Jump to content

Search the Community

Showing results for tags 'eur/usd'.



More search options

  • Search By Tags

    Type tags separated by commas.
  • Search By Author

Content Type


Categories

  • ইন্ডিকেটর
  • এক্সপার্ট এডভাইসর
    • বিডিপিপস EA ল্যাব
  • স্ক্রিপ্ট
  • ট্রেডিং স্ট্রাটেজী
  • ট্রেডিং প্লাটফর্ম
  • ফরেক্স ই-বুক
    • বাংলা ই-বুক
  • চার্ট টেমপ্লেট

বিডিপিপস

  • ট্রেডিং এডুকেশন
    • সাধারণ ট্রেডিং আলোচনা
    • ফরেক্স স্টাডি
    • প্রশ্ন এবং উত্তর
  • ফরেক্স ট্রেডিং আলোচনা
    • ফরেক্স নিউজ
    • ট্রেডিং আইডিয়া
    • ট্রেডিং স্ট্রাটেজি
  • ট্রেডিং সফটওয়্যার
    • ফরেক্স ইন্ডিকেটর
    • এক্সপার্ট এডভাইসর
    • মেটাট্রেডার এবং MQL
  • ফরেক্স ব্রোকার
    • ফরেক্স ব্রোকার
    • ডিপোজিট ও উইথড্র
  • বিডিপিপস ফোরাম সাপোর্ট
    • ফোরাম সাপোর্ট
  • অফ-টপিক
    • অপ্রাসঙ্গিক
    • ফরেক্স হিউমার
    • বিজ্ঞাপন
  • লাইভ ট্রেডিং রুম

Categories

There are no results to display.


Found 12 results

  1. Weekly chart এনালাইসিস করে দেখা যায়, প্রাইস 1.17413 লেভেল থেকে ধারাবাহিকভাবে বাড়তে বাড়তে 1.2540 লেভেলে পৌঁছায়, যা কিনা গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। একাধারে সাতটি ক্যান্ডেল বুলিশ অবস্থায় থাকার পর হঠাৎ করেই একটি বড় আকারের বিয়ারিস ক্যান্ডেল উপস্থিত হয়, যা কিনা মার্কেটকে একেবারে নামিয়ে দিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দেয়। চার ঘন্টার চার্ট এনালাইসিস করে দেখা যায়, মার্কেট গত ৭ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত 1.2200 থেকে 1.2298 এই লেভেলের একটি রেন্জের মধ্যে আছে। অর্থাৎ 1.2200 কে আমরা একটি শক্তিশালি সাপোর্ট হিসেবে ধরতে পারি। আর মুরব্বিরা ধারণা করছেন (মুরব্বিদের কথা বেশিরভাগ সময়ই ফলে যায়), মার্কেট আবার 1.2540 প্রাইস লেভেল টেস্ট করতে পারে। এই 1.2540 প্রাইস লেভেলটি একটি শক্তিশালি রেসিসটেন্ট হিসেবে গত কয়েক বছর ধরেই বিবেচ্য, কারন এটি বিগত বছরগুলোতে খুব কম সময়ই rejected হয়েছে। তার মানে মার্কেট ঘুরে দাড়াতে পারাতে আবার। আমার ব্যক্তিগত পছন্দের ইচিমুকো ইন্ডিকেটরের ডেইলি চার্টেও স্পষ্টভাবে আপট্রে্ন্ডের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এদিকে ফরেক্স জগতের অন্যতম মুরব্বি Fxstreet.com সাহেব তাদের অতি সাম্প্রতিক সময়ের টেকনিকেল এনালাইসিসে বলেছেন, “যদি বড় ধরনের কোন অপ্রত্যাশিত ঘটনা না ঘটে তাহলে EUR/USD পেয়ারে আরেকটি অপট্রেন্ড আসার সম্ভাবনা খুব প্রবল”। আবার আরেক ‍মুরব্বি XM.COM সাহেবও ইনিয়ে বিনিয়ে এই কথাটিই বুঝাতে চেয়েছেন। তবে, মুরব্বিদের কেউই আপনাদের কষ্টার্জিত টাকার লসের দায়িত্ব নিতে সরাসরি অস্বীকার করেছেন।
  2. EUR/USD পেয়ারটি এখন ১.২২ এর ঘরে ট্রেডিং হচ্ছে। বেশিরভাগ ট্রেডারেরই আশা ছিল পেয়ারটি ১.২৫ প্রাইস লেভেল অতিক্রম করায় ১.২৭ এর পথে অগ্রসর হবে। কিন্তু অনেক ট্রেডারদেরকে হতাশ করেই পেয়ারটি ১.২২ তে নেমে এসেছে। ১.২২৫০ প্রাইসকে কেন্দ্র করেই আজ EUR/USD ওঠানামা করছে। আজ ১.২২৮৬ তে উঠলেও তা আবার পরে ১.২২২৬ প্রাইসে নেমে আসে। বর্তমানে পেয়ারটি ১.২২৩৮ প্রাইসে অবস্থান করছে। গতকাল থেকেই ইউরো সাইডওয়ে ট্রেন্ডে রয়েছে। এ পর্যায় থেকে ইউরোডলারের পরবর্তী গন্তব্য কোথায় হতে পারে তাই ভাবছেন ট্রেডাররা। টেকনিক্যাল লেভেলঃ নিচের দিকে, ১.২২২৫ প্রাইসটি EUR/USD পেয়ারের জন্য নিকটবর্তী সাপোর্ট হিসেবে কাজ করবে (ফেব্রুয়ারী ৯ – সর্বনিম্ন) এবং ১.২২১০ (জানুয়ারি ২২ ও ফেব্রুয়ারী ৮ – সর্বনিম্ন) ও ১.২১৬০-৬৫ (জানুয়ারি ১৭ – সর্বনিম্ন) প্রাইস লেভেলগুলোও পরবর্তী সাপোর্ট হিসেবে কাজ করবে। ওপরের দিকে, ১.২২৬০ (20H মুভিং এভারেজ), ১.২২৯৫ (বর্তমান রেঞ্জ লিমিট) এবং ১.২৩৩০ (জানুয়ারি ২৯ ও ৩০ – সর্বনিম্ন) প্রাইস লেভেলগুলো রেজিসট্যান্স হিসেবে কাজ করতে পারে। দ্রাঘিঃ ইউরোর এক্সচেঞ্জ রেটকে তীক্ষ্ণভাবে পর্যবেক্ষন করা হবে ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট মারিও দ্রাঘি ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টে তার বক্তব্যে বলেন, “ব্যাংক অনেক বেশী আত্নবিশ্বাসী যে অর্থনৈতীক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমেই মুদ্রাস্ফীতি বাড়বে। কিন্তু ইউরো নিয়ে সৃষ্ট সংশয় এই প্রবৃদ্ধির পথে সম্ভাব্য বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।“ স্ট্রাসবার্গে এক বক্তব্যে দ্রাঘি বলেন, “যদিও আমাদের আত্নবিশ্বাসের জায়গাটা হচ্ছে, আমাদের লক্ষ অনুযায়ী মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রিত হবে। তবে এমন পরিস্থিতিতে আমরা নিজেদেরকে সফল বলতে পারিনা।“ তিনি আরও বলেন, “সম্প্রতি এক্সচেঞ্জ রেটের ভোলাটিলিটির ফলে নতুন হেডউইন্ডস এর উদয় হয়েছে, যা কিনা মধ্য মেয়াদি মূল্যের স্থীতিশীলতার ইঙ্গিত দেয় যার কারণে এর তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষন দরকার।“
  3. একসময় জার্মানি, ফ্রান্সে, ইতালিরও নিজস্ব মুদ্রা ছিল। ফরেক্স ট্রেডারদের ট্রেড করার মত অনেক কারেন্সি পেয়ারও ছিল। তারপর ইউরো এল। দেশগুলোর নিজস্ব কারেন্সিগুলো বাতিল হল, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো চাইলেই ইচ্ছেমত কারেন্সি ছাপাবার ক্ষমতা হারাল। ইউরোপের বনেদি দেশগুলোর বনেদি কারেন্সি ইউরো খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জনপ্রিয় কারেন্সিতে পরিনত হল। EUR/USD হয়ে উঠল ফরেক্সের সবচেয়ে জনপ্রিয় কারেন্সি পেয়ার। আপনি সবসময় EUR/USD ট্রেড করেন। কিন্তু, ইউরো সম্পর্কে আপনি কতটুকু জানেন? জানেনকি, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত হওয়ার পরেও কেন ডেনমার্ক, পোল্যান্ড ইউরো ব্যবহার করে না? জানেনকি ইউরোর দরপতনের উত্থান পতনের পেছনে প্রধান কারনগুলো কি কি? ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ২৭ টি দেশের মধ্যে (ব্রেক্সিটের কারনে UK কে বাদ দিয়ে ধরে) ১৯ টি দেশের প্রধান কারেন্সি হচ্ছে ইউরো। এই ১৯ টি দেশের তালিকা একটু পরে দিচ্ছি, তবে কয়েকটি বাদে গুরুত্বপূর্ন সবগুলো দেশই ইউরো ব্যবহার করে। যেমন, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, নেদারল্যান্ড, স্পেন ইত্যাদি। এই সবগুলো দেশেরই আগে নিজস্ব কারেন্সি ছিল। তবে, ১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারী ইউরো প্রচলনের পরে ইউভুক্ত এই দেশগুলো ইউরো ব্যবহার করা শুরু করে। ইউভুক্ত যে দেশগুলো ইউরো ব্যবহার করে, তাদেরকে একত্রে ইউরোজোন বলে ডাকা হয়। যে ১৯ টি দেশ ইউরো ব্যবহার করে: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, সাইপ্রাস, এস্টোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুইনিয়া, লুক্সেম্বার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ড, পর্তুগাল, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন যে ৮ টি দেশ ইউরো ব্যবহার করে নাঃ বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, চেক রিপাবলিক, ডেনমার্ক, হাঙ্গেরি, পোলান্ড, রোমেনিয়া ও সুইডেন এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, এই ৮ টি দেশ কেন ইউরো ব্যবহার করে না? UK কে ধরলে যা আগে ৯ ছিল। ১৯৯২ সালের Maastricht Treaty অনুযায়ী সকল ইউ সদস্যরাষ্ট্রগুলোর ইউরো ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু, সে সময়েই ডেনমার্ক ও ইউকে বিশেষ অব্যাহতি লাভ করে। আর বাকি ৭ টি দেশই এর পরে ইউতে যোগ দেয়। সাধারণত ইউতে যোগ দেয়ার পর প্রথম ২ বছর দেশগুলোর অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পর্যবেক্ষন করে ইউরো ব্যবহার চালু করার কথা। কিন্তু, ইউ এখন পর্যন্ত এই দেশগুলোকে ইউরো ব্যবহারে বাধ্য করার জন্য তেমন একটা চাপ দেয়নি। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন বা ইউ গঠনের সময় বড় দেশগুলোর, বিশেষ করে জার্মানি ও ফ্রান্সের একটা গোপন উদ্দেশ্য ছিল। এই দুটো দেশ, বিশেষ করে জার্মানি বিশ্বের সবচেয়ে বড় রপ্তানিকারক দেশ ছিল। অর্থনীতি খুব শক্তিশালী হওয়ায় স্বভাবতই জার্মানির কারেন্সি ডয়েচে মার্ক ছিল অনেক শক্তিশালী, যেটা রপ্তানীকারক যেকোন দেশের জন্য সমস্যা। কেননা, তাতে পণ্যের মূল্য বেড়ে যায় কারেন্সির উচ্চ মূল্যের কারনে। আবার, একার পক্ষে জার্মানি বা ফ্রান্স কারো পক্ষেই সম্ভব না ডলার বা পাউন্ডের মত জনপ্রিয় করা নিজেদের কারেন্সিকে, যেটা বিশ্বে অর্থনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তার করার জন্য খুবই জরুরি। তাই, তাদের মাথায় এল যে, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সবগুলো দেশের জন্য যদি একটি কারেন্সি চালু করা যায়, তাহলে এক ঢিলে কয়েকটি পাখি মারা যাবে। প্রথমত, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে অনেক তুলনামুলক দুর্বল দেশও থাকবে। যেহেতু, সবগুলো দেশের একটাই কারেন্সি থাকবে, তারমানে হচ্ছে সবগুলো দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির উপর ইউরোর মূল্যমান নির্ভর করবে। সেক্ষেত্রে, জার্মানির অর্থনীতি খুব শক্তিশালী পর্যায়ে চলে গেলেও, ইউরো ততটা শক্তিশালী হবে না। ফলে, রপ্তানীতে জার্মানি একটা অদ্ভুত সুবিধা লাভ করবে, শক্তিশালী কারেন্সি কিন্তু দুর্বল অর্থনীতি। আবার, ইউরো জার্মানির কারেন্সি থেকে দুর্বল হলেও ইউভুক্ত দুর্বল বা মধ্যম সারির দেশগুলোর কারেন্সি থেকে শক্তিশালী হবে। একই কারেন্সিতে পুরো ইউরোপজুরে ব্যবসা হলে, স্বাভাবিকভাবেই দুর্বল বা মধ্যম সারির দেশগুলো জার্মান বা ফ্রান্সের কোম্পানিগুলোর সাথে প্রোডাক্টের গুনগতমানে পেরে উঠবে না, আবার চাইলেও নিজেদের কারেন্সিকে দুর্বল করে পন্যের মূল্য কমাতে পারবে না। ফলে, আস্তে আস্তে জার্মানি বা ফ্রান্স ইউ এর সামগ্রিক অর্থনীতি দখল করে নেবে। আরও সুবিধা আছে,, জার্মানি নিজে একা চাইলে অন্য কোন দেশ তার সাথে ডয়েচে মার্কে ট্রেড করবে না, কিন্তু, যদি ইউভুক্ত এতগুলো দেশ যদি বলে যে, আমার সাথে ব্যবসা বানিজ্য করতে হলে ইউরোতেই করতে হবে, ডলারে বা পাউন্ডে না, তখন তা করতে অন্য দেশগুলো বাধ্য। শুধু বুদ্ধি করে, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে হবে। তাহলেই, নিজেদের সুবিধামত ব্যবসা বানিজ্য করা যাবে। তাছাড়া, ইউ এর ছোট বড় সবগুলো দেশেরই একটা অভিন্ন সুবিধা ছিল যে, এর ফলে আর দেশগুলোর বার বার কারেন্সি এক্সচেঞ্জ করার ঝামেলা পোহাতে হবে না। ইউরোপের মধ্যে আগে থেকেই দেশগুলো নিজেদের মধ্যে অনেক বেশি ব্যবসা বানিজ্য করত। এক কারেন্সি ব্যবহার করলে ইউরোপের ভেতরে ব্যবসা বানিজ্য আরো দ্রুত, সহজতর ও নিরাপদ হবে। কেননা, ইউরোর দাম যতই বাড়ুক কমুক না কেন, ইউরোপের ভেতর তো তার প্রভাব তেমন পড়বে না। ইউরোপের ভেতরের কোন কোম্পানি তার পণ্যের উৎপাদনের জন্য কাচামাল ইউরোপের ভেতর থেকেই বেশি কিনবে। কেননা, বাইরে থেকে কিনলে কারেন্সি এক্সচেঞ্জের ব্যয় ও ঝামেলা যেমন আছে, তেমনি কারেন্সিগুলোর ক্রমাগত উত্থান পতনের জন্যে কাচামালের দামও ক্রমাগত উঠানামা করবে। যেটা ইউরোজোনের মধ্যে মোটামুটি সবসময় স্থিতিশীল থাকবে। বলা বাহুল্য, এই পরিকল্পনা পুরোপুরি কাজে দেয়। আর এজন্যেই জার্মানি, চীনের এই বিশাল উত্থানের পরেও আজও বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানীকারক দেশ এবং খুবই শক্তিশালী ও স্থিতিশীল অর্থনীতির অধিকারী। ফ্রান্স তার পরিকল্পনামত সাফল্য না পেলেও, ইউরোর সুবিধামত ঠিকই ভোগ করছে ইউরোর দুর্বল মূল্যমানের কারনে। অপরদিকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ইতালি, গ্রীস। বিশেষ করে, গ্রীসের জনগণ ইউরোর উপর ত্যক্ত বিরক্ত ও নিজেদের অর্থনীতির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে চাইছে। অন্য সব কারেন্সির তুলনায় ইউরোর উত্থান পতনের পেছনে তাই শুধুমাত্র একটি দেশ নয়, ইউরোজোনের সবগুলো দেশেরই ভুমিকা আছে। আর তাই, ইউরো ট্রেড করতে হলে আপনাকে শুধু জার্মানি বা ফ্রান্স নয়, সবগুলো দেশের অর্থনীতির হালচালের উপরই কমবেশি খেয়াল রাখতে হবে। ইউরোজোনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইসিবির উপর নজর রাখতে হবে। তবে, অসুবিধা যেমন আছে, সুবিধাও আছে। অনেক ফরেক্স ট্রেডার ইউরো শুধু সেল করেন যখন ইউরো শক্তিশালী হয়, কখনো বাই করেন না। কেননা, ইউরো তখনই শক্তিশালী হয়, যখন ইউরোজোনের সামগ্রিক অর্থনীতি ভালো থাকে। আর দুর্বল হওয়ার জন্য শুধুমাত্র একটি সদস্যরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক বিপর্যস্ততাই যথেষ্ট। তাই, অভিজ্ঞ ফরেক্স ট্রেডার মাত্রই বুঝেন যে, ইউরো খুব শক্তিশালী হওয়া মানেই হচ্ছে ইউরো সেল করার আর প্রফিট করার সময় চলে এসেছে। আর এটাই ফরেক্স ট্রেডারদের মাঝে ইউরোর এত জনপ্রিয়তার প্রধান রহস্য, এর স্থিতিশীলতা। ইউরো গঠনের ইতিহাস থেকেই বুঝতে পারছেন যে, এর পেছনের প্রধান উদ্যোক্তা জার্মানি বা ফ্রান্স কখনোই চাবেনা ইউরো খুব শক্তিশালী হোক। আর এটাও চাবেনা যে খুব বেশি দুর্বলও হয়ে পড়ুক। তাই, পাউন্ড বা ইয়েনের মত অস্বাভাবিক উত্থান পতন ইউরোর কমই হয়। এতগুলো দেশের অর্থনীতির খবর রাখার ঝামেলা, নাকি ইউরোর এই অদ্ভুত স্থিতিশীলতা, কোনটি আপনার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ন? আপনার সুবিধা অনুসারে এখন আপনি নিজেই ঠিক করে নিতে পারবেন, আপনি ইউরো ট্রেড করবেন কি না! কোন কোন ঘটনা বা ইভেন্টের কারনে ইউরো বা এর সবচেয়ে জনপ্রিয় কারেন্সি পেয়ার EUR/USD সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়, তা নিয়ে আলোচনা করব আরেকদিন। আপনি নিয়মিত ইউরো ট্রেড করে থাকলে আরো পড়ুনঃ ECB – ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংক কি? ফরেক্স মার্কেটে ইসিবির প্রভাবই বা কি?
  4. ইনবক্সে ধন্যবাদ জানিয়ে বেশ কয়েকজন মেসেজ দিয়েছেন, প্রেডিকশন অনুযায়ী মার্কেট মুভ করায়। আপনাদের সবাইকে শুভেচ্ছা। প্রেডিকশন হচ্ছে আগে থেকেই অনুমান করা করা, মার্কেটে কি হবে সামনে। তবে, আমরা কিন্তু কোন প্রেডিকশন দেই না। বরং জানিয়ে দেই, কি নিউজ এলে মার্কেটে তার ইমপ্যাক্ট কি হবে, কিভাবে ট্রেড করতে হবে এবং ফরেক্স মার্কেট বেশ কিছুদিন ধরেই একদম প্রত্যাশিতভাবে মুভ করছে। আর তাই আপনার মনে হচ্ছে প্রেডিকশন অনুসারেই ফরেক্স মার্কেট মুভ করছে। গতকালই বলা হয়েছিল, আর এজন্য নিউজদুটির ফলাফল প্রত্যাশামত আশাই যথেষ্ট ছিল। US ADP employment প্রত্যাশামতই এসেছে এবং ISM non-manufacturing (প্রত্যাশিত ৫৬.৬ এর বিপরীতে ৫৯.১) নিউজের ফলাফল এসেছে প্রত্যাশা থেকেও ভালো। এমনিতেই ডাউনট্রেন্ডে রয়েছে EUR/USD এবং এই নিউজগুলো ভালো আসায়, আর সাথে দ্রাঘির Dovish বক্তব্যের কারনে প্রত্যাশা অনুযায়ীই ত্বরানিত হয় EUR/USD এর পতন। মার্কেট ইতিমধ্যেই ১.০৮৯৬ ভেঙ্গে ফেলেছে কিন্তু ১.০৮৪৭ কিন্তু ঠিকই সাপোর্ট হিসেবে কাজ করছে। তাই, EUR/USD কমে ১.০৮৪ এ নেমে আসলেও, ১.০৮৪৭ সাপোর্ট ভাঙ্গতে পারেনি এখনও। বিগত তিন ঘন্টা ধরেই প্রাইস বার বার ১.০৮৪ এ গিয়ে সেখান থেকে আবার ফেরত আসছে। কিন্তু, এই সাপোর্ট বেশিক্ষণ টিকবে কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়। আজ US Unemployment Claims রিপোর্ট প্রত্যাশার চেয়ে ভালো আসলে আরো দুর্বল হবে EUR/USD. সেক্ষেত্রে, পরবর্তী গন্তব্য হতে পারে ১.০৮০৮ (জুলাই মাসের সাপোর্ট)। আজ বৃহস্পতিবারের আরও গুরুত্বপূর্ণ নিউজঃ বিকেল ৫:৪৫ এ ECB (ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংক) প্রধান মারিও দ্রাঘি মিলানে বক্তব্য রাখবেন। বুধবারে ফ্র্যাঙ্কফুটে তার বক্তব্যের পর এই বক্তব্যেও ইউরোর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যেতে পারে তার কাছ থেকে। সাধারণত তার বক্তব্য মার্কেটে ভালো আলোড়ন সৃষ্টি করে। সন্ধ্যা ৬টায় প্রকাশিত হবে UK Rate Decision সংক্রান্ত রিপোর্টগুলো। ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড অক্টোবর মাসের মিটিংয়ে সুদের হার রেকর্ড নিম্ন ০.৫% এ নামিয়ে এনেছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে যে ইউকের শ্রমবাজার টার্গেট ২% মুদ্রাস্ফীতিতে পৌঁছানোর মত অবস্থায় নেই, তাই ২০১৬ এর বসন্ত পর্যন্ত মুদ্রাস্ফীতি ১% এর নিচেই থাকবে। সুদের হার নির্ধারণ ছাড়াও ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড ত্রি-মাসিক মুদ্রাস্ফীতি বা ইনফ্লাশন রিপোর্টও প্রকাশ করবে। এছাড়া সুদের হার সংক্রান্ত ভোটের ফলও একই সময়ে প্রকাশিত হবে যা পূর্বের ন্যায় ১-০-৮ থাকবে বলেই প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সন্ধ্যা ৬:৪৫ এ ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের গভর্নর মার্ক কার্নে বক্তব্য রাখবেন। তার বক্তব্যে নতুন রুপরেখা সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যেতে পারে। ফেডের হকিশ মনভাবের প্রেক্ষিতে মার্ক কার্নেও কি হকিশ মনভাব দেখাবেন এবং রেট বৃদ্ধি করবেন? পূর্বেও কার্নেকে লক্ষ্য করা গেছে ফেডের অ্যাকশনের জন্য অপেক্ষা করতে এবং তাদের পথ অনুসরন করতে। সন্ধ্যা ৭:৩০ এ প্রকাশিত হবে US Unemployment Claims রিপোর্ট। গত সপ্তাহে কি পরিমাণ জনগণ বেকার ভাতার সুবিধা নিয়েছে তা প্রকাশিত হয় এই ডাটার মাধ্যমে। গত সপ্তাহে তা ১০০০ বাড়লেও টানা ৩৪ সপ্তাহ ধরে এই সংখ্যা ৩০০,০০০ এর নিচে রয়েছে যা বর্তমানে আমেরিকার শ্রমবাজার যে যথেষ্ট শক্তিশালী সে কথাই নির্দেশ করে। এ সপ্তাহে ২৬৪,০০০ ফলাফল আশা করা হচ্ছে।
  5. আমরা সবাই হয়ত এলিওট ওয়েভ এর সাথে পরিচিত। আজ আমি এলিওট ওয়েভ দিয়ে করা এনালাইসিস আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি। আমার মতে EUR/USD এখন ৩ নম্বর ওয়েভ ফর্ম করছে। যেহেতু এটি ১.৬১৮ লেভেল ক্রস করেছে সুতরাং এর নেক্সট টার্গেট হল ২৬১.৮ লেভেল। ১ম মোটিভ ওয়েভ ফর্ম করেছে ১.০৮৪৩৯ থেকে ১.১২০৯৯ পর্যন্ত। একটা ফিবো লেভেল টেনে দিলেই সবার কাছে পরিস্কার হয়ে যাবে আশা করি।
  6. বিগত কয়েক মাস ধরে মার্কেটের সবচেয়ে দুর্বল কারেন্সি হল ইউরো, যা ক্রমাগত দুর্বল হচ্ছে প্রায় সবগুলো প্রধান মুদ্রার বিপরীতে। মিলিয়ন ডলার কোশ্চেন হচ্ছে মার্কেট এখন আছে কোথায়, ইউরোর পতন কি শেষের দিকে নাকি কাহিনি এখনো বাকি!! তার উপর বাকি থাকলে আরও কত বাকি! এইটা নিশ্চিত করে বলা গেলে মনে হয় আমরা অনেকেই আগামি কয়েক মাসে বড়লোক হয়ে যেতাম। যাই হোক কাজের কথায় আসি, সামনের মাস থেকে শুরু হচ্ছে ইসিবির QE. কাজেই কোন পজিশনাল ট্রেডার এর এখন ইউরো ধরে রাখার কথা না। উল্টো কথা না বললেও ইউরোর পক্ষে সহজেই কেউ ভবিষ্যৎবানী করছেন না। তাই আমার মতে ইউরোতে বাই দেবার কথা ভাবার সময় এখন না। এখন আসি উল্টো পথে জেতে রাজি কারা কারা!! যারা লং টার্ম পজিশনাল ট্রেডার তাদের ইতোমধ্যে ইউরোর বিপক্ষে পজিশন ওপেন থাকার কথা! COT report দেখলেও তাই বুঝা যায়। আপনি যদি পজিশনাল ট্রেডার হন তাহলে আমি বলব আপনি লাভ করার উচ্চসম্ভাবনা নিয়ে এখন ইউরো সেল করতে পারেন। যদি আরও পরিস্কার করে বলতে বলেন তাইলে আমি বলব সম্ভাবনা >৮০% :D এখন আপনি যদি মিডিয়াম টার্ম ট্রেডার হন সেক্ষেত্রে আপনার হয়ত কিছুদিন অপেক্ষা করা ভাল হবে। অন্তত গ্রিস ইস্যুটা থিতিয়ে যাওয়া অব্দি। এই সপ্তাহের ক্যালেন্ডারটা দেখলেই বুঝবেন কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিউজ আছে এই সপ্তাহে। আর যদি ডলার এর বিপরীতে ইউরো সেল করতে চান সোজা কথায় EUR/USD তে sell দিতে চান তাহলে আমি বলব আগামী মাসের NFP পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। “অপেক্ষায় হায় সুযোগটা হারিয়ে যায়” মানে যাদের ট্রেন মিস করার টেনশন আছে, তারা এখন হাফ পজিশন ওপেন করে রাখতে পারেন। পরে সুযোগ পেলে স্কেল ইন করে নিলেন। এখন কথা হল কোন পেয়ার এ ট্রেড করবেন, সাম্প্রতিক সময়ে শক্তিশালী মুদ্রা হল পাউন্ড, ডলার, নিউজিল্যান্ড ডলার। সময় সুযোগ বুঝে এগুলোর বিপরীতে পজিশন নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। সোজা কথায় EUR/USD, EUR/GBP, EUR/NZD sell oppotunity খোঁজা। ফরেক্স মার্কেট নিয়ে এত সরাসরি কথা বলা কিন্তু বোকামির সামিল। কারণ দিন শেষে মার্কেটে সবাই ছাত্র, শিক্ষক কেউ না। একমাত্র শিক্ষক স্বয়ং মার্কেট নিজে। মনে রাখবেন, লস খেলে ভুলটা আপনারই, মার্কেট কিন্তু সবসময় সঠিক!! একটা ছোট্ট উদাহরন, Swiss France এর যেকোনো পেয়ার এর রিসেন্ট চার্ট দেখলে বুঝবেন, মার্কেট কিভাবে বহুবছরের নিয়ম ভেঙ্গে এগিয়ে চলে। মার্কেট নিয়ে ১০০% নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারে না। যদি আজ একজন ব্যাক্তিও সত্যি সত্যি নিশ্চিত ভাবে বলতে পারে কাল মার্কেট কোথায় যাবে, তাহলে অবশ্য-অবশ্যই মার্কেট কালকে গিয়ে অন্য কোথাও পৌঁছাবে!! টাইম ট্রাভেল করেও মার্কেটে নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব না!! কাজেই সব কথার শেষ কথা আপনাদের যতই পরামর্শ দেই না কেন, ট্রেড করবেন নিজের রিস্কে। টাকা আপনার, রিস্ক আপনার। লস খেলে আমি ক্ষতিপূরণ দিব না উপরের লেখা গুলো শুধুমাত্র মার্কেট সম্পর্কে আমার একান্ত নিজস্ব মনোভাব আর মতামত।
  7. USD/JPY ডেইলি আউটলুক ২ এপ্রিল ২০১৩ USD/JPY পেয়ারের 96.70 থেকে শুরু হওয়া Downtrend মুভমেন্ট গতকাল সর্বনিম্ন 92.96 এ গিয়ে ঠেকেছিল। গতদিনের আনাল্যসিস এ আমরা আশা করেছিলাম পেয়ার টি 93.00- 92.00 zone এ যেতে পারে এবং পেয়ারটি 93.00 কে ব্রেক করে নিচে নেমেছে। আশা করছি পরবর্তীতে আরও Decline এই পেয়ারে দেখতে পাবো এবং নেক্সট টার্গেট হতে পারে 92.00 এরিয়া। অপরদিকে Resistance 4H চার্টে ডাউন ট্রেন্ড লাইনে অবস্থান করছে এর ব্রেক ডাউন ট্রেন্ড কমপ্লিট এর সিগন্যাল দিবে। সবমিলিয়ে বলা যায় পেয়ারটিতে আমরা আজকে বেয়ারিশ(ডাউন ট্রেন্ড) মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে। GBP/USD ডেইলি আউটলুক ২ এপ্রিল ২০১৩ 1.5260 প্রাইসে Resistance এর কাছাকাছি অবস্থান করছে GBP/USD. Resistance এর ব্রেক 1.4831 থেকে শুরু হওয়া আপ ট্রেন্ড কে Resume করবে এবং 1.5400 হতে পারে নেক্সট টার্গেট। Key Support 1.5093 প্রাইসে রয়েছে এর ব্রেক আপ ট্রেন্ড কমপ্লিট এর সিগন্যাল দিবে। GBP/USD এর Overall আউটলুক Confusing. Confirmation এর জন্য অপেক্ষা করা উত্তম।
  8. প্রথমে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি প্রতিদিনের মত সকালে পোস্টটি করতে না পারার কারনে। কমেন্ট এ জানান ক্ষমা করলেন কিনা? আসুন এবার দেখে নেয়া যাক আজকের Analysis GBP/USD আমরা সপ্তাহের শুরু থেকে বলে আসছি GBP/USD সাইড ওয়ে তে থাকবে। যদিও এই পেয়ার এখন ( Analysis লিখার সময়) Uptrend এ ছিল। Previous High ( T) ব্রেক করলে হয়তো আমরা বড় একটা মুভমেন্ট আপ সাইড এ দেখতে পাবো। নতুবা প্রাইস আবার বেয়ারিশ মুডে ফিরে আসবে এবং Low ( B) কে টেস্ট করবে বলে আশা করছি। তবে 1.5200 লেভেল এর ক্লিয়ার ব্রেক এ পেয়ারকে নিয়ে 1.5300 প্রাইসে। সবমিলিয়ে এই পেয়ার সম্পর্কে বলার আগে একটা নিয়ম বলতে চাই, আর তা হল মার্কেটে তিন ধরনের Activity থাকে BUY, SELL & WATCH। নিশ্চয় বুঝতে পাচ্ছেন আমি কি বলতে চাচ্ছি হ্যাঁ ঠিক ধরেছেন এটা শুধু WATCH টাইম। USD/JPY সপ্তাহের শেষ দিনে USD/JPY এ কিছুটা ডাউন ট্রেন্ড দেখা গিয়েছে এবং নতুন Low 94.19 এ তৈরি করেছে। যদিও প্রাইস Action অনুযায়ী বলা যায় এটা এখন Uptrend Consolidation এ আছে যার Uptrend শুরু হয়েছিল 90.93 প্রাইস থেকে। তবে আশা করছি consolidation শেষে প্রাইস আবার 96.70 কে টেস্ট করবে এবং এই প্রাইস এর ক্লিয়ার ব্রেক প্রাইস কে এক নতুন Higher High 98.00 তে নিয়ে যাবে। তবে এই Upward মুভমেন্ট প্রাইস এর 100.00 কে টেস্ট করার সম্ভাবনা অনেকাংশে বাড়িয়ে তুলেবে। সবমিলিয়ে আজকে USD/JPY এ আমরা ডাউন ট্রেন্ড দেখতে পাবো এবং 94.00 এর ব্রেক একটা ফ্রেশ Low তৈরি করবে। EUR/USD পেয়ারটি এ সপ্তাহ সাইড ওয়েতে চলেছে। গ্যাপ দিয়ে শুরু হলেও আজ শেষ দিনে গ্যাপ পুরনের খুব একটা সম্ভাবনা নেই। তাছাড়া মার্কেট Short Term এর Upper Line কে টেস্ট করতে পারে এবং সেখান থেকে নেক্সট টার্গেট হতে পারে 1.2979 এর Previous টপ। তবে 1.3000 কে ব্রেক করলে প্রাইসের পরবর্তী টার্গেট হতে পারে 1.3161 লেভেল। আজকে আমরা মার্কেট এ বুলিশ মুভমেন্ট দেখতে পাবো বলে আশা করছি।
  9. GBP/USD গতকাল GBP/USD তে ব্যাপক Power Move(খুব দ্রুত প্রাইসের পরিবর্তন) দেখা গিয়েছে। তবে আগের দিন Analysis এ দেয়া প্রাইস রেঞ্জ 1.4831 থেকে 1.5250 এখনো ব্রেক করে নাই। যেমনটা আগেও বলেছি আরও কিছু দিন এই পেয়ারে আমরা সাইড ওয়েতে মুভমেন্ট দেখতে পাবো। তাছাড়াও প্রাইস এখন 1.6339 ( Jan 2 High) এর Consolidation এ রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তবে 1.4831 এর ব্রেক Downtrend কে পুনরায় শুরু করবে। সবমিলিয়ে বলা যায় GBP/USD watch অর্থাৎ আজ শুধু GBP/USD মার্কেট মুভমেন্ট দেখুন ট্রেড অন্য পেয়ার গুলো করুন। GBP/USD ডেইলি আউটলুক ২১ মার্চ ২০১৩ USD/JPY USD/JPY এখন 94.31 থেকে 96.70 প্রাইস রেঞ্জ এর মধ্যে আছে.। প্রাইস Action অনুযায়ী বলা যায় এটা এখন Uptrend Consolidation এ আছে যার Uptrend শুরু হয়েছিল 90.93 প্রাইস থেকে। তবে আশা দকরছি consolidation শেষে প্রাইস আবার 96.70 কে টেস্ট করবে এবং এই প্রাইস এর ক্লিয়ার ব্রেক প্রাইস কে এক নতুন Higher High 98.00 তে নিয়ে যাবে। সবশেষে USD/JPY আজকের অউটলুক বলা যায় বুলিশ। EUR/USD ফেব্রুয়ারি ১ থেকে শুরু হয়ে EUR/USD এখনো Downtrend এ আছে। পহেলা ফেব্রুয়ারী High ছিল 1.3711. তবে গতদিন(২০ মার্চ ২০১৩) মার্কেটে আমরা কিছু বুলিশ মুভমেন্ট দেখতে পেয়েছি, তবে এটাকে 1.2843 এর একটা Consoldidation বলা যায়। Key Resistance Downward Trend Line এ এখনো বহাল রয়েছে সেই অনুসারে মার্কেটে আমরা আরও কিছু Downtrend দেখতে পাবো বলে আশা করছি। তবে Downtrend পুনরায় শুরু করার জন্য প্রথমে প্রয়োজন Lower Low 1.2843 এর ক্রস। এই লেভেল এর ক্লিয়ার ব্রেক প্রাইসকে Long Term এ 1.2600 তে নিয়ে যাবে বলে মনে হচ্ছে। তবে চার্টে যে ট্রেন্ড লাইন এর resistance আছে সেটা ব্রেক করলে EUR/USD 1.3711 থেকে ডাউন ট্রেন্ড 1.2843 গিয়ে শেষ হয়ে যাবে এবং প্রাইস আবার rebound করবে এবং Upside target 1.4000 হবে বলে আশা করছি। আজকে সবমিলিয়ে বলা যায় EUR/USD মুভমেন্ট বেয়ারিশ থাকবে।
  10. নতুন ট্রেডার এবং ফরেক্স এ অনেক $ হারিয়েছেন এমন ভাইদেরকে বলছি আসুন প্রতিদিন নতুন নতুন Indicator, Strategy, EA, না খুজে বেসিক যে সকল Indicator ও Strategy আছে এগুলো নিয়ে Analysis করতে শিখি সফলতা আসবে। ইন-শা-আল্লাহ। EUR/USD ডেইলি আউটলুক ১৮ মার্চ ২০১৩ কাল রাতে মার্কেট ওপেন এর সময় বড় ধরনের একটা গ্যাপ এর সৃষ্টি হয়েছে মার্কেটে। 1.3710 থেকে শুরু হওয়া Down-trend শেষ পর্যন্ত 1.2888 এ গিয়ে ঠেকেছে। তাই মার্কেট বলা যায় অনেকটা বেয়ারিশ মুডে আছে। তাছাড়াও মার্কেট Key Resistance রয়েছে 1.3161 প্রাইসে, তাই Resistance Hold করা পর্যন্ত মার্কেটের নেক্সট টার্গেট হতে পারে 1.2800 এরিয়া। তবে সবশেষে এই week এ আমরা হয়তো গ্যাপ Fill Up হতে পারে বলে আশা করছি। GBP/USD ডেইলি আউটলুক ১৮ মার্চ ২০১৩ GBP/USD High 1.6339 ( জানুয়ারী ২ ) এখন Consolidation এ আছে বলে মনে হচ্ছে। তবে একটা সীমার মধ্যে বেশ কিছুদিন মার্কেটের মুভমেন্ট বজায় থাকবে বলে মনে হচ্ছে। আশা করছি প্রাইস রেঞ্জ হতে পারে 1.4831 থেকে 1.5250 প্রাইস। তাই আপাতত আমরা Consolidation কেই বেশী গুরুত্ব দিচ্ছি অর্থাৎ বুলিশ মুভমেন্ট। তবে 1.4831 এর ব্রেক 1.6339 থেকে শুরু হওয়া Down-trend কে Resume করবে। USD/JPY ডেইলি আউটলুক ১৮ মার্চ ২০১৩ অন্য সব পেয়ার এর মত USD/JPY পেয়ারে ভালো একটা গ্যাপ এর সৃষ্টি হয়েছে যার ফলে আগের দিনে Key support ব্রেক করে নিচে নেমেছে। তাই আশা করছি 90.93 থেকে শুরু হওয়া Up-trend 96.70 প্রাইসে গিয়ে শেষ হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তাছাড়াও সাইকেল টপ তৈরি করেছে বলে মনে হচ্ছে ( ৪ ঘণ্টার চার্ট)। এই পেয়ারে পরবর্তীতে আরও Decline দেখতে পাবো বলে আশা করছি এবং নেক্সট টার্গেট হচ্ছে 94.00 এরিয়া। অপরদিকে 96.70 Strong Resistance এর ব্রেক প্রাইস কে আবার 100.00 এরিয়াতে নিয়ে যেতে পারে। সবশেষে বলা যায় USD/JPY মুভমেন্ট বেয়ারিশ।
  11. By www.acfx.com EUR/USD The dollar's strength saw the euro hitting a one-month low on Monday. The common currency is still smarting from fears that the European debt crisis could worsen again, despite Greece's success in debt-cutting swap deal. 8]o The euro stood at $1.3157, having recovered after hitting a one-month low of $1.3079 on Monday, helped by technical support at its Ichimoku cloud top at $1.3087 and a 55-day moving average around $1.3084. But the currency's outlook remained shaky given that the euro zone economy is slipping into recession, in contrast to a brightening picture in the United States. Image link is given bellow click me:- eur/usd
  12. Buy around 1.2895-1.2875 with sl 1.2845 for targets 1.2985....

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×