Jump to content

Search the Community

Showing results for tags 'বিটকয়েন'.



More search options

  • Search By Tags

    Type tags separated by commas.
  • Search By Author

Content Type


Categories

  • ইন্ডিকেটর
  • এক্সপার্ট এডভাইসর
    • বিডিপিপস EA ল্যাব
  • স্ক্রিপ্ট
  • ট্রেডিং স্ট্রাটেজী
  • ট্রেডিং প্লাটফর্ম
  • ফরেক্স ই-বুক
    • বাংলা ই-বুক
  • চার্ট টেমপ্লেট

Forex Bangladesh - বিডিপিপস

  • বিডিপিপস
    • ফরেক্স স্টাডি
    • ফরেক্স নিউজ
    • সাধারণ ট্রেডিং আলোচনা
    • প্রশ্ন এবং উত্তর
    • ফরেক্স ব্রোকার ও পেমেন্ট মাধ্যম
    • ইন্ডিকেটর, রোবট ও মেটাট্রেডার
    • ট্রেডিং আইডিয়া
    • ট্রেডিং স্ট্রাটেজি
    • ফোরাম সাপোর্ট
    • অপ্রাসঙ্গিক
    • ফরেক্স হিউমার
  • ফরেক্স ট্রেডিং আলোচনা
  • ট্রেডিং সফটওয়্যার
  • ফরেক্স ব্রোকার
  • বিডিপিপস ফোরাম সাপোর্ট

Find results in...

Find results that contain...


Date Created

  • Start

    End


Last Updated

  • Start

    End


Filter by number of...

Joined

  • Start

    End


Group


AIM


MSN


Website URL


ICQ


Yahoo


Jabber


Skype


লোকেশন


Interests


ব্রোকার


মোবাইল নং

Found 3 results

  1. সাধারনত লিখা-লিখি করা আমার দ্বারা হয়ই না। যার জন্য হয়তো আমাকে অনেকেই চিনতে পারবেন না। লিখা-লিখির অভ্যাস না থাকার কারনে কি দিয়ে শুরু করবো ভাবতে গিয়ে উপরের লাইন লিখে ফেল্লাম। যাই হোক মুল কথাই আসি। আমি ফরেক্স শুরু করার চিন্তা ভাবনা যখন শুরু করি তখন বিডিপিপস্‌ (বর্তমানে ফরেক্স ডট কম ডট বিডি) থেকেই শুরু। অর্থাৎ বাংলাই ফরেক্স সম্পর্কে জানার জন্য এই প্লাটফর্মই আমাকে যথেষ্ট সাহয্য করেছে। আমি প্রথম থেকেই শুধু কিছু জানার জন্য শেখার জন্য এখানে আসতাম। কিছু শেয়ার করার মত আমার ভিতরে কিছু ছিলোনা। যার কারণে দেখে থাকবেন আমার পোষ্ট নাই বললেই চলে। যাইহোক, ২০১৩ থেকে ফরেক্স সম্পর্কে জানতে শুরু করি। এর পর ধীরে ধীরে রিয়াল ট্রেডের দিকে আগাতে থাকি। এর মধ্যে প্রথম দিকে ভালই সমস্যাই পড়েছিলাম। যা সাধারনত সকলেরই হয়ে থাকে। অপর দিকে আমার প্রাথমিক ইনভেস্টও কম ছিলো। আমি ১০০ কি ১৫০ দিয়ে ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড শুরু করি। এটাই ছিলো আমার ইনভেস্ট এর পরে আর কোন ইনভেস্ট করি নাই। এই ইনভেস্ট দিয়ে শুরু করে যখন আমার ট্রেডিং অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে তখন, আমার এক ফ্রেন্ডের সাথে পরামর্শ করে ট্রেডিং ম্যথড চেন্জ করি। এই সম্পর্কে আমি ২০১৫ তে একটি পোষ্ট করে ছিলাম। চাইলে তা পড়তে পারেন। ২০১৫-এর পোষ্ট। এই ভাবে চলতে চলতে আমি ২০১৬ সাল থেকে ফরেক্স ট্রেডিং থেকে বের হতে চেষ্টা করি। তার কারণ, ফরেক্স মার্কেটে ব্যপক পরিবর্তন। এখন হয়তো অনেকেই ভাবতে পারেন কিসের পরিবর্তন। যার পুরাতন ট্রেডার আছেন তারা হয়তো বিষয়টি খুব সহজেই বুঝতে পারছেন। আমি ২০১৭ প্রথম কোয়ার্টারে ফরেক্স মার্কেট থেকে পুরাপুরি কুয়িট করি। তবে তারপরও ছাড়া হয়নি। কিছুটা টান তো আছেই। আমার কিছু ট্রেডার আছে। যাদের জন্য আমিও কিছুটা লিংকেড। যাইহোক, ২০১৭ তে ফরেক্স থেকে ইনভেস্ট বের করে ক্রিপ্টোকারেন্সিতে ইনভেস্ট করি। যদিও এখানেও খুব অল্প পরিমান দিয়ে শুরু করি। আর এখানেও সেই একবারই ইনভেস্ট। ২০১৭ তে যারা ক্রিপ্টোকারেন্সিতে ইনভেস্ট করেছিলেন তারা হয়তো এই মার্কেটে ঢুকে ঢুকেই এর মজা পাইছিলেন। যার মজা আমি নিজেও পাইছি। যদিও আমি সেই অবস্থাতে খুবই কম ক্যশ করেছিলাম। ২০১৮-১৯ খুব একটা ভাল সময় যায়নি। শুধূ ধর্য্য ধরা ছাড়া কিছুই করেনি। আশা করি ২০২০-২১ হবে বিটকয়েনের জন্য আরেকটি স্বরনীয় সময়। এখনা উল্লেক্ষ যে, আমি আমার ইনভেস্ট থেকে যা প্রফিট করেছি, তার চেয়ে বাউন্টি আর কনটেস্ট করে বেশ ভাল একটা ক্যপিটাল জোগাড় করেছি। বাউন্টি কি তা জানতে Bounty থেকে আয় করার উপায়। পোষ্টটি পড়তে পারেন। বর্তমানে এখন এবং ভবিষতে ক্রিপ্টোকারেন্সিতেই থাকার আশা পোষন করি। অনেকেই ভাবতে পারেন ফরেক্স মার্কেটেও তো বিটকয়েন ট্রেড করা যায়। কিন্তু ফরেক্স ব্রোকারে বিটকয়েন ট্রেড আর ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেন্জে ট্রেড ভিন্ন রকম। ফরেক্স আর ক্রিপ্টোকারেন্সির পার্থক্য জানতে আপনি ফরেক্স vs. ক্রিপ্টোকারেন্সি ট্রেডিং টপিকটি পড়তে পারেন। আজ এই পর্যন্তই।
  2. কিছুদিন আগে ২০ হাজার ডলার, গত পরশুও ছিল ৮ হাজার ডলার। কিন্তু, ২০ হাজার ডলার থেকে গতকাল বিটকয়েন নেমে এসেছে কয়েনপ্রতি ৬ হাজার ডলারেরও নীচে, যা গত নভেম্বরের পরের সর্বনিম্ন প্রাইস। এভাবে দরপতন হওয়ায় আতঙ্কিত বিটকয়েন বায়াররা। তবে আজ প্রাইস কিছুটা বেড়ে আবার ৭,৪০৩ এ অবস্থান করছে। কিন্তু এখানেই শেষ নয়। বিটকয়েনের আরো বিশাল দরপতন হতে পারে। কারন, চীন বিটকয়েন ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। শুধু তাই নয়, চীনের নাগরিকগন যাতে বিটকয়েন কারেন্সি এক্সচেঞ্জ ব্রাউজ করতে না পারে, তারও ব্যবস্থা নিচ্ছে দেশটি। অর্থাৎ, বিটকয়েন ব্যানের জন্য যা যা করা দরকার, সব করবে দেশটি। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি চীন যদি নাগরিকদের বিটকয়েন ব্যবহার করতে না দেয়, তাহলে সম্ভাবনা আছে যে আরো অনেক দেশ একই পন্থা অনুসরন করবে। আর যেহেতু বিটকয়েন কোন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রনভুক্ত নয়, তাই অনেক দেশই চাইবে না বিকল্প আরেকটি অর্থ ব্যবস্থা তৈরি হোক। এক নজরে প্রধান ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলোর দরপতনঃ বিটকয়েনঃ নভেম্বর ২০১৭ সালের সর্বোচ্চ ১৯ হাজার ডলার থেকে বর্তমানে ৭.৪০৩ ডলার ইথেরিয়ামঃ জানুয়ারী ৯, ২০১৮ সালের সর্বোচ্চ ১২৫৫ ডলার থেকে বর্তমানে ৫৭৪ ডলার বিটকয়েন ক্যাশঃ ২০ ডিসেম্বর ২০১৭ সালের সর্বোচ্চ ৪০৯১ ডলার থেকে বর্তমানে ৭৬৬ ডলার লিটকয়েনঃ ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭ সালের সর্বোচ্চ ৩৬৬ ডলার থেকে বর্তমানে ১০৬ ডলার এদিকে ইউকে এবং ফ্রান্সের রেগুলেটররা বিনিয়োগকারীদের মানা করেছেন কোন কোম্পানির ইস্যুকৃত ডিজিটাল কারেন্সি না কেনার জন্য। তারা সাবধান করে বলেছেন যে, এর ফলে বিনিয়োগকারীরা তাদের সব অর্থ হারাতে পারে।
  3. প্রতি বিটকয়েনের মূল্য এই মুহুর্তে ১১,০০৪ ডলার। অনেক বিশেষজ্ঞ বিটকয়েনের মূল্য ১ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে একসময়, এমন মতামত দিলেও, সাম্প্রতিক ধ্বসের কারনে তা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। এমতাবস্থায় ওয়ালস্ট্রীট কি ভাবছে? সিএনবিসি এর মতে, ব্লিকলে এ্যাডভাইজারি গ্রুপের প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা পিটার বুকভার বিট কয়েনকে একটি সম্ভাবনাময় মুদ্রা হিসেবে দেখেন এবং তিনি মনে করন এর ফলাফল অনেক দীর্ঘ মেয়াদী। কিন্তু সাম্প্রতিক ধ্বসের পরে বুকভার মনে করেন যে, এই বছর বিট কয়েনের মূল্য ৭০ থেকে ৯০ শতাংশ কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, “পরবর্তী বছরগুলোতে বিটকয়েনের মূল্য যদি ১০০০ ডলার থেকে ৩০০০ ডলারে নেমে যায় তাহলেও আমি অবাক হবো না।“ এই বিষয়ে বুকভারকে প্রশ্ন করা হয়, বিট কয়েনের মূল্য পড়ে যাওয়ার কারনে যদি শেয়ার বাজার ভেঙ্গে পড়ে? এর উত্তরে তিনি বলেন, যেকোন মূদ্রার পতন হলে সেটা হবে মূলত মনস্তাত্ত্বিক। কারণ বিট কয়েন মূলত ১৯ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির সাথে সম্পর্কিত নয়। তিনি আরও বলেন, দক্ষিন কোরিয়া, জাপান এবং আমেরিকায় মানুষ প্রতিনিয়ত ডেবিট কার্ড ঋণ নিচ্ছে ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলোতে বিনিয়োগ করার জন্য। এর কারনে শেয়ার বাজার আক্রান্ত হবে। সিএনবিসিকে বুকভার বলেন, ক্রিপ্টো মার্কেটের এই আকস্মিক বৃদ্ধি বা উন্নতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ইজি মানি পলিসিতে আরোপ করা যেতে পারে। এমনটি যদি করা হয় তবে বিনিয়োগকারীদের কাছে বিট কয়েনের মত ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলো আরও বেশী আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। যার কারনে তারা অবমূল্যায়ন এবং মুদ্রাস্ফীতি থেকে সীমাবদ্ধ এবং নিরাপদ থাকবে। একটি প্রশ্ন থেকেই যায় যে, বিট কয়েন কি তাহলে আরেকটি ইকোনমিক বাবল? ইয়েলের অর্থনীতিবীদ রবার্ট সিলার ইকোনমিক বাবলের উপর তার অবদানের জন্য ২০১৩ সালে নোবেল পুরষ্কার পান। তিনি ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে বাবলের একটি উদাহরণ হিসেবে বিট কয়েন ব্যাবহার করেন। পরবর্তিতে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে সিলার বলেন, তিনি জানতেন না যে বিট কয়েন দিয়ে কি করতে হবে। তিনি আরও বলেন , এটা জানতে আরও ১০০ বছর লেগে যেতে পারতো। বিটকয়েন ব্যবহারকারীদের হতাশ হওয়ার আরও কারন আছে। গতকাল দক্ষিন কোরিয়া বিট কয়েনের উপর ২৪% কর আরোপ করেছে। একই পথে হাটতে পারে অন্য দেশগুলোও।
×
×
  • Create New...