Jump to content

Search the Community

Showing results for tags 'euro'.



More search options

  • Search By Tags

    Type tags separated by commas.
  • Search By Author

Content Type


Categories

  • ইন্ডিকেটর
  • এক্সপার্ট এডভাইসর
    • বিডিপিপস EA ল্যাব
  • স্ক্রিপ্ট
  • ট্রেডিং স্ট্রাটেজী
  • ট্রেডিং প্লাটফর্ম
  • ফরেক্স ই-বুক
    • বাংলা ই-বুক
  • চার্ট টেমপ্লেট

Forex Bangladesh - বিডিপিপস

  • ট্রেডিং এডুকেশন
    • সাধারণ ট্রেডিং আলোচনা
    • ফরেক্স স্টাডি
    • প্রশ্ন এবং উত্তর
  • ফরেক্স ট্রেডিং আলোচনা
    • ফরেক্স নিউজ
    • ট্রেডিং আইডিয়া
    • ট্রেডিং স্ট্রাটেজি
  • ট্রেডিং সফটওয়্যার
    • ফরেক্স ইন্ডিকেটর
    • এক্সপার্ট এডভাইসর
    • মেটাট্রেডার এবং MQL
  • ফরেক্স ব্রোকার
    • ফরেক্স ব্রোকার
  • বিডিপিপস ফোরাম সাপোর্ট
    • ফোরাম সাপোর্ট
  • অফ-টপিক
    • অপ্রাসঙ্গিক
    • ফরেক্স হিউমার
  • লাইভ ট্রেডিং রুম

Categories

There are no results to display.


Found 5 results

  1. গত সপ্তাহ ইউরোডলারের জন্য ছিল বেশ দোদুল্যমান। দ্রাঘি, মিউচিন এবং ট্রাম্প সবাই মার্কেট কাঁপিয়েছে। কিছুদিন আগে আমরা ২টি বিখ্যাত রিসার্চ ফার্মের অ্যানালাইসিস প্রকাশ করেছিলাম যে ইউরোডলারের পরবর্তী গন্তব্য কোনদিকে হতে পারে। সেখানে ING রিসার্চ অ্যানালিস্টরা বলেছিলেন যে ইউরো-ডলারের ১.২৫ প্রাইসে যাওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। আর তা সত্যি প্রমানিত হল ২৫ জানুয়ারি। ইউরোডলার ১.২৫ এর ঘর ছাড়িয়ে গিয়েছিল কিছু সময়ের জন্য। ২০১৪ সালের পর আবার পেয়ারটি ১.২৫ এর ঘরে পা রাখলো। দ্রাঘির বক্তব্যের উল্টো প্রভাবে ইউরোর প্রাইস বাড়লেও ডলারের কারণে তা আবার ১.২৫ এর নিচে চলে এসেছে। সোমবার পেয়ারটি কমে ১.২৩ এর ঘরে গেলেও আবার এখন ১.২৪ প্রাইসে ট্রেড হচ্ছে। ডলার শক্তিশালী হওয়ায় প্রাইস কিছুটা কমেছিল, তবে ইউরোর সামনে আরও শক্তিশালী হয়ে ১.২৭ ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলছেন অনেক বিশেষজ্ঞরা। TD রিসার্চ অ্যানালিস্টদের মতে ইউরো খুব শীঘ্রই ১.২৭ প্রাইসে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর বৃহস্পতিবারের ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংকের মিটিংয়ের পর ইউরো বছরের নতুন রেকর্ড প্রাইসে উঠেছে। তাদের মতে ইউরোর প্রাইস বৃদ্ধি আটকে রাখা আর সহজ হবে না। ইসিবিও বর্তমান অবস্থায় ইউরোর সম্পর্কে ডোভিশ (নেগেটিভ) মনোভাব দেখার সুযোগ আর পাবে না। TD রিসার্চ দলের মতে ইউরো ডলারের বিপরীতে খুব সহজেই ১.২৭ প্রাইসে চলে যাবে, এবং এ পথে তারা তেমন বাঁধা দেখতে পাচ্ছেন না। জনপ্রিয় BTMU রিসার্চ দলও ইউরোডলার সম্পর্কে একই মনোভাব ব্যক্ত করেছে। তাদের মতে মার্কেট বুল্লিশ মনোভাবে রয়েছে। আর এই বুল্লিশ মনোভাবই ইউরোকে ডলারের বিপরীতে ১.২৭ এ নিয়ে যাবে সহজেই। আর কোন কারণে নিচে নামলেও ১.২২ এর নিচে নামার কোন সম্ভাবনা আপাতত তারা দেখছেন না। ডলার কিছুটা শক্তিশালী হলেও তা সামনে খুব একটা প্রভাব রাখতে পারবেন না বলে তারা মনে করেন। BTMU রিসার্চ দল আরও বলেন, ইউরোডলার ১.২৫ এ রেসিস্ট্যান্স মোকাবেলা করতে পারে। তবে তা কাটিয়ে যেতে পারলেই ১.২৭ এর পথ সুগম। ১.২৭ ছাড়িয়ে গেলে ইউরোডলারের ১.২৯ প্রাইসে যাওয়ার পরবর্তী সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে প্রায় সকল মার্কেট বিশ্লেষণকারীরাই আপাতত ইউরো সম্পর্কে ইতিবাচক ভাবছেন। স্বল্পমেয়াদী প্রাইস কমলেও দীর্ঘমেয়াদীভাবে ইউরো ডলারের বিপরীতে আরও শক্তিশালী হবে তাই তাদের প্রত্যাশা। তবে কি EUR/USD পারবে ১.২৭ ছাড়াতে? সময় এবং মার্কেটই বলে দিবে সে কথা। EUR/USD এর পরবর্তী গন্তব্য সম্পর্কে আপনি কি ভাবছেন?
  2. একসময় জার্মানি, ফ্রান্সে, ইতালিরও নিজস্ব মুদ্রা ছিল। ফরেক্স ট্রেডারদের ট্রেড করার মত অনেক কারেন্সি পেয়ারও ছিল। তারপর ইউরো এল। দেশগুলোর নিজস্ব কারেন্সিগুলো বাতিল হল, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো চাইলেই ইচ্ছেমত কারেন্সি ছাপাবার ক্ষমতা হারাল। ইউরোপের বনেদি দেশগুলোর বনেদি কারেন্সি ইউরো খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জনপ্রিয় কারেন্সিতে পরিনত হল। EUR/USD হয়ে উঠল ফরেক্সের সবচেয়ে জনপ্রিয় কারেন্সি পেয়ার। আপনি সবসময় EUR/USD ট্রেড করেন। কিন্তু, ইউরো সম্পর্কে আপনি কতটুকু জানেন? জানেনকি, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত হওয়ার পরেও কেন ডেনমার্ক, পোল্যান্ড ইউরো ব্যবহার করে না? জানেনকি ইউরোর দরপতনের উত্থান পতনের পেছনে প্রধান কারনগুলো কি কি? ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ২৭ টি দেশের মধ্যে (ব্রেক্সিটের কারনে UK কে বাদ দিয়ে ধরে) ১৯ টি দেশের প্রধান কারেন্সি হচ্ছে ইউরো। এই ১৯ টি দেশের তালিকা একটু পরে দিচ্ছি, তবে কয়েকটি বাদে গুরুত্বপূর্ন সবগুলো দেশই ইউরো ব্যবহার করে। যেমন, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, নেদারল্যান্ড, স্পেন ইত্যাদি। এই সবগুলো দেশেরই আগে নিজস্ব কারেন্সি ছিল। তবে, ১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারী ইউরো প্রচলনের পরে ইউভুক্ত এই দেশগুলো ইউরো ব্যবহার করা শুরু করে। ইউভুক্ত যে দেশগুলো ইউরো ব্যবহার করে, তাদেরকে একত্রে ইউরোজোন বলে ডাকা হয়। যে ১৯ টি দেশ ইউরো ব্যবহার করে: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, সাইপ্রাস, এস্টোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুইনিয়া, লুক্সেম্বার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ড, পর্তুগাল, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন যে ৮ টি দেশ ইউরো ব্যবহার করে নাঃ বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, চেক রিপাবলিক, ডেনমার্ক, হাঙ্গেরি, পোলান্ড, রোমেনিয়া ও সুইডেন এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, এই ৮ টি দেশ কেন ইউরো ব্যবহার করে না? UK কে ধরলে যা আগে ৯ ছিল। ১৯৯২ সালের Maastricht Treaty অনুযায়ী সকল ইউ সদস্যরাষ্ট্রগুলোর ইউরো ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু, সে সময়েই ডেনমার্ক ও ইউকে বিশেষ অব্যাহতি লাভ করে। আর বাকি ৭ টি দেশই এর পরে ইউতে যোগ দেয়। সাধারণত ইউতে যোগ দেয়ার পর প্রথম ২ বছর দেশগুলোর অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পর্যবেক্ষন করে ইউরো ব্যবহার চালু করার কথা। কিন্তু, ইউ এখন পর্যন্ত এই দেশগুলোকে ইউরো ব্যবহারে বাধ্য করার জন্য তেমন একটা চাপ দেয়নি। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন বা ইউ গঠনের সময় বড় দেশগুলোর, বিশেষ করে জার্মানি ও ফ্রান্সের একটা গোপন উদ্দেশ্য ছিল। এই দুটো দেশ, বিশেষ করে জার্মানি বিশ্বের সবচেয়ে বড় রপ্তানিকারক দেশ ছিল। অর্থনীতি খুব শক্তিশালী হওয়ায় স্বভাবতই জার্মানির কারেন্সি ডয়েচে মার্ক ছিল অনেক শক্তিশালী, যেটা রপ্তানীকারক যেকোন দেশের জন্য সমস্যা। কেননা, তাতে পণ্যের মূল্য বেড়ে যায় কারেন্সির উচ্চ মূল্যের কারনে। আবার, একার পক্ষে জার্মানি বা ফ্রান্স কারো পক্ষেই সম্ভব না ডলার বা পাউন্ডের মত জনপ্রিয় করা নিজেদের কারেন্সিকে, যেটা বিশ্বে অর্থনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তার করার জন্য খুবই জরুরি। তাই, তাদের মাথায় এল যে, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সবগুলো দেশের জন্য যদি একটি কারেন্সি চালু করা যায়, তাহলে এক ঢিলে কয়েকটি পাখি মারা যাবে। প্রথমত, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে অনেক তুলনামুলক দুর্বল দেশও থাকবে। যেহেতু, সবগুলো দেশের একটাই কারেন্সি থাকবে, তারমানে হচ্ছে সবগুলো দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির উপর ইউরোর মূল্যমান নির্ভর করবে। সেক্ষেত্রে, জার্মানির অর্থনীতি খুব শক্তিশালী পর্যায়ে চলে গেলেও, ইউরো ততটা শক্তিশালী হবে না। ফলে, রপ্তানীতে জার্মানি একটা অদ্ভুত সুবিধা লাভ করবে, শক্তিশালী কারেন্সি কিন্তু দুর্বল অর্থনীতি। আবার, ইউরো জার্মানির কারেন্সি থেকে দুর্বল হলেও ইউভুক্ত দুর্বল বা মধ্যম সারির দেশগুলোর কারেন্সি থেকে শক্তিশালী হবে। একই কারেন্সিতে পুরো ইউরোপজুরে ব্যবসা হলে, স্বাভাবিকভাবেই দুর্বল বা মধ্যম সারির দেশগুলো জার্মান বা ফ্রান্সের কোম্পানিগুলোর সাথে প্রোডাক্টের গুনগতমানে পেরে উঠবে না, আবার চাইলেও নিজেদের কারেন্সিকে দুর্বল করে পন্যের মূল্য কমাতে পারবে না। ফলে, আস্তে আস্তে জার্মানি বা ফ্রান্স ইউ এর সামগ্রিক অর্থনীতি দখল করে নেবে। আরও সুবিধা আছে,, জার্মানি নিজে একা চাইলে অন্য কোন দেশ তার সাথে ডয়েচে মার্কে ট্রেড করবে না, কিন্তু, যদি ইউভুক্ত এতগুলো দেশ যদি বলে যে, আমার সাথে ব্যবসা বানিজ্য করতে হলে ইউরোতেই করতে হবে, ডলারে বা পাউন্ডে না, তখন তা করতে অন্য দেশগুলো বাধ্য। শুধু বুদ্ধি করে, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে হবে। তাহলেই, নিজেদের সুবিধামত ব্যবসা বানিজ্য করা যাবে। তাছাড়া, ইউ এর ছোট বড় সবগুলো দেশেরই একটা অভিন্ন সুবিধা ছিল যে, এর ফলে আর দেশগুলোর বার বার কারেন্সি এক্সচেঞ্জ করার ঝামেলা পোহাতে হবে না। ইউরোপের মধ্যে আগে থেকেই দেশগুলো নিজেদের মধ্যে অনেক বেশি ব্যবসা বানিজ্য করত। এক কারেন্সি ব্যবহার করলে ইউরোপের ভেতরে ব্যবসা বানিজ্য আরো দ্রুত, সহজতর ও নিরাপদ হবে। কেননা, ইউরোর দাম যতই বাড়ুক কমুক না কেন, ইউরোপের ভেতর তো তার প্রভাব তেমন পড়বে না। ইউরোপের ভেতরের কোন কোম্পানি তার পণ্যের উৎপাদনের জন্য কাচামাল ইউরোপের ভেতর থেকেই বেশি কিনবে। কেননা, বাইরে থেকে কিনলে কারেন্সি এক্সচেঞ্জের ব্যয় ও ঝামেলা যেমন আছে, তেমনি কারেন্সিগুলোর ক্রমাগত উত্থান পতনের জন্যে কাচামালের দামও ক্রমাগত উঠানামা করবে। যেটা ইউরোজোনের মধ্যে মোটামুটি সবসময় স্থিতিশীল থাকবে। বলা বাহুল্য, এই পরিকল্পনা পুরোপুরি কাজে দেয়। আর এজন্যেই জার্মানি, চীনের এই বিশাল উত্থানের পরেও আজও বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানীকারক দেশ এবং খুবই শক্তিশালী ও স্থিতিশীল অর্থনীতির অধিকারী। ফ্রান্স তার পরিকল্পনামত সাফল্য না পেলেও, ইউরোর সুবিধামত ঠিকই ভোগ করছে ইউরোর দুর্বল মূল্যমানের কারনে। অপরদিকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ইতালি, গ্রীস। বিশেষ করে, গ্রীসের জনগণ ইউরোর উপর ত্যক্ত বিরক্ত ও নিজেদের অর্থনীতির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে চাইছে। অন্য সব কারেন্সির তুলনায় ইউরোর উত্থান পতনের পেছনে তাই শুধুমাত্র একটি দেশ নয়, ইউরোজোনের সবগুলো দেশেরই ভুমিকা আছে। আর তাই, ইউরো ট্রেড করতে হলে আপনাকে শুধু জার্মানি বা ফ্রান্স নয়, সবগুলো দেশের অর্থনীতির হালচালের উপরই কমবেশি খেয়াল রাখতে হবে। ইউরোজোনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইসিবির উপর নজর রাখতে হবে। তবে, অসুবিধা যেমন আছে, সুবিধাও আছে। অনেক ফরেক্স ট্রেডার ইউরো শুধু সেল করেন যখন ইউরো শক্তিশালী হয়, কখনো বাই করেন না। কেননা, ইউরো তখনই শক্তিশালী হয়, যখন ইউরোজোনের সামগ্রিক অর্থনীতি ভালো থাকে। আর দুর্বল হওয়ার জন্য শুধুমাত্র একটি সদস্যরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক বিপর্যস্ততাই যথেষ্ট। তাই, অভিজ্ঞ ফরেক্স ট্রেডার মাত্রই বুঝেন যে, ইউরো খুব শক্তিশালী হওয়া মানেই হচ্ছে ইউরো সেল করার আর প্রফিট করার সময় চলে এসেছে। আর এটাই ফরেক্স ট্রেডারদের মাঝে ইউরোর এত জনপ্রিয়তার প্রধান রহস্য, এর স্থিতিশীলতা। ইউরো গঠনের ইতিহাস থেকেই বুঝতে পারছেন যে, এর পেছনের প্রধান উদ্যোক্তা জার্মানি বা ফ্রান্স কখনোই চাবেনা ইউরো খুব শক্তিশালী হোক। আর এটাও চাবেনা যে খুব বেশি দুর্বলও হয়ে পড়ুক। তাই, পাউন্ড বা ইয়েনের মত অস্বাভাবিক উত্থান পতন ইউরোর কমই হয়। এতগুলো দেশের অর্থনীতির খবর রাখার ঝামেলা, নাকি ইউরোর এই অদ্ভুত স্থিতিশীলতা, কোনটি আপনার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ন? আপনার সুবিধা অনুসারে এখন আপনি নিজেই ঠিক করে নিতে পারবেন, আপনি ইউরো ট্রেড করবেন কি না! কোন কোন ঘটনা বা ইভেন্টের কারনে ইউরো বা এর সবচেয়ে জনপ্রিয় কারেন্সি পেয়ার EUR/USD সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়, তা নিয়ে আলোচনা করব আরেকদিন। আপনি নিয়মিত ইউরো ট্রেড করে থাকলে আরো পড়ুনঃ ECB – ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংক কি? ফরেক্স মার্কেটে ইসিবির প্রভাবই বা কি?
  3. যা রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার দিকে ধাবিত হচ্ছে।
  4. সুইস ফ্রাংক ফরেক্স ইতিহাসের অন্যতম “Volatile” মুভমেন্ট দিল গত জানুয়ারি মাসের ১৫ তারিখ। ওইদিনে মিনিটের ব্যবধানে GBP/CHF ফল করেছে ২০০০+ পিপস EUR/CHF ১৭০০+ পিপস USD/CHF ১৫০০+ পিপস। রিটেইল ট্রেডারদের কথা বাদ দিলাম, আলপারির মতন ব্রোকার পর্যন্ত ইনসল্ভেনসিতে পরে যায় ওই ঘটনার পর। মার্কেটে একটি সেন্ট্রাল ব্যাংকের প্রভাব কত বেশি হতে পারে এটি তার একটি বড় প্রমান। ওইদিন সুইস ব্যাংক তাদের ৩ বছরের অধিক পুরানো EUR/CHF 1.2 ক্যাপ তুলে নেয়। এই তিন বছর সুইস ব্যাংক বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ঢেলে EUR/CHF এর মূল্য 1.2 তে ধরে রাখে। এখন এখানে তিনটি সহজ সরল প্রশ্ন করতে পারি আমরা- ১। কি জন্য সুইস ব্যাংক EUR/CHF কে ক্যাপিং করেছিল? ২। হঠাৎ করে কেনইবা তারা এই ফ্লোর তুলে দিল? ৩। ফ্লোর তুলে দেবার ফলে সুইস ফ্রাংক এর মূল্য এত বেশি বাড়ল কেন? কেন কমতেও তো পারত!! এই তিনটি সহজ সরল প্রশ্নের উত্তর কিন্তু একবারে সহজ সরল উপায়ে দেয়া যায় না। তারপরও আমরা সহজ সরল উত্তরই খুজে বের করে চেষ্টা করবো আসন্ন দিন গুলোতে আমরা কিভাবে মার্কেট থেকে প্রফিট করতে পারি। প্রথমত সুইস ব্যাংক অবশ্যই কিছু সুবিধা পাবার জন্য EUR/CHF ক্যাপিং করেছিল , এবং সেই সুবিধা হতে পারে Monetary policy making সংক্রান্ত সুবিধা যা ইউরোপীয় দেশ গুলোর সাথে তাদের অর্থনীতির বন্ধন সবল ও নমনীয় রাখত । তারা এই ক্যাপিং তুলে নেবার দুটি কারণ হতে পারে, এক সুইস ব্যাংকের পক্ষে অসুবিধাজনক হয়ে পড়েছিল কাজটি করা, দুই তাদের ক্যাপিং করে রাখার প্রয়োজন ফুরিয়ে গেছে। এখানে কমন সেন্স বলে যে রাতারাতি প্রয়োজন একেবারে ফুরিয়ে যাবার মতন কোন ঘটনা ঘটেনি, তা হলে মার্কেট কখনই এত বেশি সারপ্রাইজড হত না। EUR/CHF এর চার্ট দেখলে বুঝবেন ২০০৭ সালের শেষের দিক থেকে মার্কেট লং টার্ম ডাউন ট্রেন্ডে চলে চলে গিয়েছিল যা ক্যাপিং আরোপ করার পর থেমে যায়। কাজেই ক্যাপিং এর আগে মার্কেটে ডাউন সাইড প্রেসার ছিল যেটা সুইস ব্যাংক ধরে রেখেছিল। ইউরোর বিপরীতে সুইস ফ্রাংক এর ন্যাচারাল ডেসটিনেশন ছিল আরও উপরে, অর্থাৎ EUR/CHF এর গন্তব্য ছিল আরও নিচে। এই প্রেসার বর্তমানেও বলবৎ ছিল। ব্যাপারটা আরও সহজ করে আমরা বলি, EUR/CHF এর রেট ১.২ তে থাকলে অনেক সুবিধা ছিল সুইস ব্যাংকের কিন্তু পেয়ারটি ন্যাচারালি আরও অনেক নিচে নামার কথা ছিল যেটা সুইস ব্যাংক হতে দেয়নি। মার্কেট থেকে ব্যাংক তার হস্তক্ষেপ তুলে নেবার পর মার্কেট খুব দ্রুত তার ন্যাচারাল অবস্থান এ চলে যাবার চেষ্টা করে। ফলস্বরূপ পেয়ারটির এত বিশাল পতন। আবার ফিরে আসি পুরানো কথায়। ক্যাপিং করে রাখার প্রয়োজন রাতারাতি ফুরিয়ে যাবার মতন কোন ঘটনা আশা করা যায় ঘটেনি। কাজেই সুইস ব্যাংক চাইতেই পারে মার্কেট আগের অবস্থায় যাক। সুইস ফ্রাংকের চার্ট গুলো দেখুন, মার্কেট কিন্তু খুব সুন্দর করে সেই পথেই হাঁটছে!! কিন্তু পৌঁছাতে এখনও অনেক বাকি। GBP/CHF বা USD/CHF এ অর্ধেকের বেশি এগুলেও EUR/CHF পিছিয়ে আছে অনেকখানি। সুইস ব্যাংক মার্কেট থেকে তাদের হস্তক্ষেপ অফিসিয়ালি তুলে নিলেও আনঅফিসিয়ালি যে চুপচাপ বসে আছে এটা ভাবা মনে হয় বোকামি। তবে আগের চেয়ে কম কষ্টে তারা লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করবে। সেই সাথে EUR/CHF যে একবারে 1.2 তে গিয়েই ঠেকবে এইটা ভাবাও বোকামি। ধরে নিতে পারি অনেকটা কাছাকাছি যাবে পেয়ারটি। এদিকে ইউরো কিন্তু খুব নাজুক অবস্থায় আছে। সেটাও আলাদা ভাবে বিবেচনা করা জরুরি। এ কারণে ইউরোর পেয়ারে পজিশন নেবার চেয়ে ডলার কিংবা পাউন্ডের পেয়ারে পজিশন নেয়া বেশি লজিক্যাল হবে। খেয়াল রাখবেন সপ্তাহান্তে ডলারের অন্যতম প্রধান নিউজ NFP রিলিজ হবে। যে পেয়ারেই পজিশন নেন না কেন তার ফান্ডামেন্টাল অবস্থা দেখেশুনে পজিশন নেয়া ভাল। মনে রাখবেন, দিন শেষে মার্কেটে সবাই ছাত্র, শিক্ষক কেউ না। একমাত্র শিক্ষক স্বয়ং মার্কেট নিজে। লস খেলে ভুলটা আপনারই, মার্কেট কিন্তু সবসময় সঠিক!! আশা করি সবাই সঠিকভাবে রিস্ক ম্যানেজমেন্ট করেই ট্রেড করবেন। উপরের লেখা গুলো শুধুমাত্র মার্কেট সম্পর্কে আমার একান্ত নিজস্ব মনোভাব আর মতামত। আমি কাউকে ট্রেড করার সিগন্যাল দেই না। Happy Trading.
  5. বিগত কয়েক মাস ধরে মার্কেটের সবচেয়ে দুর্বল কারেন্সি হল ইউরো, যা ক্রমাগত দুর্বল হচ্ছে প্রায় সবগুলো প্রধান মুদ্রার বিপরীতে। মিলিয়ন ডলার কোশ্চেন হচ্ছে মার্কেট এখন আছে কোথায়, ইউরোর পতন কি শেষের দিকে নাকি কাহিনি এখনো বাকি!! তার উপর বাকি থাকলে আরও কত বাকি! এইটা নিশ্চিত করে বলা গেলে মনে হয় আমরা অনেকেই আগামি কয়েক মাসে বড়লোক হয়ে যেতাম। যাই হোক কাজের কথায় আসি, সামনের মাস থেকে শুরু হচ্ছে ইসিবির QE. কাজেই কোন পজিশনাল ট্রেডার এর এখন ইউরো ধরে রাখার কথা না। উল্টো কথা না বললেও ইউরোর পক্ষে সহজেই কেউ ভবিষ্যৎবানী করছেন না। তাই আমার মতে ইউরোতে বাই দেবার কথা ভাবার সময় এখন না। এখন আসি উল্টো পথে জেতে রাজি কারা কারা!! যারা লং টার্ম পজিশনাল ট্রেডার তাদের ইতোমধ্যে ইউরোর বিপক্ষে পজিশন ওপেন থাকার কথা! COT report দেখলেও তাই বুঝা যায়। আপনি যদি পজিশনাল ট্রেডার হন তাহলে আমি বলব আপনি লাভ করার উচ্চসম্ভাবনা নিয়ে এখন ইউরো সেল করতে পারেন। যদি আরও পরিস্কার করে বলতে বলেন তাইলে আমি বলব সম্ভাবনা >৮০% :D এখন আপনি যদি মিডিয়াম টার্ম ট্রেডার হন সেক্ষেত্রে আপনার হয়ত কিছুদিন অপেক্ষা করা ভাল হবে। অন্তত গ্রিস ইস্যুটা থিতিয়ে যাওয়া অব্দি। এই সপ্তাহের ক্যালেন্ডারটা দেখলেই বুঝবেন কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিউজ আছে এই সপ্তাহে। আর যদি ডলার এর বিপরীতে ইউরো সেল করতে চান সোজা কথায় EUR/USD তে sell দিতে চান তাহলে আমি বলব আগামী মাসের NFP পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। “অপেক্ষায় হায় সুযোগটা হারিয়ে যায়” মানে যাদের ট্রেন মিস করার টেনশন আছে, তারা এখন হাফ পজিশন ওপেন করে রাখতে পারেন। পরে সুযোগ পেলে স্কেল ইন করে নিলেন। এখন কথা হল কোন পেয়ার এ ট্রেড করবেন, সাম্প্রতিক সময়ে শক্তিশালী মুদ্রা হল পাউন্ড, ডলার, নিউজিল্যান্ড ডলার। সময় সুযোগ বুঝে এগুলোর বিপরীতে পজিশন নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। সোজা কথায় EUR/USD, EUR/GBP, EUR/NZD sell oppotunity খোঁজা। ফরেক্স মার্কেট নিয়ে এত সরাসরি কথা বলা কিন্তু বোকামির সামিল। কারণ দিন শেষে মার্কেটে সবাই ছাত্র, শিক্ষক কেউ না। একমাত্র শিক্ষক স্বয়ং মার্কেট নিজে। মনে রাখবেন, লস খেলে ভুলটা আপনারই, মার্কেট কিন্তু সবসময় সঠিক!! একটা ছোট্ট উদাহরন, Swiss France এর যেকোনো পেয়ার এর রিসেন্ট চার্ট দেখলে বুঝবেন, মার্কেট কিভাবে বহুবছরের নিয়ম ভেঙ্গে এগিয়ে চলে। মার্কেট নিয়ে ১০০% নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারে না। যদি আজ একজন ব্যাক্তিও সত্যি সত্যি নিশ্চিত ভাবে বলতে পারে কাল মার্কেট কোথায় যাবে, তাহলে অবশ্য-অবশ্যই মার্কেট কালকে গিয়ে অন্য কোথাও পৌঁছাবে!! টাইম ট্রাভেল করেও মার্কেটে নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব না!! কাজেই সব কথার শেষ কথা আপনাদের যতই পরামর্শ দেই না কেন, ট্রেড করবেন নিজের রিস্কে। টাকা আপনার, রিস্ক আপনার। লস খেলে আমি ক্ষতিপূরণ দিব না উপরের লেখা গুলো শুধুমাত্র মার্কেট সম্পর্কে আমার একান্ত নিজস্ব মনোভাব আর মতামত।

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×