Jump to content

Search the Community

Showing results for tags 'Forex'.



More search options

  • Search By Tags

    Type tags separated by commas.
  • Search By Author

Content Type


Categories

  • ইন্ডিকেটর
  • এক্সপার্ট এডভাইসর
    • বিডিপিপস EA ল্যাব
  • স্ক্রিপ্ট
  • ট্রেডিং স্ট্রাটেজী
  • ট্রেডিং প্লাটফর্ম
  • ফরেক্স ই-বুক
    • বাংলা ই-বুক
  • চার্ট টেমপ্লেট

Forex Bangladesh - বিডিপিপস

  • ট্রেডিং এডুকেশন
    • সাধারণ ট্রেডিং আলোচনা
    • ফরেক্স স্টাডি
    • প্রশ্ন এবং উত্তর
  • ফরেক্স ট্রেডিং আলোচনা
    • ফরেক্স নিউজ
    • ট্রেডিং আইডিয়া
    • ট্রেডিং স্ট্রাটেজি
  • ট্রেডিং সফটওয়্যার
    • ফরেক্স ইন্ডিকেটর
    • এক্সপার্ট এডভাইসর
    • মেটাট্রেডার এবং MQL
  • ফরেক্স ব্রোকার
    • ফরেক্স ব্রোকার
  • বিডিপিপস ফোরাম সাপোর্ট
    • ফোরাম সাপোর্ট
  • অফ-টপিক
    • অপ্রাসঙ্গিক
    • ফরেক্স হিউমার
  • লাইভ ট্রেডিং রুম

Categories

There are no results to display.


Found 71 results

  1. I need a forex broker which have the following criteria: 1. Provide swap free account. 2. There is no limit of open trades or higher limits like 3000/4000 trades ( some brokers limits 200 trades) 3. Provide micro lot. And minimum lot will be 0.01 4. No fee or Commission on carry trade. I can carry a trade for years. 5. Allow hedgeing
  2. USA এর ট্রাম্প সরকার নানা দিক দিয়ে ইরানের উপরে আরও অবরোধ বাড়াতে চায়। মধ্যপ্রাচ্যে তাদের একমাত্র হুমকী ইরান বলেই মনে করে তারা। এদিকে এমন পরিস্থিতির মুখেই ইরাক সরাসরি ঘোষনা দিয়েছে তারা ইরানের উপর আমেরিকার কোন অন্যায়কে প্রশ্রয় দেবে না। রাশিয়াও গত পরশু কাস্পিয়ান সাগর ব্যবহার করে তাদের বানিজ্য প্রসারে ইরানের সাহায্য নেবে মর্মে চুক্তিও করে ফেলেছে। এটিও ট্রাম্প সরকারের উপরে চাপ ফেলেছে প্রচুর পরিমানে। এদিকে ইরান তাদের বানিজ্যিক চুক্তি বাড়িয়ে পাকিস্তানের সাথেও গতকাল বৈঠক করে ফেলেছে। উভয় দেশ সকল বৈরিতা মোকাবেলায় একে অপরের পাশে থাকবে বলে সম্মতিও হয়েছে!! অন্যদিকে ট্রাম্প সরকার তার দেশে চায়নিজ পন্যের শুল্ক কয়েকগুন বৃদ্ধি করার মৌন প্রতিশোধ হিসেবে চিনও ঘোষনা দিয়েছে, তারা ইরানের উপর আর কোন অবরোধ দেখতে চায় না। আমেরিকার বন্ধুরাষ্ট জার্মানির এঞ্জেলা মার্কেলও ঘোষনা দিয়েছে তারা ইরানের উপরে আমেরিকার অবরোধ আরোপের চিন্তাকে সমর্থন করেনা।তারা আলোচনা করে সমস্যা সমাধানের পক্ষে। এতোসব ঘটনার মাঝে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা, আয়াতুল্লাহ খোমেনী প্রকাশ্যে ঘোষনা দিয়েছে, আমেরিকার সাথে এবার যদি তাদের নুন্যতম কোন যুদ্ধাবস্থা সৃষ্টি হয়,তবে তারা কোন আলোচনার চিন্তাও করবেনা। সরাসরি আক্রমন করা শুরু করে দেবে।আর তার উপরে একটি ক্ষেপনাস্ত্রের জবাব তারা ১০ টি ক্ষেপনাস্ত্র দিয়ে দেবে। এতসবের প্রেক্ষিতে ট্রাম্প সরকার বর্তমানে বুদ্ধিবৃত্তিমুলক সমস্যায় ভুগছেন। তার কোন সিদ্ধান্তই সঠিকভাবে কাজ করছে না। পায়ের নিচে থাকা ইরাকও আজ মুখের উপর কথা বলছে, আফগান সিরিয়ায় চরম বিপর্যয়ের পর বর্তমানে সারা বিশ্ব থেকে এমন চোখ রাঙ্গানী, সব কিছু মিলিয়ে USD এর মুল্যমান চরম অস্থিতিশীল অবস্থায় সময় পার করছে। আর তাই ইউএস ডলারের দুর্বল হবার আশংকাই অনেক বেশি হয়ে দেখিয়েছে।যা ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে কিছু কিছু কারেন্সী পেয়ারে। তবে ট্রাম্প সরকার গুরুত্বপুর্ন কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারলেই কেবল এমন সংকটময় অবস্থা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এখন দেখার পালা, কেমন পদক্ষেপ নেয় ট্রাম্প সরকার নিজেদের অবস্থান শক্তপোক্ত করতে। সবাইকে আন্তর্জাতিক নিউজ সম্পর্কে ধারনা রাখার জন্য অনুরোধ করা হল, কারন এসব নিউজের ইফেক্ট আপনাকে নিমিষেই আপনার সকল টেকনিক্যাল এনালাইসিসকে বোকা বানিয়ে আপনাকে লুজার বানিয়ে দিতে পারে, আবার যদি ভালভাবে নিউজ ধরে ধরে ট্রেড করতে পারেন, তবে নিয়মিত ও ভালভাবে প্রফিটও করে যেতে পারেন অনায়াসে। সকলের জন্য শুভকামনা রইল <3 <3 <3 Trade with real ECN broker:
  3. #USDJPY D1 চার্টে আমরা দেখতে পাচ্ছি Head & Shoulder প্যাটার্ন তৈরী করেছে, এমনকি উপর থেকে আসা একটা ডাউনট্রেন্ড লেভেল ব্রেক করেও ফেলেছে। আবার নিচের দিক থেকে আপট্রেন্ড কন্টিনিউ করেই চলেছে। এখন এন্ত্রি কনফার্মেশনের অপেক্ষা শুধু। আপনার নিজের ট্রেডিং স্ট্রাটেজীতে যদি এমন পজিশনে কোন এন্ট্রি কনফার্মেশন পেয়ে যান, তবে সুন্দর একটা এন্ট্রি পেয়ে যাবেন, এমন আশা করছি। পরিশেষে, ইরান ও রাশান নেতাদের বৈঠক ইস্যুতে আমেরিকাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রাশিয়া কাস্পিয়ান সাগরে ইরানের সাথে বানিজ্য কন্টিনিউ রাখার সিদ্ধান্তের ব্যাপারে কি সিদ্ধান্ত নেবেন ট্রাম্প সরকার, এমন সকল ইউএস এর বানিজ্যিক সংক্রান্ত ইস্যুর দিকে নজর রাখা উচিত ফান্ডামেন্টালি। কারন ট্রাম্প প্রশাসনের একটি সিদ্ধান্ত ইউএসডি কারেন্সির মুভমেন্ট যে কোন দিকে ঘটাতে পারে। তাই, সেদিকেও একটি চোখ দিয়ে রাখা উচিত। সবার জন্য শুভকামনা রইল। Trade with real ECN Broker:
  4. আপনি সাধারন যে কোন একটি ব্যবসা করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাহলে কি করবেন? প্রথমে সেই ব্যবসা সম্পর্কে ধারনা নেবার চেষ্ঠা করবেন। তা ইউটিউব, অনলাইন বিভিন্ন আর্টিকেল, পত্রিকা ইত্যাদি থেকেই মুলত বেশি চেষ্ঠা করবেন। তাই না? কারন এসব অনলাইন মাধ্যম থেকে বিভিন্নজনের মন্তব্যও জানতে পারা যায়, যারা কিনা আগে থেকেই এই ব্যবসা করছে। আপনি অনলাইনেই তাদের স্বচ্ছলতার কথা শুনে পুলকিত হোন, আপনার ভাল লাগে এই ভেবে যে এই ব্যবসা করলে আপনিও এমন স্বচ্ছল অবস্থায় যেতে পারেন। এরপর কি করেন আপনি? অনলাইন থেকে তথ্য ও বিভিন্নজনের মন্তব্য জানার পর থেকেই কি ব্যবসা শুরু করেন? উত্তর হবে না। কারন এতো কিছু জানার পরেও এই ব্যবসায় স্বচ্ছল হওয়া অভিজ্ঞ ঐসব লোকেদের মাঝে যার সঙ্গে আপনার পক্ষে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়, তার কন্ট্যাক্ট নাম্বার নিয়ে হলেও আপনি তার সাথে সরাসরি কথা বলেন, প্রয়োজনে তার বাসায় যান। কেউ কেউ উনাদের সাথে কিছুদিন থাকারও চেষ্ঠা করেন ব্যবসা ভালভাবে বোঝার জন্য। এরপর নিজে নিজে সেই ব্যবসা শুরু করার চেষ্ঠা করেন। আমার উপরের বক্তব্যের সাথে কি আপনি দ্বিমত পোষন করবেন? যদি করেন, তবে এই লেখা আপনার জন্য নয়। আপনি এভোয়েড করতে পারেন আমাকে। আর যদি একমত হোন, বা একমত হবেন কি না বুঝতে পারছেন না, তারাই লেখাটা পড়বেন। লেখাটা পড়ার পরই একটা সিদ্ধান্তে আসতে পারবেন আশা করি। উপরের বিষয় হতে এটা পরিস্কার হওয়া যায় যে, আপনি যাই করেন না কেন, যে কাজই শুরু করতে যান না কেন, নিজে নিজে চেষ্ঠা করলে সেসকল কাজ সম্পর্কে বেসিক একটা আইডিয়া পাওয়া যায় মাত্র। প্রফেশনাল হতে হলে প্রফেশনাল কারও সংস্পর্শে থাকাটা জরুরী। তাহলে আন্তর্জাতিক মুদ্রা লেনদেনের ব্যবসাক্ষেত্র ফরেক্স মার্কেটে ব্যবসা করতে আসলে কেন বয়ান করেন যে, নিজে নিজে চেষ্ঠা করেন তাহলে শিখে যাবেন, নিজে নিজেই ফরেক্স এর সব শিখতে পারবেন, নিয়মিত প্রফিট ভী করতে পারবেন, ইত্যাদি ইত্যাদি!! আপনার জানা মতে এমন কোন প্রফেশনাল ট্রেডার আছে, যারা নিজেরা নিজেরাই শিখে প্রফেশনাল হতে পেরেছে? যারা প্রফেশনাল, খোজ নিয়ে দেখবেন তারা নিশ্চয়ই কোন না কোন মেন্টরের সাপোর্ট নিয়েই কোন না কোন বিষয়ে এক্সপার্ট হয়েছে। তবেই না তারা প্রফেশনাল হতে পেরেছে। এই মেন্টরশিপ হতে পারে অফলাইন বা অনলাইন যে কোনটা। মেডিকেল ভর্তি হয়ে অভিজ্ঞ চিকিতসকের অধীনে থেকে সার্জারি অপারেশন করা না শিখলে শুধু বই পরে কোনদিন আপনি অপারেশন সার্জারি করা শিখতে পারবেন না, এটা কি বিশ্বাস করেন? বই বা আর্টিকেল আপনাকে বেসিক আইডিয়া জানাবে, কিন্ত প্র্যাকটিক্যাল, সাইকোলজিক্যাল? তার জন্য চাই সরাসরি তত্বাবধান। অনেকে আবার ভিডিও টিউওরিয়াল দেখেই সব শিখতে চায়। আমি মানছি ভিডিও টিউটরিয়াল দেখে সরাসরি শেখার মতই জানতে পারেন। কিন্ত শেখার মাঝে কোন প্রশ্ন মনে আসলে তা কিভাবে করবেন আপনি? আর হ্যা, সেই প্রশ্ন না করার কারনে বা প্রশ্নের উত্তর না পাবার কারনে আপনার মনে ভুল তথ্য জমা হয়ে থাকতে পারে, যা আপনাকে লুজার বানাতে যথেষ্ঠ। আশা করি পরিস্কার বুঝতে পারছেন আমার কথা। এবার আসুন সঠিক গাইডলাইনের কথায় আসি, যার মাধ্যমে আপনি ধীরে ধীরে প্রফেশনাল ট্রেডারের পর্যায়ে যেতে থাকবেনঃ ð যে কোন ব্যবসা করতে যান, যে কোন একটা আইটেমের পন্য নিয়েই ত আপনি ব্যবসা শুরু করবেন। তাই না? তাহলে ফরেক্স করতে এসে কেন আপনি একাধারে ২৮ টি পেয়ার নিয়ে আপনার চর্চা শুরু করে দেন? আপনি কি জানেন, একেকটি পেয়ার একেকটা আলাদা আলাদা দেশের অর্থনৈতিক বিষয়কে প্রতিনিধিত্ব করে? আপনি কেবল ফরেক্স ট্রেডিং শিখছেন, সেখানে আপনি এক সাথে ২৮ টি পেয়ার নিয়ে এনালাইসিস করার মত ভুল পরামর্শ কই থেকে পান? যা আপনাকে শুধু লসই করে দিতে পারে? ð যে কোন একটা স্ট্রাটেজী ভালভাবে শিখে নির্দিষ্ট কোন কারেন্সী পেয়ারে তা প্রয়োগ করতে থাকুন ও টানা ৫-৬ মাস তা ফলো করে যান। লাভ হোক বা লস হোক, অন্ধের মত এটা ফলো করবেন আপনি। কয়েকটা ট্রেড লস হলেই ধুম করে সিদ্ধান্ত নেবেন না যে, এটি বোধহয় খারাপ স্ট্রাটেজী, এটা দিয়ে হবে না, এটা চেঞ্জ করে ফেলি!! এমন করতে থাকলে সারা জীবনই শুধু স্ট্রাটেজী চেঞ্জ করতে করতে ও লস করতে করতেই আপনার সময় চলে যাবে! লসগুলো রিকভার করা ও প্রফিট করা আর হয়ে উঠবে না। ð কোন স্ট্রাটেজীর ব্যাক টেস্ট করে যদি দেখতে পান, কোন স্ট্রাটেজী কোন একটি নির্দিষ্ট পেয়ারে ভাল কাজ করছে। তাহলে সেই স্ট্রাটেজী দিয়ে ঐ একটা পেয়ারেই ট্রেড করতে থাকুন। ভুলেও একের অধিক পেয়ারে এপ্লাই করতে যাবেন না। মনে রাখবেন, মাছের ব্যবসার সিস্টেম দিয়ে আলুর ব্যবসা করতে পারবেন না। আবার পিয়াজ রসুনের ব্যবসার সিস্টেম দিয়ে রিয়েল এস্টেট ব্যবসা করতে পারবেন না। তাহলে কোন যুক্তিতে আপনি একটি ট্রেডিং সিস্টেম দিয়ে একাধিক পেয়ারে ট্রেড করার সাহস পান? আবার নিয়মিত প্রফিটও করতে চান? যেখানে আলাদা আলাদা দেশের মুদ্রা আছে, ভুলে যাবেন না আলাদা আলাদা দেশ মানে আলাদা আলাদা অর্থনৈতিক ব্যবস্থা। যেমন সাধারন ব্যবসায় আলাদা আলাদা পন্য হচ্ছে মাছ, আলু, রসুন ও রিয়েল এস্টেট ব্যবসাও!! ð তাহলে আপনি কি পেলেন?নির্দিষ্ট একটা পেয়ার বেছে নিলেন, ভাল একটা স্ট্র্যাটেজী হাতে পেলেন। এবার চর্চা শুরু করুন। ৫-৬ মাস ডেমোতে চর্চা করুন। এর সাথে সাপোর্ট রেসিস্ট্যান্স ও ট্রেন্ডলাইন ফলো করতে শিখুন। ভুলেও ট্রেন্ড লাইনের বিপরিতে ট্রেড করতে যাবেন না। আবার সাপোর্ট বা রেসিস্ট্যান্স লেভেলেও উলটো ট্রেড প্লেস করবেন না। এগুলো আপনার ট্রেডিং সিস্টেমকে ইউনিক ও আরও প্রফিটেবল করে তুলবে। ট্রেডলাইন ও সাপোর্ট রেসিস্ট্যান্ট লেভেলগুলো দ্বারা আপনি আপনার লসের সম্ভাবনার ট্রেডগুলোকে ফিল্টারিং করে ফেলতে পারেন। আর আপনার ট্রেডিং লাইফকে করে তুলতে পারেন প্রফিটেবল। <3 ð ভুলেও অন্য পেয়ারে যাবেন না, অন্যের প্রফিট দেখে তার দিকে নজর দিতে যেয়ে নিজের সিস্টেমকে অকেজো মনে করবেন না। নিজের কাজ নিয়ে থাকুন, প্রফেশনাল কোন মেন্টরের তত্বাবধানে থেকে এগুলি ফলো করতে পারলে আপনি আরও বেশি পারফেক্ট হয়ে উঠতে পারবেন সহজেই। আপনার ভুল করার সম্ভাবনা একেবারেই কমে যাবে। কারন সেই মেন্টর আপনার ভুল ধরিয়ে দেবে। এতে আপনার সাইকোলজি পজিটিভ হতে শুরু করবে, নিজের উপর কন্ট্রোল আসতে শুরু করবে। ভুলে যাবেন না, আর্মি বা সেনাবাহিনীর ট্রেনিং এ সবসময়ের জন্য একজন মেন্টর থাকে। যার নাঙ্গা লাঠির বাড়ী খাবার ভয়েই সেনারা ত্রুটি মুক্ত ট্রেনিং করে যেতে পারে। ফলে একেকজন চৌকস প্রতিরক্ষাবাহিনীর সদস্য হয়ে গোটা জীবন রুটিন মাফিক নিজেদের রাষ্ট্রকে রক্ষা করে যেতে পারে চৌকস থেকেই। নিজে নিজে কয়েক জনম চেষ্ঠা করেও সেই ট্রেনিং আপনি নিজের মাঝে নিতে পারবেন না। এটা সম্ভব হয় না। ফরেক্স ট্রেডিংও ঠিক তেমনি। আশা করি বুঝতে কোন অসুবিধা হচ্ছে না কোন প্র্যাকটিক্যাল কিছু ভালভাবে আয়ত্ত করতে হলে মেন্টরের গুরুত্ব কতটুকু। ð এবার ফান্ডামেন্টাল বিষয়ে একটু ধারনা দেই। ট্রেড করার জন্য যে কোন একটা কারেন্সি পেয়ার বেছে নিন। এরপর সেই পেয়ারে থাকা দুই দেশের অনলাইনে যে কয়টা পাওয়া যায়, ইংরেজী ভাষার নিউজ পোর্টাল এর লিংক বুকমার্ক করে রাখুন। এবার সেই অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলোর উপরে রেগুলার চোখ বুলাবার দেখার চেষ্ঠা করুন। অর্থনৈতিক পেইজ ভিজিট করার চেষ্ঠা করবেন বেশি। ডেইলি আপডেট জানার চেষ্ঠা করবেন। প্রয়োজনে নোট করে রাখবেন সেগুলো। সেই দেশের কারেন্সির উপরে ফান্ডামেন্টাল একটা বেইজ তৈরি হবে আপনার মাঝে ধীরে ধীরে। যা আপনাকে ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস বুঝতে ও শিখতে সাহায্য করবে। যদিও আরও বিষয় আছে ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস এর ভিতরে। তবে আমি যা বললাম তা আপনাকে একটা ফান্ডামেন্টাল বেইজ তৈরি করে দিতে সাহায্য করবে মাত্র। বাকি বিষয়গুলো আপনি আরও বেশি স্টাডি করলে আরও পরিস্কার হতে পারবেন বা আপনার ফরেক্স গুরু বা মেন্টরদের কাছ থেকে ভালভাবে জানতে পারবেন আশা করি। ð সর্বশেষ বলি, যে প্রফিট করে, সে লাল শাক বিক্রি করেও প্রফিট করে। আর যে প্রফিট করতে পারে না, সে অন্যের মুখে শুনে স্টক মার্কেটে কোটি টাকার শেয়ার কিনেও ফতুর হয়ে যায়। লাখ লাখ রুপি খরচ করে বিশাল ব্যবসা দাড় করিয়েও কয়েক মাসের লসে একেবারে নিঃস্ব হয়ে যায়। সুতরাং ব্যবসাকে মন থেকে ভালবাসতে শিখুন। নিজের সন্তানের মত মনে করুন। দুই একটি ট্রেড ভুল হলেই যে সেই ট্রেডিং সিস্টেম বাদ দিয়ে নতুন সিস্টেম ফল করা শুরু করবেন এমন মেন্টালিটি ত্যাগ করুন। সন্তান দুই একটা ভুল করলে বাবা-মা কিন্ত সন্তানকে বাদ দিয়ে নতুন সন্তান নিয়ে আবার শুরু করতে চায় না। আগের সন্তানকেই বুঝিয়ে শুনিয়ে ভালভাবে বেড়ে তোলার চেষ্ঠা করে। আপনিও তাই করুন না। আপনার ট্রেডিং সিস্টেমকে আদর দিয়ে, আন্তরিকতা দিয়ে ভালভাবে কন্টিনিউ ফলো করার মাধ্যমে ধীরে ধীরে আপনার একাউন্ট ব্যালান্সকে বড় করে তুলুন। তবেই না আপনি নিজেকে সফল ট্রেডার হিসেবে মনে করতে পারবেন। তা নয়তো বৃদ্ধাশ্রমে জায়গা পাওয়া বাবা-মায়ের মত আপনিও দেনার দায়ে, লোনের দায়ে, ফরেক্স মার্কেটে লুজার হয়ে নিজেকে একসময় আত্মবন্দি করে ফেলবেন। আর এমন নিদারুন ভাবেই আপনার মুল্যবান জীবনের করুণ ইতি ঘটতে পারে। নিশ্চয় আপনি তা চান না। আমরা কেউই তা চাই না। সুতরাং ফরেক্স নামের বিশাল সম্ভাবনাময় মার্কেটে যদি নিয়মিত আপনার রিজিক সন্ধান করতেই চান, তবে ভালভাবে ও সঠিকভাবেই শুরু করুণ না। কেন আপনার মুখ দিয়ে এমন কথা বের হবে- “দাদা, আমি ফরেক্স করছি ৩-৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে, কিন্ত আজও ভাল ট্রেডিং সিস্টেম পাইনি, আর হাজার হাজার ডলার লস করে ফেলেছি! প্লিজ আমায় একটু সাপোর্ট দিন না!!” পরিশেষে, আপনার সার্বিক দিক দিয়ে সাফল্য কামনা করছি। আর আমার লেখা এখানেই শেষ করছি। সবাই ভাল থাকবেন। সকলের জন্য শুভকামনা রইল।। আমার অন্যান্য লেখাগুলো আমার ফেসবুকে দেখতে পারেনঃ M B FX Facebook Trade with real ECN broker:
  5. If you want to trade a currency you don’t already have, there are many ways to do so. There are numerous different kinds of arrangements you can harness to invest in currencies you don’t own. For precedent, you could trade the euro without owning it by buying or selling options that involve the currency. Call and put options on EUR/USD would provide methods to trade the common currency’s exchange rate with the U.S. dollar. Future Contracts are standardized contracts to buy or sell an instrument at a future date and at a specified price. Being traded on the stock exchange, future contracts follow a daily settlement procedure. The buyer and seller basically enter into an agreement with the exchange and not with each other. Purchasing future contracts seems to be an ideal way to take advantage of exchange rate inconstancies. The excellent part of it you don’t need to actively own the currency while entering into the contract. A currency future contract lets you hedge toward foreign exchange risk. You agree to exchange one currency for another at a future date but at a price fixed on the present date. Options give you the right but not the obligation to buy or sell the underlying assets. Options are primarily of two types: Call Option: This gives you the right to buy something at a later date at a given price. Put Option: This gives you the right to sell something at a later date at a given price. So, entering into options deal gives you a different good opportunity to earn from currency trading without holding actual currency. Price action guide is the Perfect solutions for any kind of forex traders. You can get the latest technical analysis and best trading signal. In addition, purchasing spot contracts or forward contracts involving your currency of choice would also provide exposure. The above currency derivative instruments can be easily bought and sold through the online trading platform. You just need to open a share trading account with a reliable stockbroker.
  6. Technical Overview of GBP/USD, EUR/USD and USD/CAD Currency Pairs GBP USD The GBP traded higher against the USD and closed at 1.3068. Overnight, it was another loss for UK Prime Minister May which now means lawmakers are likely to push for a delay to the 29 March deadline. However, 149-vote loss sets the bar seriously high for Theresa May to turn the tables around. Spring Forecast Statement is a statement made annually by HM Treasury to Parliament upon publication of economic forecasts. The statement features analysis of the economic situation in the UK and in the world, describes economic outlooks and provides previews of the government budget for the next year. The event has a short-term impact on financial markets depending on the HM Treasury rhetoric. Positive outlooks have a positive impact on the pound sterling. According to the Analysis, Four hour chart shows that the pair is expected to find support at 1.29535, and a fall through could take it to the next support level of 1.28386. The pair is expected to find its first resistance at 1.32341, and a rise through could take it to the next resistance level of 1.33998. Previous Day range was 280.6 and Current Day Range is 30.6. EUR USD The EUR traded lower against the USD and closed at 1.1287. The Nondefense Capital Goods Orders Excluding Aircraft, released by the US Census Bureau, measures the cost of orders received by manufacturers for capital goods (capital goods are durable goods used in the production of goods or services), which means goods planned to last for three years or more, excluding the defense and aircraft sectors. As those durable products often involve large investments they are sensitive to the US economic situation. Generally speaking, a high reading is bullish for the USD, while a low reading is seen as Bearish. The pair is expected to find support at 1.12530, and a fall through could take it to the next support level of 1.12185. The pair is expected to find its first resistance at 1.13133, and a rise through could take it to the next resistance level of 1.13391. EUR USD previous Day range was 60.3 and Current Day Range is 6.8. USD CAD The USD traded little higher against CAD and closed at 1.3353. Core Durable Goods Orders m/m reflect the value of orders received by manufacturers of durable goods in the given month compared to the previous one. The production of transport industry is excluded from the calculation. The index allows forecasting future production volumes in the short term. The value growth can have a positive effect on dollar quotes. According to the analysis, pair is expected to find support at 1.33307, and a fall through could take it to the next support level of 1.33089. The pair is expected to find its first resistance at 1.33957, and a rise through could take it to the next resistance level of 1.34389. USD CAD previous day range was 65 and current day range is 21.1.
  7. Hi, My name is Anu I am officially representative of Xtreamforex XtreamForex is a forex broker, Member of Grandinvesting Group Incorporated in MIS Registration number 84516 IBC 2016 Company number: 84516 If you have any question regarding this broker about the services and promotion feel free to ask me here. i will be happy to assist you. Regards Anu
  8. Market conditions dictate trading activity on any given day. As a reference, the average small to medium trader might trade as often as 10 times a day. Most importantly, because most Forex Brokers don't charge commission, traders can take positions as often as necessary without worrying about excessive transaction costs. As a newbie, you can think of excessive trading or authority - so how many trades should be done daily? How to win those trades? The answer is both simple and complicated. The simple answer is to trade your proven strategy just as you would like to trade. However, if you are surprised at over or overriding, then you can’t be in a position to be a procedure that has proven to be profitable. First, develop yourself, or look for a strategy to aligns with how active you want to be. Price action guide will be your best option to develop yourself. Strategy Dictates Frequency A well-outlined strategy puts you exactly when to enter, and in any situation, as well as where to go for any profit or loss. As the day traders take their strategies to take their trading volume and frequency will change every day. You should work as a filter for how often your strategy is to trade. Maximum Daily Trades Your strategy determines how often you trade, when overtrading may occur when you take more trades than dictates your strategy. This is often a result of monotony or lack of discipline. As these trades come out of the tested strategy, they are less likely to perform well, reduce profits and increase the cost of unnecessary commissions. If you want to trade all day, develop the adaptation of the conditions of different market positions, as you will face changing circumstances every day, when things are more volatile, less volatile, tremendous, low, and higher volume resources and time.
  9. As Salamu Alaykum. Hope you all are doing well. I've prepared some video tutorials based on my little experience. I am still a novice trader and still learning. Hope it will be useful for you. N.B. If you don't like it please ignore it and let me know how can I improve the quality of my videos/content. The following are the links:
  10. একথা নতুন করে বলার কিছু নাই যে, ফরেক্স মার্কেট বিশ্বের সবচেয়ে বড় লিকুইডিটি মার্কেট। যেখানে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার লেনদেন হয় প্রতিদিন। এই মার্কেটে আমার আপনার মত যারা ট্রেড করি তারা শুরুতেই একটা কথা শুনে আসি যে, এই মার্কেটে ৯৫% লুজার!! কিন্ত কেন এতো বড় অংশ লুজার তা কি কেউ জানি?? => আজ এই লেখায় আপনি অনেক নতুন বিষয় জানতে চলেছেন, তা হয়তো আপনি আগে ভাবেননি কখনো। অথবা ভেবেছেন, কিন্ত সিরিয়াস হিসেবে নেন নি কখনো অথবা জেনেও থাকতে পারেন, কিন্ত ততোটা গুরুত্ব দেননি। আজ থেকে সেসব গুরুত্ব দিতে শিখবেন আশা করছি। হাতে সময় আছে তো? একটু সময় নিয়ে লেখাটা পড়ুন। বোঝার চেষ্ঠা করুন। দরকার হলে আরেকবার পড়ুন। নয়তো বুকমার্কে সেইভ করে রাখুন, আপনার ফেসবুক ওয়ালেও শেয়ার করে রাখুন যাতে সবাই জানতে পারে ফরেক্স মার্কেটের এই নিগুঢ় রহস্যের ব্যাপারে। সবার প্রথমে আপনাকে জানতে হবে এই ফরেক্স মার্কেটে ব্যবসা করে দুই শ্রেনীর ব্যবসায়ী। এক রাঘব বোয়ালেরা, আর দুই চুনোপুঁটিরা। এখানে রাঘব বোয়াল কারা? এখানে রাঘব বোয়াল হিসেবে কাজ করে বিশ্বের বড় বড় ব্যাংক, বড় বড় ফিন্যান্সিয়াল করপোরেশানগুলো। তবে তারা কিন্ত বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেটের মত এই মার্কেটকে ম্যানিপুলেট করার কোন ক্ষমতাই রাখে না। মার্কেট মার্কেটের মতোই চলে। এবার আসি চুনোপুঁটিদের কথায়। এই চুনোপুঁটিই হচ্ছে আমার আপনার মত ট্রেডারেরা। বলা হয় এই মার্কেটে ৯৫% লুজার। এই লুজার কারা? ঐ সব রাঘব বোয়ালেরা? কখনোই না! তারা কিন্ত এই ৯৫% লুজারের মাঝে পড়েনা। কেন? কারন তারা এখানেই তাদের অর্থ যথাযথ ব্যবহার করে। বিভিন্ন ব্রোকারেরা তাদের কাছ থেকে কমিশনের ভিত্তিতে স্বত্ব কিনে নিয়ে আমাদের মত ট্রেডারদের ট্রেড করার সুযোগ করে দেয়। আর লুজারদের তালিকায় আমাদের মত ট্রেডারেরা থাকে। এই যে আপনি ৯৫% লুজারের কথা শুনছেন, তারা কিন্ত আমার আপনার মতোই ট্রেডারেরা। নয়তো সেই সব রাঘব বোয়ালেরা লস করলে ফরেক্স মার্কেটে লিকুইডিটি সংকট দেখা দিত। এই ট্রিলিয়ন ডলারের লেনদেনও কমে আসত যদি এখানে সেই রাঘব বোয়ালদেরও ৯৫% লুজার হতো। কিন্ত বাস্তবে সেই মার্কেট আরও বড় হচ্ছে। এতেই বোঝা যাচ্ছে বাস্তবতা। এই বিশাল মার্কেটে বড় বড় বিজনেসম্যানদের সঙে আপনিও যখন নিজেকে শামিল করছেন, তখন আপনার চিন্তাধারাও তাদের চিন্তাধারার সাথে মেলাতে হবে। যদি তা না করতে পারেন, তবেই আপনি লুজার হবেন নিশ্চিত। আর লুজারদের পার্সেন্টেজ দেখে বোঝাই যায় যে শতকরা ৯৫ জন ট্রেডারেরাই নিজেদের সেই সব বিজনেসম্যানদের চিন্তাধারার সাথে নিজেদের মেলাতে পারেনি। ফলাফল এমন বিশাল লুজারের সংখ্যাবৃদ্ধি। এবার আসি বড় বড় ব্যাবসায়ীদের সাথে আমাদের মত ট্রেডারদের স্ট্র্যাটেজিক্যাল পার্থক্যের বিষয়েঃ আপনি সাড়ে পাঁচ’ফুট বা ছ’ফুট উচ্চতার মানুষ। আপনি হাটার সময় এক ধাপেই প্রায় দুই ফুট পার হয়ে যেতে পারেন। এই দু ফুট রাস্তায় হালকা কাদা পানি, খানা খন্দ যাই থাকুক না কেন। আপনার কিন্ত সেসব না দেখলেও চলে। কিন্ত এই পথ যদি একটা পিপড়া অতিক্রম করতে চায়? তাহলে কি হবে? তাকে প্রতি ইঞ্চি ইঞ্চি হিসেব করে এগতে হবে, নয়তো কাদায় আটকে যেতে পারে, খানাখন্দের ভিতর পানি থাকলে সেখানেও প্রান সংশয় দেখা যেতে পারে। তাই তাকে হিসেব করে করে এগোতে হয়। চারদিকে দেখেশুনে নিয়ে এগোতে হয়। ঠিকঠাক ভাবে এগোতে পারলে সেই পথ পারি দিয়ে পারে। অথবা কোন ভুল করলে প্রানটাও হারাতে পারে। এই উদাহরনের সাথে ফরেক্স এর কি সম্পর্ক?? জ্বি, সম্পর্ক আছে। এটাই আসল সম্পর্ক। যারা যারা রাঘব বোয়াল, তারা মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের ব্যালান্স নিয়ে একবারে মাসের পর মাস ট্রেড ওপেন করে বসে থাকে, টাইমফ্রেমের দিক দিয়ে তারা এক লাফে দুই-আড়াই ফুট যাবার মত এগিয়ে থাকে, এই সময়ের মাঝে আমাদের মত ছোট ছোট ট্রেডারদের কেউ এক মিনিট, কেউ ৫ মিনিট, কেউ ৩০ মিনিট, কেউ ১ ঘন্টা, কেউ ৪ ঘন্টা আবার কেউ এক দিনের টাইমফ্রেম নিয়ে সেই পিপড়ার মত হিসেব করে করে সামনে এগোতে চায়। ফলাফল আমাদের মত ট্রেডারদের রিস্ক কয়েক হাজার গুন বৃদ্ধি পায়। এই ঝুঁকিপুর্ণ পথ পার হতে হতেই বেশিরভাগ ট্রেডার ঝড়ে পড়ে অনায়াসে। কারন তারা হয় ঝুঁকি সম্পর্কে তেমন সচেতন থাকেন না। নয়তো তারা ঝুঁকিটাকে ঠিকমত ম্যানেজ করতে শেখেন না। ফলাফল একের পর এক একাউন্ট ডাম্প হয়ে যাওয়া।আর লুজারদের পার্সেন্টেজ বাড়তে থাকা। এতোক্ষন তো আলোচনা করা হল কেন এতো লুজার হয়। এবার আসেন আমরা একটু জেনে নেই কিভাবে এই ঝুকিপুর্ন পথ নিরাপদে পর হতে পারবেন। আমি পয়েন্ট আকারে বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করি। তাতে হয়তো বুঝতে সুবিধা হবে। ১) সেহেতু ফরেক্স এর পথ সমতল নয়, উঁচুনিচু আর খানা-খন্দে ভরা, সেহেতু আপনাকে সর্বপ্রথম এই পথ পাড়ি দেবার মত একটা স্ট্র্যাটেজী ঠিক করতে হবে। ২) স্ট্র্যাটেজীটা যেমনই হোক না কেন, আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে নুন্যতম প্রফিট রেশিও যেন রিস্ক রেশিওর থেকে তিনগুন হয়। অর্থ্যাত আপনার স্টপ লস ১০ পিপ্স হলে যেন টেক প্রফিট ৩০ পিপ্স হয় কমপক্ষে। ৩) এমন স্ট্র্যাটেজীর সুফল আপনি এভাবে পাবেন যে, আপনার একটা ট্রেড প্রফিটে গেলে সেই প্রফিট আপনার পরবর্তী তিনটা ট্রেড লসে গেলেও আপনার মুল ব্যালান্স অক্ষুন্ন থাকবে। ৪) যে স্ট্র্যাটেজীই ব্যবহার করেন না কেন, সবসময় ট্রেন্ডের পক্ষে ট্রেড নেবেন। সাগরে ঢেউ বেশি হলে মাঝি নৌকার পাল কিন্ত যেদিকে বাতাস বইতে থাকে ঠিক সেদিকে তুলে ধরে, কারন বাতাসের উল্টোদিকে যেতে চাইলে প্রানটা হারাতে হতে পারে। ফরেক্স মার্কেটে ট্রেন্ডটাও ঠিক তেমনি। আপনি ট্রেন্ডের পক্ষে থাকলে নিজেকে বেশ নিরাপদে রাখতে পারবেন। কিন্ত ট্রিলিয়ন ডলারের সমুদ্রে নিজের কয়েকশত বা কয়েকহাজার ডলারের মুলধন নিয়ে ট্রেন্ডের বিপক্ষে যাবার সাহস করলে ফলাফল কি হতে পারে তা নিশ্চয় আপনি নিজেই আঁচ করতে পারছেন। ৫) কখনোই বিশ্বাস করবেন না যদি কেউ বলে যে, সে এই মার্কেটে কেউ ৮০% বা ৯০% টানা প্রফিট করে চলছে। তার মানে আপনিও তেমনটি করতে পারবেন। সুতরাং আপনি তার কথা শুনেই ছুটে চললেন তার কাছে, তার তালীম নেবার আশায়, কিন্ত ফলাফল দেখলেন নেগেটিভ। অর্থ্যাত আপনি আবারও লস করেছেন। বিখ্যাত এক ট্রেডারের এক বানী জেনে রাখুনঃ “In this business if you’re good, you’re right six times out of ten. You’re never going to be right nine times out of ten.” -Peter Lynch ৬) মনে রাখবেন ১০ টা ট্রেডের ৮-৯ টা ট্রেডে আপনি ১০ পিপ্স করে প্রফিট নিলেন এভারেজে, কিন্ত বাকি ১-২ টা ট্রেডেই আপনি লস করেছেন ৫০-১০০ পিপ্স করে টোটাল ১০০-২০০ পিপ্স। এখানে আপনার ট্রেডগুলোর প্রফিট রেশিও ৮০%-৯০% হলেও আল্টিমেটলি কিন্ত আপনি বেশ ভালোই লসের স্বীকার হয়ে চলেছেন। এখন কি বুঝতে পারছেন সমস্যাটা কোথায় ?? ৭) আমি ১:৩ রেশিওতে ট্রেড করতে বলেছি, তার কারন আপনি যদি ৫০% উইনও করেন , তবুও আপনি ভাল রকমের প্রফিটে থাকবেন। ১০টা ট্রেডের ৫টা ১০ পিপ্স করে লস করলেন, তার মানে ৫০ পিপ্স লস হলো, আর বাকি ৫টা তিনগুন করে প্রফিট করলেন।তার মানে ১৫০ পিপ্স প্রফিট হলো। লাভ লস মিলে কিন্ত আরও ১০০ পিপ্স প্রফিট করলেন আপনি। এখানেই প্রকৃতপক্ষে লাভ লসের হিসেব লুকিয়ে থাকে। ৮) নিজের ব্যালান্স নিয়ে সবসময় যত্নবান হবেন। কখনোও নেগেটিভ হলে হাল ছেড়ে দেবেন না। ঠান্ডা মাথায় ভেবে এর কারন বের করুন। ইমোশনালি কোন ট্রেড চালু করবেন না। ফরেক্স মার্কেট কারও ইমোশনকে পাত্তা দেয় না। জেনে রাখুন এই সফল ট্রেডার কি বলেছেনঃ “Don’t focus on making money; focus on protecting what you have.” – Paul Tudor Jones ৯) এরপর কারেন্সী পেয়ার বাছাই করতে সচেতন হোন। মনে রাখবেন আলাদা দেশ, আলাদা কারেন্সি মুভমেন্ট। সুতরাং একই ব্যবসা পদ্ধতি দিয়ে আলাদা দেশের কারেন্সি মুভমেন্টকে নিজের কন্ট্রোলে নিয়ে আসা অনেক কষ্টের। কারন মাছের ব্যবসা পদ্ধতি দিয়ে আপনি আলুর ব্যবসা করতে গেলে লস খাবেনই। সুতরাং পারতপক্ষে একটি কারেন্সী পেয়ার বাছাই করুন যা আপনার স্ট্র্যাটেজীর সাথে মানানসই হয়। নয়তো কোন একটা কারেন্সী বাছাই করুন, এরপর সেই কারেন্সীর যতগুলো পেয়ার আছে, সেগুলোতে ট্রেড করুন। ১০) যতগুলো পেয়ারই বাছাই করেন না কেন। এখানে মানি ম্যানেজমেন্ট আপনাকে ফলো করতেই হবে। এই বিষয়টা অনেকেই জানে না। আজ পরিস্কার হয়ে জেনে নিন। মানি ম্যানেজমেন্ট হচ্ছে, আপনার মুলধনকে নিরাপদ রাখা। ধরুন আপনার ব্যালান্স ১০০ ডলার। আপনি ৫% রিস্ক নিবেন। তাহলে কি করবেন? এখানে, আপনি যতগুলো ট্রেডই নেন না কেন, আপনার সকল স্টপ লসের হিসেব মিলিয়ে যেন ৫ ডলারের বেশি না লস হয়। কারন একবার সবগুলো লস হয়ে গেলেও আপনি আরও ১৯ বার একই ভাবে ট্রেড করার সুযোগ পাবেন। আগের লস রিকভারি করে আবারও প্রফিটে নিয়ে আসার সুযোগ পাবেন। এ বিষয়ে আরেকজন সফল ট্রেডারের বানী শুনুনঃ “Frankly, I don’t see markets; I see risks, rewards, and money.” – Larry Hite ১১) বাংলা একটা প্রবাদ আছে, “ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না” এটা এখানে প্রযোজ্য হবে। সুতরাং ট্রেড ওপেন করার আগে ট্রেন্ড, আপনার স্ট্র্যাটেজী, সব দিক বিবেচনা করে পারফেক্ত হলে তবেই ট্রেড ওপেন করুন। টেক প্রফিট লেভেল, স্টপ লস লেভেল সেট করুন। এরপর বার বার চার্ট দেখতে যাবেন না। তাতে অস্থিরতা বাড়ে শুধু। আর অস্থির মনই আপনাকে ভুল ডিরেকশান দিয়ে ভুল কিছু সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে। সুতরাং ট্রেড ওপেন করুন এবং তার কথা ভুলে যান। পরের এন্ট্রি খোঁজ করুন। সমসময় মনে রাখবেন এই সফল ট্রেডারের কথাঃ The goal of a successful trader is to make the best trades. Money is secondary.” – Alexander Elder সবশেষে বলতে পারি যে, ট্রেড বাই ট্রেড হিসেব না করে মাসে কয়টা ট্রেড নিলেন, তার টোটাল হিসেব করুন। কত পিপ্স প্রফিট পেলেন, কত পিপ্স লস করলেন তার হিসেব বের করুন। একই ভাবে ব্যাকটেস্ট করুন। মাসে কেমন প্রফিট এর সুযোগ ছিল সেসব মাসে তা বের করুন। একটা পরিস্কার ধারনা পাবেন। এভাবে টানা ২-৩ মাস করে যান, এতে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন একসময়। আর একবার অভ্যস্ত হয়ে গেলে আপনি নিজেকে সেই ৫% প্রফিটেবল ট্রেডারদের মাঝে দেখতে পাবেন আমি নিশ্চিত। পরিশেষে, সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন যেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাকে সুস্থ রাখেন। আর ফরেক্স মার্কেটের কল্যানে আরও বেশি বেশি মানুষের মেহনত করতে পারি। অনেকেই ভালভাবে ফরেক্স জানতে ও শিখতে আগ্রহ দেখিয়েছেন, অনেকে আবার ট্রেডিং সিগনাল ফলো করার আগ্রহের কথাও জানিয়েছেন, তারা আমাকে মেসেজ দিতে পারেন অথবা আমার ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে ইনবক্সে একটা মেসেজ দিয়ে রাখবেন। আপনাদের সকল প্রশ্নের উত্তর দেবার চেষ্ঠা করা হবে ইনশাল্লাহ। অত্যন্ত স্বল্প ফী’র মাধ্যমে যে কেউ এখানে সিগনাল পেতে পারেন নিজেদের ফরেক্স শেখার পাশাপাশি বাড়তি কিছু প্রফিট পাবার আশায়। আমার ফেসবুক পেইজ লিংকঃ https://www.facebook.com/bmfxanalystbd/ আমার স্কাইপ আইডীঃ live:bmfxanalyst পরিশেষেঃ ব্যবসা নিজে ভালভাবে শিখে নিয়ে নিজের বুদ্ধি ব্যবহার করে করাই সবচেয়ে ভাল। এতে ব্যবসায় আন্তরিকতা বজায় থাকে। আর আন্তরিকতার উপর নির্ভর করে সৃষ্টিকর্তা ব্যবসায় বরকত দিয়ে থাকেন। কারন আল্লাহ তায়ালা ব্যবসাকে হালাল করেছেন। আর মহানবী (স) বলেছেন, “তোমরা ব্যবসা করো, ব্যবসায়ে ১০ ভাগের ৯ ভাগ রিজিকের ব্যবস্থা আছে।” সৃষ্টিকর্তা আমাদের কবুল করুন। আমীন।
  11. আজ আমরা AUDNZD কারেন্সী পেয়ার নিয়ে কথা বলব। ডেইলী চার্টে দেখতে পাচ্ছি যে, পরিস্কার আপট্রেন্ডের পথে রয়েছে মার্কেট। একই সাথে চার ঘন্টার চার্টে দেখতে পাছি, ডাউন ট্রেন্ড ক্রস করে উপরে যাবার ট্রাই করছে। সুতরাং উপরে যাবার সম্ভাবনা অনেক বেশি। এবার আপনার নিজের এনালাইসিস কি বলছে? একই বলছে তো? একই বলে থাকলে দেরী কেন? সেট আপ নিয়ে নিন। আপনার শুভকামনা। চার্ট টি দেখুনঃ
  12. সবচেয়ে ভালো ফরেক্স রোবট কোন টি দাম কতো?
  13. আজ আমরা GBPUSD পেয়ার নিয়ে একটু পর্যালোচনা করি। মাঝারি মানের টাইম ফ্রেম নিয়ে এই পেয়ারটির দিকে একটু দেখলেই আমরা ভাল একটা সম্ভাবনা দেখতে দেখতে পাই। নিচের চার্টের দিকে একটু লক্ষ্য রাখুনঃ আমরা দেখতে পাচ্ছি মার্কেট এই বছরের জানুয়ারী মাসের টপ থেকে শুরু হওয়া একটা ডাউনট্রেন্ডকে টাচ করেছে একতি পিনবারের মাধ্যমে। আবার দেখতে পাই, এ বছরেরই মার্চ মাসের বটম লাইন থেকে শুরু হওয়া একটা আপ ট্রেন্ডকে ব্রেক করে অনেকটা রিটেস্ট করেছে সেই পিনবারের মাধ্যমেই! খুব সহজেই আমরা তাহলে কি দেখতে পাচ্ছি? বড় কোন সমস্যা না হলে মার্কেট এরপর ইনসাইড বা পিনবারকে আরও স্ট্রং করে দেয়, এমন কোন কনফার্মেশন দেখাতে পারলে অনেকটা নিশ্চয়তা পাওয়া যায় যে, মার্কেট নিচের দিকে নেমে যেতে পারে। এবং নিচে নেমে এ বছরের ফেব্রুয়ারী মাসের বটম লেভেল থেকে শুরু হওয়া আপট্রেন্ডের লাইনকে স্পর্শ করতে পারে। সুতরাং, কনফার্মেশন পেয়ে গেছেন কি ইতোমধ্যে? তাহলে দেরী কেন? সেট আপটা নিয়ে নিন। আর যদি এখনও কনফার্মেশন না পেয়ে থাকেন, তাহলে অপেক্ষা করুন, এরপর কনফার্মেশন সিগনাল পেলেই সেট আপ নিতে ভুলবেন না। সকলের সাফল্য কামনা করছি। ধন্যবাদ
  14. Pair: GBPJP, অনেকেই যাকে ড্রাগন পেয়ারও বলে থাকে। আজকের রিভিউ তে এই ড্রাগন পেয়ারের সেট আপ নিয়ে কথা বলব। মার্কেট বর্তমানে সুন্দর একটা পজিশনে এসে দাড়িয়েছে। ২০১৬ সালের মার্চ মাসের সাপোর্ট লেভেলে এসে দাড়িয়েছে এই ড্রাগন পেয়ারের বর্তমান এক্সেঞ্জ মুল্য। এবং এই লেভেলে এখন রেসিস্ট্যান্স মুডে থাকার সম্ভাবনাই বেশি। চার্টটা দেখে আসি চলুনঃ এবার আরেকটি চার্ট দেখব। এই চার্টও ডেইলি ক্যান্ডেল এর। তবে এখানে কিছুটা বড় করে দেখানো হয়েছে। এখানে দেখা যাচ্ছে যে ছোট খাট একটা ট্রেন্ডও ব্রেক করে রিটেস্ট করার মুডে আছে এই মুহুর্তে মার্কেট। এবং বর্তমানের সেই রিটেস্ট মুডে ও রেসিস্ট্যান্স লেভেলে একটা পিনবারও তৈরী করেছে। এই চার্টটাও দেখে আসি চলুনঃ সুতরাং আমরা ধারনা করতেই পারি যে মার্কেট বেয়ারিশ হবার সম্ভাবনাই বেশি। আমার এনালাইসিস তো দিলাম, এবার আপনার এনালাইসিসে কি বলছে?? একই বলছে কি?? নাকি ভিন্ন কিছু বলছে?? আমি চেষ্ঠা করছি রেগুলার আমার ট্রেড এনালাইসিস আপনাদের সাথে শেয়ার করতে। এই লেখাটি আপনি আপনার ফেসবুক গ্রুপ, ফেসবুক ওয়ালে বা আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে দিন যাতে সকলেই সামান্য হলেও উপকৃত হতে পারে। সকলের সাফল্য কামনায়। আমার ফেসবুক পেজে লাইক দিয়েও আমার সঙে থাকতে পারেন। ফেসবুক পেজ লিঙ্কঃ bmfxanalyst
  15. Pair: GBPUSD Short trade idea for 28+ pips only..... First learn, then earn.... আমি চেষ্ঠা করব রেগুলার আমার ট্রেড এনালাইসিস আপনাদের সাথে শেয়ার করতে। এই লেখাটি আপনি আপনার ফেসবুক গ্রুপ, ফেসবুক ওয়ালে বা আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে দিন যাতে সকলেই সামান্য হলেও উপকৃত হতে পারে। সকলের সাফল্য কামনায়। আমার ফেসবুক পেজে লাইক দিয়েও আমার সঙে থাকতে পারেন। ফেসবুক পেজ লিঙ্কঃ bmfxanalyst
  16. দেশের সকল ট্রেডার বন্ধুদের মাঝে আসতে পেরে নিজেকে অনেক ভাগ্যবান মনে করছি। একই সাথে নিজের প্রথম পোস্টটাও করে ফেলছি সবাইকে নিয়েই। তাহলে শুরু করা যাক, আমরা যারা কিছু কর্ম করি, তা চাকুরী হোক বা ব্যবসা, সব কর্মের পিছনেই একটা অভিন্ন উদ্দেশ্য থাকে। তা হল আয় রোজগার করা। এই আয় রোজগারের সাথেই আমাদের জীবনের সকল চাওয়া পাওয়া সরাসরি সম্পর্ক বিদ্যমান। একইভাবে ফরেক্স এ বেশিরভাগ মানুষই আসে অন্যের কথা শুনে বা অন্যের গালভরা গল্প শুনে, তবে সেই গল্পগুলো হয় কাড়ি কাড়ি টাকা ইনকাম করার। মানুষের সহজাত স্বভাব দিয়ে এতে আকৃষ্ট হয়ে পড়ে। আর কুয়োর ব্যাঙের সাগরে পড়ার মত নাকানিচুবানী খেয়ে কোনমতে উঠে পড়ে, আর নয়তো কেউ কেউ বেঘোরে তার শেষ সম্বলটুকুও হারায়। কিন্ত কেন? কেন হবে এই অবস্থা? আসুন একটু জেনে নেই আগে, এরপর আমরা জেনে নেব এর সমাধান। ধরুন, আপনি দেশে কোন জায়গায় চাকুরী করেন। প্রাথমিক অবস্থায় বেতন হবে ৮-১০ হাজার টাকার মত, খুব ভাল হলে ১৫-২০ হাজার হতে পারে। অথচ এর পিছনে আপনার মুলধন কি? বিগত ১৬-১৭ বছরের একটানা পড়াশোনা ও সফলভাবে উত্তীর্ণ হওয়া।এতো দীর্ঘ সময়ের বিনিময়ে আপনি মাত্র ৮-১০ বা ১৫-২০ হাজারের বেতনেই সন্তষ্ট হচ্ছেন। তাই নয় কি? এবার আসি কাজের কথায়, ফরেক্স শব্দটাই আপনি কারও কাছে শুনেছেন ২ মাসও হয়নি। এর ভিতর আপনি ডিপোজিট থেকে শুরু করে সকল প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছেন এমনকি মাসে লাখ লাখ টাকা, নুন্যতম ৪০-৫০ হাজার টাকা আয়ের স্বপ্নও দেখে ফেলছেন!! আদৌ স্বপ্নটা বাস্তব কিনা ভেবেছেন কখনও?? টানা ৫ বছর ট্রেড করে প্রফিট করেছেন, এমন ট্রেডার বাংলাদেশে হাতে গোনা কয়জন পাওয়া যাবে আমি জানিনা। তবে কথায় কথায় জ্ঞান দেবার মত বেশ কিছু ট্রেডারভাই আছেন যারা আইবী কমিশন বেশ ভালো পায়। কিন্ত আইবী কমিশন ফরেক্সের একটা পার্ট মাত্র। ফরেক্স এর মুলধারা নয়। মুলধারা হচ্ছে ট্রেড করে প্রফিট বের করে আনা মার্কেট থেকে। কারন আইবীতে অন্যের ট্রেডের স্প্রেড কমিশনের একটা অংশ নেওয়া হয়, কিন্ত মুল মার্কেটের কিছুই বের করে আনা হয়না। আমাদের উদ্দেশ্য ফরেক্স মার্কেট থেকে মুল প্রফিট বের করে আনা। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন কোন জায়গায় দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করলে আপনার ট্রেডিং এর রেজাল্টেও পরিবর্তন চলে আসবে। প্রথমেই বলব একটা নির্দিষ্ট স্ট্রাটেজী বের করতে। আন্দাজের উপর ভর করে কখনো ট্রেড করবেন না। অনেক উপরে উঠে গেছে এবার সেল দেই, বা অনেক নিচে নেমে গেছে এবার বাই দেই, এমন করবেন না। হুজুগের বশে নিজের পয়সা হারানোর কোন মানেই হয়না। ভেবে চিনতে বা গুগলে সার্চ দিলেও অনেক অনেক স্ট্রাটেজী পাবেন, সেগুলো ভালভাবে দেখে ঘোষামাজা করে আপনার নিজের মত করে একটা ট্রেডিং সিস্টেম তৈরী করে ফেলুন। এবার আপনার ট্রেডিং স্ট্রাটেজীকে নির্দিষ্ট কোন এক টাইম ফ্রেমে (এইচ ফোর এর উপরের কোন একটা) বসিয়ে একের পর এক পেয়ার ধরে ধরে যাচাই করে নিন। কোন এক মাস ধরে ধরে লাভ লস মিলিয়ে হিসেব বের করুন। এভারেজ কেমন প্রফিট আসে আর প্রতি দশটা ট্রেডে এভারেজ কতটা প্রফিটে থাকে এই হিসেব করে ফেলুন। সব হিসেব শেষে বের করুন কোন পেয়ারে ভাল রেজাল্ট এসেছে সব দিক দিয়ে।এবার শুধুমাত্র সেই এক পেয়ার নিয়েই ট্রেড করতে থাকুন। ভুলেও ৫-৬ বা ১০-১২ টা কারেন্সী পেয়ার নিয়ে ট্রেড করতে যাবেন না। মনে রাখবেন সমুদ্রে জেলিফিস ধরার জাল দিয়ে আপনি হাঙ্গর বা তিমি মাছ ধরতে পারবেন না। তেমনি একটা স্ট্রাটেজী দিয়ে আপনি আমেরিকা, বৃটেন এমনকি ইউরোপকেও যদি কন্ট্রোলে রাখতে চান তাহলে ভুল করার সম্ভাবনাটাই বেশি হবে। কারন প্রতিটি দেশের অর্থনৈতিক মুভমেন্ট একই ধারায় চলে না। এবার বাছাইকৃত সেই পেয়ারের ব্যাকটেস্ট করুন মাসের পর মাস ধরে ধরে। একটা ভাল আইডিয়া পেয়ে যাবেন। কোন কোন পরিস্থিতিতে রেজাল্ট খারাপ বা ভাল আসে তার ব্যাপারেও পরিস্কার ধারনা পেয়ে যাবেন তাহলে। এটাই আপনাকে সাহায্য করতে আপনার রেগুলার প্রফিট বের করে আনতে। মাসে ২-৫ হাজার পিপ্স এর আশা বাদ দিয়ে ২-৩ শত পিপ্সের সন্তষ্ট থাকেন। মনে রাখবেন এমন ট্রেডারও আছে যারা মাসে ১০০ পিপ্স এ মিলিয়ন ডলারও আয় করে। ধীরে ধীরে ব্যালান্স বাড়ান। তবে বার বার ডিপোজিট করে নয়। প্রফিট করে করে। বাড়তি কোন পেয়ারে যাবার প্রয়োজন নেই। একটা পেয়ারেই স্থির থাকুন। আর এক বারে একটা ট্রেডের বেশি ট্রেড ভুলেও নেবেন না। একটা ট্রেড শেষ হলে এরপর পরের ট্রেডে যাবেন। স্পেসিফিক টেকপ্রফিট ও স্টপ লস সেট করবেন। এবার ফলাফল হাতে নাতে দেখুন। পরিশেষে, ধৈর্য্য ধরে পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনাকে। তাহলে শুরু করুন আপনার সফল ট্রেডিং অধ্যায় এখনই একটি ভাল ব্রোকারের সাথেঃ নতুন একাউন্ট আমার ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমার এনালাইসিস এর সঙেই থাকুন। ফেসবুক লিংকঃ bmfxanalyst
  17. Crude Oil বা ক্রুড তেল বলতে যে অপরিশোধিত তেলকে বোঝায়, তা আমরা জানি। “তেল নিয়ে তেলসামাতি” পড়ে থাকলে আপনি এটাও জানেন যে বিশ্বে বিভিন্ন ধরনের অপরিশোধিত তেল রয়েছে এবং এগুলোর মধ্যে Brent Crude, WTI Crude এবং Opec Basket Crude সবচেয়ে বেশী জনপ্রিয়। এখন আপনি প্রশ্ন করতে পারেন যে, এই তেলগুলো কি জিনিস সেটা জেনে আমার কি লাভ? সত্যি বলতে তেমন কোন লাভ নেই, তাই এ নিয়ে বিস্তারিত কোন আলোচনায় যাবো না। কিন্তু, তেলের যে বিভিন্ন ধরন আছে, আর কোনটা কি, তা জানার দরকার আছে। না জানলে কি ঝামেলায় পড়বেন, তা নিচের উদাহরন দেখলেই বুঝতে পারবেনঃ বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় অপরিশোধিত তেল হচ্ছে Brent Crude (মোট ব্যবহৃত অপরিশোধিত তেলের দুই তৃতীয়াংশই হচ্ছে Brent Crude বা ব্রেন্ট ক্রূড)। আর XM এ Brent Crude Oil এর নাম হচ্ছে Brent, মানে mt4/mt5 এ Brent খুজে বের করলেই হবে। কিন্তু, আপনি যদি না জানেন যে Brent বলতে আসলে এক ধরনের অপরিশোধিত জ্বালানি তেলকে বোঝায়, তাহলে আপনি যেটা খুজে পাবেন, সেটা হচ্ছে Oil. XM এ শুধু OIL ট্রেডিং কোডটি দিয়ে West Texas Intermediate বা WTI ক্রুড তেলকে বোঝায়। OILMn নামে আরেকটি ট্রেডিং কোড আছে যেটি WTI ক্রুড এরই মিনি লটকে নির্দেশ করে, যেটিতে প্রতি পিপসের ভ্যালু মাত্র ১০ সেন্ট। তারমানে, Brent কি তা না জানলে আপনি সবচেয়ে জনপ্রিয় তেলটি ট্রেডের সুযোগ থেকেই বঞ্চিত হবেন। মোটামুটি সব ব্রোকারেই Brent Crude তেল শুধু Brent নামেই পরিচিত। তাই, নাম না জানলে বিপদ। আবার, Brent, OIL এবং OILMn, এই তিনটি দিয়ে যে যথাক্রমে Brent Crude, WTI Crude এবং WTI Crude এর মিনি লটকে বোঝাচ্ছে, সেটাও বুঝতে পারবেন না। আমি নতুনদের সবসময় পরামর্শ দিব OILMn ট্রেড করতে, কেননা এটাতে প্রতি পিপসের ভ্যালু সর্বনিম্ন ১০ সেন্ট, অন্যগুলোতে ১ ডলার করে। তেলের ক্ষেত্রে XM এ ১ লট বলতে ১০০ ব্যারেল তেল বোঝায় (১ ব্যারেল মানে ১৫০ লিটার)। আগেই বলেছি যে কোন তেল কি, সেটা জেনে আপনার তেমন কোন লাভ নেই, আপনার শুধু জানা দরকার কোন তেলগুলো বিশ্ববাজারে সবচেয়ে বেশী ট্রেড করা হয় এবং ব্রোকারগুলোতে সেগুলোর নাম কি। সেটা আপনি ইতিমধ্যেই জেনে আছেন। তারপরেও প্রধান তেলগুলো সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করছিঃ প্রধান অপরিশোধিত তেলগুলো আমার সবার প্রথমে মাথায় এটা প্রশ্ন জেগেছিল যে, অপরিশোধিত তেলের আবার আলাদা আলাদা ধরন কেন? নারিকেল তেল, সয়াবিন তেলের মতই কি এগুলো আলাদা আলাদা ধরনের জ্বালানী তেল নির্দেশ করে? এগুলো সবগুলোই কি একই কাজে ব্যবহৃত হয়, নাকি নারিকেল তেল, সয়াবিন তেলের মত আলাদা আলাদাভাবে ব্যবহৃত হয়? বিশ্বে ১৬০ ধরনের তেল ট্রেড করা হয়, আমরা এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশী যে তেলগুলো ট্রেড করা হয়, মানে Brent, WTI এবং Opec Basket, সেগুলোর মধ্যে তুলনা করব। জ্বালানী তেলের গুনগতমান কিভাবে নির্ধারন করা হয়? জালানী তেলের ক্ষেত্রে গুনগতমান নির্ধারন করা হয়, এতে কতটুকু সালফার আছে এবং এটি কতটুকু ভারি তা দিয়ে। কোন তেলে সালফারের পরিমান শতকরা যত কম থাকবে, সেটিকে তত বেশী sweet বলা হবে। এখানে, sweet দিয়ে শুধুমাত্র সালফারের পরিমান কত কম, সেটাই নির্দেশ করছে, মিষ্টিজাতীয় কিছু না। আরেকটি বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে API Gravity, যেটা ওজন নির্দেশ করে। কোন তেলের API Gravity যত বেশী, সেটা ওজনে তত হালকা, একইভাবে API Gravity যত কম, ওজনে তত ভারী। যদি কোন তেলের API Gravity ১০ এর বেশী হয়, তাহলে সেটা পানিতে ডুবে যাবে, নাহলে পানির উপর ভেসে থাকবে। যেই তেলের API Gravity যত বেশী হবে, মানে যত হালকা হবে আর সালফারের শতকরা পরিমান যত কম হবে, মানে তেলটি যত sweet হবে, তার গুনগতমান তত বেশী হবে, বেশী পরিমানে উন্নতমানের গ্যাসোলিন উৎপন্ন করা যাবে। তাহলে, এবার দেখা যাক, ব্রেন্ট, WTI আর ওপেক বাস্কেট, কোনটার গুনগত মান সবচেয়ে ভালো। WTI বা West Texas Intermediate তিন ধরনের তেলের মধ্যে সবচেয়ে ভালো তেল হচ্ছে এবং খুবই উন্নতমানের তেল হচ্ছে WTI বা West Texas Intermediate. এতে সালফার আছে শতকরা মাত্র ০.২৪ ভাগ আর API Gravity হচ্ছে ৩৯.৬ ডিগ্রি। নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে যে, এটি যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত হয়। খুবই হালকা এবং সালফারের পরিমান খুব কম বলে, এটি গ্যাসোলিন উৎপাদনের জন্য সর্বোত্তম। WTI তেলের ব্যবহার সবচেয়ে বেশী হয় আমেরিকা বা যুক্তরাষ্ট্রে। Brent Crude Oil এর পরেই আসবে Brent Crude Oil. এতে সালফারের পরিমান শতকরা ০.৩৭ ভাগ আর API Gravity হচ্ছে ৩৮.৩ ডিগ্রি। WTI এর মত এত ভালো না হলেও, এই তেলও হালকা এবং এতে সালফারের পরিমান খুব বেশী না। মূলত ডিজেল, গ্যাসোলিন পরিশোধনের জন্যেই Brent Crude Oil বেশী ব্যবহৃত হয়। মূলত উত্তর সাগরের চারটি ভিন্ন ভিন্ন জায়গা থেকে এই তেল আহরন করা হয়। Brent তেলের ব্যবহার সবচেয়ে বেশী হয় ইউরোপে এবং আফ্রিকাতে। Opec Basket সবশেষে আসবে ওপেক বাস্কেট। ওপেক নাম শুনেই বুঝতে পারছেন যে এই তেল কোথা থেকে আহরন করা হয়। ঠিক, মূলত ওপেকভুক্ত দেশগুলো থেকে, যেমনঃ সৌদি আরব, আলজেরিয়া, ভেনিজুয়েলা ইত্যাদি। এগুলোতে সালফারের পরিমান খুবই বেশী, আবার তুলনামুলকভাবে ভারী। তাই, WTI বা ব্রেন্টের সাথে তুলনা করলে ওপেক বাস্কেট তেল বেশ নিম্নমানের। কিন্তু, সুবিধা হল ওপেক দেশগুলোতে প্রচুর তেল মজুদ আছে এবং তারা চাইলেই যেভাবে উৎপাদন বাড়াতে পারে, সেইভাবে অন্য তেলগুলোর উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব না। তাই, বিশ্ববাজারে ওপেক বাস্কেট এর গুরুতবপূর্ন ভুমিকা আছে। কোন তেলের দাম সবচেয়ে বেশী? আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে দাম। ওপেক বাস্কেট তেলের দাম প্রধান তেলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সস্তা। Brent তেলের দাম সাধারনত ওপেক বাস্কেট থেকে ব্যারেলপ্রতি ৪ ডলার বেশী হয়। WTI এর দাম তো আরও বেশী। ওপেক বাস্কেট থেকে WTI ব্যারেলপ্রতি ৫-৭ ডলার বেশী দামে বিক্রি হয়, মানে Brent তেল থেকে WTI তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১-৩ ডলার বেশী।
  18. আপনি কি জানেন, ফেসবুকের শেয়ারের দাম এখন কত? ১৮১ ডলার মাত্র! আপনি কি জানেন, মাত্র ৫ বছর আগে ফেসবুকের শেয়ারের দাম কত ছিল? ৩১ ডলার মাত্র! অর্থাৎ, ৫ বছরে ফেসবুকের শেয়ারের দাম বেড়েছে ৬ গুনেরও বেশি। মাত্র ১ বছর আগেও ফেসবুকের শেয়ারের দাম ছিল ১৩১ ডলার। প্রতিবছর ফেসবুকের শেয়ারের দাম বাড়ছে ক্রমাগত কোন বড় উত্থান পতন ছাড়াই। আর ফেসবুকের সামনের কয়েক বছরে অন্তত আয় কমার কোন সম্ভাবনা নেই, বরং বাড়বে অনেক। তাই, ফেসবুকের শেয়ারের মূল্যও বাড়বে। তো, আপনি যখন জানেনই ফেসবুকের শেয়ারের দাম বাড়বে আর যদি দীর্ঘমেয়াদে আপনার ফেসবুকের শেয়ার কিনে রাখার ধৈর্য থাকে, তাহলে ফেসবুকের শেয়ার কিনবেন না কেন? যদি সে সুযোগ আপনার থেকেই থাকে! এক্ষেত্রে সম্ভাব্য সমস্যাগুলো কি কি? সহজ হচ্ছে অনলাইনে ট্রেড করা একটা সময় ছিল, যখন কোন কিছু ট্রেড করা কঠিন ছিল। স্টক ট্রেড করতে হলে আপনাকে যেতে হত কোন স্টক ব্রোকারের কাছে, খুলতে হত স্টক ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট। আবার, ফরেক্স ট্রেডিং করতে হলে, হতে হত ব্যাংকের সম্পদশালী গ্রাহক। শুধুমাত্র, তাহলেই ব্যাংক থেকে ফরেক্স ট্রেড করার সুবিধা মিলত। আবার, কমোডিটি, যেমন, তেল, চিনি, কফি ইত্যাদি কেনাবেচার জন্যে যেতো হতো কমোডিটি এক্সচেঞ্জে। আবার, স্টক ব্রোকারগুলো থেকে শুধুমাত্র স্থানীয় কোম্পানীগুলোর শেয়ারই কেনা যায়। যখন, স্টক মার্কেটে ধ্বস নামে, তখন বসে থাকা ছাড়া কিছু করার থাকে না। অথচ, উন্নত দেশগুলোতে মানুষ কিন্তু স্টক মার্কেট ক্রাশের সময় সেল ট্রেড থেকেও লাভ করতে পারে। সেই সুযোগ আমাদের এখানে নেই। কিন্তু, প্রযুক্তির কল্যাণে সব বদলে যাচ্ছে। অনলাইনেই ফরেক্স ব্রোকাররা স্বল্প বিনিয়োগে যে কাউকে ট্রেড করার সুযোগ দিল। তবে সময়ের সাথে সাথে ফরেক্স ব্রোকাররা এখন আর শুধু নিজেদের ফরেক্স ব্রোকার বলতে রাজি না। ব্রোকারদের সাথে আপনি এখন শুধু কারেন্সি না, ট্রেড করতে পারেন বিদেশী অধিকাংশ বিখ্যাত কোম্পানির স্টকের, আর তেল বা স্বর্ণ কেনাবেচার সুযোগ তো অনেক আগে থেকেই রয়েছে। স্টক ট্রেডও যে একেবারে নতুন করা যাচ্ছে, তা নয়। কিন্তু, অনেক ট্রেডারই শুধুমাত্র না জানার কারনেই এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আর তার সাথে জানা দরকার কিছু গুরুত্বপূর্ন তথ্যও। অন্যথায় আপনাকে পড়তে হবে ক্ষতির মুখে। স্থানীয় কোন স্টক ব্রোকার থেকে শেয়ার কেনা আর অনলাইনে স্টক কেনার মধ্যে কিন্তু পার্থক্য আছে শুরুতেই জেনে নিন যে, স্থানীয় কোন স্টক ব্রোকার থেকে স্টক কেনা আর অনলাইনে কোন ব্রোকার থেকে স্টক কেনার মধ্যে কিন্তু কিছু পার্থক্য আছে। আপনি অনলাইনে স্টক কিনতে গেলে কিছু সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন হবেন, যেগুলো প্রথমেই জেনে নেওয়া ভালো। যদিও অনেক আলাদা সুবিধাও আছে, তারপরেও বিডিপিপসে আমরা সীমাবদ্ধতাগুলোকেই আগে তুলে ধরি। এর উপর ভিত্তি করেই আপনি সিদ্ধান্ত নিবেন আপনি অনলাইনে স্টক ট্রেড করবেন কিনা। অনলাইনে স্টক ট্রেডিং এর সীমাবদ্ধতা সর্বপ্রথম এবং সবচেয়ে বড় অসুবিধা হচ্ছে, আপনি সরাসরি স্টক কিনতে পারবেন না। আপনাকে কিনতে হবে স্টক সিএফডি (CFD)। অবাক হচ্ছেন তো? ভেঙ্গে বলছি। CFD মানে হচ্ছে Contract For Difference. দুই পক্ষের মধ্যে এমন একটি চুক্তি হওয়া, যেখানে একটি পক্ষ ট্রেড করা যায় এমন কোন জিনিস কেনার জন্য মূল্য পরিশোধ করবে, কিন্তু সেই পণ্যের মালিক হবে না। যার থেকে সে কিনেছে, শুধু তার কাছেই বিক্রি করা যাবে। এখানে, কেনার সময় মার্কেট প্রাইসেই কিনতে হবে, আর বিক্রির সময় মার্কেট প্রাইসেই বিক্রি করা হবে। অপর পক্ষ বাধ্য, যেকোন সময় বিক্রি করার আদেশ দিলেই তা মেনে নিতে। বিক্রি করার সময়, ক্রেতা যে পরিমানে CFD কিনেছিল, বিক্রির সময় তার যে দাম, তার পুরোটা দিতে হবে। এখন, কেনার সময় থেকে বিক্রির সময় যদি মার্কেট প্রাইস বেশী থাকে, তাহলে ক্রেতার লাভ। আর যদি কম থাকে, তাহলে বিক্রেতার লাভ। কেননা, বিক্রেতা যে জিনিস বেশী দামে বিক্রি করেছিল, তা কম দামে কিনে নিয়েছে। সাধারন কেনাবেচার সাথে পার্থক্য হল, ক্রেতা চাইলেই বলতে পারবে না যে, আমার জিনিস আমাকে বুঝিয়ে দেও। আমি বিক্রি করতে চাই না। সে সুযোগ নেই। কিন্তু, বিক্রি করার সময় বিক্রেতা চাইলেই বলতে পারবে না, আমি আপনাকে এখন এই দাম দিব বা এখন আমি কিনব না। যদি আগে থেকে কোন নির্ধারিত তারিখ উল্লেখ করা না থাকে, তাহলে ক্রেতা যখন বিক্রি করতে চায়, ঠিক তখনই ক্রেতার থেকে মার্কেটে তখন যে দাম থাকবে, সেই দামে কিনে নিতে হবে। অনলাইনে এই প্রক্রিয়াটা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই হয়, ক্রেতা যখনই ট্রেড ক্লোজ বাটনে ক্লিক করে, তখনই আসলে সে মার্কেট প্রাইসে তার কাছে থাকা CFD ব্রোকারের কাছে বিক্রি করে দিচ্ছে। তারমানে, বোঝা গেল যে, আপনি স্টকের সত্যিকারের মালিকানা পাচ্ছেন না, ফেসবুকের কোন শেয়ার সরাসরি আপনার নামে ইস্যু হবেনা। কিন্তু, দাম বাড়লে কমলে ঠিকই আপনার লাভ অথবা লস হবে। তবে আপনি যেই কোম্পানির স্টক CFD কিনছেন, তারা যখন বার্ষিক সাধারন সভাতে ডিভিডেন্ট দিবে, সেটা আপনি ঠিকই পাবেন। যদি এটা আপনার জন্য সমস্যা না হয়, তাহলে অন্য সীমাবদ্ধতাগুলো আসলে সুবিধার তুলনায় বেশ নগণ্য। পরবর্তী সীমাবদ্ধতা হচ্ছে যে, আপনি যদি স্টকটি একদিনের চেয়ে বেশি সময় ধরে রাখেন, তাহলে আপনার Swap পে করতে হবে প্রতিদিনের জন্য। অধিকাংশ স্টক ট্রেডার লিভারেজ বা ঋন সুবিধা নিয়ে ট্রেড করে, তাই ব্যাংকগুলো এর উপর প্রতিদিন যে সুদ আরোপ করে, সেটাই হচ্ছে swap. তবে, XM সহ বর্তমানে অধিকাংশ ব্রোকারেরই swap free ইসলামিক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। তাই, এই সীমাবদ্ধতা অনেকের জন্য সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে না। প্রতিদিন যদি এভাবে swap পে করতেই হয়, তাহলে একটু একটু করে হলেও দীর্ঘদিন ট্রেড ওপেন রাখলে swap জমতে জমতে বেশ ভালোই বড় একটি অ্যামাউন্টে পরিনত হয়। এর ফলে ট্রেড ক্লোজ লাভ হলে লাভের পরিমান কম যায়, আর লস হলে তো লসের পরিমান আরো বেড়ে যায়। তাই, অনলাইনে স্টক ট্রেড করতে হলে অবশ্যই প্রথমে আপনাকে একটি swap free ইসলামিক অ্যাকাউন্ট ওপেন করে নিতে হবে। আরেকটি সীমাবদ্ধতা হচ্ছে যে, ব্রোকারগুলোতে ডিপোজিট করা। যদিও বড় বড় অধিকাংশ ব্রোকারই এখন লোকাল কারেন্সিতে ডিপোজিট করতে সহায়তা করে। এক্ষেত্রে, আপনার ব্রোকারের কাস্টমার সাপোর্টের সাথে যোগাযোগ করুন। সুবিধা আগে সীমাবদ্ধতাগুলো ভালো করে পড়ুন। মনে রাখবেন, আপনার সামনে ট্রেড করার সুযোগ অবারিত। সেটা অনলাইনেই হোক অথবা দেশীয় স্টক মার্কেটেই হোক। যদি আপনি লোকাল স্টক মার্কেটে ভালো করতে থাকেন আর অনলাইনের এই সীমাবদ্ধতাগুলো আপনার ভালো না লাগে, তাহলে অনলাইনে ট্রেড করতেই হবে, এমন কোন কথা নেই। কিন্তু, এই সীমাবদ্ধতাগুলো যদি আপনার কাছে গুরুতবপূর্ন না হয়, তাহলে বেশ কিছু সুবিধা আছে, যেগুলো তুলে ধরছি। সর্বপ্রথম সুবিধা হচ্ছে বাই অথবা সেল, দুটো থেকেই প্রফিট করার সুবিধা, যেটা বাইরের দেশগুলোতে ইতিমধ্যে চলে আসলেও আমাদের এখানে এখনও আসেনি। আপনি জানেন যে, স্টক প্রথমে কিনতে হয় এবং পরে বিক্রি করতে হয়। এক্ষেত্রে, আপনার কেনা দাম থেকে মার্কেটে দাম কমে যেতে থাকলে আপনার হয় লসে বিক্রি করা অথবা চেয়ে দেখা ছাড়া কিছু করার থাকে না। কিন্তু, অনলাইনে ব্রোকারগুলোতে আপনি স্টক CFD একই সময়ে বাই অথবা সেল করার অর্ডার দিতে পারবেন, ঠিক কারেন্সি ট্রেডিং এর মতই। ফেসবুকের উদাহরনই দেই। আপনি যদি ফেসবুকের স্টক CFD বাই অর্ডার দেন, তাহলে ফেসবুকের স্টকের দাম বাড়লে আপনার লাভ হবে, দাম কমলে লস হবে। আর যদি সেল অর্ডার দেন, তাহলে ওই স্টকের দাম কমলে আপনার লাভ হবে, আর দাম বাড়লে আপনার লস হবে। অর্থাৎ, মার্কেট আপট্রেন্ড হোক আর ডাউনট্রেন্ড হোক, যে অবস্থাতেই থাকুক না কেন, আপনার লাভ করার সুযোগ আছে, যেটা স্থানীয় স্টক ট্রেডের ক্ষেত্রে এখনও সম্ভব না এবং এটাই সবচেয়ে বড় সুবিধা। দ্বিতীয়ত, লোকাল স্টক মার্কেটে অনেক বেশী মার্কেট ম্যানিপুলেশন বা কারসাজী হয়। এমনটা আমেরিকার স্টক এক্সচেঞ্জে যে হয়না, তা না। কিন্তু, তুলনামুলকভাবে অনেক কম। আবার, আন্তর্জাতিকভাবে বেশ কিছু ইভেন্টের আগে পরে বা কোন নিউজের ফলাফলের উপর ভিত্তি করে আন্তর্জাতিক স্টক মার্কেটে স্টকের দাম বাড়ে কমে, যেটা অনুমান করা বেশ সহজ। স্থানীয় স্টক মার্কেটে এটা অনুমান করা খুবই কঠিন যে, কোন ঘটনার কারনে দাম বাড়বে আর কোনটার কারনে দাম কমতে পড়ে। আর আন্তর্জাতিক ইভেন্টগুলোর প্রভাবও লোকাল স্টক মার্কেটে পড়েনা বললেই চলে। আরেকটি বড় সুবিধা হল, স্থানীয় কোন ব্যাংক তিন বছর পরে কেমন করবে, তার থেকে এটা অনুমান করা সহজ যে ফেসবুকের মত বড় কোম্পানি তিন বছর পর কেমন করবে। ফলে, ট্রেডিং করাটাও তুলনামুলক সহজ হয়ে যায়, বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদে ট্রেড করার ক্ষেত্রে। আর হ্যাঁ। লিভারেজ বা ঋণ সুবিধা বলে একটা ব্যাপার আছে। স্থানীয় মার্কেটে ট্রেড করার ক্ষেত্রে যেখানে মূলধনের সমপরিমাণ ঋণই সহজে পাওয়া যায় না, সেখানে ফরেক্স ব্রোকারগুলো ২৫ গুন থেকে শুরু করে ক্ষেত্রবিশেষে মুলধনের ১০০ গুন পর্যন্তও লোন দেয় ট্রেড করার জন্য। মানে, আপনার মূলধন মাত্র ১ লক্ষ টাকা হলেও, আপনি সেটা দিয়েই কোটি টাকার সমপরিমাণের ট্রেড করতে পারবেন। তবে, এই কারনে যদি আপনি অনলাইনে ট্রেড করতে চান, তাহলে আমি বলব আপনার অনলাইনে ট্রেড করার কোন দরকারই নেই। এত বেশী ঋন নিয়ে ট্রেড করলে আপনি ফতুর হয়ে যাওয়া ছাড়া আর কিছুই হবেন না। অনলাইনে কোন কোন কোম্পানির স্টক ট্রেড করা যায়? এটা নির্ভর করবে আপনি কোন ব্রোকারের সাথে ট্রেড করছেন তার উপর। যেমন, XM এর মাধ্যমে ইউরোপ ও আমেরিকার সব বড় কোম্পানির স্টক কেনাবেচা করা যাবে। গুগুল, ফেসবুক, অ্যাপল, মাইক্রোসফট, আমাজন, ইনটেল, আইবিএম সহ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানী, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ডসহ মোট ১৪ টি প্রধান দেশের স্টক এক্সচেঞ্জগুলোতে তালিকাভুক্ত ৩০৯ টি কোম্পানির ষ্টক ট্রেড করতে পারবেন। অনলাইনে স্টক ট্রেড করার জন্য আপনার কি কি করতে হবে? প্রথমে একটি জনপ্রিয় ও বিশ্বস্ত ব্রোকারের সাথে অ্যাকাউন্ট ওপেন করে তাতে ডিপোজিট করতে হবে। তবে, সবচেয়ে ভালো হয় যদি আপনি প্রথমে একটি ফ্রী ডেমো অ্যাকাউন্ট ওপেন করেন কোন একটি ব্রোকারের সাথে। সেক্ষেত্রে, ব্রোকার আপনাকে ট্রেড করার জন্য ভার্চুয়াল ক্যাশ দিবে, যেটা দিয়ে আপনি ডিপোজিট করার পরে যেভাবে ট্রেড করতে পারতেন, ঠিক সেভাবে ট্রেড করতে পারবেন। তবে, পার্থক্য একটাই, লাভ বা লস যাই হোক, সবই ভার্চুয়াল। এটাকে ডেমো ট্রেডিং বলে। আপনি যদি অন্তত ৩ মাস ডেমো ট্রেড করার পর দেখেন যে আপনি ভালো করছেন, তখন আপনি একটি রিয়েল ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট খুলে তাতে ডিপোজিট করতে পারেন। ব্রোকারের ওয়েবসাইট থেকে ট্রেডিং সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে হবে। ট্রেডিং সফটওয়্যারে আপনার অ্যাকাউন্ট ইনফরমেশন দিয়ে লগিন করতে হবে এবং আপনি এই সফটওয়ার ব্যবহার করে ট্রেড করতে পারবেন। আপনি যদি ব্রোকারে ডিপোজিট করে থাকেন Neteller/Skrill/Payza/Credit card অথবা অন্যান্য মাধ্যমে, তাহলে যে মাধ্যম দিয়ে ডিপোজিট করেছিলেন, সে মাধ্যমে আপনার ডিপোজিটের সম্পুর্ন অর্থ+ লাভ যেকোন সময় তুলে নিতে পারবেন ব্রোকারকে পেমেন্ট করার রিকোয়েস্ট করে। যদি লাভ হয়, তাহলে তো ডিপোজিট থেকে বেশী অর্থ ফেরত পাবেন, আর লস হলে ডিপোজিট থেকে সেই লসের পরিমান অর্থ কেটে রেখে বাকি টাকা ব্রোকার থেকে তোলা যাবে। পুরোটা একেবারে না তুলে শুধু লাভের পরিমান বা ডিপোজিটের যেকোন একটি অংশ তুলে নেয়া যাবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশটিই বাদ পড়ে গিয়েছে। উপরে যা যা বললাম, সেগুলো সবই করা সহজ, কিন্তু নিয়মিত লাভ করা সহজ না। অনেকে লাভ করলেও শুধুমাত্র ১ দিনের লোভে বিশাল বড় ট্রেড খুলে একদিনেই ফতুর হয়ে যায়। তাই, অনলাইনে স্টক ট্রেড করতে হলে আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে ট্রেডিং স্ট্রাটেজি এবং মানি ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে। এ সম্পর্কে জানতে ও শিখতে ভিজিট করুন, বিডিপিপস ফরেক্স স্কুল।
  19. Technical parameters | (22nd – 26th ) January Possible entry point with critical support and resistance level.But when you trade this level make sure that you are using price action confirmation signal.We have prepared these key support and resistance level based on the Fibonacci retracement levels,100&200 SMA, key swings point and chart patterns formed in the higher time frame. Focus on USDCAD technical analysis EURUSD Preparing for the bearish retracement. First critical Resistance: click here Second critical Resistance: 1.24864 First critical Support: click here Second Critical Support: 1.18427 Overall Sentiment: Slightly bearish For other pairs technical analysis visit www.forextradingforyou.com All the technical parameters are applicable from 22nd January to 26th January 2018..The overall sentiment indicates the prevailing trend of the market.We highly recommend you to trade in favor of the market sentiment (overall sentiment ) to reduce the risk exposure in trading.Trade the critical support and resistance level with price action confirmation signal.If you want to get the technical chart analysis along with logical explanations, feel free to contact us. We provide high-quality Forex trading signals, trading consultancy, and price action trading course.Please feel free to contact us for any query. A simple 5-minute conversation with our expert will change your trading career. We publish regular technical analysis on all the major pairs in every Monday. Please visit our site www.forextradingforyou.com to get details about our technical analysis. To get details about our video technical analysis along with live trade setup visit YouTube Channel. Please subscribe our channel to stay updated with every single technical analysis. Source: www.forextradingforyou.com
  20. Technical parameters | (18th – 22nd ) December Possible entry point with critical support and resistance level.But when you trade this level make sure that you are using price action confirmation signal.We have prepared these key support and resistance level based on the Fibonacci retracement levels,100&200 SMA, key swings point and chart patterns formed in the higher time frame.Focus on AUDUSD technical analysis EURUSD Look for buying opportunity near the first critical support First critical Resistance: click here to see Second critical Resistance: 1.20916 First critical Support: click here to see Second Critical Support: 1.16036 Overall Sentiment: Slightly Bullish All the technical parameters are applicable from 18th December to 22nd December 2017.The overall sentiment indicates the prevailing trend of the market.We highly recommend you to trade in favor of the market sentiment (overall sentiment ) to reduce the risk exposure in trading.Trade the critical support and resistance level with price action confirmation signal.If you want to get the technical chart analysis along with logical explanations, feel free to contact us. We provide high-quality Forex trading signals, trading consultancy, and price action trading course.Please feel free to contact us for any query. A simple 5-minute conversation with our expert will change your trading career.
  21. ট্রেডিং স্ট্রাটেজি এমন হওয়া উচিত যেন তা কোন কোন চার্টকে বর্ণনা করতে সক্ষম হয়। স্ট্রাটেজিতে থাকতে পারে অনেক ধরনের টুলস। আর কোন চার্টকে যদি কোন ট্রেডিং স্ট্রাটেজি বর্ণনা করতে না পারে তাহলে কিছু আপডেট আনা উচিত অথবা Exceptional হিসেবে ধরে নেয়া উচিত। যদি স্ট্রাটেজি Explain করতে পারে কোন প্রাইসের Movement তাহলে সেটাই হবে প্রকিত ট্রেডিং স্ট্রাটেজি। উদাহরন হিসেবে বলতে পারি ১৯৩০ সালের USA Great Depression ( লং-টাইম বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা). তখনকার একটাও Economist বর্ণনা করতে পারেনি Great Depression কে তাদের Economic Theory দিয়ে। ঠিক তখনি #John_Maynard_Keynes দীর্ঘ সময় স্টাডি করে একটা থিওরি (IS LM Model)আবিস্কার করেন নতুন কিছু টুলস ব্যবহার করে আর তার থিওরি সক্ষম হয়েছিল Great Depression বর্ণনা করতে এবং তার জন্য তিনি অর্থনীতিতে নোবেল পেয়েছিলেন। শুধু তাই না, IS LM Model এর জন্য তাকে বলা হয় Father of Macro Economics আমাদেরও উচিত একটা নিজস্ব ট্রেডিং স্ট্রাটেজি থাকা যেটাকে আমারা স্টাডির মাধ্যমে তৈরি/ ডেভেলপ করতে পারব। সাথে কিছু Exceptional ও থাকবে। আর তার মাধ্যমেই হতে পারব আমরা সফল। এমনও হতে পারে আমরা নিজের তৈরি করা ট্রেডিং স্ট্রাটেজি বিখ্যাত হয়ে গিয়েছে এবং বিশ্ব বাংলাদেশকে চিনবে আপনার বা আমার ট্রেডিং স্ট্রাটেজি দিয়ে ঠিক যেমনটা হয়েছে #ওয়াররেন_বাফেট এর বেলায়, তার stock valuation method তাকে সাফল্যের দিকে নিয়ে গিয়েছে এবং মানুষ ফলো করে এখনও। স্বপ্ন দেখুন এবং স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য নিয়মিত কাজ করুন। ভেঙে পরে হাল ছেড়ে দিলে চলবে না। মনে রাখতে হবে ব্যর্থ না হলে সফলতা মুখ দেখা যায়না। ব্যর্থতার কারন খুজে বের করে আস্তে আস্তে সামনে এগিয়ে গেলেই সফলতা আসবেই আসবে ২ দিন আগে আর পরে Note: This is my personal opinion about what i have learned from my life lesson and any one may disagree with my opinion
  22. ফরেক্সের সাথে আছি ২০১০ থেকে। সবাই বলে বা মনে করে ফরেক্স হল একটি ব্যাবসা, কিন্ত আমি বিগত ৬ বছরে অন্তত এইটা খুব ভাল করে বুজতে পারছি যে, ফরেক্স একটি ব্যাবসা হলেও এটার আচরন অন্য আর ১০ টা ব্যাবসার মত না। কারন সাধারন ব্যাবসার প্রধান উপকরন হল পণ্য, আর লাভ লসের গতি থাকে খুবই ধীর। আপনি ইচ্ছা করলেই হঠাত করে খুব বেশি লাভ বা খুব বেশি লস করতে পারবেন না এবং আপনি ইচ্ছা করলে যেকোনো সময় আপনার ব্যাবসকে প্রয়োজনমত নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন। কিন্ত যখন আপনার ব্যাবসা হিসাবে ফরেক্সকে বেছে নিবেন তখন আপনি একদিনেই অনেক লাভ বা লস করে ফেলবেন। এর কারন কি? কারন হল ফরেক্স এর প্রধান উপকরন কেন পণ্য নয়। এখানে ব্যাবসা করতে হলে আপনাকে সরাসরি টাকার বিনিময়ে অন্য দেশের টাকার সাথে লেনদেন করতে হচ্ছে। অর্থাৎ আপনার প্রতিটি কার্জক্রম সরাসরি লাভ লসের সাথে জড়িত। আর শুধু এই কারনেই অতি দ্রুত লাভ করার প্রবল ইচ্ছা আপনার মাথায় ঘুরপাক করতে থাকে। আর তক্ষণই আপনি নিয়ন্ত্রন হারিয়ে বেশি লাভ করার আশায় সকল নিয়ম কানুন ভুলে ট্রেড ওপেন করে একাউন্টের সর্বনাশ করে ফেলেন। তবে আপনি ইচ্ছা করলেই ফরেক্স থেকেও ভাল এমাউন্টের প্রফিট করতে পারেন। কিন্ত এর জন্য প্রয়োজন যথাযথ নিয়ন্ত্রন। সামনের টপিকে নিয়ন্ত্রনের উপায় ও কৌশল নিয়ে আলোচনা করব।
  23. অামরা সবসময় যে জিনিসগুলা খেয়াল করিনা সেটা হল আমরা কোন শুরু করার আগে সেটার বর্তমান /অতিত এবং ভবিষ্যৎ কি হতে পারে সেগুলা না জেনেই কাজটা শুরু করে দেয় অথচ এটা কি ঠিক । ধরে নেন আপনি একজন সাক্সেসফুল বিজনেজম্যান েএই ক্ষেত্রে আপনার কি করা উচিত ছিল আপনার প্রথমে যে জিনিসগুলার একটা ডিপলি এনালাইসেস করতে হতে পারে নিচের সবগুলাই মূলত একটি কাজ শুরু করার আগে কি চিন্তা বা ব্যবস্থা করা উচিত:- আপনি যেটা শুরু করতে যাচ্ছেন সেটার পূর্ব রেসাল্ট কি সেটা কে নিয়ে আগানোর জন্যে আপনার কি করতে হতে পারে অাপনি কি কি প্রবলেম ফেস করবেন সেটা আগে থেকেই একটা সম্ভাব্য ধারনা রাখা আপনি কি এটা সম্পর্কে ভালোভাবে জানেন অথবা না জানলে কি ভাবে জানতে পারেন বা এটাতে সাক্সেস হতে হলে আপনি কিভাবে এই প্রবলেম টা অভারকাম করবেন? যাহোক আমি আজকে আপনাদের অন্যে কোন বিজনেস এর ব্যাপারে বলতে চাচ্ছিনা। আমার আজকের টপিক এ্ই নয় যে আপনি ফরেক্স করতে হলে আপনার আগে থেকে যেসব জিনিস গুলা জানা উচিত বা ব্যবস্থা করা উচিত (সেটা উপরের চেকলিস্ট টার সাথে কিছুটা মিল পাবেন) আমি আজকে একটা নিউ চেকলিস্ট করছি সেটা তাদের জন্যে যারা ফার্স্ট টাইম ডিপোসিট করেছিলেন তারপর একাউন্ট জিরো করেছেন.তারপর আপনি চাচ্ছেন আবার শুরু করবেন তাহলে আপনি আবার কিভাবে শুরু করবেন। আপনার আগের ভুলগুলাকে শুধরিয়ে একটা নতুন সাক্সেস পাওয়ার জন্য আপনি কি কি করতে পারেন। আমি নিচে কিছু সম্ভাব্য একটা তালিকা দিলাম এগুলার মধ্যে যেগুলা আপনার সমস্য বা লসের কারন ছিল সেগুলাকে আপনি আপনার ডায়রি তে লিখে ফেলুন আমি আবার ও বলছি ডায়রিতে লিখুন এখনি শুধু পড়ার উদ্দেশ্য পড়বেন না বা এই চিন্তা করবেন না যে আপনি তো এইগুলা জানেন আগে থেকেই। লিখার কারন টা আপনি নিজে বের করবেন একদিন কেন লিখবেন ডায়রিতে।এরপর এটাকে আপনার সিগন্যাল বা স্ট্রেইজি অনুযায়ী ট্রেড সেটাপ পেলে ডায়রিটা আপনার সামনে রাখুন আর এইভেবে ডায়রিটা ফলো করুন যেন মনে হয় আপনি একজন ওয়ার্কার আর আপনার বস আপনাকে বলছে ডায়রিতে যা যা আছে সেভাবেই যেন ট্রেড সেটাপ দিতে। আমার পূর্বে যেসব প্রবলেম ছিল সেগুলা হল:- ⇷ ⇸ ⇹ ⇺ ⇻ ⇼ ⇷ ⇸ ⇹ ⇺ ⇻ ⇼ ⇷ ⇸ ⇹ ⇺ ⇻ ⇼ ⇷ ⇸ ⇹ ১.Stop loss দেয়নি ২.Stop loss চেন্জ করেছিলাম ৩.বারবার স্ট্রে্ইজি চেন্জ করেছিলাম ৪.অভার কনফিডেন্স হও্রয়ার কারনে স্ট্রে্ইজির বাহিরেও ট্রেড দিয়েছিলাম ৫.লট সাইজ চেন্জ করতাম ৬.অল্প প্রফিটে কেটে দিতাম ট্রেড ৭.ট্রেড দেওয়ার পর আবার এই অলরেডি এন্ট্রি নেওয়া ট্রেডটা নিয়ে এনালাইসিস করতাম ৮.বারবার টার্মিটাল দেখতাম আর ট্রেডের সিটুএশন দেখতাম ৯.যে কারেন্সি মন চায় সেই কারেন্সিতেই ট্রেড করতাম ১০.টাইমফ্রেমের তোয়াক্কা করতাম না ১১.ট্রেড সেটাপ দেখতাম এক টাইমফ্রেমের আর চেয়ে থাকতাম আরেক টাইমফ্রেমে ১২. উপরের সবগুলা বিষয় আবার চেক করব উপরের গুলা সম্পন্ন করেছি কিনা ট্রেডিং কারেকশন ⇷ ⇸ ⇹ ⇺ ⇻ ⇼ ⇷ ⇸ ⇹ Stop loss দেয়নি ─ ━─ ━─ ━─ ━ ডায়রি অনুযায়ী দেখুন আপনার স্ট্রেইজি আপনার কত Stop Loss দেওয়ার কথা ছিল Stop loss চেন্জ করেছিলাম ─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━ আর ভুলেও করবেন না।যখন প্রফেশনাল হবেন তখন অন্যে বিষয় কারন তখন আপনি ভালো করেই জানেন কেন চেন্জ করবেন কিন্ত শুরুতে আপনি চেন্জ করার মাএ একটাই কারন থাকে সেটা হল আপনার লস খাওয়ার ভয়। বারবার স্ট্রাটেজি চেন্জ করেছিলাম ─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━ এটা আর নয় যা করেছেন তা এতদিন লস করতে করতেই করে ফেলেছেন। আর আশা করি দুনিয়ার যত স্ট্রেইজি আছে এতদিনে গ্যাসের চুলায় বেজে ফেলেছেন । এখন দয়া করে যে কোন একটা পরিক্ষিত মেথড নিয়ে এগুন আর এটাতে কোন প্রবলেম থাকলে এটাকে চেন্জ করবেন না প্লিজ পারলে আপগ্রেড করুন কেন লস হল আর এই মেথড টাতে কি আরো সংযোজন করলে লস থেকে বাচতে পারতেন এইভাবে প্রতিটা ট্রেড লস করার পর চিন্তা করুন।সো মনে রাখতে হবে “মেথড চেন্জ নয় আপগ্রেড করবেন”। অভার কনফিডেন্স হও্রয়ার কারনে স্ট্রে্ইজির বাহিরেও ট্রেড দিয়েছিলাম ─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━ মাঝে মাঝে আপনি আপনার অজান্তেই নেইল ফুলার বা আরো বড় এক্সপার্ট হয়ে যান যা আপনি নিজেও জানেন না ।ট্রেডটা লস খাওয়ার পর বুঝতে পারেন আপনি এই ট্রেডটা হঠাৎ নেইল ফুলার হওয়ার কারনে আপনি আপনার স্ট্রেইজির বাহিরেই ট্রেড দেওয়া শুরু করে দিয়েছেন।আর ফলাফল সিলেটি ভাষায় যাকে বলে “আন্ডা”পেয়েছেন। লট সাইজ চেন্জ করতাম ─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━ আপনি যখন একটা টাইমে বেশি প্রফিট করা শুরু করে দেন আর আপনার মাঝে অভার কনফিডেন্স চলে আসে তখন ছোটবেলার গুনের নামতা এর মত লট সাইজ গুন করা শুরু করে দেন তারপর হিসাব কষে যে রেজাল্ট বের হয় সেই অনুযায়ী একটা ফুটবলের আকারের একটা লট সাইজ নিয়ে ট্রেড নিয়ে থাকেন অথচ সাময়িকভাবে বিষয়টা আপনাকে সেটিসফাই করলেও একসময় জিরো হবার মূল কারন হয়ে ধারাই (যা আমার কপালে জুটেছিল। XM ব্রোকারে আমার ফার্স্ট ডিপোসিট লস খাওয়ার একমাত্র কারন)। অল্প প্রফিটে কেটে দিতাম ট্রেড ─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━━ লস থেয়ে ফেলেছেন ৫০ ডলার আর একটা ট্রেড কি করে যেন ভাগ্যের গুনে আপনার পক্ষে যাওয়া শুরু হল আর কোন ক্রমে যদি ৫ ডলার ছুই ছুই অবস্থা হয় তাহলে আর কি ৫ ডলার ছোয়ার আগেই আপনার মাউস ট্রেড ক্লোজ করার যে অপশন টা থাকে সেটা ছুয়ে ফেলে কি করে যেন..লঅঅঅল..। ট্রেড দেওয়ার পর আবার এই অলরেডি এন্ট্রি নেওয়া ট্রেডটা নিয়ে এনালাইসিস করতাম ─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━ ট্রেড দিয়েছেন কিন্তু আপনার মত এনালাইসিস কি আর তার ট্রেড এনালাইসিস থামাতে পারে.ট্রেড দেওয়ার পরও আবার এই অলরেডি এন্ট্রি নেওয়া ট্রেডটা নিয়ে এনালাইসিস শুরু করে দেন আর ফলাফল অল্প প্রফিটে কেটে দেন ট্রেড। বারবার টার্মিটাল দেখতাম আর ট্রেডের সিটুএশন দেখতাম ─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ একটা ট্রেড দেওয়ার পর কথনো উচিত না এই ট্রেডটাকে বার বার দেখা ফলাফল আপনার মনে ভিতি তৈরি হতে পারে এইজন্যে বারবার ট্রেডটা দেখার দরকার নেই ।অন্যে কোন কাজ করুন বা নিজেকে বিজি রাখুন বা অন্যে কোন কাজ না থাকলে মুভি দেথুন।বিবাহিত হলে বউয়ের সাথে আড্ডা মারুন। যে কারেন্সি মন চায় সেই কারেন্সিতেই ট্রেড করতাম ─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ কারেন্সি সেটাপ টা সবসময় আপনার মাসের শুরুতেই করে রাখুন আর না হয় সপ্তাপ শুরু হওয়ার আগেই এনালাইসিস করে ফেলুন কোন কোন পিয়ার গুলা সামনের সপ্তাহের জন্যা ভালো হতে পারে।আমি সাজেস্ট করব কম ভলাটাইল কারেন্সি গুলা সিলেক্ট করে সেগুলাকে নিয়ে এনালাইসিস করুন। টাইমফ্রেমের তোয়াক্কা করতাম না ─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ আর টাইমফ্রেম এটা আবার কি আর এমন । না ভাই এটাও আপনার মাইন্ড চেন্জ এবং আপনার এনালা্ইসিস কে উল্টোদিকে নিয়ে যেতে পারে । তাই সবসময় একই টাইমফ্রেম ইউজ করা শিখুন আর সেটাতেই আপনার এনালাসিস করার ট্রাই করেন। ট্রেড সেটাপ দেখতাম এক টাইমফ্রেমের আর চেয়ে থাকতাম আরেক টাইমফ্রেমে ─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ ━── ━─ ━─ ━─ ━─ ━─ সবসময় যে টাইমফ্রেমে এনালাইসিস করেছেন পরে সেটাতেই চোখ বুলান এতে করে আপনার এনালা্ইসিস ভিশন ক্লিয়ার এবং দক্ষতা ভালো হয়। আমাকে ফেসবুকে | আমাকে লিন্কদিনে | আমাকে টুইটারে | আমাকে গুগল প্লাসে | আমার পাসোনাল ব্লগে

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×