Jump to content

Search the Community

Showing results for tags 'ফরেক্স'.



More search options

  • Search By Tags

    Type tags separated by commas.
  • Search By Author

Content Type


Categories

  • ইন্ডিকেটর
  • এক্সপার্ট এডভাইসর
    • বিডিপিপস EA ল্যাব
  • স্ক্রিপ্ট
  • ট্রেডিং স্ট্রাটেজী
  • ট্রেডিং প্লাটফর্ম
  • ফরেক্স ই-বুক
    • বাংলা ই-বুক
  • চার্ট টেমপ্লেট

Forex Bangladesh - বিডিপিপস

  • ট্রেডিং এডুকেশন
    • সাধারণ ট্রেডিং আলোচনা
    • ফরেক্স স্টাডি
    • প্রশ্ন এবং উত্তর
  • ফরেক্স ট্রেডিং আলোচনা
    • ফরেক্স নিউজ
    • ট্রেডিং আইডিয়া
    • ট্রেডিং স্ট্রাটেজি
  • ট্রেডিং সফটওয়্যার
    • ফরেক্স ইন্ডিকেটর
    • এক্সপার্ট এডভাইসর
    • মেটাট্রেডার এবং MQL
  • ফরেক্স ব্রোকার
    • ফরেক্স ব্রোকার
  • বিডিপিপস ফোরাম সাপোর্ট
    • ফোরাম সাপোর্ট
  • অফ-টপিক
    • অপ্রাসঙ্গিক
    • ফরেক্স হিউমার
  • লাইভ ট্রেডিং রুম

Categories

There are no results to display.


Found 23 results

  1. আমি প্রায় ৩ মাস যাবত ফরেক্স শিখতেছি। কিন্তু যেখানে ফরেক্স শিখাচ্ছে তা আমার কাছে যথার্থ মনে হচ্ছে না।তার চেয়ে ফরেক্স বিডি গ্রুপটি কে বেশি পারফেক্ট মনে হয়।তাই এখানে পোষ্ট করলাম, যদি কেউ ফরেক্স শেখার ভাল কোন উপায় বলে দিতে পারেন।ধন্যবাদ।
  2. হ্যালো ট্রেডার ভাইয়েরা, আশা করি আপনাদের সময়টা বেশ ভালোই কাটছে। আমি নিয়মিত না লিখলেও বিডিপিপসের সাথে সংযুক্ত আছি সবসময়েই। বিভিন্ন সময় ক্রিপ্টোকারেন্সীগুলোর উপরে নানারকম আলোচনা দেখে আগ্রহী হয়ে উঠি। কিন্তু mt4 terminal এ (বিশেষত demo account) এ সেটা খুজে পেলাম না। কিন্তু আগ্রহটা বজায় থাকায় এটা নিয়ে ঘাটতে থাকি এবং কিছু ব্রোকারে ডেমো তে টেস্ট করার চেষ্টা করি। শুরুতে ভলিউম সাইজ ১.০ দিয়ে ট্রেড ওপেন করতে গিয়ে দেখলাম একাউন্ট ভ্যানিশ!! মানে ট্রেড শুরুর সাথে সাথেই একাউন্ট শেষ। পরে আবার চেষ্টা করলাম ০.০১ ভলিউমে। কিন্তু এবারে দেখলাম যে, প্রতি পিপসে +/- হচ্ছে অল্পই, কিন্তু ফ্লোটিং মাইনাস বিশাল সাইজের। সেটা নাকি কমিশন। যেটা বুঝলাম এই পিপস ভ্যালুতে ট্রেড করে ইহজীবনে এই ফ্লোটিং মাইনাসকে প্লাস করতে পারা যাবে না। কিছু ইউটিউবেও ঘাটাঘাটি করলাম। কিন্তু তেমন লাভ হলো না। মূলত আমি বিটকয়েন তথা ক্রিপ্টোকারেন্সীতে ট্রেড করার বেসিকটাই ধরতে পারি নি। তাই অবশেষে বিডিপিপস মেম্বারদের শরনাপন্ন হলাম। উদ্দেশ্য এ বিষয়ে সম্যক জ্ঞানার্জন করা। একদম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল তথ্যই প্রয়োজন। আশা করি অভিজ্ঞ ট্রেডারদের সহযোগীতা পাব। পরিশেষে সবাইকে নববর্ষ ১৪২৫ এর শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। শুভ নববর্ষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ!!!!
  3. USDJPY পেয়ারের খুব অল্প প্রফিটের জন্য একটি ট্রেড সেট আপ দেখে নিন। আপনার নিজের সঙে মিলে গেলে এন্ট্রি নিতেও পারেন। যদিও এটি পেন্ডিং অর্ডার এর সেট আপ। তাহলে চলুন, কথা না বাড়িয়ে চার্ট দেখে বুঝে নেই বিষয়টা। চার্টে দেখতে পাচ্ছি, এক ঘন্টার টাইম ফ্রেমে ডাউনট্রেন্ডকে ব্রেক আউট করে আবার রিট্রেস করছে। আবার চার ঘন্টার টাইম ফ্রেমে গেলে দেখতে পাচ্ছি যে একটি পরিস্কার ইনসাইড বার তৈরি করেছে, যা কিনা রিভার্স ক্যান্ডেল হিসেবেই আমরা জেনে থাকি। চার্টে এই মুহুর্তে একটি লোয়ার হাই তৈরী করেছে। সেই লোয়ার হাই লেভেল ১০৭.০৪। আমরা সেই লেভেলকে ক্রস করার অপেক্ষায় থাকব। তাই আমরা বাই-স্টপ পেন্ডিং অর্ডার দিয়ে রাখব ১০৭.০৬ এ। এবং টার্গেট থাকবে ২৫ পিপ্স এর। এরপর অপেক্ষা............ চুড়ান্ত ফলাফলের। সবার সাফল্য কামনায়। আমি চেষ্ঠা করব রেগুলার সাইটে আমার ট্রেড এনালাইসিস আপনাদের সাথে শেয়ার করতে। এই লেখাটি আপনি আপনার ফেসবুক গ্রুপ, ফেসবুক ওয়ালে বা আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে দিন যাতে সকলেই সামান্য হলেও উপকৃত হতে পারে। সকলের সাফল্য কামনায়। আমার ফেসবুক পেজে লাইক দিয়েও আমার সঙে থাকতে পারেন। ফেসবুক পেজ লিঙ্কঃ bmfxanalyst
  4. প্রিয় ট্রেডার বন্ধুরা, কেমন আছেন আপনারা? আশা করি ভাল আছেন। আজ এই সপ্তাহে মেজর কারেন্সী পেয়ার EURUSD এর মুভমেন্ট কেমন হতে পারে, সে বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। অনেক বন্ধুরা আছেন, যারা শুধুমাত্র এই একটি পেয়ার নিয়েই ট্রেড করে থাকেন। আবার অনেকেই আছেন যারা অনেকগুলো পেয়ার নিয়ে তাদের এনালাইসিস করে থাকেন এবং ট্রেডও করে থাকেন। তবে সেসবের মাঝে এই পেয়ারটি অবশ্যই থাকে। তাহলে কথা না বাড়িয়ে চলুন, এই গুরুত্বপুর্ন পেয়ারের এই সপ্তাহের প্রাইস মুভমেন্টের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করি। আমি এখানে আমার এনালাইসিস এর উপরে আলোচনা করছি। আপনারা অবশ্যই এর সঙে আপনাদের নিজস্ব এনালাইসিস মিলিয়ে নিয়ে আপনাদের ট্রেড সেটআপ সাজাতে পারেন এবং কমেন্টে জানাতে পারেন। তবেই আশা করা যায় যে আপনাদের প্রফিটের সম্ভাবনা আরও বেড়ে যাবে। এই সপ্তাহের এনালাইসিসঃ ডেইলি টাইম ফ্রেমে আমরা দেখতে পারি যে, সবুজ মার্ক করা পয়েন্টগুলো পরিস্কারভাবে আপট্রেন্ডকে নির্দেশ করছে। একই ভাবে লাল মার্ক করা পয়েন্টগুলোও দেখা যাচ্ছে যে, আপট্রেন্ডে ব্রেক-আউট হয়ে আবার রিট্রেস করে আপট্রেন্ডই কন্টিনিউ করছে। এই দুই আপট্রেন্ডের সংযোগস্থলে দেখা যাচ্ছে একটা ছোটখাট সাপোর্ট লেভেল তৈরী করেছে এবং সর্বশেষ গত বৃহঃপতিবার ও শুক্রবারের ক্যান্ডেল ফরমেশনও পরিস্কার রিভার্স ক্যান্ডেলকেই নির্দেশ করছে। এ থেকে আমরা ধারনা করতেই পারি যে এই সপ্তাহে EURUSD পেয়ার বুলিশ থাকার সম্ভাবনাই বেশি। সুতরাং বাই ট্রেডারদের জন্য এটা সুখকর হতেই পারে। আমরা আরও একটু লক্ষ্য করলে দেখতে পারি যে, উপর থেকে খয়েরী রঙের মার্ক করা পয়েন্টগুলো পরিস্কার ডাউনট্রেন্ডকে নির্দেশ করছে। অর্থাৎ সেই ডাউনট্রেন্ডকে হিসেবের মাঝে এনে আমরা আমাদের টেক প্রফিট সেট করতে পারি। এরপর অপেক্ষা.................. চুড়ান্ত ফলাফল পাওয়া পর্যন্ত আমি চেষ্ঠা করব রেগুলার বিডিফরেক্সপ্রো সাইটে আমার ট্রেড এনালাইসিস আপনাদের সাথে শেয়ার করতে। এই লেখাটি আপনি আপনার ফেসবুক গ্রুপ, ফেসবুক ওয়ালে বা আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে দিন যাতে সকলেই সামান্য হলেও উপকৃত হতে পারে। সকলের সাফল্য কামনায়। আমার ফেসবুক পেজে লাইক দিয়েও আমার সঙে থাকতে পারেন। ফেসবুক পেজ লিঙ্কঃ bmfxanalyst
  5. Fundamentally USD সামনে Strong হবার সম্ভাবনা প্রবল, এক্ষেত্রে আমরা আশা করতে পারি মে ২০১৬ এর শুরুর দিক থেকে USD Strong হতে থাকবে, ফেড বলেই দিয়েছে যে এই বছর আরও দুবার তারা তাদের রেট বাড়াবে , এর উপর ভিত্তি করে আমরা আমাদের ওয়েভ আনাল্যসিস ঠিক করব। ১) USD/JPY Monthly chart এ দেখা যায়, ওয়েভ ৪ শেষ হবার পথে, শীঘ্রই ওয়েভ ৫ শুরু হবে বলে আশা করা যায়। এক্ষেত্রে , আমাদের বাই হল রিয়েল ট্রেড। সব থেকে ভাল হয়, অ্যাকাউন্ট বুঝে কয়েকটা ধাপে বাই ট্রেড নেয়া, যেটার টিপি আমরা ধরতে পারি ১২৩ , এস এল সেট করতে পারেন ১০৪.৫০, আশা করা যায় ভাল পিপ্স আসবে। ২) EUR/USD EUR/USD weekly chart এ দেখা যায় ওয়েভ ৪ ranging position এ আছে। ওয়েভ ৫ শেষ হইনাই, সেক্ষেত্রে 1.1770 এস এল দিয়ে 1.0465 TP দেয়া যেতে পারে, আর 1.0465 ভাঙ্গলে, সেটা 0.9500 ধরবে, আমাদের সেল হল এই পেয়ার এর রিয়াল ট্রেড। ৩) GBP/USD এই পেয়ার এর fundamentally অবস্থা খুব খারাপ। এটা এবছর Sell mode এ থাকবে, যদি কখনো 1.4600 এই লেভেল এ পাওয়া যাই, তাহলে ২০০ পিপ্স এস এল দিয়ে 1.3500 পর্যন্ত ওয়েট করা যেতে পারে, আমাদের সেল হল এই পেয়ার এর রিয়েল ট্রেড। ৪) NZD/USD & AUD/USD 10 বছরের back টেস্ট করে দেখা যায় যে, মে মাসের শুরু থেকে এই দুটো পেয়ার সেল মোডে থাকে , ভাল পয়েন্ট থেকে সেল দেয়াই হল ভাল কাজ, আমাদের সেল এই দুটি পেয়ার এর রিয়াল ট্রেড।
  6. আমরা যেখানেই ট্রেড করিনা কেন আমাদের অবশ্যই একটা নিয়ম মেনে চলতে হবে। এটা হোক ফরেক্স মার্কেট অথবা ফিউচার মার্কেট বা স্টক মার্কেট.একটা কথা আমাদের সবসময় মনে রাখতে হবে যে সাফল্যর পিছনে যে তিনটি জিনিস গুরুত্বপূর্ণ্ সেগুলা হল:- আপনার নিদির্ষ্ঠ একটা ট্রেডিং স্ট্রেইজি খাকতে হবে। আপনি একটা নিদির্ষ্ঠ নিয়ম মেনে ট্রেড করতে হবে এবং আপনি একটা প্রপার মানি ম্যানেজমেন্ট মেনে চলতে হবে আমার মনে হয় যারা ইতিমধ্যে ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড করে থাকে তাদের কে আবার নতুন করে মানি ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে বলার প্রয়োজন নেই কারন আমরা সবাই অকপটে বিশ্বাস করি মানি ম্যানেজমেন্ট ছাড়া আমরা কথনো আমাদের লক্ষ্যে পোছতে পারবনা।মনে করুন আপনি মানি ম্যানেজমেন্ট ছাড়া আপনি দুইটা ট্রেডে প্রফিট করলেন 50 ডলার.কিন্ত তার পরে আপনি মাএ একটা ট্রেডেই লস করলেন 100 ডলার .এতে করে অবশেষে আপনার লসই গুনতে হল.আসলে এখানে আপনি ট্রেড জয় হবার রেট না বৃদ্ধি করে বরং পিপস গেইনের পরিমান বৃদ্ধি করুন কারন এটাই আপনাকে এভারেজ প্রফিট এনে দিবে.সো সবসময় চেষ্ঠা করবেন একটা ভালো মানি ম্যানেজমেন্ট মেনে চলার জন্যে.একটা কথা মনে রাখবেন প্রপার মানি ম্যানেজমেন্ট আর উপরের বিষয়গুলা ভালোভাবে মেনে চলতে পারলে আপনি একটা সময় প্রফেশনাল হতে পারবেন। যাহোক আজকের টিউনে আমি একটি হাই একুরিসি স্ট্রেইজি শেয়ার করব.এটি মূলত তিনটি ইন্ডিকেটর এর সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে। আমি আশা করছি এই স্টেইজি দিয়ে প্রতিদিন কিছু না কিছু প্রফিট করতে পারবেন।আর আরেকটা কথা হল এই ইন্ডিকেটর গুলা মূলত তিনটি হাই প্রবাবিলিটি স্ট্রেইজি থেকে নেওয়া এবং এই স্ট্রেইজিটা তৈরি করা। ইন্ডিকেটরের লিস্ট সাপোর্ট-রেসিটেন্স মুভিং এভারেজ ATR চ্যানেল এই স্ট্রে্ইজিতে যেসব জিনিস আমাদের মেনে চলতে হবে:- টাইমফ্রেম:-সবসময় টাইমফ্রেম H1 ব্যবহার করবেন। কারন এই স্ট্রেইজিটিতে মূলত H1 টাইমফ্রেম টা ভালো কাজ করে তাই আমি বলব আপনিও H1 টাইমফ্রেস ব্যবহার করবেন। মুভিং এ্ভারেজ:-এটি মূলত একটি কাস্টম ইন্ডিকেটর.এটাতে আপনার কোন মডিফাই করার দরকার নাই.আমি যে ইন্ডিকেটর টি দিব সেটি জাস্ট আপনার চার্টে যুক্ত করবেন।আমি টিউনের শেষে সবগুলা ইন্ডিকেটর এবং রেডিমেট টেমপ্লেট এর ডাওনলোড লিন্ক দিয়েছি। ATR চ্যানেল:-এটিও একটি কাস্টম ইন্ডিকেটর.এর মাধ্যেমে আমরা এন্ট্রি এবং এক্সিট করব.অনেক প্রফেশনাল আছেন যারা শুধু মাএ ATR(Average True Range) দিয়ে তাদের ট্রেড এন্ট্রি নিয়ে থাকে এবং মার্কেটের এভারেজ ভলাটিলিটি বুঝে থাকেন।আমি আমার টিউনে আমি দেখাব কিভাবে আপনি এই ইন্ডিকেটর টি দিয়ে একটা প্রপার এন্ট্রি নিবেন এবং ঐ ট্রেড টাকে প্রফিটে ক্লোজ করবেন। সাপোর্ট-রেসিটেন্স:-আমরা মার্কেটের বর্তমান সাপোর্ট এবং রেসিস্টেন্স বের করার জন্যে এই ইন্ডিকেটরটি ব্যবহার করব।অনেকে ম্যানুয়ালী সাপোর্ট-রেসিস্টেন্স বের করে থাকে তবে অনেকে না বুঝার কারনে সঠিক ভাবে সাপোর্ট-রেসিস্টেন্স বের করতে পারেনা।তাই আমি এখানে একটা কাস্টম সাপোর্ট-রেসিস্টেন্স বের করার ইন্ডিকেটর দিচ্ছি।এতে করে আপনার কোন প্রকার মডিফাই ছাড়াই একটা প্রপার সাপোর্ট-রেসিস্টেন্স বের করতে পারবেন। আপডেট মুভিং এভারেজ ৫: আমরা প্রপার এবং আগের চেয়ে আরো একুরেট ট্রেড এন্ট্রি নেওয়ার জন্যে মুভিং এভারেজ ৫ ব্যবহার করব. নীচের চার্টটি দেখুন ট্রেড সেটাপ: প্রথমে ATR(Average True Range) দিকে ভালো করে থেয়াল করুন।যখন মার্কেট প্রাইস ATR এ্রর উপরের সবুজ লাইনকে টাচ করবে এবং ক্যান্ডল ক্লোজ হবে। তারপর আমরা ওয়েট করব মুভিং এভারেজ ৫ কে ক্রস করেছে কিনা।যখন মুভিং এভারেজ ৫ কে ক্রস করবে তখন সাথে সাথে একটা সেল ট্রেড দিয়ে দিব।ঠিক আবার যখন মার্কেট প্রাইস ATR এ্রর নীচের লাল লাইনকে টাচ করবে এবং ক্যান্ডল ক্লোজ হবে।তারপর আমরা ওয়েট করব মুভিং এভারেজ ৫ কে ক্রস করেছে কিনা।যখন মুভিং এভারেজ ৫ কে ক্রস করবে তখন সাথে সাথে একটা বাই ট্রেড দিয়ে দিব।আমার মনে হয়না এর চেয়ে সহজ আর কিছু আছে তারপরেও না বুঝলে আমি এটা নিয়ে একটা ভিডিও তৈরি করব। সেল ট্রেড এন্ট্রি:- উপরের সবুজ লাইনে টাচ করলে তারপর ক্যান্ডল ক্লোজ হওয়ার আগ পর্যন্ত ওয়েট করব তারপর ওয়েট করব মুভিং এভারেজ ৫ কে ক্রস করে কিনা তারপর সাথে সাথেই সেল ট্রেড নিব। বাই ট্রেড এন্ট্রি:- নীচের লাল লাইনে টাচ করলে তারপর ক্যান্ডল ক্লোজ হওয়ার আগ পর্যন্ত ওয়েট করব তারপর ওয়েট করব মুভিং এভারেজ ৫ কে ক্রস করে কিনা তারপর সাথে সাথেই বাই ট্রেড নিব প্রথম উদাহরন দ্বিতীয় উদাহরন স্টপ লস:- সবসময় স্টপ লস হবে 50 পিপস যদি আপনার ট্রেড টেক প্রফিট ও হিট করছেনা আবার স্টপ লস ও হিট করছেনা তাহলে দেখবেন মুভিং এভারেজ এর বিপরিতে ক্যান্ডল ক্লোজ হচ্ছে কিনা.বিষয়টা আরো একটু ক্লিয়ার করি মনে করুন আপনি সেল দিয়েছেন আপনার ট্রেড টেক প্রফিট ও হিট করছেনা আবার স্টপ লস ও হিট করছেনা এবং প্রাইজ মুভিং এভারেজের উপরে অবস্থান করছে এমন সময় যদি মার্কেট মুভিং এভারেজের নিচে ক্লোজ হয় তাহলে ট্রেড ক্লোজ করে দিবেন ম্যানোয়ালি সেটা প্রফিটে থাকুক বা লসে থাকুক। টেক প্রফিট:- সবসময় স্টপ লস হবে 50 অথবা 100 পিপস.এটা আপনার উপর নির্ভর করবে .তবে আপনি একটা জিনিস খেয়াল করবেন যে মার্কেটে তার পূর্বের ট্রেন্ড টা কত দীর্ঘ ছিল। যদি আপনার ট্রেড টেক প্রফিট ও হিট করছেনা আবার স্টপ লস ও হিট করছেনা তাহলে দেখবেন মুভিং এভারেজ এর বিপরিতে ক্যান্ডল ক্লোজ হচ্ছে কিনা.বিষয়টা আরো একটু ক্লিয়ার করি মনে করুন আপনি সেল দিয়েছেন আপনার ট্রেড টেক প্রফিট ও হিট করছেনা আবার স্টপ লস ও হিট করছেনা এবং প্রাইজ মুভিং এভারেজের উপরে অবস্থান করছে এমন সময় যদি মার্কেট মুভিং এভারেজের নিচে ক্লোজ হয় তাহলে ট্রেড ক্লোজ করে দিবেন ম্যানোয়ালি সেটা প্রফিটে থাকুক বা লসে থাকুক। সতর্কতা:-এক নজরে একটা চেকলিস্ট ।এটাকে আপনার ডেস্কটপ Background হিসেবে ব্যবহার করবেন।যাতে প্রতিদিন চোখের সামনে থাকে আর ভুল ট্রেড গুলাতে মন না গলে যায়। Average True Range indicator download link আমার সাইটে প্রথম প্রকাশিত হয়েছে:ব্লগ পোস্ট লিংক ফেসবুকে আমার সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে ফেসবুক আমার ফেসবুক পেজ জানিনা আপডেট ভার্সন কেমন একুরেট করতে পেরেছি তবে আমি আপনাদের কথা চিন্তা করে চেষ্ঠা করেছি ভালো কিছু উপহার দেওয়ার জন্যে বাকিটা আল্লাহ জানে
  7. ফরেক্স শেখার পর আমরা অনেকেই শুরুটা করি স্ট্যান্ডার্ড অ্যাকাউন্ট নিয়ে । স্ট্যান্ডার্ড অ্যাকাউন্টে কেউ যদি ০.১ লট ভলিউম নিয়ে যদি একটা ট্রেড ওপেন করেন তো তার পার পিপস ভ্যালু হবে .১০ সেন্ট তার মানে দাঁড়ায় দশ পিপস মুভ করলে লাভ বা লস হবে ১ ডলার । অনেক এক্সপার্ট ট্রেডাররাও সেন্টিমেন্টাল ট্রেড থেকে বের হতে পারেন না । সেন্টিমেন্টাল ট্রেড বলতে আমি এটা বুঝাচ্ছি যে, দেখা গেল মার্কেট স্পাইকের কারনে কারেন্সিতে অনেক সময় ২০০ থেকে ২৫০ পিপস মুভমেন্ট হয় । অনেকে সেই সময়ে কোন অ্যানালাইসিস না করে বেশি লট নিয়ে ৩ টা/৪ টা বাই বা সেল ট্রেড ওপেন করে রাখেন । মার্কেটের সেই ২০০ পিপস মুভমেন্ট যদি কন্টিনিউ করে ৫০০ থেকে ৬০০ পিপসে চলে যায় আর আপনার অ্যাকাউন্ট যদি ১০০ ডলার এর হয় তাহলে “কানা বাবা” হতে সময় লাগবে খুব বেশি হলে ৩ থেকে ৪ দিন । বর্তমান সময়ের কারেন্সির মুভমেন্টগুলো দেখলে প্রমান পেয়ে যাবেন । আপনি যদি এক্সপার্ট ট্রেডার এবং ভাল অ্যানালাইসিস জানেন তাহলে ভিন্ন কথা । আবার অনেকের ট্রেডিং ফোবিয়া হয়ে যায় মানে তারা প্রতিদিন ট্রেড না করে থাকতে পারে না । হয়ত বিশ্বাস করবেন না আমি একজন নতুন ট্রেডারকে চিনি যিনি কোন অ্যানালাইসিস না করে একদিনে ৪৫ টা ট্রেড করেছেন এবং ভাল প্রফিটও করেছেন । তার ডায়লগটা ছিল “ভাই ট্রেড ছাড়া থাকতে পারি না” । তবে ৫ মাস পর তিনি ফরেক্সকে বিদার জানিয়েছেন এবং এই পাঁচ মাসে তার অ্যাকাউন্ট শেষ হয়েছিল প্রায় ৪ টা । তাই নতুনদের ক্ষেত্রে মানে যারা আপাতত ১০০ বা ২০০ ডলার নিয়ে শুরু করতে চান তাদের উচিত মাইক্রো একাউন্ট নিয়ে কাজ শুরু করা । অন্তত পক্ষে ৫ থেকে ৬ মাসের মধ্যে একাউন্ট খালি করে ফরেক্সকে বাই বাই জানাতে হবে না ।
  8. ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস উদযাপনের পরপরই রাতে প্রস্তুত থাকুন ১৭ই ডিসেম্বর এর জন্য। কেননা, ঘড়ির কাটা রাত ১২ টা পার করার এক ঘন্টা পরই, অর্থাৎ, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় মধ্যরাত ১ টাতেই যে সুদের হার বাড়াতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেড। আর তাই, ৩ ই ডিসেম্বরের মত আরেকটি বড় মার্কেট মুভমেন্টের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন ট্রেডাররা। তবে, প্রশ্ন হচ্ছে আবার ৩ই ডিসেম্বরের মোট অপ্রত্যাশিত কিছু হবে কি? সবচেয়ে ঘোর ইউরো সমর্থকও হয়ত আশা করেননি যে, ইসিবি সুদের হার কমানোর পরেও EUR/USD শক্তিশালী হবে এবং এতটা শক্তিশালী হবে। যদিও EUR/USD এতটা শক্তিশালী হওয়ার পড়ে অনেক বিশ্লেষকই ব্যাখ্যা দিচ্ছেন যে ট্রেডাররা সুদের হার আরও বেশি কমানো হবে বলে প্রত্যাশা করেছিল এবং তা না হওয়ায় EUR/USD দুর্বল হয়েছে। কিন্তু, এরকম যুক্তি নিউজের আগে না এসে পরে দেওয়ায় তা ধোপে টিকছে না। তবে মারিও দ্রাঘি নিজেই স্বীকার করে নিয়েছেন যে, মার্কেট তার বক্তব্য বুঝতে ভুল করেছে। ইসিবি সুদের হার কমানোর পরেও EUR/USD ৫০০ পিপসেরও বেশি শক্তিশালী হওয়ায় এবং সম্প্রতি ১.১০ ব্যারিয়ারও ভেঙ্গে ফেলায়, প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন ট্রেডাররা। ১৬ ডিসেম্বরও কি এরকম অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটতে পারে? আপাত দৃষ্টিতে সুদের হার বাড়ানোর ফলে EUR/USD র নিশ্চিত ১০০-৩০০ পিপস দুর্বল হওয়ার কথা থাকলেও ৩ ডিসেম্বরের মোট অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কেননা সুদের হার বৃদ্ধি প্রত্যাশিত, অপ্রত্যাশিত নয়। ১৭ই ডিসেম্বর কি ঘটতে যাচ্ছে? ১৬ই ডিসেম্বরই বৈঠকে বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারের রিজার্ভ ওপেন কমিটি বা FOMC । মূল এজেন্ডা হল যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক অর্থনীতি পর্যালোচনা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার ঘোষণা করা। দীর্ঘদিন ধরেই সুদের হার মাত্র ০.২৫ শতাংশে নামিয়ে রাখা হয়েছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এবার সুদের হার বাড়িয়ে ০.৫০ শতাংশ করা হবে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, ঠিক আট বছর আগেই ফেড সুদের হার কমিয়ে ০.২৫ শতাংশে নিয়ে আসে। সেবারও কিন্তু প্রত্যাশা করা হচ্ছিল যে সুদের হার কমানো হবে। তবে, প্রত্যাশা ছিল সুদের হার শতকরা ১ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.৫০ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে। কিন্তু, সবাইকে চমকে দিয়ে একেবারেই ০.২৫ শতাংশে নামিয়ে আনে ফেড। যার ফলশ্রুতিতে ব্যাপকভাবে দুর্বল হয় ডলার ও শক্তিশালী হয় EUR/USD. যেহেতু, সুদের নতুন হার ০.৫০ শতাংশ প্রত্যাশিতই, তাই যদি ফেড সুদের হার বাড়িয়ে ০.৭৫ শতাংশে বা ১ শতাংশে নিয়ে আসে, তাহলে তা EUR/USD কে কমপক্ষে ২০০-৩০০ পিপস দুর্বল করবে। আর যদি ফেড সুদের হার প্রত্যাশামতই বাড়িয়ে ০.৫% করে, তাহলে তা অর্থনীতির সাধারণ নীতি অনুসারে EUR/USD কে দুর্বল করার কথা থাকলেও EUR/USD দুর্বল বা শক্তিশালী, দুটোই হতে পারে। সেক্ষেত্রে, মার্কেটে বড় ধরনের স্পাইক হওয়ার ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। আর যদি ফেড সুদের হার নাই বাড়ায় এবং FOMC স্টেটমেন্টেও অতি দ্রুতই সুদের হার না বাড়ানোর কোন জোরালো ইঙ্গিত না দেয়, তাহলে ডলার দুর্বল হয়ে EUR/USD আরও ২০০-৩০০ পিপস শক্তিশালী হতে পারে। তবে যাই ঘটুকনা কেন, মার্কেটে যে বড় মুভমেন্ট ঘটতে যাচ্ছে, তা একপ্রকার নিশ্চিত। ১৭ই ডিসেম্বরের আরও আপডেটের জন্য বিডিপিপসের সাথেই থাকুন।
  9. আবারও মার্কেট কাঁপাল NFP। গতকাল থেকেই ফরেক্স ট্রেডাররা অপেক্ষা করছিলেন NFP এর জন্য, আর তাই মার্কেট মুভমেন্টও ছিল অনেক কম। আজ বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭:৩০ এ প্রকাশিত হয় NFP রিপোর্টটি এবং এবারের ফলাফল হল 271K, যা প্রত্যাশিত 181K থেকে অনেক অনেক বেশি। তাই, মার্কেটে NFP এর প্রভাবও পরে অনেক বেশি। গতকালের নিউজে আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম: কিন্তু, EUR/USD প্রত্যাশা থেকেও অনেক বেশি দুর্বল হয়েছে এবং মাত্র ১০ মিনিটেই ১.০৮৬৪ থেকে ১৫০ পিপসসের ও বেশি দুর্বল হয়ে ১.০৭০৮ এ নেমে আসে। এই মুহুর্তে, আবার কিছুটা মূল্য সংশোধনের পর EUR/USD ১.০৭৪৪ এ ট্রেড হচ্ছে। শক্তিশালী ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত থাকায় EURUSD আরো দুর্বল হতে পারে। এই সপ্তাহের অধিকাংশ নিউজের পরেই প্রত্যাশিত মার্কেট মুভমেন্ট ঘটায় বেশ চমত্কার একটি সপ্তাহ গেল ফরেক্স ট্রেডারদের জন্য। আপনার সাফল্য বা ব্যর্থতা, দুটোই শেয়ার করুন। কারণ, উভয়টি থেকেই আমাদের সবার অনেক কিছু শেখার আছে।
  10. আপনার আশপাশে এখন যাদের ট্রেড করতে দেখছেন বা ভালো প্রফিটও করতে দেখছেন, কিছুদিন পরেই তাদের অধিকাংশকে আর ট্রেড করতে দেখবেন না। খুব ভালো সম্ভাবনা রয়েছে যে, এই তালিকায় আপনি নিজেও থাকবেন। কারণ, মার্কেট এত দিন রেঞ্জে ছিল, মুভমেন্ট হয়েছে কম. ট্রেড করার সুযোগও ছিল কম, লাভও হয়েছে কম। আর এ ধরনের রেঞ্জ বাউন্ড মার্কেটে ট্রেডাররা ফতুরও হোন কম। কিন্তু, এখন আবার মার্কেটে ভোলাটিলিটি ফিরে এসেছে বা মার্কেট মুভ করা শুরু করেছে। এ সময়েই ট্রেডাররা সবচেয়ে বেশি ফতুর হন। এর প্রধানতম কারণ হচ্ছে, মার্কেট এখন ট্রেন্ডে। অনেক ট্রেডারই এতদিন দেখে এসেছেন যে, EUR/USD ১.১১-১.১৩ এর মধ্যেই আপডাউন করছে। কমলে আবার বাড়ছে, বাড়লে আবার কমছে। কিন্তু, ফরেক্স মার্কেটে কোন কারেন্সি পেয়ারের প্রাইস যে একবার কমতে শুরু করলে তা কমতেই থাকে আর বাড়তে শুরু করলে যে তা বাড়তেই থাকে, তার সাথে অনেক নতুন ট্রেডার এখনো পরিচিত হননি। EUR/USD হটাত এত দুর্বল হয়ে যাওয়ায় তাই অনেকেই ভাবছেন, এখন কিনে রাখলে EUR/USD আবার আগের প্রাইসে ফেরত যাবে। EUR/USD অবশ্যই আবার ১.১৩ তে ফেরত যাবে, কিন্তু, তার আগে আরও ১০০০ পিপস নামবে কিনা বা আরো দুই বছর সময় লাগবে কিনা, তা কেউ বলতে পারেন না। সেক্ষেত্রে, আপনি যদি বাই ট্রেড দেন, কিন্তু স্টপ লস ব্যবহার না করেন, তাহলে নিজেকেই মস্ত বড় ঝুকির মধ্যে ফেলছেন আপনি। কেননা, EUR/USD যখন ১.৩৬০০ থেকে ১.২৯০০ তে নেমে আসে, তখন অনেকেই ভেবেছিল EUR/USD আবার ১.৩৬ এ ফেরত যাবে। তখন যারা স্টপ লস সেট না করে বাই দিয়েছিল, এখন তাদের অবস্থা ভাবুন? EUR/USD ১.২৯ থেকেও এখন ২১০০ পিপস কমে গেছে। ফরেক্স মার্কেটে প্রাইস কত নিচে নামার পর, আর তা কমবে না, সেটা বলা অসম্ভব। যে প্রাইসে EUR/USD কোনদিন নামবে না বলে আপনি মনে করছেন, তার থেকেও অনেক নিচে নেমে যেতে পারে EUR/USD এবং অনেকবার গিয়েছেও। তাই সাবধান হন এখনি। মার্কেট বর্তমান প্রাইস থেকে হয় আরো ৭০০-৮০০ পিপস বাড়বে বা কমবে। নিজেই ভাবুন, অনেক ট্রেডারই এখন EUR/USD বাড়বে বলে বাই দিয়ে বসে আছেন আর অনেকে হয়ত আরও কমবে এই আশায় সেল দিয়ে বসে আছেন। ধরুন এই দুই গ্রুপের কোন গ্রুপই স্টপ লস সেট করেনি। হয়ত সাময়িক বাড়া কমার কারণে এদের কেউ না কেউ প্রফিট পাবেন। কিন্তু, শেষমেষ মার্কেট কিন্তু ঠিকই ৭০০ পিপস উপরে বা নিচে যাবে, একসময় না একসময়। তার মানে এই দুই গ্রুপের কেউ না কেউ, ঠিকই ফতুর হয়ে যাবে। কিন্তু ,অপর গ্রপের ট্রেডাররাও কিন্তু বেশি একটা লাভ করতে পারবেন না কেন? কারন, কোন ট্রেডার কি ২০০ পিপস প্রফিট পাওয়ার পর তার ট্রেড আর খোলা রাখার সাহস পাবেন? নিশ্চয়ই না, কারণ মার্কেট কখন রিট্রেস করবে, এই ভয় তার মধ্যে কাজ করবে। কিন্তু, যিনি ২০০ পিপস লসে আছেন? ৫০ পিপস লসেই তার ট্রেড ক্লোজ করতে ভালো লাগেনি স্টপ লসে, এখন কি আর ভালো লাগবে? এখন তিনি ২০০ পিপস লসে, হয়তবা ব্যালেন্সের ২৫% ই মাইনাস হয়ে গিয়েছে। এই লস কাভার করতেও তার অন্তত ৪ টি ট্রেড জিততে হবে। তাই, এমতাবস্থায় আর সব ট্রেডারের মোট তিনিও চাইবেন, ট্রেড খোলা রেখে প্রার্থনা করতে যেন প্রাইস তার পক্ষে যায়। কিন্তু, মার্কেট তো ট্রেন্ডে, আরো কমারই কথা. প্রফেশনাল ট্রেডাররা খুশি হচ্ছে প্রত্যাশা মত দাম আরো কমায়। কিন্তু, তার তো বুক কাপছে, কারণ তিনি বিশাল লসে। শেষ পর্যন্ত দেখা যাবে, প্রত্যাশা মতই মার্কেট আরও ৭০০ পিপস নিচে নেমে যাবে। প্রফেশনাল ট্রেডারগণ, যারা হয়ত একটি লস করেছিলেন, তারা ৫-৬ টি ট্রেডে জিতে তার থেকেও অনেক বেশি প্রফিট করবেন। আর তিনি শুধু একটি ট্রেডের লস ঠেকাতে গিয়েই ফতুর হয়ে গেলেন। মোটামুটি এভাবেই সবাই ফতুর হয়ে যায়। একবার বড় ধরনের লস করে ফেললে তার থেকে ফিরে আসা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাড়ায়। আর মার্কেট এখন ট্রেন্ডে বলে, খুব অল্প সময়েই বড় ধরনের মুভ করতে পারে এবং একটানা কমতে বা বাড়তে পারে। তাই, এমতাবস্থায় আপনার করনীয় হল: ১) প্রতি ট্রেডে অবশ্যই ৫% এর বেশি রিস্ক নিবেন না এবং অবশ্যই স্টপ লস ব্যবহার করবেন। ২) ট্রেন্ডের বিপরীতে ট্রেড দিবেন না বা দিলেও খুব সাবধানতা অবলম্বন করবেন। ৩) সবসময় ট্রেন্ডের দিকে ট্রেড ওপেন করবেন, প্রাইস যখনই কোন সাপোর্ট বা রেজিস্টান্স ভেঙ্গে ফেলবে, তখনই সাথে সাথে সেল বা বাই দিবেন না, একটু অপেক্ষা করুন। দেখবেন, প্রাইস কমে সাপোর্ট ভেঙ্গে ফেলার পর আবার কিছুটা বেড়েছে, আপনি সেই প্রাইসে সেল দিন (ছোট স্টপ লস ও বড় টেক প্রফিট ব্যবহার করে, এ নিয়ে পরে শীঘ্রই আলোচনা করব )। যেহেতু, মার্কেট ডাউনট্রেন্ডে, তাই আপনার জেতার সম্ভাবনাই বেশি। আর বড় টেক প্রফিট আর ছোট স্টপ লস ব্যবহার করে, ট্রেড জিতলে আপনার লাভ হবে, হারলে যা লস হত, তারও কয়েক গুন অথবা আরও বেশি। ৪) মনে রাখবেন, আপনি যদি প্রতি ট্রেডে ২-৫% এর বেশি রিস্ক না নেন, মার্কেটে যত ঝড়ই বয়ে যাক, আপনার কিচ্ছু হবে না. আর যেসব ট্রেডার স্টপ লস ব্যবহার করবেন না, তারাই ফতুর হবেন। এরকম ট্রেডার করা এবং কিভাবে তারা ফতুর হন, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব পরের পোস্টে। আবারও বলছি, এটা নেহায়েত কোন সতর্কবাণী না, বহু দিনের অভিজ্ঞতার আলোকে বলা। তাই, সতর্ক হোন এখনি। বেশী লাভ করতে গিয়ে এমন লসের সম্মুখীন হবেন না, যাতে শেষমেষ ফতুরই হয়ে যেতে হয়। আগামী পোস্টঃ ফরেক্স মার্কেটে যেসব ট্রেডার ফতুর হবেনই হবেন
  11. ইনবক্সে ধন্যবাদ জানিয়ে বেশ কয়েকজন মেসেজ দিয়েছেন, প্রেডিকশন অনুযায়ী মার্কেট মুভ করায়। আপনাদের সবাইকে শুভেচ্ছা। প্রেডিকশন হচ্ছে আগে থেকেই অনুমান করা করা, মার্কেটে কি হবে সামনে। তবে, আমরা কিন্তু কোন প্রেডিকশন দেই না। বরং জানিয়ে দেই, কি নিউজ এলে মার্কেটে তার ইমপ্যাক্ট কি হবে, কিভাবে ট্রেড করতে হবে এবং ফরেক্স মার্কেট বেশ কিছুদিন ধরেই একদম প্রত্যাশিতভাবে মুভ করছে। আর তাই আপনার মনে হচ্ছে প্রেডিকশন অনুসারেই ফরেক্স মার্কেট মুভ করছে। গতকালই বলা হয়েছিল, আর এজন্য নিউজদুটির ফলাফল প্রত্যাশামত আশাই যথেষ্ট ছিল। US ADP employment প্রত্যাশামতই এসেছে এবং ISM non-manufacturing (প্রত্যাশিত ৫৬.৬ এর বিপরীতে ৫৯.১) নিউজের ফলাফল এসেছে প্রত্যাশা থেকেও ভালো। এমনিতেই ডাউনট্রেন্ডে রয়েছে EUR/USD এবং এই নিউজগুলো ভালো আসায়, আর সাথে দ্রাঘির Dovish বক্তব্যের কারনে প্রত্যাশা অনুযায়ীই ত্বরানিত হয় EUR/USD এর পতন। মার্কেট ইতিমধ্যেই ১.০৮৯৬ ভেঙ্গে ফেলেছে কিন্তু ১.০৮৪৭ কিন্তু ঠিকই সাপোর্ট হিসেবে কাজ করছে। তাই, EUR/USD কমে ১.০৮৪ এ নেমে আসলেও, ১.০৮৪৭ সাপোর্ট ভাঙ্গতে পারেনি এখনও। বিগত তিন ঘন্টা ধরেই প্রাইস বার বার ১.০৮৪ এ গিয়ে সেখান থেকে আবার ফেরত আসছে। কিন্তু, এই সাপোর্ট বেশিক্ষণ টিকবে কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়। আজ US Unemployment Claims রিপোর্ট প্রত্যাশার চেয়ে ভালো আসলে আরো দুর্বল হবে EUR/USD. সেক্ষেত্রে, পরবর্তী গন্তব্য হতে পারে ১.০৮০৮ (জুলাই মাসের সাপোর্ট)। আজ বৃহস্পতিবারের আরও গুরুত্বপূর্ণ নিউজঃ বিকেল ৫:৪৫ এ ECB (ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংক) প্রধান মারিও দ্রাঘি মিলানে বক্তব্য রাখবেন। বুধবারে ফ্র্যাঙ্কফুটে তার বক্তব্যের পর এই বক্তব্যেও ইউরোর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যেতে পারে তার কাছ থেকে। সাধারণত তার বক্তব্য মার্কেটে ভালো আলোড়ন সৃষ্টি করে। সন্ধ্যা ৬টায় প্রকাশিত হবে UK Rate Decision সংক্রান্ত রিপোর্টগুলো। ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড অক্টোবর মাসের মিটিংয়ে সুদের হার রেকর্ড নিম্ন ০.৫% এ নামিয়ে এনেছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে যে ইউকের শ্রমবাজার টার্গেট ২% মুদ্রাস্ফীতিতে পৌঁছানোর মত অবস্থায় নেই, তাই ২০১৬ এর বসন্ত পর্যন্ত মুদ্রাস্ফীতি ১% এর নিচেই থাকবে। সুদের হার নির্ধারণ ছাড়াও ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড ত্রি-মাসিক মুদ্রাস্ফীতি বা ইনফ্লাশন রিপোর্টও প্রকাশ করবে। এছাড়া সুদের হার সংক্রান্ত ভোটের ফলও একই সময়ে প্রকাশিত হবে যা পূর্বের ন্যায় ১-০-৮ থাকবে বলেই প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সন্ধ্যা ৬:৪৫ এ ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের গভর্নর মার্ক কার্নে বক্তব্য রাখবেন। তার বক্তব্যে নতুন রুপরেখা সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যেতে পারে। ফেডের হকিশ মনভাবের প্রেক্ষিতে মার্ক কার্নেও কি হকিশ মনভাব দেখাবেন এবং রেট বৃদ্ধি করবেন? পূর্বেও কার্নেকে লক্ষ্য করা গেছে ফেডের অ্যাকশনের জন্য অপেক্ষা করতে এবং তাদের পথ অনুসরন করতে। সন্ধ্যা ৭:৩০ এ প্রকাশিত হবে US Unemployment Claims রিপোর্ট। গত সপ্তাহে কি পরিমাণ জনগণ বেকার ভাতার সুবিধা নিয়েছে তা প্রকাশিত হয় এই ডাটার মাধ্যমে। গত সপ্তাহে তা ১০০০ বাড়লেও টানা ৩৪ সপ্তাহ ধরে এই সংখ্যা ৩০০,০০০ এর নিচে রয়েছে যা বর্তমানে আমেরিকার শ্রমবাজার যে যথেষ্ট শক্তিশালী সে কথাই নির্দেশ করে। এ সপ্তাহে ২৬৪,০০০ ফলাফল আশা করা হচ্ছে।
  12. আজ বাংলাদেশ সময় রাত বারটায় রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের Federal Open Market Committee Meeting বা FOMC মীটিং। ট্রেডাররা অপেক্ষায় রয়েছেন, এই মিটিং কে ঘিরে ফেড এর নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্ত জানার জন্য। যদিও তাতে খুব একটা পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা নেই এবং খুব শীঘ্রই ফেড সুদের হার বাড়াচ্ছে না। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পেন্ডিং সেলসসহ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সূচকগুলো ভালো আসায় অনেকে আশা করছেন ফেডের নীতিতে পরিবর্তন আসলেও আসতে পারে। FOMC সম্পর্কে আরো জানতে এখানে ক্লিক করুন। মার্কেট এখন ফেডের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছে, তাই মার্কেট মুভমেন্ট কম হচ্ছে। রাত ১২ টার পরপরই মার্কেটে বড় ধরনের মুভমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। ডলার শক্তিশালী হলে আজকে ১.১০ সাপোর্ট ব্রেক হতে পারে। এই মুহুর্তে EUR/USD ট্রেড হচ্ছে ১.১০৮৩ তে, GBP/USD ট্রেড হচ্ছে ১.৫২৯৩ তে এবং Inflation Data খারাপ আসার কারণে AUD/USD দুর্বল হয়ে এখন ট্রেড হচ্ছে ০.৭১৩১ এ।
  13. ফরেক্স বর্তমানে বাংলাদেশে একটি আলোচনার বিষয়। কিছু উদাহরণ দিচ্ছি- ফরেক্স করেন অথচ বিডিপিপস এর নাম না জানাটা যেমন অবাক করার মত, তেমন অনলাইনে আছেন অথচ টেকটিউন্স এর নাম জানেন না তা হতে পারেনা। আর এই টেক সাইটে বছর খানেক আগেও যদি কেউ ফরেক্স নিয়ে কোন টিউন করতো তাহলে অনেক বাজে কমেন্টস থাকতো। আর এখন যদি কেউ কোন রোবট অথবা একাউন্ট ম্যানেজের অফারও দেয় সেখানেও কোন বাজে কমেন্ট থাকে না। থাকবেই বা কেন - কারন এখন তো ঐ সাইটেই ফরেক্স ব্রোকারের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। আসলে কথা বিজ্ঞাপন নিয়ে না কথা হচ্ছে বর্তমানে বাংলাদেশের অনেকে ফরেক্স এর সাথে বুঝে বা না বুঝে জড়িয়ে পড়েছে। তবে যদি সঠিক গাইড লাইন না থাকে তাহলে এই ফরেক্স এর বিষয়ে নেতিবাচক ধারনা আসতে সময় লাগবেনা, যেমনটি ছিল ২-৩ বছর পূর্বে। আমি ফরেক্সে ২ বছর পার করেছি, যা আমার জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি। যেখানে ফরেক্সে ৯৫ ভাগ ট্রেডার লস করে সেখানে আমি দুই বছর টিকে আছি তার পরও লস না করে। এই দুই বছরে আমি অনেক নতুন অনেক অভিজ্ঞ ট্রেডারদের সাথে কথা বলেছি দেখা করেছি যার মধ্যে অধিকাংশই ট্রেড করেন কোন না কোন ইন্ডিকেটর দিয়ে তৈরি স্ট্যাটেজি দিয়ে। তবে যাদের সাথে কথা বলেছি তাদের কেউ কোন বিশেষ স্ট্যাটেজিতে ট্রেড করেন। অনেকে আবার প্রাইস একশনে ট্রেড করেন। কিন্তু আমার কপাল খারাপ-ই বলতে হবে কারন কাউকে খুজে পেলামনা যারা গ্যারন্টি দিয়ে মাসে ১০-২০ % লাভ করতে পারে। এটার একটা করনও আছে, আমরা বাঙ্গালিরা একটু ভাল করলে তা আর কাউকে শিখাতে চাইনা। মানে অফলাইনে চলে যাই। অনেকে আবার বলবেন ১০-২০% কেন আমি তো মাসে ২০০-৩০০ % লাভ করি। হে আপনি ঠিকই আছেন। কারন আপনার একাউন্ড ব্যালেন্স হয়তো ২০০ বা ৫০০ ডলার। আপনাকে যদি ১ লাখ ডলার দেওয়া হয় তখান হয়তো আবার লসও করে ফেলতে পারেন। আমার কথা হচ্ছে আপনার এমন ট্রেডিং স্ট্যাটেজি থাকতে হবে যা যেকোন ব্যালেন্স এর জন্য একই, তাহলে ঠিক আছে। আরও একটি বিষয় খেয়াল করা মতো বাংলাদেশে বেশ কিছু ব্রোকার কাজ করছে যার মধ্যে আবার কেউ কেউ হোইট লেবেল নিয়ে কাজ করছে। যাই হোক পোস্টটি আর বড় করবো না, করন আমারও বড় পেস্ট পড়তে ভাল লাগেনা। শেষে একটি গুরুত্বপূর্ন কথায় আসি। অনেকে এটার সাথে একমত নাও থাকতে পারেন, আবার অনেকে ১০০% একমত থাকবেন। অনেকেই হারমনি বাজাতে পারে। কেউ কোন নির্দিষ্ট গান বাজাতে পারে কারন সে ঐ নির্দিষ্ট গানটিই বাজাতে শিখেছে আবার কেউ যে কোন গান কারন সে হারমনি বাজাতে শিখেছে। তবে কোন নির্দিষ্ট গান বাজানো শিখলে কোন এক সময় আপনাকে থেমে যেতে হবে। কারন... Imran Hossain fb.com/m01713261932 fb.com/forexchartsetup
  14. আপনি যদি নিম্মলিখিত কোন একটি ট্রেডিং সমস্যায় থাকেন তাহলে ডেইলি চার্ট টাইম ফ্রেম আপনাদের এর থেকে মুক্তি দিতে পারে। কারন ডেইলি চার্ট এর ট্রেড এন্ট্রি সিগনাল খুবই হাই কোয়ালিটি সম্পন্ন হয়। দয়া করে এই পোস্টটা অন্যান্য ট্রেডারদের সাথে শেয়ার করবেন। ট্রেডিং সমস্যা গুলো হলঃ ১। ওভার ট্রেডিংঃ বিভিন্ন কারনে অনেক বেশী ট্রেড করেন, যেমন- লোভ, ট্রেডিং প্ল্যান ইত্যাদি না থাকার কারনে। ২। ট্রেড ওপেন করতে ভয় লাগেঃ ট্রেড ওপেন করতে ভয় লাগে। যেমন কোন ট্রেডটি ওপেন করবেন আর কোনটা করবেন না তা নিয়ে আত্মবিশ্বাসী নন। তাই দেখা গেছে অধিকাংশ ভালো ট্রেডের সুযোগ আপনি হাত ছাড়া করছেন। ৩। ওভার এনালাইজঃবিভিন্ন টাইম ফ্রেমে এমনকি ২০ টার ও বেশী পেয়ারে আপনি ঘণ্টার পর ঘণ্টা শুধু এনালাইজই করছেন। সবশেষে আপনি ক্লান্ত হয়ে এমন একটা ট্রেড ওপেন করছেন যার কোন সলিড কারণই নেই। এবং এইভাবে শুধু লস-ই হচ্ছে। ৪। ট্রেডিং আসক্তিঃ আপনি সবসময়ই ট্রেডের মধ্যেই থাকতে চাচ্ছেন, যার ফলে অনেক লস ট্রেড হচ্ছে। এবং এই ট্রেডিং আসক্তি আপনার পার্সোনাল লাইফ এবং পারিবারিক জীবনের উপরও প্রভাবিত হচ্ছে। ৫। প্রফিটেবোল ট্রেডের ধারাবাহিকতা নেইঃ আপনার হয়তো একটা সপ্তাহ খুব ভালো প্রফিট হচ্ছে কিন্তু দেখা গেছে যে, ঠিক পরের সপ্তাহেই আপনার তার সমান লস হচ্ছে। এইসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে ডেইলি টাইম ফ্রেমে ট্রেড করতে হবে। আমার লেখা ফরেক্স নিয়ে আরও আর্টিকেল পড়তে নিচের ব্লগে ঘুরে আসতে পারেন। TaNa FoReX DiaRy
  15. সামরিক বাহিনীর একজন স্নাইপারের তার শত্রুর উপর পূর্বনির্ধারিত একটা লক্ষ্য থাকে। সে তারপর ধৈর্য্য ধরে তার লক্ষেই অটল থাকে। এবং তার ব্যাবহার করা অস্ত্রের উপর তার বিরাট দক্ষতা থাকে। একজন স্নাইপার খুব সচেতনভাবে তার মন এবং শরীরকে যে কোন পরিস্থিতিতে দীর্ঘ সময় ধরে নিয়ন্ত্রন করার ক্ষমতা রাখে। একজন স্নাইপারের এসব গুরুত্বপূর্ণ গুণগুলো আমরা আমাদের ফরেক্স ট্রেডিং-এ ও কাজে লাগাতে পারি। কারন ফরেক্স ট্রেডিংটাও ঠিক তার অনুরুপ। একজন স্নাইপারের মত আপনারও দরকার একটা লক্ষ্য (স্ট্রাটেজি), আপনার সেটার উপর দক্ষ হতে হবে, ধৈর্য্য বাড়াতে হবে, নিয়ম মানতে হবে এবং নিজের উপর নিয়ন্ত্রন রাখতে হবে। ওভার ট্রেড, ওভার লিভারেজ ব্যাবহার করা যাবেনা। ট্রেডিং করার সময় মনে যে পরিমাণ চাপ সৃষ্টি হয় সেটা কিন্তু একটা যুদ্ধের মতই। এবং আপনি সেই যুদ্ধের যোদ্ধা। যুদ্ধে যেমন একটু অসচেতনতাই নিয়ে নেয় যে কারো মূল্যবান জীবন ঠিক তেমনি ফরেক্স ট্রেডিং নিয়ে নিবে আপনার মূল্যবান টাকা। যে ট্রেডাররা তাদের ট্রেড এন্ট্রি খুব ধৈর্য্য, দক্ষতা এবং বুদ্ধিমত্তার সাথে নেয় ঠিক যেমন স্নাইপারদের মত, তারাই কিন্তু সর্বদা ফরেক্সে সাফল্য পায়। এবং যেসব ট্রেডাররা মেশিন গানের মত ট্রেড করে যেমন মেশিন গানাররা চোখের সামনে যা দেখতে পায় তাই শুট করে (অনেক বেশি ট্রেড করে), তাই খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সে তার গোলাবারুদ (টাকা) শেষ করে ফেলে। কিন্তু কীভাবে আপনিও একজন স্নাইপারের মত ট্রেড করতে পারবেন সেটা জানতে ভিসিট করুন আমার ব্লগে। একজন স্নাইপারের মত ট্রেড করুন, মেশিন গানারের মত না!!!!
  16. বিডিপিপ্স স্কুল থেকে ফরেক্স শেখা শুরু করেছি। পিপ্স, লিভারেজ, মানি ম্যানেজমেন্ট সবই বুঝেছি কিন্তু শুরুর একটা জিনিস এখনও পরিস্কার হয়নি। তা হল buy/sell এর মধ্যে পার্থক্য কি। কখন buy করবো, কখন sell করবো। আমাকে একটু বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব। ধন্যবাদ।
  17. প্রিয় ট্রেডার ভাইয়েরা, বেশিরভাগ জাতীয় ব্যাংকগুলিই সুদের হারের পরিবর্তন করেছে, আগামী ৩০ই ডিসেম্বর ২০১৩ থেকে নিম্নলিখিত নতুন মুদ্রা-জোড়ায় সোয়াপ (swaps) এর জন্য কার্যকর অদলবদল প্রভাবিত করবে। EUR/USD, USD/JPY USD/CHF EUR/CHF EUR/GBP AUD/CAD AUD/CHF CAD/CHF CAD/JPY NZD/CAD NZD/CHF NZD/JPY EUR/AUD GBP/CHF GBP/JPY AUD/NZD EUR/NZD GBP/AUD GBP/CAD আপনি নতুন অদলবদলগুলো খুঁজে পেতে পারেন তালিকাভুক্ত এই নির্দিষ্টপৃষ্ঠায়। আপনাকে মনে করিয়ে দিতে চাই যে, বাজারের বাইরের বিষয়গুলি সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ আনার পরিপ্রেক্ষিতে ট্রেডিং এ নিয়মিতভাবে মুদ্রা-জোড়ায় (swaps) হিসেবে অদলবদল পরিবর্তন করা হয়। আপনার যদি প্রয়োজন হয় তাহলে এই সমস্ত পরিবর্তনের থেকে আপনার ট্রেডিং কৌশল অবলম্বন সমন্বয় করুন। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে তাহলে, support@mail.instaforex.com ইন্সটাফরেক্সকে ইমেল করতে বিব্রত বোধ করবেন না.
  18. # প্রতিদিনের ট্রেডের জার্নাল কোথা থেকে কিভাবে পাওয়া যায়? # TP ৪০(চল্লিশ)পিপস এবং SL ২০ পিপস দিলাম, এক্ষেত্রে ১৫ মিনিটস এর ফ্রেমে এনট্রি নিয়ে ১ ঘন্টার এর জন্য ট্রেড ধরে রাখা ভাল হবে নাকি সরাসরি ১ ঘন্টার ফ্রেমে এন্ট্রি দেয়া ভাল হবে? #যেহেতু স্বাভাবিক মার্কেটে ১৫ ও ৩০ মিনিটের চার্ট ট্রেডিং এ ১৫-২০ পিপস এর বেশি আশা করা ঝুঁকিপূর্ণ ; এক্ষেত্রে TP ৪০(চল্লিশ)পিপস এবং SL ২০ পিপস দিয়ে ১ বা ৪ ঘন্টার চার্ট এনালাইসিস করে ১৫ মিনিটের চার্টে এন্টি দেয়া ঠিক হবে কী?
  19. প্রিয় বন্ধুরা, নতুন কিছু বৈশিষ্ট্য দেখার জন্য আপনাদের সবাইকে মনোযোগ দিয়ে এই পোস্টটি দেখার জন্য বলছি, বিশেষ করে যাদের InstaForex এ ডেমো অ্যাকাউন্ট আছে। এখন আপনি ফরেক্স অপশন ট্রেডিং এর সব সুবিধা গ্রহন করে আনন্দিত হবেন ও প্রশংসা করবেন শুধুমাত্র InstaForex-Demo.com কিংবা InstaForex-Contest.com সার্ভারে একটিমাত্র ডেমো অ্যাকাউন্ট খুলে। আপনি InstaForex ডেমো অ্যাকাউন্ট কেবিনেট এ অপশন ট্রেডিং এর বিকল্প চেষ্টা করে দেখতে পারেন। যদিও, আপনি বিশাল আকারে আপনার নিজের টাকায় ঝুঁকি ছাড়াই বৈদেশিক মূদ্রার ট্রেডিং ইনস্ট্রুমেন্ট এবং ফরেক্স অপশন ট্রেডিং এ দক্ষ হয়ে উঠবেন। ডেমো ট্রেডিং এ লাভ করুন আপনার অমূল্য অভিজ্ঞতা ! অপশন ট্রেডিং হল একটি সুবর্ণ সুযোগ, ঝুঁকি কমাতে এবং লাভ বৃদ্ধির জন্য। যদি আপনি মনে করেন 'অপশন ট্রেডিং খুব জটিল' তাহলে এখন আপনার নমনীয়তা এবং বহুমুখিতার দ্বারা আপনি ডেমো অ্যাকাউন্ট উপর চর্চা করে তা শিখতে পারেন! InstaForex এটিকে আরও বেশি সুবিধাজনক করতে এই শর্ত ত্যাগ করবে না। তাই এখনই অপশন ট্রেডিং থেকে উপকৃত হন!। এটা শুধুমাত্র কোম্পানির প্রতিযোগিতা এবং প্রচারণা অংশগ্রহণের না, যে ডেমো অ্যাকাউন্টের জন্য প্রযোজ্য ।
  20. আমি কিছু দিন আগে mayzus ফোরাম সাইড এ পোস্ট করি আমার প্রায় ৩০ ডলার হয়েছে।কিন্তু আমি জানিনা যে কি ভাবে এই টাকা দিয়ে রিয়েল ট্রেড করা যায় । তাই আপনারা যারা এ বিসয়ে জানেন তারা ভাল ভাবে জানাবেন যে কি ভাবে কি করতে হয়
  21. Salam to all. I am a new comer in FOREX market…….I am trading in demo account now, using 1 minute and 5 minute chart. I have some questions below 1. What should be my average pips per trade in using 1 minute and 5 minute chart ?2. How much pips should I use as SL?3. What is best indicator for tracing price movement?4. If I use 100 dollar in my live account, what should amount be my target at the end of month as profit?5. What is/are best broker?6. In BD, some traders are recommending to trade without any indicator. Only candlestick and chart and price movement are the criteria for enter/exit trade. Any recommendation or suggestion about this philosophy Thanks to all in advance. (sorry for English)
  22. ইএসএম এর বিপক্ষে করা অভিযোগটি বাতিল করে দিয়েছে জার্মান আদালত অভিযোগটি বাতিল করা হবে, প্রত্যাশাটা এমনই ছিল। হতাশ করেনি জার্মান আদালত, ইউরোপিয়ান স্ট্যাবিলিটি মেকানিজম বা ইএসএম এর বিরুদ্ধে এক জার্মান সংসদ কতৃক দায়েরকৃত অভিযোগটি আজ খারিজ করে দিয়েছে দেশটির আদালত। পুনরুদ্ধার প্রকল্পের জন্য গঠিত তহবিলে জার্মানির দায়বদ্ধতার পরিমান ১৯০ মিলিয়ন ইউরোর বেশি হলে অবশ্যই সংসদের উভয় কক্ষ থেকে অনুমোদন নিতে হবে, এই শর্তে ইসিএম এর পক্ষে রায় দেন আদালত। এছাড়াও, চুক্তির একটি গোপনীয় ধারা বাতিল করেছেন আদালত। দ্রাঘির আনলিমিটেড বন্ড ক্রয় প্রকল্পে দৃশ্যত আর কোনো বাধা রইল না। তবে, সবচেয়ে বড় অংশীদার জার্মানির কাছ থেকে ১৯০ বিলিয়ন ইউরোর বেশী সহায়তা পেতে সংসদেরও অনুমোদন লাগবে এখন। মনে হয় সেটাও সমস্যা হবে না, কারন অ্যাঞ্জেলিনা মার্কেল আছেন না! রায়ের আগে স্পাইক, রায়ের পর চুপ রায় প্রকাশের আগেই মার্কেটে বড় ধরনের স্পাইক দেখল ট্রেডাররা। রায় প্রকাশের ঠিক আগ মুহূর্তে ১.২৮৮০ থেকে মুহূর্তেই ১.২৮১৮ এ নেমে আসে ইউ এবং কিছুক্ষনের মধ্যেই দ্রুত বেড়ে ১.২৯০৫ এ পোঁছে যায় রায় প্রকাশের পর পরই। এই ৬২ পিপসের দ্রুত মুভমেন্টে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন অধিকাংশ ট্রেডারই। প্রথমত, রায়ের আগেই যারা বাই ট্রেড ওপেন করেছিলেন, তাদের স্টপ লস হিট করেছে। আর মার্কেট পড়তে দেখে যারা সেল করেছিলেন, কিছুক্ষনের মধ্যেই ইউরো/ইউএসডি দ্রুত ১.২৯ হিট করায়, লস করেছেন তারাও। উত্থান পতনের খেলা শেষে আবার আগের ১.২৮৮৬ এ ট্রেড হচ্ছে ইউ। মার্কেট কি ম্যানিপুলেটেড হয়েছে? প্রশ্নটা অনেকেরই। তবে দীর্ঘমেয়াদে ইঊ এর জন্য ভালো সংবাদ এটি, আরও বাড়তে পারে ইউ।

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×