Jump to content

Search the Community

Showing results for tags 'forex'.



More search options

  • Search By Tags

    Type tags separated by commas.
  • Search By Author

Content Type


Categories

  • ইন্ডিকেটর
  • এক্সপার্ট এডভাইসর
    • বিডিপিপস EA ল্যাব
  • স্ক্রিপ্ট
  • ট্রেডিং স্ট্রাটেজী
  • ট্রেডিং প্লাটফর্ম
  • ফরেক্স ই-বুক
    • বাংলা ই-বুক
  • চার্ট টেমপ্লেট

বিডিপিপস

  • ট্রেডিং এডুকেশন
    • সাধারণ ট্রেডিং আলোচনা
    • ফরেক্স স্টাডি
    • প্রশ্ন এবং উত্তর
  • ফরেক্স ট্রেডিং আলোচনা
    • ফরেক্স নিউজ
    • ট্রেডিং আইডিয়া
    • ট্রেডিং স্ট্রাটেজি
  • ট্রেডিং সফটওয়্যার
    • ফরেক্স ইন্ডিকেটর
    • এক্সপার্ট এডভাইসর
    • মেটাট্রেডার এবং MQL
  • ফরেক্স ব্রোকার
    • ফরেক্স ব্রোকার
    • ডিপোজিট ও উইথড্র
  • বিডিপিপস ফোরাম সাপোর্ট
    • ফোরাম সাপোর্ট
  • অফ-টপিক
    • অপ্রাসঙ্গিক
    • ফরেক্স হিউমার
    • বিজ্ঞাপন
  • লাইভ ট্রেডিং রুম

Categories

There are no results to display.


Found 74 results

  1. সম্মানিত ট্রেডার বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভাল আছেন। অনেকে আবার ভাল নেই। অনেকে ভাল থাকার চেষ্ঠা করছেন মাত্র। এই ভাল থাকা না থাকার মাঝে যারা ফরেক্স এ ট্রেড করছেন, তারা অপেক্ষাকৃত বেশি অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন। কেননা, আমরা সবাই জানি ফরেক্স মার্কেটে ৯০-৯৫% লস করে। যদি তাই হয় তাহলে আমাদের দেশেও শতকরা ৯০-৯৫ ভাগ ট্রেডার লস করেই যাচ্ছেন। এটাই বাস্তবতা নয় কি?? কিন্ত এর প্রেক্ষিতে আজ পর্যন্ত এমন কোন গ্রুপ কি তৈরী হয়েছে যেখানে সবাই টানা প্রফিট করে যাচ্ছেন? আমরা দেখেছি, কেউ ১০ টা ট্রেডের ৭-৮ টাই লস করলেও বাকি ২-৩ টা প্রফিট এর ট্রেড এর স্ক্রীন শট নিয়ে চরমভাবে মার্কেটিং করে থাকেন। ফলে অধিকাংশ ট্রেডার ভুল পথে পরিচালিত হয়ে থাকেন। এবং শেষমেষ লস করেই মার্কেট থেকে বিদায় নেন। কিন্ত এমন তো হবার কথা ছিল না! বাংলাদেশে প্রায় এক যুগেরও বেশি সময় ধরে চলে আসা ফরেক্স ট্রেডিং আজও তুলনামুলক প্রফিটের মুখ দেখেনি। কিন্ত তবু অনেকে চেষ্ঠা করে যাচ্ছেন ভাল কিছু করার। সেই চেষ্ঠার প্রেক্ষিতেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্ঠা। আপনি যদি কন্টিনিউ প্রফিট করে থাকেন, তবে আমাদের এই সার্ভিস আপনার জন্য নয়। আমাদের সার্ভিস তাদের জন্য, যারা অনেক চেষ্ঠা করেও প্রফিট বের করতে পারেন নি, অথবা যারা নতুন, মাত্র ফরেক্স এ আসছেন, কিভাবে শুরু করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না। আমরা কমিটেড ৮-১০ জন ট্রেডারকে নিয়ে শুরু করতে চাই আমাদের কার্যক্রম। আমাদের Bmfxanalyst টিম নিয়মিত ফরেক্স মার্কেটের কারেন্সীসমুহের সকল প্রকার এনালাইসিস করে থাকেন ও ট্রেড সিগনাল প্রদান করে থাকেন। আপনাদের কাজ হবে আমাদের ট্রেড সিগনালগুলো নিয়মিত ফলো করে যাওয়া। এখানে উল্লেখ্য যে, লাইভ সিগনাল অনেকেই সময়মত ধরতে পারেন না। কেউ ১৫-২০ মিনিট পরে আসলে দেখা যায় যে বেশ কিছু পিপ্সের মুভমেন্ট হয়ে গেছে অলরেডী। তারা সেই পিপ্সগুলো মিস করে ফেলেন। আমরা এদিকটা চিন্তা করে আমাদের সিগনাল সার্ভিসটি পেন্ডিং অর্ডার আকারে সাজিয়ে রেখেছি। অর্থাৎ আপনি পেন্ডিং অর্ডার সেট করে রেখে দিবেন, মার্কেট একসময় জায়গামত হিট করে ফেলবে। আর কেউ ২৫-৩০ মিনিট পর সিগনাল পেলেও কোন অসুবিধা হবে না। পেন্ডিং অর্ডার থাকার কারনে ট্রেড ট্রিগার করতে বেশ কিছু সময় এমনিতেই নিয়ে থাকে। এই সময়ের মাঝে আপনি সহজেই আপনার ট্রেড সেট করে ফেলতে পারবেন। অর্থাৎ এখানে আর মিস হবেনা এক পিপ্সও! আমাদের সার্ভিসটি অবশ্যই বিনামুল্যে নয়। কারন এতো পরিশ্রম, আপনাদের জন্য এতো আয়োজন বিনামুল্যে কিভাবে দেই বলুন? তবে হ্যা, এসবের জন্য আপনাদের অগ্রিম কোন মুল্যও দিতে হবে না!! এক মাস আমাদের সার্ভিস ফলো করবেন। এরপর মাস শেষে আপনার প্রফিট করা এমাউন্ট থেকে ৩০ ডলার করে মাসিক ফী হিসেবে পরিশোধ করবেন। অথবা বাংলা টাকায় ২৫০০ টাকা। ফরেক্স ট্রেডিং এ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এমন যে কেউ আমাদের সার্ভিসটি গ্রহন করতে পারেন। আমরা মাসে ৫০০ পিপ্স এর টার্গেট নিয়ে ট্রেড করে থাকি। মার্কেট এর উপর ভিত্তি তা কোন কোন মাসে ১০০০ পিপ্সও ছাড়িয়ে যেতে পারে, আবার কোন মাসে ৪০০ পিপ্সও হতে পারে। এটা ট্রেড চলাকালীন সময়ই জানা যাবে। এখানে বলে রাখি, কল্পনায় ২০০০পিপ্সের আশায় ট্রেড করে ২০০ ডলার লস করার চেয়ে, বাস্তবে ৫০০ পিপ্সের আশায় ট্রেড করে ১০০ ডলার প্রফিট করা অনেক অনেক সম্মানের ও অনেক কাজের বলেই আমরা মনে করি। অনেক কথাই বলা হল, এবার কাজে দেখার পালা। আপনি আগ্রহী হয়ে থাকলে আমাদের ফেসবুক পেজে মেসেজ করতে পারেন। ফেসবুক পেজ লিংকঃ https://www.facebook.com/bmfxanalystbd/ অথবা স্কাইপেও জানাতে পারেন। স্কাইপ আইডীঃ live:bmfxanalyst পরিশেষে, আপনাদের গঠনমুলক আলোচনা-সমালোচনার প্রত্যাশায় এখানেই শেষ করছি। সবার জন্য শুভকামনা রইল।
  2. আজ আমরা AUDNZD কারেন্সী পেয়ার নিয়ে কথা বলব। ডেইলী চার্টে দেখতে পাচ্ছি যে, পরিস্কার আপট্রেন্ডের পথে রয়েছে মার্কেট। একই সাথে চার ঘন্টার চার্টে দেখতে পাছি, ডাউন ট্রেন্ড ক্রস করে উপরে যাবার ট্রাই করছে। সুতরাং উপরে যাবার সম্ভাবনা অনেক বেশি। এবার আপনার নিজের এনালাইসিস কি বলছে? একই বলছে তো? একই বলে থাকলে দেরী কেন? সেট আপ নিয়ে নিন। আপনার শুভকামনা। চার্ট টি দেখুনঃ
  3. সবচেয়ে ভালো ফরেক্স রোবট কোন টি দাম কতো?
  4. আজ আমরা GBPUSD পেয়ার নিয়ে একটু পর্যালোচনা করি। মাঝারি মানের টাইম ফ্রেম নিয়ে এই পেয়ারটির দিকে একটু দেখলেই আমরা ভাল একটা সম্ভাবনা দেখতে দেখতে পাই। নিচের চার্টের দিকে একটু লক্ষ্য রাখুনঃ আমরা দেখতে পাচ্ছি মার্কেট এই বছরের জানুয়ারী মাসের টপ থেকে শুরু হওয়া একটা ডাউনট্রেন্ডকে টাচ করেছে একতি পিনবারের মাধ্যমে। আবার দেখতে পাই, এ বছরেরই মার্চ মাসের বটম লাইন থেকে শুরু হওয়া একটা আপ ট্রেন্ডকে ব্রেক করে অনেকটা রিটেস্ট করেছে সেই পিনবারের মাধ্যমেই! খুব সহজেই আমরা তাহলে কি দেখতে পাচ্ছি? বড় কোন সমস্যা না হলে মার্কেট এরপর ইনসাইড বা পিনবারকে আরও স্ট্রং করে দেয়, এমন কোন কনফার্মেশন দেখাতে পারলে অনেকটা নিশ্চয়তা পাওয়া যায় যে, মার্কেট নিচের দিকে নেমে যেতে পারে। এবং নিচে নেমে এ বছরের ফেব্রুয়ারী মাসের বটম লেভেল থেকে শুরু হওয়া আপট্রেন্ডের লাইনকে স্পর্শ করতে পারে। সুতরাং, কনফার্মেশন পেয়ে গেছেন কি ইতোমধ্যে? তাহলে দেরী কেন? সেট আপটা নিয়ে নিন। আর যদি এখনও কনফার্মেশন না পেয়ে থাকেন, তাহলে অপেক্ষা করুন, এরপর কনফার্মেশন সিগনাল পেলেই সেট আপ নিতে ভুলবেন না। সকলের সাফল্য কামনা করছি। ধন্যবাদ
  5. Pair: GBPJP, অনেকেই যাকে ড্রাগন পেয়ারও বলে থাকে। আজকের রিভিউ তে এই ড্রাগন পেয়ারের সেট আপ নিয়ে কথা বলব। মার্কেট বর্তমানে সুন্দর একটা পজিশনে এসে দাড়িয়েছে। ২০১৬ সালের মার্চ মাসের সাপোর্ট লেভেলে এসে দাড়িয়েছে এই ড্রাগন পেয়ারের বর্তমান এক্সেঞ্জ মুল্য। এবং এই লেভেলে এখন রেসিস্ট্যান্স মুডে থাকার সম্ভাবনাই বেশি। চার্টটা দেখে আসি চলুনঃ এবার আরেকটি চার্ট দেখব। এই চার্টও ডেইলি ক্যান্ডেল এর। তবে এখানে কিছুটা বড় করে দেখানো হয়েছে। এখানে দেখা যাচ্ছে যে ছোট খাট একটা ট্রেন্ডও ব্রেক করে রিটেস্ট করার মুডে আছে এই মুহুর্তে মার্কেট। এবং বর্তমানের সেই রিটেস্ট মুডে ও রেসিস্ট্যান্স লেভেলে একটা পিনবারও তৈরী করেছে। এই চার্টটাও দেখে আসি চলুনঃ সুতরাং আমরা ধারনা করতেই পারি যে মার্কেট বেয়ারিশ হবার সম্ভাবনাই বেশি। আমার এনালাইসিস তো দিলাম, এবার আপনার এনালাইসিসে কি বলছে?? একই বলছে কি?? নাকি ভিন্ন কিছু বলছে?? আমি চেষ্ঠা করছি রেগুলার আমার ট্রেড এনালাইসিস আপনাদের সাথে শেয়ার করতে। এই লেখাটি আপনি আপনার ফেসবুক গ্রুপ, ফেসবুক ওয়ালে বা আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে দিন যাতে সকলেই সামান্য হলেও উপকৃত হতে পারে। সকলের সাফল্য কামনায়। আমার ফেসবুক পেজে লাইক দিয়েও আমার সঙে থাকতে পারেন। ফেসবুক পেজ লিঙ্কঃ bmfxanalyst
  6. Pair: GBPUSD Short trade idea for 28+ pips only..... First learn, then earn.... আমি চেষ্ঠা করব রেগুলার আমার ট্রেড এনালাইসিস আপনাদের সাথে শেয়ার করতে। এই লেখাটি আপনি আপনার ফেসবুক গ্রুপ, ফেসবুক ওয়ালে বা আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে দিন যাতে সকলেই সামান্য হলেও উপকৃত হতে পারে। সকলের সাফল্য কামনায়। আমার ফেসবুক পেজে লাইক দিয়েও আমার সঙে থাকতে পারেন। ফেসবুক পেজ লিঙ্কঃ bmfxanalyst
  7. দেশের সকল ট্রেডার বন্ধুদের মাঝে আসতে পেরে নিজেকে অনেক ভাগ্যবান মনে করছি। একই সাথে নিজের প্রথম পোস্টটাও করে ফেলছি সবাইকে নিয়েই। তাহলে শুরু করা যাক, আমরা যারা কিছু কর্ম করি, তা চাকুরী হোক বা ব্যবসা, সব কর্মের পিছনেই একটা অভিন্ন উদ্দেশ্য থাকে। তা হল আয় রোজগার করা। এই আয় রোজগারের সাথেই আমাদের জীবনের সকল চাওয়া পাওয়া সরাসরি সম্পর্ক বিদ্যমান। একইভাবে ফরেক্স এ বেশিরভাগ মানুষই আসে অন্যের কথা শুনে বা অন্যের গালভরা গল্প শুনে, তবে সেই গল্পগুলো হয় কাড়ি কাড়ি টাকা ইনকাম করার। মানুষের সহজাত স্বভাব দিয়ে এতে আকৃষ্ট হয়ে পড়ে। আর কুয়োর ব্যাঙের সাগরে পড়ার মত নাকানিচুবানী খেয়ে কোনমতে উঠে পড়ে, আর নয়তো কেউ কেউ বেঘোরে তার শেষ সম্বলটুকুও হারায়। কিন্ত কেন? কেন হবে এই অবস্থা? আসুন একটু জেনে নেই আগে, এরপর আমরা জেনে নেব এর সমাধান। ধরুন, আপনি দেশে কোন জায়গায় চাকুরী করেন। প্রাথমিক অবস্থায় বেতন হবে ৮-১০ হাজার টাকার মত, খুব ভাল হলে ১৫-২০ হাজার হতে পারে। অথচ এর পিছনে আপনার মুলধন কি? বিগত ১৬-১৭ বছরের একটানা পড়াশোনা ও সফলভাবে উত্তীর্ণ হওয়া।এতো দীর্ঘ সময়ের বিনিময়ে আপনি মাত্র ৮-১০ বা ১৫-২০ হাজারের বেতনেই সন্তষ্ট হচ্ছেন। তাই নয় কি? এবার আসি কাজের কথায়, ফরেক্স শব্দটাই আপনি কারও কাছে শুনেছেন ২ মাসও হয়নি। এর ভিতর আপনি ডিপোজিট থেকে শুরু করে সকল প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছেন এমনকি মাসে লাখ লাখ টাকা, নুন্যতম ৪০-৫০ হাজার টাকা আয়ের স্বপ্নও দেখে ফেলছেন!! আদৌ স্বপ্নটা বাস্তব কিনা ভেবেছেন কখনও?? টানা ৫ বছর ট্রেড করে প্রফিট করেছেন, এমন ট্রেডার বাংলাদেশে হাতে গোনা কয়জন পাওয়া যাবে আমি জানিনা। তবে কথায় কথায় জ্ঞান দেবার মত বেশ কিছু ট্রেডারভাই আছেন যারা আইবী কমিশন বেশ ভালো পায়। কিন্ত আইবী কমিশন ফরেক্সের একটা পার্ট মাত্র। ফরেক্স এর মুলধারা নয়। মুলধারা হচ্ছে ট্রেড করে প্রফিট বের করে আনা মার্কেট থেকে। কারন আইবীতে অন্যের ট্রেডের স্প্রেড কমিশনের একটা অংশ নেওয়া হয়, কিন্ত মুল মার্কেটের কিছুই বের করে আনা হয়না। আমাদের উদ্দেশ্য ফরেক্স মার্কেট থেকে মুল প্রফিট বের করে আনা। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন কোন জায়গায় দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করলে আপনার ট্রেডিং এর রেজাল্টেও পরিবর্তন চলে আসবে। প্রথমেই বলব একটা নির্দিষ্ট স্ট্রাটেজী বের করতে। আন্দাজের উপর ভর করে কখনো ট্রেড করবেন না। অনেক উপরে উঠে গেছে এবার সেল দেই, বা অনেক নিচে নেমে গেছে এবার বাই দেই, এমন করবেন না। হুজুগের বশে নিজের পয়সা হারানোর কোন মানেই হয়না। ভেবে চিনতে বা গুগলে সার্চ দিলেও অনেক অনেক স্ট্রাটেজী পাবেন, সেগুলো ভালভাবে দেখে ঘোষামাজা করে আপনার নিজের মত করে একটা ট্রেডিং সিস্টেম তৈরী করে ফেলুন। এবার আপনার ট্রেডিং স্ট্রাটেজীকে নির্দিষ্ট কোন এক টাইম ফ্রেমে (এইচ ফোর এর উপরের কোন একটা) বসিয়ে একের পর এক পেয়ার ধরে ধরে যাচাই করে নিন। কোন এক মাস ধরে ধরে লাভ লস মিলিয়ে হিসেব বের করুন। এভারেজ কেমন প্রফিট আসে আর প্রতি দশটা ট্রেডে এভারেজ কতটা প্রফিটে থাকে এই হিসেব করে ফেলুন। সব হিসেব শেষে বের করুন কোন পেয়ারে ভাল রেজাল্ট এসেছে সব দিক দিয়ে।এবার শুধুমাত্র সেই এক পেয়ার নিয়েই ট্রেড করতে থাকুন। ভুলেও ৫-৬ বা ১০-১২ টা কারেন্সী পেয়ার নিয়ে ট্রেড করতে যাবেন না। মনে রাখবেন সমুদ্রে জেলিফিস ধরার জাল দিয়ে আপনি হাঙ্গর বা তিমি মাছ ধরতে পারবেন না। তেমনি একটা স্ট্রাটেজী দিয়ে আপনি আমেরিকা, বৃটেন এমনকি ইউরোপকেও যদি কন্ট্রোলে রাখতে চান তাহলে ভুল করার সম্ভাবনাটাই বেশি হবে। কারন প্রতিটি দেশের অর্থনৈতিক মুভমেন্ট একই ধারায় চলে না। এবার বাছাইকৃত সেই পেয়ারের ব্যাকটেস্ট করুন মাসের পর মাস ধরে ধরে। একটা ভাল আইডিয়া পেয়ে যাবেন। কোন কোন পরিস্থিতিতে রেজাল্ট খারাপ বা ভাল আসে তার ব্যাপারেও পরিস্কার ধারনা পেয়ে যাবেন তাহলে। এটাই আপনাকে সাহায্য করতে আপনার রেগুলার প্রফিট বের করে আনতে। মাসে ২-৫ হাজার পিপ্স এর আশা বাদ দিয়ে ২-৩ শত পিপ্সের সন্তষ্ট থাকেন। মনে রাখবেন এমন ট্রেডারও আছে যারা মাসে ১০০ পিপ্স এ মিলিয়ন ডলারও আয় করে। ধীরে ধীরে ব্যালান্স বাড়ান। তবে বার বার ডিপোজিট করে নয়। প্রফিট করে করে। বাড়তি কোন পেয়ারে যাবার প্রয়োজন নেই। একটা পেয়ারেই স্থির থাকুন। আর এক বারে একটা ট্রেডের বেশি ট্রেড ভুলেও নেবেন না। একটা ট্রেড শেষ হলে এরপর পরের ট্রেডে যাবেন। স্পেসিফিক টেকপ্রফিট ও স্টপ লস সেট করবেন। এবার ফলাফল হাতে নাতে দেখুন। পরিশেষে, ধৈর্য্য ধরে পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনাকে। তাহলে শুরু করুন আপনার সফল ট্রেডিং অধ্যায় এখনই একটি ভাল ব্রোকারের সাথেঃ নতুন একাউন্ট আমার ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমার এনালাইসিস এর সঙেই থাকুন। ফেসবুক লিংকঃ bmfxanalyst
  8. $35 Free Bonus allows you to try your hand at real market conditions without risking your own funds. This $35 Free Bonus is deposit-free and does not require the deposit of own funds to withdraw the bonus and the bonus profit. CONDITIONS OF THE WELCOME BONUS PROGRAM Welcome Bonus can be obtained by every new client who has passed the verification procedure in the Trader’s Room. The Welcome Bonus can be obtained only within 10 calendar days from the moment of registration on the company website. The bonus amount is 35 USD (3500 USD cents if your account is Cents account or the equivalent amount in Euros, depending on the currency of your account). The Welcome Bonus can be used only once, it can be obtained only by new customers for one trading account. The Welcome Bonus is not available on the Flex Newbie, Pro and S.T.A.R. accounts. Your relatives will not be able to get the bonus, if you have already received it. To withdraw the bonus and profit made with the help of bonus funds you have to meet the terms of the trading turnover on the account: 20 lots for USD or EUR accounts or 2000 micro lots for Cent accounts. More info for how to get and where to find forex no deposit bonus .
  9. Crude Oil বা ক্রুড তেল বলতে যে অপরিশোধিত তেলকে বোঝায়, তা আমরা জানি। “তেল নিয়ে তেলসামাতি” পড়ে থাকলে আপনি এটাও জানেন যে বিশ্বে বিভিন্ন ধরনের অপরিশোধিত তেল রয়েছে এবং এগুলোর মধ্যে Brent Crude, WTI Crude এবং Opec Basket Crude সবচেয়ে বেশী জনপ্রিয়। এখন আপনি প্রশ্ন করতে পারেন যে, এই তেলগুলো কি জিনিস সেটা জেনে আমার কি লাভ? সত্যি বলতে তেমন কোন লাভ নেই, তাই এ নিয়ে বিস্তারিত কোন আলোচনায় যাবো না। কিন্তু, তেলের যে বিভিন্ন ধরন আছে, আর কোনটা কি, তা জানার দরকার আছে। না জানলে কি ঝামেলায় পড়বেন, তা নিচের উদাহরন দেখলেই বুঝতে পারবেনঃ বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় অপরিশোধিত তেল হচ্ছে Brent Crude (মোট ব্যবহৃত অপরিশোধিত তেলের দুই তৃতীয়াংশই হচ্ছে Brent Crude বা ব্রেন্ট ক্রূড)। আর XM এ Brent Crude Oil এর নাম হচ্ছে Brent, মানে mt4/mt5 এ Brent খুজে বের করলেই হবে। কিন্তু, আপনি যদি না জানেন যে Brent বলতে আসলে এক ধরনের অপরিশোধিত জ্বালানি তেলকে বোঝায়, তাহলে আপনি যেটা খুজে পাবেন, সেটা হচ্ছে Oil. XM এ শুধু OIL ট্রেডিং কোডটি দিয়ে West Texas Intermediate বা WTI ক্রুড তেলকে বোঝায়। OILMn নামে আরেকটি ট্রেডিং কোড আছে যেটি WTI ক্রুড এরই মিনি লটকে নির্দেশ করে, যেটিতে প্রতি পিপসের ভ্যালু মাত্র ১০ সেন্ট। তারমানে, Brent কি তা না জানলে আপনি সবচেয়ে জনপ্রিয় তেলটি ট্রেডের সুযোগ থেকেই বঞ্চিত হবেন। মোটামুটি সব ব্রোকারেই Brent Crude তেল শুধু Brent নামেই পরিচিত। তাই, নাম না জানলে বিপদ। আবার, Brent, OIL এবং OILMn, এই তিনটি দিয়ে যে যথাক্রমে Brent Crude, WTI Crude এবং WTI Crude এর মিনি লটকে বোঝাচ্ছে, সেটাও বুঝতে পারবেন না। আমি নতুনদের সবসময় পরামর্শ দিব OILMn ট্রেড করতে, কেননা এটাতে প্রতি পিপসের ভ্যালু সর্বনিম্ন ১০ সেন্ট, অন্যগুলোতে ১ ডলার করে। তেলের ক্ষেত্রে XM এ ১ লট বলতে ১০০ ব্যারেল তেল বোঝায় (১ ব্যারেল মানে ১৫০ লিটার)। আগেই বলেছি যে কোন তেল কি, সেটা জেনে আপনার তেমন কোন লাভ নেই, আপনার শুধু জানা দরকার কোন তেলগুলো বিশ্ববাজারে সবচেয়ে বেশী ট্রেড করা হয় এবং ব্রোকারগুলোতে সেগুলোর নাম কি। সেটা আপনি ইতিমধ্যেই জেনে আছেন। তারপরেও প্রধান তেলগুলো সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করছিঃ প্রধান অপরিশোধিত তেলগুলো আমার সবার প্রথমে মাথায় এটা প্রশ্ন জেগেছিল যে, অপরিশোধিত তেলের আবার আলাদা আলাদা ধরন কেন? নারিকেল তেল, সয়াবিন তেলের মতই কি এগুলো আলাদা আলাদা ধরনের জ্বালানী তেল নির্দেশ করে? এগুলো সবগুলোই কি একই কাজে ব্যবহৃত হয়, নাকি নারিকেল তেল, সয়াবিন তেলের মত আলাদা আলাদাভাবে ব্যবহৃত হয়? বিশ্বে ১৬০ ধরনের তেল ট্রেড করা হয়, আমরা এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশী যে তেলগুলো ট্রেড করা হয়, মানে Brent, WTI এবং Opec Basket, সেগুলোর মধ্যে তুলনা করব। জ্বালানী তেলের গুনগতমান কিভাবে নির্ধারন করা হয়? জালানী তেলের ক্ষেত্রে গুনগতমান নির্ধারন করা হয়, এতে কতটুকু সালফার আছে এবং এটি কতটুকু ভারি তা দিয়ে। কোন তেলে সালফারের পরিমান শতকরা যত কম থাকবে, সেটিকে তত বেশী sweet বলা হবে। এখানে, sweet দিয়ে শুধুমাত্র সালফারের পরিমান কত কম, সেটাই নির্দেশ করছে, মিষ্টিজাতীয় কিছু না। আরেকটি বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে API Gravity, যেটা ওজন নির্দেশ করে। কোন তেলের API Gravity যত বেশী, সেটা ওজনে তত হালকা, একইভাবে API Gravity যত কম, ওজনে তত ভারী। যদি কোন তেলের API Gravity ১০ এর বেশী হয়, তাহলে সেটা পানিতে ডুবে যাবে, নাহলে পানির উপর ভেসে থাকবে। যেই তেলের API Gravity যত বেশী হবে, মানে যত হালকা হবে আর সালফারের শতকরা পরিমান যত কম হবে, মানে তেলটি যত sweet হবে, তার গুনগতমান তত বেশী হবে, বেশী পরিমানে উন্নতমানের গ্যাসোলিন উৎপন্ন করা যাবে। তাহলে, এবার দেখা যাক, ব্রেন্ট, WTI আর ওপেক বাস্কেট, কোনটার গুনগত মান সবচেয়ে ভালো। WTI বা West Texas Intermediate তিন ধরনের তেলের মধ্যে সবচেয়ে ভালো তেল হচ্ছে এবং খুবই উন্নতমানের তেল হচ্ছে WTI বা West Texas Intermediate. এতে সালফার আছে শতকরা মাত্র ০.২৪ ভাগ আর API Gravity হচ্ছে ৩৯.৬ ডিগ্রি। নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে যে, এটি যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত হয়। খুবই হালকা এবং সালফারের পরিমান খুব কম বলে, এটি গ্যাসোলিন উৎপাদনের জন্য সর্বোত্তম। WTI তেলের ব্যবহার সবচেয়ে বেশী হয় আমেরিকা বা যুক্তরাষ্ট্রে। Brent Crude Oil এর পরেই আসবে Brent Crude Oil. এতে সালফারের পরিমান শতকরা ০.৩৭ ভাগ আর API Gravity হচ্ছে ৩৮.৩ ডিগ্রি। WTI এর মত এত ভালো না হলেও, এই তেলও হালকা এবং এতে সালফারের পরিমান খুব বেশী না। মূলত ডিজেল, গ্যাসোলিন পরিশোধনের জন্যেই Brent Crude Oil বেশী ব্যবহৃত হয়। মূলত উত্তর সাগরের চারটি ভিন্ন ভিন্ন জায়গা থেকে এই তেল আহরন করা হয়। Brent তেলের ব্যবহার সবচেয়ে বেশী হয় ইউরোপে এবং আফ্রিকাতে। Opec Basket সবশেষে আসবে ওপেক বাস্কেট। ওপেক নাম শুনেই বুঝতে পারছেন যে এই তেল কোথা থেকে আহরন করা হয়। ঠিক, মূলত ওপেকভুক্ত দেশগুলো থেকে, যেমনঃ সৌদি আরব, আলজেরিয়া, ভেনিজুয়েলা ইত্যাদি। এগুলোতে সালফারের পরিমান খুবই বেশী, আবার তুলনামুলকভাবে ভারী। তাই, WTI বা ব্রেন্টের সাথে তুলনা করলে ওপেক বাস্কেট তেল বেশ নিম্নমানের। কিন্তু, সুবিধা হল ওপেক দেশগুলোতে প্রচুর তেল মজুদ আছে এবং তারা চাইলেই যেভাবে উৎপাদন বাড়াতে পারে, সেইভাবে অন্য তেলগুলোর উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব না। তাই, বিশ্ববাজারে ওপেক বাস্কেট এর গুরুতবপূর্ন ভুমিকা আছে। কোন তেলের দাম সবচেয়ে বেশী? আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে দাম। ওপেক বাস্কেট তেলের দাম প্রধান তেলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সস্তা। Brent তেলের দাম সাধারনত ওপেক বাস্কেট থেকে ব্যারেলপ্রতি ৪ ডলার বেশী হয়। WTI এর দাম তো আরও বেশী। ওপেক বাস্কেট থেকে WTI ব্যারেলপ্রতি ৫-৭ ডলার বেশী দামে বিক্রি হয়, মানে Brent তেল থেকে WTI তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১-৩ ডলার বেশী।
  10. আপনি কি জানেন, ফেসবুকের শেয়ারের দাম এখন কত? ১৮১ ডলার মাত্র! আপনি কি জানেন, মাত্র ৫ বছর আগে ফেসবুকের শেয়ারের দাম কত ছিল? ৩১ ডলার মাত্র! অর্থাৎ, ৫ বছরে ফেসবুকের শেয়ারের দাম বেড়েছে ৬ গুনেরও বেশি। মাত্র ১ বছর আগেও ফেসবুকের শেয়ারের দাম ছিল ১৩১ ডলার। প্রতিবছর ফেসবুকের শেয়ারের দাম বাড়ছে ক্রমাগত কোন বড় উত্থান পতন ছাড়াই। আর ফেসবুকের সামনের কয়েক বছরে অন্তত আয় কমার কোন সম্ভাবনা নেই, বরং বাড়বে অনেক। তাই, ফেসবুকের শেয়ারের মূল্যও বাড়বে। তো, আপনি যখন জানেনই ফেসবুকের শেয়ারের দাম বাড়বে আর যদি দীর্ঘমেয়াদে আপনার ফেসবুকের শেয়ার কিনে রাখার ধৈর্য থাকে, তাহলে ফেসবুকের শেয়ার কিনবেন না কেন? যদি সে সুযোগ আপনার থেকেই থাকে! এক্ষেত্রে সম্ভাব্য সমস্যাগুলো কি কি? সহজ হচ্ছে অনলাইনে ট্রেড করা একটা সময় ছিল, যখন কোন কিছু ট্রেড করা কঠিন ছিল। স্টক ট্রেড করতে হলে আপনাকে যেতে হত কোন স্টক ব্রোকারের কাছে, খুলতে হত স্টক ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট। আবার, ফরেক্স ট্রেডিং করতে হলে, হতে হত ব্যাংকের সম্পদশালী গ্রাহক। শুধুমাত্র, তাহলেই ব্যাংক থেকে ফরেক্স ট্রেড করার সুবিধা মিলত। আবার, কমোডিটি, যেমন, তেল, চিনি, কফি ইত্যাদি কেনাবেচার জন্যে যেতো হতো কমোডিটি এক্সচেঞ্জে। আবার, স্টক ব্রোকারগুলো থেকে শুধুমাত্র স্থানীয় কোম্পানীগুলোর শেয়ারই কেনা যায়। যখন, স্টক মার্কেটে ধ্বস নামে, তখন বসে থাকা ছাড়া কিছু করার থাকে না। অথচ, উন্নত দেশগুলোতে মানুষ কিন্তু স্টক মার্কেট ক্রাশের সময় সেল ট্রেড থেকেও লাভ করতে পারে। সেই সুযোগ আমাদের এখানে নেই। কিন্তু, প্রযুক্তির কল্যাণে সব বদলে যাচ্ছে। অনলাইনেই ফরেক্স ব্রোকাররা স্বল্প বিনিয়োগে যে কাউকে ট্রেড করার সুযোগ দিল। তবে সময়ের সাথে সাথে ফরেক্স ব্রোকাররা এখন আর শুধু নিজেদের ফরেক্স ব্রোকার বলতে রাজি না। ব্রোকারদের সাথে আপনি এখন শুধু কারেন্সি না, ট্রেড করতে পারেন বিদেশী অধিকাংশ বিখ্যাত কোম্পানির স্টকের, আর তেল বা স্বর্ণ কেনাবেচার সুযোগ তো অনেক আগে থেকেই রয়েছে। স্টক ট্রেডও যে একেবারে নতুন করা যাচ্ছে, তা নয়। কিন্তু, অনেক ট্রেডারই শুধুমাত্র না জানার কারনেই এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আর তার সাথে জানা দরকার কিছু গুরুত্বপূর্ন তথ্যও। অন্যথায় আপনাকে পড়তে হবে ক্ষতির মুখে। স্থানীয় কোন স্টক ব্রোকার থেকে শেয়ার কেনা আর অনলাইনে স্টক কেনার মধ্যে কিন্তু পার্থক্য আছে শুরুতেই জেনে নিন যে, স্থানীয় কোন স্টক ব্রোকার থেকে স্টক কেনা আর অনলাইনে কোন ব্রোকার থেকে স্টক কেনার মধ্যে কিন্তু কিছু পার্থক্য আছে। আপনি অনলাইনে স্টক কিনতে গেলে কিছু সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন হবেন, যেগুলো প্রথমেই জেনে নেওয়া ভালো। যদিও অনেক আলাদা সুবিধাও আছে, তারপরেও বিডিপিপসে আমরা সীমাবদ্ধতাগুলোকেই আগে তুলে ধরি। এর উপর ভিত্তি করেই আপনি সিদ্ধান্ত নিবেন আপনি অনলাইনে স্টক ট্রেড করবেন কিনা। অনলাইনে স্টক ট্রেডিং এর সীমাবদ্ধতা সর্বপ্রথম এবং সবচেয়ে বড় অসুবিধা হচ্ছে, আপনি সরাসরি স্টক কিনতে পারবেন না। আপনাকে কিনতে হবে স্টক সিএফডি (CFD)। অবাক হচ্ছেন তো? ভেঙ্গে বলছি। CFD মানে হচ্ছে Contract For Difference. দুই পক্ষের মধ্যে এমন একটি চুক্তি হওয়া, যেখানে একটি পক্ষ ট্রেড করা যায় এমন কোন জিনিস কেনার জন্য মূল্য পরিশোধ করবে, কিন্তু সেই পণ্যের মালিক হবে না। যার থেকে সে কিনেছে, শুধু তার কাছেই বিক্রি করা যাবে। এখানে, কেনার সময় মার্কেট প্রাইসেই কিনতে হবে, আর বিক্রির সময় মার্কেট প্রাইসেই বিক্রি করা হবে। অপর পক্ষ বাধ্য, যেকোন সময় বিক্রি করার আদেশ দিলেই তা মেনে নিতে। বিক্রি করার সময়, ক্রেতা যে পরিমানে CFD কিনেছিল, বিক্রির সময় তার যে দাম, তার পুরোটা দিতে হবে। এখন, কেনার সময় থেকে বিক্রির সময় যদি মার্কেট প্রাইস বেশী থাকে, তাহলে ক্রেতার লাভ। আর যদি কম থাকে, তাহলে বিক্রেতার লাভ। কেননা, বিক্রেতা যে জিনিস বেশী দামে বিক্রি করেছিল, তা কম দামে কিনে নিয়েছে। সাধারন কেনাবেচার সাথে পার্থক্য হল, ক্রেতা চাইলেই বলতে পারবে না যে, আমার জিনিস আমাকে বুঝিয়ে দেও। আমি বিক্রি করতে চাই না। সে সুযোগ নেই। কিন্তু, বিক্রি করার সময় বিক্রেতা চাইলেই বলতে পারবে না, আমি আপনাকে এখন এই দাম দিব বা এখন আমি কিনব না। যদি আগে থেকে কোন নির্ধারিত তারিখ উল্লেখ করা না থাকে, তাহলে ক্রেতা যখন বিক্রি করতে চায়, ঠিক তখনই ক্রেতার থেকে মার্কেটে তখন যে দাম থাকবে, সেই দামে কিনে নিতে হবে। অনলাইনে এই প্রক্রিয়াটা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই হয়, ক্রেতা যখনই ট্রেড ক্লোজ বাটনে ক্লিক করে, তখনই আসলে সে মার্কেট প্রাইসে তার কাছে থাকা CFD ব্রোকারের কাছে বিক্রি করে দিচ্ছে। তারমানে, বোঝা গেল যে, আপনি স্টকের সত্যিকারের মালিকানা পাচ্ছেন না, ফেসবুকের কোন শেয়ার সরাসরি আপনার নামে ইস্যু হবেনা। কিন্তু, দাম বাড়লে কমলে ঠিকই আপনার লাভ অথবা লস হবে। তবে আপনি যেই কোম্পানির স্টক CFD কিনছেন, তারা যখন বার্ষিক সাধারন সভাতে ডিভিডেন্ট দিবে, সেটা আপনি ঠিকই পাবেন। যদি এটা আপনার জন্য সমস্যা না হয়, তাহলে অন্য সীমাবদ্ধতাগুলো আসলে সুবিধার তুলনায় বেশ নগণ্য। পরবর্তী সীমাবদ্ধতা হচ্ছে যে, আপনি যদি স্টকটি একদিনের চেয়ে বেশি সময় ধরে রাখেন, তাহলে আপনার Swap পে করতে হবে প্রতিদিনের জন্য। অধিকাংশ স্টক ট্রেডার লিভারেজ বা ঋন সুবিধা নিয়ে ট্রেড করে, তাই ব্যাংকগুলো এর উপর প্রতিদিন যে সুদ আরোপ করে, সেটাই হচ্ছে swap. তবে, XM সহ বর্তমানে অধিকাংশ ব্রোকারেরই swap free ইসলামিক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। তাই, এই সীমাবদ্ধতা অনেকের জন্য সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে না। প্রতিদিন যদি এভাবে swap পে করতেই হয়, তাহলে একটু একটু করে হলেও দীর্ঘদিন ট্রেড ওপেন রাখলে swap জমতে জমতে বেশ ভালোই বড় একটি অ্যামাউন্টে পরিনত হয়। এর ফলে ট্রেড ক্লোজ লাভ হলে লাভের পরিমান কম যায়, আর লস হলে তো লসের পরিমান আরো বেড়ে যায়। তাই, অনলাইনে স্টক ট্রেড করতে হলে অবশ্যই প্রথমে আপনাকে একটি swap free ইসলামিক অ্যাকাউন্ট ওপেন করে নিতে হবে। আরেকটি সীমাবদ্ধতা হচ্ছে যে, ব্রোকারগুলোতে ডিপোজিট করা। যদিও বড় বড় অধিকাংশ ব্রোকারই এখন লোকাল কারেন্সিতে ডিপোজিট করতে সহায়তা করে। এক্ষেত্রে, আপনার ব্রোকারের কাস্টমার সাপোর্টের সাথে যোগাযোগ করুন। সুবিধা আগে সীমাবদ্ধতাগুলো ভালো করে পড়ুন। মনে রাখবেন, আপনার সামনে ট্রেড করার সুযোগ অবারিত। সেটা অনলাইনেই হোক অথবা দেশীয় স্টক মার্কেটেই হোক। যদি আপনি লোকাল স্টক মার্কেটে ভালো করতে থাকেন আর অনলাইনের এই সীমাবদ্ধতাগুলো আপনার ভালো না লাগে, তাহলে অনলাইনে ট্রেড করতেই হবে, এমন কোন কথা নেই। কিন্তু, এই সীমাবদ্ধতাগুলো যদি আপনার কাছে গুরুতবপূর্ন না হয়, তাহলে বেশ কিছু সুবিধা আছে, যেগুলো তুলে ধরছি। সর্বপ্রথম সুবিধা হচ্ছে বাই অথবা সেল, দুটো থেকেই প্রফিট করার সুবিধা, যেটা বাইরের দেশগুলোতে ইতিমধ্যে চলে আসলেও আমাদের এখানে এখনও আসেনি। আপনি জানেন যে, স্টক প্রথমে কিনতে হয় এবং পরে বিক্রি করতে হয়। এক্ষেত্রে, আপনার কেনা দাম থেকে মার্কেটে দাম কমে যেতে থাকলে আপনার হয় লসে বিক্রি করা অথবা চেয়ে দেখা ছাড়া কিছু করার থাকে না। কিন্তু, অনলাইনে ব্রোকারগুলোতে আপনি স্টক CFD একই সময়ে বাই অথবা সেল করার অর্ডার দিতে পারবেন, ঠিক কারেন্সি ট্রেডিং এর মতই। ফেসবুকের উদাহরনই দেই। আপনি যদি ফেসবুকের স্টক CFD বাই অর্ডার দেন, তাহলে ফেসবুকের স্টকের দাম বাড়লে আপনার লাভ হবে, দাম কমলে লস হবে। আর যদি সেল অর্ডার দেন, তাহলে ওই স্টকের দাম কমলে আপনার লাভ হবে, আর দাম বাড়লে আপনার লস হবে। অর্থাৎ, মার্কেট আপট্রেন্ড হোক আর ডাউনট্রেন্ড হোক, যে অবস্থাতেই থাকুক না কেন, আপনার লাভ করার সুযোগ আছে, যেটা স্থানীয় স্টক ট্রেডের ক্ষেত্রে এখনও সম্ভব না এবং এটাই সবচেয়ে বড় সুবিধা। দ্বিতীয়ত, লোকাল স্টক মার্কেটে অনেক বেশী মার্কেট ম্যানিপুলেশন বা কারসাজী হয়। এমনটা আমেরিকার স্টক এক্সচেঞ্জে যে হয়না, তা না। কিন্তু, তুলনামুলকভাবে অনেক কম। আবার, আন্তর্জাতিকভাবে বেশ কিছু ইভেন্টের আগে পরে বা কোন নিউজের ফলাফলের উপর ভিত্তি করে আন্তর্জাতিক স্টক মার্কেটে স্টকের দাম বাড়ে কমে, যেটা অনুমান করা বেশ সহজ। স্থানীয় স্টক মার্কেটে এটা অনুমান করা খুবই কঠিন যে, কোন ঘটনার কারনে দাম বাড়বে আর কোনটার কারনে দাম কমতে পড়ে। আর আন্তর্জাতিক ইভেন্টগুলোর প্রভাবও লোকাল স্টক মার্কেটে পড়েনা বললেই চলে। আরেকটি বড় সুবিধা হল, স্থানীয় কোন ব্যাংক তিন বছর পরে কেমন করবে, তার থেকে এটা অনুমান করা সহজ যে ফেসবুকের মত বড় কোম্পানি তিন বছর পর কেমন করবে। ফলে, ট্রেডিং করাটাও তুলনামুলক সহজ হয়ে যায়, বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদে ট্রেড করার ক্ষেত্রে। আর হ্যাঁ। লিভারেজ বা ঋণ সুবিধা বলে একটা ব্যাপার আছে। স্থানীয় মার্কেটে ট্রেড করার ক্ষেত্রে যেখানে মূলধনের সমপরিমাণ ঋণই সহজে পাওয়া যায় না, সেখানে ফরেক্স ব্রোকারগুলো ২৫ গুন থেকে শুরু করে ক্ষেত্রবিশেষে মুলধনের ১০০ গুন পর্যন্তও লোন দেয় ট্রেড করার জন্য। মানে, আপনার মূলধন মাত্র ১ লক্ষ টাকা হলেও, আপনি সেটা দিয়েই কোটি টাকার সমপরিমাণের ট্রেড করতে পারবেন। তবে, এই কারনে যদি আপনি অনলাইনে ট্রেড করতে চান, তাহলে আমি বলব আপনার অনলাইনে ট্রেড করার কোন দরকারই নেই। এত বেশী ঋন নিয়ে ট্রেড করলে আপনি ফতুর হয়ে যাওয়া ছাড়া আর কিছুই হবেন না। অনলাইনে কোন কোন কোম্পানির স্টক ট্রেড করা যায়? এটা নির্ভর করবে আপনি কোন ব্রোকারের সাথে ট্রেড করছেন তার উপর। যেমন, XM এর মাধ্যমে ইউরোপ ও আমেরিকার সব বড় কোম্পানির স্টক কেনাবেচা করা যাবে। গুগুল, ফেসবুক, অ্যাপল, মাইক্রোসফট, আমাজন, ইনটেল, আইবিএম সহ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানী, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ডসহ মোট ১৪ টি প্রধান দেশের স্টক এক্সচেঞ্জগুলোতে তালিকাভুক্ত ৩০৯ টি কোম্পানির ষ্টক ট্রেড করতে পারবেন। অনলাইনে স্টক ট্রেড করার জন্য আপনার কি কি করতে হবে? প্রথমে একটি জনপ্রিয় ও বিশ্বস্ত ব্রোকারের সাথে অ্যাকাউন্ট ওপেন করে তাতে ডিপোজিট করতে হবে। তবে, সবচেয়ে ভালো হয় যদি আপনি প্রথমে একটি ফ্রী ডেমো অ্যাকাউন্ট ওপেন করেন কোন একটি ব্রোকারের সাথে। সেক্ষেত্রে, ব্রোকার আপনাকে ট্রেড করার জন্য ভার্চুয়াল ক্যাশ দিবে, যেটা দিয়ে আপনি ডিপোজিট করার পরে যেভাবে ট্রেড করতে পারতেন, ঠিক সেভাবে ট্রেড করতে পারবেন। তবে, পার্থক্য একটাই, লাভ বা লস যাই হোক, সবই ভার্চুয়াল। এটাকে ডেমো ট্রেডিং বলে। আপনি যদি অন্তত ৩ মাস ডেমো ট্রেড করার পর দেখেন যে আপনি ভালো করছেন, তখন আপনি একটি রিয়েল ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট খুলে তাতে ডিপোজিট করতে পারেন। ব্রোকারের ওয়েবসাইট থেকে ট্রেডিং সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে হবে। ট্রেডিং সফটওয়্যারে আপনার অ্যাকাউন্ট ইনফরমেশন দিয়ে লগিন করতে হবে এবং আপনি এই সফটওয়ার ব্যবহার করে ট্রেড করতে পারবেন। আপনি যদি ব্রোকারে ডিপোজিট করে থাকেন Neteller/Skrill/Payza/Credit card অথবা অন্যান্য মাধ্যমে, তাহলে যে মাধ্যম দিয়ে ডিপোজিট করেছিলেন, সে মাধ্যমে আপনার ডিপোজিটের সম্পুর্ন অর্থ+ লাভ যেকোন সময় তুলে নিতে পারবেন ব্রোকারকে পেমেন্ট করার রিকোয়েস্ট করে। যদি লাভ হয়, তাহলে তো ডিপোজিট থেকে বেশী অর্থ ফেরত পাবেন, আর লস হলে ডিপোজিট থেকে সেই লসের পরিমান অর্থ কেটে রেখে বাকি টাকা ব্রোকার থেকে তোলা যাবে। পুরোটা একেবারে না তুলে শুধু লাভের পরিমান বা ডিপোজিটের যেকোন একটি অংশ তুলে নেয়া যাবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশটিই বাদ পড়ে গিয়েছে। উপরে যা যা বললাম, সেগুলো সবই করা সহজ, কিন্তু নিয়মিত লাভ করা সহজ না। অনেকে লাভ করলেও শুধুমাত্র ১ দিনের লোভে বিশাল বড় ট্রেড খুলে একদিনেই ফতুর হয়ে যায়। তাই, অনলাইনে স্টক ট্রেড করতে হলে আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে ট্রেডিং স্ট্রাটেজি এবং মানি ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে। এ সম্পর্কে জানতে ও শিখতে ভিজিট করুন, বিডিপিপস ফরেক্স স্কুল।
  11. Technical parameters | (22nd – 26th ) January Possible entry point with critical support and resistance level.But when you trade this level make sure that you are using price action confirmation signal.We have prepared these key support and resistance level based on the Fibonacci retracement levels,100&200 SMA, key swings point and chart patterns formed in the higher time frame. Focus on USDCAD technical analysis EURUSD Preparing for the bearish retracement. First critical Resistance: click here Second critical Resistance: 1.24864 First critical Support: click here Second Critical Support: 1.18427 Overall Sentiment: Slightly bearish For other pairs technical analysis visit www.forextradingforyou.com All the technical parameters are applicable from 22nd January to 26th January 2018..The overall sentiment indicates the prevailing trend of the market.We highly recommend you to trade in favor of the market sentiment (overall sentiment ) to reduce the risk exposure in trading.Trade the critical support and resistance level with price action confirmation signal.If you want to get the technical chart analysis along with logical explanations, feel free to contact us. We provide high-quality Forex trading signals, trading consultancy, and price action trading course.Please feel free to contact us for any query. A simple 5-minute conversation with our expert will change your trading career. We publish regular technical analysis on all the major pairs in every Monday. Please visit our site www.forextradingforyou.com to get details about our technical analysis. To get details about our video technical analysis along with live trade setup visit YouTube Channel. Please subscribe our channel to stay updated with every single technical analysis. Source: www.forextradingforyou.com
  12. Technical parameters | (18th – 22nd ) December Possible entry point with critical support and resistance level.But when you trade this level make sure that you are using price action confirmation signal.We have prepared these key support and resistance level based on the Fibonacci retracement levels,100&200 SMA, key swings point and chart patterns formed in the higher time frame.Focus on AUDUSD technical analysis EURUSD Look for buying opportunity near the first critical support First critical Resistance: click here to see Second critical Resistance: 1.20916 First critical Support: click here to see Second Critical Support: 1.16036 Overall Sentiment: Slightly Bullish All the technical parameters are applicable from 18th December to 22nd December 2017.The overall sentiment indicates the prevailing trend of the market.We highly recommend you to trade in favor of the market sentiment (overall sentiment ) to reduce the risk exposure in trading.Trade the critical support and resistance level with price action confirmation signal.If you want to get the technical chart analysis along with logical explanations, feel free to contact us. We provide high-quality Forex trading signals, trading consultancy, and price action trading course.Please feel free to contact us for any query. A simple 5-minute conversation with our expert will change your trading career.
  13. Join eToro's social trading investment network revolution! Tap into the wisdom of the crowds by following and copying thousands of top performing traders.
  14. ট্রেডিং স্ট্রাটেজি এমন হওয়া উচিত যেন তা কোন কোন চার্টকে বর্ণনা করতে সক্ষম হয়। স্ট্রাটেজিতে থাকতে পারে অনেক ধরনের টুলস। আর কোন চার্টকে যদি কোন ট্রেডিং স্ট্রাটেজি বর্ণনা করতে না পারে তাহলে কিছু আপডেট আনা উচিত অথবা Exceptional হিসেবে ধরে নেয়া উচিত। যদি স্ট্রাটেজি Explain করতে পারে কোন প্রাইসের Movement তাহলে সেটাই হবে প্রকিত ট্রেডিং স্ট্রাটেজি। উদাহরন হিসেবে বলতে পারি ১৯৩০ সালের USA Great Depression ( লং-টাইম বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা). তখনকার একটাও Economist বর্ণনা করতে পারেনি Great Depression কে তাদের Economic Theory দিয়ে। ঠিক তখনি #John_Maynard_Keynes দীর্ঘ সময় স্টাডি করে একটা থিওরি (IS LM Model)আবিস্কার করেন নতুন কিছু টুলস ব্যবহার করে আর তার থিওরি সক্ষম হয়েছিল Great Depression বর্ণনা করতে এবং তার জন্য তিনি অর্থনীতিতে নোবেল পেয়েছিলেন। শুধু তাই না, IS LM Model এর জন্য তাকে বলা হয় Father of Macro Economics আমাদেরও উচিত একটা নিজস্ব ট্রেডিং স্ট্রাটেজি থাকা যেটাকে আমারা স্টাডির মাধ্যমে তৈরি/ ডেভেলপ করতে পারব। সাথে কিছু Exceptional ও থাকবে। আর তার মাধ্যমেই হতে পারব আমরা সফল। এমনও হতে পারে আমরা নিজের তৈরি করা ট্রেডিং স্ট্রাটেজি বিখ্যাত হয়ে গিয়েছে এবং বিশ্ব বাংলাদেশকে চিনবে আপনার বা আমার ট্রেডিং স্ট্রাটেজি দিয়ে ঠিক যেমনটা হয়েছে #ওয়াররেন_বাফেট এর বেলায়, তার stock valuation method তাকে সাফল্যের দিকে নিয়ে গিয়েছে এবং মানুষ ফলো করে এখনও। স্বপ্ন দেখুন এবং স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য নিয়মিত কাজ করুন। ভেঙে পরে হাল ছেড়ে দিলে চলবে না। মনে রাখতে হবে ব্যর্থ না হলে সফলতা মুখ দেখা যায়না। ব্যর্থতার কারন খুজে বের করে আস্তে আস্তে সামনে এগিয়ে গেলেই সফলতা আসবেই আসবে ২ দিন আগে আর পরে Note: This is my personal opinion about what i have learned from my life lesson and any one may disagree with my opinion
  15. প্রিয় ট্রেডারবৃন্দ, আমার সরাসরি ইন্সটাফরেক্সের প্রতিনিধি হিসাবে নিজেদের উপস্থাপন করছি। আমরা ইন্সটাফরেক্সের বাংলাদেশী ট্রেডারদের আমাদের সার্ভিসের এবং আকর্ষণীয় অফার সংক্রান্ত সংবাদগুলো আপডেট এবং ইন্সটাফরেক্স কোম্পানি সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন বা সহায়তা দিতে সর্বদাই প্রস্তুত ফোরামে এই থ্রেডটি খুলেছি।এটি কোন ট্রাফিক বাড়ানো বা রেফারেল করার জন্য নয়। ধন্যবাদ
  16. ফরেক্সের সাথে আছি ২০১০ থেকে। সবাই বলে বা মনে করে ফরেক্স হল একটি ব্যাবসা, কিন্ত আমি বিগত ৬ বছরে অন্তত এইটা খুব ভাল করে বুজতে পারছি যে, ফরেক্স একটি ব্যাবসা হলেও এটার আচরন অন্য আর ১০ টা ব্যাবসার মত না। কারন সাধারন ব্যাবসার প্রধান উপকরন হল পণ্য, আর লাভ লসের গতি থাকে খুবই ধীর। আপনি ইচ্ছা করলেই হঠাত করে খুব বেশি লাভ বা খুব বেশি লস করতে পারবেন না এবং আপনি ইচ্ছা করলে যেকোনো সময় আপনার ব্যাবসকে প্রয়োজনমত নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন। কিন্ত যখন আপনার ব্যাবসা হিসাবে ফরেক্সকে বেছে নিবেন তখন আপনি একদিনেই অনেক লাভ বা লস করে ফেলবেন। এর কারন কি? কারন হল ফরেক্স এর প্রধান উপকরন কেন পণ্য নয়। এখানে ব্যাবসা করতে হলে আপনাকে সরাসরি টাকার বিনিময়ে অন্য দেশের টাকার সাথে লেনদেন করতে হচ্ছে। অর্থাৎ আপনার প্রতিটি কার্জক্রম সরাসরি লাভ লসের সাথে জড়িত। আর শুধু এই কারনেই অতি দ্রুত লাভ করার প্রবল ইচ্ছা আপনার মাথায় ঘুরপাক করতে থাকে। আর তক্ষণই আপনি নিয়ন্ত্রন হারিয়ে বেশি লাভ করার আশায় সকল নিয়ম কানুন ভুলে ট্রেড ওপেন করে একাউন্টের সর্বনাশ করে ফেলেন। তবে আপনি ইচ্ছা করলেই ফরেক্স থেকেও ভাল এমাউন্টের প্রফিট করতে পারেন। কিন্ত এর জন্য প্রয়োজন যথাযথ নিয়ন্ত্রন। সামনের টপিকে নিয়ন্ত্রনের উপায় ও কৌশল নিয়ে আলোচনা করব।
  17. FreshForex

    FreshForex — fresh view on money Are you looking for the broker you can easy and comfortable work with? Your chase is over! FreshForex is a reliable broker for your profitable trading. These are not just words — get the proof! For 11 years we've been helping each trader to trade in Forex market 100% protection rate of your interest by regulating agencies KROUFR and CRFIN 10 minutes for withdrawal of your funds in our company 102 trading instruments for getting profit including currency pairs and contracts for difference 0% commission on deposit and withdrawal 15 most popular payment methods 0,05 seconds — the promptest execution of trades 101% is our bonus for the first deposit $0 — no minimal deposit even for ECN-account 0 pips are the swops on Sawp Free accounts for long-termed trade $10 — you can return for losing trades $20 from each lot — you won't find a better offer on partnership program 24/5 — our client support is at your service We always have something to offer our clients: promotions, bonuses and contests with real prizes. Watch all the information you are interested in on our web site. Do not doubt your choice – open an account in FreshForex company and these digits will start working for you. Welcome to freshforex.com!
  18. অামরা সবসময় যে জিনিসগুলা খেয়াল করিনা সেটা হল আমরা কোন শুরু করার আগে সেটার বর্তমান /অতিত এবং ভবিষ্যৎ কি হতে পারে সেগুলা না জেনেই কাজটা শুরু করে দেয় অথচ এটা কি ঠিক । ধরে নেন আপনি একজন সাক্সেসফুল বিজনেজম্যান েএই ক্ষেত্রে আপনার কি করা উচিত ছিল আপনার প্রথমে যে জিনিসগুলার একটা ডিপলি এনালাইসেস করতে হতে পারে নিচের সবগুলাই মূলত একটি কাজ শুরু করার আগে কি চিন্তা বা ব্যবস্থা করা উচিত:- আপনি যেটা শুরু করতে যাচ্ছেন সেটার পূর্ব রেসাল্ট কি সেটা কে নিয়ে আগানোর জন্যে আপনার কি করতে হতে পারে অাপনি কি কি প্রবলেম ফেস করবেন সেটা আগে থেকেই একটা সম্ভাব্য ধারনা রাখা আপনি কি এটা সম্পর্কে ভালোভাবে জানেন অথবা না জানলে কি ভাবে জানতে পারেন বা এটাতে সাক্সেস হতে হলে আপনি কিভাবে এই প্রবলেম টা অভারকাম করবেন? যাহোক আমি আজকে আপনাদের অন্যে কোন বিজনেস এর ব্যাপারে বলতে চাচ্ছিনা। আমার আজকের টপিক এ্ই নয় যে আপনি ফরেক্স করতে হলে আপনার আগে থেকে যেসব জিনিস গুলা জানা উচিত বা ব্যবস্থা করা উচিত (সেটা উপরের চেকলিস্ট টার সাথে কিছুটা মিল পাবেন) আমি আজকে একটা নিউ চেকলিস্ট করছি সেটা তাদের জন্যে যারা ফার্স্ট টাইম ডিপোসিট করেছিলেন তারপর একাউন্ট জিরো করেছেন.তারপর আপনি চাচ্ছেন আবার শুরু করবেন তাহলে আপনি আবার কিভাবে শুরু করবেন। আপনার আগের ভুলগুলাকে শুধরিয়ে একটা নতুন সাক্সেস পাওয়ার জন্য আপনি কি কি করতে পারেন। আমি নিচে কিছু সম্ভাব্য একটা তালিকা দিলাম এগুলার মধ্যে যেগুলা আপনার সমস্য বা লসের কারন ছিল সেগুলাকে আপনি আপনার ডায়রি তে লিখে ফেলুন আমি আবার ও বলছি ডায়রিতে লিখুন এখনি শুধু পড়ার উদ্দেশ্য পড়বেন না বা এই চিন্তা করবেন না যে আপনি তো এইগুলা জানেন আগে থেকেই। লিখার কারন টা আপনি নিজে বের করবেন একদিন কেন লিখবেন ডায়রিতে।এরপর এটাকে আপনার সিগন্যাল বা স্ট্রেইজি অনুযায়ী ট্রেড সেটাপ পেলে ডায়রিটা আপনার সামনে রাখুন আর এইভেবে ডায়রিটা ফলো করুন যেন মনে হয় আপনি একজন ওয়ার্কার আর আপনার বস আপনাকে বলছে ডায়রিতে যা যা আছে সেভাবেই যেন ট্রেড সেটাপ দিতে। আমার পূর্বে যেসব প্রবলেম ছিল সেগুলা হল:- ⇷ ⇸ ⇹ ⇺ ⇻ ⇼ ⇷ ⇸ ⇹ ⇺ ⇻ ⇼ ⇷ ⇸ ⇹ ⇺ ⇻ ⇼ ⇷ ⇸ ⇹ ১.Stop loss দেয়নি ২.Stop loss চেন্জ করেছিলাম ৩.বারবার স্ট্রে্ইজি চেন্জ করেছিলাম ৪.অভার কনফিডেন্স হও্রয়ার কারনে স্ট্রে্ইজির বাহিরেও ট্রেড দিয়েছিলাম ৫.লট সাইজ চেন্জ করতাম ৬.অল্প প্রফিটে কেটে দিতাম ট্রেড ৭.ট্রেড দেওয়ার পর আবার এই অলরেডি এন্ট্রি নেওয়া ট্রেডটা নিয়ে এনালাইসিস করতাম ৮.বারবার টার্মিটাল দেখতাম আর ট্রেডের সিটুএশন দেখতাম ৯.যে কারেন্সি মন চায় সেই কারেন্সিতেই ট্রেড করতাম ১০.টাইমফ্রেমের তোয়াক্কা করতাম না ১১.ট্রেড সেটাপ দেখতাম এক টাইমফ্রেমের আর চেয়ে থাকতাম আরেক টাইমফ্রেমে ১২. উপরের সবগুলা বিষয় আবার চেক করব উপরের গুলা সম্পন্ন করেছি কিনা ট্রেডিং কারেকশন ⇷ ⇸ ⇹ ⇺ ⇻ ⇼ ⇷ ⇸ ⇹ Stop loss দেয়নি ─ ━─ ━─ ━─ ━ ডায়রি অনুযায়ী দেখুন আপনার স্ট্রেইজি আপনার কত Stop Loss দেওয়ার কথা ছিল Stop loss চেন্জ করেছিলাম ─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━ আর ভুলেও করবেন না।যখন প্রফেশনাল হবেন তখন অন্যে বিষয় কারন তখন আপনি ভালো করেই জানেন কেন চেন্জ করবেন কিন্ত শুরুতে আপনি চেন্জ করার মাএ একটাই কারন থাকে সেটা হল আপনার লস খাওয়ার ভয়। বারবার স্ট্রাটেজি চেন্জ করেছিলাম ─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━ এটা আর নয় যা করেছেন তা এতদিন লস করতে করতেই করে ফেলেছেন। আর আশা করি দুনিয়ার যত স্ট্রেইজি আছে এতদিনে গ্যাসের চুলায় বেজে ফেলেছেন । এখন দয়া করে যে কোন একটা পরিক্ষিত মেথড নিয়ে এগুন আর এটাতে কোন প্রবলেম থাকলে এটাকে চেন্জ করবেন না প্লিজ পারলে আপগ্রেড করুন কেন লস হল আর এই মেথড টাতে কি আরো সংযোজন করলে লস থেকে বাচতে পারতেন এইভাবে প্রতিটা ট্রেড লস করার পর চিন্তা করুন।সো মনে রাখতে হবে “মেথড চেন্জ নয় আপগ্রেড করবেন”। অভার কনফিডেন্স হও্রয়ার কারনে স্ট্রে্ইজির বাহিরেও ট্রেড দিয়েছিলাম ─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━ মাঝে মাঝে আপনি আপনার অজান্তেই নেইল ফুলার বা আরো বড় এক্সপার্ট হয়ে যান যা আপনি নিজেও জানেন না ।ট্রেডটা লস খাওয়ার পর বুঝতে পারেন আপনি এই ট্রেডটা হঠাৎ নেইল ফুলার হওয়ার কারনে আপনি আপনার স্ট্রেইজির বাহিরেই ট্রেড দেওয়া শুরু করে দিয়েছেন।আর ফলাফল সিলেটি ভাষায় যাকে বলে “আন্ডা”পেয়েছেন। লট সাইজ চেন্জ করতাম ─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━ আপনি যখন একটা টাইমে বেশি প্রফিট করা শুরু করে দেন আর আপনার মাঝে অভার কনফিডেন্স চলে আসে তখন ছোটবেলার গুনের নামতা এর মত লট সাইজ গুন করা শুরু করে দেন তারপর হিসাব কষে যে রেজাল্ট বের হয় সেই অনুযায়ী একটা ফুটবলের আকারের একটা লট সাইজ নিয়ে ট্রেড নিয়ে থাকেন অথচ সাময়িকভাবে বিষয়টা আপনাকে সেটিসফাই করলেও একসময় জিরো হবার মূল কারন হয়ে ধারাই (যা আমার কপালে জুটেছিল। XM ব্রোকারে আমার ফার্স্ট ডিপোসিট লস খাওয়ার একমাত্র কারন)। অল্প প্রফিটে কেটে দিতাম ট্রেড ─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━━ লস থেয়ে ফেলেছেন ৫০ ডলার আর একটা ট্রেড কি করে যেন ভাগ্যের গুনে আপনার পক্ষে যাওয়া শুরু হল আর কোন ক্রমে যদি ৫ ডলার ছুই ছুই অবস্থা হয় তাহলে আর কি ৫ ডলার ছোয়ার আগেই আপনার মাউস ট্রেড ক্লোজ করার যে অপশন টা থাকে সেটা ছুয়ে ফেলে কি করে যেন..লঅঅঅল..। ট্রেড দেওয়ার পর আবার এই অলরেডি এন্ট্রি নেওয়া ট্রেডটা নিয়ে এনালাইসিস করতাম ─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━ ট্রেড দিয়েছেন কিন্তু আপনার মত এনালাইসিস কি আর তার ট্রেড এনালাইসিস থামাতে পারে.ট্রেড দেওয়ার পরও আবার এই অলরেডি এন্ট্রি নেওয়া ট্রেডটা নিয়ে এনালাইসিস শুরু করে দেন আর ফলাফল অল্প প্রফিটে কেটে দেন ট্রেড। বারবার টার্মিটাল দেখতাম আর ট্রেডের সিটুএশন দেখতাম ─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ একটা ট্রেড দেওয়ার পর কথনো উচিত না এই ট্রেডটাকে বার বার দেখা ফলাফল আপনার মনে ভিতি তৈরি হতে পারে এইজন্যে বারবার ট্রেডটা দেখার দরকার নেই ।অন্যে কোন কাজ করুন বা নিজেকে বিজি রাখুন বা অন্যে কোন কাজ না থাকলে মুভি দেথুন।বিবাহিত হলে বউয়ের সাথে আড্ডা মারুন। যে কারেন্সি মন চায় সেই কারেন্সিতেই ট্রেড করতাম ─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ কারেন্সি সেটাপ টা সবসময় আপনার মাসের শুরুতেই করে রাখুন আর না হয় সপ্তাপ শুরু হওয়ার আগেই এনালাইসিস করে ফেলুন কোন কোন পিয়ার গুলা সামনের সপ্তাহের জন্যা ভালো হতে পারে।আমি সাজেস্ট করব কম ভলাটাইল কারেন্সি গুলা সিলেক্ট করে সেগুলাকে নিয়ে এনালাইসিস করুন। টাইমফ্রেমের তোয়াক্কা করতাম না ─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ আর টাইমফ্রেম এটা আবার কি আর এমন । না ভাই এটাও আপনার মাইন্ড চেন্জ এবং আপনার এনালা্ইসিস কে উল্টোদিকে নিয়ে যেতে পারে । তাই সবসময় একই টাইমফ্রেম ইউজ করা শিখুন আর সেটাতেই আপনার এনালাসিস করার ট্রাই করেন। ট্রেড সেটাপ দেখতাম এক টাইমফ্রেমের আর চেয়ে থাকতাম আরেক টাইমফ্রেমে ─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━── ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ সবসময় যে টাইমফ্রেমে এনালাইসিস করেছেন পরে সেটাতেই চোখ বুলান এতে করে আপনার এনালা্ইসিস ভিশন ক্লিয়ার এবং দক্ষতা ভালো হয়। আমাকে ফেসবুকে | আমাকে লিন্কদিনে | আমাকে টুইটারে | আমাকে গুগল প্লাসে | আমার পাসোনাল ব্লগে
  19. The Power of money management Money management একটা বিরক্তকর Subject হলেও ... এইটা বাস্তবে কাজ করে । এর জন্য আপনাকে গাদা গাদা বই পরার দরকার নাই । আপনি যদি ঠিক মত money management follow করতে পারতেন তাহলে আপনার বর্তমান অবস্তাটা এমন হত না ... (আসলে বলা যত সহজ ,করা তার থেকে অনেক অনেক বেশি কঠিন। যা আমি নিজেও করি নাই।) আপনি মাসে Invest এর কত % আশা করেন ? উত্তরঃ ভাই আমি 6% আশা করি , কেউ বলবেন ভাই আমি ১০% আশা করি ... কিন্তু আপনি আসলে মনে মনে মাসে more than 100% আশা করেন । আর এইটাই main problem . Investor world এ 6% return অনেক কিছু, আর যদি ১০% consistently ধরে রাখতে পারেন তাহলে আপনি পুরাই Super man এখনে আবার main জিনিশ টা হল consistently month after month profit বের করা । চিন্তা করেন যদি daily 5 pips ও profit করতে পারতেন আপনার অবস্তা কেমন হত । একটু চিন্তা করেন । (এই চিন্তা আমিও করি নাই । ) আমি আপনাকে দেখাব কিভাবে আপনি 1000$ Invest করে 2% রিস্ক per trade এ, 30 pips Stop Loss(আমি একজন Day Trader), Monthly 6% target নিয়ে কিভাবে আপনি ১ বছর এ ... আপনার Invest কে double করতে পারবেন । তার জন্য আপনাকে daily মাত্র ৫ pips and weekly মাত্র 23 pips এবং Monthly হিসাবে মাত্র 90 pips profit করতে হবে । এবং কিভাবে 10% terget নিয়ে কিভাবে আপনি ১ বছর এ আপনার Invest কে Triple করবেন । আর আমি আপনার Invest কে double or Triple করার কথা বলছি না । আমি এই Math গুলার বুঝাতে চাইছি যে একটা Proper plan Follow করলে অনেক কিছু করা Possible . নিচে image গুলা ভাল করে দেখুন 6% Model 10% Model তবে এই গুলা শুধু Math ... তবে Impossible বলে কিছু নাই । এই Target গুলা পুরন করতে আপনাকে ... daily trade করতে হবে না ... এই ক্ষেত্রে Risk-Reward সব থেকে বড় ভূমিকা পালন করবে ... যেমন ধরেন আপনি ... একটি Trade নিলেন 2% risk এ , Risk-Reward নিলেন 1:2 অর্থাৎ Risk নিলেন 30 pips gain করলেন 60 pips ...তার মানে আপনার Weekly target পূরণ, just এক Trade এ এবং সেই trade এ যদি আপনি 1:3 নিতে পারতেন তাহলে আপনার Monthly target পূরণ হত শুধু এক Trade এ . অর্থাৎ মাত্র 1 tarde দিয়া Monthly target পূরণ করা Possible . এইটা 6% Model আর জন্য প্রযোজ্য। এখন আপনি যদি per trade এ 1% risk নিতে চান তবে আপনার বেশি pips profit করতে হবে। সুতরাং money management নির্ভর করে শুধু মাত্র আপনার উপর ... যা আপনি আপনার মত করে সাজাবেন ।আজ এই পর্যন্তই ... খুব সংক্ষেপ এ লিখতে চেষ্টা করেছি । কারণ money management নিয়ে লিখলে একটা বই লেখা সম্ভব । ধন্যবাদ আমার পূর্বের পোষ্টঃ আমার ব্লগ
  20. ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস উদযাপনের পরপরই রাতে প্রস্তুত থাকুন ১৭ই ডিসেম্বর এর জন্য। কেননা, ঘড়ির কাটা রাত ১২ টা পার করার এক ঘন্টা পরই, অর্থাৎ, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় মধ্যরাত ১ টাতেই যে সুদের হার বাড়াতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেড। আর তাই, ৩ ই ডিসেম্বরের মত আরেকটি বড় মার্কেট মুভমেন্টের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন ট্রেডাররা। তবে, প্রশ্ন হচ্ছে আবার ৩ই ডিসেম্বরের মোট অপ্রত্যাশিত কিছু হবে কি? সবচেয়ে ঘোর ইউরো সমর্থকও হয়ত আশা করেননি যে, ইসিবি সুদের হার কমানোর পরেও EUR/USD শক্তিশালী হবে এবং এতটা শক্তিশালী হবে। যদিও EUR/USD এতটা শক্তিশালী হওয়ার পড়ে অনেক বিশ্লেষকই ব্যাখ্যা দিচ্ছেন যে ট্রেডাররা সুদের হার আরও বেশি কমানো হবে বলে প্রত্যাশা করেছিল এবং তা না হওয়ায় EUR/USD দুর্বল হয়েছে। কিন্তু, এরকম যুক্তি নিউজের আগে না এসে পরে দেওয়ায় তা ধোপে টিকছে না। তবে মারিও দ্রাঘি নিজেই স্বীকার করে নিয়েছেন যে, মার্কেট তার বক্তব্য বুঝতে ভুল করেছে। ইসিবি সুদের হার কমানোর পরেও EUR/USD ৫০০ পিপসেরও বেশি শক্তিশালী হওয়ায় এবং সম্প্রতি ১.১০ ব্যারিয়ারও ভেঙ্গে ফেলায়, প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন ট্রেডাররা। ১৬ ডিসেম্বরও কি এরকম অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটতে পারে? আপাত দৃষ্টিতে সুদের হার বাড়ানোর ফলে EUR/USD র নিশ্চিত ১০০-৩০০ পিপস দুর্বল হওয়ার কথা থাকলেও ৩ ডিসেম্বরের মোট অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কেননা সুদের হার বৃদ্ধি প্রত্যাশিত, অপ্রত্যাশিত নয়। ১৭ই ডিসেম্বর কি ঘটতে যাচ্ছে? ১৬ই ডিসেম্বরই বৈঠকে বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারের রিজার্ভ ওপেন কমিটি বা FOMC । মূল এজেন্ডা হল যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক অর্থনীতি পর্যালোচনা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার ঘোষণা করা। দীর্ঘদিন ধরেই সুদের হার মাত্র ০.২৫ শতাংশে নামিয়ে রাখা হয়েছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এবার সুদের হার বাড়িয়ে ০.৫০ শতাংশ করা হবে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, ঠিক আট বছর আগেই ফেড সুদের হার কমিয়ে ০.২৫ শতাংশে নিয়ে আসে। সেবারও কিন্তু প্রত্যাশা করা হচ্ছিল যে সুদের হার কমানো হবে। তবে, প্রত্যাশা ছিল সুদের হার শতকরা ১ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.৫০ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে। কিন্তু, সবাইকে চমকে দিয়ে একেবারেই ০.২৫ শতাংশে নামিয়ে আনে ফেড। যার ফলশ্রুতিতে ব্যাপকভাবে দুর্বল হয় ডলার ও শক্তিশালী হয় EUR/USD. যেহেতু, সুদের নতুন হার ০.৫০ শতাংশ প্রত্যাশিতই, তাই যদি ফেড সুদের হার বাড়িয়ে ০.৭৫ শতাংশে বা ১ শতাংশে নিয়ে আসে, তাহলে তা EUR/USD কে কমপক্ষে ২০০-৩০০ পিপস দুর্বল করবে। আর যদি ফেড সুদের হার প্রত্যাশামতই বাড়িয়ে ০.৫% করে, তাহলে তা অর্থনীতির সাধারণ নীতি অনুসারে EUR/USD কে দুর্বল করার কথা থাকলেও EUR/USD দুর্বল বা শক্তিশালী, দুটোই হতে পারে। সেক্ষেত্রে, মার্কেটে বড় ধরনের স্পাইক হওয়ার ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। আর যদি ফেড সুদের হার নাই বাড়ায় এবং FOMC স্টেটমেন্টেও অতি দ্রুতই সুদের হার না বাড়ানোর কোন জোরালো ইঙ্গিত না দেয়, তাহলে ডলার দুর্বল হয়ে EUR/USD আরও ২০০-৩০০ পিপস শক্তিশালী হতে পারে। তবে যাই ঘটুকনা কেন, মার্কেটে যে বড় মুভমেন্ট ঘটতে যাচ্ছে, তা একপ্রকার নিশ্চিত। ১৭ই ডিসেম্বরের আরও আপডেটের জন্য বিডিপিপসের সাথেই থাকুন।
  21. আবারও মার্কেট কাঁপাল NFP। গতকাল থেকেই ফরেক্স ট্রেডাররা অপেক্ষা করছিলেন NFP এর জন্য, আর তাই মার্কেট মুভমেন্টও ছিল অনেক কম। আজ বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭:৩০ এ প্রকাশিত হয় NFP রিপোর্টটি এবং এবারের ফলাফল হল 271K, যা প্রত্যাশিত 181K থেকে অনেক অনেক বেশি। তাই, মার্কেটে NFP এর প্রভাবও পরে অনেক বেশি। গতকালের নিউজে আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম: কিন্তু, EUR/USD প্রত্যাশা থেকেও অনেক বেশি দুর্বল হয়েছে এবং মাত্র ১০ মিনিটেই ১.০৮৬৪ থেকে ১৫০ পিপসসের ও বেশি দুর্বল হয়ে ১.০৭০৮ এ নেমে আসে। এই মুহুর্তে, আবার কিছুটা মূল্য সংশোধনের পর EUR/USD ১.০৭৪৪ এ ট্রেড হচ্ছে। শক্তিশালী ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত থাকায় EURUSD আরো দুর্বল হতে পারে। এই সপ্তাহের অধিকাংশ নিউজের পরেই প্রত্যাশিত মার্কেট মুভমেন্ট ঘটায় বেশ চমত্কার একটি সপ্তাহ গেল ফরেক্স ট্রেডারদের জন্য। আপনার সাফল্য বা ব্যর্থতা, দুটোই শেয়ার করুন। কারণ, উভয়টি থেকেই আমাদের সবার অনেক কিছু শেখার আছে।
  22. আপনার আশপাশে এখন যাদের ট্রেড করতে দেখছেন বা ভালো প্রফিটও করতে দেখছেন, কিছুদিন পরেই তাদের অধিকাংশকে আর ট্রেড করতে দেখবেন না। খুব ভালো সম্ভাবনা রয়েছে যে, এই তালিকায় আপনি নিজেও থাকবেন। কারণ, মার্কেট এত দিন রেঞ্জে ছিল, মুভমেন্ট হয়েছে কম. ট্রেড করার সুযোগও ছিল কম, লাভও হয়েছে কম। আর এ ধরনের রেঞ্জ বাউন্ড মার্কেটে ট্রেডাররা ফতুরও হোন কম। কিন্তু, এখন আবার মার্কেটে ভোলাটিলিটি ফিরে এসেছে বা মার্কেট মুভ করা শুরু করেছে। এ সময়েই ট্রেডাররা সবচেয়ে বেশি ফতুর হন। এর প্রধানতম কারণ হচ্ছে, মার্কেট এখন ট্রেন্ডে। অনেক ট্রেডারই এতদিন দেখে এসেছেন যে, EUR/USD ১.১১-১.১৩ এর মধ্যেই আপডাউন করছে। কমলে আবার বাড়ছে, বাড়লে আবার কমছে। কিন্তু, ফরেক্স মার্কেটে কোন কারেন্সি পেয়ারের প্রাইস যে একবার কমতে শুরু করলে তা কমতেই থাকে আর বাড়তে শুরু করলে যে তা বাড়তেই থাকে, তার সাথে অনেক নতুন ট্রেডার এখনো পরিচিত হননি। EUR/USD হটাত এত দুর্বল হয়ে যাওয়ায় তাই অনেকেই ভাবছেন, এখন কিনে রাখলে EUR/USD আবার আগের প্রাইসে ফেরত যাবে। EUR/USD অবশ্যই আবার ১.১৩ তে ফেরত যাবে, কিন্তু, তার আগে আরও ১০০০ পিপস নামবে কিনা বা আরো দুই বছর সময় লাগবে কিনা, তা কেউ বলতে পারেন না। সেক্ষেত্রে, আপনি যদি বাই ট্রেড দেন, কিন্তু স্টপ লস ব্যবহার না করেন, তাহলে নিজেকেই মস্ত বড় ঝুকির মধ্যে ফেলছেন আপনি। কেননা, EUR/USD যখন ১.৩৬০০ থেকে ১.২৯০০ তে নেমে আসে, তখন অনেকেই ভেবেছিল EUR/USD আবার ১.৩৬ এ ফেরত যাবে। তখন যারা স্টপ লস সেট না করে বাই দিয়েছিল, এখন তাদের অবস্থা ভাবুন? EUR/USD ১.২৯ থেকেও এখন ২১০০ পিপস কমে গেছে। ফরেক্স মার্কেটে প্রাইস কত নিচে নামার পর, আর তা কমবে না, সেটা বলা অসম্ভব। যে প্রাইসে EUR/USD কোনদিন নামবে না বলে আপনি মনে করছেন, তার থেকেও অনেক নিচে নেমে যেতে পারে EUR/USD এবং অনেকবার গিয়েছেও। তাই সাবধান হন এখনি। মার্কেট বর্তমান প্রাইস থেকে হয় আরো ৭০০-৮০০ পিপস বাড়বে বা কমবে। নিজেই ভাবুন, অনেক ট্রেডারই এখন EUR/USD বাড়বে বলে বাই দিয়ে বসে আছেন আর অনেকে হয়ত আরও কমবে এই আশায় সেল দিয়ে বসে আছেন। ধরুন এই দুই গ্রুপের কোন গ্রুপই স্টপ লস সেট করেনি। হয়ত সাময়িক বাড়া কমার কারণে এদের কেউ না কেউ প্রফিট পাবেন। কিন্তু, শেষমেষ মার্কেট কিন্তু ঠিকই ৭০০ পিপস উপরে বা নিচে যাবে, একসময় না একসময়। তার মানে এই দুই গ্রুপের কেউ না কেউ, ঠিকই ফতুর হয়ে যাবে। কিন্তু ,অপর গ্রপের ট্রেডাররাও কিন্তু বেশি একটা লাভ করতে পারবেন না কেন? কারন, কোন ট্রেডার কি ২০০ পিপস প্রফিট পাওয়ার পর তার ট্রেড আর খোলা রাখার সাহস পাবেন? নিশ্চয়ই না, কারণ মার্কেট কখন রিট্রেস করবে, এই ভয় তার মধ্যে কাজ করবে। কিন্তু, যিনি ২০০ পিপস লসে আছেন? ৫০ পিপস লসেই তার ট্রেড ক্লোজ করতে ভালো লাগেনি স্টপ লসে, এখন কি আর ভালো লাগবে? এখন তিনি ২০০ পিপস লসে, হয়তবা ব্যালেন্সের ২৫% ই মাইনাস হয়ে গিয়েছে। এই লস কাভার করতেও তার অন্তত ৪ টি ট্রেড জিততে হবে। তাই, এমতাবস্থায় আর সব ট্রেডারের মোট তিনিও চাইবেন, ট্রেড খোলা রেখে প্রার্থনা করতে যেন প্রাইস তার পক্ষে যায়। কিন্তু, মার্কেট তো ট্রেন্ডে, আরো কমারই কথা. প্রফেশনাল ট্রেডাররা খুশি হচ্ছে প্রত্যাশা মত দাম আরো কমায়। কিন্তু, তার তো বুক কাপছে, কারণ তিনি বিশাল লসে। শেষ পর্যন্ত দেখা যাবে, প্রত্যাশা মতই মার্কেট আরও ৭০০ পিপস নিচে নেমে যাবে। প্রফেশনাল ট্রেডারগণ, যারা হয়ত একটি লস করেছিলেন, তারা ৫-৬ টি ট্রেডে জিতে তার থেকেও অনেক বেশি প্রফিট করবেন। আর তিনি শুধু একটি ট্রেডের লস ঠেকাতে গিয়েই ফতুর হয়ে গেলেন। মোটামুটি এভাবেই সবাই ফতুর হয়ে যায়। একবার বড় ধরনের লস করে ফেললে তার থেকে ফিরে আসা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাড়ায়। আর মার্কেট এখন ট্রেন্ডে বলে, খুব অল্প সময়েই বড় ধরনের মুভ করতে পারে এবং একটানা কমতে বা বাড়তে পারে। তাই, এমতাবস্থায় আপনার করনীয় হল: ১) প্রতি ট্রেডে অবশ্যই ৫% এর বেশি রিস্ক নিবেন না এবং অবশ্যই স্টপ লস ব্যবহার করবেন। ২) ট্রেন্ডের বিপরীতে ট্রেড দিবেন না বা দিলেও খুব সাবধানতা অবলম্বন করবেন। ৩) সবসময় ট্রেন্ডের দিকে ট্রেড ওপেন করবেন, প্রাইস যখনই কোন সাপোর্ট বা রেজিস্টান্স ভেঙ্গে ফেলবে, তখনই সাথে সাথে সেল বা বাই দিবেন না, একটু অপেক্ষা করুন। দেখবেন, প্রাইস কমে সাপোর্ট ভেঙ্গে ফেলার পর আবার কিছুটা বেড়েছে, আপনি সেই প্রাইসে সেল দিন (ছোট স্টপ লস ও বড় টেক প্রফিট ব্যবহার করে, এ নিয়ে পরে শীঘ্রই আলোচনা করব )। যেহেতু, মার্কেট ডাউনট্রেন্ডে, তাই আপনার জেতার সম্ভাবনাই বেশি। আর বড় টেক প্রফিট আর ছোট স্টপ লস ব্যবহার করে, ট্রেড জিতলে আপনার লাভ হবে, হারলে যা লস হত, তারও কয়েক গুন অথবা আরও বেশি। ৪) মনে রাখবেন, আপনি যদি প্রতি ট্রেডে ২-৫% এর বেশি রিস্ক না নেন, মার্কেটে যত ঝড়ই বয়ে যাক, আপনার কিচ্ছু হবে না. আর যেসব ট্রেডার স্টপ লস ব্যবহার করবেন না, তারাই ফতুর হবেন। এরকম ট্রেডার করা এবং কিভাবে তারা ফতুর হন, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব পরের পোস্টে। আবারও বলছি, এটা নেহায়েত কোন সতর্কবাণী না, বহু দিনের অভিজ্ঞতার আলোকে বলা। তাই, সতর্ক হোন এখনি। বেশী লাভ করতে গিয়ে এমন লসের সম্মুখীন হবেন না, যাতে শেষমেষ ফতুরই হয়ে যেতে হয়। আগামী পোস্টঃ ফরেক্স মার্কেটে যেসব ট্রেডার ফতুর হবেনই হবেন
  23. ইনবক্সে ধন্যবাদ জানিয়ে বেশ কয়েকজন মেসেজ দিয়েছেন, প্রেডিকশন অনুযায়ী মার্কেট মুভ করায়। আপনাদের সবাইকে শুভেচ্ছা। প্রেডিকশন হচ্ছে আগে থেকেই অনুমান করা করা, মার্কেটে কি হবে সামনে। তবে, আমরা কিন্তু কোন প্রেডিকশন দেই না। বরং জানিয়ে দেই, কি নিউজ এলে মার্কেটে তার ইমপ্যাক্ট কি হবে, কিভাবে ট্রেড করতে হবে এবং ফরেক্স মার্কেট বেশ কিছুদিন ধরেই একদম প্রত্যাশিতভাবে মুভ করছে। আর তাই আপনার মনে হচ্ছে প্রেডিকশন অনুসারেই ফরেক্স মার্কেট মুভ করছে। গতকালই বলা হয়েছিল, আর এজন্য নিউজদুটির ফলাফল প্রত্যাশামত আশাই যথেষ্ট ছিল। US ADP employment প্রত্যাশামতই এসেছে এবং ISM non-manufacturing (প্রত্যাশিত ৫৬.৬ এর বিপরীতে ৫৯.১) নিউজের ফলাফল এসেছে প্রত্যাশা থেকেও ভালো। এমনিতেই ডাউনট্রেন্ডে রয়েছে EUR/USD এবং এই নিউজগুলো ভালো আসায়, আর সাথে দ্রাঘির Dovish বক্তব্যের কারনে প্রত্যাশা অনুযায়ীই ত্বরানিত হয় EUR/USD এর পতন। মার্কেট ইতিমধ্যেই ১.০৮৯৬ ভেঙ্গে ফেলেছে কিন্তু ১.০৮৪৭ কিন্তু ঠিকই সাপোর্ট হিসেবে কাজ করছে। তাই, EUR/USD কমে ১.০৮৪ এ নেমে আসলেও, ১.০৮৪৭ সাপোর্ট ভাঙ্গতে পারেনি এখনও। বিগত তিন ঘন্টা ধরেই প্রাইস বার বার ১.০৮৪ এ গিয়ে সেখান থেকে আবার ফেরত আসছে। কিন্তু, এই সাপোর্ট বেশিক্ষণ টিকবে কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়। আজ US Unemployment Claims রিপোর্ট প্রত্যাশার চেয়ে ভালো আসলে আরো দুর্বল হবে EUR/USD. সেক্ষেত্রে, পরবর্তী গন্তব্য হতে পারে ১.০৮০৮ (জুলাই মাসের সাপোর্ট)। আজ বৃহস্পতিবারের আরও গুরুত্বপূর্ণ নিউজঃ বিকেল ৫:৪৫ এ ECB (ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংক) প্রধান মারিও দ্রাঘি মিলানে বক্তব্য রাখবেন। বুধবারে ফ্র্যাঙ্কফুটে তার বক্তব্যের পর এই বক্তব্যেও ইউরোর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যেতে পারে তার কাছ থেকে। সাধারণত তার বক্তব্য মার্কেটে ভালো আলোড়ন সৃষ্টি করে। সন্ধ্যা ৬টায় প্রকাশিত হবে UK Rate Decision সংক্রান্ত রিপোর্টগুলো। ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড অক্টোবর মাসের মিটিংয়ে সুদের হার রেকর্ড নিম্ন ০.৫% এ নামিয়ে এনেছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে যে ইউকের শ্রমবাজার টার্গেট ২% মুদ্রাস্ফীতিতে পৌঁছানোর মত অবস্থায় নেই, তাই ২০১৬ এর বসন্ত পর্যন্ত মুদ্রাস্ফীতি ১% এর নিচেই থাকবে। সুদের হার নির্ধারণ ছাড়াও ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড ত্রি-মাসিক মুদ্রাস্ফীতি বা ইনফ্লাশন রিপোর্টও প্রকাশ করবে। এছাড়া সুদের হার সংক্রান্ত ভোটের ফলও একই সময়ে প্রকাশিত হবে যা পূর্বের ন্যায় ১-০-৮ থাকবে বলেই প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সন্ধ্যা ৬:৪৫ এ ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের গভর্নর মার্ক কার্নে বক্তব্য রাখবেন। তার বক্তব্যে নতুন রুপরেখা সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যেতে পারে। ফেডের হকিশ মনভাবের প্রেক্ষিতে মার্ক কার্নেও কি হকিশ মনভাব দেখাবেন এবং রেট বৃদ্ধি করবেন? পূর্বেও কার্নেকে লক্ষ্য করা গেছে ফেডের অ্যাকশনের জন্য অপেক্ষা করতে এবং তাদের পথ অনুসরন করতে। সন্ধ্যা ৭:৩০ এ প্রকাশিত হবে US Unemployment Claims রিপোর্ট। গত সপ্তাহে কি পরিমাণ জনগণ বেকার ভাতার সুবিধা নিয়েছে তা প্রকাশিত হয় এই ডাটার মাধ্যমে। গত সপ্তাহে তা ১০০০ বাড়লেও টানা ৩৪ সপ্তাহ ধরে এই সংখ্যা ৩০০,০০০ এর নিচে রয়েছে যা বর্তমানে আমেরিকার শ্রমবাজার যে যথেষ্ট শক্তিশালী সে কথাই নির্দেশ করে। এ সপ্তাহে ২৬৪,০০০ ফলাফল আশা করা হচ্ছে।
  24. আজ বাংলাদেশ সময় রাত বারটায় রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের Federal Open Market Committee Meeting বা FOMC মীটিং। ট্রেডাররা অপেক্ষায় রয়েছেন, এই মিটিং কে ঘিরে ফেড এর নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্ত জানার জন্য। যদিও তাতে খুব একটা পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা নেই এবং খুব শীঘ্রই ফেড সুদের হার বাড়াচ্ছে না। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পেন্ডিং সেলসসহ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সূচকগুলো ভালো আসায় অনেকে আশা করছেন ফেডের নীতিতে পরিবর্তন আসলেও আসতে পারে। FOMC সম্পর্কে আরো জানতে এখানে ক্লিক করুন। মার্কেট এখন ফেডের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছে, তাই মার্কেট মুভমেন্ট কম হচ্ছে। রাত ১২ টার পরপরই মার্কেটে বড় ধরনের মুভমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। ডলার শক্তিশালী হলে আজকে ১.১০ সাপোর্ট ব্রেক হতে পারে। এই মুহুর্তে EUR/USD ট্রেড হচ্ছে ১.১০৮৩ তে, GBP/USD ট্রেড হচ্ছে ১.৫২৯৩ তে এবং Inflation Data খারাপ আসার কারণে AUD/USD দুর্বল হয়ে এখন ট্রেড হচ্ছে ০.৭১৩১ এ।

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×