Jump to content

Search the Community

Showing results for tags 'OPEC'.



More search options

  • Search By Tags

    Type tags separated by commas.
  • Search By Author

Content Type


Categories

  • ইন্ডিকেটর
  • এক্সপার্ট এডভাইসর
    • বিডিপিপস EA ল্যাব
  • স্ক্রিপ্ট
  • ট্রেডিং স্ট্রাটেজী
  • ট্রেডিং প্লাটফর্ম
  • ফরেক্স ই-বুক
    • বাংলা ই-বুক
  • চার্ট টেমপ্লেট

Forex Bangladesh - বিডিপিপস

  • ট্রেডিং এডুকেশন
    • সাধারণ ট্রেডিং আলোচনা
    • ফরেক্স স্টাডি
    • প্রশ্ন এবং উত্তর
  • ফরেক্স ট্রেডিং আলোচনা
    • ফরেক্স নিউজ
    • ট্রেডিং আইডিয়া
    • ট্রেডিং স্ট্রাটেজি
  • ট্রেডিং সফটওয়্যার
    • ফরেক্স ইন্ডিকেটর
    • এক্সপার্ট এডভাইসর
    • মেটাট্রেডার এবং MQL
  • ফরেক্স ব্রোকার
    • ফরেক্স ব্রোকার
  • বিডিপিপস ফোরাম সাপোর্ট
    • ফোরাম সাপোর্ট
  • অফ-টপিক
    • অপ্রাসঙ্গিক
    • ফরেক্স হিউমার
  • লাইভ ট্রেডিং রুম

Find results in...

Find results that contain...


Date Created

  • Start

    End


Last Updated

  • Start

    End


Filter by number of...

Joined

  • Start

    End


Group


AIM


MSN


Website URL


ICQ


Yahoo


Jabber


Skype


লোকেশন


Interests


ব্রোকার


মোবাইল নং

Found 2 results

  1. অয়েল ট্রেড করতে গেলে এবং এ সংক্রান্ত মার্কেট আপডেট পেতে গেলে আপনি প্রায়ই ওপেক বা ওপেকভুক্ত দেশগুলো সম্পর্কে নিউজ পাবেন। ওপেক হচ্ছে তেল রপ্তানীকারক দেশগুলোর সংগঠন, The Organization of the Petroleum Exporting Countries এর সংক্ষিপ্ত রূপ। বলা হয়ে থাকে যে, তেল রপ্তানীকারক দেশগুলোর সবচেয়ে শক্তিশালী সংগঠন হচ্ছে ওপেক। শীর্ষ তেল উত্পাদনকারী ৫ টি দেশ, সৌদি আরব, ইরান, ইরাক, কুয়েত ও ভেনিজুয়েলার উদ্যোগে ১৯৬০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাগদাদ কনফারেন্সে ওপেক প্রতিষ্ঠিত হয়. পরে এতে আরো যোগ দেয়, কাতার, ইন্দোনেশিয়া, লিবিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, আলজেরিয়া, নাইজেরিয়া, ইকুয়েডর, আঙ্গোলা এবং গেবন। তবে, ইন্দোনেশিয়া ২০০৯ সালের জানুরারী মাসে ওপেক থেকে তার সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নেয়. ওপেক প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যঃ ওপেকের উদ্দেশ্য হচ্ছে সদস্য দেশগুলোর জ্বালানী তেল রপ্তানীকরণ পলিসিতে সমন্নয় ও মতৈক্য সাধন করে তেলের সঠিক মূল্য নিশ্চিত করা। অতীতে, যখনই বিশ্ববাজারে তেলের মূল্য পড়ে গিয়েছে, ওপেকভুক্ত দেশগুলো তেলের উত্পাদন কমিয়ে এনে তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে ভুমিকা রেখেছে। এক নজরে ওপেকঃ প্রতিষ্ঠাঃ ১৯৬০ সালের ১০-১৪ সেপ্টেম্বর, বাগদাদ কনফারেন্সে। বর্তমান সদর দপ্তরঃ ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া (১ সেপ্টেম্বর ১৯৬৫ থেকে) প্রতিষ্ঠাকালীন ৫ টি দেশঃ সৌদি আরব, ইরান, ইরাক, কুয়েত ও ভেনিজুয়েলা ওপেকভুক্ত অন্যান্য দেশঃ কাতার, , লিবিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, আলজেরিয়া, নাইজেরিয়া, ইকুয়েডর, আঙ্গোলা, গেবন এবং ইন্দোনেশিয়া (বর্তমানে সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নিয়েছে) বৃহৎ তেল উত্পাদক কিন্তু ওপেকের সদস্য নয়ঃ রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, চীন, মেক্সিকো
  2. আমরা সবাই জানি যে, তেলের মূল্য বর্তমানে ব্যারেলপ্রতি ৩০ ডলারেরও নীচে নেমে এসেছে। তেলের মূল্য গত এক বছরে ৭০ শতাংশেরও বেশি কমে যাওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে, এই পতনের শেষ কোথায়? ১ ব্যারেল তেল বলতে প্রায় ১৫৯ লিটার তেলকে বুঝায়। সে হিসেবে ব্যারেলপ্রতি মূল্য ৩০ ডলার ধরলেও, প্রতি লিটার তেলের মূল্য দাড়ায় বর্তমানে মাত্র ১৯ মার্কিন সেন্ট বা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ১৬ টাকা। অর্থাৎ, ১ লিটার বোতলজাত পানি থেকে বর্তমানে ১ লিটার তেলের মূল্য কম। আর এটাই ভুরু কুচকে দিচ্ছে অনেকের। এত সস্তায় তেল বিক্রি হলে উত্পাদনকারী দেশগুলো লাভ করছে কিভাবে? আর তেল উত্পাদনেরও তো খরচ আছে। তেলের বর্তমান মূল্যে উত্পাদন খরচ মেটানো আদৌ কি সম্ভব? অয়েল ট্রেডারদের এমনটা জানার আগ্রহের পেছনে মূল কারনটি হচ্ছে, তেলের মূল্য কোথায় গিয়ে ঠেকতে পারে, তা অনুমান করা। তবে, বিশ্বের সবদেশের তেল উত্পাদন খরচ কিন্তু সমান নয়। সবচেয়ে সস্তায় তেল উত্পাদন করে কুয়েত, ব্যারেলপ্রতি মাত্র ৮.৫০ ডলারে। অপরদিকে, যুক্তরাজ্যের ক্ষেত্রে এই খরচটা প্রায় ৬ গুন বেশি। প্রতি ব্যারেল তেল উত্পাদন করতে যুক্তরাজ্যের খরচ হয় গড়ে ৫২.৫০ ডলার। তার মানে, তেলের মূল্য ব্যারেলপ্রতি ৩০ ডলার থাকলেও তা রপ্তানি করে কুয়েত প্রতি ব্যারেল থেকে প্রায় ২১.৫ ডলার লাভ করতে পারবে, অপরদিকে যুক্তরাজ্য লাভের বদলে উল্টো লোকসান দিবে প্রতি ব্যারেলে ২২.৫০ ডলার। তেলের মূল্য দীর্ঘদিন ব্যারেলপ্রতি ৩০ ডলারে আটকে থাকলে যে একসময় যুক্তরাজ্যকে তেল উত্পাদন বন্ধ করে দিতে হবে, তা বলাই বাহুল্য (কোন ধরনের সরকারী সহযোগিতা না পেলে)। তো চলুন, সিএনএন এর সৌজন্যে এক নজরে দেখে নেই, দেশভেদে প্রতি ব্যারেল তেল উত্পাদনের খরচঃ উপরের চিত্র থেকে দেখা যাচ্ছে যে, ওপেকভুক্ত বা মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সবগুলো দেশেরই উত্পাদন খরচ উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর তুলনায় অনেক কম। এর একটি প্রধান কারণ হচ্ছে উন্নত দেশগুলোতে কর্মচারীদের বেতনসহ উত্পাদন সংশ্লিস্ট অন্যান্য খরচ অনেক বেশি। তাছাড়া ওপেকভুক্ত দেশগুলোর অধিকাংশেরই তেলের মজুদ ভূপৃষ্ঠের একেবারে কাছাকাছি। তাই, সহজেই এই তেল উত্তোলন করা যায় এবং এই তেলের গুণগতমানও অনেক ভালো। পরবর্তী লেখায় আলোচনা করা হবে - ওপেক কি? ওপেকের কাজ কি? এবং ওপেকভুক্ত দেশ কোনগুলো?
×
×
  • Create New...