Jump to content

Search the Community

Showing results for tags 'FOMC'.



More search options

  • Search By Tags

    Type tags separated by commas.
  • Search By Author

Content Type


Categories

  • ইন্ডিকেটর
  • এক্সপার্ট এডভাইসর
    • বিডিপিপস EA ল্যাব
  • স্ক্রিপ্ট
  • ট্রেডিং স্ট্রাটেজী
  • ট্রেডিং প্লাটফর্ম
  • ফরেক্স ই-বুক
    • বাংলা ই-বুক
  • চার্ট টেমপ্লেট

Forex Bangladesh - বিডিপিপস

  • ট্রেডিং এডুকেশন
    • সাধারণ ট্রেডিং আলোচনা
    • ফরেক্স স্টাডি
    • প্রশ্ন এবং উত্তর
  • ফরেক্স ট্রেডিং আলোচনা
    • ফরেক্স নিউজ
    • ট্রেডিং আইডিয়া
    • ট্রেডিং স্ট্রাটেজি
  • ট্রেডিং সফটওয়্যার
    • ফরেক্স ইন্ডিকেটর
    • এক্সপার্ট এডভাইসর
    • মেটাট্রেডার এবং MQL
  • ফরেক্স ব্রোকার
    • ফরেক্স ব্রোকার
  • বিডিপিপস ফোরাম সাপোর্ট
    • ফোরাম সাপোর্ট
  • অফ-টপিক
    • অপ্রাসঙ্গিক
    • ফরেক্স হিউমার
  • লাইভ ট্রেডিং রুম

Find results in...

Find results that contain...


Date Created

  • Start

    End


Last Updated

  • Start

    End


Filter by number of...

Joined

  • Start

    End


Group


AIM


MSN


Website URL


ICQ


Yahoo


Jabber


Skype


লোকেশন


Interests


ব্রোকার


মোবাইল নং

Found 2 results

  1. ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস উদযাপনের পরপরই রাতে প্রস্তুত থাকুন ১৭ই ডিসেম্বর এর জন্য। কেননা, ঘড়ির কাটা রাত ১২ টা পার করার এক ঘন্টা পরই, অর্থাৎ, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় মধ্যরাত ১ টাতেই যে সুদের হার বাড়াতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেড। আর তাই, ৩ ই ডিসেম্বরের মত আরেকটি বড় মার্কেট মুভমেন্টের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন ট্রেডাররা। তবে, প্রশ্ন হচ্ছে আবার ৩ই ডিসেম্বরের মোট অপ্রত্যাশিত কিছু হবে কি? সবচেয়ে ঘোর ইউরো সমর্থকও হয়ত আশা করেননি যে, ইসিবি সুদের হার কমানোর পরেও EUR/USD শক্তিশালী হবে এবং এতটা শক্তিশালী হবে। যদিও EUR/USD এতটা শক্তিশালী হওয়ার পড়ে অনেক বিশ্লেষকই ব্যাখ্যা দিচ্ছেন যে ট্রেডাররা সুদের হার আরও বেশি কমানো হবে বলে প্রত্যাশা করেছিল এবং তা না হওয়ায় EUR/USD দুর্বল হয়েছে। কিন্তু, এরকম যুক্তি নিউজের আগে না এসে পরে দেওয়ায় তা ধোপে টিকছে না। তবে মারিও দ্রাঘি নিজেই স্বীকার করে নিয়েছেন যে, মার্কেট তার বক্তব্য বুঝতে ভুল করেছে। ইসিবি সুদের হার কমানোর পরেও EUR/USD ৫০০ পিপসেরও বেশি শক্তিশালী হওয়ায় এবং সম্প্রতি ১.১০ ব্যারিয়ারও ভেঙ্গে ফেলায়, প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন ট্রেডাররা। ১৬ ডিসেম্বরও কি এরকম অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটতে পারে? আপাত দৃষ্টিতে সুদের হার বাড়ানোর ফলে EUR/USD র নিশ্চিত ১০০-৩০০ পিপস দুর্বল হওয়ার কথা থাকলেও ৩ ডিসেম্বরের মোট অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কেননা সুদের হার বৃদ্ধি প্রত্যাশিত, অপ্রত্যাশিত নয়। ১৭ই ডিসেম্বর কি ঘটতে যাচ্ছে? ১৬ই ডিসেম্বরই বৈঠকে বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারের রিজার্ভ ওপেন কমিটি বা FOMC । মূল এজেন্ডা হল যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক অর্থনীতি পর্যালোচনা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার ঘোষণা করা। দীর্ঘদিন ধরেই সুদের হার মাত্র ০.২৫ শতাংশে নামিয়ে রাখা হয়েছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এবার সুদের হার বাড়িয়ে ০.৫০ শতাংশ করা হবে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, ঠিক আট বছর আগেই ফেড সুদের হার কমিয়ে ০.২৫ শতাংশে নিয়ে আসে। সেবারও কিন্তু প্রত্যাশা করা হচ্ছিল যে সুদের হার কমানো হবে। তবে, প্রত্যাশা ছিল সুদের হার শতকরা ১ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.৫০ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে। কিন্তু, সবাইকে চমকে দিয়ে একেবারেই ০.২৫ শতাংশে নামিয়ে আনে ফেড। যার ফলশ্রুতিতে ব্যাপকভাবে দুর্বল হয় ডলার ও শক্তিশালী হয় EUR/USD. যেহেতু, সুদের নতুন হার ০.৫০ শতাংশ প্রত্যাশিতই, তাই যদি ফেড সুদের হার বাড়িয়ে ০.৭৫ শতাংশে বা ১ শতাংশে নিয়ে আসে, তাহলে তা EUR/USD কে কমপক্ষে ২০০-৩০০ পিপস দুর্বল করবে। আর যদি ফেড সুদের হার প্রত্যাশামতই বাড়িয়ে ০.৫% করে, তাহলে তা অর্থনীতির সাধারণ নীতি অনুসারে EUR/USD কে দুর্বল করার কথা থাকলেও EUR/USD দুর্বল বা শক্তিশালী, দুটোই হতে পারে। সেক্ষেত্রে, মার্কেটে বড় ধরনের স্পাইক হওয়ার ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। আর যদি ফেড সুদের হার নাই বাড়ায় এবং FOMC স্টেটমেন্টেও অতি দ্রুতই সুদের হার না বাড়ানোর কোন জোরালো ইঙ্গিত না দেয়, তাহলে ডলার দুর্বল হয়ে EUR/USD আরও ২০০-৩০০ পিপস শক্তিশালী হতে পারে। তবে যাই ঘটুকনা কেন, মার্কেটে যে বড় মুভমেন্ট ঘটতে যাচ্ছে, তা একপ্রকার নিশ্চিত। ১৭ই ডিসেম্বরের আরও আপডেটের জন্য বিডিপিপসের সাথেই থাকুন।
  2. FOMC ঝড়ে এমনিতেই দুর্বল ইউরো, পাউন্ড ও অন্যান্য কারেন্সিগুলো। মড়ার উপর খরার ঘা হিসেবে তার উপর আবার প্রত্যাশার চেয়েও ভালো এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের ত্রৈমাসিক জিডিপি। প্রত্যাশা ৩ শতাংশ হলেও, যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক অর্থনীতি বেড়েছে ৩.৫ শতাংশ হারে। সপ্তাহে ছিলই ডলারের জন্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ, আর দুটিতেই বাজিমাত করেছে ডলার। ১.৬০০০ যে দেয়াল ঠেকিয়ে রেখে ১.৬১ এ ফেরত পাঠিয়েছিল GBP/USD কে, তা আর পারেনি প্রতিরোধ গড়ে তুলতে। আজকেই যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপি নিউজের পরপরই তা ভেঙ্গে গিয়েছে। GBP/USD নেমেছিল সর্বনিম্ন ১.৫৯৫৯ তে। তবে এখন কিছুটা শক্তিশালী হয়ে আবার ১.৬০ এর কাছাকাছি ট্রেড হচ্ছে। EUR/USD এর অবস্থাটা একটু ভিন্ন। নিকট ভবিষ্যতে ইউরোকে নিয়ে আশাবাদী কম লোকই আছেন। EUR/USD যে দুর্বল হবে, সে সম্ভাবনা বেশ জোরেশোরেই উঁকিঝুঁকি মারছিল। তাই, দেখার বিষয় ছিল, পতনটা কখন হবে, কিভাবে হবে। ১.২৬০০ এর শক্তিশালী বাধাও ভেঙ্গে গেছে। তাই, EUR/USD এর আরো দুর্বল হতে আপাতত আর কোন বাধা নেই। EUR/USD এর পরবর্তী শক্তিশালী বাধা হতে যাচ্ছে ১.২৫। EUR/USD যদি ১.২৫ এর কাছাকাছি যায়, তাহলে এই প্রাইসে বাই করে ১.২৪৯০ তে স্টপ লস সেট করে ১.২৫৫০ তে টেক প্রফিট সেট করতে পারেন আপনি। আমরা ধারনা করছি, ১.২৫ সহজে ব্রেক হবে না, কারন ঠিক এ জায়গা থেকেই গত ৩ অক্টোবর EUR/USD ট্রেন্ড রিভার্সাল করেছিল (চার্ট লক্ষ্য করুন)। তাই, ১.২৫০০ একটি শক্তিশালী সাপোর্টে পরিণত হয়েছে এবং এটাকে ভাঙতে হলে মার্কেটকে অন্তত দুই এক বার চেষ্টা করতে হতে পারে (বড় ধরনের কোন নিজের তাৎক্ষনিক প্রভাব না থাকলে) । এক্ষেত্রে লাভ ও লসের রিস্ক রেশিও ৩:১/৪:১ তবে অতীত বলে থাকে, একতরফা পতন কম হয়। মোটামুটি সব বিশ্লেষকই EUR/USD আরো দুর্বল হবে বলে অনুমান করলেও, আরো পতনের আগে পেয়ারটি ১০০/২০০ পিপস শক্তিশালী হতে পারে এবং এ ধরনের ঘটনা মোটেই বিরল নয়। তাই, এখনই অনিশ্চয়তার মধ্যে ট্রেড ওপেন না করতে চাইলে, আপনি প্রাইস ১.২৫ এর কাছাকাছি পৌঁছালে ট্রেড করতে পারেন, অল্প স্টপ লস ও বেশি টেক প্রফিট সেট করে। আর যদি, মার্কেট রিভার্স করে ১.২৭ ৫০ অথবা ১.২৮ এ পৌছায় তাহলে, ইকোনমিক ইন্ডিকেটরগুলো ইউরোজোনের অবস্থার উন্নতি না দেখালে, সেখান থেকেও আপনি সেল করতে পারেন যদি লং ট্রেড করতে চান। খুব সম্প্রতিই EUR/USD এর দীর্ঘমেয়াদি আপট্রেন্ডে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশ কম। প্রাইস ১.২৭৫০ বা ১.২৮ এ পৌঁছালে তা সেলারদের কাছে আকর্ষণীয় হবে। কারন সেলাররা সবসময়ই চায়, বেশি প্রাইসে সেল করতে, তাতে রিস্ক ও কমে, আর প্রফিটও করা যায় বেশি। EUR/USD এর জন্য পরবর্তী শক্তিশালী রেজিস্টান্স হচ্ছে ১.২৭৬৯। EUR/USD শক্তিশালী হতে এখন দুইটি জিনিস প্রয়োজন। ইউরোজোনের অর্থনীতির লক্ষণীয় উন্নতি অথবা মন্দা/ঋণ সংকট ফিরে আসবে না আর এমন কোন পূর্বাভাষ। অথবা সামনের দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমিক রিপোর্টগুলো খারাপ আসা যাতে ডলার দুর্বল হয়। ডলারের দুর্বলতায় নয় বরং ইউরোর শক্তিমত্তাতেই EUR/USD শক্তিশালী হবে, এমন সম্ভাবনা কমই।
×
×
  • Create New...