ে তারা এক লাফে দুই-আড়াই ফুট যাবার মত এগিয়ে থাকে, এই সময়ের মাঝে আমাদের মত ছোট ছোট ট্রেডারদের কেউ এক মিনিট, কেউ ৫ মিনিট, কেউ ৩০ মিনিট, কেউ ১ ঘন্টা, কেউ ৪ ঘন্টা আবার কেউ এক দিনের টাইমফ্রেম নিয়ে সেই পিপড়ার মত হিসেব করে করে সামনে এগোতে চায়। ফলাফল আমাদের মত ট্রেডারদের রিস্ক কয়েক হাজার গুন বৃদ্ধি পায়।
      এই ঝুঁকিপুর্ণ পথ পার হতে হতেই বেশিরভাগ ট্রেডার ঝড়ে পড়ে অনায়াসে। কারন তারা হয় ঝুঁকি সম্পর্কে তেমন সচেতন থাকেন না। নয়তো তারা ঝুঁকিটাকে ঠিকমত ম্যানেজ করতে শেখেন না। ফলাফল একের পর এক একাউন্ট ডাম্প হয়ে যাওয়া।আর লুজারদের পার্সেন্টেজ বাড়তে থাকা।
      এতোক্ষন তো আলোচনা করা হল কেন এতো লুজার হয়। এবার আসেন আমরা একটু জেনে নেই কিভাবে এই ঝুকিপুর্ন পথ নিরাপদে পর হতে পারবেন।
      আমি পয়েন্ট আকারে বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করি। তাতে হয়তো বুঝতে সুবিধা হবে।
      ১) সেহেতু ফরেক্স এর পথ সমতল নয়, উঁচুনিচু আর খানা-খন্দে ভরা, সেহেতু আপনাকে সর্বপ্রথম এই পথ পাড়ি দেবার মত একটা স্ট্র্যাটেজী ঠিক করতে হবে।
      ২) স্ট্র্যাটেজীটা যেমনই হোক না কেন, আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে নুন্যতম প্রফিট রেশিও যেন রিস্ক রেশিওর থেকে তিনগুন হয়। অর্থ্যাত আপনার স্টপ লস ১০ পিপ্স হলে যেন টেক প্রফিট ৩০ পিপ্স হয় কমপক্ষে।
      ৩) এমন স্ট্র্যাটেজীর সুফল আপনি এভাবে পাবেন যে, আপনার একটা ট্রেড প্রফিটে গেলে সেই প্রফিট আপনার পরবর্তী তিনটা ট্রেড লসে গেলেও আপনার মুল ব্যালান্স অক্ষুন্ন থাকবে।
      ৪) যে স্ট্র্যাটেজীই ব্যবহার করেন না কেন, সবসময় ট্রেন্ডের পক্ষে ট্রেড নেবেন। সাগরে ঢেউ বেশি হলে মাঝি নৌকার পাল কিন্ত যেদিকে বাতাস বইতে থাকে ঠিক সেদিকে তুলে ধরে, কারন বাতাসের উল্টোদিকে যেতে চাইলে প্রানটা হারাতে হতে পারে।
      ফরেক্স মার্কেটে ট্রেন্ডটাও ঠিক তেমনি। আপনি ট্রেন্ডের পক্ষে থাকলে নিজেকে বেশ নিরাপদে রাখতে পারবেন। কিন্ত ট্রিলিয়ন ডলারের সমুদ্রে নিজের কয়েকশত বা কয়েকহাজার ডলারের মুলধন নিয়ে ট্রেন্ডের বিপক্ষে যাবার সাহস করলে ফলাফল কি হতে পারে তা নিশ্চয় আপনি নিজেই আঁচ করতে পারছেন।
      ৫) কখনোই বিশ্বাস করবেন না যদি কেউ বলে যে, সে এই মার্কেটে কেউ ৮০% বা ৯০% টানা প্রফিট করে চলছে। তার মানে আপনিও তেমনটি করতে পারবেন। সুতরাং আপনি তার কথা শুনেই ছুটে চললেন তার কাছে, তার তালীম নেবার আশায়, কিন্ত ফলাফল দেখলেন নেগেটিভ। অর্থ্যাত আপনি আবারও লস করেছেন।
      বিখ্যাত এক ট্রেডারের এক বানী জেনে রাখুনঃ
      “In this business if you’re good, you’re right six times out of ten. You’re never going to be right nine times out of ten.” -Peter Lynch
      ৬) মনে রাখবেন ১০ টা ট্রেডের ৮-৯ টা ট্রেডে আপনি ১০ পিপ্স করে প্রফিট নিলেন এভারেজে, কিন্ত বাকি ১-২ টা ট্রেডেই আপনি লস করেছেন ৫০-১০০ পিপ্স করে টোটাল ১০০-২০০ পিপ্স। এখানে আপনার ট্রেডগুলোর প্রফিট রেশিও ৮০%-৯০% হলেও আল্টিমেটলি কিন্ত আপনি বেশ ভালোই লসের স্বীকার হয়ে চলেছেন। এখন কি বুঝতে পারছেন সমস্যাটা কোথায় ??
      ৭) আমি ১:৩ রেশিওতে ট্রেড করতে বলেছি, তার কারন আপনি যদি ৫০% উইনও করেন , তবুও আপনি ভাল রকমের প্রফিটে থাকবেন।
      ১০টা ট্রেডের ৫টা ১০ পিপ্স করে লস করলেন, তার মানে ৫০ পিপ্স লস হলো, আর বাকি ৫টা তিনগুন করে প্রফিট করলেন।তার মানে ১৫০ পিপ্স প্রফিট হলো। লাভ লস মিলে কিন্ত আরও ১০০ পিপ্স প্রফিট করলেন আপনি। এখানেই প্রকৃতপক্ষে লাভ লসের হিসেব লুকিয়ে থাকে।
      ৮) নিজের ব্যালান্স নিয়ে সবসময় যত্নবান হবেন। কখনোও নেগেটিভ হলে হাল ছেড়ে দেবেন না। ঠান্ডা মাথায় ভেবে এর কারন বের করুন। ইমোশনালি কোন ট্রেড চালু করবেন না। ফরেক্স মার্কেট কারও ইমোশনকে পাত্তা দেয় না।
      জেনে রাখুন এই সফল ট্রেডার কি বলেছেনঃ
       “Don’t focus on making money; focus on protecting what you have.” – Paul Tudor Jones
      ৯) এরপর কারেন্সী পেয়ার বাছাই করতে সচেতন হোন। মনে রাখবেন আলাদা দেশ, আলাদা কারেন্সি মুভমেন্ট। সুতরাং একই ব্যবসা পদ্ধতি দিয়ে আলাদা দেশের কারেন্সি মুভমেন্টকে নিজের কন্ট্রোলে নিয়ে আসা অনেক কষ্টের। কারন মাছের ব্যবসা পদ্ধতি দিয়ে আপনি আলুর ব্যবসা করতে গেলে লস খাবেনই। সুতরাং পারতপক্ষে একটি কারেন্সী পেয়ার বাছাই করুন যা আপনার স্ট্র্যাটেজীর সাথে মানানসই হয়।
      নয়তো কোন একটা কারেন্সী বাছাই করুন, এরপর সেই কারেন্সীর যতগুলো পেয়ার আছে, সেগুলোতে ট্রেড করুন।
      ১০) যতগুলো পেয়ারই বাছাই করেন না কেন। এখানে মানি ম্যানেজমেন্ট আপনাকে ফলো করতেই হবে। এই বিষয়টা অনেকেই জানে না। আজ পরিস্কার হয়ে জেনে নিন।
      মানি ম্যানেজমেন্ট হচ্ছে, আপনার মুলধনকে নিরাপদ রাখা।
      ধরুন আপনার ব্যালান্স ১০০ ডলার। আপনি ৫% রিস্ক নিবেন। তাহলে কি করবেন?
      এখানে, আপনি যতগুলো ট্রেডই নেন না কেন, আপনার সকল স্টপ লসের হিসেব মিলিয়ে যেন ৫ ডলারের বেশি না লস হয়। কারন একবার সবগুলো লস হয়ে গেলেও আপনি আরও ১৯ বার একই ভাবে ট্রেড করার সুযোগ পাবেন। আগের লস রিকভারি করে আবারও প্রফিটে নিয়ে আসার সুযোগ পাবেন।
      এ বিষয়ে আরেকজন সফল ট্রেডারের বানী শুনুনঃ
      “Frankly, I don’t see markets; I see risks, rewards, and money.” – Larry Hite
      ১১) বাংলা একটা প্রবাদ আছে, “ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না”
      এটা এখানে প্রযোজ্য হবে। সুতরাং ট্রেড ওপেন করার আগে ট্রেন্ড, আপনার স্ট্র্যাটেজী, সব দিক বিবেচনা করে পারফেক্ত হলে তবেই ট্রেড ওপেন করুন। টেক প্রফিট লেভেল, স্টপ লস লেভেল সেট করুন। এরপর বার বার চার্ট দেখতে যাবেন না। তাতে অস্থিরতা বাড়ে শুধু। আর অস্থির মনই আপনাকে ভুল ডিরেকশান দিয়ে ভুল কিছু সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে।
      সুতরাং ট্রেড ওপেন করুন এবং তার কথা ভুলে যান। পরের এন্ট্রি খোঁজ করুন।
      সমসময় মনে রাখবেন এই সফল ট্রেডারের কথাঃ
      The goal of a successful trader is to make the best trades. Money is secondary.” – Alexander Elder
      সবশেষে বলতে পারি যে, ট্রেড বাই ট্রেড হিসেব না করে মাসে কয়টা ট্রেড নিলেন, তার টোটাল হিসেব করুন। কত পিপ্স প্রফিট পেলেন, কত পিপ্স লস করলেন তার হিসেব বের করুন।
      একই ভাবে ব্যাকটেস্ট করুন। মাসে কেমন প্রফিট এর সুযোগ ছিল সেসব মাসে তা বের করুন। একটা পরিস্কার ধারনা পাবেন। এভাবে টানা ২-৩ মাস করে যান, এতে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন একসময়। আর একবার অভ্যস্ত হয়ে গেলে আপনি নিজেকে সেই ৫% প্রফিটেবল ট্রেডারদের মাঝে দেখতে পাবেন আমি নিশ্চিত।
      পরিশেষে, সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন যেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাকে সুস্থ রাখেন। আর ফরেক্স মার্কেটের কল্যানে আরও বেশি বেশি মানুষের মেহনত করতে পারি।
      অনেকেই ভালভাবে ফরেক্স জানতে ও শিখতে আগ্রহ দেখিয়েছেন, অনেকে আবার ট্রেডিং সিগনাল ফলো করার আগ্রহের কথাও জানিয়েছেন, তারা আমাকে মেসেজ দিতে পারেন অথবা আমার ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে ইনবক্সে একটা মেসেজ দিয়ে রাখবেন। আপনাদের সকল প্রশ্নের উত্তর দেবার চেষ্ঠা করা হবে ইনশাল্লাহ। অত্যন্ত স্বল্প ফী’র মাধ্যমে যে কেউ এখানে সিগনাল পেতে পারেন নিজেদের ফরেক্স শেখার পাশাপাশি বাড়তি কিছু প্রফিট পাবার আশায়।
      আমার ফেসবুক পেইজ লিংকঃ https://www.facebook.com/bmfxanalystbd/
      আমার স্কাইপ আইডীঃ live:bmfxanalyst
      পরিশেষেঃ ব্যবসা নিজে ভালভাবে শিখে নিয়ে নিজের বুদ্ধি ব্যবহার করে করাই সবচেয়ে ভাল। এতে ব্যবসায় আন্তরিকতা বজায় থাকে। আর আন্তরিকতার উপর নির্ভর করে সৃষ্টিকর্তা ব্যবসায় বরকত দিয়ে থাকেন। কারন আল্লাহ তায়ালা ব্যবসাকে হালাল করেছেন। আর মহানবী (স) বলেছেন, “তোমরা ব্যবসা করো, ব্যবসায়ে ১০ ভাগের ৯ ভাগ রিজিকের ব্যবস্থা আছে।”
      সৃষ্টিকর্তা আমাদের কবুল করুন। আমীন।

    • By bmfxanalyst
      আজ আমরা AUDNZD কারেন্সী পেয়ার নিয়ে কথা বলব। ডেইলী চার্টে দেখতে পাচ্ছি যে, পরিস্কার আপট্রেন্ডের পথে রয়েছে মার্কেট।  একই সাথে চার ঘন্টার চার্টে দেখতে পাছি, ডাউন ট্রেন্ড ক্রস করে উপরে যাবার ট্রাই করছে। সুতরাং উপরে যাবার সম্ভাবনা অনেক বেশি। এবার আপনার নিজের এনালাইসিস কি বলছে? একই বলছে তো? একই বলে থাকলে দেরী কেন? সেট আপ নিয়ে নিন। 
      আপনার শুভকামনা। চার্ট টি দেখুনঃ 

    • Guest barman
      By Guest barman
      সবচেয়ে ভালো  ফরেক্স রোবট কোন টি দাম কতো?
    • By bmfxanalyst
      আজ আমরা GBPUSD পেয়ার নিয়ে একটু পর্যালোচনা করি।
      মাঝারি মানের টাইম ফ্রেম নিয়ে এই পেয়ারটির দিকে একটু দেখলেই আমরা ভাল একটা সম্ভাবনা দেখতে দেখতে পাই। নিচের চার্টের দিকে একটু লক্ষ্য রাখুনঃ

      আমরা দেখতে পাচ্ছি মার্কেট এই বছরের জানুয়ারী মাসের টপ থেকে শুরু হওয়া একটা ডাউনট্রেন্ডকে  টাচ করেছে একতি পিনবারের মাধ্যমে। 
      আবার দেখতে পাই, এ বছরেরই মার্চ মাসের বটম লাইন থেকে শুরু হওয়া একটা আপ ট্রেন্ডকে ব্রেক করে অনেকটা রিটেস্ট করেছে সেই পিনবারের মাধ্যমেই!
      খুব সহজেই আমরা তাহলে কি দেখতে পাচ্ছি? 
      বড় কোন সমস্যা না হলে মার্কেট এরপর ইনসাইড বা পিনবারকে আরও স্ট্রং করে দেয়, এমন কোন কনফার্মেশন দেখাতে পারলে অনেকটা নিশ্চয়তা পাওয়া যায় যে, মার্কেট নিচের দিকে নেমে যেতে পারে। এবং নিচে নেমে এ বছরের ফেব্রুয়ারী মাসের বটম লেভেল থেকে শুরু হওয়া আপট্রেন্ডের লাইনকে স্পর্শ করতে পারে। 
      সুতরাং, কনফার্মেশন পেয়ে গেছেন কি ইতোমধ্যে? তাহলে দেরী কেন? সেট আপটা নিয়ে নিন। 
      আর যদি এখনও কনফার্মেশন না পেয়ে থাকেন, তাহলে অপেক্ষা করুন, এরপর কনফার্মেশন সিগনাল পেলেই সেট আপ নিতে ভুলবেন না।
      সকলের সাফল্য কামনা করছি। ধন্যবাদ 
       
    • By bmfxanalyst
      Pair: GBPJP, অনেকেই যাকে ড্রাগন পেয়ারও বলে থাকে। 
      আজকের রিভিউ তে এই ড্রাগন পেয়ারের সেট আপ নিয়ে কথা বলব। মার্কেট বর্তমানে সুন্দর একটা পজিশনে এসে দাড়িয়েছে। ২০১৬ সালের মার্চ মাসের সাপোর্ট লেভেলে এসে দাড়িয়েছে এই ড্রাগন পেয়ারের বর্তমান এক্সেঞ্জ মুল্য। এবং এই লেভেলে এখন রেসিস্ট্যান্স মুডে থাকার সম্ভাবনাই বেশি। চার্টটা দেখে আসি চলুনঃ 

       
      এবার আরেকটি চার্ট দেখব। এই চার্টও ডেইলি ক্যান্ডেল এর। তবে এখানে কিছুটা বড় করে দেখানো হয়েছে। এখানে দেখা যাচ্ছে যে ছোট খাট একটা ট্রেন্ডও ব্রেক করে রিটেস্ট করার মুডে আছে এই মুহুর্তে মার্কেট। এবং বর্তমানের সেই রিটেস্ট মুডে ও রেসিস্ট্যান্স লেভেলে একটা পিনবারও তৈরী করেছে। এই চার্টটাও দেখে আসি চলুনঃ

       সুতরাং আমরা ধারনা করতেই পারি যে মার্কেট বেয়ারিশ হবার সম্ভাবনাই বেশি। আমার এনালাইসিস তো দিলাম, এবার আপনার এনালাইসিসে কি বলছে?? একই বলছে কি?? নাকি ভিন্ন কিছু বলছে?? 
      আমি চেষ্ঠা করছি রেগুলার আমার ট্রেড এনালাইসিস আপনাদের সাথে শেয়ার করতে। এই লেখাটি আপনি আপনার ফেসবুক গ্রুপ, ফেসবুক ওয়ালে বা আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে দিন যাতে সকলেই সামান্য হলেও উপকৃত হতে পারে। সকলের সাফল্য কামনায়।
      আমার ফেসবুক পেজে লাইক দিয়েও আমার সঙে থাকতে পারেন। ফেসবুক পেজ লিঙ্কঃ  bmfxanalyst

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×