Jump to content

Search the Community

Showing results for tags 'cryptocurrency'.



More search options

  • Search By Tags

    Type tags separated by commas.
  • Search By Author

Content Type


Categories

  • ইন্ডিকেটর
  • এক্সপার্ট এডভাইসর
    • বিডিপিপস EA ল্যাব
  • স্ক্রিপ্ট
  • ট্রেডিং স্ট্রাটেজী
  • ট্রেডিং প্লাটফর্ম
  • ফরেক্স ই-বুক
    • বাংলা ই-বুক
  • চার্ট টেমপ্লেট

Forex Bangladesh - বিডিপিপস

  • ট্রেডিং এডুকেশন
    • সাধারণ ট্রেডিং আলোচনা
    • ফরেক্স স্টাডি
    • প্রশ্ন এবং উত্তর
  • ফরেক্স ট্রেডিং আলোচনা
    • ফরেক্স নিউজ
    • ট্রেডিং আইডিয়া
    • ট্রেডিং স্ট্রাটেজি
  • ট্রেডিং সফটওয়্যার
    • ফরেক্স ইন্ডিকেটর
    • এক্সপার্ট এডভাইসর
    • মেটাট্রেডার এবং MQL
  • ফরেক্স ব্রোকার
    • ফরেক্স ব্রোকার
  • বিডিপিপস ফোরাম সাপোর্ট
    • ফোরাম সাপোর্ট
  • অফ-টপিক
    • অপ্রাসঙ্গিক
    • ফরেক্স হিউমার
  • লাইভ ট্রেডিং রুম

Categories

There are no results to display.


Found 2 results

  1. কিছুদিন আগে ২০ হাজার ডলার, গত পরশুও ছিল ৮ হাজার ডলার। কিন্তু, ২০ হাজার ডলার থেকে গতকাল বিটকয়েন নেমে এসেছে কয়েনপ্রতি ৬ হাজার ডলারেরও নীচে, যা গত নভেম্বরের পরের সর্বনিম্ন প্রাইস। এভাবে দরপতন হওয়ায় আতঙ্কিত বিটকয়েন বায়াররা। তবে আজ প্রাইস কিছুটা বেড়ে আবার ৭,৪০৩ এ অবস্থান করছে। কিন্তু এখানেই শেষ নয়। বিটকয়েনের আরো বিশাল দরপতন হতে পারে। কারন, চীন বিটকয়েন ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। শুধু তাই নয়, চীনের নাগরিকগন যাতে বিটকয়েন কারেন্সি এক্সচেঞ্জ ব্রাউজ করতে না পারে, তারও ব্যবস্থা নিচ্ছে দেশটি। অর্থাৎ, বিটকয়েন ব্যানের জন্য যা যা করা দরকার, সব করবে দেশটি। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি চীন যদি নাগরিকদের বিটকয়েন ব্যবহার করতে না দেয়, তাহলে সম্ভাবনা আছে যে আরো অনেক দেশ একই পন্থা অনুসরন করবে। আর যেহেতু বিটকয়েন কোন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রনভুক্ত নয়, তাই অনেক দেশই চাইবে না বিকল্প আরেকটি অর্থ ব্যবস্থা তৈরি হোক। এক নজরে প্রধান ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলোর দরপতনঃ বিটকয়েনঃ নভেম্বর ২০১৭ সালের সর্বোচ্চ ১৯ হাজার ডলার থেকে বর্তমানে ৭.৪০৩ ডলার ইথেরিয়ামঃ জানুয়ারী ৯, ২০১৮ সালের সর্বোচ্চ ১২৫৫ ডলার থেকে বর্তমানে ৫৭৪ ডলার বিটকয়েন ক্যাশঃ ২০ ডিসেম্বর ২০১৭ সালের সর্বোচ্চ ৪০৯১ ডলার থেকে বর্তমানে ৭৬৬ ডলার লিটকয়েনঃ ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭ সালের সর্বোচ্চ ৩৬৬ ডলার থেকে বর্তমানে ১০৬ ডলার এদিকে ইউকে এবং ফ্রান্সের রেগুলেটররা বিনিয়োগকারীদের মানা করেছেন কোন কোম্পানির ইস্যুকৃত ডিজিটাল কারেন্সি না কেনার জন্য। তারা সাবধান করে বলেছেন যে, এর ফলে বিনিয়োগকারীরা তাদের সব অর্থ হারাতে পারে।
  2. প্রতি বিটকয়েনের মূল্য এই মুহুর্তে ১১,০০৪ ডলার। অনেক বিশেষজ্ঞ বিটকয়েনের মূল্য ১ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে একসময়, এমন মতামত দিলেও, সাম্প্রতিক ধ্বসের কারনে তা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। এমতাবস্থায় ওয়ালস্ট্রীট কি ভাবছে? সিএনবিসি এর মতে, ব্লিকলে এ্যাডভাইজারি গ্রুপের প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা পিটার বুকভার বিট কয়েনকে একটি সম্ভাবনাময় মুদ্রা হিসেবে দেখেন এবং তিনি মনে করন এর ফলাফল অনেক দীর্ঘ মেয়াদী। কিন্তু সাম্প্রতিক ধ্বসের পরে বুকভার মনে করেন যে, এই বছর বিট কয়েনের মূল্য ৭০ থেকে ৯০ শতাংশ কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, “পরবর্তী বছরগুলোতে বিটকয়েনের মূল্য যদি ১০০০ ডলার থেকে ৩০০০ ডলারে নেমে যায় তাহলেও আমি অবাক হবো না।“ এই বিষয়ে বুকভারকে প্রশ্ন করা হয়, বিট কয়েনের মূল্য পড়ে যাওয়ার কারনে যদি শেয়ার বাজার ভেঙ্গে পড়ে? এর উত্তরে তিনি বলেন, যেকোন মূদ্রার পতন হলে সেটা হবে মূলত মনস্তাত্ত্বিক। কারণ বিট কয়েন মূলত ১৯ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির সাথে সম্পর্কিত নয়। তিনি আরও বলেন, দক্ষিন কোরিয়া, জাপান এবং আমেরিকায় মানুষ প্রতিনিয়ত ডেবিট কার্ড ঋণ নিচ্ছে ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলোতে বিনিয়োগ করার জন্য। এর কারনে শেয়ার বাজার আক্রান্ত হবে। সিএনবিসিকে বুকভার বলেন, ক্রিপ্টো মার্কেটের এই আকস্মিক বৃদ্ধি বা উন্নতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ইজি মানি পলিসিতে আরোপ করা যেতে পারে। এমনটি যদি করা হয় তবে বিনিয়োগকারীদের কাছে বিট কয়েনের মত ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলো আরও বেশী আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। যার কারনে তারা অবমূল্যায়ন এবং মুদ্রাস্ফীতি থেকে সীমাবদ্ধ এবং নিরাপদ থাকবে। একটি প্রশ্ন থেকেই যায় যে, বিট কয়েন কি তাহলে আরেকটি ইকোনমিক বাবল? ইয়েলের অর্থনীতিবীদ রবার্ট সিলার ইকোনমিক বাবলের উপর তার অবদানের জন্য ২০১৩ সালে নোবেল পুরষ্কার পান। তিনি ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে বাবলের একটি উদাহরণ হিসেবে বিট কয়েন ব্যাবহার করেন। পরবর্তিতে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে সিলার বলেন, তিনি জানতেন না যে বিট কয়েন দিয়ে কি করতে হবে। তিনি আরও বলেন , এটা জানতে আরও ১০০ বছর লেগে যেতে পারতো। বিটকয়েন ব্যবহারকারীদের হতাশ হওয়ার আরও কারন আছে। গতকাল দক্ষিন কোরিয়া বিট কয়েনের উপর ২৪% কর আরোপ করেছে। একই পথে হাটতে পারে অন্য দেশগুলোও।

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×