Jump to content

Search the Community

Showing results for tags 'news'.



More search options

  • Search By Tags

    Type tags separated by commas.
  • Search By Author

Content Type


Categories

  • ইন্ডিকেটর
  • এক্সপার্ট এডভাইসর
    • বিডিপিপস EA ল্যাব
  • স্ক্রিপ্ট
  • ট্রেডিং স্ট্রাটেজী
  • ট্রেডিং প্লাটফর্ম
  • ফরেক্স ই-বুক
    • বাংলা ই-বুক
  • চার্ট টেমপ্লেট

Forex Bangladesh - বিডিপিপস

  • ট্রেডিং এডুকেশন
    • সাধারণ ট্রেডিং আলোচনা
    • ফরেক্স স্টাডি
    • প্রশ্ন এবং উত্তর
  • ফরেক্স ট্রেডিং আলোচনা
    • ফরেক্স নিউজ
    • ট্রেডিং আইডিয়া
    • ট্রেডিং স্ট্রাটেজি
  • ট্রেডিং সফটওয়্যার
    • ফরেক্স ইন্ডিকেটর
    • এক্সপার্ট এডভাইসর
    • মেটাট্রেডার এবং MQL
  • ফরেক্স ব্রোকার
    • ফরেক্স ব্রোকার
  • বিডিপিপস ফোরাম সাপোর্ট
    • ফোরাম সাপোর্ট
  • অফ-টপিক
    • অপ্রাসঙ্গিক
    • ফরেক্স হিউমার
  • লাইভ ট্রেডিং রুম

Categories

There are no results to display.


Found 9 results

  1. আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ) চীনা মুদ্রা ইউয়ানকে আপাতত সংস্থার কারেন্সি বাস্কেটে অন্তর্ভুক্ত করছে না। বৈদেশিক লেনদেনে মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে চীন গত বছর ইউয়ানকে কারেন্সি বাস্কেটে অন্তর্ভুক্তির অনুরোধ জানিয়েছিল। খবর ব্লুমবার্গ। আইএমএফের কারেন্সি বাস্কেট বর্তমানে মার্কিন ডলার, ইউরো, ব্রিটিশ পাউন্ড ও জাপানি ইয়েনকে স্পেশাল ড্রয়িং রাইটস (এসডিআর) মর্যাদা দিয়ে থাকে। সম্প্রতি এক সভায় সংস্থার নীতিনির্ধারকরা বাস্কেটের বর্তমান গঠনের সময়কাল আগামী ৩১ ডিসেম্বর থেকে পরবর্তী নয় মাসের জন্য সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ফলে আগামী অক্টোবরের আগে আইএমএফের কারেন্সি বাস্কেটে ইউয়ানের অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা নেই। বুধবার প্রকাশিত আইএমএফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নভেম্বরে সংস্থার পরিচালনা পর্ষদের বৈঠককে সামনে রেখে বিদ্যমান ভ্যালুয়েশন বাস্কেটের মেয়াদ সীমিত সময়ের জন্য বৃদ্ধি করাটাই যুক্তিযুক্ত মনে হয়েছে। আইএমএফ বলেছে, এতে এসডিআর-সংক্রান্ত কার্যক্রমের মসৃণ ধারাবাহিকতা রক্ষা হলো এবং পঞ্জিকাবর্ষের শেষে এসে বাস্কেটে পরিবর্তনের ব্যাপারে এসডিআর ব্যবহারকারীদের মতামতও বিবেচনায় নেয়া হলো।
  2. চলতি বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে উদীয়মান দেশগুলো থেকে আনুমানিক ২৬০ মিলিয়ন ডলার পুঁজি অন্যত্র সরে গেছে। মূলত চীনা অর্থনীতির শ্লথতার কারণে পুঁজির অপসারণ ঘটেছে। সব মিলিয়ে চলতি বছর উদীয়মান দেশগুলো মোট ৫৪০ বিলিয়ন ডলার পুঁজি হারাতে পারে। এতে ২০১৫ সালে এসব দেশে মোট পুঁজির আগমন ২০০৮ সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটকাল থেকেও কম হবে। ক্যাপিটাল ইকোনমিকস ও ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স এ আভাস দিয়েছে। খবর স্ট্রেইট টাইমস ও আরটি। ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের মতে, বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে উদীয়মান দেশগুলো থেকে পুঁজি প্রত্যাহারের পরিমাণ সাত বছর আগের বৈশ্বিক সংকটকেও ছাড়িয়ে গেছে। ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের সিনিয়র এমার্জিং মার্কেটস ইকোনমিস্ট উইলিয়াম জ্যাকসন বলেন, এসব দেশ থেকে পুঁজির যে বহির্মুখী ঢল, তাতে চীনের অংশই বেশি। তবে এ নিয়ে খুব বেশি উদ্বেগের কিছু নেই। কারণ ব্যাপারটি এমন নয় যে বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হয়ে দল বেঁধে পালাচ্ছে। চীন থেকে অপসৃত পুঁজির ধরনে বোঝা যাচ্ছে, মূলত রফতানিকারকরাই বৈদেশিক মুদ্রা কিনছে এবং দেশের বাইরের পাওনাদারদের কাছে দেনা পরিশোধ করছে। ক্যাপিটাল ইকোনমিকস জানায়, উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পুঁজি অপসারণ সত্ত্বেও উদীয়মান দেশগুলোয় বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে অন্তর্মুখী পুঁজির প্রবাহ কম ছিল না। সাম্প্রতিক সময়ে পুঁজিবাজারের অন্যান্য সংকটকালের চেয়েও এ সময় বেশি বিনিয়োগ এসেছে। জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে উদীয়মান দেশগুলোয় ৬০ বিলিয়ন ডলার নতুন বিনিয়োগ এসেছে। পূর্ববর্তী প্রান্তিকে এমন বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি। স্যাক্সো ক্যাপিটাল মার্কেটসের এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্রধান অ্যাডাম রেনল্ডস বলেন, উদীয়মান বাজারগুলো বর্তমানে বছরের প্রথমার্ধের চেয়ে ভালো মূল্য ধারণ করায় ওই অঞ্চল থেকে প্রত্যাহার হওয়া কিছু পুঁজি নতুন করে আবার ফিরে গেছে। ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স জানিয়েছে, চলতি বছর মোট ৫৪০ বিলিয়ন ডলার পুঁজি উদীয়মান দেশগুলো থেকে প্রত্যাহার করা হবে। এই পুঁজি প্রত্যাহারের ফলে মন্দার কোনো আশঙ্কা নাকচ করে দিয়েছে ব্যাংক অব আমেরিকা প্রাইভেট ওয়েলথ ম্যানেজমেন্ট। সর্বশেষ সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে ব্যাংকটি বলেছে, উদীয়মান দেশগুলোর অর্থনীতি এখন বাইরের যেকোনো পরিবর্তনের ধকল সামলাতে আগের চেয়ে অনেক বেশি সক্ষম। চলতি হিসাবে সংহত অবস্থা, ১৯৯৭ সালের চেয়ে অন্তত ১০ গুণ বেশি বৈদেশিক মুদ্রা মজুত, ভাসমান বিনিময় হার এবং অতি বিনিয়োগের কোনো ছাপ না থাকায় উদীয়মান দেশগুলো এখন ভালো অবস্থায় রয়েছে। ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স বলেছে, উদীয়মান দেশগুলোর অর্থনীতি গড়পড়তাভাবে শ্লথ হলেও ভারত ও ফিলিপাইনের মতো এশিয়ার প্রধান দেশগুলো ভালো পারফর্ম করছে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, শিল্প খাতের গতিমন্দা নিয়ে উদ্বেগ বাড়লেও মূলত অর্থ, বীমা, খুচরা বিক্রি ও স্বাস্থ্য খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত সেবাকাজই এসব দেশের মোট প্রবৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখে। এদিকে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বছরের প্রথম আট মাসে চীন থেকে মোট ৫৩০ বিলিয়ন ডলার পুঁজি বেরিয়ে গেছে। কংগ্রেসে উপস্থাপিত অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদনে মন্ত্রণালয় জানায়, আগস্টে শেয়ারবাজার ধসের দিনগুলোয় চীন থেকে ২০০ বিলিয়ন ডলার অন্যত্র সরে গেছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বছরের প্রথমার্ধে চীন থেকে ২৫০ বিলিয়ন ডলার পুঁজি অপসৃত হয়েছে, যেখানে গত বছর স্থানান্তরিত হয়েছিল ২৬ বিলিয়ন ডলার।
  3. আসসালামু আলাইকুম, নিউজ ট্রেডিং এবং ফান্ডামেন্টাল এ্যানালাইসিস সংক্রান্ত কিছু আর্টিকেল (বাংলা ও ইংরেজি) সংগ্রহ করেছিলাম নিজের জন্য। বিডিপিপস সহ আরো অন্যান্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে বেশ কিছু আর্টিকেল সংগ্রহ করেছিলাম। সেগুলো থেকে বেছে কিছু আর্টিকেল MS-Word -এ কপি পেস্ট করেছিলাম প্রিন্ট আউট করার জন্য। মনে হলো- আপনাদেরও কাজে লাগতে পারে, তাই ভাবলাম আপলোড করে রাখি। এখানে আপলোড করবো জানতাম না। তাই কপি পেস্ট করার সময় লেখকদের নামগুলো রাখিনি (তবে এটা নিশ্চিত এখানে আমার কোন লিখা নাই)। আশা করি, কেউ কিছু মনে করবেন না। সেবাই যাদের ব্রত, তারা কিছু মনে করার কথা না। PDF এবং Doc - দুই ফরমেটেই দিলাম, যাতে প্রয়োজনে এডিট করতে পারেন নিজের মত। এখানে শুধু বাংলা ফাইলটা দেয়া হয়েছে, ইংরেজিটা এখনো তৈরি হয় নি। বিডিপিপস সহ আরো বেশ কয়েকটি বাংলাভাষী ওয়েবসাইট -এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আর্টিকেল গুলার লেখকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। মানুষ মৃত্যু থেকে বাঁচার চেষ্টা করে, জাহান্নাম থেকে নয়। অথচ, চেষ্টা করলে মানুষ জাহান্নাম থেকে বাঁচতে পারে, মৃত্যু থেকে নয়। Forex_News_Fundamental_doc.docx Forex_News_Fundamental_pdf.rar
  4. এক বছর আগের তুলনায় গত বছরের চতুর্থ প্রান্তিকে অস্ট্রেলিয়ার অর্থনীতি প্রসারিত হয়েছে আড়াই শতাংশ। অর্থনীতি প্রসারিত হলেও এটি ছিল গত বছরের সবচেয়ে শ্লথ বার্ষিক প্রবৃদ্ধি। খবর রয়টার্স। পূর্ববর্তী প্রান্তিকের তুলনায় অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে অস্ট্রেলিয়ার অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ শতাংশীয় পয়েন্ট। এর আগের প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৪ শতাংশীয় পয়েন্ট। এ দুটি তথ্যই অর্থনীতিবিদদের প্রত্যাশা অনুযায়ীই হয়েছে। সুদের হার কমানোর অনুরোধ থাকার পরও রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়া (আরবিএ) তা অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়ার একদিন পরই প্রবৃদ্ধির এ খবর পাওয়া গেল। মুডি’স অ্যানালাইটিকসের অর্থনীতিবিদ ক্যাটরিনা এল এ প্রসঙ্গে বলেন, চতুর্থ প্রান্তিকে অর্থনীতির অবস্থা ভালোই ছিল। পূর্ববর্তী প্রান্তিকে হারানো গতি এ সময় কিছুটা হলেও ফিরে এসেছে। কিন্তু এর পরও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি উত্তরণে সুদের হার বাড়ানোর ওপর আমাদের পরামর্শে কোনো ব্যত্যয় ঘটবে না। উল্লেখ্য, দেড় বছর পর ফেব্রুয়ারিতে প্রথমবারের মতো সুদের হার কমিয়েছিল আরবিএ। কিন্তু অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়ার আভাস দেখে অর্থনীতিবিদরা সুদের হার আরো কমানোর পরামর্শ দিয়ে আসছেন।
  5. যুক্তরাজ্যের অফশোর তেল-গ্যাস খাত ২০১৪ সালে চার দশকের মধ্যে সবচেয়ে বাজে ফলাফল করেছে। এ খাতের প্রতিনিধিত্বকারী সংস্থা অয়েল অ্যান্ড গ্যাস ইউকে পরিচালিত বার্ষিক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর বিবিসি। অয়েল অ্যান্ড গ্যাস ইউকে বলছে, তেলের কম দাম আর বাড়তে থাকা ব্যয়ে গত বছর নাজেহাল ছিল যুক্তরাজ্যের অফশোর তেল ও গ্যাস খাত। এ দুই কারণে ২০১৪ সালে যা আয় হয়েছে, তার তুলনায় এ খাতকে ৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন পাউন্ড বেশি বিনিয়োগ করতে হয়েছে। এ হার ১৯৭০ সালের পর সবচেয়ে বেশি। গত বছর এ খাতের রাজস্ব ছিল ২৪ বিলিয়ন পাউন্ড, যা ১৯৯৮ সালের পর সর্বনিম্ন। ২০১৪ সালে তেল ও গ্যাসের উত্পাদন কমেছে ১ শতাংশ। এ সময় ব্যারেলপ্রতি তেলের উত্পাদন ব্যয় রেকর্ড পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ দশমিক ৫০ পাউন্ডে। গত বছর পরিচালনা ব্যয় ৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৬ বিলিয়ন পাউন্ডে। গত বছর ২৫টি কুপ খননের প্রত্যাশা করা হয়েছিল, কিন্তু বাস্তবায়ন হয়েছে ১৪টি। গত বছর এ খাতে বিনিয়োগ হয়েছিল ১৪ দশমিক ৮ বিলিয়ন পাউন্ড। প্রত্যাশার তুলনায় অত্যধিক এ বিনিয়োগের প্রধান কারণ ছিল অপ্রত্যাশিত বেশি ব্যয়। তবে সংস্থাটি বলছে, চলতি বছর এ হার ৯ দশমিক ৫ বিলিয়ন পাউন্ড থেকে ১১ দশমিক ৩ বিলিয়ন পাউন্ডের মধ্যে হতে পারে। সংস্থাটি আরো বলছে, কাজ চলতে থাকা বড় প্রকল্পগুলো উত্পাদন শুরু করলে তিন বছরের মধ্যে বার্ষিক বিনিয়োগের হার ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন পাউন্ডে নেমে আসবে। সংস্থাটির জরিপের ফলাফলে আরো বলা হচ্ছে, চলতি বছর এ খাতে বিনিয়োগ ও খননকাজ কমবে। এ খাতের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তার জন্য দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।
  6. ইকোনমিস্টের বিশ্লেষণ অর্থনীতিবিদরা মানতেই চাইতেন না, বাস্তবে তা সম্ভব হতে পারে। কিন্তু তাদের বক্তব্যকে ভুল প্রমাণ করে ধনী বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো এখন ঋণাত্মক সুদের হার চালু করতে শুরু করেছে। ২০১৪ সালের জুনে ইউরোপীয় সেন্ট্রাল ব্যাংক (ইসিবি) তাদের কাছে রক্ষিত আমানতের ওপর সুদের হার ঋণাত্মক দশমিক ১ শতাংশ ধার্য করে, সেপ্টেম্বরেই তা ঋণাত্মক দশমিক ২ শতাংশে নামানো হয়। ডেনমার্ক ও সুইজারল্যান্ডও ঋণাত্মক সুদের হার চালু করেছে। আর ১২ ফেব্রুয়ারি সে তালিকায় যোগ দিয়েছে সুইডেন। এসব দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ধারণা, সুদের হার ঋণাত্মক পর্যায়ে নামিয়ে আনলে তাতে নানাভাবে তাদের অর্থনীতির গতি জোরদার হবে। আসলেই কি তাই? অর্থনীতি যখন কোনো সংকটে পড়ে তখন প্রচলিত সমাধান হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার কমিয়ে দেয়। তাদের সঞ্চয় ও ঋণ গ্রহণ বেশ আকর্ষণহীন হয়ে পড়ে। ফলে ভোক্তাসহ প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্থ ব্যয়ের হার বেড়ে যায় এবং অর্থনীতির পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পর্যাপ্ত গতি পায়। কিন্তু মূল্যস্ফীতির হার কম থাকলে তাতে এ সমাধান বেশ কঠিন হয়ে ওঠে। অনেক বড় অর্থনীতিই এখন মূল্যসংকোচনের ধারায় পড়েছে, যে পরিস্থিতিতে মূলত পণ্যের দাম হু হু করে কমতে থাকে। যেমন— ইউরোজোনের প্রধান সুদের হার এখন শূন্য দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ, কিন্তু প্রকৃত সুদের হার (মূল্যস্ফীতি সমন্বয় করে) কিছুটা বেশি, শূন্য দশমিক ৬৫ শতাংশ। কারণ ইউরোজোনে মূল্যস্ফীতির হার এখন ঋণাত্মক শূন্য দশমিক ৬ শতাংশে নেমেছে। যদি মূল্যসংকোচন পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটে, তাহলে প্রকৃত সুদের হার আরো বাড়বে। ফলে পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে উল্টো বাধা সৃষ্টি হবে। এ ফাঁদকে যে কোনো মূল্যে এড়িয়ে চলার জন্য ইউরোপের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো ঋণাত্মক সুদের হারের মতো অজানা এক পথে পা বাড়িয়েছে। আর তাই এ অজানা পথকে বিপদসঙ্কুল হিসেবে সতর্ক করে দিচ্ছেন অনেক অর্থনীতিবিদ। যেহেতু নগদ অর্থে কোনো মূল্যস্ফীতির ছোঁয়া নেই, তাই ঋণাত্মক সুদের হারের সুবিধা নিয়ে ভোক্তারা ব্যাংক থেকে প্রচুর অর্থ উত্তোলন করে তা বাসায় জমা রেখে দিতে পারেন। পরবর্তী সময়ে ঋণ দেয়ার মতো ব্যাংকের হাতে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকলে সেক্ষেত্রে সুদের হার বেড়ে যেতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো বলছে, ভোক্তারা এভাবে বাড়িতে অর্থ জমা রাখবেন না। কারণ তা ব্যয়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ। তা না হয় মানা গেল, কিন্তু আরো অনেকভাবে ঋণাত্মক সুদের হার অর্থনীতিতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে। গ্রাহকদের হারানোর ভয়ে ব্যাংকগুলো তাদের আমানতের ওপর এ ঋণাত্মক সুদের হার না-ও প্রয়োগ করতে পারে। তাছাড়া আমানত ছাড়াও ব্যাংকগুলোর বন্ধকি ঋণের মতো কিছু সম্পদ আছে, যেগুলো সুদের হারের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ফলে ঋণাত্মক সুদের হারে শুধু তাদের মুনাফাই কমবে না, ক্ষয়ে যেতে পারে সার্বিক পুঁজিও। ক্ষতিগ্রস্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে কোনো ভূমিকাই রাখতে পারে না। সুদের হার ঋণাত্মক করায় তাতে কেমন সুফল বয়ে আনবে তা এখন দেখার বিষয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ সাহসী পদক্ষেপের ফলে ভোক্তা ধরে নেবেন সরকার মূল্যসংকোচন থেকে উত্তরণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আবার তারা এও ধরে নিতে পারেন যে, এমনকি শূন্য সুদের হারও মূল্যস্ফীতি ধরে রাখতে সক্ষম নয়। তাই এক্ষেত্রে সফলতার জন্য সবচেয়ে বেশি আশার আলো দেখতে হবে বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় বাজারে। ঋণাত্মক সুদের হারের কারণে আরো মুনাফার আশায় বিনিয়োগকারীরা বিদেশের দিকে নজর দিতে পারেন। এতে অবমূল্যায়িত হতে পারে দেশটির মুদ্রার মান। তাতে বেড়ে যেতে পারে আমদানি মূল্য এবং ফলাফল হিসেবে মূল্যসংকোচন পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত হয়ে প্রবৃদ্ধির গতি বাড়তে পারে। ইসিবি ঋণাত্মক সুদের হার চালু করার পর থেকে ডলারের বিপরীতে ইউরোর মান প্রায় ২০ শতাংশ কমেছে। তাই বলা যায়, ডেনমার্কের কেন্দ্রীয় ব্যাংক অন্ধভাবেই এ পথে পা বাড়ায়নি। ব্যাংকটির প্রধান লক্ষ্য, পতনশীল ইউরোর বিপরীতে নিজেদের মুদ্রার একটি স্থায়ী বিনিময় হার ধার্য করা। যদি মুদ্রার মান আরো কমে যায় তাহলে ঋণাত্মক সুদের হার জাদু দেখাতে পারে। তবে শর্ত হচ্ছে, পণ্যমূল্যের পতনেও বিশ্ব অর্থনীতিতে কোনো উল্লেখযোগ্য নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারবে না।
  7. Violence erupted during the anti-austerity protests in Greece and Spain, stoking worries on whether the euro zone will be able to contain the debt crisis. Spain’s debt will widen to 90.5 percent of gross domestic product in 2013 as the state absorbs the cost of bailing out its banks, the power system and euro-region partners Greece, Ireland and Portugal. This year’s budget deficit will be 7.4 percent of economic output, Budget Minister Cristobal Montoro said at a press conference. Spain’s 6.3 percent target will be met because it can exclude the cost of the bank rescue, he said. N.B: I GUESS DOLLAR WILL GO UP & EURO DOWN ; NEWS SAYS LIKE THAT
  8. news indicator

    try this forexfactory news indicator. open and click ALLOW DLL Imports jubayer news.ex4
  9. This week turned out to be another lackluster week once again as the curse of summer boredom kicked in. Markets this week hung on the potential of stimuli and interventions by various major central banks, namely PBoC, Federal Reserve, BOE, BOJ, and of course, ECB. In the U.S., data out in these past weeks was positive to say the least, making the likelihood of QE3 in the near term increasingly… unlikely, for lack of better words. To begin with, the Jobs data showed significant improvements, with the average Jobless Claims for the last four-weeks at lowest levels in months, indicating that we may see the Unemployment Rate falling back to the 8.0% level during the next BLS Non-farm Payroll release, and that would add more momentum to the employment sector following the optimism generated from July’s NFP release, which came in at 163K versus 100K forecast… Furthermore, the July Advance Retail Sales this week came in at a five-month high, with broadly better demand across all sectors, especially the building materials sector, which corresponded to the August NAHB index of builders’ confidence report (37 versus 34) on new homes demand at its highest level since early 2007, the July housing starts at 0.75M, and building permits numbers at 0.81M, or the best level in four years. With recent economic data showing strong signs of improvements in the economy, the hawks of the Federal Reserve (Kocherlakota and Fisher) seized the opportunity ahead of the upcoming Fed symposium in Jackson Hole to voice their oppositions to more easing measures, meanwhile neutral members (Ester George) chimed in by stating that consumers and businesses should not expect more interest rate cuts or stimulus from the Fed. US Treasury yields continued to move up as investor demand more return on their investments in the equity market instead. The benchmark US 10-year yield rose above 1.80% for the first time since May, following the new multi-month highs seen in stock indices… The effects of risk demand also affected the commodities front, as The September WTI crude rose above 96.0 despite of a potential oil release from the Strategic Petroleum Reserve. In Europe, German Chancellor Merkel returned from vacation and gave a verbal support for ECB chief Draghi, saying that his London speech pledging to do whatever is necessary to defend the EMU was in line with what European leaders have been saying for a long time, which provide support for the EURUSD, as the pair traded around the 1.2300 level for the better part of the week. In Spain, there were rumors that Spain may make an addendum to the MOU for the part of the bank rescue to be paid directly to the government, as the banking sector would only need €60 Billion out of the €100 Billion rescue from the EFSF. In Japan, the preliminary Q2 GDP data came out at 1.4% on a year on year basis, which missed the forecast of 2.3% by 0.9%! This pointed to continued slowdown, especially considering that the Private consumption component, which accounts to almost 60% of the total GDP, came in at 0.1% for Q2 vs 1.2% in Q1. Further evidence to support the trend of economic slowdown was the fact that the Q2 figure included a 1.7% increase in public investment for the tsunami rebuilding, which suggested that the one-off investment effects in the economy will dissipate soon, and that further slowdown is not only likely, but almost guaranteed. BOJ minutes for July reiterated the central bank is committed to pursuing powerful easing to achieve its 1% inflation target. The Japan cabinet office showed some optimism over inflation, estimating its FY13 nominal GDP at 1.9% exceeding the real GDP target of 1.7% for the first time in 16 years. Analysts further noted that the USD/JPY pair had the technical momentum to potentially retest the June highs around ¥80.60. In other parts of the world, UK’s Q2 GDP could be revised up this coming Friday as the sharp upward revision for June’s Retail Sales suggested a 0.2% of improvement, making the forecast of Revised Q2 GDP at -0.5% instead of -0.7%; China’s PBoC continues to surprise the market by not cutting the RRR rate this week, but it only makes the potential for a cut this coming week more likely; Canada’s recent economic data showed that CPI (inflationary pressure), Employment, and GDP are falling sharply, which make the possibility of a near term rate hike highly unlikely… In conclusion, positive developments in Spain suggests that EUR may gain further yet. I’d be paying attention to the outcome of the potential addendum in the Spanish Bank Aid MOU and look to buy EUR on dips. GBP is likely to gain on the positive Retail Sales revisions which may lead to an upward revision in its quarterly GDP release on Friday, I’d be inclined to BUY GBP on dips as the effects of the Olympics may be more profound that some analysts originally thought. Considering that further easing is coming and inflation is in check, GBP could go back above the 1.60. JPY is likely to remain under selling pressure due its slowing economy, as evidenced by the Q2 GDP data. I would be looking to SELL JPY on any rallies, or go long on GBPJPY or EURJPY, as both currencies show strong potential for upward breakout. USD could suffer this week as traders speculate some kind of stimulus announcement by Bernanke in the upcoming Jackson Hole meeting. Although it is highly unlikely, we can’t discount the possibility and the stubbornness of the market, therefore I’d expect to see USD under selling pressure. CAD is expected to weaken slightly or remain range-bound, as recent bullish comments from BOC were canceled by the worse than expected CPI release on Friday, which takes away any justification for a rate hike in the near term. AUD and NZD are likely to gain on the continuation of further risk appetite sentiment, although AUD did suffer a bit after Australian Treasurer used the words “rate cut” in his recent comments… I believe it may be a gift from the Aussies as now we have a much better entry level to buy the AUD… Remember, PBoC is likely to cut the RRR in the next few days, so I would not expect to see AUD remain weak for an extended period of time… CHF is likely to gain on the back of risk appetite and stronger EUR, and SNB should start to sell some EUR accumulated from the peg, allowing CHF to strengthen a bit, and this would push the USDCHF lower.

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×