Jump to content
Sign in to follow this  
Nirmal1992

ডলার কিনুন খুশি থাকুন

Recommended Posts

এবারের NFP যে যেন তেন NFP ছিল না সেটা মার্কেটের জানা ছিল ভালমতনই। ফেড তাদের রেট হাইক করবে কিনা সেটার অন্যতম প্রধান লিডিং ইনডিকেটর ছিল এবারে NFPআমি পারসনালি আশায় ছিলাম ভাল খবরের। কিন্তু এতটা ভাল আসবে চিন্তাই করি নি।  মার্কেট তার রিএকশনও দিয়েছে সেইভাবেই। :fire: :fire:  ফেড এর রেট হাইক করার সম্ভাবনা একলাফে বেড়ে গেল অনেকখানি। চোখের সামনে নিজের অ্যাকাউন্ট এর স্বাস্থ্য একটু একটু করে ভাল হতে দেখার মজাই আলাদা। :dancin:

 

ফান্ডামেন্টাল ট্রেডার, কিন্তু মার্কেটে এখন ডলার সেল করতে চান এমন লোক হয়ত হারিকেন দিয়ে খুজতে হবে। আমি নিজে একজন সলিড ফান্ডামেন্টাল ট্রেডার, শুধুমাত্র Stop Loss বা Take Profit দেবার সময় কোন মেজর সাইকোলজিক্যাল লেভেলের খোঁজ করি। মার্কেটের টেকনিক্যাল ভিউ অন্যকিছুর পরামর্শ দিতে পারে কিন্তু আমি মনে করি ডলারের মূল্য হ্রাসের খুব কম কারণই আছে যা মার্কেটে অদুর ভবিষ্যতে আধিপত্য বিস্তার করবে। ফেড যদি একবারে সরাসরি রেট হাইক করার বিষয়ে বিপরিত মতামত দেয়, বা প্রক্রিয়া বিলম্বের স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয় তখনি ডলার হয়ত একটা ধাক্কা খাবে, যেটার সম্ভাবনা কম কারণ ফেডের রেট হাইকের শর্তগুলো ইউএস ইকোনমি ভালভাবেই পূরণ করে চলেছে । যতদিন রেট হাইক করার বাজনা বাজতে থাকবে ডলারের মূল্য ততদিন একটু একটু করে বাড়ার কথা। :party:  একটি বাড়তি সাইকোলজিক্যাল পরামর্শ, যদি দেখেন মার্কেটের এমন পরিবেশে ডলার কিছুটা দুর্বল হচ্ছে তাহলে ধরে নিবেন “A bunch of winners are just taking their profit off the market, and going to enjoy a vacation.” আর যদি ফেড যেভাবে হকিস মুডে আছে সেভাবে সময়মতন রেট হাইক করেই ফেলে তাহলে আমি বলব ডলার আর ইউরো সমান হওয়া শুধু সময়ের ব্যাপার। কারণ আমরা প্রায় সবাই জানি ইউরো এখন কারেন্সি ওয়ারের দুর্বলতম যোদ্ধা। অচিরেই আসছে ECB-র তথা সুপার মারিওর বৃহৎ QE প্রোগ্রাম। বলা যায় ইউরোর দুঃসময় চলবে আরও কয়েক মাস। :pirate: 

 

 

ইউরোর বিপরীতে ডলার কেনার পরামর্শই দেব আমি, তথাপি অসি(AUD) বা লুনির(CAD) বিপরীতেও ডলার কিনতে পারেন। সোজা কথায় EUR/USD AUD/USD sell অথবা USD/CAD buy করতে পারেন। যেকোনো সময় পজিশন ওপেন না করে ছোটখাটো পুল ব্যাক দেখে পজিশন নিতে পারেন।

 

 

উল্টোদিকে যাদের ইউরো বা গোল্ড এর এত লোভনীয় মূল্য দেখে কেনার তর সইছে না তাদের বলছি, সবুরে মেওয়া ফলে। সবুর করুন আশা করি সামনে আরও অনেক বেশি সুস্বাদু মূল্য পাবেন, মার্কেটে সর্বোচ্চ “মাইনর পারশিয়াল” পজিশন নিতে পারেন। তবে অপেক্ষা করাটাই সবদিক দিয়ে কল্যাণকর।

 

ফরেক্স মার্কেট নিয়ে এত সরাসরি কথা বলা কিন্তু বোকামির সামিল। কারণ দিন শেষে মার্কেটে সবাই ছাত্র, শিক্ষক কেউ না। একমাত্র শিক্ষক স্বয়ং মার্কেট নিজে। মনে রাখবেন, লস খেলে ভুলটা আপনারই, মার্কেট কিন্তু সবসময় সঠিক!! কাজেই সব কথার শেষ কথা আপনাদের যতই পরামর্শ দেই না কেন, ট্রেড করবেন  নিজের রিস্কে। টাকা আপনার, রিস্ক আপনার। লস খেলে আমি ক্ষতিপূরণ দিব না। :notme: উপরের লেখা গুলো শুধুমাত্র মার্কেট সম্পর্কে আমার একান্ত নিজস্ব মনোভাব আর মতামত। :devil: :devil:

  • Love 9

Share this post


Link to post
Share on other sites

ভাই আমি একটা নিউজে পড়েছিলাম এ বছরের প্রথম ভাগ জুড়েই থাকতে পারে ইউরো এর পতন।

Share this post


Link to post
Share on other sites

ভাই আমি একটা নিউজে পড়েছিলাম এ বছরের প্রথম ভাগ জুড়েই থাকতে পারে ইউরো এর পতন।

তেমন টাই হবার কথা। সলিড পতন না হইলেও প্রেসারে থাকবে এটুকু বলা যায়, কেননা মার্কেট অলরেডি ওভারসোল্ড। বিয়ার ট্রেডাররা বেশ ক্লান্ত। তবে মনে রাখবেন বিদেশি নিউজের সব কিন্তু সলিড না, ব্লাফ দেওয়া পাব্লিক বা টুকটাক মিথ্যা বলা পাবলিক কিন্তু কম নাই। রুমর ছড়ানো আর মিসলিডিং নিউজ থেকে সাবধান।

Share this post


Link to post
Share on other sites
Guest
You are commenting as a guest. If you have an account, please sign in.
Reply to this topic...

×   Pasted as rich text.   Paste as plain text instead

  Only 75 emoticons maximum are allowed.

×   Your link has been automatically embedded.   Display as a link instead

×   Your previous content has been restored.   Clear editor

×   You cannot paste images directly. Upload or insert images from URL.

Loading...
Sign in to follow this  

  • Similar Content

    • By ahmed oniruddha
      Weekly chart এনালাইসিস করে দেখা যায়, প্রাইস 1.17413 লেভেল থেকে ধারাবাহিকভাবে বাড়তে বাড়তে 1.2540 লেভেলে পৌঁছায়, যা কিনা গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। একাধারে সাতটি ক্যান্ডেল বুলিশ অবস্থায় থাকার পর হঠাৎ করেই একটি বড় আকারের বিয়ারিস ক্যান্ডেল উপস্থিত হয়, যা কিনা মার্কেটকে একেবারে নামিয়ে দিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দেয়। 

      চার ঘন্টার চার্ট এনালাইসিস করে দেখা যায়, মার্কেট গত ৭ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত 1.2200 থেকে 1.2298 এই লেভেলের একটি রেন্জের মধ্যে আছে। অর্থাৎ 1.2200 কে আমরা একটি শক্তিশালি সাপোর্ট হিসেবে ধরতে পারি। আর মুরব্বিরা ধারণা করছেন (মুরব্বিদের কথা বেশিরভাগ সময়ই ফলে যায়), মার্কেট আবার 1.2540 প্রাইস লেভেল টেস্ট করতে পারে। এই 1.2540 প্রাইস লেভেলটি একটি শক্তিশালি রেসিসটেন্ট হিসেবে গত কয়েক বছর ধরেই বিবেচ্য, কারন এটি বিগত বছরগুলোতে খুব কম সময়ই rejected হয়েছে। তার মানে মার্কেট ঘুরে দাড়াতে পারাতে আবার।
       

      আমার ব্যক্তিগত পছন্দের ইচিমুকো ইন্ডিকেটরের ডেইলি চার্টেও স্পষ্টভাবে আপট্রে্ন্ডের ইঙ্গিত দিচ্ছে। 
       
      এদিকে ফরেক্স জগতের অন্যতম মুরব্বি Fxstreet.com সাহেব তাদের অতি সাম্প্রতিক সময়ের টেকনিকেল এনালাইসিসে বলেছেন, “যদি বড় ধরনের কোন অপ্রত্যাশিত ঘটনা না ঘটে তাহলে EUR/USD পেয়ারে আরেকটি অপট্রেন্ড আসার সম্ভাবনা খুব প্রবল”।
      আবার আরেক ‍মুরব্বি XM.COM সাহেবও ইনিয়ে বিনিয়ে এই কথাটিই বুঝাতে চেয়েছেন।
      তবে, মুরব্বিদের কেউই আপনাদের কষ্টার্জিত টাকার লসের দায়িত্ব নিতে সরাসরি অস্বীকার করেছেন।
    • By forexnews
      EUR/USD পেয়ারটি এখন ১.২২ এর ঘরে ট্রেডিং হচ্ছে। বেশিরভাগ ট্রেডারেরই আশা ছিল পেয়ারটি ১.২৫ প্রাইস লেভেল অতিক্রম করায় ১.২৭ এর পথে অগ্রসর হবে। কিন্তু অনেক ট্রেডারদেরকে হতাশ করেই পেয়ারটি ১.২২ তে নেমে এসেছে।

      ১.২২৫০ প্রাইসকে কেন্দ্র করেই আজ EUR/USD ওঠানামা করছে। আজ ১.২২৮৬ তে উঠলেও তা আবার পরে ১.২২২৬ প্রাইসে নেমে আসে। বর্তমানে পেয়ারটি ১.২২৩৮ প্রাইসে অবস্থান করছে। গতকাল থেকেই ইউরো সাইডওয়ে ট্রেন্ডে রয়েছে। এ পর্যায় থেকে ইউরোডলারের পরবর্তী গন্তব্য কোথায় হতে পারে তাই ভাবছেন ট্রেডাররা।
      টেকনিক্যাল লেভেলঃ
      নিচের দিকে, ১.২২২৫ প্রাইসটি EUR/USD পেয়ারের জন্য নিকটবর্তী সাপোর্ট হিসেবে কাজ করবে (ফেব্রুয়ারী ৯ – সর্বনিম্ন) এবং ১.২২১০ (জানুয়ারি ২২ ও ফেব্রুয়ারী ৮ – সর্বনিম্ন) ও ১.২১৬০-৬৫ (জানুয়ারি ১৭ – সর্বনিম্ন)  প্রাইস লেভেলগুলোও পরবর্তী সাপোর্ট হিসেবে কাজ করবে। ওপরের দিকে, ১.২২৬০ (20H মুভিং এভারেজ), ১.২২৯৫ (বর্তমান রেঞ্জ লিমিট) এবং ১.২৩৩০ (জানুয়ারি ২৯ ও ৩০ – সর্বনিম্ন) প্রাইস লেভেলগুলো রেজিসট্যান্স হিসেবে কাজ করতে পারে।
      দ্রাঘিঃ ইউরোর এক্সচেঞ্জ রেটকে তীক্ষ্ণভাবে পর্যবেক্ষন করা হবে
      ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট মারিও দ্রাঘি ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টে তার বক্তব্যে বলেন, “ব্যাংক অনেক বেশী আত্নবিশ্বাসী যে অর্থনৈতীক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমেই মুদ্রাস্ফীতি বাড়বে। কিন্তু ইউরো নিয়ে সৃষ্ট সংশয় এই প্রবৃদ্ধির পথে সম্ভাব্য বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।“ স্ট্রাসবার্গে এক বক্তব্যে দ্রাঘি বলেন, “যদিও আমাদের আত্নবিশ্বাসের জায়গাটা হচ্ছে, আমাদের লক্ষ অনুযায়ী মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রিত হবে। তবে এমন পরিস্থিতিতে আমরা নিজেদেরকে সফল বলতে পারিনা।“ তিনি আরও বলেন, “সম্প্রতি এক্সচেঞ্জ রেটের ভোলাটিলিটির ফলে নতুন হেডউইন্ডস এর উদয় হয়েছে, যা কিনা মধ্য মেয়াদি মূল্যের স্থীতিশীলতার ইঙ্গিত দেয় যার কারণে এর তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষন দরকার।“
       
    • By forexnews
      আজ এনএফপিঃ
      আজ বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭:৩০ টায় প্রকাশিত হবে এনএফপি নিউজ। প্রতি মাসে ১ম শুক্রবারে সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিটে আমেরিকার এই গুরুত্বপূর্ণ নিউজটি প্রকাশিত হয়। গতবার ফলাফল ছিল ১৪৮০০০ (148K) যা প্রত্যাশিত ১৯০০০০ (190K) থেকে কম ছিল। এবার আশা করা হচ্ছে ১৮১০০০ (181K). নিউজের ফলাফল যদি ১৮১০০০ (181K) থেকে বেশী আসে, তবে তা ডলারের জন্য পজিটিভ হতে পারে। আর ১৮১০০০ (181K) এর কম হলে তা ডলারের জন্য নেগেটিভ হতে পারে। এনএফপি নিউজের ফলাফল এক্সপেক্টেড থেকে প্রতি ৭০০০০ (70K) পরিবর্তনের জন্য ৭০ পিপসের মত মুভমেন্ট হতে পারে।

      ডলারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নিউজ হওয়ায় এ নিউজটির প্রভাব মেজর কারেন্সিগুলোতে বেশি পড়ে। EURUSD, GBPUSD, USDJPY ইত্যাদি ডলারের পেয়ারগুলো বেশ প্রভাবিত হয়। প্রত্যাশিত ফলাফলের বেশি আসলে EURUSD, GBPUSD ইত্যাদি পেয়ারগুলোর প্রাইস কমতে পারে এবং USDJPY, USDCHF ইত্যাদি পেয়ারগুলোর প্রাইস বাড়তে পারে। প্রত্যাশিত ফলাফলের কম আসলে এর বিপরীত প্রভাব মার্কেটে দেখা যেতে পারে।
      Non-Farm Employment Change রিপোর্টের বিস্তারিত এবং ফলাফল পাওয়া যাবে সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিটেঃ https://www.forexfactory.com/#detail=86521
      পরবর্তী NFP নিউজ পাবলিশ হবে মার্চ মাসের ২য় শুক্রবার ৯ মার্চ, ২০১৮ তারিখে।
      Non-Farm Employment Change রিপোর্টের পাশাপাশি Average Hourly Earnings m/m এবং Unemployment Rate রিপোর্ট দুটিও মার্কেটে প্রভাব রাখে।
      এনএফপি রিপোর্ট আসলে কি?
      হুমায়ূন আহমেদের নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ এর সেই ব্ল্যাক ফ্রাইডে বাস্তবে বছরে মাত্র একবার আসলেও প্রতি মাসের প্রথম শুক্রবার কোনো না কোনো ফরেক্স ট্রেডারের জন্য ব্ল্যাক ফ্রাইডে। কত শত ট্রেডার যে তাদের ট্রেডিং অ্যাকাউন্টটি শূন্য করে এই দিনে, যে বা না জেনে, তার কোনো ইয়ত্তা নেই। কারন? মজার ব্যাপার হচ্ছে, অধিকাংশ ট্রেডারই অ্যাকাউন্টটা শুন্য করে এই কারনের উত্তর খুঁজে। কারন মূলত একটাই, ইউএস ননফার্ম পেয়-রোল।
      নামে ননফার্ম হলেও শুধু কৃষি নয়, সাথে সরকারি কর্মচারী, পরিবারের ব্যক্তিগত কর্মচারী আর অলাভজনক প্রতিস্থানগুলোর কর্মচারীদের বাদ দিয়ে মার্কিন শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রতি মাসের প্রথম শুক্রবার প্রকাশ করে পূর্ববর্তী মাসে যুক্তরাষ্ট্রে চাকরির সংখ্যা কি আগের থেকে বাড়ল না কমল। শুধু তাই না, বাড়লে কয়টা বাড়ল আর কমলেও কয়টা কমলেও সে সংখ্যাটাও। যেহেতু, কৃষি খাতকে বাদ দিয়েই এই হিসাবটা করা হয়, তাই এর নাম হয়েছে ননফার্ম পেরোল।
      কি আছে এই রিপোর্টে যে তা প্রবলভাবে ফরেক্স মার্কেটকে নাড়া দেয়ার ক্ষমতা রাখে? শুধু ফরেক্স বললে ভুল হবে, স্টক মার্কেট, বন্ড মার্কেটেও বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটে ইউএস ননফার্ম পেরোল বা এনএফপি এর কারনে। প্রথমত, দেশটির নাম আমেরিকা। ঋণ করতে অথবা যুদ্ধ বাঁধাতে ওস্তাদ হলেও এখনো বিশ্বের এক নম্বর অর্থনৈতিক শক্তি দেশটি। দ্রুত বর্ধনশীল বিশ্বের দ্বিতীয় অর্থনীতি চীনেরও যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যেতে লাগবে অনেক বছর যদি তারা বর্তমান প্রবিদ্ধি ধরে রাখতে পারে (ইতিমধ্যেই কমতে শুরু করেছে চীনের প্রবিদ্ধি). সবচেয়ে আশাবাদী ব্যক্তিও আগামী দশকের আগে চীন যুক্তরাষ্ট্রকে টপকাতে পারবে এমন আশা করেন না।
      আর সামরিক শক্তির দিক থেকে তো আমেরিকার ধারে কাছেও কেউ নেই। বলা হয়, আমেরিকা বাদে বিশ্বের শীর্ষ ২০ পরাশক্তির সম্মিলিত সমরশক্তিও এক আমেরিকার সমান নয়। মহাকাশ শাসনেও প্রায় একক আধিপত্য আমেরিকার। গায়ের জোরে ডলারকে বিশ্বের রিজার্ভ কারেন্সিও বানিয়েছে দেশটি।
      খরচের দিক থেকেও আমেরিকানদের তারিফ করতে হয়, এখানেও এরা এক নম্বর। আর তাই সারা বিশ্বের বড় বড় সকল কোম্পানির শাখা আছে আমেরিকায়। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার হচ্ছে আমেরিকায়, এমনকি আমেরিকার সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী চীনেরও সবচেয়ে বড় রপ্তানির বাজার আমেরিকায়।
      এখন সেই আমেরিকার অর্থনীতি ঠিকঠাক মত চলছে কিনা সেদিকে নজর রাখা দরকার না? আমাকে আপনাকে কষ্ট না করলেও হবে, এই কাজটি করার জন্য অসংখ্য প্রতিষ্ঠান আছে। বড় বড় কোম্পানিগুলো পাশাপাশি ফরেক্স, ষ্টক ট্রেডাররাও চোখ রাখে আমেরিকার সামগ্রিক অর্থনীতির উপরে। আমেরিকার অর্থনীতি ভালো থাকলে শেয়ার বাজারে সুবাতাস বয় (ডিএসি এর সাথে আবার তুলনা করতে যাবেন না), আর খারাপ হলে ঘটে এর উল্টোটা। প্রভাব পড়ে ফরেক্স মার্কেটেও।
      এনএফপি গুরুত্বপূর্ণ এই কারনে যে, আমেরিকার চাকরির বাজারের চালচিত্র মোটামুটি বোঝা যায় এই রিপোর্টের কারনে। চাকরীর সংখ্যা বাড়ল না কমল সেটার পাশাপাশি আরও বেশ কিছু বিষয়ের উল্লেখ থাকে এনএফপি রিপোর্টে, যেমনঃ
      মোট কর্মক্ষম জনশক্তির কত শতাংশ বেকার কোন কোন সেক্টরে চাকরি বেড়েছে বা কমেছে ঘণ্টাপ্রতি গড় বেতন পূর্ববর্তী মাসের এনএফপি রিপোর্টের সংশোধন যেভাবে তৈরি করা হয় এনএফপি রিপোর্টঃ
      খুব স্বচ্ছ এবং যতটা সম্ভব নিখুঁতভাবে তৈরি করা হয় এনএফপি রিপোর্ট। প্রথমে, সরকারী বেসরকারি উভয় প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের তথ্যই যোগাড় করে মার্কিন শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরো। যেহেতু, প্রায় ২৫ কোটি জনসংখ্যা আছে আমারিকায় এবং এই জনসংখ্যার একটি বড় অংশই কর্মক্ষম, তাই আলাদাভাবে প্রত্যেকের উপর জরিপ চালান সম্ভব না প্রতি মাসে। আর তাই, মার্কিন পরিসংখ্যান ব্যুরো বেছে নিয়েছে স্যাম্পল পদ্ধতি (দৈবচয়ন). প্রতি মাসে ১ লক্ষ ৪১ হাজার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উপর জরিপ চালায় সংস্থাটি আর সরকারি বিভিন্ন এজেন্সি মিলিয়ে প্রতিনিধিত্ব করে প্রায় আরও ৪ লক্ষ ৮৬ হাজার কর্মক্ষেত্র। চিঠি, ইমেইল, ইন্টারনেট অথবা অত্যাধুনিক ইডিআই প্রযুক্তিতে জরিপে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কর্মচারীদের তথ্য পাঠায় পরিসংখ্যান ব্যুরোর কাছে।
      এনএফপি রিপোর্টের প্রকাশের বেলায় প্রথম ঝামেলাটা বাঁধে এখানে। ছোটো বড় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের সাধ্য অনুযায়ী তথ্য পাঠাতে গিয়ে প্রতি মাসে অনেকেই দেরি করে বা সেই তথ্য পেতে দেরি হয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর। যেহেতু, এনএফপি রিপোর্ট প্রকাশের তারিখ নির্ধারিত, প্রতি মাসের প্রথম সোমবার, তাই হাতে তা তথ্য আসে তা দিয়েই রিপোর্ট প্রকাশ করে দেয় পরিসংখ্যান ব্যুরো। এই রিপোর্টটি পরে দুইবার সংশোধন করা হয়। প্রথমবার, পরিবর্তী মাসের এনএফপি রিপোর্ট প্রকাশের সময়, দ্বিতীয়বার আরও এক মাস পরে। এছাড়াও পরবর্তীতে ছোটখাটো কিছু পরিবর্তন আনা হলেও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চলতি এনএফপি রিপোর্ট ও আগের এনএফপি রিপোর্টের সংশোধন।
      খুবই ঝামেলার কাজ, তাই না? অথচ দেখুন, এই ঝামেলার কাজটিই কিনা প্রতি মাসে সুন্দরভাবে করে যাচ্ছে মার্কিন পরিসংখ্যান ব্যুরো।
      এনএফপি এর প্রভাবঃ
      যেহেতু, প্রতি মাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিউজগুলোর একটি হচ্ছে এনএফপি, তাই অনেক ট্রেডারই অপেক্ষা করে বসে থাকে এনএফপি ট্রেড করার জন্য। প্রায় প্রতিটি এনএফপি এর আগেই একই ঘটনা ঘটে। এনএফপির আগে আগে ট্রেডাররা ট্রেড করতে চান না বলে মার্কেটে মুভমেন্ট বা ভোলাটিলিটি কমে যায়, এনএফপি এর ঠিক আগেই শুরু হয় বড় বড় স্পাইক। সেকেন্ডে মার্কেট পরিবর্তিত হয় ৫-১০ পিপস করে।
      হঠাৎ করে পাগল হয়ে যাবে মার্কেট। হয় টানা পড়া/বাড়া শুরু করবে অথবা একলাফে ১৫-২০ পিপস করে কমবে/বাড়বে। হারিকেন শুরুর পূর্ব মুহূর্তে সাগর যেমন স্থির থাকে, হটাত করে শুরু হয় বড় বড় ঢেউ এর নাচন, ফরেক্স মার্কেটের অবস্থাও হয় তেমনি। আর এই ঢেউ এ ভেসে গিয়ে সলিল সমাধি ঘটে পিপস সংগ্রহের অভিযানে বের হওয়া মানি মানেজমেন্ট না জানা অসংখ্য ট্রেডারের ট্রেডিং অ্যাকাউন্টটির।
      সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ অত্যাধিক ঝুঁকি নিয়ে নিউজ ট্রেড করা অসংখ্য ট্রেডিং অ্যাকাউন্টের অকাল মৃত্যুর অন্যতম কারণ।
    • By shopnil
      একসময় জার্মানি, ফ্রান্সে, ইতালিরও নিজস্ব মুদ্রা ছিল। ফরেক্স ট্রেডারদের ট্রেড করার মত অনেক কারেন্সি পেয়ারও ছিল। তারপর ইউরো এল। দেশগুলোর নিজস্ব কারেন্সিগুলো বাতিল হল, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো চাইলেই ইচ্ছেমত কারেন্সি ছাপাবার ক্ষমতা হারাল। ইউরোপের বনেদি দেশগুলোর বনেদি কারেন্সি ইউরো খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জনপ্রিয় কারেন্সিতে পরিনত হল। EUR/USD হয়ে উঠল ফরেক্সের সবচেয়ে জনপ্রিয় কারেন্সি পেয়ার। আপনি সবসময় EUR/USD ট্রেড করেন। কিন্তু, ইউরো সম্পর্কে আপনি কতটুকু জানেন? জানেনকি, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত হওয়ার পরেও কেন ডেনমার্ক, পোল্যান্ড ইউরো ব্যবহার করে না? জানেনকি ইউরোর দরপতনের উত্থান পতনের পেছনে প্রধান কারনগুলো কি কি?

      ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ২৭ টি দেশের মধ্যে (ব্রেক্সিটের কারনে UK কে বাদ দিয়ে ধরে) ১৯ টি দেশের প্রধান কারেন্সি হচ্ছে ইউরো। এই ১৯ টি দেশের তালিকা একটু পরে দিচ্ছি, তবে কয়েকটি বাদে গুরুত্বপূর্ন সবগুলো দেশই ইউরো ব্যবহার করে। যেমন, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, নেদারল্যান্ড, স্পেন ইত্যাদি। এই সবগুলো দেশেরই আগে নিজস্ব কারেন্সি ছিল। তবে, ১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারী ইউরো প্রচলনের পরে ইউভুক্ত এই দেশগুলো ইউরো ব্যবহার করা শুরু করে। ইউভুক্ত যে দেশগুলো ইউরো ব্যবহার করে, তাদেরকে একত্রে ইউরোজোন বলে ডাকা হয়।
       
      যে ১৯ টি দেশ ইউরো ব্যবহার করে:
      অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, সাইপ্রাস, এস্টোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুইনিয়া, লুক্সেম্বার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ড, পর্তুগাল, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন


      যে ৮ টি দেশ ইউরো ব্যবহার করে নাঃ
      বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, চেক রিপাবলিক, ডেনমার্ক, হাঙ্গেরি, পোলান্ড, রোমেনিয়া ও সুইডেন
       
      এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, এই ৮ টি দেশ কেন ইউরো ব্যবহার করে না? UK কে ধরলে যা আগে ৯ ছিল। ১৯৯২ সালের Maastricht Treaty অনুযায়ী সকল ইউ সদস্যরাষ্ট্রগুলোর ইউরো ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু, সে সময়েই ডেনমার্ক ও ইউকে বিশেষ অব্যাহতি লাভ করে। আর বাকি ৭ টি দেশই এর পরে ইউতে যোগ দেয়। সাধারণত ইউতে যোগ দেয়ার পর প্রথম ২ বছর দেশগুলোর অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পর্যবেক্ষন করে ইউরো ব্যবহার চালু করার কথা। কিন্তু, ইউ এখন পর্যন্ত এই দেশগুলোকে ইউরো ব্যবহারে বাধ্য করার জন্য তেমন একটা চাপ দেয়নি।
       
      ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন বা ইউ গঠনের সময় বড় দেশগুলোর, বিশেষ করে জার্মানি ও ফ্রান্সের একটা গোপন উদ্দেশ্য ছিল। এই দুটো দেশ, বিশেষ করে জার্মানি বিশ্বের সবচেয়ে বড় রপ্তানিকারক দেশ ছিল। অর্থনীতি খুব শক্তিশালী হওয়ায় স্বভাবতই জার্মানির কারেন্সি ডয়েচে মার্ক ছিল অনেক শক্তিশালী, যেটা রপ্তানীকারক যেকোন দেশের জন্য সমস্যা। কেননা, তাতে পণ্যের মূল্য বেড়ে যায় কারেন্সির উচ্চ মূল্যের কারনে। আবার, একার পক্ষে জার্মানি বা ফ্রান্স কারো পক্ষেই সম্ভব না ডলার বা পাউন্ডের মত জনপ্রিয় করা নিজেদের কারেন্সিকে, যেটা বিশ্বে অর্থনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তার করার জন্য খুবই জরুরি। তাই, তাদের মাথায় এল যে, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সবগুলো দেশের জন্য যদি একটি কারেন্সি চালু করা যায়, তাহলে এক ঢিলে কয়েকটি পাখি মারা যাবে। প্রথমত, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে অনেক তুলনামুলক দুর্বল দেশও থাকবে। যেহেতু, সবগুলো দেশের একটাই কারেন্সি থাকবে, তারমানে হচ্ছে সবগুলো দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির উপর ইউরোর মূল্যমান নির্ভর করবে। সেক্ষেত্রে, জার্মানির অর্থনীতি খুব শক্তিশালী পর্যায়ে চলে গেলেও, ইউরো ততটা শক্তিশালী হবে না। ফলে, রপ্তানীতে জার্মানি একটা অদ্ভুত সুবিধা লাভ করবে, শক্তিশালী কারেন্সি কিন্তু দুর্বল অর্থনীতি। আবার, ইউরো জার্মানির কারেন্সি থেকে দুর্বল হলেও ইউভুক্ত দুর্বল বা মধ্যম সারির দেশগুলোর কারেন্সি থেকে শক্তিশালী হবে। একই কারেন্সিতে পুরো ইউরোপজুরে ব্যবসা হলে, স্বাভাবিকভাবেই দুর্বল বা মধ্যম সারির দেশগুলো জার্মান বা ফ্রান্সের কোম্পানিগুলোর সাথে প্রোডাক্টের গুনগতমানে পেরে উঠবে না, আবার চাইলেও নিজেদের কারেন্সিকে দুর্বল করে পন্যের মূল্য কমাতে পারবে না। ফলে, আস্তে আস্তে জার্মানি বা ফ্রান্স ইউ এর সামগ্রিক অর্থনীতি দখল করে নেবে।
       
      আরও সুবিধা আছে,, জার্মানি নিজে একা চাইলে অন্য কোন দেশ তার সাথে ডয়েচে মার্কে ট্রেড করবে না, কিন্তু, যদি ইউভুক্ত এতগুলো দেশ যদি বলে যে, আমার সাথে ব্যবসা বানিজ্য করতে হলে ইউরোতেই করতে হবে, ডলারে বা পাউন্ডে না, তখন তা করতে অন্য দেশগুলো বাধ্য। শুধু বুদ্ধি করে, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে হবে। তাহলেই, নিজেদের সুবিধামত ব্যবসা বানিজ্য করা যাবে।
       
      তাছাড়া, ইউ এর ছোট বড় সবগুলো দেশেরই একটা অভিন্ন সুবিধা ছিল যে, এর ফলে আর দেশগুলোর বার বার কারেন্সি এক্সচেঞ্জ করার ঝামেলা পোহাতে হবে না। ইউরোপের মধ্যে আগে থেকেই দেশগুলো নিজেদের মধ্যে অনেক বেশি ব্যবসা বানিজ্য করত। এক কারেন্সি ব্যবহার করলে ইউরোপের ভেতরে ব্যবসা বানিজ্য আরো দ্রুত, সহজতর ও নিরাপদ হবে। কেননা, ইউরোর দাম যতই বাড়ুক কমুক না কেন, ইউরোপের ভেতর তো তার প্রভাব তেমন পড়বে না। ইউরোপের ভেতরের কোন কোম্পানি তার পণ্যের উৎপাদনের জন্য কাচামাল ইউরোপের ভেতর থেকেই বেশি কিনবে। কেননা, বাইরে থেকে কিনলে কারেন্সি এক্সচেঞ্জের ব্যয় ও ঝামেলা যেমন আছে, তেমনি কারেন্সিগুলোর ক্রমাগত উত্থান পতনের জন্যে কাচামালের দামও ক্রমাগত উঠানামা করবে। যেটা ইউরোজোনের মধ্যে মোটামুটি সবসময় স্থিতিশীল থাকবে।
       
      বলা বাহুল্য, এই পরিকল্পনা পুরোপুরি কাজে দেয়। আর এজন্যেই জার্মানি, চীনের এই বিশাল উত্থানের পরেও আজও বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানীকারক দেশ এবং খুবই শক্তিশালী ও স্থিতিশীল অর্থনীতির অধিকারী।  ফ্রান্স তার পরিকল্পনামত সাফল্য না পেলেও, ইউরোর সুবিধামত ঠিকই ভোগ করছে ইউরোর দুর্বল মূল্যমানের কারনে। অপরদিকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ইতালি, গ্রীস। বিশেষ করে, গ্রীসের জনগণ ইউরোর উপর ত্যক্ত বিরক্ত ও নিজেদের অর্থনীতির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে চাইছে। অন্য সব কারেন্সির তুলনায় ইউরোর উত্থান পতনের পেছনে তাই শুধুমাত্র একটি দেশ নয়, ইউরোজোনের সবগুলো দেশেরই ভুমিকা আছে। আর তাই, ইউরো ট্রেড করতে হলে আপনাকে শুধু জার্মানি বা ফ্রান্স নয়, সবগুলো দেশের অর্থনীতির হালচালের উপরই কমবেশি খেয়াল রাখতে হবে। ইউরোজোনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইসিবির উপর নজর রাখতে হবে।
       
      তবে, অসুবিধা যেমন আছে, সুবিধাও আছে। অনেক ফরেক্স ট্রেডার ইউরো শুধু সেল করেন যখন ইউরো শক্তিশালী হয়, কখনো বাই করেন না। কেননা, ইউরো তখনই শক্তিশালী হয়, যখন ইউরোজোনের সামগ্রিক অর্থনীতি ভালো থাকে। আর দুর্বল হওয়ার জন্য শুধুমাত্র একটি সদস্যরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক বিপর্যস্ততাই যথেষ্ট। তাই, অভিজ্ঞ ফরেক্স ট্রেডার মাত্রই বুঝেন যে, ইউরো খুব শক্তিশালী হওয়া মানেই হচ্ছে ইউরো সেল করার আর প্রফিট করার সময় চলে এসেছে। আর এটাই ফরেক্স ট্রেডারদের মাঝে ইউরোর এত জনপ্রিয়তার প্রধান রহস্য, এর স্থিতিশীলতা। ইউরো গঠনের ইতিহাস থেকেই বুঝতে পারছেন যে, এর পেছনের প্রধান উদ্যোক্তা জার্মানি বা ফ্রান্স কখনোই চাবেনা ইউরো খুব শক্তিশালী হোক। আর এটাও চাবেনা যে খুব বেশি দুর্বলও হয়ে পড়ুক। তাই, পাউন্ড বা ইয়েনের মত অস্বাভাবিক উত্থান পতন ইউরোর কমই হয়।
       
      এতগুলো দেশের অর্থনীতির খবর রাখার ঝামেলা, নাকি ইউরোর এই অদ্ভুত স্থিতিশীলতা, কোনটি আপনার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ন? আপনার সুবিধা অনুসারে এখন আপনি নিজেই ঠিক করে নিতে পারবেন, আপনি ইউরো ট্রেড করবেন কি না! কোন কোন ঘটনা বা ইভেন্টের কারনে ইউরো বা এর সবচেয়ে জনপ্রিয় কারেন্সি পেয়ার EUR/USD সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়, তা নিয়ে আলোচনা করব আরেকদিন।
       
      আপনি নিয়মিত ইউরো ট্রেড করে থাকলে আরো পড়ুনঃ
      ECB – ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংক কি? ফরেক্স মার্কেটে ইসিবির প্রভাবই বা কি?

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×