Jump to content

Search the Community

Showing results for tags 'profit'.



More search options

  • Search By Tags

    Type tags separated by commas.
  • Search By Author

Content Type


Categories

  • ইন্ডিকেটর
  • এক্সপার্ট এডভাইসর
    • বিডিপিপস EA ল্যাব
  • স্ক্রিপ্ট
  • ট্রেডিং স্ট্রাটেজী
  • ট্রেডিং প্লাটফর্ম
  • ফরেক্স ই-বুক
    • বাংলা ই-বুক
  • চার্ট টেমপ্লেট

বিডিপিপস

  • ট্রেডিং এডুকেশন
    • সাধারণ ট্রেডিং আলোচনা
    • ফরেক্স স্টাডি
    • প্রশ্ন এবং উত্তর
  • ফরেক্স ট্রেডিং আলোচনা
    • ফরেক্স নিউজ
    • ট্রেডিং আইডিয়া
    • ট্রেডিং স্ট্রাটেজি
  • ট্রেডিং সফটওয়্যার
    • ফরেক্স ইন্ডিকেটর
    • এক্সপার্ট এডভাইসর
    • মেটাট্রেডার এবং MQL
  • ফরেক্স ব্রোকার
    • ফরেক্স ব্রোকার
  • বিডিপিপস ফোরাম সাপোর্ট
    • ফোরাম সাপোর্ট
  • অফ-টপিক
    • অপ্রাসঙ্গিক
    • ফরেক্স হিউমার
  • লাইভ ট্রেডিং রুম

Categories

There are no results to display.


Found 7 results

  1. একথা নতুন করে বলার কিছু নাই যে, ফরেক্স মার্কেট বিশ্বের সবচেয়ে বড় লিকুইডিটি মার্কেট। যেখানে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার লেনদেন হয় প্রতিদিন। এই মার্কেটে আমার আপনার মত যারা ট্রেড করি তারা শুরুতেই একটা কথা শুনে আসি যে, এই মার্কেটে ৯৫% লুজার!! কিন্ত কেন এতো বড় অংশ লুজার তা কি কেউ জানি?? => আজ এই লেখায় আপনি অনেক নতুন বিষয় জানতে চলেছেন, তা হয়তো আপনি আগে ভাবেননি কখনো। অথবা ভেবেছেন, কিন্ত সিরিয়াস হিসেবে নেন নি কখনো অথবা জেনেও থাকতে পারেন, কিন্ত ততোটা গুরুত্ব দেননি। আজ থেকে সেসব গুরুত্ব দিতে শিখবেন আশা করছি। হাতে সময় আছে তো? একটু সময় নিয়ে লেখাটা পড়ুন। বোঝার চেষ্ঠা করুন। দরকার হলে আরেকবার পড়ুন। নয়তো বুকমার্কে সেইভ করে রাখুন, আপনার ফেসবুক ওয়ালেও শেয়ার করে রাখুন যাতে সবাই জানতে পারে ফরেক্স মার্কেটের এই নিগুঢ় রহস্যের ব্যাপারে। সবার প্রথমে আপনাকে জানতে হবে এই ফরেক্স মার্কেটে ব্যবসা করে দুই শ্রেনীর ব্যবসায়ী। এক রাঘব বোয়ালেরা, আর দুই চুনোপুঁটিরা। এখানে রাঘব বোয়াল কারা? এখানে রাঘব বোয়াল হিসেবে কাজ করে বিশ্বের বড় বড় ব্যাংক, বড় বড় ফিন্যান্সিয়াল করপোরেশানগুলো। তবে তারা কিন্ত বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেটের মত এই মার্কেটকে ম্যানিপুলেট করার কোন ক্ষমতাই রাখে না। মার্কেট মার্কেটের মতোই চলে। এবার আসি চুনোপুঁটিদের কথায়। এই চুনোপুঁটিই হচ্ছে আমার আপনার মত ট্রেডারেরা। বলা হয় এই মার্কেটে ৯৫% লুজার। এই লুজার কারা? ঐ সব রাঘব বোয়ালেরা? কখনোই না! তারা কিন্ত এই ৯৫% লুজারের মাঝে পড়েনা। কেন? কারন তারা এখানেই তাদের অর্থ যথাযথ ব্যবহার করে। বিভিন্ন ব্রোকারেরা তাদের কাছ থেকে কমিশনের ভিত্তিতে স্বত্ব কিনে নিয়ে আমাদের মত ট্রেডারদের ট্রেড করার সুযোগ করে দেয়। আর লুজারদের তালিকায় আমাদের মত ট্রেডারেরা থাকে। এই যে আপনি ৯৫% লুজারের কথা শুনছেন, তারা কিন্ত আমার আপনার মতোই ট্রেডারেরা। নয়তো সেই সব রাঘব বোয়ালেরা লস করলে ফরেক্স মার্কেটে লিকুইডিটি সংকট দেখা দিত। এই ট্রিলিয়ন ডলারের লেনদেনও কমে আসত যদি এখানে সেই রাঘব বোয়ালদেরও ৯৫% লুজার হতো। কিন্ত বাস্তবে সেই মার্কেট আরও বড় হচ্ছে। এতেই বোঝা যাচ্ছে বাস্তবতা। এই বিশাল মার্কেটে বড় বড় বিজনেসম্যানদের সঙে আপনিও যখন নিজেকে শামিল করছেন, তখন আপনার চিন্তাধারাও তাদের চিন্তাধারার সাথে মেলাতে হবে। যদি তা না করতে পারেন, তবেই আপনি লুজার হবেন নিশ্চিত। আর লুজারদের পার্সেন্টেজ দেখে বোঝাই যায় যে শতকরা ৯৫ জন ট্রেডারেরাই নিজেদের সেই সব বিজনেসম্যানদের চিন্তাধারার সাথে নিজেদের মেলাতে পারেনি। ফলাফল এমন বিশাল লুজারের সংখ্যাবৃদ্ধি। এবার আসি বড় বড় ব্যাবসায়ীদের সাথে আমাদের মত ট্রেডারদের স্ট্র্যাটেজিক্যাল পার্থক্যের বিষয়েঃ আপনি সাড়ে পাঁচ’ফুট বা ছ’ফুট উচ্চতার মানুষ। আপনি হাটার সময় এক ধাপেই প্রায় দুই ফুট পার হয়ে যেতে পারেন। এই দু ফুট রাস্তায় হালকা কাদা পানি, খানা খন্দ যাই থাকুক না কেন। আপনার কিন্ত সেসব না দেখলেও চলে। কিন্ত এই পথ যদি একটা পিপড়া অতিক্রম করতে চায়? তাহলে কি হবে? তাকে প্রতি ইঞ্চি ইঞ্চি হিসেব করে এগতে হবে, নয়তো কাদায় আটকে যেতে পারে, খানাখন্দের ভিতর পানি থাকলে সেখানেও প্রান সংশয় দেখা যেতে পারে। তাই তাকে হিসেব করে করে এগোতে হয়। চারদিকে দেখেশুনে নিয়ে এগোতে হয়। ঠিকঠাক ভাবে এগোতে পারলে সেই পথ পারি দিয়ে পারে। অথবা কোন ভুল করলে প্রানটাও হারাতে পারে। এই উদাহরনের সাথে ফরেক্স এর কি সম্পর্ক?? জ্বি, সম্পর্ক আছে। এটাই আসল সম্পর্ক। যারা যারা রাঘব বোয়াল, তারা মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের ব্যালান্স নিয়ে একবারে মাসের পর মাস ট্রেড ওপেন করে বসে থাকে, টাইমফ্রেমের দিক দিয়ে তারা এক লাফে দুই-আড়াই ফুট যাবার মত এগিয়ে থাকে, এই সময়ের মাঝে আমাদের মত ছোট ছোট ট্রেডারদের কেউ এক মিনিট, কেউ ৫ মিনিট, কেউ ৩০ মিনিট, কেউ ১ ঘন্টা, কেউ ৪ ঘন্টা আবার কেউ এক দিনের টাইমফ্রেম নিয়ে সেই পিপড়ার মত হিসেব করে করে সামনে এগোতে চায়। ফলাফল আমাদের মত ট্রেডারদের রিস্ক কয়েক হাজার গুন বৃদ্ধি পায়। এই ঝুঁকিপুর্ণ পথ পার হতে হতেই বেশিরভাগ ট্রেডার ঝড়ে পড়ে অনায়াসে। কারন তারা হয় ঝুঁকি সম্পর্কে তেমন সচেতন থাকেন না। নয়তো তারা ঝুঁকিটাকে ঠিকমত ম্যানেজ করতে শেখেন না। ফলাফল একের পর এক একাউন্ট ডাম্প হয়ে যাওয়া।আর লুজারদের পার্সেন্টেজ বাড়তে থাকা। এতোক্ষন তো আলোচনা করা হল কেন এতো লুজার হয়। এবার আসেন আমরা একটু জেনে নেই কিভাবে এই ঝুকিপুর্ন পথ নিরাপদে পর হতে পারবেন। আমি পয়েন্ট আকারে বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করি। তাতে হয়তো বুঝতে সুবিধা হবে। ১) সেহেতু ফরেক্স এর পথ সমতল নয়, উঁচুনিচু আর খানা-খন্দে ভরা, সেহেতু আপনাকে সর্বপ্রথম এই পথ পাড়ি দেবার মত একটা স্ট্র্যাটেজী ঠিক করতে হবে। ২) স্ট্র্যাটেজীটা যেমনই হোক না কেন, আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে নুন্যতম প্রফিট রেশিও যেন রিস্ক রেশিওর থেকে তিনগুন হয়। অর্থ্যাত আপনার স্টপ লস ১০ পিপ্স হলে যেন টেক প্রফিট ৩০ পিপ্স হয় কমপক্ষে। ৩) এমন স্ট্র্যাটেজীর সুফল আপনি এভাবে পাবেন যে, আপনার একটা ট্রেড প্রফিটে গেলে সেই প্রফিট আপনার পরবর্তী তিনটা ট্রেড লসে গেলেও আপনার মুল ব্যালান্স অক্ষুন্ন থাকবে। ৪) যে স্ট্র্যাটেজীই ব্যবহার করেন না কেন, সবসময় ট্রেন্ডের পক্ষে ট্রেড নেবেন। সাগরে ঢেউ বেশি হলে মাঝি নৌকার পাল কিন্ত যেদিকে বাতাস বইতে থাকে ঠিক সেদিকে তুলে ধরে, কারন বাতাসের উল্টোদিকে যেতে চাইলে প্রানটা হারাতে হতে পারে। ফরেক্স মার্কেটে ট্রেন্ডটাও ঠিক তেমনি। আপনি ট্রেন্ডের পক্ষে থাকলে নিজেকে বেশ নিরাপদে রাখতে পারবেন। কিন্ত ট্রিলিয়ন ডলারের সমুদ্রে নিজের কয়েকশত বা কয়েকহাজার ডলারের মুলধন নিয়ে ট্রেন্ডের বিপক্ষে যাবার সাহস করলে ফলাফল কি হতে পারে তা নিশ্চয় আপনি নিজেই আঁচ করতে পারছেন। ৫) কখনোই বিশ্বাস করবেন না যদি কেউ বলে যে, সে এই মার্কেটে কেউ ৮০% বা ৯০% টানা প্রফিট করে চলছে। তার মানে আপনিও তেমনটি করতে পারবেন। সুতরাং আপনি তার কথা শুনেই ছুটে চললেন তার কাছে, তার তালীম নেবার আশায়, কিন্ত ফলাফল দেখলেন নেগেটিভ। অর্থ্যাত আপনি আবারও লস করেছেন। বিখ্যাত এক ট্রেডারের এক বানী জেনে রাখুনঃ “In this business if you’re good, you’re right six times out of ten. You’re never going to be right nine times out of ten.” -Peter Lynch ৬) মনে রাখবেন ১০ টা ট্রেডের ৮-৯ টা ট্রেডে আপনি ১০ পিপ্স করে প্রফিট নিলেন এভারেজে, কিন্ত বাকি ১-২ টা ট্রেডেই আপনি লস করেছেন ৫০-১০০ পিপ্স করে টোটাল ১০০-২০০ পিপ্স। এখানে আপনার ট্রেডগুলোর প্রফিট রেশিও ৮০%-৯০% হলেও আল্টিমেটলি কিন্ত আপনি বেশ ভালোই লসের স্বীকার হয়ে চলেছেন। এখন কি বুঝতে পারছেন সমস্যাটা কোথায় ?? ৭) আমি ১:৩ রেশিওতে ট্রেড করতে বলেছি, তার কারন আপনি যদি ৫০% উইনও করেন , তবুও আপনি ভাল রকমের প্রফিটে থাকবেন। ১০টা ট্রেডের ৫টা ১০ পিপ্স করে লস করলেন, তার মানে ৫০ পিপ্স লস হলো, আর বাকি ৫টা তিনগুন করে প্রফিট করলেন।তার মানে ১৫০ পিপ্স প্রফিট হলো। লাভ লস মিলে কিন্ত আরও ১০০ পিপ্স প্রফিট করলেন আপনি। এখানেই প্রকৃতপক্ষে লাভ লসের হিসেব লুকিয়ে থাকে। ৮) নিজের ব্যালান্স নিয়ে সবসময় যত্নবান হবেন। কখনোও নেগেটিভ হলে হাল ছেড়ে দেবেন না। ঠান্ডা মাথায় ভেবে এর কারন বের করুন। ইমোশনালি কোন ট্রেড চালু করবেন না। ফরেক্স মার্কেট কারও ইমোশনকে পাত্তা দেয় না। জেনে রাখুন এই সফল ট্রেডার কি বলেছেনঃ “Don’t focus on making money; focus on protecting what you have.” – Paul Tudor Jones ৯) এরপর কারেন্সী পেয়ার বাছাই করতে সচেতন হোন। মনে রাখবেন আলাদা দেশ, আলাদা কারেন্সি মুভমেন্ট। সুতরাং একই ব্যবসা পদ্ধতি দিয়ে আলাদা দেশের কারেন্সি মুভমেন্টকে নিজের কন্ট্রোলে নিয়ে আসা অনেক কষ্টের। কারন মাছের ব্যবসা পদ্ধতি দিয়ে আপনি আলুর ব্যবসা করতে গেলে লস খাবেনই। সুতরাং পারতপক্ষে একটি কারেন্সী পেয়ার বাছাই করুন যা আপনার স্ট্র্যাটেজীর সাথে মানানসই হয়। নয়তো কোন একটা কারেন্সী বাছাই করুন, এরপর সেই কারেন্সীর যতগুলো পেয়ার আছে, সেগুলোতে ট্রেড করুন। ১০) যতগুলো পেয়ারই বাছাই করেন না কেন। এখানে মানি ম্যানেজমেন্ট আপনাকে ফলো করতেই হবে। এই বিষয়টা অনেকেই জানে না। আজ পরিস্কার হয়ে জেনে নিন। মানি ম্যানেজমেন্ট হচ্ছে, আপনার মুলধনকে নিরাপদ রাখা। ধরুন আপনার ব্যালান্স ১০০ ডলার। আপনি ৫% রিস্ক নিবেন। তাহলে কি করবেন? এখানে, আপনি যতগুলো ট্রেডই নেন না কেন, আপনার সকল স্টপ লসের হিসেব মিলিয়ে যেন ৫ ডলারের বেশি না লস হয়। কারন একবার সবগুলো লস হয়ে গেলেও আপনি আরও ১৯ বার একই ভাবে ট্রেড করার সুযোগ পাবেন। আগের লস রিকভারি করে আবারও প্রফিটে নিয়ে আসার সুযোগ পাবেন। এ বিষয়ে আরেকজন সফল ট্রেডারের বানী শুনুনঃ “Frankly, I don’t see markets; I see risks, rewards, and money.” – Larry Hite ১১) বাংলা একটা প্রবাদ আছে, “ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না” এটা এখানে প্রযোজ্য হবে। সুতরাং ট্রেড ওপেন করার আগে ট্রেন্ড, আপনার স্ট্র্যাটেজী, সব দিক বিবেচনা করে পারফেক্ত হলে তবেই ট্রেড ওপেন করুন। টেক প্রফিট লেভেল, স্টপ লস লেভেল সেট করুন। এরপর বার বার চার্ট দেখতে যাবেন না। তাতে অস্থিরতা বাড়ে শুধু। আর অস্থির মনই আপনাকে ভুল ডিরেকশান দিয়ে ভুল কিছু সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে। সুতরাং ট্রেড ওপেন করুন এবং তার কথা ভুলে যান। পরের এন্ট্রি খোঁজ করুন। সমসময় মনে রাখবেন এই সফল ট্রেডারের কথাঃ The goal of a successful trader is to make the best trades. Money is secondary.” – Alexander Elder সবশেষে বলতে পারি যে, ট্রেড বাই ট্রেড হিসেব না করে মাসে কয়টা ট্রেড নিলেন, তার টোটাল হিসেব করুন। কত পিপ্স প্রফিট পেলেন, কত পিপ্স লস করলেন তার হিসেব বের করুন। একই ভাবে ব্যাকটেস্ট করুন। মাসে কেমন প্রফিট এর সুযোগ ছিল সেসব মাসে তা বের করুন। একটা পরিস্কার ধারনা পাবেন। এভাবে টানা ২-৩ মাস করে যান, এতে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন একসময়। আর একবার অভ্যস্ত হয়ে গেলে আপনি নিজেকে সেই ৫% প্রফিটেবল ট্রেডারদের মাঝে দেখতে পাবেন আমি নিশ্চিত। পরিশেষে, সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন যেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাকে সুস্থ রাখেন। আর ফরেক্স মার্কেটের কল্যানে আরও বেশি বেশি মানুষের মেহনত করতে পারি। অনেকেই ভালভাবে ফরেক্স জানতে ও শিখতে আগ্রহ দেখিয়েছেন, অনেকে আবার ট্রেডিং সিগনাল ফলো করার আগ্রহের কথাও জানিয়েছেন, তারা আমাকে মেসেজ দিতে পারেন অথবা আমার ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে ইনবক্সে একটা মেসেজ দিয়ে রাখবেন। আপনাদের সকল প্রশ্নের উত্তর দেবার চেষ্ঠা করা হবে ইনশাল্লাহ। অত্যন্ত স্বল্প ফী’র মাধ্যমে যে কেউ এখানে সিগনাল পেতে পারেন নিজেদের ফরেক্স শেখার পাশাপাশি বাড়তি কিছু প্রফিট পাবার আশায়। আমার ফেসবুক পেইজ লিংকঃ https://www.facebook.com/bmfxanalystbd/ আমার স্কাইপ আইডীঃ live:bmfxanalyst পরিশেষেঃ ব্যবসা নিজে ভালভাবে শিখে নিয়ে নিজের বুদ্ধি ব্যবহার করে করাই সবচেয়ে ভাল। এতে ব্যবসায় আন্তরিকতা বজায় থাকে। আর আন্তরিকতার উপর নির্ভর করে সৃষ্টিকর্তা ব্যবসায় বরকত দিয়ে থাকেন। কারন আল্লাহ তায়ালা ব্যবসাকে হালাল করেছেন। আর মহানবী (স) বলেছেন, “তোমরা ব্যবসা করো, ব্যবসায়ে ১০ ভাগের ৯ ভাগ রিজিকের ব্যবস্থা আছে।” সৃষ্টিকর্তা আমাদের কবুল করুন। আমীন।
  2. আজ আমরা AUDNZD কারেন্সী পেয়ার নিয়ে কথা বলব। ডেইলী চার্টে দেখতে পাচ্ছি যে, পরিস্কার আপট্রেন্ডের পথে রয়েছে মার্কেট। একই সাথে চার ঘন্টার চার্টে দেখতে পাছি, ডাউন ট্রেন্ড ক্রস করে উপরে যাবার ট্রাই করছে। সুতরাং উপরে যাবার সম্ভাবনা অনেক বেশি। এবার আপনার নিজের এনালাইসিস কি বলছে? একই বলছে তো? একই বলে থাকলে দেরী কেন? সেট আপ নিয়ে নিন। আপনার শুভকামনা। চার্ট টি দেখুনঃ
  3. আজ ডলারের নিম্নমুখী এক নাগাড়ে পতন শুরু হয়েছে যেন। কিন্ত কেন? এভাবে নিচের দিকে পড়ার মত কিছু কি ঘটেছে আমেরিকার বিশ্বে? মনে হয় না। আল কায়দা বিমান হামলাও করেনি, আইএস এর প্রধানকে আমেরিকার বন্ধু বলেও প্রমান করা যায়নি এখনও। সৌদী আরবও বলেনি যে আমেরিকার সাথে সকল লেনদেন বন্ধ!! রাশিয়াও ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালায়নি এমনকি ইরানও পরমাণুর বোমা তাক করেনি!! ওদিকে উত্তর কোরিয়াও যথেষ্ট চুপ চাপ। তাহলে? এসবের কোন কিছুই না হওয়া সত্ত্বেও কেন ডলার এই অধোঃপতন?? এবার আসি মুল বিষয়ে। ফরেক্স এর চার্ট বা বিভিন্ন ব্যাংকের রিপোর্টের বাইরে বিশ্বের অর্থবাজারের মুভমেন্টের জন্য আরেকটি বিশাল জায়গা রয়েছে, যার উপর ভিত্তি করে এমন বড় বড় মুল্যের উঠানামা হয়ে থাকে। তার নাম রিউমার। বাংলায় যাকে বলব গুজব। হুজুগে শুধু বাঙালিই নয়। হুজুগে শব্দটার সাথে সারা বিশ্বের সকল জায়গার মানুষ জড়িত। সবাই গুজবে মাতে, সবাই চিলে কান নিয়েছে শুনে চিলের পিছনেই দোউড়ায়। কান কানের জায়গায় ঠিকঠাক আছে কিনা তা দেখারও প্রয়োজন পড়েনা। আর এই রিউমারের প্রভাব অর্থবাজারে বেশ জোড়েশোরেই পড়ে। আজ ইউএস ডলারের উপর এমনই শনির দশা পড়েছে। কারন, আজ সিরিয়ায় হামলা ইস্যুতে রাশিয়া ও আমেরিকা বেশ ভালভাবেই তর্কাতর্কি করেছে, আর বোঝাই যাচ্ছে তাতে রাশিয়ার যৌক্তিকতাই বেশি ছিল কারন সিরিয়ার আসাদ কিন্ত সিরিয়ান জনগনের গণভোটে নির্বাচিত ছিলেন। তাহলে নির্বাচিত এক সরকার প্রধানকে উতখাত করতে আমেরিকার এতো মাথাব্যাথা কেন?? এর আগে ইরাকে মিথ্যা রাসায়নিক অস্ত্রের অযুহাতে সাদ্দামকে ফাসী দিয়ে বেশ বড় ভুল করেছিল আমেরিকা, সেই উদাহরন টেনে এনে আমেরিকাকে তর্কাতর্কির সময় এক পর্যায়ে চুপ করিয়ে দিয়েছিলেন রাশিয়ান প্রতিনিধি। যদিও ইতোপুর্বে যুক্তরাজ্যে গুপচরকে নার্ভ গ্যাস প্রয়োগে হত্যার অভিযোগের ইস্যুতে রাশিয়া ও আমেরিকা যার যার দেশের ৫০ জনেরও বেশি জন করে কুটনৈতিককে দেশে পাঠিয়ে দেবার বিষয় তো ছিলই এখানে!! এতেই আমেরিকার আগ্রাসী ভুমিকায় যে বেশ বড় ধাক্কা লেগেছে তা বলাই যায়। এই আলোচিত ঘটনাকে ছাপিয়ে এবার রমরমে একটা বিষয় সামনে এসে দাড়িয়েছে আজ। তা হচ্ছে, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর চারিত্রিক সনদ নিয়ে কারও কোন মাথা ব্যাথা যদিও নেই, তবুও আজ এফবিআই এর বেশ কিছু সদস্য ট্রাম্প এর ব্যক্তিগত আইনজীবীর অফিসে ব্যাপক তল্লাসী চালিয়েছে। তারা নির্বাচন কালীন কোন এক পর্ন অভিনেত্রীর সাথে ইটিশ-পিটিশ করার কথা ধামাচাপা দিতে যে বেশ বড় অংকের টাকা দিয়েছিলেন, সেই সংক্রান্ত নথিপত্রও নাকি খুজে পেয়েছেন!! অর্থাৎ ট্রাম্প সাহেব বেশ বড় ধরনের ঝামেলাতেই পড়তে যাচ্ছেন বলাই যায়। আর কোন দেশের প্রেসিডেন্ট এর এমন নারী কোলেংকারী জনিত ঝামেলায় পড়া মানে সেই দেশের অর্থবাজারে বেশ বড় রকমেই ধ্বস নেমে আসা। এখন দেখার বিষয় আমেরিকার সিনেট বোর্ড কিভাবে বিষয়টা সামাল দেন। আজ ডলারের বিপক্ষে বেইজ কারেন্সী হয়ে থাকা সকল পেয়ার শুধু উড়েই চলেছে যেন। একটু ব্যতিক্রম ছিল জাপানী ইয়েন। ভাব দেখে মনে হচ্ছিল যে ইয়েনের দশা ডলার থেকেও খারাপ তাই এই চরম সংকটের মুহুর্তেও ডলার একমাত্র ইয়েনের বিপক্ষে একটু হলেও মাথা তুলে রাখতে পেরেছে। আজকের অফ টপিকের এনালাইসিস কি আপনাদের একটু হলেও বোধগম্য হয়েছে? তাহলে আমিও একটু মাথা তুলে দাড়াতে পারতাম
  4. দেশের সকল ট্রেডার বন্ধুদের মাঝে আসতে পেরে নিজেকে অনেক ভাগ্যবান মনে করছি। একই সাথে নিজের প্রথম পোস্টটাও করে ফেলছি সবাইকে নিয়েই। তাহলে শুরু করা যাক, আমরা যারা কিছু কর্ম করি, তা চাকুরী হোক বা ব্যবসা, সব কর্মের পিছনেই একটা অভিন্ন উদ্দেশ্য থাকে। তা হল আয় রোজগার করা। এই আয় রোজগারের সাথেই আমাদের জীবনের সকল চাওয়া পাওয়া সরাসরি সম্পর্ক বিদ্যমান। একইভাবে ফরেক্স এ বেশিরভাগ মানুষই আসে অন্যের কথা শুনে বা অন্যের গালভরা গল্প শুনে, তবে সেই গল্পগুলো হয় কাড়ি কাড়ি টাকা ইনকাম করার। মানুষের সহজাত স্বভাব দিয়ে এতে আকৃষ্ট হয়ে পড়ে। আর কুয়োর ব্যাঙের সাগরে পড়ার মত নাকানিচুবানী খেয়ে কোনমতে উঠে পড়ে, আর নয়তো কেউ কেউ বেঘোরে তার শেষ সম্বলটুকুও হারায়। কিন্ত কেন? কেন হবে এই অবস্থা? আসুন একটু জেনে নেই আগে, এরপর আমরা জেনে নেব এর সমাধান। ধরুন, আপনি দেশে কোন জায়গায় চাকুরী করেন। প্রাথমিক অবস্থায় বেতন হবে ৮-১০ হাজার টাকার মত, খুব ভাল হলে ১৫-২০ হাজার হতে পারে। অথচ এর পিছনে আপনার মুলধন কি? বিগত ১৬-১৭ বছরের একটানা পড়াশোনা ও সফলভাবে উত্তীর্ণ হওয়া।এতো দীর্ঘ সময়ের বিনিময়ে আপনি মাত্র ৮-১০ বা ১৫-২০ হাজারের বেতনেই সন্তষ্ট হচ্ছেন। তাই নয় কি? এবার আসি কাজের কথায়, ফরেক্স শব্দটাই আপনি কারও কাছে শুনেছেন ২ মাসও হয়নি। এর ভিতর আপনি ডিপোজিট থেকে শুরু করে সকল প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছেন এমনকি মাসে লাখ লাখ টাকা, নুন্যতম ৪০-৫০ হাজার টাকা আয়ের স্বপ্নও দেখে ফেলছেন!! আদৌ স্বপ্নটা বাস্তব কিনা ভেবেছেন কখনও?? টানা ৫ বছর ট্রেড করে প্রফিট করেছেন, এমন ট্রেডার বাংলাদেশে হাতে গোনা কয়জন পাওয়া যাবে আমি জানিনা। তবে কথায় কথায় জ্ঞান দেবার মত বেশ কিছু ট্রেডারভাই আছেন যারা আইবী কমিশন বেশ ভালো পায়। কিন্ত আইবী কমিশন ফরেক্সের একটা পার্ট মাত্র। ফরেক্স এর মুলধারা নয়। মুলধারা হচ্ছে ট্রেড করে প্রফিট বের করে আনা মার্কেট থেকে। কারন আইবীতে অন্যের ট্রেডের স্প্রেড কমিশনের একটা অংশ নেওয়া হয়, কিন্ত মুল মার্কেটের কিছুই বের করে আনা হয়না। আমাদের উদ্দেশ্য ফরেক্স মার্কেট থেকে মুল প্রফিট বের করে আনা। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন কোন জায়গায় দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করলে আপনার ট্রেডিং এর রেজাল্টেও পরিবর্তন চলে আসবে। প্রথমেই বলব একটা নির্দিষ্ট স্ট্রাটেজী বের করতে। আন্দাজের উপর ভর করে কখনো ট্রেড করবেন না। অনেক উপরে উঠে গেছে এবার সেল দেই, বা অনেক নিচে নেমে গেছে এবার বাই দেই, এমন করবেন না। হুজুগের বশে নিজের পয়সা হারানোর কোন মানেই হয়না। ভেবে চিনতে বা গুগলে সার্চ দিলেও অনেক অনেক স্ট্রাটেজী পাবেন, সেগুলো ভালভাবে দেখে ঘোষামাজা করে আপনার নিজের মত করে একটা ট্রেডিং সিস্টেম তৈরী করে ফেলুন। এবার আপনার ট্রেডিং স্ট্রাটেজীকে নির্দিষ্ট কোন এক টাইম ফ্রেমে (এইচ ফোর এর উপরের কোন একটা) বসিয়ে একের পর এক পেয়ার ধরে ধরে যাচাই করে নিন। কোন এক মাস ধরে ধরে লাভ লস মিলিয়ে হিসেব বের করুন। এভারেজ কেমন প্রফিট আসে আর প্রতি দশটা ট্রেডে এভারেজ কতটা প্রফিটে থাকে এই হিসেব করে ফেলুন। সব হিসেব শেষে বের করুন কোন পেয়ারে ভাল রেজাল্ট এসেছে সব দিক দিয়ে।এবার শুধুমাত্র সেই এক পেয়ার নিয়েই ট্রেড করতে থাকুন। ভুলেও ৫-৬ বা ১০-১২ টা কারেন্সী পেয়ার নিয়ে ট্রেড করতে যাবেন না। মনে রাখবেন সমুদ্রে জেলিফিস ধরার জাল দিয়ে আপনি হাঙ্গর বা তিমি মাছ ধরতে পারবেন না। তেমনি একটা স্ট্রাটেজী দিয়ে আপনি আমেরিকা, বৃটেন এমনকি ইউরোপকেও যদি কন্ট্রোলে রাখতে চান তাহলে ভুল করার সম্ভাবনাটাই বেশি হবে। কারন প্রতিটি দেশের অর্থনৈতিক মুভমেন্ট একই ধারায় চলে না। এবার বাছাইকৃত সেই পেয়ারের ব্যাকটেস্ট করুন মাসের পর মাস ধরে ধরে। একটা ভাল আইডিয়া পেয়ে যাবেন। কোন কোন পরিস্থিতিতে রেজাল্ট খারাপ বা ভাল আসে তার ব্যাপারেও পরিস্কার ধারনা পেয়ে যাবেন তাহলে। এটাই আপনাকে সাহায্য করতে আপনার রেগুলার প্রফিট বের করে আনতে। মাসে ২-৫ হাজার পিপ্স এর আশা বাদ দিয়ে ২-৩ শত পিপ্সের সন্তষ্ট থাকেন। মনে রাখবেন এমন ট্রেডারও আছে যারা মাসে ১০০ পিপ্স এ মিলিয়ন ডলারও আয় করে। ধীরে ধীরে ব্যালান্স বাড়ান। তবে বার বার ডিপোজিট করে নয়। প্রফিট করে করে। বাড়তি কোন পেয়ারে যাবার প্রয়োজন নেই। একটা পেয়ারেই স্থির থাকুন। আর এক বারে একটা ট্রেডের বেশি ট্রেড ভুলেও নেবেন না। একটা ট্রেড শেষ হলে এরপর পরের ট্রেডে যাবেন। স্পেসিফিক টেকপ্রফিট ও স্টপ লস সেট করবেন। এবার ফলাফল হাতে নাতে দেখুন। পরিশেষে, ধৈর্য্য ধরে পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনাকে। তাহলে শুরু করুন আপনার সফল ট্রেডিং অধ্যায় এখনই একটি ভাল ব্রোকারের সাথেঃ নতুন একাউন্ট আমার ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমার এনালাইসিস এর সঙেই থাকুন। ফেসবুক লিংকঃ bmfxanalyst
  5. ফরেক্সের শুরু থেকে লস করছি সামনেও করব। কারন লস সহজভাবে না মেনে নিতে পারলে প্রফিটের মুখ কখনোই দেখতে পারবেন না। ২০১০ সাল থেকে ট্রেড করার দীর্ঘ পথচলায় কত ট্রেডিং সিস্টেম যে উলটপালট করেছি তার কোন শেষ নেই। ট্রেডিং স্ট্রেটেজির আসলে শেষ নেই। তবে শুরু থেকে ট্রেন্ড এর পক্ষে ট্রেড করতাম এই সিস্টেমটার প্রতি একটা মতব্বত ছিল তাই যত সিস্টেম পেয়েছি যেগুলো ট্রেন্ডের বিপক্ষে যায় একটু বেশি রিস্ক সেগুলো এড়িয়ে চলতাম। তারপর দেখা যায় বিভিন্ন সময় ট্রেড এন্ট্রি নিতাম তারপর দেখা যেত এক্সিট পয়েন্ট নিয়ে ঝামেলায় পড়তাম। সুন্দর একটা এন্ট্রি যদি সঠিক সময়ে এক্সিট বা ক্লোজ না করতে পারেন তাহলে সে ট্রেডটি আর সফল সুন্দর থাকে না। অনেকগুলো ট্রেডিং সিস্টেম এর মধ্যে যেটি আমার সবথেকে বেশি পছন্দের সেটিই আজকে শেয়ার করব। নিয়মিত প্রফিট না করতে পারলেও এভারেজ প্রফিটে থাকতে পারবেন এই সিস্টেমটিতে। হয়ত অনেকে অনেক জল্পনা কল্পনা করে ফেলেছেন। যে আজকে পাইছি একখান সিস্টেম সব খায়ালবাম কিন্তু এই মার্কেটে খায়ালবাম কাইট্টায়ালবাম ইত্যাদি করতে গেলে নিজেই শহীদ হয়ে যাবেন। আর আমি এই সিস্টেমে প্রফিট করি বলে আপনিও পারবেন সেটা কিন্তু বলা যাবে না। কারন ওইযে কিছু সাইকোলজিক্যাল ব্যাপার আছে। আমি যেখানে চোখ বন্ধ করে ৫০-৭০ পিপস লস নিলেও গায়ে লাগে না সেখানে দেখা যাবে আপনি ২০ পিপস লস দেখলেই স্টপস উঠিয়ে দিয়ে বড় ধরনের বাশ খাবেন। আবার দেখা যাবে ৫-১০ পিপস প্রফিটে ট্রেড ক্লোজ করে দিবেন যেখানে আমি হয়ত টার্গেট করেছি ৮০-১০০ পিপস। এটাই হলো মূলকথা। ট্রেডিং সিস্টেম সব সময় সহজ রাখার চেষ্টা করবেন। তাহলে দেখবেন প্রেসার আসবে কম। আর একটা কথা কথা লট ঠিকঠাক মত নিবেন। সেটা কিভাবে? এমন লট সাইজ দিবেন যাতে করে ট্রেড অপেন করে মুভি / ঘুমিয়ে যেতে পারবেন শান্তিতে। আশা করি বুঝতে পারছেন। ট্রেডিং সিস্টেমটি ছোট টাইমফ্রেম উপযোগী। তবে এটি বড় টাইমফ্রেমেও ব্যবহার করতে পারেন। প্রথমে নিচের ইন্ডিকেটর গুলো ডাউনলোড করে আপনার MT4 এ সেটআপ করে নিন। পাশাপাশি টেমপ্লেট দেয়া আছে সেগুলোও এপ্লাই করে নিন। একটা টেমপ্লেট আছে ১মিনিট চার্টের জন্য আরেকটা রয়েছে ৩০মিনিট চার্টের জন্য। http://tinyurl.com/hhjgqnt Trading Tools.zip আশা করছি সবাই সফলভাবে ইন্ডিকেটর আর টেম্পলেটটি ইন্সস্টল করতে পেরেছেন। এখন নিচের চিত্রগুলো লক্ষ্য করুন: এখন লক্ষ্য করুন। আমাদের কয়েকটি ধাপ অনুসরন করে এন্ট্রি নিতে হবে। যখন মার্কেট পিভট পয়েন্টের উপরে: ধাপ ১ : Two Band ইন্ডিকেটরের লোয়ার ব্যান্ড টাচ করে যখন হাইকেন এশি নীল হবে তখন বাই এন্ট্রি নিবেন। প্রথম নীল হাইকেনে না নিয়ে দ্বিতীয় হাইকেন এশিতে এন্ট্রি নিবেন। ধাপ ২ : এক্সিট করবেন যখন হায়ার ব্যান্ড টাচ করে হাইকেন এশি লাল হবে তখন। এক্ষেত্রেও প্রথম লাল হাইকেনে না নিয়ে দ্বিতীয় হাইকেন এশিতে এক্সিট করবেন। যখন মার্কেট পিভট পয়েন্টের নীচে: ধাপ ১ : Two Band ইন্ডিকেটরের হায়ার ব্যান্ড টাচ করে যখন হাইকেন এশি লাল হবে তখন সেল এন্ট্রি নিবেন। প্রথম লাল হাইকেনে না নিয়ে দ্বিতীয় হাইকেন এশিতে এন্ট্রি নিবেন। ধাপ ২ : এক্সিট করবেন যখন লোয়ার ব্যান্ড টাচ করে হাইকেন এশি নীল হবে তখন। এক্ষেত্রেও প্রথম নীল হাইকেনে না নিয়ে দ্বিতীয় হাইকেন এশিতে এক্সিট করবেন। চলুন আজকের চার্টে দেখা যাক। আমি মূলত GBPJPY পেয়ারে ট্রেড করি এই সিস্টেমে এবং সপ্তাহ শেষে এভারেজ প্রফিটে থাকা যায়। মাঝে মাঝে লস হলেও সেটা খুব বেশি না। ৩০ মিনিটের চার্টে দেখা যাচ্ছে আজ সারাদিন মার্কেট পিভট পয়েন্টের উপরে ছিল। তারমানে আমরা ১মিনিটের চার্টের শুধু বাই এন্ট্রিগুলো নেব আর সেল এন্ট্রি পেলে বাই এক্সিট করে বসে থাকব পরের বাই এন্ট্রির জন্য। চলুন দেখি কোথায় কোথায় ছিল আজকের এন্ট্রিগুলো: আরো কিছু এন্ট্রি: বুঝতে পারছেন কিছু.... আচ্ছা আরো দুটো এন্ট্রি দেখুন আর কখন এন্ট্রি ভেলিড না সেটাও দেখে নিন। সবগুলো এন্ট্রি ধরতে হবে এমন বলছি না। আবার সবগুলো যখন যখন এন্ট্রি দেখিয়েছে ঠিক তখন এন্ট্রি নেওয়াও সমস্যা হতে পারে এজন্য Two Band এর এলার্ট অপশন True করে রাখতে পারেন। এতে করে পপআপ মেজেসের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন ঠিক কখন লোয়ার অথবা আপার ব্যান্ড টাচ করেছে। নিচের চিত্রটি লক্ষ্য করুন: অনেক সময় নিয়ে নিলাম। সময়ের মূল্য অনেক। তাই বলব ইন্টারনেটে বেহুদা টাইম নস্ট না করে একটু চোখকান খোলা রেখে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ঘুরাঘুরি করুন। চারপাশে নানা করটেন্ট। আপনার গ্রীন পিপসময় ট্রেডিং লাইফ কামনায় বিদায়। আর একটা কথা লস মেনে নিতে শিখুন। একবার লস করা শিখে গেলে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না। লাভ হবেই হবে। শুধু মানি ম্যানেজমেন্ট টা ঠিক রেখে সামনে এগিয়ে যান। ধন্যবাদ।
  6. ABCD Small Profit

    ABCD=Any Body Can Do (Small Profit is very best for future) আজকে আমি যে বিষয়টি নিয়ে লিখছি যদি এই ধরনের কোন পুসট থেকে থাকে তাহলে এই পুসটটা রিমুভ করে দিবেন। ফরেক্স হল টাকা বানানুর মেশিন।তবে আমারা অনেকেই এই কথার বিরুদ্দে।কিনতু আটাই সত্যি।তবে এই ফরেক্স মেশিন ধারা সবাই টাকা বানাতে পারে না।শুধু মাত্র এমন ট্রেডররাই টাকা বানাতে পারবে যাদের নু্ন্যতম ১%-২০% প্রফিট করার যুগ্যতা আছে প্রতি মাসে যে কোন ব্যালেন্স এর উপর যেমনঃ ১০$,২০$,৩০$,৪০$ বা ১০০$। সব চেয়ে বড় কথা হল ফরেক্স ব্যাবসায় কে দীঘ্ মায়াদি ব্যাবসায় মনে করতে হবেমনে করেন আপনি ১০০$ নিয়ে ফরেক্স ট্রেডিং শুরু করলেন এবং আপনার মাসিক প্রফিট টারগেট ২০%।তাহলে আপনার প্রথম মাসে প্রফিট ২০$ এবং আপনার এক মাস পর আপনার টোটাল ব্যালেন্স ২০$+১০০$=১২০$ । ২য় মাসে ১২০$ আপনার প্রফিট টারগেট ২০%। তাহলে আপনার ২য় মাসে প্রফিট ২৪$ এবং ২য় মাস পর আপনার টোটাল ব্যালেন্স ২৪$+১২০$=১৪৪$ আমি নিচে ২৪মাস এর একটা প্রফিট এর ধারনা দিচছি। ইনভেসট ১০০$ মাসিক প্রফিট টারগেট ২০% দুই বছর পর আপনার ১০০$=৭৯৪৯.৬৮২৯$ ১০০$=৮০০০৳ ৭৯৪৯.৬৮২৯$=৬,৩৫,৯৭৪.৬৩২৳ ৮০০০৳=৬,৩৫,৯৭৪.৬৩২৳ After two years. তাহলে দুই বছরে আপনার মাসিক আয় ৬,৩৫,৯৭৪.৬৩২৳/২৪মাস=২৬৪৯৮.৯৪৩ বরতমানে ২৬০০০৳ বেতন এর চাকরি পাওয়া সহজ কথা না। আমি এইভাবে ট্রেড করার চেষটা করছি।কতটুকু সফল হতে পারব জানি না। অনেক কষট করে লিখলাম Avro দিয়া। বানান অনেক ভুল হইছে ক্ষমার চোখে দেখবেন।
  7. Hello friends I am trading form July 2010. I think this is not a long time for trading. So I am new in Forex market. I have learned many strategy and I have a huge collections of Indicator. I can use Fibonacci, Pivots , Waves , RSI, MA, BB and other common indicators in Meta. Finally I have found no indicator or EA need for trade. I am sharing my little experience about opening a new order. 1. Technical Analysis 2. Fundamental Analysis 3. You analysis/ Sentimental Analysis. If you satisfied above 3 analysis than open a new order. Now My strategy to turn 10 to 10000. [] [] [] Indicators: 1. Money management 2. Money management 3. Money management [] [] [] Time frame: M5 ( Need help of M30 , H1 , H4 ) {} {} {} Session UK opening or BD time 1 PM - 4 PM US opening or BD time 6PM - 9PM :wallbash:Buy Order: New candle of H1 now follow M5 if 2 nd candle of M5 moving up from the Opening Price of H1 put your order. :wallbash:/>/>/> Stop loss : 5 pips below of H1 Opening price . TP1,10 pips and TP 2 untill open next M30 candle. That means you have to open 2 order first one will hit TP and Second one will runnig. Confirm order: If you see the H4 and D1 is also bull and moving up of their own opening price. Sell Order: New candle of H1 now follow M5 if 2 nd candle of M5 moving down from the Opening Price of H1 put your order. Stop loss : 5 pips up of H1 Opening price . TP1,10 pips and TP 2 untill open next M30 candle. That means you have to open 2 order first one will hit TP and Second one will runnig. :end:/>/>/>Confirm order: If you see the H4 and D1 is also bear and moving down of their own opening price. Tips. 1. Best pair for this strategy: EU, EC, EA,EG, UJ, GU, UC Please do not trade High volatile pair like EJ and commodies , 2. Total risk 5 - 10% of your account. 3. In case of second order better you use Trailing Stop of 5 pips. 4. Trade with the strategy for 1 year you will be able to turn your 10 dollar to 10000 dollar. If you can't turn than contact with me. My contact details. Mr. Koddos boyati, ​ Reference : Geto potra komola. Road. Laltip. House: Darochini dip. Mobile: +96893817348 Skype: Devbdas Yahoo : anarkoli Picture will be uploaded soon. wait for me going for prayer: :rolling:Forexa. ( all about loss) :rolling:/>/>/>

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×