Jump to content

Search the Community

Showing results for tags 'forex news'.



More search options

  • Search By Tags

    Type tags separated by commas.
  • Search By Author

Content Type


Categories

  • ইন্ডিকেটর
  • এক্সপার্ট এডভাইসর
    • বিডিপিপস EA ল্যাব
  • স্ক্রিপ্ট
  • ট্রেডিং স্ট্রাটেজী
  • ট্রেডিং প্লাটফর্ম
  • ফরেক্স ই-বুক
    • বাংলা ই-বুক
  • চার্ট টেমপ্লেট

Forex Bangladesh - বিডিপিপস

  • ট্রেডিং এডুকেশন
    • সাধারণ ট্রেডিং আলোচনা
    • ফরেক্স স্টাডি
    • প্রশ্ন এবং উত্তর
  • ফরেক্স ট্রেডিং আলোচনা
    • ফরেক্স নিউজ
    • ট্রেডিং আইডিয়া
    • ট্রেডিং স্ট্রাটেজি
  • ট্রেডিং সফটওয়্যার
    • ফরেক্স ইন্ডিকেটর
    • এক্সপার্ট এডভাইসর
    • মেটাট্রেডার এবং MQL
  • ফরেক্স ব্রোকার
    • ফরেক্স ব্রোকার
  • বিডিপিপস ফোরাম সাপোর্ট
    • ফোরাম সাপোর্ট
  • অফ-টপিক
    • অপ্রাসঙ্গিক
    • ফরেক্স হিউমার
  • লাইভ ট্রেডিং রুম

Find results in...

Find results that contain...


Date Created

  • Start

    End


Last Updated

  • Start

    End


Filter by number of...

Joined

  • Start

    End


Group


AIM


MSN


Website URL


ICQ


Yahoo


Jabber


Skype


লোকেশন


Interests


ব্রোকার


মোবাইল নং

Found 13 results

  1. আজ NFP. প্রত্যেক মাসের প্রথম শুক্রবার মার্কিন ডলারের জন্য বিশেষ একটি দিন। কারন এই দিনে বরাবরই ঘোষণা হয়ে থাকে মার্কিন অর্থনীতির বিশেষ কিছু ইভেন্টস যা মুদ্রাটির সম্ভাব্য ট্রেন্ড কোন পথে তা নির্ধারণ করে দেয়। তারই ধারাবাহিকতায় আজ ঘোষণা হতে যাচ্ছে বিশেষ কিছু কী-ইভেন্টস যথাঃ Average Hourly Earnings (MoM):-Previous 0.3% . Consensus 0.2% Unemployment Rate:------------- -Previous 4.3%. Consensus 4.3% Nonfarm Payrolls:------------------ Previous 209k. Consensus 180k ISM Manufacturing PMI:-----------Previous 56.3 Consensus 56.5 এছাড়াও চলতি সাপ্তাহে মার্কিন ডলারের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি ইভেন্টস ঘোষিত হয়েছে যথাঃ ADP Employment Change, Gross Domestic Product Annualized ও Initial Jobless Claims. গত বুধবার ADP এবং GDP উক্ত দুটি ইভেন্টসে অর্জিত সাফল্যের ফলে ডলার কিছুটা প্রাণ ফিরে ফেয়ে ছিল। বিশেষ করে GDP-র পরিবর্তনটি আকস্মিক ছিল কারন গত দুই বছরের মধ্যে GDP-র হার এত দ্রুত পরিবর্তন হতে দেখা যায়নি যা পূর্বে ছিল ২.৬% এবং প্রত্যাশা ছিল ২.৭% কিন্তু ফলাফল এসেছে ৩.০% এক কথায় প্রত্যাশা কে ছাপিয়ে যাওয়া। ফলে বুধবারের মার্কেটে আমরা ডলার কে সকল মুদ্রার বিপরীতে শক্তিশালী হতে দেখেছি কিন্তু বৃহস্পতিবারে Initial Jobless Claims ইভেন্টস যদি প্রত্যাশা কে ছাপিয়ে যেত বা প্রত্যাশিত ফলাফল 237K ও অর্জিত হতো তাহলে মার্কেট ট্রেন্ড বুধবারের কন্ডিশন কে স্পষ্টতই অনুসরণ করতো। - বৃহস্পতিবারের মার্কেটে বিশেষ ভাবে EUR/USD উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন না হলেও GBP ডলারের বিপরীতে এগিয়ে গেছে কারন BoE পরবর্তি মিটিংয়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির আভাস দিয়েছেন। আপর দিকে কানাডিয়ান ডলারের বিপরীতে USD-র পতন হয়েছে ঠিক অনুরূপ মূল্যায়নে। কারন BoC আগামী সাপ্তাহে দ্বিতীয় দফায় ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধি করতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে এবং এ সম্ভাবনা জুড়ালো। - ডলারের ভবিষ্যৎ কোন পথে ? দীর্ঘদিন যাবত ডলার পতনশীল অবস্থায় রয়েছে। চলতি সাপ্তাহে USD INDEX ৯১ এর ঘরে নেমে এসেছিল যা মূলত ২০১৫ অর্থ বছরের একটি সাপোর্ট লেভেল ।আর এই পতনধারা ইউরো কে পৌছে দিয়েছে ১.২ এর ঘরে।ফলে মুদ্রাটিকে এখন Safe Haven হিসাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে ।মার্কিন রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নর্থ কোরিয়া ইস্যু ডলার কে যে বেকায়দায় ফেলেছে তা ইউরো লুফে নিতে ভুল করেনি। সুতরাং ডলার কে ঘুরে দাঁড়াতে হলে অবশ্যই আজ Unemployment Rate কে ঠিক রেখে বিশেষ দুটি ইভেন্টসে ডলার কে প্রত্যাশা ছাড়িয়ে যেতে হবে । প্রথমত Average Hourly Earnings যা 0.3% পর্যন্ত পৌছতে হবে। দ্বিতীয়ত Nonfarm Payrolls কে 195K পর্যন্ত পৌছাতে হবে যা বর্তমানে প্রত্যাশা করা হচ্ছে 180K পর্যন্ত। যদি এমনটিই মার্কেটে প্রতিফলিত হয় অথবা উল্লেখযোগ্য তেমন কোন সাফল্যই তারা দেখাতে না পারে তবে ডলারের পতনরোধ করা কঠিন হয়ে যাবে। কারন ডলারের জন্য পরবর্তি ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির পূর্ব পর্যন্ত এটাই শেষ NFP. সুতরাং ডলার কে শক্তিশালী কামবেক করতে হবে অন্যথায় চলমান ক্রাইসিসে ডলার ঘুরে দঁড়ানোর সম্ভাবনা ক্ষীন। অতএব সার্বিক বিবেচনায় আজ এন এফ পি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। যদি ডলার আজ ঘুরে দাঁড়াতে পারে তবে Technical Based ট্রেডারদের জন্য এটি একটি প্রত্যাশার দিন।বিপরীতে আমাদের কে ইউরো ১.২৫ পাউন্ড ১.৩২ কানাডিয়ান ডলার ১.২০ জাপানিস ইয়ান ১০৬.৫০ কে টার্গেট করে ট্রেডিং প্লান ঠিক করতে হবে। ------------------------------------------------------------------ বিঃদ্রঃ মুদ্রাবাজার সর্বদা পরিবর্তনশীল। বিভিন্ন কারনে একটি কন্টিনিউ ট্রেন্ড পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে। সুতরাং আমার ব্যাক্তিগত মার্কেট মূল্যায়ন আপনাকে শতভাগ প্রফিটের নিশ্চয়তা নাও দিতে পারে। Md Mohabbat E Elahi Admin: Forex online Training academy.
  2. মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পরবর্তিতে ডলার অবিশ্বাস্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ বুধবার সন্ধ্যা ছয়টায় USD index বিগত ১৪ বছরের সর্বোচ্চ রেকর্ড অর্থাৎ ২০০৩ সালের এপ্রিল মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১০০.৩৮ কে অতিক্রম করে ১০০.৫৬ পর্যন্ত উঠে এসেছে। ** এছাড়া গতকাল মার্কিন ডলার তাদের বিশেষ কিছু Economical Events-এ অপ্রত্যাশিত সাফল্য পেয়েছে। ফলে আগামী ডিসেম্বর ১৪ তারিথে ফেডারাল রিজার্ভের ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভবনা টি Fed rate monitoring tools এর দৃষ্টিকোন থেকে 90.6% এগিয়ে গেল। গতকালের বিশেষ সাফল্যঃ Retail Sales control group 0.3% থেকে 0.8% অর্থাৎ +0.05% Retail Sales ex Autos (MoM) 0.4% থেকে 0.8% অর্থাৎ +0.04% Retail Sales (MoM) 0.6% থেকে 0.8% অর্থাৎ +0.02% ** বর্তমান মার্কিন অর্থনৈতিক অবস্থা পর্যালোচনা করলে এটা স্পষ্ট যে ২০১৫ সাল থেকে মার্কিন ডলার গ্লোবাল অর্থনৈতিক মন্দা, মিডিলইস্ট সংকট ও রাজনৈতিক কিছু সিদ্ধান্তের ফলে আর্থিক ভাবে যে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিল তা ২০১৬ এর শেষের দিকে এসে তারা পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। যা বিশ্ব অর্থ ব্যবস্থায় তাদের আধিপত্য বিস্তার কে আর দীর্ঘায়ু করবে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দাবস্থার ফলে বিশ্বের বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো যেখানে আমানতের বিপরীতে সুদের হার কমিয়ে আনছে সেখানে ফেডারাল রিজার্ভ তাদের ব্যাংক সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার পাশাপাশি বৃদ্ধি করার ঘোষনা দিয়েছে। ** আজ মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইউরো মূদ্রাটি ২০১৫ সালের সর্বনিম্ন লেভেলটিও ব্রেক করেছে অর্থাৎ ২০১৬ তে ইউরো কিছুটা শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করলেও মার্কিন ডলারের বিপরীতে তার এ প্রয়াস টি ছিল অতি ছোট ফলে ইউরো কে ২০১৫ সালের সর্বন্মি প্রাইসেই নেমে আসতে হয়েছে। ** সূতরাং সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে আগামী ডিসেম্বর ১৪ তরিখ পরবর্তিতে ফরেক্স ট্রেডারদের জন্য দারুন এক সম্ভবনা তৈরি হতে যাচ্ছে। ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয় পক্ষের জন্য এ সম্ভবনা টি খুবই গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছি। তবে ব্যাক্তিগত দৃষ্টিকোন বা সেন্টিমেন্ট থেকে সেলারগন বেশি উপকৃত হওয়ার সম্ভাবনায় এগিয়ে যাবে। -------------------------------------------------------- MD Mohabbat E-Elahi Analytical Expert: Forex & CFD Market. Admin: Forex online training academy Bangladesh মার্কেট বিশ্লেষনঃ Fundamental Currency: US Dollar
  3. Bank of Japan Interest Rate Decision বনাম USD/JPY ---------------------------------------------------------------------------- সম্মানিত ফরেক্স ট্রেডার বৃন্দ, আজ ০৯-২১-২০১৬ টকিও সেশনে ঘোষনা হতে যাচ্ছে ব্যাংক অব জাপানের ইন্টারেস্ট রেট যা গতবারের মতই ( -0.1 ) দূর্বল অবস্থায় রয়েছে এবং চলতি মাসেও ব্যাংক অব জাপান তাদের সুদের হার বৃদ্ধি করন বিষয়ে তেমন কোন সিদ্ধান্ত গ্রহন করেনি ফলে IRD -0.1 পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। তবে Policy Board of the Bank of Japan এর monetary policy statement খুবই গুরত্ব বহন করছে কারন ফেডারেল রিজার্ভের ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধি করন বিষয়ে পূর্বে থেকেই কিছু টা ইঙ্গিত থাকার কারনে ব্যাংক অব জাপানের পলিসি বোর্ড নতুন কোন সিদ্ধান্ত গ্রহন করছে কিনা তা বিবেচ্ছ্য যা চলতি Key events প্রতিটি ট্রেডার কে JPY সম্পর্কিত মূদ্রা জোড়ে প্রবেশের দারুন সুযোগ তৈরি করে দিতে পারে। বিশেষ করে USD/JPY বর্তমানে একটি শক্তিশালী Demand zone (price 101.00- 2014) এ অবস্থান করছে যা বিগত তিন মাসে কয়েকবার টেস্ট হয়েছে। সূতরাং আজকের ইভেন্টস 101.00 থেকে 100.00 উক্ত প্রাইজ দুটির মাঝে সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে । তবে আসন্য Fed Interest rate কে কেন্দ্র করে মার্কেট হয়তোবা কিছুটা নরমালও থাকতে পারে তাই সার্বিক বিবোচনা একান্ত কাম্য। তবে আজকের মার্কেট কন্ডিশন মূল্যায়নের পর সার্বিক ভাবে আমি 101.00 থেকে 100.00 উক্ত এরিয়াতে কোন প্রকার Short entry সমর্থন করছিনা ফলে 102.00 থেকে আমরা Buy stop position গ্রহন করতে পারি যদিও প্রাইজ আজকের ক্লোজিং পরবর্তিতে ৫০ থেকে ৬০ পিপসের মত পতনের সম্ভাবনা রয়েছে। ------------------------------------------------ মার্কেট বিশ্লেষনঃ Fundamental & Technical Analysis: Descending T-Angle & Falling channel Currency Pair: USD/JPY Sentiment: Long 102.00 (Buy stop) Change Target: 60 ------------------------------------------------------------------------------------ MD Mohabbat E-Elahi Analytical Expert: Forex & CFD Market. Writer: The Insider secret of global Forex Market
  4. জানুয়ারী ২০১৬ থেকে মে ২০১৬ পর্যন্ত মার্কিন ডলারের ক্রমাগত পতনের ফলে বিশ্বের বৃহত্তম ফরেক্স ট্রেডিং মার্কেটে কয়েকটি মূদ্রা যেমন EUR,GBP, CHF, JPY ও CAD শাক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে ৤ ------------------------------- EUR এর বিপরীতে USD 01-016 খেকে পিছিয়েছে প্রায় ৮০০ পিপস৤ GBP এর বিপরীতে USD ফেব্রুয়ারী থেকে পিছিয়েছে প্রায় ৮০০ পিপস৤ CHF এর বিপরীতে USD ফেব্রূয়ারী থেকে পিছিয়েছে প্রায় ৮০০ পিপস৤ JPY এর বিপরীতে USD পিছিয়েছে প্রায় ১৫০০ পিপস৤ CAD এর বিপরীতে USD পিছিয়েছে প্রায় ২০০০ পিপস৤ -------------------------------- এছাড়া NZD ও ‍AUD এর বিপরীতে যথাক্রমে ৭০০ ও ১০০০ পিপস এর পতন হলেও পরিবর্তন গত দিক থেকে কিছুটা ভারসম্যতা ছিল যা সাধারনত CAD ও JPY এর ক্ষেত্রে দেখা যায়নি৤ ফলে CAD ও JPY এর বিনিয়োগ কারী গন খুবই সমস্যায় পড়েছেন৤ --------------------------------- তবে মে ২০১৬ এর প্রথম সাপ্তাহে মার্কিন ডলারের ভাগ্য পরিবর্তন হতে পারে কারন মার্কিন ডলার কে প্রভাবিত করতে পারে এমন সব গুরুত্বপূর্ন Economical Events ( FOMC ,ADP Employment Change,Trade Balance,Initial Jobless Claims, Nonfarm Payrolls, Unemployment Rate) publish হতে যাচ্ছে৤ এক্ষেত্রে ADP -5K,Trade balance -$41.5B ও NFP -15K এর রেকর্ড দেখানো হচ্ছে, সূতরাং মার্কিন ডলারের ভাগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা বাহ্যিক ভাবে দেখা না গেলেও গ্লোবাল ট্রেডার সেন্টিমেন্ট ও মার্কিন ডলারের অপরিবর্তিত Bank interest rate , অপরিবর্তীত unemployment rate কিছুটা সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিচ্ছে, এছাড়া এপ্রিল ২০১৬ তে অন্যসব মূদ্রার Economical Events ততটা পরিবর্তিত না হলেও মার্কিন ডলারের পতনে মূদ্রাগুলো কিছুটা সুবিধা জনক আবস্থান ধরে রেখেছে৤ --------------------------------------------- মার্কেট সেন্টিমেনট৤ চলতি সাপ্তাহে যদি মার্কিন ডলারে positive পরিবর্তন হয় তাহলে EUR/USD, GBP/USD, AUD/USD, USD/CAD, ও USD/CHF এ দীর্ঘ মেয়াদি একটি পরিবর্তন আসতে পারে৤ অন্যথায় মার্কেটে রিভার্সেল ট্রেড ততটা সুফল দিবে বলে মনে হচ্ছে না৤ কারন এপ্রিলে কিছুটা পরিবর্তনের সম্ভাবনা খাকা সত্তেও মার্কিন ডলারের অপরিবর্তিত সুদের হারের পরও বড় ধরনের পতন হয়ছে৤ -------------------------------------------------------------------------------------- MD Mohabbat E Elahi Analytical Expert: Forex & CFD Market. Currency: US Dollar. C.Position: Strong demand zone. C.T Sentiment: Reversal Trading. Analysis view: Trend+S&D Phone: +880-1936236148
  5. ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস উদযাপনের পরপরই রাতে প্রস্তুত থাকুন ১৭ই ডিসেম্বর এর জন্য। কেননা, ঘড়ির কাটা রাত ১২ টা পার করার এক ঘন্টা পরই, অর্থাৎ, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় মধ্যরাত ১ টাতেই যে সুদের হার বাড়াতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেড। আর তাই, ৩ ই ডিসেম্বরের মত আরেকটি বড় মার্কেট মুভমেন্টের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন ট্রেডাররা। তবে, প্রশ্ন হচ্ছে আবার ৩ই ডিসেম্বরের মোট অপ্রত্যাশিত কিছু হবে কি? সবচেয়ে ঘোর ইউরো সমর্থকও হয়ত আশা করেননি যে, ইসিবি সুদের হার কমানোর পরেও EUR/USD শক্তিশালী হবে এবং এতটা শক্তিশালী হবে। যদিও EUR/USD এতটা শক্তিশালী হওয়ার পড়ে অনেক বিশ্লেষকই ব্যাখ্যা দিচ্ছেন যে ট্রেডাররা সুদের হার আরও বেশি কমানো হবে বলে প্রত্যাশা করেছিল এবং তা না হওয়ায় EUR/USD দুর্বল হয়েছে। কিন্তু, এরকম যুক্তি নিউজের আগে না এসে পরে দেওয়ায় তা ধোপে টিকছে না। তবে মারিও দ্রাঘি নিজেই স্বীকার করে নিয়েছেন যে, মার্কেট তার বক্তব্য বুঝতে ভুল করেছে। ইসিবি সুদের হার কমানোর পরেও EUR/USD ৫০০ পিপসেরও বেশি শক্তিশালী হওয়ায় এবং সম্প্রতি ১.১০ ব্যারিয়ারও ভেঙ্গে ফেলায়, প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন ট্রেডাররা। ১৬ ডিসেম্বরও কি এরকম অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটতে পারে? আপাত দৃষ্টিতে সুদের হার বাড়ানোর ফলে EUR/USD র নিশ্চিত ১০০-৩০০ পিপস দুর্বল হওয়ার কথা থাকলেও ৩ ডিসেম্বরের মোট অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কেননা সুদের হার বৃদ্ধি প্রত্যাশিত, অপ্রত্যাশিত নয়। ১৭ই ডিসেম্বর কি ঘটতে যাচ্ছে? ১৬ই ডিসেম্বরই বৈঠকে বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারের রিজার্ভ ওপেন কমিটি বা FOMC । মূল এজেন্ডা হল যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক অর্থনীতি পর্যালোচনা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার ঘোষণা করা। দীর্ঘদিন ধরেই সুদের হার মাত্র ০.২৫ শতাংশে নামিয়ে রাখা হয়েছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এবার সুদের হার বাড়িয়ে ০.৫০ শতাংশ করা হবে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, ঠিক আট বছর আগেই ফেড সুদের হার কমিয়ে ০.২৫ শতাংশে নিয়ে আসে। সেবারও কিন্তু প্রত্যাশা করা হচ্ছিল যে সুদের হার কমানো হবে। তবে, প্রত্যাশা ছিল সুদের হার শতকরা ১ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.৫০ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে। কিন্তু, সবাইকে চমকে দিয়ে একেবারেই ০.২৫ শতাংশে নামিয়ে আনে ফেড। যার ফলশ্রুতিতে ব্যাপকভাবে দুর্বল হয় ডলার ও শক্তিশালী হয় EUR/USD. যেহেতু, সুদের নতুন হার ০.৫০ শতাংশ প্রত্যাশিতই, তাই যদি ফেড সুদের হার বাড়িয়ে ০.৭৫ শতাংশে বা ১ শতাংশে নিয়ে আসে, তাহলে তা EUR/USD কে কমপক্ষে ২০০-৩০০ পিপস দুর্বল করবে। আর যদি ফেড সুদের হার প্রত্যাশামতই বাড়িয়ে ০.৫% করে, তাহলে তা অর্থনীতির সাধারণ নীতি অনুসারে EUR/USD কে দুর্বল করার কথা থাকলেও EUR/USD দুর্বল বা শক্তিশালী, দুটোই হতে পারে। সেক্ষেত্রে, মার্কেটে বড় ধরনের স্পাইক হওয়ার ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। আর যদি ফেড সুদের হার নাই বাড়ায় এবং FOMC স্টেটমেন্টেও অতি দ্রুতই সুদের হার না বাড়ানোর কোন জোরালো ইঙ্গিত না দেয়, তাহলে ডলার দুর্বল হয়ে EUR/USD আরও ২০০-৩০০ পিপস শক্তিশালী হতে পারে। তবে যাই ঘটুকনা কেন, মার্কেটে যে বড় মুভমেন্ট ঘটতে যাচ্ছে, তা একপ্রকার নিশ্চিত। ১৭ই ডিসেম্বরের আরও আপডেটের জন্য বিডিপিপসের সাথেই থাকুন।
  6. ইনবক্সে ধন্যবাদ জানিয়ে বেশ কয়েকজন মেসেজ দিয়েছেন, প্রেডিকশন অনুযায়ী মার্কেট মুভ করায়। আপনাদের সবাইকে শুভেচ্ছা। প্রেডিকশন হচ্ছে আগে থেকেই অনুমান করা করা, মার্কেটে কি হবে সামনে। তবে, আমরা কিন্তু কোন প্রেডিকশন দেই না। বরং জানিয়ে দেই, কি নিউজ এলে মার্কেটে তার ইমপ্যাক্ট কি হবে, কিভাবে ট্রেড করতে হবে এবং ফরেক্স মার্কেট বেশ কিছুদিন ধরেই একদম প্রত্যাশিতভাবে মুভ করছে। আর তাই আপনার মনে হচ্ছে প্রেডিকশন অনুসারেই ফরেক্স মার্কেট মুভ করছে। গতকালই বলা হয়েছিল, আর এজন্য নিউজদুটির ফলাফল প্রত্যাশামত আশাই যথেষ্ট ছিল। US ADP employment প্রত্যাশামতই এসেছে এবং ISM non-manufacturing (প্রত্যাশিত ৫৬.৬ এর বিপরীতে ৫৯.১) নিউজের ফলাফল এসেছে প্রত্যাশা থেকেও ভালো। এমনিতেই ডাউনট্রেন্ডে রয়েছে EUR/USD এবং এই নিউজগুলো ভালো আসায়, আর সাথে দ্রাঘির Dovish বক্তব্যের কারনে প্রত্যাশা অনুযায়ীই ত্বরানিত হয় EUR/USD এর পতন। মার্কেট ইতিমধ্যেই ১.০৮৯৬ ভেঙ্গে ফেলেছে কিন্তু ১.০৮৪৭ কিন্তু ঠিকই সাপোর্ট হিসেবে কাজ করছে। তাই, EUR/USD কমে ১.০৮৪ এ নেমে আসলেও, ১.০৮৪৭ সাপোর্ট ভাঙ্গতে পারেনি এখনও। বিগত তিন ঘন্টা ধরেই প্রাইস বার বার ১.০৮৪ এ গিয়ে সেখান থেকে আবার ফেরত আসছে। কিন্তু, এই সাপোর্ট বেশিক্ষণ টিকবে কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়। আজ US Unemployment Claims রিপোর্ট প্রত্যাশার চেয়ে ভালো আসলে আরো দুর্বল হবে EUR/USD. সেক্ষেত্রে, পরবর্তী গন্তব্য হতে পারে ১.০৮০৮ (জুলাই মাসের সাপোর্ট)। আজ বৃহস্পতিবারের আরও গুরুত্বপূর্ণ নিউজঃ বিকেল ৫:৪৫ এ ECB (ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংক) প্রধান মারিও দ্রাঘি মিলানে বক্তব্য রাখবেন। বুধবারে ফ্র্যাঙ্কফুটে তার বক্তব্যের পর এই বক্তব্যেও ইউরোর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যেতে পারে তার কাছ থেকে। সাধারণত তার বক্তব্য মার্কেটে ভালো আলোড়ন সৃষ্টি করে। সন্ধ্যা ৬টায় প্রকাশিত হবে UK Rate Decision সংক্রান্ত রিপোর্টগুলো। ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড অক্টোবর মাসের মিটিংয়ে সুদের হার রেকর্ড নিম্ন ০.৫% এ নামিয়ে এনেছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে যে ইউকের শ্রমবাজার টার্গেট ২% মুদ্রাস্ফীতিতে পৌঁছানোর মত অবস্থায় নেই, তাই ২০১৬ এর বসন্ত পর্যন্ত মুদ্রাস্ফীতি ১% এর নিচেই থাকবে। সুদের হার নির্ধারণ ছাড়াও ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড ত্রি-মাসিক মুদ্রাস্ফীতি বা ইনফ্লাশন রিপোর্টও প্রকাশ করবে। এছাড়া সুদের হার সংক্রান্ত ভোটের ফলও একই সময়ে প্রকাশিত হবে যা পূর্বের ন্যায় ১-০-৮ থাকবে বলেই প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সন্ধ্যা ৬:৪৫ এ ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের গভর্নর মার্ক কার্নে বক্তব্য রাখবেন। তার বক্তব্যে নতুন রুপরেখা সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যেতে পারে। ফেডের হকিশ মনভাবের প্রেক্ষিতে মার্ক কার্নেও কি হকিশ মনভাব দেখাবেন এবং রেট বৃদ্ধি করবেন? পূর্বেও কার্নেকে লক্ষ্য করা গেছে ফেডের অ্যাকশনের জন্য অপেক্ষা করতে এবং তাদের পথ অনুসরন করতে। সন্ধ্যা ৭:৩০ এ প্রকাশিত হবে US Unemployment Claims রিপোর্ট। গত সপ্তাহে কি পরিমাণ জনগণ বেকার ভাতার সুবিধা নিয়েছে তা প্রকাশিত হয় এই ডাটার মাধ্যমে। গত সপ্তাহে তা ১০০০ বাড়লেও টানা ৩৪ সপ্তাহ ধরে এই সংখ্যা ৩০০,০০০ এর নিচে রয়েছে যা বর্তমানে আমেরিকার শ্রমবাজার যে যথেষ্ট শক্তিশালী সে কথাই নির্দেশ করে। এ সপ্তাহে ২৬৪,০০০ ফলাফল আশা করা হচ্ছে।
  7. আবারও মার্কেট কাঁপাল NFP। গতকাল থেকেই ফরেক্স ট্রেডাররা অপেক্ষা করছিলেন NFP এর জন্য, আর তাই মার্কেট মুভমেন্টও ছিল অনেক কম। আজ বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭:৩০ এ প্রকাশিত হয় NFP রিপোর্টটি এবং এবারের ফলাফল হল 271K, যা প্রত্যাশিত 181K থেকে অনেক অনেক বেশি। তাই, মার্কেটে NFP এর প্রভাবও পরে অনেক বেশি। গতকালের নিউজে আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম: কিন্তু, EUR/USD প্রত্যাশা থেকেও অনেক বেশি দুর্বল হয়েছে এবং মাত্র ১০ মিনিটেই ১.০৮৬৪ থেকে ১৫০ পিপসসের ও বেশি দুর্বল হয়ে ১.০৭০৮ এ নেমে আসে। এই মুহুর্তে, আবার কিছুটা মূল্য সংশোধনের পর EUR/USD ১.০৭৪৪ এ ট্রেড হচ্ছে। শক্তিশালী ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত থাকায় EURUSD আরো দুর্বল হতে পারে। এই সপ্তাহের অধিকাংশ নিউজের পরেই প্রত্যাশিত মার্কেট মুভমেন্ট ঘটায় বেশ চমত্কার একটি সপ্তাহ গেল ফরেক্স ট্রেডারদের জন্য। আপনার সাফল্য বা ব্যর্থতা, দুটোই শেয়ার করুন। কারণ, উভয়টি থেকেই আমাদের সবার অনেক কিছু শেখার আছে।
  8. আজ বাংলাদেশ সময় রাত বারটায় রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের Federal Open Market Committee Meeting বা FOMC মীটিং। ট্রেডাররা অপেক্ষায় রয়েছেন, এই মিটিং কে ঘিরে ফেড এর নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্ত জানার জন্য। যদিও তাতে খুব একটা পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা নেই এবং খুব শীঘ্রই ফেড সুদের হার বাড়াচ্ছে না। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পেন্ডিং সেলসসহ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সূচকগুলো ভালো আসায় অনেকে আশা করছেন ফেডের নীতিতে পরিবর্তন আসলেও আসতে পারে। FOMC সম্পর্কে আরো জানতে এখানে ক্লিক করুন। মার্কেট এখন ফেডের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছে, তাই মার্কেট মুভমেন্ট কম হচ্ছে। রাত ১২ টার পরপরই মার্কেটে বড় ধরনের মুভমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। ডলার শক্তিশালী হলে আজকে ১.১০ সাপোর্ট ব্রেক হতে পারে। এই মুহুর্তে EUR/USD ট্রেড হচ্ছে ১.১০৮৩ তে, GBP/USD ট্রেড হচ্ছে ১.৫২৯৩ তে এবং Inflation Data খারাপ আসার কারণে AUD/USD দুর্বল হয়ে এখন ট্রেড হচ্ছে ০.৭১৩১ এ।
  9. ফেডারেল রিজার্ভের নীতিনির্ধারকরা চলতি বছরের শেষ নাগাদ সুদের হার বৃদ্ধি করতে ইচ্ছুক। তবে ফেডের ভাইস চেয়ারম্যান স্ট্যানলি ফিশার বলেছেন, সুদের হার বৃদ্ধির বিষয়টি এখনো প্রত্যাশা মাত্র, নিশ্চিত কিছু নয়। বিশ্ব অর্থনীতির পরিস্থিতি বিবেচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে এ সম্ভাবনায় আগে থেকে সরব হয়ে উঠেছে চীন। চীনা অর্থমন্ত্রী লু জিউই বলেছেন, বিশ্ব অর্থনীতির অবস্থা বিবেচনায় এখনই যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার বৃদ্ধি উচিত হবে না। খবর রয়টার্স। এক সাক্ষাত্কারে স্ট্যানলি ফিশার বলেন, আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির ওপর বিশ্ব অর্থনীতির প্রভাব বেশি পড়ছে। চীনসহ অন্যান্য উদীয়মান দেশের অর্থনৈতিক শ্লথগতি আমলে নিয়ে সেপ্টেম্বরে সুদের হার বৃদ্ধি থেকে সরে আসে ফেড। প্রায় সবাই ধারণা করেছিল সেপ্টেম্বরে সুদের হার বাড়াতে যাচ্ছে ফেড। অন্যদিকে চীনা অর্থমন্ত্রী লু বলেন, বর্তমান বিশ্ব অর্থনীতিতে যে সংকট তৈরি হয়েছে, তার জন্য উন্নত অর্থনীতিগুলো দায়ী। কেননা এ অর্থনীতিগুলোর শ্লথগতি পুনরুদ্ধার যথেষ্ট চাহিদা তৈরি করতে ব্যর্থ হচ্ছে। তিনি বলেন, এখনই সুদের হার বৃদ্ধির পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র নেই।
  10. যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ক্রমেই উন্নতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। তাই চলতি বছরই কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) স্বল্পমেয়াদে সুদের হার বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে পারেন চেয়ারম্যান জ্যানেট ইয়েলেন। সম্প্রতি এমনটিই জানিয়েছেন ফেডের সানফ্রান্সিসকো শাখার প্রেসিডেন্ট জন উইলিয়ামস। খবর ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। ফেড চেয়ারের অন্যতম সহযোগী উইলিয়ামসের তথ্য অনুযায়ী, সুদের হার বাড়ানোর আগে এ মুহূর্তে ফেডের অর্থনীতি সম্পর্কিত আর কোনো নতুন তথ্য সংগ্রহের প্রয়োজন নেই। এ রকম কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের দোরগোড়ায় থাকলে খুব বেশি তথ্যের দরকার হয় না। এ বছর আরো দুটি নীতিনির্ধারণী বৈঠক করবে ফেড; ২৭-২৮ অক্টোবর ও ১৫-১৬ ডিসেম্বর। তবে বিশেষজ্ঞরা পোষণ করছেন ভিন্ন মত। তাদের মতে, সুদের হার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ফেড চলতি মাসের বৈঠকে বাড়াবে না। সাত বছর ধরে একই সুদের হার বহাল রেখেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ২৭-২৮ অক্টোবরের বৈঠক কেন্দ্র করে কোনো সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেননি জ্যানেট ইয়েলেন। তাই এ মাসেই সুদের হার বাড়ানোর পদক্ষেপ নিয়ে খানিকটা সংশয় রয়েছে বিশেষজ্ঞদের। তবে ফেড ইচ্ছে করলে যেকোনো সময়ই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করতে পারে। উইলিয়ামস মন্তব্যে প্রতিধ্বনিত হয়েছে ইয়েলেনেরই বিবৃতি, যা সাধারণত নীতিনির্ধারকরা কোনো বৈঠকে প্রদান করে থাকেন। তিনি ফেডের নীতিনির্ধারণী সভার একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। তাই তার মতামতকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। রিচমন্ড ফেডের প্রেসিডেন্ট জেফরি ল্যাকার ওয়লা স্ট্রিট জার্নালকে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে সম্প্রতি জানিয়েছেন, চলতি মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বৈঠকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরো নতুন তথ্য পেতে পারে। এসব তথ্য নেতিবাচক হলে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা কম থাকবে। গত মাসের বৈঠক স্মরণ করেই ল্যাকার ফেডের মুদ্রানীতি শিথিলের বিষয়ে খানিকটা সন্দিহান। সেপ্টেম্বরেই সুদের হার বাড়ানোর প্রস্তাব করেছিলেন তিনি। কিন্তু তা হয়নি। কারণ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্য নয় সদস্য সুদের হার বাড়ানোর বিপক্ষে মত দেন। তাদের মতে, এখন সুদের হার স্থিতিশীল রাখা উচিত। অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের পথে। চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ ও মার্কিন ডলারের বিপরীতে প্রায় সব মুদ্রার মানই নিম্নমুখী। এ অবস্থায় সুদের হার বাড়ানো উচিত মনে হয়নি তাদের। অন্যদিকে, গত মাসের কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের অপেক্ষায় আছেন সবাই। এর ওপরও নির্ভর করবে সুদের হার বৃদ্ধি। প্রতি মাসেই উল্লেখযোগ্য কিছু কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে আশা উইলিয়ামসের। আগস্টে বেকারত্বের হার ছিল ৫ দশমিক ১ শতাংশ। উইলিয়ামস এ বিষয়ে বলেন, শ্রম বাজারের ক্রমাগত উন্নতি হলে অর্থনীতিও উন্নত হচ্ছে বলে ধরে নেয়া হয়। স্থিতিশীলতার দিকেই বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। সেপ্টেম্বরে এক লাখ থেকে দেড় লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, এমনটিই মনে করছেন তিনি।
  11. FOMC ঝড়ে এমনিতেই দুর্বল ইউরো, পাউন্ড ও অন্যান্য কারেন্সিগুলো। মড়ার উপর খরার ঘা হিসেবে তার উপর আবার প্রত্যাশার চেয়েও ভালো এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের ত্রৈমাসিক জিডিপি। প্রত্যাশা ৩ শতাংশ হলেও, যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক অর্থনীতি বেড়েছে ৩.৫ শতাংশ হারে। সপ্তাহে ছিলই ডলারের জন্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ, আর দুটিতেই বাজিমাত করেছে ডলার। ১.৬০০০ যে দেয়াল ঠেকিয়ে রেখে ১.৬১ এ ফেরত পাঠিয়েছিল GBP/USD কে, তা আর পারেনি প্রতিরোধ গড়ে তুলতে। আজকেই যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপি নিউজের পরপরই তা ভেঙ্গে গিয়েছে। GBP/USD নেমেছিল সর্বনিম্ন ১.৫৯৫৯ তে। তবে এখন কিছুটা শক্তিশালী হয়ে আবার ১.৬০ এর কাছাকাছি ট্রেড হচ্ছে। EUR/USD এর অবস্থাটা একটু ভিন্ন। নিকট ভবিষ্যতে ইউরোকে নিয়ে আশাবাদী কম লোকই আছেন। EUR/USD যে দুর্বল হবে, সে সম্ভাবনা বেশ জোরেশোরেই উঁকিঝুঁকি মারছিল। তাই, দেখার বিষয় ছিল, পতনটা কখন হবে, কিভাবে হবে। ১.২৬০০ এর শক্তিশালী বাধাও ভেঙ্গে গেছে। তাই, EUR/USD এর আরো দুর্বল হতে আপাতত আর কোন বাধা নেই। EUR/USD এর পরবর্তী শক্তিশালী বাধা হতে যাচ্ছে ১.২৫। EUR/USD যদি ১.২৫ এর কাছাকাছি যায়, তাহলে এই প্রাইসে বাই করে ১.২৪৯০ তে স্টপ লস সেট করে ১.২৫৫০ তে টেক প্রফিট সেট করতে পারেন আপনি। আমরা ধারনা করছি, ১.২৫ সহজে ব্রেক হবে না, কারন ঠিক এ জায়গা থেকেই গত ৩ অক্টোবর EUR/USD ট্রেন্ড রিভার্সাল করেছিল (চার্ট লক্ষ্য করুন)। তাই, ১.২৫০০ একটি শক্তিশালী সাপোর্টে পরিণত হয়েছে এবং এটাকে ভাঙতে হলে মার্কেটকে অন্তত দুই এক বার চেষ্টা করতে হতে পারে (বড় ধরনের কোন নিজের তাৎক্ষনিক প্রভাব না থাকলে) । এক্ষেত্রে লাভ ও লসের রিস্ক রেশিও ৩:১/৪:১ তবে অতীত বলে থাকে, একতরফা পতন কম হয়। মোটামুটি সব বিশ্লেষকই EUR/USD আরো দুর্বল হবে বলে অনুমান করলেও, আরো পতনের আগে পেয়ারটি ১০০/২০০ পিপস শক্তিশালী হতে পারে এবং এ ধরনের ঘটনা মোটেই বিরল নয়। তাই, এখনই অনিশ্চয়তার মধ্যে ট্রেড ওপেন না করতে চাইলে, আপনি প্রাইস ১.২৫ এর কাছাকাছি পৌঁছালে ট্রেড করতে পারেন, অল্প স্টপ লস ও বেশি টেক প্রফিট সেট করে। আর যদি, মার্কেট রিভার্স করে ১.২৭ ৫০ অথবা ১.২৮ এ পৌছায় তাহলে, ইকোনমিক ইন্ডিকেটরগুলো ইউরোজোনের অবস্থার উন্নতি না দেখালে, সেখান থেকেও আপনি সেল করতে পারেন যদি লং ট্রেড করতে চান। খুব সম্প্রতিই EUR/USD এর দীর্ঘমেয়াদি আপট্রেন্ডে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশ কম। প্রাইস ১.২৭৫০ বা ১.২৮ এ পৌঁছালে তা সেলারদের কাছে আকর্ষণীয় হবে। কারন সেলাররা সবসময়ই চায়, বেশি প্রাইসে সেল করতে, তাতে রিস্ক ও কমে, আর প্রফিটও করা যায় বেশি। EUR/USD এর জন্য পরবর্তী শক্তিশালী রেজিস্টান্স হচ্ছে ১.২৭৬৯। EUR/USD শক্তিশালী হতে এখন দুইটি জিনিস প্রয়োজন। ইউরোজোনের অর্থনীতির লক্ষণীয় উন্নতি অথবা মন্দা/ঋণ সংকট ফিরে আসবে না আর এমন কোন পূর্বাভাষ। অথবা সামনের দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমিক রিপোর্টগুলো খারাপ আসা যাতে ডলার দুর্বল হয়। ডলারের দুর্বলতায় নয় বরং ইউরোর শক্তিমত্তাতেই EUR/USD শক্তিশালী হবে, এমন সম্ভাবনা কমই।
  12. যারা নিইজ ট্রেড করেন তাদের জন্য: High Impact Expected Currency : USD Date BST Currency News Name Actual Forecast Previous 27.12.12 7.30 pm USD Unemployment Claims 365K 361K 27.12.12 9.30 pm USD CB Consumer Confidence 70.3 73.7 27.12.12 9.30 pm USD New Home Sales 382K 368K
×
×
  • Create New...